• রবিবার (সকাল ১০:৩১)
    • ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

মাদক ব্যবসায়ী ইউপি মেম্বরকে আটকের দাবীতে মানববন্ধন

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট প্রতিনিধি:

মাদকের বিরুদ্ধে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির সফল বাস্তবায়নের মাঝেও সরকারের মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক দায়িত্বপালনকারী একজন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাদকের সাথে নিজে জড়িত আবার ব্যবসাও করেন এমনটা ভাবতেই কেমন যেন অবাক হতে হয়। মাদক কেন; কোন একটা দূর্নীতি করে আওয়ামীলীগের কোন প্রভাবশালীই যেখানে পার পায়নি সেখানে এই মেম্বরের খুঁটির জোর কোথায়?? কার ইন্ধনে ও সাহসে তিনি মাদক ব্যবসা করেন???সেই গুটিবাজ ইন্ধনদাতা ও তার সহযোগী ইউপি মেম্বরকে এখনি গ্রেফতার সময়ের দাবী।।

সম্প্রতি, বাগেরহাটের চিতলমারীতে বিধবার জমি দখলের প্রতিবাদ ও আওয়ামী লীগ নেতা দিপুল শেখ হত্যা মামলার আসামী মাদক ব্যবসায়ী ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চিতলমারী উপজেলার পরানপুর গ্রামে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধনে দুই শতাধিক এলাকাবাসী অংশ নেয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড (পরানপুর) আওয়ামী লীগের সভাপতি ফখরুল আলম, মৃত হানিফ শেখের স্ত্রী হাওয়া বেগম, আওয়ামী লীগ নেতা মৃত দিপুল শেখের ছেলে আল আমিন শেখ, স্ত্রী কামনা বেগম, দিপুলের ভাই মোঃ বাবুল শেখ, ফরিদ শেখ, স্থানীয় নোমান শেখ, এসএম সুমনসহ আরও অনেকে।

মাদক কেন; কোন একটা দূর্নীতি করে আওয়ামীলীগের কোন প্রভাবশালীই যেখানে পার পায়নি সেখানে এই মেম্বরের খুঁটির জোর কোথায়?? কার ইন্ধনে ও সাহসে তিনি মাদক ব্যবসা করেন???সেই গুটিবাজ ইন্ধনদাতা ও তার সহযোগী ইউপি মেম্বরকে এখনি গ্রেফতার সময়ের দাবী।।

বক্তারা বলেন, মিজানুর রহমান একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এমন কোন অপরাধ নেই যা তিনি করেননি। ৮ই এপ্রিল মিজানুর রহমান ও তার লোকেরা হামলা চালিয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক দিপুল শেখকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এলাকার অনেকেরই জমি দখল করেছে এই মিজান ও তার বাহিনী। থানায় হত্যা, মাদক, জমিদখলসহ কয়েকটি মামলা থাকলেও মিজানকে আটক করে না পুলিশ। মিজানের দাপটে স্থানীয়রা সব সময় আতঙ্কিত থাকেন। মিজানকে আটক করে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।
হত্যার শিকার আওয়ামী লীগ নেতা দিপুল শেখের ছেলে আল আমিন শেখ বলেন, ৮ এপ্রিল মাগরিবের সময় মিজান ও তার লোকেরা আমার বাবার উপর হামলা করে। পরে রাতেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার পিতা মারা যায়। আমরা হত্যা মামলা করলেও পুলিশ মিজান মেম্বরকে আটক করেনি। বরং মিজান আমাদেরকে হুমকী ধামকি দিচ্ছে মামলা তুলে নিতে।
বিধবা হাওয়া বেগম বলেণ, মিজান মেম্বর ও তার লোকেরা জোর করে আমার বাড়ির ১৭ শতক জমি দখল করে নিয়েছে। আমি জমিতে আসতে পারিনা। জমিতে আসলে আমাকে মেরে ফেলবে। আমি থানা পুলিশকে জানালেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি তারা। আমি আমার জমি ফেরত চাই। এই অত্যাচারীর হাত থেকে বাঁচতে চাই। শুধু আমার নয় এলাকার অনেকের জমি দখল করেছে মিজান মেম্বর। ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারে না।
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শরিফুল হক বলেণ, মামলার পর থেকে মিজান পলাতক রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি তাকে আটকের জন্য।

ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম
Total Page Visits: 53 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Send this to a friend