• রবিবার (সকাল ৯:২৩)
    • ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বগুড়ার শেরপুরের ইতালি গ্রামে দূর্ধর্ষ চুড়িঃ আটক ০১

শাহাদাত হোসেন, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ

 

বগুড়া শেরপুর ভবানীপুর ইউনিয়নে ইতালী গ্রামে রুস্তম আলীর বাড়ীতে দূর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।  স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,  বগুড়া শেরপুর উপজেলার  ভবানীপুর ইউনিয়নের ইটালী গ্রামে মোঃ রুস্তম আলীর বাড়ীতে একদল চোর সিঁদ কেটে চুড়ি করে।পূর্ব ও পরের ঘটনা মিলিয়ে বাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশীরা বুঝতে পারে নেশাযুক্ত ট্যাবলেট তরকারীর সাথে মিশিয়ে বাড়ির লোকজনকে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন করে চুড়ির ঘটনা ঘটানো হয়েছে।।

অনুমান করা হয় যে, রাত  ০২ ঘটিকার সময় বাড়ীর গোয়াল ঘরের জানালা ও থাকার ঘরের জানালা কেটে চোরেরা ভিতরে প্রবেশ করে। এসময় তারা নগদে ৯০ হাজার টাকা এবং একটা মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এই  ঘটনায় শেরপুর থানার একটা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শেরপুর থানা সুত্রে জানা গেছে,বাড়ী মালিক মোঃ রুস্তম আলী  চুরির বিষয়ে থানায় ৫ জনকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন। শেরপুর থানা পুলিশ এই অভিযোগে সিয়াম হোসেন পিতাঃ দুলাল হোসেন গ্রামঃ ইটালীকে  আটক করেছে।

প্রতিবেশী ও বাড়ীর মালিকদের বর্ননাতে জানা যায়, আসামী সিয়াম হোসেন আগের দিন বিকাল হতে রুস্তম আলীর বাড়ীর আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় এবং একপর্যারে সে বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করে লোকজন না থাকার সুযোগে রান্না করে রাখা তরকারীর মধ্যে নেশাযুক্ত ট্যাবলেট মিশায়। এ সময়  ঐ বাড়ীর শিশু সন্তান টের পেয়ে বলে চাচ্চু আমাদের তরকারীর মধ্যে লবন দিলে আমরা তা খাবো কিভাবে। গ্রেফতারকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা

Total Page Visits: 66765

কালীগঞ্জ থানা পুলিশের সফল অভিযানঃ মাদক সম্রাজ্ঞী চায়নাসহ আটক ০৩

ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ


ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে আলোচিত নারী মাদক ব্যবসায়ী চায়না বেগম সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক। ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেন্সিডিল উদ্ধার। শনিবার (২৫ জানুয়ারী-২০) রাত ৮ টার সময় কালীগঞ্জ থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কালীগঞ্জের গান্না রোডের সিও এনজিওর সামনে থেকে আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী চায়না বেগম (৩৮) কে আটক করা হয়। এ সময় তার নিকট থেকে ৩৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। আটক নারী এই মাদক ব্যবসায়ীর নামে কালীগঞ্জ থানায় ৭ টিরও অধিক মাদক মামলা রয়েছে। সে কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়া (নদিপাড়া) গ্রামের আবদুস সালামের স্ত্রী। তার বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

একই দিনে সন্ধ্যা ৬ টার সময় পৃথক আরেক অভিযানে কালীগঞ্জ উপজেলার কাদিপুর গ্রামে থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার চটকা বাড়িয়া গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী হোসেন আলী (৩৫) এবং একই উপজেলার পাখিমারা (ভায়না) গ্রামের আনোয়ার চৌধুরীর ছেলে নাজমুল চৌধুরী (২৫) কে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহাঃ মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ কালীগঞ্জ গান্না রোডের সিও এনজিও সামনে অভিযান চালিয়ে ৩৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ আড়পাড়া (নদিপাড়া) গ্রামের আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী চায়না বেগমকে আটক করা হয়। সে দীর্ঘদিন ধরে কালীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। তার নামে কালীগঞ্জ থানায় ৭ টিরও অধিক মাদক মামলা রয়েছে।

সে ইতঃপূর্বে একাধিক বার মাদক সহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। একই দিন পৃথক আরেক অভিযানে উপজেলার কাদিপুর গ্রাম থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ হরিনাকুন্ডু উপজেলার চটকা বাড়িয়া গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী হোসেন আলী এবং একই উপজেলার পাখিমারা (ভায়না) গ্রামের আনোয়ার চৌধুরীর ছেলে নাজমুল চৌধুরী কে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার আটক আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা

Total Page Visits: 66765

সুনামগঞ্জের চাঁরাগাঁও সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাথর পাঁচারের অভিযোগ এলাকাবাসীর

মোজাম্মেল আলম ভূূূূইয়া, সুনামগঞ্জ হতেঃ


সুনামগঞ্জের চাঁরাগাঁও সীমান্তে সরকারের  রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে  ২৬.০১.২০ইং রবিবার সকাল ৬টা থেকে অবৈধভাবে ভারত থেকে লক্ষলক্ষ টাকার পাথর পাচাঁর  করেছে চোরাচালানীরা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার তাহিরপুর উপজেলার চাঁরাগাঁও শুল্কস্টেশন সংলগ্ন এলাকা দিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রায় ৪মাস পূর্বে বিজিবির সোর্স পরিচয় দিয়ে চলা একদল অপরাধী  অবৈধ ভাবে ভারতের ভিতর থেকে শ্রমিকদেরকে দিয়ে ট্রলি বোঝাই করে প্রায় ১০হাজার টন পাথর পাঁচার করে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্টে আনে।

এঘটনার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। একারণে পাচারকৃত পাথরগুলো সীমান্তেই আটক রাখে বিজিবি। সেই সাথে ভারত থেকে অবৈধ ভাবে পাথর পাচার বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাউকে না কাউকে   ম্যানেজ করে  সকাল ৬টা থেকে অর্ধশতাধিক ট্রলি দিয়ে অবৈধভাবে পাচাঁরকৃত আটক থাকা পাথরগুলো সোর্স পরিচয়ধারী ম,শ ও  দ আদ্যক্ষরের ভৈরবগং প্রকাশ্যে বিজিবি ক্যাম্পের সামনের রাস্তা দিয়ে সমসার হাওর পাড়ের নৌকা ঘাটে নিয়ে যায় এবং ভারত থেকে আবার পাথর পাঁচার শুরু করে। সেই সাথে চোরাচালানীরা দীর্ঘদিন যাবত প্রতিরাতে কয়লা,মদ,গাজা ও ইয়াবা পাঁচার করছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এসব অনিয়ম ও দূর্নীতির খবর পেয়ে সীমান্ত এলাকায় র‌্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা,মদ,গাজা,বিড়ি ও অস্ত্রসহ অনেক চাঁদাবাজ ও চোরাচালানীকে আটক করে।

সীমান্ত চোরাচালান ও চাঁদাবাজি নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করলে  অপরাধীদের হোতারা  সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করার জন্য চোরাচালানীদের উৎসাহিত করাসহ মামলা নেওয়ার জন্য থানায় ফোন করে অনুরোধ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত আটক থাকা অবৈধ পাথরগুলো পাঁচারের বিষয়ে জানতে চাঁরাগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের সরকারী মোবাইল নাম্বারে কল করলে সুবেদার দিলোয়ার উত্তেজিত হয়ে বলেন,আমরা কি করব না করব সেটা আমাদের ব্যাপার তাতে সাংবাদিকদের কি,কিছু জানার থাকলে ক্যাম্পে এসে দেখা করুন।

চোরাচালানীদেরকে ১সপ্তাহের জন্য অবৈধভাবে পাথর পাঁচারের অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক মাকসুদুল আলমের বক্তব্য জানার জন্য তার সরকারী মোবাইল নাম্বারে (০১৭৬৯-৬০৩১৩০) বারবার কল করার পরও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে এই সংবাদদাতাসহ একাধিক পত্রিকার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন । তাই এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও অন্যায়ের সাথে আপোসহীন নেতা বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার   সুদৃষ্টি কামনা করছেন সাংবাদিকগনসহ এলাকার সচেতন জনসাধারণ।

ক্রাইম ডায়রি/// ক্রাইম///অপরাধজগত

Total Page Visits: 66765

উজিরপুরে সরকারি খাল ও রাস্তা অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ

আব্দুর রহিম সরদার,  উজিরপুর সংবাদদাতাঃ

বরিশালের উজিরপুরে সরকারি আইনকে উপেক্ষা করে একের পর এক সরকারি খাল ও রাস্তা অবৈধভাবে জোর পূর্বক দখল করে পাকা ভবন নির্মান করছে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা। পানির
গতিপথ বন্ধ করে দিয়ে পাকা ভবন করায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। জানা যায় উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের গড়িয়াগাভা ৩ নং ওয়ার্ডের মৃত মোতাহার আলি হাওলাদারের ছেলে ভূমিদস্যু শুক্কুর আলি হাওলাদার ও একই বাড়ীর সোনর উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে ভূমিদস্যু খোরশেদ আলি হাওলাদার সরকারি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ক্ষমতার দাপটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য চৌমোহনী টু ডাবেরকুল গড়িয়াগাভা এলাকার সাবেক একজন প্রধান শিক্ষক হাওলাদারের বাড়ির পশ্চিম পার্শ্বে খালের মধ্যে আরসিসি পিলার করে পাশা-পাশি ২টি পাকা ভবন নির্মাণ করছে । আরো অভিযোগ পাওয়া যায়, তারা এলাকায় কাউকে মানছেনা। শত বাধা প্রদান করলেও থেমে নেই তারা। কতিপয় প্রভাবশালী নেতাদের নাম

ভাঙ্গিয়ে গড়ছে পাকা ইমারত। অভিযুক্ত শুক্কুর আলি জানান কারো পৈত্রিক জমিতে পাকা ভবন
করিনি,সরকারি জমিতে ভবন করছি তাতে কারো দেখার কিছুই নেই। খোরশেদ আলি দখলের ব্যাপারে এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এ্যাডঃ শহিদুল ইসলাম মৃধা জানান এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে সরকারি আইন ফাকি দিয়ে যদি কেউ সরকারি খাল ও রাস্তা দখল করে ভবন তৈরি করে তাদের ব্যাপারে প্রশাসনের কাছে আবহতি করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনতি বিশ্বাস জানান তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঐ ভূমিদস্যুদের কবল থেকে সরকারি রাস্তা ও খাল দখল মুক্ত রাখতে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী।

ক্রাইম ডায়রি///

Total Page Visits: 66765

সি আই ডি’র বিশেষ সফলতাঃ বিকাশ ও লটারী প্রতারক চক্রের মূল হোতা গ্রেফতার

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

বিকাশের মাধ্যমে প্রতারনা করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। গ্রাম বাংলার সহজ সরল মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে একদল প্রতারক চক্র নিজেদেরকে প্রশিক্ষিত করে মোবাইল কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তা সেজে বিভিন্ন প্রলোভনে টাকা আদায় করে। এক্ষেত্রে হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে মানুষের অসীম লোভ।

একটি মামলাকে কেন্দ্র করে এমনই একটি প্রতারকচক্রকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়েছে  সি আই ডি পুলিশ। সি আইডি সুত্রে জানা গেছে, খিলগাঁও (ডিএমপি) থানায় করা বিগত ২৯/০৬/২০১৮ খ্রিঃ একটি মামলা যার নং ৭১ ও ধারা-৪০৬/৪২০/১০৯ (পেনাল কোড) এর জের ধরে বিশেষ কৌশল ব্যবহার করে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানাধীন আজিমনগর ইউনিয়নের মধ্য ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে

রুবেল মুন্সি নামের একজনকে গ্রেফতার করে।  সে  ছদ্ম নাম ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে লটারীর প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারকচক্রের মাষ্টারমাইন্ড ও দলনেতা বলে সি আই ডি পুলিশ সুত্রে জানা গেছে। জানা গেছে, এই রুবেল ফরিদপুর জেলাট ভাঙ্গা থানার মধ্য ব্রাহ্মনপাড়া গ্রামের টোকন মুন্সি ও চায়না বেগমের ছেলে।  এ সময় তার কাছ থেকে ০৮টি মোবাইল ফোন এবং ১২টি বিভিন্ন কোম্পানর সীম কার্ড উদ্ধার করে আলামত হিসাবে জব্দ করা হয়। জানা যায়, রুবেল ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মিলে বিভিন্ন মোবাইল  ফোন ব্যবহারকারীদের নিকট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গ্রামীণ/রবি/বাংলালিংক/ এয়ারটের/টেলিটক কোম্পানী থেকে লটারীতে গাড়ী, বাড়ী, অর্থ পুরস্কার হিসাবে পেয়েছেন বলে প্রলোভন দেখায়।

এমন ভাবে ঘটনাটি বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে যে; যে কেউ লটারির ঘটনা বিশ্বাস করে।  এ ক্ষেত্রে নিয়ামক হিসেবে কাজ করে মানুষের অসীম লোভ। এরপর  মোটা অংকের টাকা একাধিক বিকাশ একাউন্ট নাম্বারের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়। উক্ত আসামী ও তার সহযোগীরা মিলে বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা দ্বীন মোহাম্মদ(৫০), পিতা- মৃত মোহাম্মদ আলী, সাং- বাসা নং-৯, ব্লক-ই, মেইন রোড, দক্ষিণ বনশ্রী, থানা- খিলগাঁও, ডিএমপি, ঢাকা এর কাছ থেকে ১২২টি বিকাশ একাউন্ট নাম্বারের মাধ্যমে সর্বমোট ৫৫,০০,০০০/- (পঞ্চান্ন লক্ষ) টাকা আত্মসাৎ করে নেয়। মামলাটি সি আই ডিতে আসে তদন্তের জন্য।

সি আইডি’র দক্ষ কর্মকর্তা ও বিশেষ পুলিশ সুপার (ঢাকা মেট্রো পূর্ব) জনাব কানিজ ফাতেমা এর নির্দেশে ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা  কর্মকর্তা (ডেমরা ইউনিট, ঢাকা মেট্রো পূর্ব) এস আই আকসাদুজ্জামান  এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ কৌশলী ফাঁদে এদের গ্রেফতার করে।

ক্রাইম ডায়রি///   অপরাধজগত//আইন শৃঙ্খলা

Total Page Visits: 66765

ঝালকাঠিতে থানায় “নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী হেল্প ডেস্ক” এর শুভ উদ্বোধন

ইমাম বিমান, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানায় “নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী হেল্প ডেস্ক” এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত। ২৩ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন এর শুভ উদ্ভোধন করেন।
এ সময় ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও (সদর সার্কেল) এম.এম মাহমুদ হাসান পিপিএম(বার) উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয় নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হলে অনেক ক্ষেত্রে তাদের শিকারউক্তি মূলক জবানবন্ধি নিতে আমাদেরকে অন্যের দারস্থ হতে হতো।

বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী নির্যাতন বা ধর্ষনের শিকার হয়ে থানায় আসলে তারা সাধারনত পুরুষ পুলিশ কর্মকরতাদের কাছে বলতে ইতস্থতা বোধ করতো। সেই দিক থেকে নারী শিশুদের সঠিক তথ্য পেতে ঝালকাঠি পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আমাদের থানায় নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের সেবা দেয়ার লক্ষে একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে এ দায়িত্ব অর্পনের মাধ্যমে “নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী হেল্প ডেস্ক” করা হয়। আমরা আশা করছি আমার মাননীয় পুলিশ সুপার মহাদ্বয়ের এ উদ্যোগে সাফল্য আসবে বলে আমরা মনে করছি।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা

Total Page Visits: 66765

ফলোআপঃ বগুড়ার শেরপুরে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

শাহাদাত হোসেন, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃঃ

পরিবেশ দূষণ নিয়ে ”  বগুড়ার শেরপুরে বায়ু ও পরিবেশ দূষণঃঃ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা জনতার” শিরোনামে ২২জানুয়ারী একটি নিউজ প্রকাশিত হয় ক্রাইম ডায়রির অনলাইন দৈনিক ও অনলাইন টেলিভিশনে।   পরিবেশ দূষনের কারনে জনদূর্ভোগ হওয়ায়  বগুড়ার বিজ্ঞ ও জনবান্ধব জেলা প্রশাসক ও রাজশাহী বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর   এর উদ্যোগে    জেলা প্রশাসন, বগুড়া এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়, বগুড়া’র যৌথ উদ্যোগে শেরপুর উপজেলার নিজাম বগুড়া নামক এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।

এ সময় স্থানীয় জনগনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ও সরেজমিনে  অবৈধভাবে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ইট উৎপাদন করার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায়     মেসার্স খান ব্রিকস নামক অবৈধ ইটভাটাকে ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ  টাকা) এবং মেসার্স এস বি টি ব্রিকস নামক অবৈধ ইটভাটাকে ৩, ০০,০০০/- (তিন লক্ষ টাকা) মোট ০৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য্য এবং আদায় করা হয় এবং ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর বগুড়ার উদ্যোগে এমন অভিযানে খুশি এলাকাবাসী। সুদীর্ঘ সময় ধরে ইটভাটার মাটি কাটা ও তা বহন করতে গিয়ে ট্রাকচালকদের অনিয়ম ও প্রচন্ড ধুলায় এলাকাবাসীর অস্থিরতা ও অভিযোগকে গুরুত্ত দেওয়ায় জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ইটভাটার আশেপাশের স্থানীয় জনগন।

ক্রাইম ডায়রি///আদালত//জেলা//ক্রাইম

Total Page Visits: 66765

বগুড়ার শেরপুরে বায়ু ও পরিবেশ দূষণঃঃ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা জনতার

শাহাদাত হোসেন, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃঃ

বগুড়ার শেরপুর থানার বিভিন্ন জায়গায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নেে এ অভিযোগের মাত্রা সবচেয়ে বেশি।  গবেষণায় জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর যতো মানুষের মৃত্যু হয় তার ২৮ শতাংশই মারা যায় পরিবেশ দূষণ জনিত অসুখবিসুখের কারণে। কিন্তু সারা বিশ্বে এধরনের মৃত্যুর গড় মাত্র ১৬ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংক ২০১৫ সালের এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছে, শহরাঞ্চলে এই দূষণের মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে তারা বলছে, দূষণের কারণে ২০১৫ সালে বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যুর কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তুলনা করতে গিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবেশ দুষণজনিত কারণে বাংলাদেশে যেখানে ২৮ শতাংশ মৃত্যু হয় সেখানে মালদ্বীপে এই হার ১১ দশমিক ৫ শতাংশ আর ভারতে ২৬ দশমিক ৫।

বচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে নারী ও শিশুরা

বাংলাদেশের পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের নেতা এবং প্রিভেনটিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলছেন, পরিবেশ দূষণের বেশ কয়েকটি ভাগ রয়েছে। যেমন বায়ু দূষণ, পানি দূষণ, খাদ্য দূষণ ইত্যাদি রয়েছে। এর সবগুলোর ফলেই কোন না কোনভাবে মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এ দূষণ এখন শহরের গন্ডি পেরিয়ে  গ্রামকেও গ্রাস করে ফেলেছে। সম্প্রতি, ইটভাটাসহ বিভিন্ন কারনে অকারনে মাটি কেটে পরিবেশের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে একদল মানুষ।  বহনকৃত ড্রামট্রাকের ধুলায় পরিবেশ নষ্ট ও জনজীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে ।।।

বগুড়া জেলার   শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ঘোগাবটতলা নামক স্হানে সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘসময় একটানা মাটি পরিবহনের কাজ। প্রায় ১০ থেকে ১৫ টি মাটি বহনকৃত ট্রাকে মাটি ভরাট করে ঘোগা বটতলার পার্শ্বে কয়েকটি ইটভাটাতে মাটি পরিবহন করা হয়। অনিয়ন্ত্রিত এইসব ট্রাকের কারনে ঘোগাবটতলা থেকে ভবানীপুর লোকাল রাস্তায় প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হয় এবং নিয়ম না মেনে গাঁয়ের জোরে গাড়ি চালানোয়  প্রচুর ধূলা উড়ে আশে পাশে মুদির দোকানে ও কেজি স্কুল সহ বিভিন্ন শ্রেনীর কোমলমতি ছেলে মেয়েদের পরিষ্কার পোষাক নষ্ট সহ নানা রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের সর্দিসহ গ্রাম্য জনজীবনেও নেমে এসেছে পরিবেশ দূষণ জনিত অশান্তি। তাছাড়া,  বেপোরোয়া চালানোর কারনে শিশুদের জীবন ঝুঁকির মাত্রাও বেড়ে গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ সাপ্লায়াররা যদি পানি ব্যবহার এবং বেপোরোয়া গতি বন্ধ না করতে পারে তবে যে কোন সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দূর্ঘটনা। আবার অনেকে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।প্রজাতন্ত্রেের কর্মীদের কাজই যদি হয় জনগনকে সার্ভিস দেয়া ; তবে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে পরিবেশের দূষনের জন্য কোন ভূমিকা কি তারা নিচ্ছেন??? এমন প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে।          ২২/০১/২০২০ইং তারিখ সকাল১১:০০ ঘটিকার সময় ভবানীপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার জনাব, মোখলেছুর রহমান  নিজে এই মাটি বহনকৃত ট্রাকগুলোর পথ আটকে দেন এবং তিনি ক্রাইম ডায়রির ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিকে  জানান, এই মাটির ট্রাকগুলো পরিবেশ দূষিত করছে এবং ধুলার কারনে গরীব দোকানদারদের বিক্রি নষ্টসহ আশেপাশের বাড়িগুলোর অমানবিক অবস্থায় পড়েছে। এছাড়া কোমলমতি শিশুরা ধুলাজনিত সর্দি-জ্বরেে আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি বলেন,  পানির ব্যবস্হা না করলে আমি কোন ভাটার মাটি দিতে দিবো না। এরা একদিকে কৃষিজমি বিনষ্ট করছে অপরদিকে দূষিত করছে পরিবেশ। এদিকে এলাকার বিজ্ঞমহল

স্থানীয় উপজেলার জনগনের অভিভাবক প্রজাতন্ত্রের নিয়োগ প্রাপ্ত উপজেলা প্রশাসক,থানা প্রশাসনের ওসি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষনের   পাশাপাশি উদ্বর্তন মহলের দৃষ্টি ও আকর্ষণ করেছেন।

ক্রাইম ডায়রি///জেলা//ক্রাইম///পথের ///পরিবেশ

Total Page Visits: 66765

র‍্যাব-৪ এর সাফল্যঃচাকুরী দেয়ার নামে প্রতারক চক্রের বিশাল টিম হাতেনাতে গ্রেফতার

আরিফুল ইসলাম কাইয়ুমঃ

চাকুরী দেয়ার নাম করে প্রতারনা নতুন কিছু নয়। তবে এমন অপরাধ আগে করতে মানুষের বিবেক কাজ করত।এখন সময় পাল্টেছে। পরিবর্তন হয়েছে বিবেকের।  মানুষ এখন নিজ স্বার্থের জন্য মানুষকে ঠকিয়েই আনন্দ অনুভব করে। এমনি এক প্রতারক চক্রকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে      র‍্যাব-৪.

সারাদেশে  র‍্যাবের ধারাবাহিক অভিযান যেমন সাধারন গণমানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে তেমনি বন্ধ হয়েছে অনেক গুরুতর অপরাধ। তবুও প্রাকৃতিক নিয়মে অপরাধ সংগঠিত হবেই। তা নিয়ন্ত্রণে এনে সমাজে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখায় প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব। যে দায়িত্ব পালনে র‍্যাব- যথাযথ ভূমিকা রাখছে বেনজির আহম্মেদের নেতৃত্বে।

র‍্যাব-৪ সূত্রে জানা গেছে, চাকুরী দেয়ার কথা বলে প্রতারনা করছে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২১ জানুয়ারি ২০২০ইং তারিখ সন্ধ্যা ৬টায় র‍্যাব-৪ এর চৌকস আভিযানিক দল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার উনু মং এবং সহকারী পুলিশ সুপার সাগর দীপা বিশ্বাস এর নেতৃত্বে মহানগরীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পেশাদার প্রতারকচক্রের ৩০ সদস্যকে গ্রেফতার করে এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত নানাবিধ নথিপত্র ও সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত অনেক আসামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এক বা একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এদের প্রতারণার অফিস রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের সংগঠন ও প্রতারণা কৌশল সম্পর্কে বিবিধ তথ্য প্রদান করেছে। র‍্যাব-৪ সুত্রে জানা গেছে, তাদের  প্রতারনার পুুুরো কার্যক্রম।  র‍্যাব-৪এর ফেসবুক ওয়াল হতে পোস্টটি জনস্বার্থে সরাসরি তুুুুলে ধরা হলো।প্রতারক সংগঠনের কার্য পদ্ধতি টার্গেট/ভিকটিম/চাকুরীরপ্রার্থী সংগ্রহঃ

ক। চাকুরীর প্রার্থী সংগ্রাহকঃ প্রতারকচক্রের প্রতিটি সদস্য প্রতারণাকে তাদের পেশা হিসেবে গ্রহণ করায় তাদের এ সংগঠনের একটি সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে। এরা নিজেদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে। এরা প্রতারক চক্রের মাঠ পর্যায়ের কর্মী। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেকার যুবকদেরকে চাকুরী প্রদানের লোভনীয় অফার দিয়ে নিয়ে আসে। ভিকটিমদের বলা হয় একমাসের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করেই চাকুরী পাওয়া যাবে। ভিকটিমদের নিকট এই প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধার ব্যাপারে লোভনীয় অফার দেয়। ভিকটিমকে প্রলুব্ধ করে এবং তথ্যাদি সংগ্রহ করে প্রতারক চক্রের অফিস কার্যালয়ে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে। এই টার্গেটে সংগ্রহকরাই মূলতঃ নিজেরাও পূর্বে প্রতারিত হয়েছে। টাকা বিনিয়োগ করে এবং বিনিয়োগকৃত টাকা উদ্ধারের প্রলোভনে পড়ে নিজেরাও প্রতারনার সাথে জড়িয়ে পড়ে এবং নতুন নতুন সদস্য সংগ্রহ করে। এদেরকে প্রতি গ্রাহক/টার্গেট সংগ্রহের জন্য নির্দিষ্ট অংকের টাকা (Percentage) দেওয়া হয়।

খ। ভাইভা অফিসারঃ পরবর্তীতে এদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর এবং মাকেটিং অফিসার এর মাধ্যমে সদস্যদেরকে ভাইভা অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যরা তাদের ভাইভা নেয় এবং তাদের কাছ থেকে চাকুরী দেওয়ার নাম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের অফিসে ভুয়া সুন্দরী Receptionist অফিস সহকারী ইত্যাদি বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীদের রেখে প্রকৃত অফিসের আবহ তৈরী করে। টাকা গ্রহনের পরে ট্রেনিং এর নামে ট্রেনিং অফিস নামে কথিত অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দেয়।

গ। ম্যানেজারঃ ভিকটিম এর নিকট থেকে সংগ্রহকৃত অর্থ জোনাল ম্যানেজার সংগ্রহ করে থাকে।

ঘ। এজিএম এবং জিএমঃ ম্যানেজার উক্ত অর্থ সংগ্রহ করে এজিএম এর মাধ্যমে জিএম এর কাছে পৌছানো হয়।

ঙ। চেয়ারম্যানঃ চেয়রম্যান চাকুরীর প্রার্থীদের প্রশিক্ষণে কিভাবে জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রার্থীরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে তার প্রেষনা দিয়ে থাকে। এজিএম এবং জিএম এর মাধ্যমে সংগ্রহকৃত অর্থ চেয়ারম্যান এর নিকট পাঠিয়ে দেয়া হয়।

চ। ট্রেনিং সেন্টারঃ ভাইভা অফিস থেকে ভিকটিমদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর/মার্কেটিং অফিসার এর অধীনে ট্রেনিং সেন্টার এ প্রশিক্ষণের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ছ। প্রশিক্ষকঃ এখানে ভুয়া প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে ভিকটিমদের ০১ মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়ার নাম করে আটকে রাখা হয়। যখন ভিকটিম বুঝতে পারে তারা প্রতারিত হয়েছে এবং তাদের প্রদেয় অর্থ দাবি করে। তখন প্রতারক চক্র তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং তাদের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। পরবর্তীতে রাতারাতি প্রতারক চক্র অফিস গুটিয়ে তাদেরকে রেখে পালিয়ে যায়। প্রশিক্ষকদের মধ্যে রুম সুপার, মেস ম্যানেজার বিভিন্ন পর্যায়ে জনবল নিয়োগ দেওয়া থাকে।

জ। ডায়মন্ড এবং সিলভার পদবী: প্রতারক চক্রের মধ্যে যে সকল সদস্য ৫০ জনের অধিক সদস্য সংগ্রহ করে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠাতে পারে তাদেরকে ডায়মন্ড উপাধি দেওয়া হয় এবং ২৫-৩০ জন সদস্য সংগ্রহকারিকে সিলভার পদবী প্রদান করা হয়।

৩। ঘটনাস্থল হতে ২০৩ জন ভুক্তভুগীদের উদ্ধার করা হয়। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রতারকচক্রটি ৫০,৮০০ টাকা করে সর্বমোট ১,০৩,১২,৪০০/- (এক কোটি তিন লাখ বার হাজার চারশত) টাকা আত্মসাৎ করে। আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা গ্রামের মধ্যশিক্ষিত বেকার ও নিরীহ যুবকদের চাকুরী দেয়ার নাম করে প্রায় এক হাজার এর অধিক চাকুরী প্রত্যাশিদের সাথে প্রতারণা করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অদূর ভবিষ্যতে এইরুপ অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাব-৪ এর জোড়ালো সাঁড়াসি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে র‍্যাব-৪ সুত্রে জানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/অপরাধজগত///আইন শৃঙ্খলা

Total Page Visits: 66765

আসছে আওয়ামীলীগের তৃনমুল সম্মেলনঃ বগুড়ার সীমাবাড়িতে ডাঃ আলাল সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীঃ দেশবাসীর নিকট দোয়া কামনা

শরীফা আক্তার স্বর্না ও শাহাদাত হোসেন, বগুড়া হতেঃ

বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শই হলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা গড়া । সোনার বাংলা গড়ার এই লড়াইয়ে তার সাথে আছেন আপামর দেশবাসীসহ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক আওয়ামিলীগের তৃনমুল পর্যায়ের নেতা ও কর্মীরা।  তাই বলে অন্যায়ের সাথে কোন আপস নয়। নয় কোন চাঁদাবাজি ও ধান্দাবাজি। অন্যায়কারী ও দেশবিরোধী যে কেউ বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার নিকট  অপরাধী বিবেচিত। দেশ প্রেমিক ও বাংলাদেশকে মনে প্রাণে ভালবাসে এমন যে কেউই তার আদর্শের কর্মী বিবেচিত। তাই শুদ্ধি অভিযানে ছাড় দেয়া হয়নি কাউকেই।

সে  দলেরই হোক কিংবা বিরোধী দলের।। বঙ্গকন্যা ও লৌহমানবী শেখ হাসিনা   শুধু  দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা রাষ্ট্র নায়কই শুধু নন ; তিনি একাধারে বারবার নির্বাচিত দলের প্রধান।

তাই সুবিবেচনার ও সমতার ভিত্তিতে তিনি দল গোছাচ্ছেন। দেশের যে কোন অঞ্চলের তুলনায় বগুড়াকে একমাত্র বিরোধী দল বি এনপির ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিনা করা হয়। সম্প্রতি হয়ে যাওয়া সম্মেলনে  তাই এখানকার আঞ্চলিক ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে আওয়ামিলীগ যথেষ্ট সুবিবেচিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে; বগুড়ার শেরপুরের কৃতি সন্তান মজিবর রহমান মজনুকে সভাপতি করার মাধ্যমে। জেলা শাখার ৭ ই ডিসেম্বর সম্মেলনের পর উপজেলা সম্মেলনের কাউন্ট ডাউনশুরু হয়েছে ।

যে কোন দলের দলীয় বিবেচনায় উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ থানা হলো উত্তরবঙ্গের একমাত্র প্রবেশদ্বার খ্যাত বগুড়ার শেরপুর থানা।  এ থানার আবার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হলো সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার সীমান্ত এলাকা সীমাবাড়ি ইউনিয়ন৷ এখানকার আওয়ামীলীগের অনেক কার্যক্রমের উপর প্রভাব রাখে দুই জেলার রাজনীতি। তাই আলোচনার এখন কেন্দ্রবিন্দু হলো সীমান্তবর্তী এই ইউনিয়নের কে হবেন পরবর্তী সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক।

 

জনশ্রুতি হলো, ইউনিয়নের ফুডভিলেজ খ্যাত ও বি এনপির সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের নিজ গ্রাম হতে ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামীলীগের    সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান ইউনিয়ন আওয়মীলীগের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলাল।  ডাক্তারী পেশায় থাকার কারনে এলাকার জনগনের খুব কাছে পৌঁছুতে পারা এ ভদ্রলোক যেমন মিশুক ; তেমন মিষ্টভাষী।  এলাকার চায়ের দোকান কিংবা পারিবারিক আলোচনায় এবং ক্রাইম ডায়রির নিজস্ব অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলাল নামই সবচেয়ে বেশী জনশ্রুত।।

তিনি শেরপুর উপজেলা সীমাবাড়ী ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে মানুুষে মন জয় করেছেন।  বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার বিভিন্ন উন্নয়নের হাতিয়ার হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নেের সোনার বাংলা  গড়ার লক্ষ্যে সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জনগনকে সচেতন করার একান্ত কাজ তিনি আপন মনে করে চলেছেন।  রাজনৈতিক

ক্যারিয়ার যেহেতু আওয়ামীলীগের মাধ্যমেই শুরু তাই  আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে বাকী জীবনটাও কাটিয়ে দিতে চান বলে ক্রাইম ডায়রির এ প্রতিনিধিকে তিনি জানিয়েছেন।  তাছাড়া, ডাঃ  মোমিনুল খন্দকার আলাল তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে অনেকটাই এগিয়ে আছেন।  ৮৮ এর দশকেে ছাত্র জীবন থেকেই পিতার হাত ধরে রাজনৈতিক জীবন শুরু।  তার পিতা সাবেক আওয়ামীলীগের নেতা জনাব মোঃ আব্দুল আজিজ খন্দকার মুকুল।

তার পারিবারিক অবিভাবক বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আশরাফ উদ্দিন সরকার মুকুলের উৎসাহ ও আগ্রহে তাদের হাত ধরেই ছাত্র জীবন অদ্যবধি পর্যন্ত আওয়ামীলীগের সাথে  তার রাজনৈতিক পথচলা অব্যহত আছে। আসন্ন শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক পদ প্রার্থী কি না জানতে চাইলে ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলাল সাংবাদিকদের বলেছেন, বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের অবিভাবক জেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মজিবুর রহমান মজনু সাহেবের আশির্বাদ ও তার সহযোগীতা ও তৃনমূল নেতাকর্মীদের সমর্থন ও তাদের উৎসাহ পেয়েই তিনি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে মনে করছেন। দলীয় অভিভাবকদের অনুমতি পেলে তিনি নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষনাও দিবেন বলে আশা রাখেন।

তবে সাধারন সম্পাদক হন বা না হন তিনি বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার   উন্নয়নমূলক কর্মের সাথে একাত্বতা পোষণ করে  জনগনকে সচেতন করাসহ জনকল্যানে কাজ করে যেতে চান বলে জানান। তিনি বলেন, আমার অভিভাবক জননেতা মজিবুর রহমান মজনু সাহেবের নেতৃত্বে ও তার সৈনিক হিসেবে  আওয়ামীলীগকে একটি শক্তিশালী ও আদর্শ ভিত্তির উপর দাঁড় করানোর সংগ্রামেে নিয়োজিত থাকব । ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলাল এর সম্পর্কে সীমাবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ,  ডাঃ আলাল আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা। তাকে বিপদ আপদে কোন প্রয়োজনে ডাকলে সব সময় কাছে পাওয়া যায় বলে সাধারন মানুষের অভিমত ।  তৃনমূল নেতা কর্মীদের সাথে সুন্দর আচরন ও তাদের সাথে ভাল ব্যবহার, তাদের কথা মন দিয়ে শোনা,  সু পরামর্শ দেয়াসহ আর্থিক, মানসিক সেবার জন্য তিনি সবার মনে স্থান করে নিয়েছেন। সমাজ সেবা হতে অসহায় দুস্থঃদের পাশে নিজ অর্থায়নে সহযোগীতা করে যান ও ফ্রী চিকিৎসা সেবা ও দান করেন বলে এলাকা সুত্রে জানা গেছে।

শুরুটা হলো যেভাবে——-

মোমিনুল খন্দকার আলাল ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত হাজী ওয়াহেদ মরিয়ম অনার্স কলেজের একজন ছাত্রলীগ কর্মী ছিলেন। ২০১০ সালে শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সীমাবাড়ী ইউনিয়নে কাজ করে আসছেন। তিনি ২০১২ সাল থেকে আওয়ামীলীগের  সীমাবাড়ী ইউনিয়ন কমিটিতে স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন  । তিনি বড়াইদহ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ও রায়গঞ্জ উপজেলা বনিক সমবায় সমিতির সহ-সভাপতি পদেও দায়িত্ব পালন করছেন।

কর্মজীবনে ডাক্তারীর পাশাপাশি ঢাকা হতে প্রকাশিত ক্রাইম ডায়রিতে ( জাতীয় সাপ্তাহিক, অনলাইন দৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন ও অপরাধ গবেষনা) রায়গঞ্জ থানা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি মানবাধিকার সংগঠন ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের শেরপুর থানা সভাপতি এবং জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের বগুড়া জেলা কমিটির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন।

তিনি যত দিন বাঁচবেন শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের একজন আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা হিসেবে কাজ করে যেতে চান বলে তিনি জানান। তিনি ক্রাইম ডায়রির মাধ্যমে সীমাবাড়ি বাসীসহ সমগ্র দেশবাসী ও আওয়ামী পরিবারের সকলের দোয়া কামনা করেন।

ক্রাইম ডায়রি///রাজনীতি//জেলা//গ্রাম বাংলা

Total Page Visits: 66765