• রবিবার ( রাত ৪:২৬ )
    • ৭ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তদন্ত করে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ও ফার্মারস ব্যাংকের এমডি সহ উদ্বর্তন এজাহার ভুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুদক। দুদক সুত্রে জানা গেছে, এরা সবাই সিন্ডিকেট করে    অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদেরকে লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ নেয়। পরে এসব টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন করে।

আবার কেউবা পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে। পরে সুযোগ বুঝে এসব টাকা  উত্তোলন করে হুন্ডির মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় পাঁচার করে, জমি কিনে টাকাকে  সম্পদে রুপান্তর করে আবার কেউবা নিজ নিজ  আত্মীয়ের ব্যাংক  হিসাবে স্থানান্তর/হস্তান্তরের মাধ্যমে কিংবা বিভিন্ন সম্পদ কিনে নগদ   টাকাকে  হজম করে। পরে  ভোগদখলে রেখে সেইসব অবৈধ সম্পদ উৎস অবস্থান গোপন বা এর ছদ্মাবরণে পাচার করে এবং এখনও পাচারের প্রচেষ্টায়/ষড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে লিপ্ত। তাই দন্ড-বিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তাদের বিরুদ্ধে উল্লিখিত ধারায় বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

সুত্রে আরও জানা গেছে,    মোঃ শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা’র নামে মঞ্জুরকৃত ঋণের ৪ কোটি টাকা আসামী প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা’র সোনালী ব্যাংক লি:, সুপ্রিম কোর্ট শাখা, ঢাকার সঞ্চয়ী হিসাব নং-৪৪৩৫৪৩৪০০৪৪৭৫ এ জমা হওয়ার পরে বিভিন্নভাবে স্থানান্তরিত হয়ে ব্যাংক হতে তোলা হয়।

এছাড়া এজাহারভুক্ত   আসামী মোঃ জিয়া উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা তদন্তকালে মৃত্যুবরণ করায় তাকে অত্র মামলার দায় হতে অব্যাহতি প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুদক তারা হলেন যথাক্রমেঃ—

(১) সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট, ঢাকা,
(২) এ কে এম শামীম, প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৩) গাজী সালাহউদ্দিন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রাক্তন ক্রেডিট প্রধান, ক্রেডিট ডিভিশন, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৪) স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, ক্রেডিট ডিভিশন, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:,
(৫) সফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা,
(৬) মোঃ লুৎফুল হক, ভাইস প্রেসিডেন্ট, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, গুলশান কর্পোরেট শাখা, ঢাকা,
(৭) মোঃ শাহজাহান, পিতা- মৃত আমির হোসেন, গ্রাম- শ্রীহরিপুর, পো:- যদুনাথপুর, উপজেলা- ধনবাড়ি, জেলা- টাঙ্গাইল,
(৮) নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, পিতা- গোলক চন্দ্র সাহা, গ্রাম ও পো:- যদুনাথপুর, উপজেলা- ধনবাড়ি, জেলা- টাঙ্গাইল,
(৯) শ্রীমতি সান্ত্রী রায় (সিমি), স্বামী- শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা, এ-৪৯, দক্ষিণপাড়া, উপজেলা- সাভার, জেলা- ঢাকা,
(১০) শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা, এ-৪৯, দক্ষিণপাড়া, উপজেলা- সাভার, জেলা- ঢাকা এবং তদন্তে আগত আসামী
(১১) মোঃ মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী), উদ্যোক্তা পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান, দি ফারমার্স ব্যাংক লি:, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

 

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম   //// আদালত//দুদক বিট

Total Page Visits: 23306

কোন অপরাধী ছাড় পাবেনা, সে যে দলেরই হোক–বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অনলাইন ডেস্কঃ

বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন আমি কাউকে ছাড় দেব না।

তিনি বলেন, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকার বিষয়টি পুনরায় উল্লেখ করেন। ২৩ নভেম্বর ২০১৯ইং  শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন-যুবলীগের সপ্তম জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য দেয়াকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

‘দুর্নীতি, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমি কাউকে ছাড় দেব না, তারা যেই হোক না কেন। আমি তাদের প্রতি কোনো সহানুভূতি দেখাব না কারণ আমি দেশের মানুষের জন্য দিনরাত (চব্বিশ ঘন্টা) পরিশ্রম করি,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের ও মানুষের কল্যাণ ও ত্যাগের মাধ্যমে দেশের সেবা করার জন্য তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আমাদের তরুণ সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে হবে, বলেন শেখ হাসিনা।

শনিবার রাজধানী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন-যুবলীগের সপ্তম জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য দেয়াকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের ও মানুষের কল্যাণ ও ত্যাগের মাধ্যমে দেশের সেবা করার জন্য তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আমাদের তরুণ সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে হবে, বলেন শেখ হাসিনা।

আগে, বেলা ১১টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে যুবলীগের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

যুব লীগের আহ্বায়ক চয়ন ইসলামের সভাপত্বিতে আয়োজিত এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তব্য রাখেন। যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ সম্মেলনে সংগঠনটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য যে,  ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ গঠন করেন শেখ ফজলুল হক মনি।

যুবলীগের আহ্বায়কের সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে সারাদেশের ৭৭ টি সাংগঠনিক জেলা থেকে প্রায় ২৮ হাজার কাউন্সিলর অংশ নিয়েছেন। বিকেলে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইইবি) মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশনে যুবলীগের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হবে।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 23306

ধনী দরিদ্র সকল মানুষের বীমা থাকা প্রয়োজন—- বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মোঃ হেলাল উদ্দিনঃ

বঙ্গকন্যা জননেত্রী  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীমা শিল্পকে মানুষের জন্য ব্যবহার করার ব্যাপারে বীমা কোম্পানিগুলোর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, প্রতারণা ও হয়রানী থেকে বীমা গ্রাহকদের রক্ষা করতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্লাটফর্ম চালু করা দরকার। বীমা কোম্পানিগুলো মানব কল্যাণে এবং উৎপাদন ও ঝুঁকিমুক্ত অর্থনীতি গড়ে তুলতে তাদের বীমা কোম্পানি ব্যবহার করবে বলে প্রধানমন্ত্রী  আশা প্রকাশ করেন। ০৫ নভেম্বর,২০১৯ইং বিকেলে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত বীমা সংক্রান্ত ১৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

মিউনিক রি ইন্স্যুরেন্স এবং মাইক্রোইন্স্যুরেন্স নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন তিনদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

৪২টি দেশের প্রায় চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিনিধিগণ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।

বঙ্গকন্যা  বলেন, তথ্যের অপ্রাপ্যতা বীমা গ্রাহকদের জন্য বড় সমস্যা। তিনি বলেন, বীমা শিল্পে গ্রাহকদের আস্থার অভাব রয়েছে। কারণ তারা যতো গুলো বীমা কিস্তি জমা দিয়েছে, তার সবগুলো কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আদৌ জমা হয়েছে কি-না, সে ব্যাপরে অন্ধকারেই থেকে যায়। এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্লাটফর্ম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।’

]

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ,  অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স ডেভেলপমেন্ট রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারী ।মিউনিখ রি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান টমাস লোস্টার এবং মাইক্রোইন্সুরেন্স নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ডবল চেম্বারলিনও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদিও ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য আমরা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি এবং আপনারা জানেন আমরা বাংলাদেশের জন্য ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশকে জলবায়ু ঝুঁকির থেকে মুক্ত করে মানুষের জীবন-মান যাতে উন্নত হয় সেই লক্ষ্যকে সামনে নিয়েই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আমাদের যারা স্বল্প আয়ের মানুষ, যারা এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করেন তাঁদের অর্থিক ক্ষতি কিভাবে মেটানো যায় এবং তাঁদের জীবনকে কিভাবে নিরাপদ করা যায়। আর বিশেষকরে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য তাঁদের জন্য বিশেষ বীমা স্কীম যদি করে দেওয়া হয় তাহলে তাঁরা অনেকটাই নিশ্চিত থাকতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের যদি বীমা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তাহলে সেটা একটা নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেটা জলবায়ু পরিবর্তন জনিত যে সমস্ত ঝুঁকি শুধু বাংলাদেশে নয়, বিভিন্ন ব-দীপ অঞ্চল বা অন্যান্য দেশগুলোতে রয়েছে সেদেশের জনগণও লাভবান হবে।’

সম্প্রতি কিছু দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে সে ব্যবস্থা বাংলাদেশেও নেওয়া যেতে পারে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য বীমা প্রবর্তনের লক্ষ্যে ‘প্রবাসী কর্মী বীমা নীতিমালা’ জারি করা হয়েছে। এতে প্রায় ১২ মিলিয়ন কর্মীর বীমা ঝুঁকি গ্রহণ সম্ভব হবে। এ বীমার আওতায় একজন প্রবাসী কর্মী সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকার বীমা সুবিধা পাবেন বলে উল্লেখ করেন বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা।

 

অন্তর্ভুক্তিমূলক বীমা নিশ্চিতের জন্য বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণে তাঁর সরকারের উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
‘সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা অনুযায়ী প্রাকৃতিক ঝুঁকিপ্রবণ দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর সরকার হাওড় অঞ্চলে আকষ্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের আর্থিক ক্ষতি নিরসনের জন্য ‘কৃষি বীমা’ চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।

বীমা দাবি নিষ্পত্তি বীমা শিল্পের একটি পুঞ্জিভূত সমস্যা উল্লেখ করে এ সমস্যা থেকে বীমা শিল্পকে বের করে আনা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ও উল্লেখ করেন সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, ‘বীমা শিল্পে বিগত ২ বছরে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। দাবি নিষ্পত্তিতে কর্তৃপক্ষের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকায় দাবি নিষ্পত্তির হার পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।’
জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে বীমা মেলার আয়োজন, উন্নয়ন মেলায় বীমা কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি বিভাগীয় শহরে জনসচেতনতা বাড়োনোর উদ্দ্যেশ্যে দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, উঁচু ভবনে অগ্নিকা- থেকে সৃষ্ট ঝুঁঁকির আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ভবন বীমা প্রচলন এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে যে সকল কোম্পানি এখন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি এমন ২৭টি বীমা কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীমা শিল্পে লেনদেনে স্বচ্ছতা আনার জন্য ১০ হাজার টাকার উর্ধ্বে সকল লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পাদনের নির্দেশনা জারি এবং সকল বীমা কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট হালনাগাদ করে অনিষ্পন্ন বীমা দাবির তালিকা প্রদর্শন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

সেইসাথে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, জীবন বীমা কর্পোরেশন, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমির সক্ষমতা বৃদ্ধি, অটোমেশন ও মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে ৬৩২ কোটি টাকার প্রকল্পের কার্যক্রম ২০১৮ সাল থেকে চলমান রয়েছে,বলেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিতা-মাতার অবর্তমানে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার জন্য ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা’ প্রবর্তনের কাজ চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্সে আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে যোগদানের তারিখ ১লা মার্চকে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাবটি বিবেচনাধীন রয়েছে,জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আশা করি, এ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিশেষজ্ঞগণ পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ভূমিকা রাখবেন যা মূলত অন্তর্ভুক্তিমূলক বীমার মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও ফলপ্রসু এবং বাস্তবমুখী কর্মসূচি প্রণয়নে সহায়তা করবে।’ বীমাশিল্পের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সংশ্লিষ্টতার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ভাষণে বীমা শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতা গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন।

 

বঙ্গকন্যা  শেখ হাসিনা  বলেন, ‘আমাদের পারিবারিক সংশ্লিষ্টতা বেশ পুরানো। আমার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একসময় বীমা কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।’

‘এজন্য স্বাধীনতার পর সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তিনি বীমাশিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু উপলদ্ধি করতে পেরেছিলেন বীমাশিল্পের জন্য এ্যাকচুয়ারির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,’যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনকালে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে দেশের একমাত্র এ্যাকচুয়ারি শাফাত আহমেদ চৌধুরীকে লন্ডন থেকে দেশে ডেকে আনেন এবং কন্ট্রোলার অব ইন্সুরেন্স পদে নিয়োগ দান করেন।

আওয়ামীলীগ   সরকারের দারিদ্র হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির পেছনে বীমা খাতের অবদান রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বীমা খাত সমাজের সকল শ্রেনির মানুষের নিকট থেকে সঞ্চয় সংগ্রহের মাধ্যমে বিনিয়োগ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্র তৈরি হয় এবং দারিদ্র্যে দূর হয়।’

‘ব্যক্তি, পরিবার এবং প্রাতিষ্ঠানিক খাতের অদৃশ্য ঝুঁকি হ্রাসে বীমাশিল্প সহায়তা করে’ উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘পাশাপাশি দেশের পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ খাতের জন্য তহবিল সৃষ্টিতে সহায়তা করে।’‘কাজেই ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্য বীমা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৩৮ সালে প্রণীত বীমা আইনকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে তাঁর সরকার ‘বীমা আইন ২০১০’ চালু করেছে এবং পূর্বের কন্ট্রোলার অব ইন্স্যুরেন্স অধিদপ্তর অবলুপ্ত করে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা আইডিআরএ আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।

‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে (এসডিজি) অর্থনৈতিক কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে উল্লেখ করে এর মাধ্যমে দেশের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর উন্নতি সাধন সম্ভব হবে’, বলেন প্রধানমন্ত্রী। বিআইএ সভাপতি শেখ কবির হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংগঠনের সহসভাপতি রুবানা হামিদ স্বাগত বক্তৃতা করেন।

সূত্র: বাসস// ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 23306

১৫ হতে ১৭ অক্টোবর সিএনজি-অটোরিক্সা মালিকদের ধর্মঘট আহবান

শাহীন খন্দকারঃ

১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০১৯ইং লাগাতার ৭২ ঘন্টা সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট সফলের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সুুত্রে জানা গেছে, ১০ অক্টোবর ২০১৯ইং বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ৩৭৮, টঙ্গী ডাইভারশন রোড, মগবাজার, রমনা, ঢাকায় ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ এর আহ্বানে ঢাকার প্রত্যেক থানার সিএনজি অটোরিক্সা মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক আলহাজ মো. বরকত উল্লাহ ভুলু। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন দুলাল। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা এটিএম নাজমুল হাসান, আব্দুল মোতালেব, আব্দুল করিম, হাজী মোশাররফ হোসেন, মো. সিদ্দিকুর রহমান, আঃ জাব্বার, মুহঃ শাহ আলম, মামুনুর রশীদ, সোহেল রানা সহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ।

সভায় ঢাকা মহানগরীতে অবৈধ  সিএনজি অটোরিক্সা, মটর সাইকেল চলাচল ও পুলিশী হয়রানি বন্ধসহ মালিক-শ্রমিকের ৯ দফা দাবি আদায়ে আগামী আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০১৯ইং মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার লাগাতার ৭২ ঘন্টা সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট সফল করার লক্ষ্যে আগামী ১৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মালিক-শ্রমিক মতবিনিময় সভায় সকল মালিক-শ্রমিকদের অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান।

ক্রাইম ডায়রি//রাজধানী
Total Page Visits: 23306

আশংকায় কাঁপে বুকঃ কি ঘটতে যাচ্ছে দুদক পরিচালক বানসুরি এম ইউসুফের জীবনে

মিয়া মোহাম্মদ হেলাল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চট্রগ্রামের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের কথা মনে আছে ? পুলিশের নেতিবাচক ভূমিকার মাঝে যে কয়জন অফিসারকে দেখে মানুষ আশার আলো দেখতো বাবুল আক্তার ছিলেন অন্যতম। সারা দেশের মানুষের কাছে ছিলেন একজন জনপ্রিয় পুলিশ অফিসার। যার একের পর এক অপারেশনে ধরা পড়েছিল, চোরাকারবারী, সন্ত্রাসী, জঙ্গি গোষ্ঠী। যার নাম শুনলেই অপরাধীদের বুকে কাঁপন উঠে যেত। ভয়ে তটস্থ হয়ে কোণঠাসা ছিল চট্রগ্রাম অঞ্চলের অপরাধী গুলো। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ছিল সুখের সংসার। সব কিছু যতারীতি চলছিল। হটাৎ জীবনের মোড় ঘুরে আলোময় জীবনে চলে আসে গাড় নিমেশ কালো অন্ধকার।

২০১৬ সালের ৫ ই জুন। স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ের দিকে যাওয়ার পর মোটরসাইকেল করে আসা তিন দুর্বৃত্ত মাহমুদা খানম মিতুকে প্রথমে ছুরিকাঘাত ও পরে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। ঘটনার সময় বাবুল আক্তার মহানগর পুলিশ থেকে এসপি পদে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পর শুরু হলো নতুন চক্রান্ত। হত্যাকাণ্ডের কুশীলবরা জজ মিয়া নাটকের মত একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট তৈরী করলো। যে নাটকের মিডিয়া পার্টনার ছিল পাকিদের মদদপুষ্ট বাংপাকি  কর্তৃক উলফার টাকায় প্রতিষ্ঠিত একশ্রেণির হলুদমিডিয়া  ও তার সহযোগীরা।

নাটকে মৃত মাহমুদা খানম মিতু’র চরিত্র কলঙ্কিত করে অপবাদ দেওয়া হলে একজন ব্যবসায়ীর সাথে পরকীয়ার। একই ভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পুলিশ অফিসারের বউয়ের সাথে পরকীয়ার অপবাদ দেওয়া হলো বাবুল আক্তারের উপর। হলুদ মিডিয়াগুলো বাবুল আক্তার ও মিতু’র পরকীয়া নিয়ে ধারাবাহিক রমরমা প্রচারণা চালিয়ে যেতে লাগলো। ২৪ শে জুন দিবাগত রাতে পুলিশ বাবুল আক্তারকে স্ত্রী মিতু হত্যা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। সেখানে ১৫ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এরপর তিনি পদত্যাগে করেন। এরপর পর ৬ ই সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফের (বানসুরি এম ইউসুফ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালে সেখানকার অনিয়ম রোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক হওয়ার পর একের পর এক সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে রাগব বোয়ালদের তটস্থ করে তুলেন। দেশের সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠেন রিয়েল হিরো। মানসিক ভাবে অসুস্থ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভালোভাবেই চলছিল ইউসুফ ভাইয়ের জীবন।

বাবুল আক্তারের মত হটাৎ করে ছন্দ পতন ঘটে ইউসুফ ভাইয়ের জীবনে। গত বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় বাসায় সবার অগোচরে রুমের দরজা বন্ধ করে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন তাহার স্ত্রী তানিয়া ইশরাত। আগুনে দগ্ধ তানিয়াকে তৎক্ষণাৎ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হলে বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যু হয়। শুরু হয় যায় মিডিয়ার রংচং মাখা সংবাদ পরিবেশন। চুন খেয়ে মুখ পুড়লে দই দেখলেও ভয় হয়। বানসুরি এম ইউসুফ ভাইয়ের স্ত্রীর ঘটনার পর বাবুল আক্তারের সেদিনের সেই ঘটনা গুলো আবার মনে পড়লো। ইউসুফ ভাইকে কি বাবুল আক্তারের মত আরেকটা নাটকের মুখোমুখি হতে হবে ? সেই অজানা আশংকায় বুকটা কেঁপে উঠলো।

(লেখক, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী-মুক্তচিন্তার মূর্তপ্রতীক,দেশপ্রেমিক, আওয়ামী অনলাইন এক্টিভিস্ট, বঙ্গবন্ধু ও শেখহাসিনার  সূর্য সৈনিক।।।)

Total Page Visits: 23306

প্রসঙ্গ ইভটিজিংঃ আত্মহত্যা,বাস্তবতা ও করণীয়

স্পেশাল ডেস্কঃঃ

ইভটিজিং এক মহাপ্রলয়ংকারী আতংক। উঠতি বয়সী মেয়েরা এমন এক অবস্থার মুখোমুখি হয়  যেখানে সে কিছুই বলতে পারেনা।নিরবে সে বাধ্য হয় অথবা আত্নহত্যাও করে বসে। বাংলাদেশে গত আড়াই বছরে ‘ইভ টিজিং’ বা প্রেমের নামে ছেলেদের হাতে উত্যক্ত বা হয়রানির শিকার হয়ে প্রায় ৪০ জন মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে বলছে একটি গবেষণা রিপোর্ট।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের করা ওই গবেষণায় বলা হয়, উত্যক্তকারীদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার কোন উপায় না দেখেই সাধারণত ওই মেয়েরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।প্রকাশিত রিপোর্টটিতে বলা হয়, ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭৫৪টি ইভটিজিং-এর ঘটনার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু এসব ঘটনার বিচারের হার খুবই নগণ্য। নারী নির্যাতনের খবর বাংলাদেশে নতুন নয়, কিন্তু ইভ টিজিং-এর শিকার হয়ে ৪০ জনের আত্মহত্যার ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জনস্বার্থে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন হুবহু তুলে ধরা হলোঃ—–

“বাংলাদেশে এমন নারী খুঁজে পাওয়া দুস্কর যে কখনো কোনো দিন ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়নি! সে বোরকার নিচেই থাকুক আর তথাকথিত আধুনিকাই হোক না কেন। ফেস-টু-ফেস কিংবা ভার্চুয়াল, নারী পরিচিত-অপরিচিতদের কাছ থেকে কখনো নোংরা কথা কিংবা কখনো ‘হাই সুন্দরী’, এই জাতীয় প্রশংসাসূচক কথার মাধ্যমেও টিজিংয়ের শিকার হয়ে থাকে। যে বলে, ‘কই আমার মা-বোনেরা তো কোনো দিন টিজিংয়ের শিকার হয়নি!’ কিছু না জেনেই আবার যে বলে, ‘টিজিং করছে, নিশ্চয় মেয়েটার দোষ ছিল। এক হাতে তো বাপু তালি বাজে না। আরও তো মেয়ে আছে, তাদের তো কেউ টিজ করে না।’ আমি তাদের বলব, ‘আপনি সত্য থেকে বহু দূরে! টিজিংয়ের জন্য সুন্দরী-অসুন্দরী, হিজাব-নেকাব কোনটাই কাজে আসে না। ওই যে ‘নিনজা’ যায় কিংবা ‘বোরকাওয়ালি’ আইছে—এটাও তো টিজিং বা বুলিংয়ের পর্যায়েই পড়ে। আর তালি আজকাল এক হাতেও বাজে বটে, দরকার শুধু একটা ড্রাম বা ঢোল জাতীয় কিছু।

তবে এ কথাও সত্যি যে, আজকাল ছেলেরাও নাকি টিজিং-বুলিং এসবের শিকার হয়ে থাকেন। তো সে ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, টিজিং অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছালে শুনেছি কেউ আত্মহত্যা করেন, কেউ নেশা করেন, কেউ লেখাপড়া বাদ দিয়ে ঘরে বসে থেকে মানবেতর জীবন যাপন করে থাকেন।
আমি আজকে লিখছি তাদের জন্য, যারা সর্বদাই ‘টিজিং’ নামক নোংরামির সাথে পথ চলতে বাধ্য হচ্ছে। হতাশায় ভুগে জীবনের লক্ষ্য থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে। জীবনের গল্প থেকে নেওয়া এ লেখা শুধুই তাদের জন্য।


তখন আমি মাত্র অনার্স শেষ করে মাস্টার্সের জন্য ফাইনান্স ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছি। কিছুদিন পর জানতে পারলাম ডিপার্টমেন্টে শিক্ষক নিয়োগ হবে। সত্যি বলতে কি, শৈশব-কৈশোরে বড় হয়ে অনেক কিছু হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন আমি দেখিনি। সারা জীবন নিজে পড়ো আর অন্যদের পড়াও, ভাবতেই কেন যেন দম বন্ধ হয়ে আসত। কিন্তু নিয়তি বলে অন্য কথা!
প্রশাসনিক দপ্তরে যথাসময়ে দরখাস্ত জমা দিলাম। প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ার কারণে, সব থেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সবার আগে আমার নাম শুনতে পেলাম। তবে অনেকের কাছে এ কথাও শুনলাম, ওপর মহল থেকে ফোন না এলে নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া যায় না। বাবা-মা-আত্মীয়স্বজন ১৪ গোষ্ঠীর মধ্যে ‘তথাকথিত ওপর মহলে’ কেউই অবস্থান করেন না বিধায় ওপর মহলের চিন্তা বাদ দিয়ে বরাবরের মতোই ওপরওয়ালার ওপর সব ছেড়ে দিলাম। ভাগ্যে লেখা থাকলে হবে, না থাকলে নাই—এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করে নিজের মেধা-যোগ্যতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখলাম।
শিক্ষক নিয়োগের ভাইভার আর কিছু দিন বাকি আছে। হঠাৎ করেই আবিষ্কার করলাম ক্যাম্পাসে যেখানেই যাচ্ছি, ছেলেরা আজেবাজে টিজ করছে। মাথায় ঢুকছে না কেন আমাকে নিয়ে সবাই আজেবাজে কথা বলছে। কাহিনি কী? ঘনিষ্ঠ বান্ধবীদের কাছে জানতে পারলাম আমি যাতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ না পাই, তাই কোনো একটি মহল আমাকে নিয়ে হরেক রকম গল্প বানাচ্ছে এবং তা সচেতনভাবেই ছড়িয়ে দিচ্ছে ক্যাম্পাসের আনাচকানাচে। সেই মহলের ইচ্ছে শক্ত রাজনৈতিক খুঁটির ওপর দাঁড়ানো ১২তমকে নিয়োগ দেওয়ার। কিন্তু তার আগে তো ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টকে হটাতে হবে! আর যেহেতু আমি মেয়ে, কাজেই আমার নামে নোংরা কিছু ছড়িয়ে দিলেই হলো। জনগণ গুজব (রিউমার) শুনতে পছন্দ এবং নিজের মতো করে গল্প বানাতে পছন্দ করে। কাজেই কোনো কিছু যাচাই না করে অনেকেই মুখে যা আসে তা-ই বলা শুরু করল। আমি ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিতে থাকলাম।
সত্যি বলতে কী, সে সময় মানসিকভাবে আমি খুব ভেঙে পড়েছিলাম। হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে মরার চিন্তাও যে মাথায় আসে নাই, বললে মিথ্যা বলা হবে। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় একদিন ভেবে দেখেছি, আমার আত্মহত্যা কি এর সঠিক সমাধান? আমি মরলে এদের কী? কিন্তু আমার বাবা-মা-ভাইবোন যারা আমাকে বড় করেছেন, ওদের কী হবে? ভেবে দেখলাম, জীবনে এই চাকরি করতে হবে এমন তো কোনো কথা নাই। আমার যে যোগ্যতা, তা দিয়ে আমি যেকোনো ভালো প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়তে পারব। আর বড় কথা হলো, আমি যাতে এসব নোংরা টিজিংয়ের জন্য প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাই, এটাই তো কেউ কেউ চাইছে। আমি কেন হেরে গিয়ে ওদের জিতিয়ে দেব? আমার তো কোনো দোষ নেই।
আমি নিজেকে বদলাতে শুরু করলাম। আগের মতো ক্লাস, লাইব্রেরি, অডিটরিয়াম সবখানে যাওয়া শুরু করলাম। নোংরা কথাগুলো এক কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দিতাম। মানুষের ফিসফিসানি, কানাকানি দেখেও না দেখার ভান করতে লাগলাম। ভিতরে ভিতরে পুড়ে গেলেও বাইরে থেকে এত শক্ত থাকতাম যে বদমাশগুলো টিজ করে তেমন মজা পেত না। আমার নিস্পৃহতা ওদের উত্সাহে পানি ঢেলে দিয়েছিল বোধ হয়। আমি মুখোমুখি ওদের কখনোই প্রতিবাদ করিনি। আমার মতে প্রতিবাদ করা মানে ওদের আরও উসকে দেওয়া। আমার নিস্পৃহতা ছিলই আমার প্রতিবাদ।
এত কিছুর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিটা আমি পেয়েছিলাম, আমার ভালো রেজাল্ট, আমার দৃঢ় মনোবল আর সততাই আমাকে জিতিয়ে দিয়েছিল। একদা ক্যাম্পাসের যে নোংরা বাতাসে আমার শ্বাস নিতে বড্ড কষ্ট হতো, শিগগিরই সেই নোংরা বাতাস নির্মল বিশুদ্ধ হতে লাগল। জঘন্য গুজবগুলো হঠাৎই বাতাসে মিলিয়ে গেল।
তাই মেয়েরা তোমাদের বলছি, নোংরা কথা নোংরা লোকেরা বলবেই। আত্মহত্যা কিংবা নিজেকে সবকিছু থেকে গুটিয়ে নেওয়ার মতো ভুল সিদ্ধান্ত এর কোনো সমাধান নয়। কে কী বলে বলুক, তুমি শক্ত হয়ে পথ চলো। মাথা উচু করে হেঁটে যাও। ওদের মিথ্যা কথায় কষ্ট পাচ্ছ? বুঝতে দিও না।

তোমাকে টুকরো টুকরো করে ভাঙাই তো ওদের লক্ষ্য। তুমি যখন নির্বিকার থাকবে, ওরা এমনিতেই দেখবে একদিন উত্সাহ হারিয়ে চুপটি মেরে যাবে। আর তুমি তোমার পড়াশুনায় মন দাও, ভালো ক্যারিয়ারের স্বপ্ন দেখো। অমূল্য এই জীবনটাকে তুমি গড়ে তোলো তোমার মেধা দিয়ে, তোমার কর্মগুণে।
পিছু ফিরে দেখতে পাবে, নোংরা ছেলেগুলো এখনো গলির মুখে, স্কুল-কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ঠিক আগের মতো। তবে আরও নোংরা হয়ে। এবার তারা টিজ করছে তোমার ভাই বা বোনের মেয়েটিকে। কিংবা আরও পরে ফুটফুটে তোমার মেয়েটিকে। ওরা কখনোই বদলাবে না। কিন্তু তুমি তো তোমার জীবনটাকে বদলে দিতে পারো! দরকার শুধু তোমার ইচ্ছাশক্তি আর সাহসিকতার। রাস্তার নোংরা ছেলেগুলো থাক না রাস্তায় পড়ে। তোমার এই অমূল্য জীবন শুধুই তোমার। তুমি ভয় না পেয়ে এগিয়ে যাও, অনেক দূরে—সাফল্যের শিখরে।”

বাংলাদেশের বহু জায়গায় কি বগুড়ার প্রত্যন্ত ধনকুন্ডি গ্রাম;  কি টেকনাফ কিংবা তেতুলিয়ার ঘোরপল্লী সবজায়গায় ইভটিজার। আর এরা হলো একই পাড়ায় বেড়ে ওঠা উঠতি বয়সী টোকাই শ্রেণীর ছেলেরা। ক্রাইম ডায়রির বিশেষ গবেষণায় দেখা গেছে এগুলো বন্ধে প্রয়োজন স্কুল ভিত্তিক নিয়মিত আলোচনা,প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করা,মসজিদে নিয়মিত আলোচনা ও সামাজিক উদ্যোগ। তাহলে বন্ধ হতে পারে ইভটিজিং।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///স্পেশাল/জাতীয়

Total Page Visits: 23306

শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানঃ প্যারাডাইজ হোটেলকে জরিমানা

স্পেশাল ডেস্কঃ

ভেজালের বিরুদ্ধে সারাদেশ এখন সোচ্চার।।।   এরই ধারাবাহিকতায়  শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসকের উদ্যোগে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে।

দূর্নীতি ও ভেজালকে না বলুন বঙ্গকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই মীতিকে সামনে রেখে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোসহীন কাজ করে যাচ্ছে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসন। সম্প্রতি এরই ধারাবাহিকতায় শাহরা‌স্তি উপজেলার মেহের স্টেশ‌নের পশ্চিম পাশে অবস্থিত প্যারাডাইস হো‌টেল এন্ড কফি হাউস কে অপ‌রিষ্কারের কার‌ণে ৫ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয় এবং ভ‌বিষ‌তে হো‌টেল প‌রিষ্কার প‌রিচ্ছন্ন রাখার জন্য নি‌র্দেশ দেওয়া হয়।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা///আদালত

 

Total Page Visits: 23306

ভালুকা দূর্নীতিঃঃ প্রতিবাদী জনতাকে হুমকি

স্পেশাল ডেস্কঃঃ

বড়ই বিচিত্র এ জগত সমাজ।।। মনে হয় সবাই সত্য ও সততার পক্ষে।মৃত্যু ভয়ে সবাই কাতর। পরক্ষণেই দেখা মেলে চরম  অসততায় ভরা সমাজের নরম ও সত্যের পক্ষের মানুষগুলোর উপর চরম নির্যাতন।।।

এ সমাজ ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে রাজনীতির- “ভিলেজ পলিটিক্স”। ফেসবুকের এক কোনে পড়ে থাকা একটি পোষ্ট নাড়া দিল।।।সাড়া দিল এই মন।।।অন্ততঃঃ হক কথাটাতো হোক।। সত্যবাদীরা প্রতিবাদীরা  অন্ততঃঃ হতাশ না হোক।।

ফেসবুকের পোষ্টটি পড়ে বোঝা গেল,সেই আলোচিত   ভালুকার   দূর্নীতি ও জালিয়াতির  ঘটনায় প্রতিবাদীী সাধারন জনতা আজ চরম বিপদের মুখোমুখি।।।     পোস্টটি জনস্বার্থে ও নজরে আনার জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো——                  “ভাই, যে কোন মুহুর্তে এরেষ্ট হইবার পারি। আফসোস নাই। জেল ফাস তো মাইনষের জন্যই। অন্যায় করে যদি কারো শাস্তি না হয়, আর বিচার চাইয়া যদি বিনা কারনে জেলে যাইতে হয় গেলামই। জেলে গেলে ভাই জামিনের ব্যবস্থা টা করুইনযে। সমর দাদারে (বাদী) যদি ফোনে থ্রেড দিবার পারে, আমরা তো ভাই কিছুই না।

এলাকার এক প্রতিবেশী ভাই কিছুক্ষণ আগে ভালুকার আলোচিত ১৭ কোটি টাকার জালিয়াতি এবং দুর্নীতির মামলার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারনে তার উপর মিথ্যা পুলিশি হয়রানির আশংকার কথা জানিয়ে উক্ত কথা গুলো বলল।

সে এও বললো ভালুকার এক জনপ্রতিনিধি মোবাইল ফোনে উক্ত মামলার বাদী সমর আলীকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সেই সাথে বদমাইশ বলে গালিও দিয়েছেন।

আমি অনেকটা বোবার মত কথা গুলো শোনলাম। ঘুমাতে যাওয়ার আগে বিবেকের তাড়নায় কথা গুলো শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না এই কারনে যে, গ্রামের এই অসহায় লোক গুলো একটা অনিয়ম, জালিয়াতি, আর বিশাল দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারনে তাদের উপর কতভাবে প্রেসাইরাইজড করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার ইংগিত দেওয়া হচ্ছে বিষয়টি আমার মুখের কথা না বিশ্বাস না হলে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে শুনে নিয়েন।

আর মামলা নিয়ে আমার নিজ ইউনিট পিবিআই যে ভেলকি দেখাচ্ছে সেটা হয়তো নীরবে হজম করছি। অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করছি। জেনেও না জানার অভিনয় করছি। তবে এটাও ঠিক অপরাধীদের বাচাতে এই ভেলকি যেন আবার বুমেরাং না হয়।

ভাবছিলাম এসব বিষয় নিয়ে চুপ থাকব। কিন্তু অসহায় লোকগুলার করুন আকুতি সত্যিই আমাকে ব্যথিত করে। একটু সুপরামর্শ যে তাদের দিবে এমন লোকটিও তারা খুজে পায়না। আমার নীরবতা তাদের মনে হয়তো শংকা জাগায়, তবে কি আমিও ওদের দলে যারা নীতি আর আদর্শ বিক্রি করে অপরাধীদের পক্ষ অবলম্বন করে!

তাদের কিভাবে বুঝাই, আমার জীবন থাকতে কখনোই এমনটি হবে না।

নীতি আর আদর্শে অটুট থাকেন। দুনিয়ার কোন শক্তিই আপনাকে দমাতে পারবেনা।”

এভাবেই থাকে এগুলো সংবাদপত্রের কিংবা নিউজ মিডিয়ার অন্তরালে।। কেউ এগুলো তুলে ধরতে আগ্রহী নয়। সুবিধাবাদ জিন্দাবাদকেই এরা জীবন চলার নীতি হিসেবে বেছে নিয়েছে।।।

তাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা বিষয়টি ব্যক্তিগত ভাবে দেখবেন এমনটাই আশাবাদ আপামর দেশবাসীর।।

ক্রাইম ডায়রি///অপরাধজগত////জনস্বার্থে/ তথ্যসুত্র- ফেসবুক পোস্ট(গুরুত্বপূর্ন ও নির্ভরযোগ্য)

 

Total Page Visits: 23306

পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলিঃ উভয় পক্ষের আট সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ

চরম উত্তেজনার মধ্যে ভারত পাক সীমান্তের  পাকিস্তান অংশে  (লাইন অব কন্ট্রোল) গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতের পাঁচ ও পাকিস্তানের তিন সেনা সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে   নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানে আইএসপিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গাফুরের বরাত দিয়ে  পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ৭৩তম স্বাধীনতা দিবস। এরই মধ্যে এ হতাহতের খবর এলো।টুইটবার্তায় গাফুর লিখেছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর ইস্যু আড়াল করতে ভারতীয় বাহিনী উসকানিমূলকভাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে আমাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। এতে ভারতের পাঁচ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক। এ ছাড়া একাধিক বাঙ্কার ধ্বংস করে দেয়া হয়েছ।’ এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তে থেমে থেমে গোলাগুলি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের নিহত তিন সেনা সদস্যের পরিচয় প্রকাশ করেছে ডন। তারা হলেন নায়েক তানভির, ল্যান্স নায়েক তৈমুর ও সিপাহি রমজান।
আজ ১৫ আগস্ট ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। অন্যদিকে সম্প্রতি ভারত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ায় এ দিনটিকে ‘কালো দিন’ হিসেবে পালন করছে পাকিস্তান।

এদিকে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পাঁচ সেনা সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ভারতকে আরও উস্কিয়ে দিল পাকিস্তান। তাইতো শত্রু দেশ পাকিস্তানকে থামাতে এবার বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

পাকিস্তানকে সতর্ক করে শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র নিয়ে প্রথম ব্যবহার নীতিতে চলে না ভারত। অর্থাৎ, তারা কখনও আগে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করবে না। তবে, পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে এই নীতিরও পরিবর্তন হতে পারে।’

আজ রাজস্থানের পোখরানে সেনা মহড়া অনুষ্ঠানের শেষ দিনে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘কাকতালীয়ভাবে আজ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। আর পোখরানের সঙ্গে অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর যে অবদান রয়েছে তার সাক্ষী এই পোখরান।’

পোখরানে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর ছবিতে শ্রদ্ধা জানান রাজনাথ। এই পোখরানেই ১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষা করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 23306

আলোকিত বগুড়ার উদ্যোগে সীমাবাড়ি মহিলা কলেজ চত্তরে বৃক্ষরোপন

আলমগীর হোসেন, সীমাবাড়ি সংবাদদাতাঃ

আলোকিত বগুড়া সীমাবাড়ী শাখার আয়োজনে সীমাবাড়ী মহিলা কলেজে বিভিন্ন বনজ ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আলোকিত বগুড়ার পরিচালক এ্যাডভোকেট ফেরদৌসি আক্তার রুনা।

সিমাবাড়ী শাখার সভাপতি- বেটখের উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম আকন্দ,
সম্পাদক- কাজী মুহাঃ আলমগীর হোসাইন।  সীমাবাড়ি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সাবিনা বেগমসহ আলোকিত বগুড়ার সদস্য বীরমুক্তিযোদ্বা আলহাজ ইমরুল কায়েস,
আসাদুল ইসলাম,শামীম কামালসহ আর ও অনেকে।

ক্রাইম ডায়রি// জেলা///শিক্ষাঙ্গন

Total Page Visits: 23306