• রবিবার ( রাত ১০:১২ )
    • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং

পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলিঃ উভয় পক্ষের আট সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ

চরম উত্তেজনার মধ্যে ভারত পাক সীমান্তের  পাকিস্তান অংশে  (লাইন অব কন্ট্রোল) গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতের পাঁচ ও পাকিস্তানের তিন সেনা সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে   নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানে আইএসপিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গাফুরের বরাত দিয়ে  পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ৭৩তম স্বাধীনতা দিবস। এরই মধ্যে এ হতাহতের খবর এলো।টুইটবার্তায় গাফুর লিখেছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর ইস্যু আড়াল করতে ভারতীয় বাহিনী উসকানিমূলকভাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে আমাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। এতে ভারতের পাঁচ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক। এ ছাড়া একাধিক বাঙ্কার ধ্বংস করে দেয়া হয়েছ।’ এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তে থেমে থেমে গোলাগুলি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের নিহত তিন সেনা সদস্যের পরিচয় প্রকাশ করেছে ডন। তারা হলেন নায়েক তানভির, ল্যান্স নায়েক তৈমুর ও সিপাহি রমজান।
আজ ১৫ আগস্ট ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। অন্যদিকে সম্প্রতি ভারত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ায় এ দিনটিকে ‘কালো দিন’ হিসেবে পালন করছে পাকিস্তান।

এদিকে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পাঁচ সেনা সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ভারতকে আরও উস্কিয়ে দিল পাকিস্তান। তাইতো শত্রু দেশ পাকিস্তানকে থামাতে এবার বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

পাকিস্তানকে সতর্ক করে শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র নিয়ে প্রথম ব্যবহার নীতিতে চলে না ভারত। অর্থাৎ, তারা কখনও আগে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করবে না। তবে, পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে এই নীতিরও পরিবর্তন হতে পারে।’

আজ রাজস্থানের পোখরানে সেনা মহড়া অনুষ্ঠানের শেষ দিনে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘কাকতালীয়ভাবে আজ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। আর পোখরানের সঙ্গে অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর যে অবদান রয়েছে তার সাক্ষী এই পোখরান।’

পোখরানে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর ছবিতে শ্রদ্ধা জানান রাজনাথ। এই পোখরানেই ১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষা করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

5675total visits,126visits today

কললিষ্ট ও মেসেজে মিন্নির অপরাধ প্রমানিতঃ যে কোন সময় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

ক্রাইম ডায়রি অনলাইন ডেস্কঃ

বরগুনা ট্রাজেডির খলনায়িকা  মিন্নির সাথে নয়নবন্ডের গভীর সখ্যতা ও কানেকশন ছিল সেটা আগেই অনুমেয় হলেও বিষয়টি এখন প্রমানসাপেক্ষে এতটাই   বাস্তব যে অনেকেই বিশেষ করে যারা মিন্নিকে সেইভ করার চেষ্টা করছিলেন তারাও মুখে কুলুপ এটে দিয়েছেন।।। চলতি সপ্তাহে অথবা আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন রিফাত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবে পুলিশ। এদিকে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে নয়ন বন্ডের সাথে মিন্নির কথোপকথনসহ ম্যাসেজ আদান-প্রদান তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মূলত প্রযুক্তির কারণেই রিফাত হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হয়েছেন মিন্নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য জানান, নয়ন বন্ডের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বরটি গোপনে ব্যবহার করতেন মিন্নি। নয়ন বন্ডই এই সিমটি মিন্নিকে দিয়েছিলেন। মূলত রিফাত শরীফের সাথে বিয়ের পরও নয়নের সাথে যোগাযোগ রাখাসহ নানা কারণে গোপনীয়তা বজায় রাখতে ওই সিমটি মিন্নি গোপনে ব্যবহার করতেন। এছাড়া আরও কয়েকটি নম্বর দিয়েও নয়নের সাথে কথা বলতেন মিন্নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য বলেন, ‘তদন্তের জন্য মিন্নি ও নয়ন বন্ডের ব্যবহৃত নম্বরের কললিস্ট এবং এসএমএস কনটেন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর এগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা গেছে, রিফাত শরীফ মারা যাওয়ার পর নয়ন বন্ড মিন্নির কাছে একটি এসএমএস পাঠান। বিকেল ৪টার কিছু সময় আগে পাঠানো ওই এসএমএসটিতে লেখা ছিল, ‘আমারে আমার বাপেই জন্ম দেছে।’

প্রকাশ না করার শর্তে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেয়া এক পুলিশ সদস্য বলেন, নয়ন বন্ডের এমন এসএমএস পাঠানোর রহস্য উদঘাটনে রিমান্ডে থাকা অবস্থায় আমরা মিন্নির সঙ্গে কথা বলেছি। তখন মিন্নি এ বিষয়ে আমাদের বলেছেন, রিফাত শরীফকে মারার পরিকল্পনার সময় মিন্নি নয়ন বন্ডকে বলেছিলেন, তুমি যদি রিফাত শরীফকে মারতে পার, তাহলে বুঝবো তোমারে তোমার বাপেই জন্ম দিছে।

মূলত মিন্নির এমন কথার উত্তর দিতেই রিফাতের মৃত্যুর পর নয়ন বন্ড মিন্নিকে ওই এসএমএসটি পাঠান। এ বিষয়টি আদালতে মিন্নি বলবেন বলে পুলিশকে জানালেও আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়ার সময় এই কথা মিন্নি আদালতে বলেননি বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য একজন পরিচয় গোপন রাখার শর্তে    বলেন, হত্যাকাণ্ডের দিন সকাল ৯টা আট মিনিটের সময় এ নম্বর দিয়ে নয়ন বন্ডকে কল দিয়ে ছয় সেকেন্ড কথা বলেন মিন্নি। এরপর আবার সকাল ৯টা ৩৮ মিনিটে নয়ন বন্ডের দেয়া ওই নম্বরটি দিয়েই আবারও নয়ন বন্ডকে কল দেন মিন্নি। এ সময় নয়ন বন্ডের সঙ্গে ৩৫ সেকেন্ড কথা বলেন তিনি। এরপর ৯টা ৫৮ মিনিটের সময় নয়ন বন্ড মিন্নির কাছে থাকা ওই নম্বরটিতে কল দেন। এ সময় মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন হয় ৪০ সেকেন্ড।

এরপর সকাল সোয়া ১০টার দিকে কলেজের সামনেই রিফাত শরীফের ওপর হামলা করে বন্ড বাহিনী। হামলার পর বেলা ১১টা ৩১ মিনিটের সময় নয়ন বন্ড মিন্নিকে একটি এসএমএস পাঠান। এরপর আবার বিকেল ৩টায় মিন্নিকে কল দিয়ে মিন্নির সাথে এক মিনিট ২০ সেকেন্ড কথা বলেন নয়ন বন্ড।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের এক সাক্ষী বলেন, নয়ন বন্ডের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা নম্বরটি একসময় নয়ন বন্ড নিজেও ব্যবহার করতেন। পরে ওই নম্বরটি পরিবর্তন করেন নয়ন বন্ড।

তিনি আরও বলেন, মিন্নি মাদকাসক্ত ছিল। এ কারণেই সে নয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখত। এ সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতো নয়ন বন্ড। রিফাত শরীফের মাধ্যমেই মিন্নির সঙ্গে নয়ন বন্ডের পরিচয় হয়। নয়ন বন্ড ও মিন্নি উভয়ই মাদকসেবী হওয়ায় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা হতে সময় লাগেনি।

এদিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং হাইকোর্টেও মিন্নির জামিন আবেদনের পর শুনানি হয়েছে। কিন্তু কোনো আদালতই জামিন মঞ্জুর করেননি মিন্নির। মিন্নির প্রতিটি জামিন শুনানিতেই বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে উপস্থাপন করেছেন মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও ম্যাসেজ আদান-প্রদান-সংক্রান্ত কললিস্ট এবং হত্যাকাণ্ডের সময় সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ।

এছাড়া এ হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজি, তিন নম্বর আসামি রিশান ফরাজি, ছয় নম্বর আসামি রাব্বি আকন এবং ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া মিন্নি নিজেও রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বরগুনার আদালতে মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তাফা কাদের বলেন, গত ৩০ জুলাই বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিন্নির জামিন শুনানির সময় বাদী এবং রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন এবং ম্যাসেজ আদান-প্রদান-সংক্রান্ত কললিস্ট উপস্থাপন করেছিল এবং আদালত তা আমলেও নিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রেজাউল করিম বলেন, হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চেও বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও ম্যাসেজ আদান-প্রদান সংক্রান্ত কললিস্ট উপস্থাপন করেছিল। শুনানির সময় যেসব গ্রাউন্ডে আসামিপক্ষ মিন্নির জামিন মঞ্জুরের জন্য আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন করে সেসব গ্রাউন্ডের বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রমাণপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

তিনি আরও বলেনে, মামলার আলামত হিসেবে নয়ন বন্ডের বাসা থেকে মিন্নির ব্যবহৃত একটি জামা, একটি চিরুনি, খোদাই করে নয়ন ও মিন্নির নাম লেখা একটি শামুক এবং নয়ন বন্ডের রুমের দেয়ালে বাধাই করে টাঙানো মিন্নির একটি ছবি জব্দ করেছে পুলিশ। এছাড়াও অন্যান্য তথ্য উপাত্তসহ আরও অসংখ্য  প্রমাণ রয়েছে যাতে মিন্নির অপরাধ সহজে প্রমানিত হয়।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আদালত/অপরাধজগত

5675total visits,126visits today

আলোকিত বগুড়ার উদ্যোগে সীমাবাড়ি মহিলা কলেজ চত্তরে বৃক্ষরোপন

আলমগীর হোসেন, সীমাবাড়ি সংবাদদাতাঃ

আলোকিত বগুড়া সীমাবাড়ী শাখার আয়োজনে সীমাবাড়ী মহিলা কলেজে বিভিন্ন বনজ ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আলোকিত বগুড়ার পরিচালক এ্যাডভোকেট ফেরদৌসি আক্তার রুনা।

সিমাবাড়ী শাখার সভাপতি- বেটখের উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম আকন্দ,
সম্পাদক- কাজী মুহাঃ আলমগীর হোসাইন।  সীমাবাড়ি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সাবিনা বেগমসহ আলোকিত বগুড়ার সদস্য বীরমুক্তিযোদ্বা আলহাজ ইমরুল কায়েস,
আসাদুল ইসলাম,শামীম কামালসহ আর ও অনেকে।

ক্রাইম ডায়রি// জেলা///শিক্ষাঙ্গন

5675total visits,126visits today

জুলহাসের কবিতা অপেক্ষা

>>>>জুলহাসের কবিতা অপেক্ষা<<<<

তুমি আসবে বলে বসে আছি

আমি এই নিরালায়
হ্মন কাটেনা কাটেনা লগন

আছি অবহেলায়।
কখন আসবে তুমি

এই পথ আমি রয়েছি বিষন্নতায়
কাটেনা সময় কাটেনা

অপেহ্মা মন রলো নিরবতায়।
মন করে আনচান শুধ নিস্তব্ধতা
কখন দেবে দেখা গাঁথবো মালাগাঁথা।
মালাখানি পড়িয়ে দেবো তোমায়
তোমার ভালোবাসার সুভাষ

গন্ধ ছড়াবে আমায়।
দুজনে ডানামেলে উড়বো

অচেনা অজানা নিরুদ্দেশে
প্রেমের বাধন গড়বো মায়া

সখি পাবো তোমারই উদ্দ্যেশ্যে।

ক্রাইম ডায়রি///সাহিত্য

5675total visits,126visits today

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানঃ ১৯ মামলায় ৪২হাজার টাকা জরিমানা ও ৩টি বাস আটক

নোয়াখালী অফিসঃ

সেনবাগের বাস দূর্ঘটনার প্রেক্ষিতে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১৯ মামলায় ৪২হাজার টাকা জরিমানা ও ৩টি বাস আটক করেছে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। পুরো নোয়াখালী জেলা জুড়ে শুদ্ধিি অভিযানের অংশ হিসেবে, সেনবাগ উপজেলায় বাস দূর্ঘটনার প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের তাৎক্ষণিক নির্দেশে আইন লঙ্গন করে রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনকে মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী ১৯ মামলায় ৪২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময়  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন  জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট  রোকনুজ্জামান খান।  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতার জন্য এসময় উপস্থিত ছিলেন,,জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নোয়াখালীর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষানবিশ) হাসনাত জাহান উর্বী ও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান কবির । আদালত পরিচালনায় আরও সহযোগিতা করেন বিআরটিএ সার্কেল, নোয়াখালী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

আজ বিকাল ৩.৩০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নোয়াখালী জেলা শহরের সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভা গেইট এলাকায় মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর নিয়ম লঙ্গন করায় সুগন্ধা দ্রুতযান, সুগন্ধা কিং, একুশে, হিমাচল, বাঁধন, জননী, আর.পি, বিসমিল্লাহ, লাল-সবুজ পরিবহন, জননী, হলুদ পিকাপ, ট্রাক ও মটর সাইকেল চালককে জরিমানা করা হয়েছে।

জনস্বার্থে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালানার সময় যেসকল নিয়মের লঙ্গন দেখা যায়- লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট, রুট পারমিট, বীমা ব্যতীত গাড়ি চালনা, গাড়ির সাথে সঙ্গতিবিহীনভাবে গাড়িতে পরিবর্তন সাধন, অনুমোদিত ওজন অতিক্রম পূর্বক গাড়ি চালানো, ট্যাক্স টোকেন সংগ্রহ না করা সহ সরকারী আদেশ আদেশের অমান্যকরণ।

একই সময় চেয়ারঘাট টু সোনাপুর ও নোয়াখালী টু ফেনী চলাচলকারী সুবর্ণসুপার, সুবর্ণসুপার সার্ভিস, সুগন্ধা দ্রুতযান নামের তিনটি যানবাহনকে সঠিক কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আটক করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাক্রাইম/আদালত

 

5675total visits,126visits today

বাদী কে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

মোঃ শাহাদত হোসেন ভ্রাম্যমান রির্পোটারঃ

বগুড়া জেলার শেরপুর থানার  ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর আদর্শ গ্রামে রুপালী খাতুন নামের এক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধারাবাহিক  ধর্ষনের ঘটনায় করা মামলা তুলে নিতে বাদীকে বাধ্য করার অভিযোগ করেছে বাদীপক্ষ। এমতবস্হায়, চরম নিরাপওাহীনতা ও অসহায়ত্ব বোধ করছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।  সোমবার বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন, মামলার বাদী রুপালী খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত তিন বছর আগে তার প্রথম স্বামী সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর তিনি ঢাকায় এসে এক গার্মেন্টসে চাকুরী নেন। সেই সময় একই গ্রামে হবিবর রহমানে ছেলে মাহবুবুর তালুকদার তাকে বিয়ে প্রস্তাব দেয় ও  প্রলোভণ দেখিয়ে   প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। এমনকি বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে চলতি মাসে ১৮ জানুয়ারী রাতে জেলার সোনাতলা উপজেলার হুয়াহুয়া গ্রামে বন্ধুর বাড়ীতে নিয়ে রাতভর ধর্ষন করে  বলে অভিযোগ তার। তাছাড়া একাধিকবার বিভিন্ন স্হানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষন করা হয়। কিন্তুু বিয়ে করতে চাপ দিলে সে  নানান তালবাহানা করতে থাকে।এক পর্যারে আদালতের দ্বারস্হ হন তিনি।

জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে  একটা মামলা দায়ের করেন। যা বর্তমান বিচারধীন রয়েছে। সম্মেলনে ভুক্তভোগী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে মাহবুব ও তার ভাই মাসুদরানা মামলা তুলে নিতে অব্যাহত ভাবে নানান হমকী ধামকি দিচ্ছেন। এই ব্যাপারে বিবাদী মাসুদ রানা মুঠোফোনে  ক্রাইম ডায়রি প্রতিনিধি জানান – তাকে আমরা কেউ হুমকি ধামকি ও প্রাণনাশের হমকি দেইনি। সেই মেয়ে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলেছে, সে আদালতে ভুয়া মামলা করেছে  আমার ভাইকে আমরা এক দিনের মধ্যেই বের করে এনেছি। কিছু দালাল ওই মেয়ের পিছে লেগেছে বলে বিবাদীরা জানান।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///আদালত

5675total visits,126visits today

নোয়াখালীর সেনবাগে হাসপাতাল বন্ধ ও জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

সেনবাগ সংবাদদাতাঃ

নোয়াখালীতে কোন অন্যায় ও অবৈধকাজ সংগঠিত হবেনা এমন প্রত্যয়ে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।।    জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে , ৮ জুলাই, ২০১৯ তারিখে গোপন সংবাদের ও ভোক্তাদের অভিযোগের   প্রেক্ষিতে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলা সদরে অবস্থিত ৬ টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে নির্দিষ্ট মান অর্জন না করতে পারা পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন  ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মো: রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon।।  এসময়  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় তাকে সহযোগিতা করেন- নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাত, বিএমএ প্রতিনিধি ডা. দ্বীপন চন্দ্র, ড্রাগ সুপার মাসুদৌজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা ও বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন সেন্টারের কার্যালয়ের ম্যানেজার সগির আহমেদ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন উপ-পরিচালক নরেশের  নেতৃত্বে RAB-১১, লক্ষীপুর।

গোপন সংবাদ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে জনস্বার্থে সারাদিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলোতে মেডিকেল প্রাকটিস ‌‌এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরীজ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ বিধি অনুযায়ী তফসিল ক, খ ও গ তে বর্ণিত অবকাঠামো, ৩৬ ধরণের উপকরণ, ডিউটি ডাক্তার, নার্স, জীবন রক্ষাকারী ড্রাগ, ইমার্জেন্সী সেবা, অপারেশন থিয়েটার, অক্সিজেন সিলিন্ডার- এমন হাসপাতাল ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি। এসবের প্রায়গুলো ছিল অপরিস্কার। অপারেশন থিয়েটারগুলোর মূল বেডগুলো পাওয়া যায় জং ধরা ও অর্ধ রং বিহীন, অপারেশন থিয়েটারে যেসব ঔষধ থাকার কথা সেই ধরণের ঔষধগুলো অযাচিতভাবে সংরক্ষণ করা, অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত সিজার ও অপর যন্ত্রপাতিগুলোও ছিল জং ধরা, অপারেশনে ব্যবহৃত কাপড় ও বালিশে লেগে ছিল রক্তের দাগ ও তাজা রক্ত। অভিযানের সময় এসব হাসপাতালের কোন ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সর্বোপরি অধিক মূল্য গ্রহণ করে সেবার নিম্নমান প্রদান করা হচ্ছে। ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী প্যাথলজি ও ফার্মেসীতে আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- কোন লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেখে ডিগ্রীবিহীন টেকনিশিয়ান দ্বারা ল্যাবগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে এবং একই সাথে এসব ল্যাবে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ব্যবহৃত হচ্ছে না। ল্যাবগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া গিয়েছে যা দিয়ে প্যাথলজীর টেস্ট কর্যক্রম করা হচ্ছিল এবং এগুলো জব্দ করা হয়েছে। এসময় উপজেলার কোন ফার্মেসীতেই ফার্মাসিস্ট পাওয়া যায়নি। ফার্মেসীগুলোতেও বিপুল পরিমান মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া ‍গিয়েছে। এক্স-রে পরীক্ষার অনুমোদনের জন্য পাসহাতালগুলোতে পাওয়া যায়নি আনবিক শক্তি কমিশনের অনুমোদন। ক্লিনিক্যাল বর্জ্র ব্যবস্থাপনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও এসব প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। কোন হাসপাতাল-ক্লিনিক-প্যাথলজিকে বর্জ্র ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৯ধারা অনুযায়ী সেবার মূল্য তালিকা সংরক্ষণের বিষয়ে দেখা যায় প্রায় প্রতিষ্ঠানে যেসব সেবা দেওয়া হচ্ছে তার সকল সেবার নাম ও সেবার মূল্য দেওয়া নেই এবং এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানে সেবার মূল্য তালিকাও দেখা যায়নি।

এসব অপরাধের জন্য দি নিই সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৮০হাজার, এম এ লতিফ ডায়াবেটিকস হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৫হাজার, মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৬৫হাজার, লাইফ স্কয়ার হসপিটালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুয়ায়ী ৬৫হাজার, নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৩০হাজার, সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৬৫হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয় এবং ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট জরিমানা ৩লক্ষ ১০হাজার টাকা। একই সাথে নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মানে উত্তরণের পূর্ব পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও বেগমগঞ্জ উপজেলার শ্রীকৃষ্ঞ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্নতার এবং মেয়াদ বিহীন পণ্য বিক্রয়ের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৬০হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।

সারাদিনব্যাপী (সকাল ১১ট থেকে বিকাল ৪.৩০পর্যন্ত) সেনবাগ ও বেগমগঞ্জ উপজেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট জরিমানা ৩লক্ষ ৭০হাজার টাকা।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত

5675total visits,126visits today

সম্পত্তির দাবীতে পিতাকে মারধরঃ পুলিশে দিলো মেয়ে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সম্পত্তির দাবীতে পিতাকে মারধর করে পুলিশে দিলো মেয়ে। ঘটনার সত্যতা যাচাই বাছাই না করে পিতাকে আটক করে ফতুল্লা থানায় নিয়ে একদিন পর মেয়ের দ্বারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাথীন দক্ষিণ এনায়েতনগর এলাকায়।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, গত ৫ জুলাই শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ একটি অভিযোগের  ভিত্তিতে  সিএনজি করে সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ এনায়েতনগর এলাকায় অসুস্থ রোগী আঃ মালেকের বাড়িতে অর্তকিতভাবে প্রবেশ করে অভিযান চালিয়ে আঃ মালেককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।  আঃ মালেকের বিরুদ্ধে মেয়েকে গরম পানি দিয়ে নারী ও শিশুকে হত্যা চেষ্টা করার অপরাধের অভিযোগ তুলে তার  প্রথম পক্ষের     মেয়েরা তার প্রথম স্ত্রীকে দিয়ে ৬ জুলাই একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলা দায়েরের পর আঃ মালেককে গ্রেফতার দেখিয়ে বিকেলে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছে বলে জানা যায়। উক্ত ঘটনায় এলাকাবাসী হতভম্ব হয়ে পড়েছে। এরকম কোন ঘটনা আঃ মালেক ও তার দ্বিতীয় পরিবারের কোন সদস্যই ঘটায়নি বলে এলাকাবাসী জানায়।

আরো জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ সম্পত্তি লিখে নেওয়ার জন্য প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগম ও তার সন্তান মো. মাসুম, নাসিমা এবং তাছলিমা অসুস্থ পিতা আঃ মালেক ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগমকে বেশ কয়েকবার মারধর করেছে। সম্প্রতি গত ২১ জুন বিকেলে পাঠানটুলী দক্ষিণ এনায়েনগর এলাকায় মাসুম, নাসিমা ও তাছলিমা সহ রওশন, তানভীর সঙ্গবদ্ধ হয়ে বাড়ীতে হামলা চালিয়ে সুফিয়া বেগমকে পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে এবং ঐ কুসন্তানরা পিতাকেও মারধর করে আহত করে। উপরোক্ত ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২৩ জুন ৫ জনকে আসামী করে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট এবং গুরুতর জখম করা ও ভাংচুর করে ক্ষতিসাধন সহ চুরি করার অপরাধে মামলা দায়ের হয়। উক্ত মামলায় ১নং আসামী মাসুমকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ তল্লা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠালে উক্ত মামলার অন্যান্য আসামীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য বাদী সুফিয়া বেগমকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে এক পর্যায়ে ফতুল্লা থানায় গিয়ে মিথ্যা লিখিত অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে  আঃ মালেককে আটক করে একদিন পর মামলা দায়েরের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে এলাকাবাসী জানান।

প্রথম স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত মমতাজ বেগমের মামলায় আসামী করা হয়েছে স্বামী আঃ মালেক সহ প্রথম মামলার বাদী দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগম ও সাকিব, দুলাল, অপু এবং মৃদুলকে।

দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগমের মামলায় আসামী হলেন যারা মো. মাসুম, তাছলিমা, নাসিমা, রওশন ও তানভীর। তবে এলাকাবাসীর মধ্যে অনেকেই বলছে দুই স্ত্রীর লড়াই হলেও প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগমকে ২ শতাংশ জমি কিনে বাড়ি করে দিয়েছে। মমতাজের সন্তানরা দ্বিতীয় স্ত্রী সুফিয়া বেগমই লালন পালন করে বড় করেছে, কিন্তু বর্তমানে প্রথম স্ত্রী মমতাজের প্ররোচনায় পিতার আরো সম্পত্তির দাবীতে পিতাকে সন্তানরা বারংবার মারধর করে আসছে। উভয় মামলায় উভয় পরিবারের সন্তানরা আসামী হয়েছে।

ভূক্তভোগী আঃ মালেক জানায়, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ প্যারালাইসেস রোগী। তার মধ্যে আমার প্রথম ঘরের সন্তানরা সম্পত্তির দাবিতে এবং জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার জন্য আমাকে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী সহ সন্তানদের যখন তখন আইসা মারধর করে। আমি ওদেরকে বারবার বলেছি তোরা সম্পত্তির অংশীদার হলে অবশ্যই পাবি। কিন্তু ওরা আমার কোন কথাই শোনেনা। অথচ ওদের জন্য প্রথম স্ত্রীকে ২ শতাংশ জমি কিনে বাড়ি করে দিয়েছি। তার পরেও ওরা আমার উপর এত অত্যাচার করে।
দুই স্ত্রীর ভাই দুলাল বলেন আমার বড় বোনটা খুবই খারাপ ও জঘন্য। সম্পত্তির লোভে মমতাজ আমাদের যে কোন সময় খুন করে ফেলতে পারে। যার প্রমাণ আমার এবং আমার ছোট বোন সহ ভাইগ্না ও ভাগ্নিদের নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।

ভূক্তভোগী সুফিয়া বেগম বলেন, মাইর খাইলাম, আবার মিথ্যা মামলাও খাইলাম আর আমি ও আমার স্বামী ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মমতাজ বেগমের ছেলে মেয়ে এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি তারপরেও ন্যায় বিচার পাচ্ছি না।  বর্তমানে আমি ও আমার সন্তানদের নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনযাপন করছি। আমার ভাইকেও ওরা মেরে ফেলতে পারে। শুনছি আরও মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাসিয়ে আমাদের জেল খাটাবে। তাইলে কি দেশে কোন আইন নাই। আমরা ন্যায় বিচার পামু না।

উপরোক্ত ঘটনায় ভূক্তভোগীরা প্রকৃত ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জের সৎ ও  সাহসী পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/আইন শৃঙ্খলা

5675total visits,126visits today

ভূয়া সাংবাদিক ও ভূয়া মিডিয়াঃঃ লাগাম টানার এখনই সময়

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সাংবাদিকতা করার জন্য নয়; একটা আইডি কার্ড ও দাপট দেখানোর মানসিকতা নিয়ে টাকার বিনিময়ে কার্ড সংগ্রহ করে হুমকি/ধামকি   ও প্রভাব বিস্তার করছে একদল ভূয়া সাংবাদিক। বিশেষ করে মফস্বলে। অসংখ্য নিবন্ধনহীন সাংবাদিক সংগঠন।অন্তরালে; যাকে তাকে সাংবাদিক   বানিয়ে তাকে দিয়ে ধান্দাবাজি কিংবা সদস্য বাড়ানোর চেস্টা।

লাগাম টেনে না ধরলে কি হতে পারে? তা চোখ কান খোলা রাখলে সহজেই অনুমেয়! ভূয়া সাংবাদিকতা ও মিডিয়ার বিরাম্বনা আর কত?দেশে এখন অনলাইন নিউজ পোর্টাল আর অনলাইন টিভি, রেডিও’ র সংখ্যা কত সে তথ্য সরকারের কাছে আছে, চলছে মনিটরিং ও যাচাই। কিছু টাকা আছে, একটা পোর্টাল খুলে রাজনৈতিক/মাদক/ চাঁদাবাজি/ জুয়া কিংবা ইয়াবা হালাল করার জন্য সাংবাদিকতার  মুুুখোশ পড়ে অপকর্মে লিপ্ত এরা। নামে বেনামে  জনপ্রিয় অনেক অনলাইন নিউজ পোর্টালের বা টিভি চ্যানেল ও শো এর নাম কিংবা ডিজাইন নকল করে নতুন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা ওয়েবসাইট চালু করে  এরা। অনেকে এখন অনলাইন নিউজ পোর্টাল/টিভি চালু করে সাংবাদিকতার নামে অপসাংবাদিকতা ইতোমধ্যে শুরু করেছেন।  সরকারের মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ও প্রেস কাউন্সিল ইতোমধ্যে  যে উদ্দ্যোগ নিয়েছেন তা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য হলেও,কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে কালক্ষেপন করছেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

 

ফেসবুক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা টিভিতে সাংবাদিক নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিয়ে তরুণ-তরুণীসহ অনেকের সাথে  প্রতারনাও করা

হচ্ছে। কিছু টাকা দিলে যে কেউ হতে পারেন সাংবাদিক। এমনকি বার্তা সম্পাদকের মানদন্ডের অনেক নিচে থেকে কোন কোন মুদি দোকানীও হতে পারেন বার্তা সম্পাদক আবার ভূয়া পরিচয়দানকারী ভবঘুরে বেকাররাও হতে পারেন সম্পাদক। শব্দচয়ন,বাক্যগঠন কিংবা বানান রীতিনীতি সম্পর্কে যাদের কোন ধারনাই নেই।।। নেই নিয়োগের কোন মানদন্ড। গভীরে হাত দিলে প্রকাশক সহ সম্পাদক সবারই থলের বেড়াল বের হয়ে আসবে ।  সাংবাদিক নিয়োগের নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ উঠেছে অনেকের বিরুদ্ধে।

দেশের প্রথম শ্রেণীর ও শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টালে আপলোড হওয়া নিউজের বানান, দাড়ি ও কমা ঠিক রেখে নকল হচ্ছে নিউজ। পোর্টাল/টিভির কথিত সম্পাদক, সংবাদকর্মী কিংবা ডেস্কে   যারা কাজ করেন তাদের সংবাদ লেখার ক্ষমতা না থাকলেও একটু এদিক  সেদিক করে অন্য পত্রিকার ওয়েব সাইট হতে কপি টু পেস্ট করে নিজের নিউজ পোর্টালে প্রকাশ করে আসছেন।
সাংবাদিকতা করেননি  কখনও  কিংবা সংবাদ পত্রের কার্যালয়ের বারান্দায়ও পা পড়েনি কোনদিন অথচ অনলাইন নিউজ পোর্টাল,টিভি সম্পাদক/মালিক হয়েছেন অনেকে। আবার অনেকে কোন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা প্রিন্ট পত্রিকায় লেখালেখি না করলেও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লোভে রাতারাতি সম্পাদক/মালিক হয়েছেন।

 

 

 

 


গড়ে তুলেছেন ভুয়া দৈনিক পত্রিকার নামে ওয়েবসাইট, অনলাইন পোর্টাল,টিভি,রেডিও ও মানবাধিকার সংস্থার মত নাম সর্বস্ব সংগঠন।
ফেসবুকে অসংখ্য আইডি ও পেইজ খোলা হয়েছে। জেলার প্রকৃত ও দক্ষ সংবাদ কর্মীদের পাঠানো নিউজ তাদের পোর্টাল থেকে কপি করে নিয়ে নিজের নামে পোস্ট করছেন এসব আইডি বা পেইজে। অনেক এলাকার নাম, সংবাদের সাথে মিল রেখে নাম দিয়ে এসব পরিচালনা করছেন।
এসব কর্মকান্ডে জেলা,উপজেলা ও জাতীয় পর্যায়ে কিছু নামধারি সংবাদকর্মীরা জড়িত। তাদের কর্মকান্ড প্রকৃত সংবাদকর্মী ও প্রবীন সাংবাদিকদের মধ্যে  বিরুপ  প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছেে। তারা কি করেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি, কেন সংবাদপত্র জগতে? এমন প্রশ্নও উঠছে।

এছাড়া বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল,টিভি চ্যানেলের নামকরে বিভিন্ন মিডিয়ায় ও ফেসবুকে আকর্ষনীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখা যায় প্রায়ই। দেখা যায় জেলা, উপজেলা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদদাতা নিয়োগ করা হবে। ডি এস এল আর ক্যামেরা,ল্যাপটপ ও মটর বাইক ও সম্মানি দেওয়ার মত প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিটি বিজ্ঞাপনে উঠতি বয়সী তরুন তরুণীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনাও  দেখা যায়  প্রায়শঃই ।সরাসরি যোগাযোগ করতে নিষেধ করে মোবাইল ফোন নম্বর ও মেইল দিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয় অনেক সময়।

এসব বিজ্ঞাপন দেখে  সাংবাদিক হওয়ার আশায়  যোগাযোগ করেন দেশের অসংখ্য মানুষ।
তাদের জানানো হয়, ‘আপনারা আসেন কিছু খরচাপাতি (অর্থ) আপনাদের দিতে হবে, আপনাদের সঙ্গে সঙ্গে আইডি কার্ড দেওয়া হবে’। আবার অনেকে বলেন আমারদের নাম্বারে বিকাশ করে টাকা পাঠান, আপনার ঠিকানায় আইডি কার্ড পাঠানো হবে।
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এ উন্নয়নের সময়ে কিছু কিছু অনিবন্ধিত    অনলাইন; নামসর্বস্ব প্রতিনিধি নিয়োগ করে দিন চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ, পত্রিকার পোর্টাল নিয়েও তারা কথা  বলার চেষ্টা করেন।
আর যারা নিউজ পাঠাচ্ছেন তাদের কিছু নিউজ আপলোড হলেই মনে করেন, আমি তো সাংবাদিক হয়েই গেছি। আমার নিউজ যেহেতু আপলোড হয়েছে এবার আমায় ঠেকায় কেে???

আসলে তারা সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেয়ার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। অনেককে আবার নিয়োগ দেয়া হলেও তাদেরকে জড়ানো হচ্ছে প্রতারণা মূলক বিভিন্ন ধরণের কর্মকান্ডে।
অভিযোগ উঠছে, প্রতারণা আর চাঁদাবাজি করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া ছাড়াও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে অর্থের বিনিময়ে পরিচয়পত্র প্রদান করছে সাংবাদিকতার নামের এই প্রতারক চক্রটি। দিনে দিনে বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম। মাঝে মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধড়া পড়লেও থেমে নেই কথিত এসব সাংবাদিকদের তৎপরতা। অভিযোগ আছে, প্রশাসনও তাদের  প্রশ্রয় দিচ্ছেন।  হয়তো বুুুঝে আবার অনেক সময় না বুঝে। এতে প্রতিনিয়ত বিব্রত হচ্ছেন পেশাদার অনলাইন,দৈনিক পত্রিকার সংবাদিক/সম্পাদক /মালিকগন।

এ বিষয়ে জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের

স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গনি মিয়া বাবুল           বলেন, এসব বিজ্ঞাপন দেখে তরুণ-তরুণীরা বিভ্রান্ত হয় । এই সুযোগে অপরাধীরা অপরাধ করে পার পেয়ে যায়।

এর বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।সরকারের উচিত দ্রুত এসব অনলাইন পোর্টাল গুলো একটি পরিছন্ন নীতিমালায় নিয়ে আসা। এদিকে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি চিঠি ক্রাইম ডায়রির পক্ষ হতে সকল প্রশাসনসহ প্রেস কাউন্সিল বরাবর প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন ক্রাইম ডায়রির প্রধান উপদেষ্টা লায়ন গনি মিয়া বাবুল।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

5675total visits,126visits today

>>>>জুলহাসের কবিতা-“কুলকিনারা”<<<<

>>>>>কুলকিনারা<<<<<<<

বিধির কাছে পরবে ধরা
কেউ পাবেনা জামিন,
মাপ তুমি যতই চাও
বলবেনা  কেউ আমিন।
পথভ্রষ্ঠের নেই ঠিকানা
যতই খোজ কুলকিনারা,
সমুদ্রের অতল তলে

অফুরন্ত গহীন।
যাযাবরের মতো পথিক

পথে পথে ঘুরে,

দেহখাঁচা পড়েই রবে

রূহ যাবে উড়ে।।

হতভাগা পথিক,

কেউ দিবেনা মুল ঠিকানা

ভাববে সবই সঠিক।
>>>>>>> লিখেছেন—কবি. জুলহাস

5675total visits,126visits today