• রবিবার ( রাত ৩:০৭ )
    • ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং

পতেঙ্গায় লোকনাথ ধাম-গীতা শিক্ষালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠা র্বাষিকী

বাবুল হোসেন বাবলা, চট্টগ্রাম অফিসঃ


পতেঙ্গাস্থ শ্রী শ্রী লোকনাথ ধাম-গীতা শিক্ষালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠা র্বাষিক উ সব-সম্প্রীতির
শোভাযাত্রা ,শ্রীমদগীতাপাঠ,র্ধমসভা ও সংগীতা অনুষ্ঠান ১৭ জানুয়ারী শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে
দিনব্যাপি ইপিজেড থানাধীন ভৈরব ঠাকুর মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
সকালে জাতীয়ওগৈরিক পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির পায়রা-বেলুন উড়িয়ে শোভা যাত্রার উদ্বোধন
করবেন চসিক ৪০নং ওর্য়াডে সাবেক কাউন্সিলর,আঃলীগ সভাপতি হাজী আব্দুল বারেক
কোং,র্আশীবাদক অতিথি-জ্যোর্তিময়ানন্দ ব্রক্ষ্মচারী(রনি ব্রক্ষ্মচারী)এবংস্থানীয় নেতৃবৃন্দ
উপস্থিত থাকবেন।


বিকেলে মহতী র্ধমসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার
মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল(এমপি),মহান অতিথি-চট্টগ্রাম১১এর সাংসদ আলহাজ্ব এম.আব্দুল
লতিফ,প্রধান বক্তা-নগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এডঃ চন্দন তালুকদার,র্ধমীয়
মূখ্যপ্রবচক-শ্রী সুর্দশন চক্রর্বত্তী,আলোচক বিশেষ অতিথি-৩৯নং ওর্য়াড কাউন্সিলর হাজী
জিয়াউল হক সুমন,কাউন্সিলর হাজী জয়নাল আবেদীন সহ প্রবীর কুমার সেন(পিডিবি দক্ষিণের
প্রধান প্রকৌশলী) স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সকল কে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য উ সব উদযাপন কমিটির সভাপতি
উত্তম শীল ও সাঃসম্পাদক সুজন কুমার শীল বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি////জেলা//নগর মহানগর

Total Page Visits: 29895

গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে নেতা কর্মীদের প্রতি আওয়ামীলীগের নব নির্বাচিত সভাপতি শেখ হাসিনার আহবান

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে আজ শনিবার ইর্ঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে কাউন্সিল অধিবেশনে তাদেরকে নির্বাচিত করা হয়।

দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান কমিশনার এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আদর্শ ভিত্তিক রাজনীতি করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে, মানুষ যাতে স্বতস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়ে আমাদেরকে নির্বাচিত করে এবং আমরা যেন দেশসেবা করে যেতে পারি। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতা অর্জন করেছে সেই রক্ত যেন বৃথা না যায়, সে লক্ষ্য নিয়েই তাঁর সরকার কাজ করে বিগত ১০ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। লক্ষ্য আরো অনেক দূর যেতে হবে। সেজন্য সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

আব্দুল মতিন খসরু সভাপতি পদে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন এবং পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য তা সমর্থন করেন। নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এ পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না পাওয়ায় শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন।
এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করলে তাতে সমর্থন জানান আব্দুর রহমান। নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এ পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না পাওয়ায় ওবায়দুল কাদেরকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন।

পরে ২১তম জাতীয় সম্মেলনে নব নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদিকমন্ডলীর সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

সভাপতিমন্ডলীর সদস্যরা হলেন-সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্লাহ, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান, আবদুল মতিন খসরু, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকরা হলেন, মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মণি, ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন, আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল হোসেন ও মির্জা আজম।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজিবুল্লাহ হিরু, প্রচার সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারুন অর রশীদ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শামসুন নাহার চাঁপা, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এবং স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদ ডা. রোকেয়া সুলতানার নাম ঘোষণা করেন।

সম্মেলনে বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্য করে   বলেন, ‘এখানে কাউন্সিলরবৃন্দ আছেন- সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। আর জাতির পিতার যে আদর্শ সেই আদর্শ মেনেই চলতে হবে।’প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ ২১ শে  ডিসেম্বর, ২০১৯ইং শনিবার আওয়ামী লীগের ২১ তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব কাউন্সিল অধিবেশনের শুরুতে প্রদত্ত ভাষণে একথা বলেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে নির্মিত প্যান্ডেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই অধিবেশন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২৯টি বছর এদেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে তাদের বিরুদ্ধে যত সংগ্রাম ও আন্দেলন এং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার যত সংগ্রাম আওয়ামী লীগই সে সংগ্রাম করেছে এবং আওয়ামী লীগই এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, বাঙালির জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করা, একে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে বিশ্বে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়েই জাতির পিতা তাঁর সারাটি জীবন উৎসর্গ করে যান। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য তিনি আজীবন জেল, জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে গেছেন।

জাতির পিতার অবদান ও আওয়ামী লীগকে গড়ে তোলার কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমনভাবে সংগঠনটি গড়ে তোলেন, এর মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেন।

 

সরকার প্রধান বলেন, বাংলার জনগণকে জাতির পিতার স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র সাড়ে ৩ বছরের শাসনকালে জনগণকে অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে পারেন নাই। সেই স্বপ্ন পূরণই তাঁর রাজনীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা-মা’য়ের আত্মা যেন শান্তি পায়।

প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার উর্ধ্বে উঠে দেশের জন্য কাজ করে যাওয়ায় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দেখা যায় যে, অনেকেই ক্ষমতায় আসার পরে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারে না। কিন্তু আমরা সেটা পেরেছি। মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছি। সেক্ষেত্রে আমি বলবো বলবো সকলকে সেই চিন্তা থেকেই কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন এবং জাতির যেকোন ক্রান্তি লগ্নে এর নেতা-কর্মীরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করেছে। প্রতিটি কাউন্সিলরকে এটা মাথায় রাখতে হবে- জাতির পিতার সেই আদর্শ নিয়েই আমরা দেশকে গড়ে তুলবো।’

তিনি বলেন, জাতির পিতা স্বাধীনতার পরে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশ গড়ে তুলে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে রেখে গিয়েছিলেন আর এরপরেই জাতির জীবনে ১৫ আগষ্ট বিপর্যয় নিয়ে আসে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ এর জাতির পিতাকে হত্যার পর এদেশে যে হত্যা, ক্যু এবং ষড়যন্ত্রের রাজনীতি এদেশে শুরু হয়েছিল। যেখানে গণতন্ত্র ছিল না, কারফিউ গণতন্ত্র ছিল। যেখানে সেনাতন্ত্র ছিল, সামরিক স্বৈর শাসকরা রাষ্ট্র শাসন করেছে দীর্ঘ ২১ বছর, এরপর আবার ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত।

 

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জনগণ যে সরকারের সেবা পেতে পারে, জনগণের কল্যাণ করতে পারে, তাঁদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, এটা কেবল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরেই জনগণ উপলদ্ধি করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, উড়ে এসে জুড়ে বসারা সবসময় নিজেদের ভাগ্য নিয়ে এবং অসৎ উপায়ে ক্ষমতা দখলকে বৈধ করার কাজেই ব্যস্ত ছিল। তারা জনগণের কথা চিন্তা করে নাই।

সরকার প্রধান বলেন, এদেশে ঋণ খেলাপি কালচার, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদেরকে ব্যবহার করাসহ পুরো সমাজটাকে তারা ধ্বংসের পথে টেনে নিয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সরকারের কোন নীতি আদর্শ থাকে না, কোন লক্ষ্য থাকে না, সে সরকার চলে কি করে, প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি এ সময় জাতির পিতার লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং জাতির পিতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানী গোয়েন্দাদের গোপন প্রতিবেদন নিয়ে প্রকাশিত ১৪ খন্ড ভলিউমের বইগুলো দলের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে পড়ার পরামর্শ দেন।

কারো বিরুদ্ধে প্রকাশিত গোয়েন্দা রিপোর্ট নিয়ে অদ্যাবধি কেউ কোন পুস্তক রচনা না করলেও জাতির পিতা কিভাবে দেশের কল্যাণে কাজ করে গেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কি কি ষড়যন্ত্র হয়েছিল, কি কি অপপ্রচার হয়েছিল-সেগুলো তুলে ধরার জন্যই ’সিক্রেট ডকুমেন্ট অন ফাদার অব দি নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক এ সংক্রান্ত বইগুলো তিনি প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বইগুলো থেকে আপনাদের অনেক কিছু শিক্ষা নেওয়ার আছে।’শৈত্য প্রবাহের কারণে প্রচন্ড শীত অনুভূত হওয়ায় কাউন্সিলের কর্মসূচি সংক্ষেপ করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

/ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়//রাজনীতি   ///সূত্র : বাসস

Total Page Visits: 29895

ঝালকাঠিতে মিডিয়া ফোরামের আত্মপ্রকাশ

 ইমাম বিমান, ঝালকাঠি থেকেঃ
ঝালকাঠিতে বিজয় দিবসে শহীদ বেদীতে পুস্পার্ঘ অর্পন করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে একঝাঁক তরুন সাংবাদিকদের নিয়ে মুক্তমনের সাংবাদিকতা একই সাথে আর্তমানবতার সেবায় সকলকে নিয়োজিত করার লক্ষ নিয়ে সাংবাদিক সংগঠন মিডিয়া ফোরামের আত্মপ্রকাশ।
জাতীয় মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে একঝাঁক তরুন সাংবাদিকদের নিয়ে মুক্তমনের সাংবাদিকতার মাধ্যমে নিজেদের আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত করার সপথ নিয়ে পথ চলতে শুরু করেছে ঝালকাঠি মিডিয়া ফোরাম। আর তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য সদস্যরা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিনে ভোর ৬টায় ঝালকাঠির শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরনে তাদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য সাংগঠনিক যাত্রা শুরু করেছে জেলার অন্যতম সাংবাদিক সংগঠন মিডিয়া ফোরাম। বিজয় দিবসে আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে পথ চলতে শুরু করেছে ঝালকাঠি মিডিয়া ফোরাম।
সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে শহীদবেদীতে পুস্পার্ঘ অর্পনের পর ঝালকাঠি ব্রাক মোড়স্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সাংবাদিক মোঃ মনির হোসেনকে সভাপতি ও সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এর মধ্যে অন্যান্য সদস্যরা হলেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান, মোঃ ইমাম হোসেন  রিয়াজ মোর্শেদ, কৌশিক বড়াল, খাইরুল ইসলাম, সৈয়দ রুবেল,  শফিকুল ইসলাম।
নতুন সংগঠনটি সম্পর্কে সংগঠনটির নবনির্বাচিত সভাপতি সাংবাদিক মনির হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, সাংবাদিকদের সাধারনত জাতির বিবেক বলা হয়, তাই আমরা এই পেশায় থেকে সৎ ভাবে জীবন জাপনে অঙ্গীকারবদ্ধ, আমাদের ঝালকাঠি মিডিয়া ফোরাম সংগঠন একটি ব্যতিক্রমি সংগঠন কারন এটা সাংবাদিকদের সংগঠন হলেও এর সদস্যরা শুধু সংবাদ সংগ্রহ নয় তার পাশাপাশি এর সদস্যরা ঝালকাঠিতে দুস্থ, গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে যেকোন মাধ্যমে তাকে সহযোগীতা করা, সকলের সহযোগীতায় গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা উপকরন সংগ্রহ অথবা সংগঠনের মাধ্যমে পৌছে দেয়া সহ সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজকর্মে অংশ গ্রহন।
ক্রাইম ডায়রি// জেলা//স্পেশাল
Total Page Visits: 29895

নরসিংদীর পলাশ উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ জাবেদ হোসেন জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত

জসিম উদ্দীন, নরসিংদী প্রতিনিধিঃ Read more

Total Page Visits: 29895

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তদন্ত করে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ও ফার্মারস ব্যাংকের এমডি সহ উদ্বর্তন এজাহার ভুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুদক। দুদক সুত্রে জানা গেছে, এরা সবাই সিন্ডিকেট করে    অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদেরকে লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ নেয়। পরে এসব টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন করে।

আবার কেউবা পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে। পরে সুযোগ বুঝে এসব টাকা  উত্তোলন করে হুন্ডির মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় পাঁচার করে, জমি কিনে টাকাকে  সম্পদে রুপান্তর করে আবার কেউবা নিজ নিজ  আত্মীয়ের ব্যাংক  হিসাবে স্থানান্তর/হস্তান্তরের মাধ্যমে কিংবা বিভিন্ন সম্পদ কিনে নগদ   টাকাকে  হজম করে। পরে  ভোগদখলে রেখে সেইসব অবৈধ সম্পদ উৎস অবস্থান গোপন বা এর ছদ্মাবরণে পাচার করে এবং এখনও পাচারের প্রচেষ্টায়/ষড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে লিপ্ত। তাই দন্ড-বিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তাদের বিরুদ্ধে উল্লিখিত ধারায় বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

সুত্রে আরও জানা গেছে,    মোঃ শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা’র নামে মঞ্জুরকৃত ঋণের ৪ কোটি টাকা আসামী প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা’র সোনালী ব্যাংক লি:, সুপ্রিম কোর্ট শাখা, ঢাকার সঞ্চয়ী হিসাব নং-৪৪৩৫৪৩৪০০৪৪৭৫ এ জমা হওয়ার পরে বিভিন্নভাবে স্থানান্তরিত হয়ে ব্যাংক হতে তোলা হয়।

এছাড়া এজাহারভুক্ত   আসামী মোঃ জিয়া উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা তদন্তকালে মৃত্যুবরণ করায় তাকে অত্র মামলার দায় হতে অব্যাহতি প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক তারা হলেন যথাক্রমেঃ—

(১) সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট, ঢাকা,
(২) এ কে এম শামীম, প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৩) গাজী সালাহউদ্দিন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রাক্তন ক্রেডিট প্রধান, ক্রেডিট ডিভিশন, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৪) স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, ক্রেডিট ডিভিশন, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৫) সফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা,
(৬) মোঃ লুৎফুল হক, ভাইস প্রেসিডেন্ট, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা,
(৭) মোঃ শাহজাহান, পিতা- মৃত আমির হোসেন, গ্রাম- শ্রীহরিপুর, পো:- যদুনাথপুর, উপজেলা- ধনবাড়ি, জেলা- টাঙ্গাইল,
(৮) নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, পিতা- গোলক চন্দ্র সাহা, গ্রাম ও পো:- যদুনাথপুর, উপজেলা- ধনবাড়ি, জেলা- টাঙ্গাইল,
(৯) শ্রীমতি সান্ত্রী রায় (সিমি), স্বামী- শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা, এ-৪৯, দক্ষিণপাড়া, উপজেলা- সাভার, জেলা- ঢাকা,
(১০) শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা, এ-৪৯, দক্ষিণপাড়া, উপজেলা- সাভার, জেলা- ঢাকা এবং তদন্তে আগত আসামী
(১১) মোঃ মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী), উদ্যোক্তা পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

 

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম   //// আদালত//দুদক বিট

Total Page Visits: 29895

কোন অপরাধী ছাড় পাবেনা, সে যে দলেরই হোক–বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অনলাইন ডেস্কঃ

বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন আমি কাউকে ছাড় দেব না।

তিনি বলেন, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকার বিষয়টি পুনরায় উল্লেখ করেন। ২৩ নভেম্বর ২০১৯ইং  শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন-যুবলীগের সপ্তম জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য দেয়াকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

‘দুর্নীতি, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমি কাউকে ছাড় দেব না, তারা যেই হোক না কেন। আমি তাদের প্রতি কোনো সহানুভূতি দেখাব না কারণ আমি দেশের মানুষের জন্য দিনরাত (চব্বিশ ঘন্টা) পরিশ্রম করি,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের ও মানুষের কল্যাণ ও ত্যাগের মাধ্যমে দেশের সেবা করার জন্য তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আমাদের তরুণ সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে হবে, বলেন শেখ হাসিনা।

শনিবার রাজধানী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন-যুবলীগের সপ্তম জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য দেয়াকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের ও মানুষের কল্যাণ ও ত্যাগের মাধ্যমে দেশের সেবা করার জন্য তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আমাদের তরুণ সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে হবে, বলেন শেখ হাসিনা।

আগে, বেলা ১১টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে যুবলীগের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

যুব লীগের আহ্বায়ক চয়ন ইসলামের সভাপত্বিতে আয়োজিত এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তব্য রাখেন। যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ সম্মেলনে সংগঠনটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য যে,  ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ গঠন করেন শেখ ফজলুল হক মনি।

যুবলীগের আহ্বায়কের সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে সারাদেশের ৭৭ টি সাংগঠনিক জেলা থেকে প্রায় ২৮ হাজার কাউন্সিলর অংশ নিয়েছেন। বিকেলে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইইবি) মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশনে যুবলীগের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হবে।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 29895

গন্তব্য’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে নিঃস্বপ্রায় চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ নিজের পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান

অনলাইন ডেস্কঃ

  তথ্যমন্ত্রী  ডক্টর হাসান মাহমুদ বলেছেন, “কোন পেশাই অসন্মানের নয়”। নি:স্বপ্রায় চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে তথ্যমন্ত্রীর সহায়তা প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।। তিনি বলেন, আমি নিজেও বিদেশে রেস্তোঁরায় ওয়েটারের কাজ করেছি।

বুধবার ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ‘গন্তব্য’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে নি:স্বপ্রায় চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশকে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ নিজের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা হস্তান্তর করেন। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ মুরাদ হাসান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) মোঃ মিজান-উল-আলম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চলচ্চিত্র পরিচালক অরণ্য পলাশ ও তার নির্মিত ‘গন্তব্য’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক এলিনা শাম্মীসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী এসময় বলেন, ‘আমি নিজে যখন বিদেশে পড়াশুনা করতাম, তখন আমি হোটেল-রেস্তোঁরায় কাজ করতাম। অর্থাৎ আমি নিজেও টি-বয়ের কাজ করতাম, সেখানে টি-বয় বলে না, ওয়েটার বলে। এটি বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই যে, আমি সেই কাজ করতাম। একদিন দুদিন নয়, আমি বিদেশে অনেক দিন ছিলাম মাস্টার্স ও ডক্টরেট করার জন্য। সেখানে অনেক দিন কাজ করেছি, মাসের পর মাস। কোনো কাজই অসম্মানের নয়।’

‘অরণ্য পলাশের এই পরিস্থিতি দেখে আমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সচিব- সবার সাথে আলোচনা করেছি যে তাকে আমরা কোনোভাবে সহায়তা করতে পারি কি না’ উল্লে­খ করে ড. হাছান বলেন, ‘আজকে তাকে ডেকেছি ব্যক্তিগতভাবে আমার পক্ষ থেকে সহায়তা করার জন্যে। কারণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহায়তা করতে হলে একটা প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয়। আপনারা জানেন, সরকার যে অনুদান দেন, সেটার একটা কমিটি আছে, সেই কমিটির মাধ্যমে অনুদান অনুমোদিত হতে হয়। কমিটির সাথে আমি কথা বলবো, তার এই চলচ্চিত্র যাতে মুক্তি পায়, সেজন্য আরো কি খরচ দরকার, কিছু খরচ তো সে করে ফেলেছে। আর কি সহায়তা দরকার, কমিটির সাথে,সেটি আলোচনা করবো।’

 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আবারও বলবো, কোনো কাজই কিন্তু অসম্মানের না, সব কাজই সম্মানের। এবং সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবং কোনো কাজকে কোনো পেশাকে অসম্মানিত করে কোনো কিছু বলা কারো উচিত নয়। সব মানুষ সম্মানের, সব কাজ সম্মানের।’

‘আমি শুরুতেই বলেছি যে আমি নিজেও রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করেছি, অর্থাৎ টি-বয়ের কাজ করেছি, সুতরাং আপনার মনে কষ্ট পাওয়ার কোনো কারণ নেই’- অরণ্য পলাশকে বলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ক্রাইম ডায়রি/ বিনোদন  /প্রেস রিলিজ নং-২০১৯/৩২৭-৬/১১

Total Page Visits: 29895

উত্তাল জাবি ক্যাম্পাসঃ ভিসির অপসারনের দাবীর পক্ষে-বিপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

জাবি ক্যাম্পাস সংবাদদাতাঃ

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যাপীঠ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণার পর হল ত্যাগের যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তাতে বিপাকে পড়েছেন ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। হঠাৎ করে হল বন্ধের ঘোষনায় রাজশাহী, খুলনা, বরিশালের মতো দূরবর্তী অঞ্চলগুলোর শিক্ষার্থীরা চাইলেও এতো অল্প সময়ের মধ্যে হল ত্যাগ করতে পারবে না। এজন্য তারা বিক্ষোভ মিছিল করে প্রশাসনকে হঠাৎ বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানিয়েছেন। খালেদা জিয়া হল ও নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের মেয়েরা ভ্যাকান্ডকে (হল বন্ধের সিদ্ধান্ত) প্রত্যাখ্যান করে হলে থাকার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

এর আগে দুর্নীতির অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে একদল ছাত্র ছাত্রী।। আন্দোলনরতদের দাবী তারা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২ টা থেকে সোয়া বারোটা পর্যন্ত ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থানরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর এ হামলার ঘটনা  ঘটে। এতে ৮ শিক্ষকসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছে। এছাড়া দায়িত্ব পালন করার সময় চার সাংবাদিককেও মারধর করে আহত হয়েছে। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে ।

গুরুতর আটজনকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানান জাবির চিকিৎসক ডা. রেজওয়ানুর রহমান। আহত শিক্ষকরা হলেন- অধ্যাপক সাইদ ফেরদৌস, মীর্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক রায়হান রাইন, অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার হাসান মাহমুদ, অধ্যাপক শামীমা সুলতানাসহ আরো কযেকজন।

মারধরে আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে-৪৪ তম আবর্তনের দর্শন বিভাগের মারুফ মোজাম্মেল, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের মাহাথির মুহাম্মদ, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সাইমুম ইসলাম, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের রাকিবুর রনি,ইংরেজি বিভাগের আলিফ মাহমুদ,অর্থনীতি বিভাগের উল্লাস, দর্শন বিভাগের রুদ্রনীল, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সৌমিক বাগচীসহ আরো কয়েকজন শিক্ষার্থী। এছাড়া ৪৪তম আবর্তনের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ছাত্রী ছন্দা ও ৪৭ ব্যাচের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাউদা নামের দুই নারী শিক্ষার্থীকেও মারধর করতে দেখা গেছে।

হামলার বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন,‘আমরা শিবিরমুক্ত ক্যাম্পাস চাই। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ আছে। আমরা কোউকে মারিনি। আমরা শুধু অবস্থান করেছি।

হামলার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ.স.ম. ফিরোজ-উল-হাসান বলেন,‘ঘটনাস্থলে মব তৈরি হয়েছিল। চেষ্টা করেও আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। বড় ঘটনা এড়াতে আমরা তৎপর আছি।’

মারধরের ঘটনার আধাঘন্টা পর বাসভবনের গেইট ফাঁকা হলে ভিসি ফারজানা ইসলাম তার সমর্থক শিক্ষকদের সাথে নিয়ে তার কার্যালয়ে যান। কার্যালয়ের সামনে ভিসি সংবাদ সম্মেলনে বলেন,‘আমার সহকর্মী ও ছাত্রলীগ কর্মীদের এ গণঅভ্যুত্থানের জন্য ধন্যবাদ। ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করলে ভিসি বলেন,‘ছাত্রলীগ এতদিনে ছাত্রত্বের পরিচয় দিয়েছে। আমরা ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ জানাই।’

এরপর দুপুরে এক সিন্ডিকেট সভা ডেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে প্রশাসন এবং হলগুলোকে ভ্যাকান্ড(খালি) করতে বলা হয়। বিকাল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সকলকে হল ছাড়তে বলা হয়।এই ঘোষণার পরে আবারও উত্তাল হয়ে পড়ে জাবি ক্যাম্পাস। আন্দোলনকারীরা এই বন্ধ ঘোষণাকে দুর্বলতার পরিচয় দাবি করে সমগ্র ক্যাম্পাসে মিছিল করে। পরে ক্যাম্পাসের বাস আটকানোর চেষ্টা করে।

এদিকে হল ভ্যাকান্ড হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বন্ধের বিষয়ে মেয়েদের হলগুলো বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। তারা বিক্ষোভ মিছিল করে এবং প্রশাসনকে হঠাৎ বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বলে। মেয়েদের খালেদা জিয় হল ও নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের মেয়েরা ভ্যাকান্ডকে প্রত্যাখ্যান করে হলে থাকার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। এদিকে জাবিতে আন্দোলনে হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদ বিক্ষোভের তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভিসি অপসারণ দাবিতে সোমবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে ভিসির বাসভবন ঘেরাও করেছে রেখেছিলেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

ক্রাইম ডায়রি//শিক্ষাঙ্গন///ক্রাইম

Total Page Visits: 29895

ধনী দরিদ্র সকল মানুষের বীমা থাকা প্রয়োজন—- বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মোঃ হেলাল উদ্দিনঃ

বঙ্গকন্যা জননেত্রী  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীমা শিল্পকে মানুষের জন্য ব্যবহার করার ব্যাপারে বীমা কোম্পানিগুলোর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, প্রতারণা ও হয়রানী থেকে বীমা গ্রাহকদের রক্ষা করতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্লাটফর্ম চালু করা দরকার। বীমা কোম্পানিগুলো মানব কল্যাণে এবং উৎপাদন ও ঝুঁকিমুক্ত অর্থনীতি গড়ে তুলতে তাদের বীমা কোম্পানি ব্যবহার করবে বলে প্রধানমন্ত্রী  আশা প্রকাশ করেন। ০৫ নভেম্বর,২০১৯ইং বিকেলে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত বীমা সংক্রান্ত ১৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

মিউনিক রি ইন্স্যুরেন্স এবং মাইক্রোইন্স্যুরেন্স নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন তিনদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

৪২টি দেশের প্রায় চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিনিধিগণ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।

বঙ্গকন্যা  বলেন, তথ্যের অপ্রাপ্যতা বীমা গ্রাহকদের জন্য বড় সমস্যা। তিনি বলেন, বীমা শিল্পে গ্রাহকদের আস্থার অভাব রয়েছে। কারণ তারা যতো গুলো বীমা কিস্তি জমা দিয়েছে, তার সবগুলো কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আদৌ জমা হয়েছে কি-না, সে ব্যাপরে অন্ধকারেই থেকে যায়। এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্লাটফর্ম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।’

]

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ,  অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স ডেভেলপমেন্ট রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারী ।মিউনিখ রি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান টমাস লোস্টার এবং মাইক্রোইন্সুরেন্স নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ডবল চেম্বারলিনও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদিও ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য আমরা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি এবং আপনারা জানেন আমরা বাংলাদেশের জন্য ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশকে জলবায়ু ঝুঁকির থেকে মুক্ত করে মানুষের জীবন-মান যাতে উন্নত হয় সেই লক্ষ্যকে সামনে নিয়েই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আমাদের যারা স্বল্প আয়ের মানুষ, যারা এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করেন তাঁদের অর্থিক ক্ষতি কিভাবে মেটানো যায় এবং তাঁদের জীবনকে কিভাবে নিরাপদ করা যায়। আর বিশেষকরে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য তাঁদের জন্য বিশেষ বীমা স্কীম যদি করে দেওয়া হয় তাহলে তাঁরা অনেকটাই নিশ্চিত থাকতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের যদি বীমা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তাহলে সেটা একটা নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেটা জলবায়ু পরিবর্তন জনিত যে সমস্ত ঝুঁকি শুধু বাংলাদেশে নয়, বিভিন্ন ব-দীপ অঞ্চল বা অন্যান্য দেশগুলোতে রয়েছে সেদেশের জনগণও লাভবান হবে।’

সম্প্রতি কিছু দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে সে ব্যবস্থা বাংলাদেশেও নেওয়া যেতে পারে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য বীমা প্রবর্তনের লক্ষ্যে ‘প্রবাসী কর্মী বীমা নীতিমালা’ জারি করা হয়েছে। এতে প্রায় ১২ মিলিয়ন কর্মীর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ সম্ভব হবে। এ বীমার আওতায় একজন প্রবাসী কর্মী সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকার বীমা সুবিধা পাবেন বলে উল্লেখ করেন বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা।

 

অন্তর্ভুক্তিমূলক বীমা নিশ্চিতের জন্য বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণে তাঁর সরকারের উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
‘সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা অনুযায়ী প্রাকৃতিক ঝুঁকিপ্রবণ দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর সরকার হাওড় অঞ্চলে আকষ্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের আর্থিক ক্ষতি নিরসনের জন্য ‘কৃষি বীমা’ চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।

বীমা দাবি নিষ্পত্তি বীমা শিল্পের একটি পুঞ্জিভূত সমস্যা উল্লেখ করে এ সমস্যা থেকে বীমা শিল্পকে বের করে আনা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ও উল্লেখ করেন সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, ‘বীমা শিল্পে বিগত ২ বছরে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। দাবি নিষ্পত্তিতে কর্তৃপক্ষের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকায় দাবি নিষ্পত্তির হার পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।’
জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে বীমা মেলার আয়োজন, উন্নয়ন মেলায় বীমা কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি বিভাগীয় শহরে জনসচেতনতা বাড়োনোর উদ্দ্যেশ্যে দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, উঁচু ভবনে অগ্নিকা- থেকে সৃষ্ট ঝুঁঁকির আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ভবন বীমা প্রচলন এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে যে সকল কোম্পানি এখন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি এমন ২৭টি বীমা কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীমা শিল্পে লেনদেনে স্বচ্ছতা আনার জন্য ১০ হাজার টাকার উর্ধ্বে সকল লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পাদনের নির্দেশনা জারি এবং সকল বীমা কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট হালনাগাদ করে অনিষ্পন্ন বীমা দাবির তালিকা প্রদর্শন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

সেইসাথে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, জীবন বীমা কর্পোরেশন, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমির সক্ষমতা বৃদ্ধি, অটোমেশন ও মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে ৬৩২ কোটি টাকার প্রকল্পের কার্যক্রম ২০১৮ সাল থেকে চলমান রয়েছে,বলেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিতা-মাতার অবর্তমানে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার জন্য ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা’ প্রবর্তনের কাজ চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্সে আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে যোগদানের তারিখ ১লা মার্চকে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাবটি বিবেচনাধীন রয়েছে,জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আশা করি, এ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিশেষজ্ঞগণ পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ভূমিকা রাখবেন যা মূলত অন্তর্ভুক্তিমূলক বীমার মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও ফলপ্রসু এবং বাস্তবমুখী কর্মসূচি প্রণয়নে সহায়তা করবে।’ বীমাশিল্পের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সংশ্লিষ্টতার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ভাষণে বীমা শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতা গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন।

 

বঙ্গকন্যা  শেখ হাসিনা  বলেন, ‘আমাদের পারিবারিক সংশ্লিষ্টতা বেশ পুরানো। আমার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একসময় বীমা কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।’

‘এজন্য স্বাধীনতার পর সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তিনি বীমাশিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু উপলদ্ধি করতে পেরেছিলেন বীমাশিল্পের জন্য এ্যাকচুয়ারির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,’যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনকালে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে দেশের একমাত্র এ্যাকচুয়ারি শাফাত আহমেদ চৌধুরীকে লন্ডন থেকে দেশে ডেকে আনেন এবং কন্ট্রোলার অব ইন্সুরেন্স পদে নিয়োগ দান করেন।

আওয়ামীলীগ   সরকারের দারিদ্র হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির পেছনে বীমা খাতের অবদান রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বীমা খাত সমাজের সকল শ্রেনির মানুষের নিকট থেকে সঞ্চয় সংগ্রহের মাধ্যমে বিনিয়োগ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্র তৈরি হয় এবং দারিদ্র্যে দূর হয়।’

‘ব্যক্তি, পরিবার এবং প্রাতিষ্ঠানিক খাতের অদৃশ্য ঝুঁকি হ্রাসে বীমাশিল্প সহায়তা করে’ উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘পাশাপাশি দেশের পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ খাতের জন্য তহবিল সৃষ্টিতে সহায়তা করে।’‘কাজেই ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্য বীমা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৩৮ সালে প্রণীত বীমা আইনকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে তাঁর সরকার ‘বীমা আইন ২০১০’ চালু করেছে এবং পূর্বের কন্ট্রোলার অব ইন্স্যুরেন্স অধিদপ্তর অবলুপ্ত করে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা আইডিআরএ আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।

‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে (এসডিজি) অর্থনৈতিক কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে উল্লেখ করে এর মাধ্যমে দেশের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর উন্নতি সাধন সম্ভব হবে’, বলেন প্রধানমন্ত্রী। বিআইএ সভাপতি শেখ কবির হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংগঠনের সহসভাপতি রুবানা হামিদ স্বাগত বক্তৃতা করেন।

সূত্র: বাসস// ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 29895

১৫ হতে ১৭ অক্টোবর সিএনজি-অটোরিক্সা মালিকদের ধর্মঘট আহবান

শাহীন খন্দকারঃ

১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০১৯ইং লাগাতার ৭২ ঘন্টা সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট সফলের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সুুত্রে জানা গেছে, ১০ অক্টোবর ২০১৯ইং বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ৩৭৮, টঙ্গী ডাইভারশন রোড, মগবাজার, রমনা, ঢাকায় ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ এর আহ্বানে ঢাকার প্রত্যেক থানার সিএনজি অটোরিক্সা মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক আলহাজ মো. বরকত উল্লাহ ভুলু। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন দুলাল। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা এটিএম নাজমুল হাসান, আব্দুল মোতালেব, আব্দুল করিম, হাজী মোশাররফ হোসেন, মো. সিদ্দিকুর রহমান, আঃ জাব্বার, মুহঃ শাহ আলম, মামুনুর রশীদ, সোহেল রানা সহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ।

সভায় ঢাকা মহানগরীতে অবৈধ  সিএনজি অটোরিক্সা, মটর সাইকেল চলাচল ও পুলিশী হয়রানি বন্ধসহ মালিক-শ্রমিকের ৯ দফা দাবি আদায়ে আগামী আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০১৯ইং মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার লাগাতার ৭২ ঘন্টা সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট সফল করার লক্ষ্যে আগামী ১৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মালিক-শ্রমিক মতবিনিময় সভায় সকল মালিক-শ্রমিকদের অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান।

ক্রাইম ডায়রি//রাজধানী
Total Page Visits: 29895