• শনিবার ( রাত ১১:০৫ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

হঠাৎ আঙুল ফুলে কলাগাছঃ রেলের কোটিপতি পিয়ন গ্রেফতার

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

রেলের সামান্য বেতনের কর্মচারী কিন্তুু হঠাৎই রাতারাতি কোটিপতি। কিভাবে,  এমনতো না যে দৃশ্যমান ব্যবসা। তাও বা করবেন কিভাবে।সরকারি চাকুরির পাশাপাশি খুব একটা সুবিধা যেমন নেই বিধানও নেই। তবে,পারিবারিক উৎস; না, তাও নয়। তবে, উৎসটা যখন ঘুষ কিংবা নিয়োগ বানিজ্য। হ্যা,চাকরির প্রলোভনে ঘুষ, মানি লন্ডারিং ও উৎসবিহীন দেড় কোটি টাকা আয়ের অভিযোগে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের তৃতীয় শ্রেণির এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২৫জুন মঙ্গলবার। চট্টগ্রান   মহানগরীর আগ্রাবাদের বাদামতলির মোড় থেকে অলী উল্লাহ ওরফে সুমন (৩২) নামের ওই কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি পূর্বাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজারের কার্যালয়ের সহকারী। কিন্তু তার দাবি তিনি পরিদর্শক (এসিআই)। তিনি ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার বারুইগ্রামের মিশ্রীপুরের আবদুর রহমানের ছেলে।

দুদক চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম ক্রাইম ডায়রিকে   জানান, ঘুষ ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে অলী উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। তাকে গ্রেফতারের পর আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনের দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৬ সালে অলী উল্লাহর বন্ধু মিজানুর রহমান রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ৭টি পদে আবেদন করেন। যাতে ঠিকানা হিসেবে অলী উল্লাহর অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। এ সময় নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে রশিদ মূলে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেন অলী উল্লাহ। তার সোনালী ব্যাংকের সিআরবি শাখার হিসাবে ২০১২-২০১৮ সাল পর্যন্ত ১ কোটি ৩১ লাখ ৭ হাজার ৪৮৭ টাকা জমা হয়েছে যার নির্দিষ্ট উৎস নেই। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড স্টেশন রোড শাখায় ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮১ টাকা জমা হয়েছে। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জে ৫ শতক জমিও কিনেছেন অলী উল্লাহ।

অলী উল্লাহর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬৩/৪২০ সহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে দুদকের অভিযান পরিচালিত হয়ে আসছে।এরই    অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করে আসছে দুদক।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///দুদক বিট

6947total visits,273visits today

মিরপুর চিড়িয়াখানায় দুদকের অভিযানঃঃ অনিয়ম দৃশ্যমান

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

 

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা চিড়িয়াখানায় অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদকের বিশেষ টিম  । দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন- ১০৬) আগত এক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানা মিরপুরে ২৫জুন এ অভিযান পরিচালিত হয়। দুদক টিম সরেজমিন অভিযানে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে বলে জানা গেছে । দুদক সুত্রে জানা গেছে, চিড়িয়াখানার ভেটেরিনারী হাসপাতালের জু-এনিম্যাল ল্যাবরেটরীতে অত্যাধুনিক মেশিনারিজ দীর্ঘদিন যাবত অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে আছে। তাছাড়া ল্যাবের যন্ত্রপাতি নোংরা ও বিকল অবস্থায় পরে আছে। উক্ত যন্ত্রপাতি স্থাপনের পর এখানে কোন পশুর চিকিৎসা হয়েছে এমন কোন নজির সরেজমিনে দেখা যায়নি। এখানে একজন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ও গবেষণা কর্মকর্তা কর্মরত থাকলেও প্রাণীদের বিষয়ে কোন গবেষণা কার্যক্রমের নমুনা পাওয়া যায়নি। পরীক্ষা না করেই পশুদের  নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হয় এমন প্রমাণ পায় দুদক টিম। কোন কোন ক্ষেত্রে খাবার পরিমাপ না করেই পরিমাণে কম সরবরাহ করা হচ্ছে এরূপ চিত্র ফুটে ওঠে। চিড়িয়াখানায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও তা যথানিয়মে অনুসৃত হচ্ছে না মর্মে দুদক টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়। এছাড়া চিড়িয়াখানায় কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিচয়পত্র বহন করার নিয়ম থাকলেও দুদক টিম মাত্র একজন কর্মচারীকে পরিচয়পত্র পরিধান অবস্থায় পায়। সার্বিক বিবেচনায় উক্ত চিড়িয়াখানায় ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে এরূপ চিত্র ফুটে ওঠে। চিড়িয়াখানায় ঔষধ সরবরাহের রেজিস্টারে গত তিন মাস যাবত সরবরাহকৃত ঔষধের বিবরণ নেই। চিড়িয়াখানা হতে আদৌ কোন ঔষধ সরবরাহ করা হয় কি-না বা প্রাপ্ত ঔষধ বাহিরে বিক্রি করে দেয়া হয় কি-না সে বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের অনুমোদন চেয়ে কমিশনে প্রতিবেদন প্রেরণ করেছে দুদক টিম।

ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম

6947total visits,273visits today

বগুড়া সদরে উপনির্বাচনে জয়ী বিএনপি’র সিরাজ

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

বি এনপি’র ঘাঁটি বলে পরিচিত বগুড়া -৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭৪২ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীক নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এসএমটি জামান নিকেতা পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৯৭ ভোট। সোমবার ইভিএমে ভোট শেষ হওয়ার সাড়ে ৩ ঘণ্টার মাথায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুব আলম শাহ ফলাফল ঘোষণা করেন।

সরজমিনে ক্রাইম ডায়রির বিশেষটিম সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন রিটনের নেতৃত্বে    একদল সাংবাদিক নির্বাচনীী অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। নির্বাচনকালীন কোথায় ও কোন   অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। অপর ৬ প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম ওমর (লাঙ্গল) ৭ হাজার ২৭১, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ড. মনসুর রহমান (ডাব) ৪৫৬ ভোট পেয়েছেন।

৩ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫৮ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭০ ভোট। ভোট গ্রহণের হার ৩৪.৫৫ শতাংশ।

উপনির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার এএসএম জাকির হোসেন ক্রাইম ডায়রিকে  জানান, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে। বগুড়ার পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবদুল জলিল ক্রাইম ডায়রিকে     বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকায় কোনো কেন্দ্রেই বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

অনেক সাধারণভোটার জানিয়েছেন,    ইভিএমে ভোট গ্রহণে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কোনো ঝামেলা নেই।

ক্রাইম ডায়রি//রাজনীতি

6947total visits,273visits today