• রবিবার (সকাল ৯:০৫)
    • ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ভোলায় যৌতুক মামলাঃ অফিস টাইমে ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেফতার

ভোলা ব্যুরোঃ

অফিস টাইমে কর্মরত অবস্থায় ভোলার মনপুরায় একজন ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় তাকে এভাবে গ্রেফতার করা হয়।  ভোলার মনপুরায় সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার জোবায়ের হাসান  শাকিল তার নাম। তাকে স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলায় কর্মরত অবস্থায় ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এ দিকে ব্যাংকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি না নিয়ে কর্মরত অবস্থায় একজন অফিসারকে আটক করায় সোনালী ব্যাংকের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসারকে আটকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ব্যাংক ম্যানেজার ও পুলিশের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এই ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক ভোলা জেলার এজিএম আবুল কালাম আজাদ মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের জানান, মনপুরা শাখায় কর্মরত অফিসারকে আটকের বিষয়টি তিনি ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কেউ জানে না। তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

“আধুনিক যুগে যৌতুক চাওয়ার পর ও বিয়ে দেয়া ঠিক নয়।  কারন বোঝা উচিত যে আগে যৌতুক চায় সে পরেও ঝামেলা করতে পারে। লোভীরা একবার সুযোগ পেলে বারবার সেই কাজ করতে চায়।তবে ব্যাংক কর্মকর্তা যৌতুকের জন্য চাপ দিবেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। নারী নির্যাতন ঘটলেও  এ সমাজে পুরুষরাও নিরব নির্যাতনের শিকার।”

রোববার দুপুর ১টায় সোনালী ব্যাংক, মনপুরা শাখায় কর্মরত অবস্থায় ওই সিনিয়র অফিসারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মনপুরা সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার রাসেদ মাহমুদ জানান, কর্মরত অবস্থায় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি টিম এসে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। তারা আমাদের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়নি। তবে একটি কাগজ রেখে গেছে যেখানে পুলিশের কর্মকর্তাদের সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।

মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ টিমের এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় ওই অফিসারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি নেয়া হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী শশী বিনতে সামাদ সাংবাদিকদের জানান, ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর ঢাকার মিরপুরের শেওড়াপাড়া কাজী অফিসে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে আমাদের বনিবনা হচ্ছিল না। সে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করা শুরু করে। তার নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে আমি নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলা দায়ের করি।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন নারী নির্যাতন একটি সামাজিক ব্যাধি। আধুনিক যুগে যৌতুক চাওয়ার পর ও বিয়ে দেয়া ঠিক নয়।  কারন বোঝা উচিত যে আগে যৌতুক চায় সে পরেও ঝামেলা করতে পারে। লোভীরা একবার সুযোগ পেলে বারবার সেই কাজ করতে চায়।তবে ব্যাংক কর্মকর্তা যৌতুকের জন্য চাপ দিবেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। নারী নির্যাতন ঘটলেও  এ সমাজে পুরুষরাও নিরব নির্যাতনের শিকার।

ক্রাইম ডায়রি// আইন শৃংখলা//ক্রাইম

Total Page Visits: 49 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Send this to a friend