• শনিবার (সকাল ৬:০৬)
    • ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

মার্কিন রনতরীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডঃ আহত ২১

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে আগুন, আহত ২১

 

মহাশক্তিধর বলে আত্ম অহামিকায় ভরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগোতে নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে আগুন লেগে অন্তত ২১ জন নাবিক আহত হয়েছে। রবিবার সকালে সান ডিয়েগো নৌঘাঁটির ইউএসএস বোনহোমে রিচার্ড নামের এই জাহাজে আগুনের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে একটি বিস্ফোরণের পর এই আগুনের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আহত ১৭ জন নাবিক ও চার জন বেসামরিককে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের জখমে প্রাণ সংশয়ের হুমকি নেই।”

আগুনে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস বনহোম রিচার্ডের নাবিকরা ‘সামান্য আহত’ হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে  নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার প্যাট্রিশিয়া কোয়েজবার্গার সিনএএনকে জানিয়েছেন।

রোববার বিকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের ন্যাভাল সার্ফেস ফোর্সেস এক টুইটে জানায়, সব ক্রু যুদ্ধজাহাজটি থেকে নেমে গেছেন এবং কেউ নিখোঁজ নেই। জাহাজটিতে প্রায় ২০০ জনের মতো লোক ছিল। যদিও স্বাভাবিক ভাবে রনতরীতে ১০০০  সৈন্য থাকে।

আগুনে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস বনহোম রিচার্ডের নাবিকরা ‘সামান্য আহত’ হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে  নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার প্যাট্রিশিয়া কোয়েজবার্গার সিনএএনকে জানিয়েছেন।

সান ডিয়াগো ফায়ার-রেসকিউ বিভাগ তাদের প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় সকাল প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে যুদ্ধজাহাজটিতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়, পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে একটি বিস্ফোরণও ঘটে। রিয়ার অ্যাডমিরাল ফিলিপ সাংবাদিকদের জানান, আহত সৈন্যদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়,নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জাহাজটিকে বন্দরে রাখা অবস্থায় এমন ঘটনা ঘটে।

ক্রাইম ডায়রি// আন্তর্জাতিক

 

Total Page Visits: 66013

চাকরী হারানোর ভয়ে অসংখ্য গার্মেন্টস শ্রমিক

মুহাম্মাদ আখতারুজ্জামান : একদিকে বেতন না পাওয়ার আহাজারি অন্যদিকে চাকরি হারানোর গভীর সঙ্কায় রয়েছেন পোশাক খাতের শ্রমিকরা। দেশে বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত সর্বমোট এক হাজার ৯২৬টি তৈরি পোশাক কারখানা চালু রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৮৫৫টির মালিক তাদের শ্রমিকদের মে মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছেন। তবে এখনও ৭১ কারখানার শ্রমিক বেতন-ভাতা পাননি। এ তথ্য জানিয়েছে পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

মিল-কলকারখানা চালু হলেও কোনো শিল্প ইউনিট ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। সক্ষমতার বিপরীতে অর্ডার নেই। বড় জোর ৩০ শতাংশ শ্রমিক-কর্মচারী দিয়ে মিল ফ্যাক্টরি চালানোর সুযোগ আছে। তাও কতদিন চলবে- তা অনিশ্চিত। এ হিসাবে কমপক্ষে বস্ত্র সেক্টরের ৭০ শতাংশ কর্মীর চাকরি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

বিজিএমইএ বলেছে, এক হাজার ৯২৬ কারখানার মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় রয়েছে ৩৩৩টি। এর মধ্যে মে মাসের বেতন দিয়েছে ৩১৪টি প্রতিষ্ঠান। গাজীপুরের ৭১৩ কারখানার মধ্যে বেতন দিয়েছে ৬৯৩টি, সাভার-আশুলিয়ায় ৪১২টির মধ্যে বেতন দিয়েছে ৩৯৭টি, নারায়ণগঞ্জের ১৯৮টি কারখানার মধ্যে বেতন দিয়েছে ১৯৬টি, চট্টগ্রামের ২৫২টি কারখানার মধ্যে ২৪০টি এবং প্রত্যন্ত এলাকার ১৮টি কারখানার মধ্যে ১৫টি বেতন পরিশোধ করেছে। সব মিলিয়ে মে মাসের বেতন পরিশোধ করেছে চালু থাকা এক হাজার ৮৫৫টি (৯৬.৩০ শতাংশ) কারখানা। তবে ৭১টি কারখানার (৩.৭০ শতাংশ) শ্রমিকদের বেতন ২৫ জুন পর্যন্ত পরিশোধ করেনি মালিকপক্ষ।
জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। এই প্যাকেজ থেকে উৎপাদনের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ পণ্য রফতানি করছে এমন সচল প্রতিষ্ঠান সুদবিহীন সর্বোচ্চ ২ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিয়ে ঋণ নিতে পারছে। জানা যায়, তহবিল থেকে ঋণ পেতে বিজিএমইএর সদস্য এক হাজার ৩৭০টি ও বিকেএমইএর সদস্য ৫১৯টি কারখানা আবেদন করেছিল। বিভিন্ন কারণে বিকেএমইএর ৯৯ সদস্য কারখানাসহ বেশি কিছু আবেদন বাতিল হয়। তবে এরপরও পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের সিংহভাগ অর্থই ঋণ হিসেবে পেয়েছেন পোশাকশিল্পের মালিকরা। ফলে দুই মাস ধরে পোশাক শ্রমিকদের একটি বড় অংশের মজুরি হচ্ছে প্রণোদনার টাকায়। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে চলমান সংকটে শ্রমিক-কর্মচারীদের আরও তিন মাসের বেতন-ভাতা দেয়ার জন্য বিশেষ অর্থ বরাদ্দ চান দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকরা। এই বরাদ্দ চেয়ে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী বরাবর চিঠি দেয় রফতনিমুখী পোশাক মালিকদের বড় দুটি সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।
এ বিষয়ে বিকেএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, চলমান সংকটে রফতানিমুখী শিল্পের ক্ষতির কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বেচ্ছায় বেতন-ভাতা দেয়ার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ দিয়েছেন। ওই টাকায় ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পোশাক কারখানা তিন মাসের মজুরি দিচ্ছে। তিনি বলেন, প্যাকেজের ঋণের অর্থে আমরা এপ্রিল, মে ও জুন- এ তিন মাসের মজুরি দেয়ার সুযোগ পেয়েছি। এখন আগামী জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বরের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য আগের মতো সহজশর্তে অর্থবরাদ্দ চেয়েছি। কারণ আজ থেকে তিন-চার মাস পর আমাদের যে কাজ প্রোডাকশন লাইনে যাবে বা শিপমেন্ট হবে সেটা এখনই কনফার্ম হওয়া দরকার। কিন্তু আমাদের কাছে এ মুহূর্তে কোনো অর্ডার আসছে না। তাই আগামী তিন মাস শ্রমিকদের বেতন দেয়ার মতো পরিস্থিতি কারখানাগুলোর নেই। এমন অবস্থায় আমরা সরকারের কাছে আবেদন করেছি বেতন দেয়ার জন্য ঋণের সুবিধা আরও তিন মাস যেন দেয়া হয়।
এদিকে মিল-কলকারখানা চালু হলেও কোনো শিল্প ইউনিট ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। সক্ষমতার বিপরীতে অর্ডার নেই। বড় জোর ৩০ শতাংশ শ্রমিক-কর্মচারী দিয়ে মিল ফ্যাক্টরি চালানোর সুযোগ আছে। তাও কতদিন চলবে- তা অনিশ্চিত। এ হিসাবে কমপক্ষে বস্ত্র সেক্টরের ৭০ শতাংশ কর্মীর চাকরি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু গার্মেন্ট সেক্টরেই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১ কোটি লোকের কাজ থাকবে না। সূত্রমতে, বিজিএমইএর দাবি অনুযায়ী তাদের শ্রমিক সংখ্যা ৪৫ লাখ হলে এর ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ৩১ লাখের বেশি শ্রমিকের কাজ থাকছে না। এছাড়া তৈরি পোশাকের পশ্চাৎপদ শিল্প যেমন স্পিনিং, টেক্সটাইল, এক্সেসরিজ, পরিবহন, ফ্রেইট ফরোয়াডার্স, সিএন্ডএফ এজেন্টসহ পরোক্ষভাবে জড়িত শ্রমিক-কর্মচারীদের বড় অংশ কর্মহীন হয়ে পড়বে। এর বাইরেও পরোক্ষভাবে একটি কারখানাকে কেন্দ্র করে আরও অনেক ছোটখাটো ব্যবসা-বাণিজ্য গড়ে ওঠে। সেগুলোর কাজ কিংবা আয়ের পথ বন্ধ হবে। সব মিলিয়ে হিসাব করলে কোটির কাছাকাছি হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প মালিকদের কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যে যাই বলুক না কেন, বাস্তবতা হল বর্তমানে গার্মেন্টে যে কাজ আছে সেখানে ৩০ শতাংশের বেশি শ্রমিক কাজে লাগানোর সুযোগ নেই। যদি সুবিধামতো অর্ডার না পাওয়া যায় তাহলে চালু রাখা তো দূরের কথা, পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা থাকবে না। এর সঙ্গে ছাঁটাইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। কাজ না থাকলে বেতন দেবে কে? ব্যবসার স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে কেউ থাকতে পারবেন না। ইতোমধ্যে শিল্প মালিকরা লোকসান দিয়ে হলেও শ্রমিক-কর্মচারীদের ধরে রেখেছেন। কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হলে সামনের দিকে সামলানো সম্ভব হবে না। তারা বলেন, অবস্থাদৃষ্টে যা দেখা যাচ্ছে, তাতে সামগ্রিকভাবে বস্ত্র খাত আদৌ আর কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে। তাই সংকট নিরসনে সরকারকেই এখন এগিয়ে আসতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ম্যাকেঞ্জির তথ্য অনুযায়ী করোনার প্রভাবে আগের বছরের তুলনায় চলতি বছর বিশ্বের পোশাক বাজারে বিক্রি ৩০ শতাংশ হ্রাস পাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি ১০ বিলিয়ন ডলার হ্রাস পাবে। চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) পোশাক শিল্পে ঋণাত্মক ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি। করোনার প্রভাবে মার্চ পর্যন্ত ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ক্রয়াদেশ বাতিল হয়ে গেছে। কারণ বহির্বিশ্বে বাজার সংকুচিত হয়ে পড়েছে। অনেক বড় বড় ক্রেতা দেউলিয়াত্বও বরণ করেছে। অর্ডার কমে যাওয়ায় চলমান পরিস্থিতিতে কোনো কারখানাই সামর্থ্যের শতভাগ ব্যবহার করতে পারছে না। অনেক কারখানা ৩৫ শতাংশ সক্ষমতায় চলছে। বড় কারখানাগুলোও ৬০ শতাংশের বেশি সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে না। জুনে কারখানাগুলো গড়ে ৫৫ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহার করে কোনোরকমে উৎপাদন কার্যক্রম চালু রাখছে। জুলাইর পরিস্থিতি এখনই অনুমান করা কঠিন। গত ৪ জুন এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক এমন বাস্তবতা তুলে ধরে বলেছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কারখানাগুলো ক্যাপাসিটির ৫৫ শতাংশ কাজে লাগাতে পারছে। এ ক্যাপাসিটিতে কারখানা চালিয়ে শতভাগ কর্মী রাখা উদ্যোক্তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এমন প্রেক্ষাপটে জুন থেকে শ্রমিক ছাঁটাই করা হতে পারে। এটি অনাকাঙ্খিত বাস্তবতা, কিন্তু করার কিছু নেই।
মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ভোগ ও চাহিদা কমে যাওয়ায় সারা বিশ্বেই শ্রমিক ছাঁটাই হচ্ছে। বাংলাদেশেও এর বাইরে নয়। কারণ একদিকে পোশাকের অর্ডার কমে গেছে। অন্যদিকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে কারখানায় লে-আউট প্ল্যান পরিবর্তন করতে হয়েছে। এতে ৩০ শতাংশ মেশিন সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। সেই ৩০ শতাংশ শ্রমিককেও সরকারের প্রণোদনা তহবিলের টাকায় এপ্রিল ও মে মাসে কাজ ছাড়া বেতন দেয়া হয়েছে। এ টাকা মালিকদেরই পরিশোধ করতে হবে। এ অবস্থা চলতে থাকলে তৈরি পোশাক খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় এক কোটি শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোনো মালিকই শ্রমিক ছাঁটাই করতে চান না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, মহামারীর কাছে মালিকরা অসহায়। শুধু গত ২ মাসেই প্রায় ৩শ’ গার্মেন্ট বন্ধ হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে কী হবে তা কেউ বলতে পারছে না।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, তৈরি পোশাকের পশ্চাৎপদ শিল্প হিসেবে টেক্সটাইল খাতও কোভিড-১৯ এ চরম ক্ষতিগ্রস্ত। অর্ডার যেভাবে বাতিল হচ্ছে, তাতে রফতানিমুখী টেক্সটাইল খাতের উৎপাদন কমবে। পাশাপাশি দেশে লকডাউন থাকায় স্থানীয় সুতা-কাপড়ের চাহিদা কমে এসেছে। এভাবে চললে ভবিষ্যতে কী হবে তা বলা যাচ্ছে না। উদ্যোক্তারা এখন লাভের জন্য নয়, বেঁচে থাকার জন্য কারখানা চালাচ্ছেন। কিন্তু করোনা দীর্ঘায়িত হলে সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাবে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টশ অ্যাক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সভাপতি আবদুল কাদের খান বলেন, আগের অর্ডার দিয়ে জুন পর্যন্ত কারখানা চালানো যাবে। কিন্তু জুলাইয়ে কী হবে তা বলা যাচ্ছে না। গার্মেন্ট থেকে এক্সেসরিজের অর্ডার দিচ্ছে না।

ক্রাইম ডায়রি//অনলাইন//জাতীয়

Total Page Visits: 66013

চট্টগ্রাম মহানগরীর বীর অভি হত্যাকান্ডঃ এলাকাবাসীর মানববন্ধন

বাবুল হোসেন বাবলা, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ 

অভি হত্যার প্রতিবাদে আগ্রাবাদ এলাকায় সাধারণ মানুষের মানববন্ধন অভি হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে নেমে এসেছে এলাকাবাসী আগ্রাবাদ মিস্ত্রিপাড়া এলাকার বাসিন্দা শহীদ মীর ছাদেক অভি হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। আগ্রাবাদ এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে আজ ২৭ জুন দুপুর ৩টায় নগরীর আগ্রবাদ এলাকায় “ডবলমুরিং থানার সর্বস্তরের জনসাধারণ” এর ব্যানারে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। উক্ত মানববন্ধন থেকে অভি হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাবের তীব্র ক্ষোভ জানানো হয়। উক্ত মানববন্ধনে শহীদ মীর ছাদেক অভির শোকাহত মা শিরিন আকতার উপস্থিত হয়ে অবিলম্বে অভি হত্যাকান্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান এবং অভির মাদক বিরোধী সংগ্রাম অব্যাহত রাখার জন্য চট্টগ্রামবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান। উক্ত মানববন্দন থেকে অভি হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে স্লোগান দেয়া হয়।

মাদকবাজরা অভির মতো মাদকবিরোধীদের হারিয়ে দিতে পারেনা। এ সমাজে হাজারো ভাল মানুষের মাঝে অন্যায়কারী এক/দুইজন। এরা যদি হাজারো মানুষের ভীরে অন্যায় করে পার পেয়ে যায় তবে বুঝতে হবে আসলে অন্যায়কারী এই প্রশ্রয়দাতা সবাই। তখন এর দায় কেউ এড়াতে পারবেনা।


উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সামাজিক কর্মকান্ডে অভির সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মাদক বিরোধী তার নানামূখী কর্মকান্ডের কারণে তিনি সর্বমহলে সমাদৃত ছিলেন। তিনি বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। মানুষের প্রতি তার ভালবাসার কারণেই তিনি এলাকাবাসীর অত্যধিক প্রিয় সন্তান ছিলেন। কিন্তু মাদক সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে আমাদের প্রিয় এই সন্তানকে। এই হত্যাকান্ড আমাদের হৃদয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। অভির হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ আমাদের এই ক্ষত শুকাবে না। অভির মৃত্যুর কয়েকদিন পার হয়ে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনরূপ এ্যাকশান না দেখে আমরা খুবই মর্মাহত। অবিলম্বে অভির খুনিদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যাতায় আমরা এলাকাবাসী রাজপথে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।


উক্ত মানববন্ধনে এলাকার বিভিন্ন স্তরের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অভির হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবী করে এ সময় বক্তব্য রাখেন শহীদ অভির মা শিরিন আকতার, ছাত্রনেতা গাজী মো. সিরাজ উল­াহ, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাঈন উদ্দিন আহমেদ রাশেদ, মীর জাহেদ ইলাহী রানা, যুব নেতা মো. সেলিম, বজল আহমদ, মো. আলমগীর, আগ্রাবাদ মোটর পার্টস সমিতির সভাপতি সৈয়দ ওমর ফারুক, বিশিষ্ট শিল্পপতি সাহেদ আলী সারজিল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর সাদাত, মঈনুল হাসান লেমন, মো. আলম, মুজিবুর রহমান, মীর ও সৈয়দ বাড়ীর সর্দার সেকান্দর মিয়া, ছাত্রনেতা সামিয়াত আমিন জিসান, জাফরুল হাসান রানা, আরিফুর রহমান মিঠু, মাসুদ সিকদার, সৌরভ প্রিয় পাল, এম কে রিয়াদ, মাহমুদুর রহমান বাবু, কাইয়ুম রশিদ বাবু, আরশে আজিম আরিফ, মাঈন উদ্দিন মিনহাজ, ডিএইচ শিশির, মো. হামিদ, এম. ডি সোহেল মাল্টু প্রমুখ।

ক্রাইম ডায়রি/ মহানগর

Total Page Visits: 66013

ভয়ংকর রেড-ইয়োলো জোনে সাধারন ছুটি-সবুজ জোনে সীমিত

শরীফা আক্তার স্বর্না, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

করোনার অত্যধিক সংক্রমণ ঝুঁকিতে থাকা লাল (রেড) ও হলুদ (ইয়েলো) জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এছাড়া সবুজ (গ্রিন) জোনে অফিস সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনায় এ কথা জানানো হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়, আগের শর্তেই সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন ও সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে। তবে করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি ও চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১৬ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সাপ্তাহিক ছুটি এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

সংক্রামক ব্যাধি আইনে এ সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশের ক্ষমতা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দেয়া আছে। তবে লকডাউন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, কোথায় লকডাউন হবে তার তালিকা স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে। কোন কোন স্থান লকডাউন করা হবে তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কোথায় কোথায় লকডাউন হবে তা আমার বলারও সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর এটা ঘোষণা করবে।

 

ঢাকা উত্তর সিটি

উত্তর সিটি করপোরেশনে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলো হলো : গুলশান, বাড্ডা, ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালী, তেজগাঁও, রামপুরা, আফতাবনগর, মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, গুলশান, মগবাজার, এয়ারপোর্ট, বনশ্রী, রাজাবাজার, উত্তরা, মিরপুর।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৮টি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে ধরা হয়েছে। এগুলো হলো : যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মুগদা, গেন্ডারিয়া, ধানমন্ডি, জিগাতলা, লালবাগ, আজিমপুর, বাসাবো, শান্তিনগর, পল্টন, কলাবাগান, রমনা, সূত্রাপুর, মালিবাগ, কোতোয়ালি, টিকাটুলি, মিটফোর্ড, শাহজাহানপুর, মতিঝিল, ওয়ারী, খিলগাঁও, পরিবাগ, কদমতলী, সিদ্ধেশ্বরী, লক্ষ্মীবাজার, এলিফ্যান্ট রোড, সেগুনবাগিচা।

চট্টগ্রাম সিটি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ১০ এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হলো: চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড, পতেঙ্গার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড, পাহাড়তলির ১০ নম্বর ওয়ার্ড, কোতোয়ালির ১৬, ২০, ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড, খুলশীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, হালিশহর এলাকার ২৬ নম্বর ওয়ার্ড।

বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রণীত (Bangladesh risk zone-based covid-19 containment implementation startegy/guide) গাইডলাইন অনুসরণ করে সংক্রমণের ভিত্তিতে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ লাল অঞ্চল, হলুদ অঞ্চল ও সবুজ অঞ্চল হিসেবে ভাগ করে জেলা/উপজেলা/এলকা/বাড়ি/মহল্লাভিত্তিক জন চলাচল/জীবনযাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

আদেশে আরও বলা হয়, সিটি করপোরেশন এলাকায় অঞ্চলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার সার্বিক দায়িত্ব থাকবে সিটি করপোরেশনের। এর বাইরে জেলা প্রশাসন সার্বিক সমন্বয় করবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান জেলা উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দফতর সমন্বিতভাবে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, কোভিড আক্রান্ত কিছু এলাকা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ঢাকার এলাকাগুলোতে আমরা সহযোগিতা করছি। কিন্তু নির্দেশনা হচ্ছে, সিভিল সার্জনরা নিজেরাই জোনভিত্তিক এলাকা ঘোষণা করবেন। আমরা তাদের সহযোগিতা করবো। এটা স্থানীয়ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, লকডাউন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে সেটি বাস্তবায়নে অনেক মন্ত্রণালয় ও দফতর জড়িত। তাই এককভাবে কারও পক্ষে কোনও এলাকা লকডাউন করা সম্ভব নয়।

এদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, দেশের বিদ্যমান সংক্রামক রোগ আইন অনুযায়ী রাজধানীর বাইরে জেলাগুলোয় কোনও এলাকা লকডাউন করতে হলে সেই জেলার সিভিল সার্জনের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমতি নিয়েই লকডাউন করতে হবে। সেক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার লকডাউন কার্যকর করবেন। গাজীপুরে বেড়েই চলছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। সে কারণেই জেলার সব উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রেড জোনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে জেলার বিভিন্ন এলাকা রেড জোনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং সে জন্য প্রস্তুতি নিতেও বলা হয়েছে। তবে কোন কোন এলাকা রেড জোনের আওতায় আনা হচ্ছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে এখনও জানানো হয়নি কিংবা নির্দেশনা দেয়া হয়নি বলে জানান জেলা প্রশাসক।

এদিকে, জেলার কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড শনিবার থেকেই রেড জোনের আওতায় আনা হয়েছে।গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, রবিবার জেলায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে অরও ৯০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ২৩৩ জনে। এছাড়া মোট ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 66013

”মাসুদ রানা”সিরিজের ২৬০ বইয়ের লেখক শেখ আব্দুল হাকিম; কাজী আনোয়ার নন

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

মাসুদ রানা সিরিজ পড়েনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর। কল্পনার জগতে ভেসে বেড়ায় কত যুবক এই মাসুদ রানা সিরিজ পড়েই। আবার বাস্তবমুখী বহু কিছু শিখিয়েছেও মাসুদ রানা। ভাববাদী বলেন কিংবা বাস্তবতা বলেন মাসুদ রানার ভক্ত নয় কে?? আর এর স্রষ্টা বলে আজীবনই সবাই জেনে এসেছে কাজী আনোয়ার হোসেনকে। মনে করা হয়েছে তিনিই হয়তোবা রাহাত খান। শুরু হতে আজ অবধি মাসুদ রানা তুমুল জনপ্রিয়। গোয়েন্দারও গোয়েন্দা আছে। গোয়েন্দা সিরিজ মাসুদ রানার উপর এবার হলো মহাগোয়েন্দাগিরি। রাহাত খান; কাজী আনোয়ার হোসেন হতে পাল্টে এবার হলেন শেখ আব্দুল হাকিম । হা হয়ে গেলেন তো। হ্যা, এটাই সত্য। মাসুদ রানা সিরিজের শুরুর দিকে এগারটি বই কাজী আনোয়ার হোসেন লিখলেও পরবর্তী  ২৬০টি বইয়ের লেখক  হলেন শেখ আব্দুল হাকিম।

 শেখ আবদুল হাকিম নিজেকে এই সিরিজের অধিকাংশ বইয়ের লেখক হিসেবে দাবি করে কপিরাইট আইনে মামলা করেন। দীর্ঘ প্রায় এক বছরের আইনি লড়াই শেষে রোববার বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস এই মামলার রায় দিয়েছে। তাতে আবদুল হাকিমের পক্ষে রায় এল।

রায়ে বলা হয়, গোয়েন্দা সিরিজ মাসুদ রানার প্রথম ১১টি বইয়ের পরের ২৬০টি বইয়ের লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন নন। এর লেখক হলেন শেখ আবদুল হাকিম। যার ফলে দাবিকৃত মাসুদ রানা সিরিজের ২৬০টি এবং কুয়াশা সিরিজের ৫০টি বইয়ের লেখক হিসেবে কপিরাইট স্বত্ত্ব পেতে যাচ্ছেন শেখ আবদুল হাকিম।

বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরী  ক্রাইম ডায়রিকে বলেন, কাজী আনোয়ার হোসেন চাইলে অবশ্যই আমাদের এ রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন। তবে তা অবশ্যই ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে। এখানে তিনি হেরে গেলে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন বলেও তিনি জানান।

কপিরাইট অন্তর্ভুক্তির কারণে তাকে প্রতিটি বইয়ের জন্য আলাদা করে আবেদন করতে হবে। এর পর প্রতিটি বইয়ের লেখক হিসেবে তার নাম যাওয়ার পাশাপাশি, কপিরাইটও তার হয়ে যাবে। লেখকের নাম পরিবর্তন হবে। নতুন করে আবার সবাই মাসুদ রানা সিরিজকে চিনবে।

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ২৯ জুলাই শেখ আব্দুল হাকিম ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের ২৬০টি এবং ‘কুয়াশা’ সিরিজের ৫০টি বইয়ের লেখক হিসেবে স্বত্ব দাবি করে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনের ৭১ ও ৮৯ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ দাখিল করেন।

বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের রায়ে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু সমাধান ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে কপিরাইট বোর্ড বা বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যন্ত আবেদনকারীর দাবিকৃত ও তালিকাভুক্ত বইগুলোর প্রকাশ বা বাণিজ্যিক কার্যক্রম গ্রহণ থেকে বিরত থাকার জন্য প্রতিপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হল।

এ ছাড়া প্রতিপক্ষকে আবেদনকারীর কপিরাইট রেজিস্ট্রেশনকৃত প্রকাশিত বইগুলোর সংস্করণ ও বিক্রিত কপির সংখ্যা এবং বিক্রয় মূল্যের হিসাব বিবরণী এ আদেশ জারির তারিখের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসে দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হল।

কপিরাইট অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৯ জুলাই শেখ আবদুল হাকিম অভিযোগ করার পরে অভিযোগকারী ও প্রতিপক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতিতে ওই বছরের ১১ ও ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ৪ নভেম্বর শুনানি হয়।

শুনানিতে উভয়পক্ষ তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে। দাখিলকৃত অভিযোগের বিষয়ে প্রতিপক্ষ লিখিত বক্তব্য দাখিল করেন। প্রতিপক্ষের উক্ত লিখিত বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাদী পুনরায় নিজের স্বপক্ষে লিখিত যুক্তিতর্ক দাখিল করেন। পরবর্তীতে অভিযোগকারীর দাখিলকৃত যুক্তির বিষয়ে প্রতিপক্ষ পুনরায় লিখিত যুক্তিতর্ক পেশ করেন।

কপিরাইট অফিস সুত্রে জানা গেছে, মামলার বিষয়টি বেশ ক্রিটিকাল হওয়ায়  এর বিশ্বাসযোগ্য ও সঠিক সমাধানের জন্য অভিযোগের বিষয়ে দেশের বিখ্যাত ও প্রথিতযশা কয়েকজন লেখক ও প্রকাশক বুলবুল চৌধুরী ও শওকত হোসেন, প্রখ্যাত শিল্পী হাশেম খান  এবং সেবা প্রকাশনীর সাবেক ব্যবস্থাপক ইসরাইল হোসেন খানের লিখিত মতামত চাওয়া হয়। এরই সুত্র ধরে ১৪ই জুন,২০২০ইং রোজ রবিবার এই রায় দেয়া হয়। এদিকে এই রায়ে পাঠক সমাজে শেখ আব্দুল হাকিমের প্রতি যেমন সহানুভুতি দেখা গেছে ঠিক তেমনি তরুন পাঠকেরা মনক্ষুন্নও হয়েছেন অনেকে। তবে বিজ্ঞজনেরা বলছেন দীর্ঘদিনে পরিচিতির কারনে তরুনেরা হঠাৎ করে এটা মেনে নিতে না পারলেও ধীরে ধীরে এটা সয়ে যাবে।

ক্রাইম ডায়রি// জাতীয়

 

Total Page Visits: 66013

২৯ এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে একটি শক্তিশালী গ্রহাণু-নাসা

অনলাইন ডেস্কঃ

কিতাবুল ফিতান তথা কিয়ামতের পূর্বকার আলামত সম্পর্কিত ফিতনার হাদীস সমুহের বর্ণনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে বর্তমান সময়কার পরিস্থিতি। আর নাসার বক্তব্যের কারনে এখন আর তা অস্বীকার করতে পারছেন না আলেমরা। এটা অবশ্য সবার জন্য সত্য হলেও মুসলিম ও ইহুদিদের ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়। অন্যান্য জাতীর লোকেরা এ বিষয়গুলোকে অন্য ভাবে ব্যাখ্যা দেয়। নাসার দেয়া বক্তব্যের এই নিউজ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছে ,যা পাঠকের জন্য সরাসরি তুলে ধরা হলোঃ

“সারা পৃথিবীতে মানুষ আজ করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আতঙ্কিত। কোনও ধরণের অস্ত্র নয়; কিংবা কোনও ধরণের পারমাণবিক বোমা নয়; ক্ষুদ্র সামান্য কয়েক ন্যানো মিটারের একটি অণুজীবের কাছে সারা পৃথিবীর মানুষ আজ অসহায়।

এমন একটি ক্রান্তিকালীন মুহূর্তে মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসার পক্ষ থেকে দেওয়া হলো একটি দুঃসংবাদ। আসন্ন ২৯ এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে একটি শক্তিশালী গ্রহাণুর। নাসার পক্ষ থেকে এ গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে Asteroid 52768 বা 1998OR2.

যদিও এ গ্রহাণুটি সরাসরি পৃথিবীর ওপর কোনও ধরণের আঘাত হানবে না এবং পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এ গ্রহাণুর দূরত্ব হবে আনুমানিক চার লক্ষ মাইলের মতো। যা পৃথিবীর থেকে চাঁদের দূরত্বের ১৬ গুণেরও বেশি। যদিও পৃথিবীর কক্ষপথের থেকে ৩.৯ লক্ষ মাইলের অভ্যন্তরে এ গ্রহাণুটি আসবে না কিন্তু এ গ্রহাণুটির বিশাল আকৃতির জন্য কিছুটা হলেও শঙ্কা থেকে যায়।

আনুমানিক ১.১ থেকে ২.৫ মাইল ব্যাস বিশিষ্ট এ গ্রহাণুটি ঘণ্টায় বিশ হাজার মাইল বেগে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যাবে, যার প্রভাবে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে একটি পরিবর্তন আসতে পারে বলে কোনও কোনও বিজ্ঞানী মনে করছেন।

একই সঙ্গে এ গ্রহাণুর প্রভাবে পৃথিবীর অনেক জায়গা সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হতে পারে এবং একই সঙ্গে সৃষ্ট অ্যাসিড বৃষ্টির প্রভাবে পৃথিবীর এ সকল অঞ্চলে চাষাবাদের ক্ষেত্রেও একটি বিশাল বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে অনেক বিজ্ঞানী মনে করছেন।

যদিও নাসার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সরাসরি এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কোনও কিছু বলা হয়নি। বিভিন্ন কারণে একটি গ্রহাণু তার গতিপথের পরিবর্তন করতে পারে। যেমন: চলার পথে কোনও একটি নির্দিষ্ট গ্রহের কিংবা বৃহৎ উল্কাপিণ্ডের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্ৰভাবে একটি গ্রহাণু তার গতিপথ পরিবর্তিত করতে পারে।

আবার ইয়ারকোভজি ইফেক্টের কথাও আমরা অনেকে শুনেছি। অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থের প্রভাবে একটি গ্রহাণুর তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটতে পারে। এর ফলে গ্রহাণুটি ঘুরে যেতে পারে, এমনকি কক্ষপথেরও পরিবর্তন করতে পারে। অর্থাৎ ইয়ারকোভজি ইফেক্ট। হয়তোবা সাময়িকভাবে মনে হচ্ছে যে ৪০,০০০ মাইল বিশাল একটি দূরত্ব কিন্তু যে কোনও সময়ের গতিপথের পরিবর্তন কিংবা তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বিশেষ করে পৃথিবীর পৃষ্ঠের ওপর একটি প্রভাব ফেলতে পারে।

আজকের থেকে আনুমানিক ৬৬ লক্ষ বছর পূর্বে পৃথিবীর পৃষ্ঠে এ রকম একটি শক্তিশালী গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবী থেকে ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটেছিল। আসলে শুধু ডাইনোসরই নয়, ধারণা করা হয় এ গ্রহাণুর প্রভাবে সে সময় পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাস করা প্রাণীকুলের শতকরা ৭০ ভাগ প্রজাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।

“ডাইনোসর কিলার অ্যাস্টোরয়েড” খ্যাত এ গ্রহাণুর আঘাতে মেক্সিকোর ইয়োকাটোন দ্বীপের কাছে একটি বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে যার ব্যাস স্থানভেদে ৬.৮ মাইল থেকে ৫০.৩ মাইল এবং ধারণা করা হয় এ গ্রহাণুর আঘাতের প্রভাবে পৃথিবীর সামগ্রিক জলবায়ুর এক বিশাল পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল।

যদিও Asteroid 52768 সরাসরি পৃথিবীর বুকে আঘাত হানছে না এবং পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এর নিকটতম দূরত্ব হবে প্রায় চার লক্ষ মাইলের মতো। তবুও এর বিশাল আকৃতির জন্য এবং একই সঙ্গে এর উচ্চ গতিবেগ ও বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতির কারণে কারণে কিছুটা হলেও শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে আমাদের সকলের জন্য।

রাকিব হাসান, শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় বর্ষ, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন ফিজিক্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ইউনিভার্সিটি অব নোভা গোরিছা, স্লোভেনিয়া।”

ক্রাইম ডায়রি//সুত্র//যুগান্তর অনলাইন ও নাসার ওয়েবসাইট//আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 66013

বিশ্বজুড়ে লকডডাউন চলবে কতদিন??? এতে কি রোগের প্রাদুর্ভাব কমবে??

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

জাতীর উদ্দেশ্যে দেয়া এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।কিন্তু  বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোসহ  প্রিয় বাংলাদেশেও এই লকডাউন বা শাটডাউন আসলে চলতে পারে কতদিন ধরে? কী হবে এই লকডাউন পরিস্থিতিতে? আর এগুলো কী করোনাভাইরাস প্রার্দুভাব ঠেকাতে পারবে? ভেজাল খাদ্যে খেয়ে কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন মানুষ কিভাবে সামলাবে এই ধাক্কা??

বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস বুধবার এক প্রেস বিফ্রিংয়ে বলেন, ‘আমরাও বুঝি যে এসব দেশ আসলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে যে কখন এবং কীভাবে এসব পদক্ষেপগুলো শিথিল করা যায়।’ দেশের আনাচে কানাচে লক ডাউন কার্যকরকরতে কাজ করছে পুলিশ ও সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যবৃন্দ।।।জরুরী অবস্থার একটাই কারন জনগনকে গৃহে রাখা যাতে রোগ বিস্তার লাভ না করে।সফলতা কতটুকু আসবে তা নির্ভর করে জনগনের আন্তরিকতার উপর।

বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার তত্বাবধানে গবেষণা চলছে রাতদিন।। কবে নাগাদ মুক্তি মিলবে সে বিষয়ে তাদের সোজা  কথা  ‘এই জনসংখ্যা বিষয়ক পদক্ষেপগুলো কার্যকর থাকার সময়টাতে দেশগুলো কী ব্যবস্থা নেয় – তার উপর এর উত্তর নির্ভর করছে।’

‘মানুষকে ঘরে থাকতে বলা এবং তাদের চলাচল বন্ধ করার অর্থ হচ্ছে সময় নেওয়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর চাপ কমানো,’ বলেন হু’ প্রধান ঘেব্রেইয়েসাস। কিন্তু তাদের (দেশগুলোর) এসব পদক্ষেপ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা কমাতে পারবে না।

এই লকডাউনের সময়টাতে ভাইরাসটিকে ‘অ্যাটাক (হামলা)’ করার জন্য তৈরি হতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু কীভাবে এই সময়টাকে কাজে লাগাবে এসব দেশ- সেটিও একটি প্রশ্ন। আর এর জবাবও দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ঘেব্রেইয়েসাস।

যে ৬টি কাজ একান্ত জরুরি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, লকডাউন বা শাটডাউন পরিস্থিতিতে দেশগুলোকে ছয়টি বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে। এগুলো হলো:

১. যতটা সম্ভব পারা যায় স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সংখ্যা বাড়াতে হবে, তাদের প্রশিক্ষণ ও সেবা কাজে নিয়োগ করতে হবে।

২. কম্যুনিটি লেভেলে সংক্রমণ হতে পারে – এমন প্রতিটি ঘটনা খুজে বের করার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. টেস্ট করার জন্য সকল ধরনের ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে হবে।

৪. রোগীদের চিকিৎসা এবং তাদের আইসোলেট করার জন্য পর্যাপ্ত সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. রোগীদের সংস্পর্শে আসা প্রত্যেকের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

৬. ইতিমধ্যে কোভিড-১৯ মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত সরকারি পদক্ষেপগুলো পুর্নমূল্যায়ন করতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এসব ব্যবস্থা নেওয়াটাকেই সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সংস্থাটির দাবি, এসব ব্যবস্থাই ভাইরাসটির সংক্রমণ কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায়, যাতে করে পরবর্তীতে এটি আবার না ছড়াতে পারে।

এসব ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর স্কুল-কলেজ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও অসুবিধা নেই, যতক্ষণ না আবারো ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু না হয়।

ঘেব্রেইয়েসাস বলছেন, কঠোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার চাইতে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের ‘খুজে বের করা, আইসোলেট করা, টেস্ট করা এবং নজরদারিতে রাখা’র বিষয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিতে পারলেই সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ও কার্যকর উপায়ে ভাইরাসটিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এদিকে বিশ্বসংকটের এই মহাদূর্যোগের রয়েছে ধর্মীয় ব্যাখ্যাও।।। সোশাল মিডিয়ায় সে আলোচনা ও সরব। তবুও বিশ্ব এখন সংকটে।। সংকট নিরসনে প্রভুর দরবারে দোয়া ও চেষ্টা চলতে হবে সমান গতিতে।।।

ক্রাইম ডায়রি ///জাতীয়///সুত্র-বিবিসি

Total Page Visits: 66013

নাটোরে চোরাই মটরসাইকেলসহ ০১ জন গ্রেফতার

নাটোর সংবাদদাতাঃ

নাটোরে গোয়েন্দা পুলিশের তৎপরতায় একটি সংঘবদ্ধ    মোটরসাইকেল চোরের প্রধানকে আটক করা হয়েছে। নাটোর  জেলা পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার জনাব লিটন কুমার সাহা পিপিএম বার এর দিক নির্দেশে ধারাবাহিকভাবে এরকম অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হয়ে আসছে।

এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে    পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোঃ সৈকত হাসান এর নেতৃত্বে এসআই.লিটন কুমার সাহা, এসআই.মিঠুন সরকার, এএসআই.আঃ জলিল, এএসআই. রেজাউল করিম,, এএসআই. মোঃ জানেআলম, কনস্টেবল আল-আমিন, শরিয়ত উল্লাহ, কমল মাহাতো,  সজিব হোসেন সহ একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে   বাগাতিপাড়া থানার মুরাদপুর এলাকার মৃত.আকবর আলীর ছেলে হাসান (৩২), কে দক্ষিণ মুরাদপুর গ্রামের বসতবাড়ী হতে ০৩ টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ আটক করা হয়।

এসময় তার দেয়া তথ্যমতে বাগাতিপাড়া থানাধীন তমালতলা বাজারস্থ হাসিবুল হাসান এর হাসান মটরস হইতে ০২ টি সহ সর্বমোট ০৫ টি বিভিন্ন মডেলের চোরাই মটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়   । এ সংক্রান্তে বাগাতিপাড়া মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে থানা সুত্রে জানা গেছে   ।

ক্রাইম ডায়রি//আইন শৃঙ্খলা//জেলা//অপরাধজগত

Total Page Visits: 66013

পতেঙ্গায় লোকনাথ ধাম-গীতা শিক্ষালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠা র্বাষিকী

বাবুল হোসেন বাবলা, চট্টগ্রাম অফিসঃ


পতেঙ্গাস্থ শ্রী শ্রী লোকনাথ ধাম-গীতা শিক্ষালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠা র্বাষিক উ সব-সম্প্রীতির
শোভাযাত্রা ,শ্রীমদগীতাপাঠ,র্ধমসভা ও সংগীতা অনুষ্ঠান ১৭ জানুয়ারী শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে
দিনব্যাপি ইপিজেড থানাধীন ভৈরব ঠাকুর মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
সকালে জাতীয়ওগৈরিক পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির পায়রা-বেলুন উড়িয়ে শোভা যাত্রার উদ্বোধন
করবেন চসিক ৪০নং ওর্য়াডে সাবেক কাউন্সিলর,আঃলীগ সভাপতি হাজী আব্দুল বারেক
কোং,র্আশীবাদক অতিথি-জ্যোর্তিময়ানন্দ ব্রক্ষ্মচারী(রনি ব্রক্ষ্মচারী)এবংস্থানীয় নেতৃবৃন্দ
উপস্থিত থাকবেন।


বিকেলে মহতী র্ধমসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার
মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল(এমপি),মহান অতিথি-চট্টগ্রাম১১এর সাংসদ আলহাজ্ব এম.আব্দুল
লতিফ,প্রধান বক্তা-নগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এডঃ চন্দন তালুকদার,র্ধমীয়
মূখ্যপ্রবচক-শ্রী সুর্দশন চক্রর্বত্তী,আলোচক বিশেষ অতিথি-৩৯নং ওর্য়াড কাউন্সিলর হাজী
জিয়াউল হক সুমন,কাউন্সিলর হাজী জয়নাল আবেদীন সহ প্রবীর কুমার সেন(পিডিবি দক্ষিণের
প্রধান প্রকৌশলী) স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সকল কে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য উ সব উদযাপন কমিটির সভাপতি
উত্তম শীল ও সাঃসম্পাদক সুজন কুমার শীল বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি////জেলা//নগর মহানগর

Total Page Visits: 66013

গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে নেতা কর্মীদের প্রতি আওয়ামীলীগের নব নির্বাচিত সভাপতি শেখ হাসিনার আহবান

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে আজ শনিবার ইর্ঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে কাউন্সিল অধিবেশনে তাদেরকে নির্বাচিত করা হয়।

দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান কমিশনার এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আদর্শ ভিত্তিক রাজনীতি করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে, মানুষ যাতে স্বতস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়ে আমাদেরকে নির্বাচিত করে এবং আমরা যেন দেশসেবা করে যেতে পারি। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতা অর্জন করেছে সেই রক্ত যেন বৃথা না যায়, সে লক্ষ্য নিয়েই তাঁর সরকার কাজ করে বিগত ১০ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। লক্ষ্য আরো অনেক দূর যেতে হবে। সেজন্য সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

আব্দুল মতিন খসরু সভাপতি পদে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন এবং পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য তা সমর্থন করেন। নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এ পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না পাওয়ায় শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন।
এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করলে তাতে সমর্থন জানান আব্দুর রহমান। নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এ পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না পাওয়ায় ওবায়দুল কাদেরকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন।

পরে ২১তম জাতীয় সম্মেলনে নব নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদিকমন্ডলীর সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

সভাপতিমন্ডলীর সদস্যরা হলেন-সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্লাহ, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান, আবদুল মতিন খসরু, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকরা হলেন, মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মণি, ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন, আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল হোসেন ও মির্জা আজম।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজিবুল্লাহ হিরু, প্রচার সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারুন অর রশীদ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শামসুন নাহার চাঁপা, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এবং স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদ ডা. রোকেয়া সুলতানার নাম ঘোষণা করেন।

সম্মেলনে বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্য করে   বলেন, ‘এখানে কাউন্সিলরবৃন্দ আছেন- সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। আর জাতির পিতার যে আদর্শ সেই আদর্শ মেনেই চলতে হবে।’প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ ২১ শে  ডিসেম্বর, ২০১৯ইং শনিবার আওয়ামী লীগের ২১ তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব কাউন্সিল অধিবেশনের শুরুতে প্রদত্ত ভাষণে একথা বলেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে নির্মিত প্যান্ডেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই অধিবেশন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২৯টি বছর এদেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে তাদের বিরুদ্ধে যত সংগ্রাম ও আন্দেলন এং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার যত সংগ্রাম আওয়ামী লীগই সে সংগ্রাম করেছে এবং আওয়ামী লীগই এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, বাঙালির জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করা, একে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে বিশ্বে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়েই জাতির পিতা তাঁর সারাটি জীবন উৎসর্গ করে যান। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য তিনি আজীবন জেল, জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে গেছেন।

জাতির পিতার অবদান ও আওয়ামী লীগকে গড়ে তোলার কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমনভাবে সংগঠনটি গড়ে তোলেন, এর মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেন।

 

সরকার প্রধান বলেন, বাংলার জনগণকে জাতির পিতার স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র সাড়ে ৩ বছরের শাসনকালে জনগণকে অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে পারেন নাই। সেই স্বপ্ন পূরণই তাঁর রাজনীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা-মা’য়ের আত্মা যেন শান্তি পায়।

প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার উর্ধ্বে উঠে দেশের জন্য কাজ করে যাওয়ায় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দেখা যায় যে, অনেকেই ক্ষমতায় আসার পরে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারে না। কিন্তু আমরা সেটা পেরেছি। মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছি। সেক্ষেত্রে আমি বলবো বলবো সকলকে সেই চিন্তা থেকেই কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন এবং জাতির যেকোন ক্রান্তি লগ্নে এর নেতা-কর্মীরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করেছে। প্রতিটি কাউন্সিলরকে এটা মাথায় রাখতে হবে- জাতির পিতার সেই আদর্শ নিয়েই আমরা দেশকে গড়ে তুলবো।’

তিনি বলেন, জাতির পিতা স্বাধীনতার পরে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশ গড়ে তুলে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে রেখে গিয়েছিলেন আর এরপরেই জাতির জীবনে ১৫ আগষ্ট বিপর্যয় নিয়ে আসে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ এর জাতির পিতাকে হত্যার পর এদেশে যে হত্যা, ক্যু এবং ষড়যন্ত্রের রাজনীতি এদেশে শুরু হয়েছিল। যেখানে গণতন্ত্র ছিল না, কারফিউ গণতন্ত্র ছিল। যেখানে সেনাতন্ত্র ছিল, সামরিক স্বৈর শাসকরা রাষ্ট্র শাসন করেছে দীর্ঘ ২১ বছর, এরপর আবার ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত।

 

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জনগণ যে সরকারের সেবা পেতে পারে, জনগণের কল্যাণ করতে পারে, তাঁদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, এটা কেবল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরেই জনগণ উপলদ্ধি করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, উড়ে এসে জুড়ে বসারা সবসময় নিজেদের ভাগ্য নিয়ে এবং অসৎ উপায়ে ক্ষমতা দখলকে বৈধ করার কাজেই ব্যস্ত ছিল। তারা জনগণের কথা চিন্তা করে নাই।

সরকার প্রধান বলেন, এদেশে ঋণ খেলাপি কালচার, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদেরকে ব্যবহার করাসহ পুরো সমাজটাকে তারা ধ্বংসের পথে টেনে নিয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সরকারের কোন নীতি আদর্শ থাকে না, কোন লক্ষ্য থাকে না, সে সরকার চলে কি করে, প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি এ সময় জাতির পিতার লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং জাতির পিতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানী গোয়েন্দাদের গোপন প্রতিবেদন নিয়ে প্রকাশিত ১৪ খন্ড ভলিউমের বইগুলো দলের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে পড়ার পরামর্শ দেন।

কারো বিরুদ্ধে প্রকাশিত গোয়েন্দা রিপোর্ট নিয়ে অদ্যাবধি কেউ কোন পুস্তক রচনা না করলেও জাতির পিতা কিভাবে দেশের কল্যাণে কাজ করে গেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কি কি ষড়যন্ত্র হয়েছিল, কি কি অপপ্রচার হয়েছিল-সেগুলো তুলে ধরার জন্যই ’সিক্রেট ডকুমেন্ট অন ফাদার অব দি নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক এ সংক্রান্ত বইগুলো তিনি প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বইগুলো থেকে আপনাদের অনেক কিছু শিক্ষা নেওয়ার আছে।’শৈত্য প্রবাহের কারণে প্রচন্ড শীত অনুভূত হওয়ায় কাউন্সিলের কর্মসূচি সংক্ষেপ করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

/ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়//রাজনীতি   ///সূত্র : বাসস

Total Page Visits: 66013