• বৃহস্পতিবার (রাত ২:৩৭)
    • ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের সব পাটকল

কালিমুল্লাহ দেওয়ান রাজাঃ

পাটকল নিয়ে সকল জল্পনা-কল্পনার দিন শেষ। বঙ্গকন্যা ও দেশদরদী প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনা   সম্প্রতি বন্ধ ঘোষিত দেশের পাটকলগুলোকে আবার চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে পাটকলগুলো চালু করা হবে।  বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

মন্ত্রী জানান, পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার পাটশিল্প সম্প্রসারণে সব ধরনের সহায়তাও দেবে। ০৩ আগষ্ট, ২০২০ইং সোমবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা জানান। ঈদের তিন দিনের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে নিজ মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দফতর/সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিয়ে এ সভা করেন মন্ত্রী। পাটমন্ত্রী বলেন, বহুমুখী পাটপণ্যের বর্তমান বাজার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে পাটপণ্যের উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পুনর্বিন্যাস করে বিজেএমসির বন্ধ ঘোষিত মিলগুলো জরুরি ভিত্তিতে পুনরায় চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

“অবসায়নের পরে দেশের পাটকলগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি), যৌথ উদ্যোগ জিটুজি বা লিজ মডেলে পরিচালনার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে এবং সকল মিল উপযুক্ত ব্যবস্থায় আধুনিকায়ন ও পুনরায় চালু করা হবে।”

বিজেএমসির জনবল কাঠামো পরিবর্তিত পরিস্থিতির আলোকে যৌক্তিকীকরণের বিষয়ে সুপারিশ দিতে উচ্চপর্যায়ের দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এ দিকে সরকারের এমন পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করছেন পরিবেশ রক্ষার অন্যতম হাতিয়ার এই পাট-শিল্পের বিকাশ ঘটানো সহ সোনালী আঁশের সোনালী দিন আবার ফিরে আসবে সরকারের এমন পদক্ষেপে।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়

Total Page Visits: 66423

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাত ১০টার পরে বাহিরে বের হওয়া নিষিদ্ধ

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

মহামারী করোনায় ভয়াবহতার শিকার বিশ্ববাসী। পুরো বিশ্ব আজ শিখেছে কিভাবে নতুন করে বাঁচতে হয়। বাঁচার নতুন কৌশল নিয়ে নতুন পৃথিবীর সন্ধানে গবেষকরা। এহেন পরিস্থিতিতে     জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত দেশবাসীকে অকারনে বাহিরে বের না হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এছাড়া দোকানপাট ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ০৩ আগষ্ট, ২০২০ইং সোমবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মঙ্গলবার থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ নির্দেশনা বলবৎ থাকবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জরুরি কোন প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে যাওয়া যাবে না। তবে ক্রয়-বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, জরুরি পরিষেবা, ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন ও সৎকার ইত্যাদি কাজে বাহিরে বের হয়ে যাবে। এতে আরও বলা হয়, ঘরের বাহিরে গেলে মাস্ক পরিধান ও পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায়, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া হাটবাজার, দোকানপাট, শপিংমলে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোভাবে প্রতিপালন করতে হবে। আদেশে সরকার আরও বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে। যা নিম্নরুপঃ—-

১. আগামী ৪ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি এ নিয়ন্ত্রণের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

২. হাটবাজার, দোকানপাট, শপিংমলে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। শপিংমলের প্রবেশপথে তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজার রাখতে হবে। শপিংমলে আগত যানবাহনকে অবশ্যই জীবণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। পণ্য ও খাদ্য ক্রয়ে জনগণকে ই-কমার্স সাইট ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে।

“আদেশে বলা হয়, রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জরুরি কোন প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে যাওয়া যাবে না। তবে ক্রয়-বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, জরুরি পরিষেবা, ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন ও সৎকার ইত্যাদি কাজে বাহিরে বের হয়ে যাবে। এতে আরও বলা হয়, ঘরের বাহিরে গেলে মাস্ক পরিধান ও পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায়, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে।”

৩. সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারি করা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ, অসুস্থ কর্মচারী ও সন্তানসম্ভবা নারীরা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

৪. গণপরিবহনসহ সব ধরনের যানবাহন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে হবে।

৫. এ সময়ে সব সভা-সমাবেশ, জমায়েত ও অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ভার্চুয়াল উপস্থিতি অনুষ্ঠান আয়োজনে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সময়ে প্রদত্ত নির্দেশনা মেনে মসজিদে জামাত ও অন্যান্য উপাসনালয়সমূহে প্রার্থনা পরিচালনা করা হবে।

সরকারি এ নির্দেশনা মেনে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সহযোগিতার জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 66423