• শনিবার ( রাত ১০:৫৪ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে দুদকের অভিযান

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে         রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালসহ ০২ স্থানে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দুদক সুত্রে জানা গেছে,,    দুদকের অভিযোগ কেন্দ্রে আগত অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুদক এ সকল   বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণপূর্বক কমিশনকে অবহিত করার জন্য ১১ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে চিঠি প্রদান করেছে। দুদক  সুত্রে জানা গেছে , রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে সেবা প্রদানে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন- ১০৬) অভিযোগ আসে যে, পঙ্গু  হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্মে রোগীরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। এছাড়া হাসপাতালে এক্সরে সহ বিভিন্ন সেবা প্রাপ্তির জন্য রোগীদের নিকট হতে অধিক টাকা আদায় করা হয়। তৎপ্রেক্ষিতে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ জাহিদ কালামের নেতৃত্বে  ১৭/০৭/২০১৯ খ্রি. এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী টিম পরিচয় গোপন করে হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করে এবং বেশ কিছু অনিয়মের সন্ধান পায়। এছাড়া বিভিন্ন সেবা প্রদানে হয়রানি ও অধিক টাকা আদায়ের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। হাসপাতালে বহিরাগত একজনকে কর্মরত অবস্থায় পায় দুদক টিম এবং পরিচালকের নিকট তাকে হস্তান্তর করে। এছাড়াও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মোঃ আব্দুল গনি মোল্লার নিকট হাসপাতালে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, সার্ভিস কাউন্টার বাড়ানো, নিজস্ব ডিসপেনসারি চালুকরণ, হাসপাতালে সীমানা দৃঢ়করণ-সহ নানাবিধ সুপারিশ প্রদান করে দুদক টিম। হাসপাতালের পরিচালক দুদকের এ অভিযানকে স্বাগত জানান। দুদকের এরূপ তৎপরতা অব্যাহত থাকলে হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সেবার মান নিশ্চিত হবে মর্মে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

ক্রাইম ডায়রি//রাজধানী///ক্রাইম//দুদক বিট

6848total visits,174visits today

চাইল্ড’স স্মাইল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ – চট্টগ্রাম মহানগর শাখার কমিটি গঠিত

জুয়েল মাঝি,চট্টগ্রাম অফিসঃ

চাইল্ড’স স্মাইল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ – চট্টগ্রাম মহানগর শাখার কমিটি গঠিত হয়েছে।

হাসি-আনন্দ-উচ্ছলতায় ভরে উঠুক প্রতিটি শিশুর জীবন, এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে সহযোগী সংগঠন চাইল্ড’স স্মাইল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। সংগঠনটি দেশব্যাপী তাদের কার্যক্রম এবং সাংগঠনিক পরিধি বৃদ্ধি করে কাজ করে চলেছে। যার ধারাবাহিকতায় গত ১৬/০৭/২০১৯ইং হইতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মাহাবুব রহমান দুর্জয় স্বাক্ষরিত আগামী ০২ (দুই) বছরের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ৫২ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে আরশাদ মাহমুদ বিন হামিদ সভাপতি এবং মোঃ সিফাতুল হক নিরব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। কমিটি অন্যান্য যারা আছেন তাঁরা হলেন সহ- সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম তুহিন, ফয়সাল মোহাম্মদ জিসান, সুজেলার সোলাইমা চৌধুরী সাইকা, রনি সিকদার, মোঃ ইমরান রাহেদ উদ্দিন বিজয়, সহ- সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, মোঃ নাসিম ফরহাদ, মুহাম্মদ আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ছাবের হোসেন, মোঃ নুরুল ইসলাম, ইমতিয়াজ ফারুক, অর্থ সম্পাদক মীর ফাহিম-উল-হক, সহ- অর্থ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, আল সাঈদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ তানবির, মোঃ জাহিদ হোসাইন হিমেল, প্রচার সম্পাদক সৈয়দ আসিফ উদ্দিন, সহ-প্রচার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ তারেকুল ইসলাম।

সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক হোসনে আরা সাদিয়া শারমিন, মুহাম্মদ এমদাদ, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল কবির তুহিন, মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন তানভীর, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এমরান মাসুদ মিসাল, মোঃ আব্বাস উদ্দিন, শিশু বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া আক্তার বৃষ্টি, তৃষা আক্তার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বোরহান উদ্দিন ফাহিম, জয় বড়ুয়া, তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাদেকুন নুর সিকদার, শেখ মোহাম্মদ জালাল, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মেহেজাবিন মাহমুদা, মোঃ সাহেদ চৌধুরী বাবু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সায়মুন আদনান, আব্দুল আহাদ সাঈম।

কার্য-নির্বাহী সদস্য মোঃ রহিম আল সউদ, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোঃ জাহিদ হাসান, মোঃ ফারুক আজিজ, মুহাম্মদ রিদুওয়ানুল করিম, মিফতাহুল ইসলাম রাফি, শাওন মোশাররফ খান, মোঃ মাইনুল হাসান, আব্দুল মাজিদ হাসান, রাহিদ ইসলাম, সাবিনা ইয়াসমিন, মোঃ ইসমাইল ও কামরুল হাসান।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা//মহানগর

6848total visits,174visits today

বন্যা দীর্ঘমেয়াদি রূপ নেওয়ার আশঙ্কা

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধানঃ

টানা অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। দেশের বড় বড় নদ-নদীগুলোর পানি হু হু করে বাড়ছে। প্রবল বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে বানবাসি সাধারণ মানুষের।বন্যা দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্যার সঙ্গে ঝড় যোগ হওয়ায় নদ-নদীগুলো উত্তাল। এতে নদীর পাড় ভাঙ্গা অব্যাহত রয়েছে। নদীর পাড়ের পাশাপাশি ভাঙ্গছে বাঁধও। এতে বাঁধে আশ্রয় নেওয়া মানুষের কষ্ট বাড়ছে। প্রথমে দেশের ১০টি জেলায় বন্যা দেখা দিলেও ক্রমেই বিস্তার লাভ করছে। এমনকি রাজধানী ঢাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে বৃহত্তর ঢাকার মানিকগঞ্জ বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

গতকাল অবিরাম বৃষ্টি ও ঝড় বয়ে যায়। এ সময় ব্যাপক বজ্রপাত ঘটে। বজ্রপাতে সারা দেশে ১৬ জনের প্রাণহানির খবর এসেছে মিডিয়ায়। মৃতদের মধ্যে কৃষক ও জেলের সংখ্যাই বেশি। শিক্ষার্থীও এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে। কর্মরত অবস্থায় কৃষক ও জেলারা মারা যান।গত কয়েক বছর বজ্রপাতে মৃতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

বন্যায় করস্থান, শশ্মান ডুবে যাওয়ায় মৃতদের নিয়ে বিপাকে পড়ছেন স্বজনরা। পাকের ঘরে পানি উঠে যাওয়ায় রান্না নিয়ে বিপাকে পড়ছেন বানভাসি মানুষ। অতিরিক্ত পানির কারণে ল্যাট্রিন ডুবে যাওয়ায় প্রাকৃতিক কাজ সারতে বিপাকে পড়ছেন সর্বস্তরের মানুষ। চাপকলগুলো ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানি সংকট চরমে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে মানুষ নিরুপায় হয়ে বানের পানি খাচ্ছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ কোথাও আশ্রয় কেন্দ্রে, কোথাও বা মাছা তৈরি করে পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকছেন। রান্নাঘর ডুবে যাওয়ায় তারা চরম খাদ্য সংকটে ভুগছেন। এই মুহূর্তে শুকনো খাবার তাদের বেশি প্রয়োজন। তাদের জন্য ত্রাণ হিসেবে বিশুদ্ধ পানি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, শুকনো খাবার, মোমবাতি, দেশলাই সরবরাহ জরুরি। বিশুদ্ধ পানির অভাবে বানবাসিদের ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্যায় জমির ব্যাপক ফসলহানির আশঙ্কা রয়েছে। কাঁচামরিচ, বেগুন, সসা, করলা, বরবটি, চিচিঙ্গা, দুন্দল, কাঁকরোলসহ মৌসুসী তরুতরকারির ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় বাজারে এগুলোর সরবরাহ কমে গেছে। ফলে তরকারির দাম দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। বন্যার অজুহাত দেখিয়ে বাজারে বেড়ে গেছে ডিম, আলু, পিঁয়াজ, রসুন, আদাসহ নিত্যপণ্যের দাম।

বন্যায় চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। একদিকে ফসলহানি, অন্যদিকে গবাদিপশু রাখা এবং এগুলোর খাবার জোগান দিতে গিয়ে তারা পেরেশান।নিজের পরিবার-পরিজনের যেখানে থাকা-খাওয়াই প্রায় অনিশ্চিত, সেখানে গবাদিপুশু রাখার জায়গা এবং খাবার জোগান দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। বন্যা এলে কৃষক সমাজের নানা সমস্যা এভাবে বাড়ে। বন্যার সময় মানুষের জন্য আশ্রয় কেন্দ্রের কথা ভাবা হলেও, পশুদের জন্য ভাবা হয় না।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ তাকিয়ে আছে ত্রাণের দিকে। সরকারি ত্রাণ প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। এ অবস্থায় রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনগুলোসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের এগিয়ে আসা জরুরি। বানভাসি মানুষ অসহায় অবস্থায় তাকিয়ে আছে সহযোগিতার প্রত্যাশায়। সে প্রত্যাশা পূরণে সমাজের বিত্তশালীদের পাশাপাশি উদ্যামী তরুণ সমাজকে ত্রাণ সংগ্রহপূর্বক দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো সময়ের দাবি।

ক্রাইম ডায়রি//সৌজন্যে   //বিশেষ প্রতিনিধি- পিএনএস//জাতীয়

6848total visits,174visits today