• শুক্রবার ( রাত ৪:৫৩ )
    • ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

অবশেষে পদত্যাগে বাধ্য হলেন আলোচিত ভিসি নাসির উদ্দিন

ক্রাইম ডায়রির গোপালগঞ্জ অফিসঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সেই বিতর্কিত ও আলোচিত  ভিসি অধ্যাপক খোন্দকার নাসিরউদ্দিন অবশেষে পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন।

সোমবার দুপুরের দিকে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবদুল্লাহ আল হাসান চৌধুরীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সেটি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কাছে হস্তান্তর করেন। পদত্যাগের ব্যাপারে মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবের সঙ্গে ভিসি মৌখিকভাবে আলোচনা করেন বলে জানা গেছে।

এরআগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের গঠিত ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাকে অপসারণ করার সুপারিশ করেছে। ভিসি নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে সেই তদন্ত কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। সেই কারণে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে।

স্বেচ্ছাচারিতা ও নৈতিক স্খলনসহ বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্যের বিরুদ্ধে আরও যে অভিযোগগুলো উঠেছে সেগুলোরও প্রমাণ মিলেছে বলে বলা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছিল সেখানকার শিক্ষার্থীরা।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়/শিক্ষা

Total Page Visits: 19966

ক্যাসিনোর টাকার ভাগ যারা পেয়েছেন তাদের কেউ ছাড় পাবেনা–ওবায়দুল কাদের

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে  বলেছেন, ক্যাসিনোর টাকার ভাগ যারা পেয়েছে তাদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। সিলেটে সড়ক জোন অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ক্যাসিনোর টাকার ভাগ যারা পেয়েছে; তারা আওয়ামী লীগ কিংবা অন্য দলের অথবা পুলিশ প্রশাসনের হলেও ছাড় দেয়া হবে না।’

ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান আওয়ামী লীগ নিজেদের ঘর থেকে শুরু করেছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এর সাথে যারা জড়িত, তাদের কাউকে ছাড় না দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল সম্পর্কে তিনি বলেন, মহাসড়কে করিমন, নসিমনসহ তিন চাকার যান চলাচল বন্ধে কাজ চলছে। এ যানের আমদানির বিষয়টা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। ‘আমদানি বন্ধ করতে একাধিক চিঠি দিয়েছি। এছাড়া নম্বরবিহীন সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করতে ব্যবস্থা নিতে আগে থেকেই প্রশাসনকে বলে রাখা আছে,’ বলেন মন্ত্রী।

এদিকে সিলেট-ঢাকা চার লেন সড়কের ব্যাপারে তিনি বলেন, ফান্ডিংয়ের অভাবে আগে থেকে কাজ শুরু করা যায়নি। চার লেনের ব্যাপারে শুরু থেকেই তিনি আন্তরিক বলে জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ, কেন্দ্রীয় সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরীসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 19966

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরিবেশ দূষণঃ সাত ফ্যাক্টরীকে সোয়া তিনকোটি টাকা জরিমানা

ফারুক হোসেন হৃদয়, নারায়নগঞ্জ অফিসঃ
প্রাচ্যের ড্যান্ডি বলে খ্যাত মিল কারখানার শহর
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরিবেশ দূষণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ছয়টি ডাইং কারাখানা এবং একটি রি- রোলিং মিলকে ৩ কোটি ১৮ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত র‌্যাব-পুলিশের সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক রুবিনা ফেরদৌসির নেতৃত্বে সংস্থাটির ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালায়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, এনফোর্সমেন্ট বিভাগের উপ-পরিচালক আল মামুন, নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাঈদ আনোয়ার, র‌্যাব ১১ কালিরবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ (এএসপি) মোস্তাফিজুর রহমানসহ পবিরেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
অভিযানে ইটিপি প্লান্ট না থাকা, প্লান্ট থাকলেও ব্যবহার না করা এবং অপরিশোধিত বর্জ্য ফেলে নদী ও খালের পানি দূষণের অভিযোগে সাতটি কারখানাকে জরিমানা করা হয়।
এর মধ্যে  সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার লামাপাড়া কুতুবপুর এলাকায় অবস্থিত রূপসী নীটওয়্যার এন্ড ওভেন ডাইং কারখানায় ইটিপি প্লান্ট না থাকা, বজ্য মিশ্রিত পানি পরিশোধন না করে সরাসরি ডিএনডির খালে ফেলা, পরিবেশের ছাড়পত্র নবায়ন না করায় ও মাত্রাতিরিক্ত শব্দ দুষণের অভিযোগে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা জমিরানা করা হয়।
জরিমানার অনাদায়ে রূপসী নীট ওয়্যারের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলামকে আটকের পর র‌্যাবের গাড়িতে উঠানোর চেষ্টা করা হলে তিনি র‌্যাব ও পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হন।
ফতুল্লার শিয়াচর এলাকায় অবস্থিত ফজর আলী ডাইংএন্ড প্রিন্টিং ও ফিনিশিং কারাখানায় কয়েক দফা সময় নিয়েও ইটিপি প্লান্ট স্থাপন না করা এবং বজ্য মিশ্রিত দূষিত পানি ফেলে পরিবেশ দূষণের দায়ে ৭০ লাখ ৩৩ হাজার ৪শ’ ৪০ টাকা জরিমানা করা হয়।
একই অভিযোগে নন্দলালপুর জিএম ডাইংকে ২৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ও পারভেজ ডাইং কারখানাকে ২ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া কুতুবপুর এলাকায় অবস্থিত একই মালিকের তিনটি শিল্প প্রতিষ্ঠান লবোম্বে ডাইং, বোম্বে টেক্সটাইল মিলস ও আল মোজাদ্দেদ রি রোলিং মিলসকে পরিবেশ ও বায়ু দুষণের অভিযোগে ১৯ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাঈদ আনোয়ার ক্রাইম ডায়রিকে   জানান, তারা প্রত্যেকেই ১৯৯৫ সনের পরিবেশ সংরক্ষন আইনের ৭নং ধারা লঙ্ঘন করে কারখানা পরিচালনা করে আসছিলো। ফলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তাই কারখানাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সতর্কতার পরও কেউ পরিবেশ দূষণ অব্যহত রাখলে তাকে জরিমান ও শাস্তির আওতায় আনা হবে।
ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত
Total Page Visits: 19966

মিশর আবারও উত্তালঃ গণগ্রেফতারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ

নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশের শাসনভার গ্রহণ করা একনায়ক প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির অপসারণের দাবিতে চলা বিক্ষোভ থেকে আটকের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।  এখন টার্গেটে আছে সিসি বিরোধী রাজনৈতিক নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদদের।এ পর্যন্ত অনন্ত ২০ বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিরোধী সূত্র বিষয়টি  আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে     নিশ্চিত করেছে। খবরঃ ইয়েনি শাফাকের।

চলমান আটকের মধ্যে  শুক্রবার ও শনিবার রাতে সিসিবিরোধী বিক্ষোভে প্রায় পাঁচশোর বেশি  নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

তাহরির স্কয়ারে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানে এ চত্বরের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। কায়রোর পাশাপাশি আলেকজান্দ্রিয়া ও সুয়েজেও সিসি সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে।মিসরে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলনের সূত্র ধরে ২০১৩ সালে সিসি নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী তৎকালীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর থেকে বিরোধীদের ওপর তীব্র দমন-পীড়ন চালিয়ে সিসিই নজিরবিহীভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। চলতি বছরের শুরুতে মুরসির বিরুদ্ধে বিচার চলাকালীন অবস্থায় আদালতে মারা যান তিনি।

এদিকে সিসির হাতে শাসনভার যাওয়ার পর সরকারবিরোধী এ ধরনের প্রথম বিরল বিক্ষোভ হয়েছে। আন্দোলনকারীরা ‘সিসি সরে যাও’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেন।

মিশরীয় একজন আইনবিদ জানান, মঙ্গলবার বিকালে শিক্ষাবিদ হাজিম হোসনিকে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তিনি কোথায় আছেন এখন পর্যন্ত কেউ জানেনা। প্রফেসর ফাহাত তার দ্রুত মুক্তি এবং আইনজীবীদের সঙ্গে আসামিদের দেখার করার সুযোগ দাবি করেন।

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নেমেছেন ইসতিকলাল পার্টি। দলটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইসতিকলাল পার্টির সাধারণ সম্পাদকসহ অনন্ত  জনা পঞ্চাশেক  সিনিয়র সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সরকারি বাহিনী। বিরোধী এ শিবিরটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

 

Total Page Visits: 19966

বিশ্বব্যাংক সড়কের নিরাপত্তার জন্য অর্থ বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে–ওবায়দুল কাদের

আরিফুল ইসলাম কাইয়ুমঃ

আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জনাব. ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আর্থিক সহায়তা করতে চায় বিশ্বব্যাংক। মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টভিগ শ্যাফেন ও জাতিসংঘ মহাসচিবের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষ দূত জিন টোডের এর সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

জনাব. কাদের বলেন, বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তায় যৌথভাবে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ।

আগামী তিন বছরের মধ্যে এখানে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে চায় তারা। সড়কে যে বিশৃঙ্খলা আছে, যানজটসহ বিভিন্ন নাজুক অবস্থার দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে তারা কাজ করবে।

কাদের উল্লেখ করেন, ‘এ কাজের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের আবার সুসম্পর্ক হবে। তাদের সঙ্গে আমরা বৈরি সম্পর্ক রাখতে চাই না। পদ্মা সেতুর কাজ থেকে তারা সরে এসে ভুল করেছে বলে আগেই স্বীকার করেছে।’

সেতুমন্ত্রী জানান, সড়ক নিরাপত্তার জন্য বিশ্বব্যাংক আগে পূর্ণাঙ্গ নকশা করবে। তারপর তারা কাজ শুরু করবে। তারা ইতিমধ্যে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশও নিয়েছে।

তিনি জানান, ঝিনাইদহ থেকে হাটিকামরুল পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার চার লেন সড়ক করবে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) এবং ঝিনাইদহ থেকে ভোমড়া পর্যন্ত ১৬০ কি. মি. চার লেন সড়ক করবে বিশ্বব্যাংক।

ক্রাইম ডায়রি///  সূত্র : ইউএনবি/// জাতীয়

Total Page Visits: 19966

ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশঃ তাই বয়স্ক ভাতা আটকালেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ

ছাতক সংবাদদাতাঃ

ছাতকে এক ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে সরকারী কার্ডধারী ৯ জনের বয়স্ক ভাতা আটকে রেখেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দোলারবাজার ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বয়োবৃদ্ধ ১১ জনের কার্ড সরকারীভাবে ইস্যু করা হয়। তাদের বয়স্ক ভাতার কার্ডের প্রতিটি ছবিতে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারের সীল-সাক্ষরও রয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে তাদের কার্ড ইস্যু করা হলেও তারা এখন পর্যন্ত ভাতা পাননি ।

ভাতা না পেয়ে ভুক্তভোগী এসব বয়োবৃদ্ধ মানুষ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের মঈনপুর কৃষি ব্যাংকের সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মৌন প্রতিবাদও জানিয়েছে। ।

গত বৃহস্পতিবার ছিল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে ভাতা প্রদানের দিন। ঐ দিন কৃষি ব্যাংক মঈনপুর শাখা থেকে কার্ডদারীদের ভাতা প্রদান করা হচ্ছিল।কিন্তু সেই ১১ জন ভাতা নিতে এসে তাদের কার্ড ব্যাংকে জমা দেয়। কিন্তু ভাতা প্রাপ্তীর সেই মাহেন্দ্রক্ষন আর তাদের হয়ে উঠেনি।

একই সাথে ইস্যুকৃত কার্ডধারীদের মধ্যে সুমিনা বেগম ও লাল বিবিকে ভাতা প্রদান করা হলেও বাকী ৯ জন জহুরা বিবি, বই নং-১১০৯৩ ও হিসাব নং-১৪২৩, ইন্তাজ আলী, বই নং-১১০৯৫ ও হিসাব নং-১৪২৫, কমরুন নেছা, বই নং-৬২২৪ ও হিসাব নং-১২৭২, এছন বিবি, বই নং-১১১০৪ ও হিসাব নং-১৪২৮, সবজান বিবি, বই নং-১১০৯৪ ও হিসাব নং- ১৪২৪, জয়ফুল বিবি, বই নং-১১১২২ ও হিসাব নং-১৪২৯, আহমদ আলী, বই নং-১১০৯৯ ও হিসাব নং-১৪২৭, নেকজান বিবি, বই নং-৬২১৮ ও হিসাব নং-১২৭১ ও ফুল তেরা বিবি, বই নং-১১০৯৬ এবং হিসাব নং-১৪২৬কে ভাতা দেয়া হয়নি।

এসময় তারা জানায়, চেয়ারম্যান সায়েস্থা মিয়ার অনৈতিক চাহিদা মিঠাতে না পারায় তাদের ভাতা অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভাতা বঞ্চিতরা।

কৃষি ব্যাংক মঈনপুর শাখার ম্যানেজার ক্ষিতিশ রঞ্জন তালুকদার জানান, তাদের কার্ডে কোন রকম জটিলতা নেই। তাদের ব্যাংক একাউন্টে টাকাও বরাদ্দ রয়েছে। শুধুমাত্র ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্থা মিয়ার নির্দেশে তাদের ভাতা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্থা মিয়া জানান, তার নির্দেশেই এসব কার্ডধারীদের ভাতা আটকে রাখা হয়েছে। এসব কার্ড তার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয়নি বলে তিনি ভাতা প্রদানের জন্য নিষেধ করেছেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/জেলা

Total Page Visits: 19966

ফেসবুকে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মাদকসম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগঃঃ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

RJ Rimon///Facebook-পাঠকের লেখাঃ

ফেসবুকে রিকোয়েস্ট করে আমার একটি পোস্টে কমেন্টস করেছেন। সত্যি বাকরুদ্ধ হয়ে যায়।প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।      পাঠকের লেখা সরাসরি তুলে ধরা হলোঃ—

“আপনার কাছে রিকুয়েস্ট একটু নজরধারী দেন স্যার এই বিষয়ে

ব্রাম্মনবাড়িয়ার সদর থানার রামরাইল পশ্চিম পাড়া ৯নং ওয়ার্ড পিতা :মোহাম্মাদ আলী,উনার দুই ছেলে (১) সাইফুল আহমেদ (২) জুনাঈদ মিয়া রমরমা ইয়াবা সহ অস্ত্রব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে এলাকায়, তারা আখাউড়া বর্ডার এর দিক থেকে অস্ত্র নামিয়ে বাড়িতে রেখে বিভিন্ন জায়গার কাস্টমার এর কাছে বিক্রি করে রাত বহর চলে ইয়াবা সেবন! বাঁধা দেওয়ার মত কোন লোক নেই তাদের, প্রশাসন এর তাড়া খেয়ে তাড়া মাঝে মাঝে গাঁ ডাকা দেয় আবার চলে আসে এদের এক একজন এর বিরুদ্ধে মাদক আইনে ১২/১৪ টা মামলা রয়েছে! গতকাল খুব বড় একটা ইয়াবার চালান ডুকছে, সাথে অস্ত্র ও! এগুলা রাখছে তার বাড়ির টিনে সাইডে মাটির নিচে, এই গর্তে তিন হাজার এর উপর ফেনসি, ৫ হাজার পিচ ইয়াবা, এবং 9 mm১৯ টা সহ ভারতীয় চাক্কু ৫০ টা আছে! এই গর্ত টা প্রায় ১০ হাত গহীন এবং তার মা, কিছু দিন আগে তার ভাইকে একটাকে এই ব্যাবসা নিয়ে এলাকার আরেক লোক মেরে ফেলছে এবং ১৫ লহ্ম টাকা দিয়ে আপস করে ফেলছে! প্রশাসন এর জন্য এটা গুড নিউজ হলে আমাদের মত আমজনতা অনেক বিপাহ্মে!”

পোস্টের লেখা যেমনই হোক প্রশাসন বিষয়টি ভেবে দেখবেন এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

Total Page Visits: 19966

বঙ্গবন্ধু সরকারের নিষিদ্ধ করা মদ, জুয়া, হাউজি পুনরায় চালুঃঢাকা শহরকে লাসভেগাস বানানোর ষড়যন্ত্র

মিয়া মোহাম্মদ হেলাল, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী,ক্রাইম ডায়রির বিশেষ প্রতিনিধিঃ   

  

বঙ্গবন্ধু সরকারের নিষিদ্ধ করা মদ, জুয়া, হাউজি পুনরায় চালু করাই ছিল ঢাকা শহরকে লাসভেগাস শহর বানানোর মুখ্য উদ্দেশ্য

ডঃ আব্দুল মঈন খান বলেছেন ❝আজ থেকে ৪০০ বছর আগে যখন এ শহর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন ঢাকার পরিচয় ছিল মসজিদের শহর হিসেবে। আজকে সেই শহর পরিণত হয়েছে ক্যাসিনোর শহরে।❞ সত্যি কি তাই ? ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর বানালো কে ? ঢাকা কি আজকে ক্যাসিনোর শহর হয়েছে ? কে এই মঈন খান ?

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় খাদ্য সচিব ছিলেন আব্দুল মোমেন খান। তৎকালীন সময়ে পশ্চিমাদের সাথে ষড়যন্ত্রে যুক্ত হয়ে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টিতে অন্যতম ভুমিকা পালন করেন। সেই দুর্ভিক্ষ সহ নানাবিধ ষড়যন্ত্রের ফলে এক হৃদয় বিদারক হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও তাহার পুরো পরিবারকে নিঃশেষ করে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। যার পুরুস্কার হিসেবে জিয়াউর রহমান বুকে টেনে নিয়ে খাদ্য সচিব আব্দুল মোমেন খানকে নিজ দলে স্থান দেন। সেই দুর্নীতিবাজ ষড়যন্ত্র কারী আব্দুল মোমেন খানের পুত্র হলেন ডঃ আব্দুল মঈন খান।

ডঃ আব্দুল মঈন খান প্রথম দৃশ্যপটে আসেন গতকাল যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানব বন্ধন করলেন সেই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের এক চাঞ্চল্যকর ও রম্য অনশন কর্মসূচির ঘটনায়। ঢাকাই সিনেমার তৎকালীনহার্টথ্রব নায়িকা অমর চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের শ্যালিকা ফরিদা আখতার পপি ওরফে ববিতাকে বিয়ে করার দাবিতে মঈন খান একদিন অনশন করে বসলেন। অনেক পত্রিকা, বিশেষ করে সেই সময়ের আলোচিত সিনে সাপ্তাহিক চিত্রালী সহ আরও অনেক কাগজে তখন সেই অনশনের ছবি ছাপা হয়। কথিত আছে ববিতাকে না পাবার বেদনা থেকে লম্বা চুল রাখতে শুরু করেন মঈন খান। প্রেমিক মানুষ বলে সুন্দরী নেত্রী দেখে তিনি ও পরে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই মঈন খান আজ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। এবার আসি ক্যাসিনো শহরে

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু সরকার মদ, জুয়া নিষিদ্ধ করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর দৃশ্যপটে আসে খন্দকার মোশতাকের অন্যতম সহযোগী সেনাপ্রধান ও উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল জিয়াউর রহমান। ২৯ শে নভেম্বর ১৯৭৬ সালে এক সামরিক ফরমান বলে বঙ্গবন্ধু সরকারের মদ জুয়ার নিষিদ্ধ আদেশটি বাতিল করে মদের বার, ক্যাসিনো, হাউজিসহ সকল রকমের জুয়া ও পতিতাবৃত্তির লাইসেন্স প্রদান করে উন্মুক্ত করে দিলেন।

জিয়ার রাবার স্টাম্প সংসদে জাসদের শাহজাহান সিরাজ (১৯৭৯ সাল) এই সামরিক ফরমান বাতিলের জন্য প্রস্তাবনা উত্থাপন করলে কুখ্যাত রাজাকার আবদুস সবুর খান সংসদে বলেন ❝আউট অব বন্ডসহ জুয়া- ক্যসিনো নগর সভ্যতার নিয়ামক শক্তি।এগুলো সমাজের সেফটি বাল্ব। জিয়া ঈমানদার সামরিক নেতা। তার উদারতায় আজ আমরা সংসদে আসার সুযোগ পেয়েছি। তার কোনো ফরমান বাতিল করা যাবে না। আমরা সংবিধান সংশোধনীতে তার সকল জারিকৃত ফরমানকে শতভাগ বৈধ করে দিয়েছি।❞ সবুর খানকে সমর্থন করে বক্তব্য রাখেন রাজিয়া ফয়েজ, ইউসুফ, কাজী কাদের সহ মুসলিম লীগের সদস্য এবং পাকিস্তানপন্থী সাংসদেরা।

বিএনপি জামাত জোট সরকার (১৯৯১) ক্ষমতায় আসার পর সাদেক হোসেন খোকার হাত ধরে ব্রাদার্স ইউনিয়নে প্রথম ক্যাসিনো বসানো শুরু হয়। সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার জন্য সে সময় মির্জা আব্বাসও মতিঝিলের আরামবাগ ক্লাব ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো শুরু করেন। মির্জা আব্বাস আর সাদেক হোসেন খোকার পদাঙ্ক অনুসরণ করে মোসাদ্দেক আলী ফালু মোহামেডান ক্লাব ও রহমতগঞ্জ ক্লাবে ক্যাসিনো শুরু করেছিলেন। ৯১-৯৬ সালে বিএনপির আমলে একমাত্র আবাহনী ক্লাব ছাড়া অন্য সবগুলো ক্লাবেই জুয়া-ক্যাসিনোর বাজার বসানো হয়েছিল।

বিএনপি চলে যাওয়ার পর (১৯৯৬-২০০১) দীর্ঘ একুশ বছর পর ক্ষমতার বাহিরে থাকা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেও প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বসে থাকা অপশক্তি গুলোর সহায়তায় এই ক্লাবগুলোর নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই থাকে।

২০০৬ সালে ১/১১ সরকার আসলে বিএনপির এই ক্যাসিনো বাণিজ্য লন্ডভন্ড হয়ে যায়। সবগুলো ক্লাবেই তখন জুয়ার আসর বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দুই বছর কোনো ক্যাসিনো ছিল না। সরকার বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা নিষ্পত্তি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গি মোকাবেলা ব্যস্থতার আড়ালে আওয়ামীলীগের একশ্রেণীর দুর্নীতিবাজ নেতাদের হাত ধরে আস্তে আস্তে ধাপে ধাপে দল বদল করে ক্যাসিনো গুলো আবার চালু করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যখন সাড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে, বোয়াল গুলো যখন ধরা পড়তেছে তখন বঙ্গবন্ধুর নিষিদ্ধ করা মদ, জুয়া, হাউজি যে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বিসমিল্লাহ বলে আইন দ্বারা উম্মুক্ত করেন, যে দলের সভানেত্রী বেগম জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে কারাগারে, যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এতিমের টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং দায়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান, সেই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আসিকানে ববিতা পাগলা এটা নিয়ে রাজনীতি শুরু করছেন। ওরে পাগলারা, রাজনীতি সব জায়গায় চলে না। মনে রেখো উনি বঙ্গবন্ধুর মাইয়া। মনসুর রহমানের পুত্র জিয়াউর রহমান কিংবা ইস্কান্দার মজুমদারের মাইয়া বেগম খালেদা জিয়া ওরফে পুতুল রানী নয়।

লেখক—

(লেখক, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী-মুক্তচিন্তার মূর্তপ্রতীক,দেশপ্রেমিক, আওয়ামী অনলাইন এক্টিভিস্ট, বঙ্গবন্ধু ও শেখহাসিনার  সূর্য সৈনিক, আওয়ামীলীগ গবেষক  ।।।)

ক্রাইম ডায়রি///লেখাটি একান্তই লেখকের গবেষণালব্ধ অভিমত ও দায়ভার সম্পূর্ণ লেখকের///স্পেশাল

Total Page Visits: 19966

পল্টিবাজ ও ভুঁইফোঁড় যুবলীগের জিকে শামীম দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

শেখহাসিনার চাওয়া যেন বঙ্গবন্ধুর চাওয়ার প্রতিফলন। তিনি চাইতেন দুর্নীতিমুক্ত আওয়ামীলীগ। শেখ হাসিনাও তাই চান।পুরো দেশবাসী তাই চায়।আমরাও চাই।।। দুর্নীতিবাজরা কারো বন্ধু নন।তারা ধান্দাবাজ ও পল্টিবাজ।।। ক্ষমতার পালা বদলে তারাও দল পাল্টান।

ঢাকা মহানগর যুবদলের সাবেক সহসম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে তার ছয় দেহরক্ষী সহ আটক করেছে র‌্যাব। যুবদল হতে যুবলীগ।

ভুঁইফোঁড় যে কোন সংগঠনের জন্য কত বড় বিষফোঁড়া তা এবার হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছে আওয়ামীলীগসহ৷ সকল রাজনৈতিক দল।।।সকাল বিকাল যারা নীতি পরিবর্তন করেন তারা ধান্দাবাজ না হয়ে পারেন না।

শামীমকে গ্রেফতারের সময় রাজধানীর নিকেতনে তার ব্যবসায়িক কার্যালয় জি কে বিল্ডার্স থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ নগদ ১০ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বিপুল পরিমানে এফডিআর ও ডলার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) জব্দ করা হয়েছে।

রাজধানীর নিকেতন থেকে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীমকে একাধিক দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার দুপুরে নিকেতনে শামীমের ব্যাবসায়ীক কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ৬ দেহরক্ষীসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দেহরক্ষীদের মধ্যে প্রধান দেহরক্ষী শহীদুল মুরাদ কামাল ও জাহিদের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিকেতন ৪ নম্বর রোডের ১১৪ নম্বর ভবনে জিকেবি কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড শামীমের বাণিজ্যিক কার্যালয়। জি কে শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক। একই সাথে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীম প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবেই পরিচিত। গণপূর্ত ভবনের বেশির ভাগ ঠিকাদারি কাজই জি কে শামীম নিয়ন্ত্রণ করেন। শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শামীম। আফসার উদ্দিন মাস্টার ছিলেন হরিহরদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন ছেলের মধ্যে জি কে শামীম মেজো। বড় ছেলে গোলাম হাবিব নাসিম ঢাকায় জাতীয় পার্টির রাজনীতি করেন। সন্মানদী ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, প্রাইমারি স্কুল ও হাই স্কুল পাস করার পর তাঁদের গ্রামে দেখা যায়নি। ঢাকার বাসাবো আর সবুজবাগ এলাকায় বড় হয়েছেন। গত জাতীয় নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচনের জন্য প্রচারণাও চালিয়েছিলেন শামীম।

তিনি সবসময় ছয়জন অস্ত্রধারী দেহরক্ষী প্রটেকশন নিয়ে চলেন। সবার হাতেই থাকে শর্টগান। গায়ে বিশেষ সিকিউরিটির পোশাক। তাদের একেকজনের উচ্চতা প্রায় ছয় ফুট। শামীম ছোটখাটো মানুষ হলেও তার ক্ষমতার দাপট আকাশসমান।

 

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কিংবা যুবলীগের পার্টি অফিস, বিয়ে বাড়ি কিংবা বন্ধুর বাড়ি, যেখানেই তিনি যান, সঙ্গে থাকে অস্ত্রধারী প্রটোকল বাহিনী। ভারী অস্ত্র নিয়ে ছয়জন নিরাপত্তারক্ষী আগে-পিছে পাহারা দিয়ে তাকে নিয়ে যান। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন জি কে শামীম।

বাসাবো এলাকায় পাঁচটি বাড়ি এবং একাধিক প্লট রয়েছে শমীমের। বাসাবোর কদমতলায় ১৭ নম্বরের পাঁচতলা বাড়িটি জি কে শামীমের। এই বাড়িটি ম্যানেজার হিসেবে দেখাশোনা করেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন সর্দার। শামীম কয়েক বছর বাসাবোর ওই বাড়িতে বসবাস করলেও এখন থাকছেন বনানীর ওল্ড ডিওএইচএসে নিজের ফ্ল্যাটে। এবং নিজের কার্যালয় বানিয়ে বসেন নিকেতন এলাকায় একটি ভবনে। বাসাবোতে আরো রয়েছে তিনটি ভবন এবং ডেমরা ও দক্ষিণগাঁও ছাড়াও সোনারগাঁ উপজেলা, বান্দরবান ও গাজীপুরে কয়েক শ বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।

বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা অন্যায় অপরাধকে মোটে বরদাশত কটেন না।অন্যায়ের প্রতি আপোসহীন নেত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে আছে আপামর নাগরিকবৃন্দ।

 

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম

Total Page Visits: 19966

জাবি ভিসি’র পরিস্থিতি শেষপর্যন্ত কি হতে পারে???আবার ঘটনা কি আসলেও বাস্তব???

বিশেষ প্রতিনিধিঃঃ

খুব সহজেই  দেশের একটি অতি পুরাতন, ঐতিহ্যবাহী ও সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে এখন নিজের অপরাধ ঢাকতে ব্যর্থ হলেন জাবি ভিসি।। কাউকে সেঁধে টাকা দিতে চাইলে সে নিতে চাইবে এমন ঘটনা বিরল। তাও আবার, তারা যদি হয় একদল বেকার যুবক//ছাত্র।    ঘটনা এমনটা প্রমান করেনি যে চাঁদা চেয়েছে ভিসি দিতে বাধ্য হয়েছেন। সেমনটি ঘটলে তিনি প্রশাসন//শিক্ষা বিভাগ//প্রধানমন্ত্রী বরাবর খুবসহজে অভিযোগ করার  ক্ষমতা রাখেন। তিনি কেন টাকা দিলেন, এত টাকা কোথায় পেলেন,অনৈতিক শিক্ষা তার ছাত্রদের কেন দিলেন, কোটি টাকা দিলেন তবে কত কোটি নিজে খেলেন বিষয়গুলির উত্তর স্পষ্ট। এহেন পরিস্থিতিতে দ্রুত সাধারণ মানুষের পুরো নখদর্পনে বিস্তারিত ঘটনা।।।

আবার সন্দেহেও করছেন অভিজ্ঞজন এবং অপরাধ গবেষকরা। সুতরাং, পরিস্থিতি কেমন যেন এলোমেলো।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার ছিনতাই থেকে শুরু করে সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনের মধ্যে হওয়া ফোন রেকর্ড ফাঁস পরবর্তী প্রতি মুহূর্তে রঙ বদলাচ্ছে ক্যাম্পাস পরিস্থিতি।

গত ৯ আগস্ট ভিসির বাসভবনে শাখা ছাত্রলীগকে ‘ঈদ সালামি’ হিসেবে এক কোটি টাকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই থেকে আন্দোলন শুরু। ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ফাঁস হওয়া কল রেকর্ডে উঠে আসে টাকা দেয়ার ‘সত্যতা’।

শাখা ছাত্রলীগের অনেকের অস্বীকৃতিও কেমন যেন।।যেখানে তার কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে অভিযুক্ত করেছেন ভিসি।।।

ছাত্রলীগের তিন অংশের একটি অংশ এখন প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন টাকা নেয়ার কথা। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বিষয়টি অস্বীকার করে চলছেন। প্রশাসন ও ভিসিপন্থী শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কল রেকর্ডকে বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে একটি গোপন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রয়োজনে তদন্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। সেখানে দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানা গেছে।

তদন্তে ভিসির দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এদিকে ফাঁস হওয়া কল রেকর্ড সম্পর্কে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘৯ আগস্ট ভিসির বাসায় অনুষ্ঠিত সভায় আমিসহ চারজন উপস্থিত ছিলাম। আমি তো সব বলেছি, কাকে কত টাকা দেয়া হয়েছে। তারপরও সন্দেহ থাকলে টাকা দেয়ার আগে ও পরের দিন পর্যন্ত ভিসির ছেলে প্রতীক তাজদীক হুসাইনের ফোন কল চেক করলেই সব বেরিয়ে আসবে। সেখানেই দেখা যাবে কে সত্য আর কে মিথ্যা।’

‘সিডিউল ছিনতাই থেকে শুরু করে সবখানে ভিসির ছেলে ও স্বামী সরাসরি জড়িত। এর বাইরে ভিসির ব্যক্তিগত সচিব ছানোয়ার হোসেন ও প্রকল্প পরিচালক নাছির উদ্দিন জড়িত,’ যোগ করেন তিনি।

ছেলে প্রতীকের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস আছে জানিয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘আমি জানি আমার ছেলে সম্পর্কে। আমাকে পাশ কাটিয়ে সে টাকা লেনদেন করবে এটা আমি বিশ্বাস করি না।’

তার পরিবারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতেই এসব বলা হচ্ছে অভিযোগ করে ভিসি ড. ফারজানা বলেন, ‘আমি তো তদন্ত করতে বলেছি। তদন্ত হোক, সেখানেই সব প্রমাণ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতীক ছাত্রলীগ নেতাদের পরামর্শ দিয়ে থাকে। সে হয়তো প্রকল্প নিয়ে তাদের সাথে কথা বলেছে। কিন্তু সেখানে টাকা লেনদেনের কোনো বিষয় ছিল বলে আমি বিশ্বাস করি না।’

এদিকে ‘সভাপতি গ্রুপ অডিও ফাঁসের সাথে জড়িতদের ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ এমন খবরে সোমবার সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে শাখা ছাত্রলীগের একটি পক্ষ নিজেদের অবস্থান জানান দিতে দিনব্যাপী ক্যাম্পাসে শোডাউন দিয়েছে।

অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ওই কল রেকর্ডটি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হামজা রহমান অন্তরের মুঠোফোন থেকে করা হয় এবং অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান ফোন করে তাকে ‘হুমকি’ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন অন্তর।

তিনি দাবি করেন, শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অনেকেই এ টাকার ভাগ পেয়েছেন। যেহেতু ছাত্রলীগ টাকা নিয়েছে তাই বিষয়টি জানানো দায়িত্ব বলে মনে করেছেন তিনি। বর্তমানে অন্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছেন।

তবে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা এটিকে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ অভিহিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় একটি চক্র এমনটি করছেন। দ্রুতই ছাত্রলীগের হাইকমান্ডের কাছে ওইসব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করে সুপারিশ করা হবে।

আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ- উল- হাসান মনে করেন, ফোনালাপটি পরিকল্পিত ভাবে তৈরি করা।

সত্য মিথ্যার দোলাচলে——- 
এক হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে এক কোটি এবং শাখা ছাত্রলীগকে এক কোটি টাকা দেয়ার অভিযোগ উঠার পরই জাবি ভিসি ও তার পন্থী শিক্ষকরা তা অস্বীকার করেন।

ভিসিপন্থী শিক্ষকরা সংবাদ সম্মেলন করে ভিসি অধ্যপক ড. ফারজানা ইসলামকে সৎ এবং আন্দোলনকারীদের দাবিকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন। এমনকি তারা ভিসির পক্ষে মানববন্ধনও করেন।

এতে আরও একটি প্রশ্ন অনেকের মনে ঘুরপাক  খাচ্ছে যেনভিসির পক্ষাবলম্বনকারীরা হাজার কোটি টাকার কোন অংশের হজমকারী কিনা??? তবে তা প্রমানিত হবে ভিসির অপরাধ প্রমানিত হলে।।।

এদিকে ভিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির আন্দোলন জোরদার হলে ছাত্রলীগের সাথে বৈঠকের কথা স্বীকার করলেও টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।

আবার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে উন্নয়ন প্রকল্প থেকে কেন্দ্র্রীয় ছাত্রলীগ চার থেকে ছয় শতাংশ চাঁদা দাবি করেছে এবং চাঁদা না দেয়ায় খারাপ আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেন ভিসি। যার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতৃত্ব রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে সরে যেতে হয়।

তার আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে একটি খোলা চিঠি দেন। যেখানে তিনি দাবি করেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নয়, শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিয়েছেন জাবি ভিসি।’

রাব্বানীর এ বক্তব্যে তোলপাড় সৃষ্টি হলে ভিসি শোভন-রাব্বানীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তাদের বক্ত্যের প্রমাণ দেয়ার কথা বলেন।

ওই দিনই ভিসি বলেন, শোভন-রাব্বানীর সাথে তার সৌজন্য সাক্ষাত হয়েছে। টাকার বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ‘কোনো টাকা লেনদেন হয়নি’ দাবি করে রাব্বানীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ করেন। এর মধ্যেই ছাত্রলীগের একটি অংশ প্রকাশ্যে টাকা নিয়েছেন বলে ঘোষণা দিচ্ছে।

ভিসির পারিবারিক বিলাসিতা!
ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের পারিবারিক বিলাসিতার অভিযোগ শুরু থেকেই আছে। তার জন্য একটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি বর্তমানে তার পরিবারের জন্য আরো অতিরিক্ত দুটি গাড়ি ব্যবহার করছেন। এসব গাড়ির তেল খরচ বিশ্ববিদ্যালয়কেই বহন করতে হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে ২০১৭ সালে ভিসির স্বামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি নিয়ে নেত্রকোনায় দুর্ঘটনার শিকার হলে সেই গাড়ি মেরামত বাবদ পরিবহন অফিসকে দেড় লাখ টাকা খরচ করতে হয়। এছাড়া নতুন যুক্ত হওয়া দুটি অ্যাম্বুলেন্স ভিসি ছাত্রদের না দিয়ে নিজের কাছে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ তিনটি অ্যাম্বুলেন্সের একটি সবসময় নষ্ট থাকে। ফলে দুটি দিয়ে চাপ সামাল দেয়া বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু ভিসির বাসায় থাকা দুটি অ্যাম্বুলেন্স সবসময় বসে থাকে, জরুরি প্রয়োজনেও তা পাওয়া যায় না। তবে একটি অ্যাম্বুলেন্স শিক্ষকরা ভিসির অনুমতিক্রমে ব্যবহার করতে পারেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে ভিসির বাসভবনের সামনের মাঠ তার ছেলে প্রতীক হোসেন নিজের দখলে রেখেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ওই মাঠে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারেন না। তবে তার ছেলে ওই মাঠে নিয়মিতই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকেন বলে জানা গেছে।

সাধারণত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিদের স্ত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা ক্লাবের সভাপতি হয়ে থাকেন। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মহিলা হওয়ায় তার স্বামী আখতার হোসেনকে মহিলা ক্লাবের সভাপতি বানিয়েছেন। বিষয়টিকে অস্বস্তিকর বলে মনে করেন শিক্ষকরা। তাদের মতে প্রো-ভিসির স্ত্রীরা মহিলা ক্লাবের সভাপতি হতে পারতেন। ভিসি তার স্বামীকে সভাপতি করে তার অনৈতিক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। লেডিস ক্লাবের সভাপতি একজন পুরুষ মানুষ কেমন যেন??   সবকিছু মিলিয়ে জাবি ভিসির অপরাধ মানসিকতার প্রাথমিক ধারণা কিছুটা স্পষ্ট হয়।। সুতরাং, আপোষহীন নেত্রী, বঙ্গকন্যা, প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে যেহেতু দেশ  দ্রোহী-  অপরাধী বাঁচতে পারেনা।  সুতরাং,  জাবি ভিসিরও ক্ষমা হবেনা যদি অপরাধ প্রমানিত হয়।।।

পাবলিক মন্তব্য আবার এমন—-

(“তাহারা যে একেকজন ২৫ লাখ, ৫০ লাখ কইরা পাইলেন বলিয়া ক্যামেরার সামনে ছবক দিলেন , তা টাকাটা কোথায় রাখলেন কেউ জানতে চাইবেন না?

এতোগুলা টাকা এই কয়দিনে তো পানি দিয়া চাবাইয়া খাইয়া শেষ করাও সম্ভব না৷ বালিশ বা আলমিরা বা তোষকের ভিতর রাইখা দেওয়ারও কথা না। নিশ্চয় কোন ব্যাংকেই রাখার কথা।

তো টাকা গুলো যেখানেই রাখুক উদ্ধার করা কি খুব বেশী সময় সাপেক্ষ! মোটেই জটিল বা সময় সাপেক্ষ নয়। কারন তাহারা নিজেরাই ক্যামেরার সামনে স্ব প্রনোদিত হয়ে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। লোকুচুরি করারও কোন সুযোগ নেই।

টাকা গুলো উদ্ধার হলে ক্লিয়ার হয়ে যাবে আসলে দু পক্ষই সমান অপরাধী কিনা।

আর উদ্ধার না হলে বুঝা যাবে এটা একটা কল্পিত গল্প এবং নিছক ব্লেইম গেইম মাত্র।

আপাতঃ দৃষ্টিতে অডিও ক্লিপটি আমার কাছে রহস্যজনক বলেই মনে হচ্ছে।

কথা কি কিলিয়ার না বেজাল আছে!”)

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//অপরাধজগত//সূত্র :// ইউএনবি//নয়াদিগন্ত//ফেসবুক ও অনলাইনমাধ্যম//সরেজমিন ও বিশ্লেষণ

Total Page Visits: 19966