• শনিবার ( রাত ১০:৫৮ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা বাজারে নকল ডিটারজেন্ট পাউডার এর কারখানার সন্ধানঃ ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা ও সিলগালা

জাকির হোসেন রনিঃ

রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা বাজারে নকল ডিটারজেন্ট পাউডার এর কারখানার সন্ধান পেয়ে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয় রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ।

ডিটারজেন্ট পাউডার ‘ রিন পাওয়ার ‘ এর অবিকল মোড়কে বিভিন্ন নামে নকল পন্য যেমনঃ ‘ রিম ডিটারজেন্ট পাউডার ‘ , ‘ উইন পাওয়ার ‘ ইত্যাদি তৈরি করে বাজারজাত করা হত। যথারীতি বিএসটিআই এর কোন অনুমোদন নাই।

নকল পন্য তৈরি ও বাজারজাত করার অপরাধে কারখানার মালিক কে ৫০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে অবৈধ কারখানাটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

 

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম

6873total visits,199visits today

সারাদেশে দুদকের ৫ অভিযানঃঃ ভবন নির্মানে অনিয়মের অভিযোগে ব্যবস্থা

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে      রাজধানী ঢাকাসহ দেশের পাঁচটি স্থানে দুর্নীতি প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক।

কেইস স্টাডি ১ঃ—

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম উদ্ঘাটন করেছে দুদক। মোহাম্মদপুরের আজিজ মহল্লা, জয়েন্ট কোয়ার্টার-এর বিল্ডিং নং এফ-১২/৪ -এ রাজউকের নিয়ম মোতাবেক রাস্তা ও পয়নিস্কাশনের জায়গা না ছেড়ে বাড়ি করা হচ্ছে, দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন – ১০৬) আগত এরূপ অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয়, ঢাকার একটি এনফোর্সমেন্ট টিম আজ (৩০/০৪/২০১৯ খ্রি.) উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দুদককে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে রাজউক জোন- ৩ এর সহকারী অথরাইজড অফিসার এবং ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম। দুদক টিম রাজউকের সহায়তায় ভবনটি পরিমাপ করে অভিযোগের সত্যতা পায়। রাজউক কর্তৃপক্ষ দুদক টিমকে জানায়, নকশাবহির্ভূত অংশ অপসারণে উক্ত ভবন মালিককে ইতোপূর্বে ২ দফা নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি তা অমান্য করেছেন। রাজউক তাদের বিধি মোতাবেক উক্ত ভবনের বর্ধিতাংশ অপসারণে ১৫ দিনের সময় প্রদানপূর্বক চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করে। একই অভিযানে পার্শ্ববর্তী ২টি ভবন, যথাক্রমে এফ-১২/১১ ও এফ-১৫/১১ -এ যে পরিমাণ জায়গা ছাড়ার কথা তা না ছেড়েই নির্মাণকাজ স¤পাদিত হচ্ছে মর্মে দুদক টিম নিশ্চিত হয়। দুদক টিমের পর্যবেক্ষণ আমলে নিয়ে রাজউক উক্ত দুই ভবন মালিককে বর্ধিতাংশ অপসারণে ৭ দিনের নোটিশ প্রদান করে।

কেইস স্টাডি ২ঃ—

এদিকে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস-এর চট্টগ্রাম অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার-এর স্বেচ্ছাচারিতা, দায়িত্ব অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এর একটি টিম। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে অভিযোগ আসে, উল্লিখিত দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্টার হারুন-অর-রশিদ সপ্তাহে মাত্র একদিন তথা বৃহ¯পতিবারে অফিস করেন। টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে হাজিরা খাতা পরিদর্শন করে অভিযোগটি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। দুদক টিম জানতে পারে, সপ্তাহে একদিন মাত্র অফিস করায় উক্ত কর্মকর্তা কাক্সিক্ষত সেবা প্রদান করেন না এবং সেবাপ্রার্থীদের ব্যাপক হয়রানি ঘটে। টিম উল্লিখিত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশপূর্বক কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।

কেইস স্টাডি ৩ঃ—

এদিকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার যাদবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের তিন মাসের মাঝেই ফাটল দেখা দেওয়ায় এ বিষয়ে অনিয়ম খতিয়ে দেখতে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুর -এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম। টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঠিকাদার কর্তৃক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উক্ত ভবনের নির্মাণ কাজ বুঝিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু ইতিমধ্যে বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরায় এ ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে মর্মে দুদক টিম নিশ্চিত হয়। টিম উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট হতে এ ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত তথ্যাবলি সংগ্রহ করে। টিম এ অনিয়মের বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের সুপারিশ করে কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।

কেইস স্টাডি ৪ঃ—

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে হালদা নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় তামাক চাষের ফলে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে, এরূপ অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রাঙ্গামাটির একটি এনফোর্সমেন্ট টিম। টিম উপজেলা মৎস্য বিভাগ এবং জেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তার সমন্বয়ে উল্লিখিত অঞ্চল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পায়। টিমের পক্ষ হতে তামাক চাষ থেকে বিরত থাকার জন্য চাষীদের অনুরোধ করা হয়। তামাক চাষের ভয়াবহতা উল্লেখপূর্বক চাষীদের বিকল্প চাষে উদ্বুদ্ধ করতে সামাজিক উদ্যোগ ও প্রণোদনামূলক কার্যক্রম চালানো হবে মর্মে দুদক টিমকে আশ্বস্ত করে জেলা কৃষি বিভাগ।

কেইস স্টাডি ৫ঃ—

এদিকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল জংশন স্টেশনে রেলপথ সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, দিনাজপুর-এর এনফোর্সমেন্ট টিম। টিম উল্লিখিত নির্মাণকাজ খতিয়ে দেখে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি সংগ্রহ করে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে উক্ত কাজে যথাযথ মান নিশ্চিত হয়নি মর্মে দুদক টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়। এ বিষয়ে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে বলে দুদক সুত্রে জানা গেছে ।

ক্রাইম ডায়রি//দুদক বিট

6873total visits,199visits today