• শুক্রবার ( সকাল ৮:০৯ )
    • ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

জাবি ভিসি’র পরিস্থিতি শেষপর্যন্ত কি হতে পারে???আবার ঘটনা কি আসলেও বাস্তব???

বিশেষ প্রতিনিধিঃঃ

খুব সহজেই  দেশের একটি অতি পুরাতন, ঐতিহ্যবাহী ও সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে এখন নিজের অপরাধ ঢাকতে ব্যর্থ হলেন জাবি ভিসি।। কাউকে সেঁধে টাকা দিতে চাইলে সে নিতে চাইবে এমন ঘটনা বিরল। তাও আবার, তারা যদি হয় একদল বেকার যুবক//ছাত্র।    ঘটনা এমনটা প্রমান করেনি যে চাঁদা চেয়েছে ভিসি দিতে বাধ্য হয়েছেন। সেমনটি ঘটলে তিনি প্রশাসন//শিক্ষা বিভাগ//প্রধানমন্ত্রী বরাবর খুবসহজে অভিযোগ করার  ক্ষমতা রাখেন। তিনি কেন টাকা দিলেন, এত টাকা কোথায় পেলেন,অনৈতিক শিক্ষা তার ছাত্রদের কেন দিলেন, কোটি টাকা দিলেন তবে কত কোটি নিজে খেলেন বিষয়গুলির উত্তর স্পষ্ট। এহেন পরিস্থিতিতে দ্রুত সাধারণ মানুষের পুরো নখদর্পনে বিস্তারিত ঘটনা।।।

আবার সন্দেহেও করছেন অভিজ্ঞজন এবং অপরাধ গবেষকরা। সুতরাং, পরিস্থিতি কেমন যেন এলোমেলো।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার ছিনতাই থেকে শুরু করে সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনের মধ্যে হওয়া ফোন রেকর্ড ফাঁস পরবর্তী প্রতি মুহূর্তে রঙ বদলাচ্ছে ক্যাম্পাস পরিস্থিতি।

গত ৯ আগস্ট ভিসির বাসভবনে শাখা ছাত্রলীগকে ‘ঈদ সালামি’ হিসেবে এক কোটি টাকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই থেকে আন্দোলন শুরু। ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ফাঁস হওয়া কল রেকর্ডে উঠে আসে টাকা দেয়ার ‘সত্যতা’।

শাখা ছাত্রলীগের অনেকের অস্বীকৃতিও কেমন যেন।।যেখানে তার কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে অভিযুক্ত করেছেন ভিসি।।।

ছাত্রলীগের তিন অংশের একটি অংশ এখন প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন টাকা নেয়ার কথা। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বিষয়টি অস্বীকার করে চলছেন। প্রশাসন ও ভিসিপন্থী শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কল রেকর্ডকে বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে একটি গোপন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রয়োজনে তদন্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। সেখানে দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানা গেছে।

তদন্তে ভিসির দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এদিকে ফাঁস হওয়া কল রেকর্ড সম্পর্কে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘৯ আগস্ট ভিসির বাসায় অনুষ্ঠিত সভায় আমিসহ চারজন উপস্থিত ছিলাম। আমি তো সব বলেছি, কাকে কত টাকা দেয়া হয়েছে। তারপরও সন্দেহ থাকলে টাকা দেয়ার আগে ও পরের দিন পর্যন্ত ভিসির ছেলে প্রতীক তাজদীক হুসাইনের ফোন কল চেক করলেই সব বেরিয়ে আসবে। সেখানেই দেখা যাবে কে সত্য আর কে মিথ্যা।’

‘সিডিউল ছিনতাই থেকে শুরু করে সবখানে ভিসির ছেলে ও স্বামী সরাসরি জড়িত। এর বাইরে ভিসির ব্যক্তিগত সচিব ছানোয়ার হোসেন ও প্রকল্প পরিচালক নাছির উদ্দিন জড়িত,’ যোগ করেন তিনি।

ছেলে প্রতীকের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস আছে জানিয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘আমি জানি আমার ছেলে সম্পর্কে। আমাকে পাশ কাটিয়ে সে টাকা লেনদেন করবে এটা আমি বিশ্বাস করি না।’

তার পরিবারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতেই এসব বলা হচ্ছে অভিযোগ করে ভিসি ড. ফারজানা বলেন, ‘আমি তো তদন্ত করতে বলেছি। তদন্ত হোক, সেখানেই সব প্রমাণ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতীক ছাত্রলীগ নেতাদের পরামর্শ দিয়ে থাকে। সে হয়তো প্রকল্প নিয়ে তাদের সাথে কথা বলেছে। কিন্তু সেখানে টাকা লেনদেনের কোনো বিষয় ছিল বলে আমি বিশ্বাস করি না।’

এদিকে ‘সভাপতি গ্রুপ অডিও ফাঁসের সাথে জড়িতদের ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে’ এমন খবরে সোমবার সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে শাখা ছাত্রলীগের একটি পক্ষ নিজেদের অবস্থান জানান দিতে দিনব্যাপী ক্যাম্পাসে শোডাউন দিয়েছে।

অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ওই কল রেকর্ডটি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হামজা রহমান অন্তরের মুঠোফোন থেকে করা হয় এবং অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান ফোন করে তাকে ‘হুমকি’ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন অন্তর।

তিনি দাবি করেন, শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অনেকেই এ টাকার ভাগ পেয়েছেন। যেহেতু ছাত্রলীগ টাকা নিয়েছে তাই বিষয়টি জানানো দায়িত্ব বলে মনে করেছেন তিনি। বর্তমানে অন্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছেন।

তবে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা এটিকে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ অভিহিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় একটি চক্র এমনটি করছেন। দ্রুতই ছাত্রলীগের হাইকমান্ডের কাছে ওইসব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করে সুপারিশ করা হবে।

আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ- উল- হাসান মনে করেন, ফোনালাপটি পরিকল্পিত ভাবে তৈরি করা।

সত্য মিথ্যার দোলাচলে——- 
এক হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে এক কোটি এবং শাখা ছাত্রলীগকে এক কোটি টাকা দেয়ার অভিযোগ উঠার পরই জাবি ভিসি ও তার পন্থী শিক্ষকরা তা অস্বীকার করেন।

ভিসিপন্থী শিক্ষকরা সংবাদ সম্মেলন করে ভিসি অধ্যপক ড. ফারজানা ইসলামকে সৎ এবং আন্দোলনকারীদের দাবিকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন। এমনকি তারা ভিসির পক্ষে মানববন্ধনও করেন।

এতে আরও একটি প্রশ্ন অনেকের মনে ঘুরপাক  খাচ্ছে যেনভিসির পক্ষাবলম্বনকারীরা হাজার কোটি টাকার কোন অংশের হজমকারী কিনা??? তবে তা প্রমানিত হবে ভিসির অপরাধ প্রমানিত হলে।।।

এদিকে ভিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির আন্দোলন জোরদার হলে ছাত্রলীগের সাথে বৈঠকের কথা স্বীকার করলেও টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।

আবার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে উন্নয়ন প্রকল্প থেকে কেন্দ্র্রীয় ছাত্রলীগ চার থেকে ছয় শতাংশ চাঁদা দাবি করেছে এবং চাঁদা না দেয়ায় খারাপ আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেন ভিসি। যার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতৃত্ব রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে সরে যেতে হয়।

তার আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে একটি খোলা চিঠি দেন। যেখানে তিনি দাবি করেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নয়, শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিয়েছেন জাবি ভিসি।’

রাব্বানীর এ বক্তব্যে তোলপাড় সৃষ্টি হলে ভিসি শোভন-রাব্বানীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তাদের বক্ত্যের প্রমাণ দেয়ার কথা বলেন।

ওই দিনই ভিসি বলেন, শোভন-রাব্বানীর সাথে তার সৌজন্য সাক্ষাত হয়েছে। টাকার বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ‘কোনো টাকা লেনদেন হয়নি’ দাবি করে রাব্বানীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ করেন। এর মধ্যেই ছাত্রলীগের একটি অংশ প্রকাশ্যে টাকা নিয়েছেন বলে ঘোষণা দিচ্ছে।

ভিসির পারিবারিক বিলাসিতা!
ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের পারিবারিক বিলাসিতার অভিযোগ শুরু থেকেই আছে। তার জন্য একটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি বর্তমানে তার পরিবারের জন্য আরো অতিরিক্ত দুটি গাড়ি ব্যবহার করছেন। এসব গাড়ির তেল খরচ বিশ্ববিদ্যালয়কেই বহন করতে হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে ২০১৭ সালে ভিসির স্বামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি নিয়ে নেত্রকোনায় দুর্ঘটনার শিকার হলে সেই গাড়ি মেরামত বাবদ পরিবহন অফিসকে দেড় লাখ টাকা খরচ করতে হয়। এছাড়া নতুন যুক্ত হওয়া দুটি অ্যাম্বুলেন্স ভিসি ছাত্রদের না দিয়ে নিজের কাছে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ তিনটি অ্যাম্বুলেন্সের একটি সবসময় নষ্ট থাকে। ফলে দুটি দিয়ে চাপ সামাল দেয়া বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু ভিসির বাসায় থাকা দুটি অ্যাম্বুলেন্স সবসময় বসে থাকে, জরুরি প্রয়োজনেও তা পাওয়া যায় না। তবে একটি অ্যাম্বুলেন্স শিক্ষকরা ভিসির অনুমতিক্রমে ব্যবহার করতে পারেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে ভিসির বাসভবনের সামনের মাঠ তার ছেলে প্রতীক হোসেন নিজের দখলে রেখেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ওই মাঠে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতে পারেন না। তবে তার ছেলে ওই মাঠে নিয়মিতই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকেন বলে জানা গেছে।

সাধারণত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিদের স্ত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা ক্লাবের সভাপতি হয়ে থাকেন। কিন্তু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মহিলা হওয়ায় তার স্বামী আখতার হোসেনকে মহিলা ক্লাবের সভাপতি বানিয়েছেন। বিষয়টিকে অস্বস্তিকর বলে মনে করেন শিক্ষকরা। তাদের মতে প্রো-ভিসির স্ত্রীরা মহিলা ক্লাবের সভাপতি হতে পারতেন। ভিসি তার স্বামীকে সভাপতি করে তার অনৈতিক মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। লেডিস ক্লাবের সভাপতি একজন পুরুষ মানুষ কেমন যেন??   সবকিছু মিলিয়ে জাবি ভিসির অপরাধ মানসিকতার প্রাথমিক ধারণা কিছুটা স্পষ্ট হয়।। সুতরাং, আপোষহীন নেত্রী, বঙ্গকন্যা, প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে যেহেতু দেশ  দ্রোহী-  অপরাধী বাঁচতে পারেনা।  সুতরাং,  জাবি ভিসিরও ক্ষমা হবেনা যদি অপরাধ প্রমানিত হয়।।।

পাবলিক মন্তব্য আবার এমন—-

(“তাহারা যে একেকজন ২৫ লাখ, ৫০ লাখ কইরা পাইলেন বলিয়া ক্যামেরার সামনে ছবক দিলেন , তা টাকাটা কোথায় রাখলেন কেউ জানতে চাইবেন না?

এতোগুলা টাকা এই কয়দিনে তো পানি দিয়া চাবাইয়া খাইয়া শেষ করাও সম্ভব না৷ বালিশ বা আলমিরা বা তোষকের ভিতর রাইখা দেওয়ারও কথা না। নিশ্চয় কোন ব্যাংকেই রাখার কথা।

তো টাকা গুলো যেখানেই রাখুক উদ্ধার করা কি খুব বেশী সময় সাপেক্ষ! মোটেই জটিল বা সময় সাপেক্ষ নয়। কারন তাহারা নিজেরাই ক্যামেরার সামনে স্ব প্রনোদিত হয়ে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। লোকুচুরি করারও কোন সুযোগ নেই।

টাকা গুলো উদ্ধার হলে ক্লিয়ার হয়ে যাবে আসলে দু পক্ষই সমান অপরাধী কিনা।

আর উদ্ধার না হলে বুঝা যাবে এটা একটা কল্পিত গল্প এবং নিছক ব্লেইম গেইম মাত্র।

আপাতঃ দৃষ্টিতে অডিও ক্লিপটি আমার কাছে রহস্যজনক বলেই মনে হচ্ছে।

কথা কি কিলিয়ার না বেজাল আছে!”)

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//অপরাধজগত//সূত্র :// ইউএনবি//নয়াদিগন্ত//ফেসবুক ও অনলাইনমাধ্যম//সরেজমিন ও বিশ্লেষণ

12700total visits,199visits today

ঝালকাঠিতে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে হামলায় আহত গৃহবধুর থানায় অভিযোগ দায়ের

ইমাম বিমান,ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠিতে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে হামলায় আহত গৃহবধুর থানায় অভিযোগ দায়ের করার ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, পৌরসভাধীন ১নং ওয়ার্ডস্থ বিকনা এলাকার মৃত আবুল বাসার মুন্সীর ছেলে কাজল মুন্সী ও তার ছেলে আল আমিন মুন্সী একই এলাকার সুমন হাওলাদারের সাথে আটোরিক্সা বিক্রির টাকা পাবে বলে দাবী করে। সুমন এ বিষয় কিসের টাকা পাবেন বললে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ড শুরু হয়। পরে গত গত ১২ সেপ্টেম্বর কাজল মুন্সী ও তার ছেলে আল আমিন মুন্সী সুমনদের বাড়ীতে যায় এ সময় কাজল মুন্সী সুমনকে ডেকে তার স্ত্রী রেবা বেগমের কাছে ৫হাজার টাকা পাবে বলে জানায়। এ সময় সুমন তার স্ত্রী রেবা ডেকে কাজল মুন্সী কোন টাকা পাবে কিনা জিজ্ঞাসা করলে রেবা জানায় তার কাছে কাজল মুন্সী কোন টাকা পাবে না। রেবা টাকা না পাওয়ার কথা জানালে তাদের উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডের সৃষ্টি হয়। বাক বিতন্ডের একপর্যায় কাজল মুন্সীর ছেলে আলামিন এসে সুমনের সামনেই তার স্ত্রী রেবার উপর অতর্কিত হামলা চালালে ঘটনা স্থলেই রেবা আহত হয়। রেবার মুখমন্ডলে আঘাতের কারনে রক্ত যখম শুরু হলে রেবার স্বামী সুমন সহ স্থানীয়দের সহযোগীতায় রেবাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতলে ভর্তি করে। বর্তমানে রেবা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

এ বিষয় আহত রেবা বেগমের স্বামী সুমন জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর কাজল মুস্নী ও তার ছেলে আলামিন আমাদের বাড়ীতে এসে ৫ হাজার টাকা পাবে বলে দাবী করে এ সময় আমার স্ত্রী কাজল মুন্সীকে বলে আপনি কোন টাকা পাবেন না বললে তার ছেলে উত্তেজিত হয়ে আমার সামনে আমার স্ত্রী রেবার উপর ঝাপিয়ে পরে তাকে কিল ঘুশি ও লাথি মারতে থাকলে আমার স্ত্রী মাটিতে পড়ে যায়। পরে তাকে উঠাতে গেলে দেখি তার নাক মুখ দিয়ে রক্ত পরতে থাকে। আমি স্থানীয়দের সহযোগীতায় আমার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে যাই। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার স্ত্রী রেবা বাদী হয়ে কাজল মুন্সী ও তার ছেলে আলামিনের বিরুদ্ধে ১৪ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠি সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

12700total visits,199visits today

গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বহিস্কার চেয়ে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জঃ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শিক্ষক পেটানো কান্দি ইউনিয়নের সেই ইউপি চেয়ারম্যানের বহিস্কার চেয়ে
মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। শনিবার বেলা ১ টায় কান্দি কোটালীপাড়া সড়কে ধারা বাসাইল বাজার এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ওই
ইউনিয়নের ৯ ইউপি সদস্যসহ এলাকাবাসী।
মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে কান্দি ইউনিয়নের ওই চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ এর বিভিন্ন দূর্নীতি উল্লেখ করে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরাসহ সাধারন জনতা বক্তব্য রাখেন।
ইউপি সদস্যরা তাদের বক্তব্যে বলেন, সরকার যদি চেয়ারম্যানকে বহিস্কার না করে তাহলে তারা ৯ জন সদস্য গনপদত্যাগ করবেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার
চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ এর বিরুদ্ধে অনাস্থা  প্রস্তাব এনে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকতাসহ বিভিন্ন দপ্তরে এর লিখিত কপি দেন ওই ইউনিয়নের ৯ জন সদস্য। লিখিত অভিযোগে কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ওই ৯ সদস্য তাদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শিক্ষক পেটানো, অর্থ আত্মসাৎ, সাম্প্রদায়িক ইস্যু সৃষ্টি, পরিষদের সদস্য ও
জনগনের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণসহ ১৫টি অভিযোগ দায়ের করেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

12700total visits,199visits today

আশংকায় কাঁপে বুকঃ কি ঘটতে যাচ্ছে দুদক পরিচালক বানসুরি এম ইউসুফের জীবনে

মিয়া মোহাম্মদ হেলাল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চট্রগ্রামের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের কথা মনে আছে ? পুলিশের নেতিবাচক ভূমিকার মাঝে যে কয়জন অফিসারকে দেখে মানুষ আশার আলো দেখতো বাবুল আক্তার ছিলেন অন্যতম। সারা দেশের মানুষের কাছে ছিলেন একজন জনপ্রিয় পুলিশ অফিসার। যার একের পর এক অপারেশনে ধরা পড়েছিল, চোরাকারবারী, সন্ত্রাসী, জঙ্গি গোষ্ঠী। যার নাম শুনলেই অপরাধীদের বুকে কাঁপন উঠে যেত। ভয়ে তটস্থ হয়ে কোণঠাসা ছিল চট্রগ্রাম অঞ্চলের অপরাধী গুলো। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ছিল সুখের সংসার। সব কিছু যতারীতি চলছিল। হটাৎ জীবনের মোড় ঘুরে আলোময় জীবনে চলে আসে গাড় নিমেশ কালো অন্ধকার।

২০১৬ সালের ৫ ই জুন। স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ের দিকে যাওয়ার পর মোটরসাইকেল করে আসা তিন দুর্বৃত্ত মাহমুদা খানম মিতুকে প্রথমে ছুরিকাঘাত ও পরে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। ঘটনার সময় বাবুল আক্তার মহানগর পুলিশ থেকে এসপি পদে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পর শুরু হলো নতুন চক্রান্ত। হত্যাকাণ্ডের কুশীলবরা জজ মিয়া নাটকের মত একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট তৈরী করলো। যে নাটকের মিডিয়া পার্টনার ছিল পাকিদের মদদপুষ্ট বাংপাকি  কর্তৃক উলফার টাকায় প্রতিষ্ঠিত একশ্রেণির হলুদমিডিয়া  ও তার সহযোগীরা।

নাটকে মৃত মাহমুদা খানম মিতু’র চরিত্র কলঙ্কিত করে অপবাদ দেওয়া হলে একজন ব্যবসায়ীর সাথে পরকীয়ার। একই ভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পুলিশ অফিসারের বউয়ের সাথে পরকীয়ার অপবাদ দেওয়া হলো বাবুল আক্তারের উপর। হলুদ মিডিয়াগুলো বাবুল আক্তার ও মিতু’র পরকীয়া নিয়ে ধারাবাহিক রমরমা প্রচারণা চালিয়ে যেতে লাগলো। ২৪ শে জুন দিবাগত রাতে পুলিশ বাবুল আক্তারকে স্ত্রী মিতু হত্যা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। সেখানে ১৫ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এরপর তিনি পদত্যাগে করেন। এরপর পর ৬ ই সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফের (বানসুরি এম ইউসুফ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালে সেখানকার অনিয়ম রোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক হওয়ার পর একের পর এক সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে রাগব বোয়ালদের তটস্থ করে তুলেন। দেশের সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠেন রিয়েল হিরো। মানসিক ভাবে অসুস্থ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভালোভাবেই চলছিল ইউসুফ ভাইয়ের জীবন।

বাবুল আক্তারের মত হটাৎ করে ছন্দ পতন ঘটে ইউসুফ ভাইয়ের জীবনে। গত বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় বাসায় সবার অগোচরে রুমের দরজা বন্ধ করে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন তাহার স্ত্রী তানিয়া ইশরাত। আগুনে দগ্ধ তানিয়াকে তৎক্ষণাৎ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হলে বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যু হয়। শুরু হয় যায় মিডিয়ার রংচং মাখা সংবাদ পরিবেশন। চুন খেয়ে মুখ পুড়লে দই দেখলেও ভয় হয়। বানসুরি এম ইউসুফ ভাইয়ের স্ত্রীর ঘটনার পর বাবুল আক্তারের সেদিনের সেই ঘটনা গুলো আবার মনে পড়লো। ইউসুফ ভাইকে কি বাবুল আক্তারের মত আরেকটা নাটকের মুখোমুখি হতে হবে ? সেই অজানা আশংকায় বুকটা কেঁপে উঠলো।

(লেখক, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী-মুক্তচিন্তার মূর্তপ্রতীক,দেশপ্রেমিক, আওয়ামী অনলাইন এক্টিভিস্ট, বঙ্গবন্ধু ও শেখহাসিনার  সূর্য সৈনিক।।।)

12700total visits,199visits today

ফেনীতে পুলিশ সুপারকে বহনকারী গাড়ি উল্টে দেহরক্ষী আজহার নিহত

সাবিলা নুর আরোহী,ফেনী হতেঃ

ফেনী জেলার পুলিশ সুপারকে বহনকারী গাড়ি উল্টে পুলিশ সুপারের দেহরক্ষী আজহার নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে , ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি উল্টে এই ঘটনা ঘটেছে।  এছাড়াও পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুন্নবীসহ তিন জন আহত হন। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর,২০১৯ইং) রাত প্রায় ৯ টার দিকে সদর উপজেলার বোগদাদিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শহরে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আজহারুল ইসলামের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়। আহত অপর দুইজন হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান ও পুলিশ সুপারের গাড়ির চালক মং সাঁই চাকমা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার রাতে বোগদাদিয়া থানা পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে জেলা পুলিশ সুপার মো: নুরুন্নবীকে বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, গাড়িচালক মং সাই ও পুলিশ সুপারের দেহরক্ষী আজহার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজহারকে মৃত ঘোষণা করেন। সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে সদর উপজেলার বোগদাদিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে শহরে ফেরার পথে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বাইরে গিয়ে একটি বৈদ্যুতিক পিলারে গিয়ে ধাক্কা লাগে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সেখানে গিয়ে আহত অবস্থায় ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নূরুন্নবী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানসহ গাড়ির চালক ও পুলিশ সুপারের দেহরক্ষীকে উদ্ধার করে ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেহরক্ষী আজহারুল ইসলাম মারা যান।  এতে ফেনী জেলা পুলিশমহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। তবে পুলিশ সুপারসহ আহতরা শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। নিহত পুলিশের আত্নার মাগফেরাত কামনা করেছেন সারা দেশের পুলিশ সমাজ।।।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা//পথে

12700total visits,199visits today

প্রতিটি থানা সুন্দর ও দর্শনীয় স্থান হওয়া উচিতঃ পুলিশের ব্যাংক উদ্বোধনী বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১সেপ্টেম্বর,বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন হতে সরাসরি বাংলাদেশ পুলিশের আজন্মলালিত স্বপ্নের ব্যাংক কমিউনিটি ব্যাংকের শুভ উদ্ধোধন করেন। এ সময় তিনি আশা  প্রকাশ করে  বলেন,  দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শান্তি ও শৃঙ্খলা অপরিহার্য এ অবস্থা বজায় রাখতে পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিটি থানা সুন্দর ও দর্শনীয় স্থান হওয়া উচিত, যেগুলো হবে সাধারণ মানুষের আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের স্থান।’
ধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকা অপরিহার্য। আর এ দায়িত্ব স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ বাহিনীর ওপর বর্তায়। আমি আশাবাদী, পুলিশ এখন যেভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, তেমনি ভবিষ্যতেও করবে।’ শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সরকার দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুন্দর ও উন্নত জীবন পাবে।

মাদককে সামাজিক সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আসন্ন দিনগুলোয় পুলিশকে আরও অভিযান চালানোর আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। এমনকি মাদকের জন্য ছেলে মাকে হত্যা করে, ভাই ভাইকে হত্যা করে, ছেলে বাবাকে হত্যা করে…। এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে আরও তীব্র আকারে অভিযান চালাতে হবে। তবে বিশ্বের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ অপরাধের ধরনও বদলে যাচ্ছে।’

পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে সরকার পুলিশের প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটা পুরো বিশ্বের সমস্যা।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর ভূমিকা অনেক প্রশংসনীয়। এ জন্য তাদের জীবনও বিসর্জন দিতে হচ্ছে।

পুলিশকে যথাযথভাবে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য সরকার অ্যান্টিটেরোরিজম ইউনিট ও সাইবার পুলিশ সেন্টার গঠন করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রেও তারা তাদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।

২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, যখন বিএনপি-জামায়াত চক্র আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসের রাজত্ব চালিয়েছিল, তখন ২৬ থেকে ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে জীবন দিতে হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র সচিব (জননিরাপত্তা বিভাগ) মোস্তফা কামাল উদ্দিন ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মাদ জাভেদ পাটোয়ারী।

পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী রাজারবাগ পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে থাকা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে এবং গুলশানের করপোরেট কার্যালয়ে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হোন।

গণভবন থেকে বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চারটি বিদু্যৎ কেন্দ্র, আটটি ৩৩/১১ কেভি জিআইএস উপকেন্দ্র এবং ১০টি উপজেলায় শতভাগ বিদু্যতায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার অনুরোধ থাকবে যারা বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন তারা সাশ্রয়ী হোন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ যেন নষ্ট না হয়। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বিলটাও কম আসবে, সেটা মাথায় রাখতে হবে। কাজেই প্রত্যেকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হবেন, সাশ্রয়ী হবেন।

‘আমরা কিন্তু যত টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করি তার চেয়ে অর্ধেকের কম দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে যাচ্ছি। বিদ্যুতে এভাবে ভর্তুকি দেয়া ঠিক নয়। তারপরও মানুষের কল্যাণে, মানুষের সুবিধার জন্য আপনারা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবেন সেই আশা করছি।’

দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে তার সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে গ্যাস বিক্রির জন্য একসময় চাপ আসার কথাও বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘আগে গ্যাসের স্বল্পতা ছিল। গ্যাস বিক্রি করার জন্য ২০০১ এ আমাদের ওপর প্রচন্ড চাপ ছিল। গ্যাস আমাদের। আমরাই ১৯৯৬ সালে সরকারে এসে আন্তর্জাতিক টেন্ডার দিই। বিদেশিরা এসে গ্যাস উত্তোলন কাজ শুরু করে। সেই সময় চাপ আসল যে গ্যাস বিক্রি করতে হবে।

‘দেশের মানুষের চাহিদা পূরণের পর অতিরিক্ত গ্যাস থাকলে সেটা বিক্রি করব- এই নীতি নিয়ে আমি ছিলাম। কিন্তু বিএনপি তখন এক বাক্যে রাজি হয়ে গেল তারা ক্ষমতায় এলে গ্যাস বিক্রি করবে। যেহেতু আমি রাজি হইনি, তার খেসারত দিতে হয়েছে ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি।’

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে দেশ অন্ধকারে ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘২০০১ এ যারা ক্ষমতায় এসেছিল তাদের একটাই লক্ষ্য ছিল নিজেরা আর্থিকভাবে কীভাবে লাভবান হবে। নিজেদের অর্থ-সম্পদের দিকেই তারা বেশি ব্যস্ত ছিল। সেই সাথে সাথে দুর্নীতি, মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ সেই দিকেই তাদের নজর ছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশকে পিছিয়ে রেখেছিল।’

এ সময় বঙ্গকণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  সাথে জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

12700total visits,199visits today

রাজধানীর উত্তরায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে দুদক পরিচালকের স্ত্রীর মৃত্যু

উত্তরা,রাজধানী সংবাদদাতাঃঃ

রাজধানীর উত্তরা ৬ নং সেক্টরেে একটি বাড়িয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে একজন রমণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।  জানা গেছে,  তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফের স্ত্রী তানিয়া ইশরাত।

১১সেপ্টেম্বর,২০১৯ইং বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় নিজের বাসায় দগ্ধ তানিয়া বৃহস্পতিবার সকালে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যান।উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের  এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরের বাসায় বুধবার সন্ধ্যায় বাসায় দগ্ধ হন দুদক পরিচালকের স্ত্রী। তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হলে সকালে তিনি সেখানে মারা যান। কী কারণে তানিয়া দগ্ধ হয়েছেন তা বিস্তারিত জানা যায়নি বলেও জানান তিনি।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//রাজধানী

12700total visits,199visits today

নোয়াখালীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানঃ তিন হাসপাতালকে জরিমানা

নোয়াখালী অফিসঃ

সারাদেশে ধারাবাহিক  অভিযানের অংশ হিসেবে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনেেের  উদ্যোগে নোয়াখালী জেলা শহরে নিরাময়, শমরিতা ও মর্ডান হাসপাতালে অভিযান, ৯০হাজার টাকা জরিমানা ও একজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে , জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব তন্ময় দাস স্যারের তাৎক্ষণিক নির্দেশে নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদি এলাকায় নিরাময় হাসপাতাল, শমরিতা হাসপাতাল ও মর্ডান হাসপাতালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় দেখা যায়- বিধি অনুযায়ী ডাক্তার, নার্স না থাকা, টেকনিশিয়ান ছাড়া ল্যাব পরিচালনা, হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার কক্ষ অপরিচ্ছন্ন, ফার্মেসীতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ, অনঅনুমোদিত ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ফার্মেসীতে প্রদর্শন, হাসপাতাল-ল্যাব-ফার্মেসী পরিচালনার লাইসেন্স-এর মেয়াদ না থাকার দায়ে এসব হাসপাতালগুলোকে নব্বই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং মাদকের লাইসেন্স ব্যতীত পেথেডিন ও মরফিন নিজ অধিকারে সংরক্ষণ করার দায়ে নিরাময় হাসপাতাল থেকে মহিবুল্লাহ নামে একজনকে আটক করে নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের পরিদর্শক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon)। আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন- সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি ডা. আরাফাত হোসেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা, ড্রাগ সুপার মো: মাসুদৌজ্জামান খান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের পরিদর্শক মো: আনোয়ারুল হক এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহুযোগিতা করেন সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

নিরাময় হাসপাতালকে ৬৫হাজার, শমরিতা হাসপাতালকে ১০হাজার ও মর্ডান হাসপাতালকে ১৫হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৯০হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ করে তা আদায় করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আদালত///জেলা

12700total visits,199visits today

তিন কোটি টাকার বীজ খেলেন ওরা চারজন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বিএডিসির ঝিনাইদহের দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামারের ৩ কর্মকর্তাসহ ৪ জনকে দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন, গোকুল নগর খামারের উপপরিচালক তপন কুমার সাহা, করিঞ্চা থামারের উপ পরিচালক ইন্দ্রজিৎ চন্দ্র শীল, পাতিলা খামারের উপ পরিচালক আকাতারুজ্জামান তালুকদার ও যশোর শেখহাটি বীজ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্রের উপপরিচালক মো. আমিন উদ্দিন।

অসৎ উদ্দেশ্য ও বিধি বহির্ভূতভাবে প্রায় ৩ কোটি টাকার ১২৯ মেট্রিক টন হাই ব্রিড ধান বীজ দত্তনগরের ৩টি খামার থেকে পাচার করে যশোর বীজ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে অবৈধভাবে পাঠানো হয়। উদ্দেশ্য ছিল এ বীজ বিক্রির টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নেওয়া।

বিএডিসির সচিব আব্দুল লতিফ মোল্লা সোমবার এক চিঠিতে তাদের সাময়িক বরখাস্তের এই আদেশ দেন। বিএডিসির ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো পৃথক পৃথক চিঠিতে বলা হয়েছে- বিধি বহির্ভূতভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে স্বীয় স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুল নগর, পাতিলা ও করিঞ্চা বীজ উৎপাদন খামারে ২০১৮/১৯ উৎপাদন বর্ষে কর্মসূচি বহির্ভূত অতিরিক্ত ১২৯ দশমিক ২২ মেট্রিক টন এসএল-৮ এইচ হাইব্রিড জাতের ধান বীজ পক্রিয়াজাত কেন্দ্র যশোরে প্রেরণ করেছেন। আপনি/আপনারা অতিরিক্ত বীজ উৎপাদনের পরিমাণ নিয়মানুযায়ী মজুদ ও কালটিভেশন রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করেননি। এমন কি অতিরিক্ত বীজ প্রেরণের কোন চালান বা তথ্য প্রমাণ খামারে রাখেননি। আপনারা উক্ত ধান বীজ অসৎ উদ্দেশ্যে নিজেরা আত্মসাৎ করার জন্য সংরক্ষণ ও উৎপাদন বিষয়ক প্রকৃত তথ্য গোপন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান হয়। ফলে আপনি বা আপনাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

বিএডিসির যশোর শেখহাটির বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত ১২৯ দশমিক ২২ মেট্রিক বীজ গোপনে বিক্রির জন্য মজুতের বিষয়টি ফাঁস হলে হৈচৈ পড়ে যায়। এ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক আব্দুল কাদের এ কারচুপির কথা চিঠি লিখে বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়ে দেন।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামারের অধীন গোকুলনগর খামার থেকে ১১৭ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন ও পাতিলা খামার থেকে ৫৯ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন এস এল ৮ এইচ জাতের হাইব্রিড বীজ যশোর শেখহাটি বীজ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্রে পাঠানো হয়। কিন্তু মজুত যাচাই কালে এর অতিরিক্ত ১২৯ দশমিক ২২ মেট্রিক টন অতিরিক্ত বীজ পাওয়া যায়। তদন্তে আসেন বিএডিসির জি এম ( বীজ ) নুরুন্নবী সরদার ও অতিরিক্ত জি এম ( খামার ) তপন কুমার আইচ। তদন্ত শেষে তারা ঢাকায় ফিরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট দেন। তার প্রেক্ষিতে ৪ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে জিএম নুরুন্নবী সরদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘তারা অভিযোগ তদন্ত করে রিপোর্ট দেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ৪ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//অপরাধজগত

12700total visits,199visits today

পটিয়ায় মানবাধিকার সভাপতি ইয়াবার চালানসহ আটক

চট্টগ্রাম জেলার  পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউপির আমজুর হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানবাধিকার সংগঠনের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেটকার থেকে  প্রায় ৬১ হাজার  পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব। সেই সাথে পরিবহনকারী মাইক্রোবাসটিও আটক করা হয়েছে।

yaba drugs bus

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে,,  বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে র‌্যাব-৭ এর একটি বিশেষ টিম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশিকালে এ ইয়াবার চালান ধরা পড়ে।

আটককৃতরা হলেন- মো. নাছিবুর রহমান ওরফে নাছিব (৪২) এবং মো. রাশেদ (২৭)। তাদের দুজনের বাড়ি যথাক্রমে ফরিদপুর ও পিরোজপুর জেলায়। এদের মধ্যে নাছিবুর রহমান নিজেকে সোসাইটি ফর এস্টাবলিশমেন্ট অ্যান্ড ইমপ্লিমেনটেশন অব হিউম্যান রাইটস নামে একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন।

সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. মাশকুর রহমান জানান, প্রাইভেটকার যোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান কক্সবাজার থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছে এমন গোপন সংবাদে র‌্যাবের একটি টিম দুপুরে মহাসড়কের পটিয়া এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন তল্লাশি শুরু করে।

এ সময় কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসা একটি প্রাইভেটকারের (ঢাকা মেট্রো-খ ১৩-২১৮৪) গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে র‌্যাব সদস্যরা গাড়িটিকে থামার সংকেত দেয়। কিন্তু চালক গাড়িটি না থামিয়ে র‌্যাবের চেকপোস্ট অতিক্রম করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে গাড়িটি ধরে ফেলে এবং গাড়ির ভেতর থেকে দুজনকে আটক করে।

পরে তাদের তথ্য অনুযায়ী মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে ল্যাপটপ, সাউন্ড বক্স এবং ব্যাগের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায়  প্রায় ৬১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

আটককৃতদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাব সুত্রে জানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

 

12700total visits,199visits today