• বুধবার ( সকাল ৭:০৫ )
    • ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

জঙ্গি তৎপরতা রোধে সতর্ক থাকতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ আইজিপির

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বিপিএম(বার) বলেছেন, বর্তমানে দেশে জঙ্গি কর্মকান্ড কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জঙ্গি তৎপরতা যেন কোনভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেজন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

আইজিপি ১২ জুন ২০১৯ খ্রি. বুধবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যকালে পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ প্রদান করেন। সভায় সকল রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটনের কমিশনার ও জেলার পুলিশ সুপারগণ অংশগ্রহণ করেন।

আইজিপি বলেন, জঙ্গি তৎপরতা রোধে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন ও ব্লক রেইড পরিচালনা করতে হবে। কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করে আগন্তুক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়মিত মনিটর করতে হবে। জঙ্গিদের সম্পর্কে গোয়েন্দা নজরদারী বাড়াতে হবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব মেগা প্রকল্পে কর্মরত এবং দেশে বসবাসকারী বিদেশী নাগরিকদের নিরপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

আইজিপি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। মাদকের বিস্তার রোধে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

আইজিপি বলেন, গত পহেলা বৈশাখ, বৌদ্ধ পূর্ণিমা, রমজান এবং ঈদুল ফিতর অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হয়েছে। বর্তমানে সামগ্রিকভাবে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। এ অবস্থা ধরে রাখতে পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন আইজিপি।

সভায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, সারদা, রাজশাহীর প্রিন্সিপ্যাল মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া, এন্টিটেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ আবুল কাশেম, রেলওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মহসিন হোসেন, সিআইডি প্রধান মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, টিএন্ডআইএম এর অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ ইকবাল বাহার, এপিবিএন এর অতিরিক্ত আইজিপি মোশারফ হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি (এফএন্ডডি) মোঃ শাহাব উদ্দীন কোরেশী, পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান, শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি জনাব আবদুস সালাম, পিপিএম, অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এবং পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ক্রাইম ডায়রি//সুত্রঃঃDMP/fb//জাতীয়

Total Page Visits: 17101

লবনের ক্ষেত্রে দুদকের ১০ দফা সুপারিশ

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

ধারাবাহিকভাবে সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান কিংবা পন্য কিংবা সামগ্রিক বিষয় ও ব্যবস্থাকে শুধরানোর জন্য গবেষনা মূলক সপারিশ করে দুদক।।  যে সুপারিশ দেশ গঠনে গুরুত্ব রাখে।  সম্প্রতি এমনই একটি সুপারিশ পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠিয়েছে দুদক। দুদক সুত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত এর স্বাক্ষরে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা, মার্কেট শেয়ারিং ও আয়োডিন ব্যবহারের দক্ষতা বিবেচনায় না নিয়ে বিভিন্ন ভূয়া প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কাঁচা লবণ আমদানির অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়ম প্রতিরোধে দুদকের ১০ দফা সুপারিশ সংবলিত পত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাববরে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই পত্রের মাধ্যমে সুপারিশমালা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে অনুরোধও করা হয়েছে। এই পত্রের অনুলিপি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয় সচিব এবং বিসিক চেয়ারম্যান বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে।

বর্ণিত বিষয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানকালে জানা যায় যে, বিভিন্ন লবণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সক্ষমতা যাচাই না করে সকল প্রতিষ্ঠানকে সমহারে বোল্ডার লবণ আমদানির অনুমোদন প্রদান করা হয়। উক্ত আমদানির অনুমোদন প্রক্রিয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের নিকট যথাযথ নয় মর্মে প্রতীয়মান হয়। কাঁচা লবণ আমদানির ক্ষেত্রে নিন্মোক্ত সুপারিশমালা অনুসরণ করা যেতে পারেঃ

১. লবণের মৌসুম শেষ হওয়ার সাথে সাথে বিসিকের নিকট হতে লবণের চাহিদা ও উৎপাদিত লবণের পরিসংখ্যান সংগ্রহপূর্বক দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘাটতি লবণ আমদানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিজস্ব লবণ শিল্পকে সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্ত শুধুমাত্র প্রকৃত চাহিদার তুলনায় ঘাটতির সমপরিমাণ বোল্ডার লবণ আমদানি নিশ্চিতকরণ।

২. বিসিক সিআইডিডি প্রকল্পের আওতায় ভোজ্য ও শিল্প লবণ উৎপাদনকারী লবণ মিল সমূহের কার্যক্রম মনিটরিং করে, বিধায় লবণ উৎপাদন ও বিপননের সাথে জড়িত লবণ মিলের জন্য বিসিক এর নিবন্ধন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা।

৩. যে সকল লবণ মিল ভোজ্য লবণ বাজারজাত করে থাকে, তাদের নিজস্ব আইএসপি মেশিন থাকা বাধ্যতামূলক করা।

৪. ভোজ্য লবণ আমদানির ক্ষেত্রে যে সকল লবণ মিল বিসিকের তালিকাভুক্ত সেগুলোর বাইরে অন্য কোন লবণ মিলকে লবণ আমদানির অনুমোদন প্রদান না করা।

৫. লবণ আমদানির জন্য যোগ্য মিল নির্বাচনের জন্য বিসিক, প্রধান আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে নীতিমালা প্রনয়ণ ও তা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৬. ভোজ্য লবণ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে বিএসটিআই এর অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা।

৭. কোন লবণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আমদানির অনুমতিপ্রাপ্তির পর লবণ আমদানি না করলে পরবর্তীতে বছরে উক্ত প্রতিষ্ঠানকে লবণ আমদানির অনুমতি প্রদান না করা।

৮. গ্রুপ ভিত্তিক আমদানিকে নিরুৎসাহিত করা।

৯. পূর্ববর্তী বছর সমূহের উৎপাদন ও বিপণন সংক্রান্ত তথ্যাদির ভিত্তিতেলবণ মিলের উৎপাদন সক্ষমতা, নির্ধারণ এবং

১০. সমহারে লবণ আমদানির অনুমোদন প্রদান না করে সক্ষমতার ভিত্তিতে আমদানির অনুমোদন প্রদান করা।

এই সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে লবন বাজারজাতকরনে সমতা ও উৎপাদনে স্বচ্ছতা আসবে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করছেন।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 17101

মাম পানির বোতলে ময়লাঃ বিক্রয় প্রতিনিধিকে জেল ও জরিমানা

চাঁদপুর সংবাদদাতাঃ

এবার চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মাম পানির বোতলে ময়লা ও নারকেলের ফুল পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মাম পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে (এসআর) ২০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বৈশাখী বড়ুয়া ভ্রাম্যমান আদালতে এ সাজা প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, জনৈক ভোক্তা হাজীগঞ্জ বাজারস্থ বিশ্ব রোড আহাদ স্টোর থেকে ২ লিটার একটি মাম পানির বোতল ক্রয় করেন। পানির বোতলের নিচে তিনি একটি নারকেলের ফুল ও পানিতে শেওলা পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বৈশাখী বড়–য়া মাম পানির হাজীগঞ্জ এজেন্ট নাজমুল আলম চৌধুরী ও মাম পানির বিক্রয় প্রতিনিধি মো. শাকিল হোসেনকে ডেকে নেন। তাদের সম্মুখে বোতলের ভেতরে নারকেলের ফুল ও পানিতে শেওলা দেখিয়ে তাৎক্ষণিক এসআর শাকিলকে ভোক্তা অধিকার আইন, ২০০৯ অনুসারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ২০হাজার টাকা অর্থদ- এবং অনাদায়ে ৭দিনের কারাদ- প্রদান করা হয়।
হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বৈশাখী বড়ুয়া বলেন, মাম ড্রিংকিং ওয়াটার দেশের একটি জনপ্রিয় খাবার পানি। দেশের সরকারি, বেসরকারি সকল অনুষ্ঠানে, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মানুষ আস্থা এবং বিশ্বাসের সাথে এ পানি পান করেন। হাজীগঞ্জ উপজেলার একজন নাগরিক এ পানিটি ক্রয় করে দেখেন এতে নারিকেলের পচা ফুলসহ অনেক ময়লা রয়েছে। হয় তাদের পন্য নকল না হলে তারা অসাবধান । ৷ সুতরাং, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের আরো সাবধান হওয়া উচিত বলে  তিনি মন্তব্য করেন।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা//আদালত

Total Page Visits: 17101