• শনিবার ( সকাল ৬:২৮ )
    • ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

১৫ হতে ১৭ অক্টোবর সিএনজি-অটোরিক্সা মালিকদের ধর্মঘট আহবান

শাহীন খন্দকারঃ

১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০১৯ইং লাগাতার ৭২ ঘন্টা সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট সফলের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সুুত্রে জানা গেছে, ১০ অক্টোবর ২০১৯ইং বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ৩৭৮, টঙ্গী ডাইভারশন রোড, মগবাজার, রমনা, ঢাকায় ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ এর আহ্বানে ঢাকার প্রত্যেক থানার সিএনজি অটোরিক্সা মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক আলহাজ মো. বরকত উল্লাহ ভুলু। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিক্সা মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন দুলাল। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা এটিএম নাজমুল হাসান, আব্দুল মোতালেব, আব্দুল করিম, হাজী মোশাররফ হোসেন, মো. সিদ্দিকুর রহমান, আঃ জাব্বার, মুহঃ শাহ আলম, মামুনুর রশীদ, সোহেল রানা সহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ।

সভায় ঢাকা মহানগরীতে অবৈধ  সিএনজি অটোরিক্সা, মটর সাইকেল চলাচল ও পুলিশী হয়রানি বন্ধসহ মালিক-শ্রমিকের ৯ দফা দাবি আদায়ে আগামী আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ অক্টোবর ২০১৯ইং মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার লাগাতার ৭২ ঘন্টা সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট সফল করার লক্ষ্যে আগামী ১৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মালিক-শ্রমিক মতবিনিময় সভায় সকল মালিক-শ্রমিকদের অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান।

ক্রাইম ডায়রি//রাজধানী
Total Page Visits: 16655

আশংকায় কাঁপে বুকঃ কি ঘটতে যাচ্ছে দুদক পরিচালক বানসুরি এম ইউসুফের জীবনে

মিয়া মোহাম্মদ হেলাল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চট্রগ্রামের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের কথা মনে আছে ? পুলিশের নেতিবাচক ভূমিকার মাঝে যে কয়জন অফিসারকে দেখে মানুষ আশার আলো দেখতো বাবুল আক্তার ছিলেন অন্যতম। সারা দেশের মানুষের কাছে ছিলেন একজন জনপ্রিয় পুলিশ অফিসার। যার একের পর এক অপারেশনে ধরা পড়েছিল, চোরাকারবারী, সন্ত্রাসী, জঙ্গি গোষ্ঠী। যার নাম শুনলেই অপরাধীদের বুকে কাঁপন উঠে যেত। ভয়ে তটস্থ হয়ে কোণঠাসা ছিল চট্রগ্রাম অঞ্চলের অপরাধী গুলো। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ছিল সুখের সংসার। সব কিছু যতারীতি চলছিল। হটাৎ জীবনের মোড় ঘুরে আলোময় জীবনে চলে আসে গাড় নিমেশ কালো অন্ধকার।

২০১৬ সালের ৫ ই জুন। স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ের দিকে যাওয়ার পর মোটরসাইকেল করে আসা তিন দুর্বৃত্ত মাহমুদা খানম মিতুকে প্রথমে ছুরিকাঘাত ও পরে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। ঘটনার সময় বাবুল আক্তার মহানগর পুলিশ থেকে এসপি পদে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার পর শুরু হলো নতুন চক্রান্ত। হত্যাকাণ্ডের কুশীলবরা জজ মিয়া নাটকের মত একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট তৈরী করলো। যে নাটকের মিডিয়া পার্টনার ছিল পাকিদের মদদপুষ্ট বাংপাকি  কর্তৃক উলফার টাকায় প্রতিষ্ঠিত একশ্রেণির হলুদমিডিয়া  ও তার সহযোগীরা।

নাটকে মৃত মাহমুদা খানম মিতু’র চরিত্র কলঙ্কিত করে অপবাদ দেওয়া হলে একজন ব্যবসায়ীর সাথে পরকীয়ার। একই ভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পুলিশ অফিসারের বউয়ের সাথে পরকীয়ার অপবাদ দেওয়া হলো বাবুল আক্তারের উপর। হলুদ মিডিয়াগুলো বাবুল আক্তার ও মিতু’র পরকীয়া নিয়ে ধারাবাহিক রমরমা প্রচারণা চালিয়ে যেতে লাগলো। ২৪ শে জুন দিবাগত রাতে পুলিশ বাবুল আক্তারকে স্ত্রী মিতু হত্যা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। সেখানে ১৫ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এরপর তিনি পদত্যাগে করেন। এরপর পর ৬ ই সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফের (বানসুরি এম ইউসুফ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালে সেখানকার অনিয়ম রোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক হওয়ার পর একের পর এক সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে রাগব বোয়ালদের তটস্থ করে তুলেন। দেশের সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠেন রিয়েল হিরো। মানসিক ভাবে অসুস্থ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভালোভাবেই চলছিল ইউসুফ ভাইয়ের জীবন।

বাবুল আক্তারের মত হটাৎ করে ছন্দ পতন ঘটে ইউসুফ ভাইয়ের জীবনে। গত বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় বাসায় সবার অগোচরে রুমের দরজা বন্ধ করে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন তাহার স্ত্রী তানিয়া ইশরাত। আগুনে দগ্ধ তানিয়াকে তৎক্ষণাৎ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হলে বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যু হয়। শুরু হয় যায় মিডিয়ার রংচং মাখা সংবাদ পরিবেশন। চুন খেয়ে মুখ পুড়লে দই দেখলেও ভয় হয়। বানসুরি এম ইউসুফ ভাইয়ের স্ত্রীর ঘটনার পর বাবুল আক্তারের সেদিনের সেই ঘটনা গুলো আবার মনে পড়লো। ইউসুফ ভাইকে কি বাবুল আক্তারের মত আরেকটা নাটকের মুখোমুখি হতে হবে ? সেই অজানা আশংকায় বুকটা কেঁপে উঠলো।

(লেখক, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী-মুক্তচিন্তার মূর্তপ্রতীক,দেশপ্রেমিক, আওয়ামী অনলাইন এক্টিভিস্ট, বঙ্গবন্ধু ও শেখহাসিনার  সূর্য সৈনিক।।।)

Total Page Visits: 16655

প্রসঙ্গ ইভটিজিংঃ আত্মহত্যা,বাস্তবতা ও করণীয়

স্পেশাল ডেস্কঃঃ

ইভটিজিং এক মহাপ্রলয়ংকারী আতংক। উঠতি বয়সী মেয়েরা এমন এক অবস্থার মুখোমুখি হয়  যেখানে সে কিছুই বলতে পারেনা।নিরবে সে বাধ্য হয় অথবা আত্নহত্যাও করে বসে। বাংলাদেশে গত আড়াই বছরে ‘ইভ টিজিং’ বা প্রেমের নামে ছেলেদের হাতে উত্যক্ত বা হয়রানির শিকার হয়ে প্রায় ৪০ জন মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে বলছে একটি গবেষণা রিপোর্ট।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের করা ওই গবেষণায় বলা হয়, উত্যক্তকারীদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার কোন উপায় না দেখেই সাধারণত ওই মেয়েরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।প্রকাশিত রিপোর্টটিতে বলা হয়, ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭৫৪টি ইভটিজিং-এর ঘটনার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু এসব ঘটনার বিচারের হার খুবই নগণ্য। নারী নির্যাতনের খবর বাংলাদেশে নতুন নয়, কিন্তু ইভ টিজিং-এর শিকার হয়ে ৪০ জনের আত্মহত্যার ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জনস্বার্থে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন হুবহু তুলে ধরা হলোঃ—–

“বাংলাদেশে এমন নারী খুঁজে পাওয়া দুস্কর যে কখনো কোনো দিন ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়নি! সে বোরকার নিচেই থাকুক আর তথাকথিত আধুনিকাই হোক না কেন। ফেস-টু-ফেস কিংবা ভার্চুয়াল, নারী পরিচিত-অপরিচিতদের কাছ থেকে কখনো নোংরা কথা কিংবা কখনো ‘হাই সুন্দরী’, এই জাতীয় প্রশংসাসূচক কথার মাধ্যমেও টিজিংয়ের শিকার হয়ে থাকে। যে বলে, ‘কই আমার মা-বোনেরা তো কোনো দিন টিজিংয়ের শিকার হয়নি!’ কিছু না জেনেই আবার যে বলে, ‘টিজিং করছে, নিশ্চয় মেয়েটার দোষ ছিল। এক হাতে তো বাপু তালি বাজে না। আরও তো মেয়ে আছে, তাদের তো কেউ টিজ করে না।’ আমি তাদের বলব, ‘আপনি সত্য থেকে বহু দূরে! টিজিংয়ের জন্য সুন্দরী-অসুন্দরী, হিজাব-নেকাব কোনটাই কাজে আসে না। ওই যে ‘নিনজা’ যায় কিংবা ‘বোরকাওয়ালি’ আইছে—এটাও তো টিজিং বা বুলিংয়ের পর্যায়েই পড়ে। আর তালি আজকাল এক হাতেও বাজে বটে, দরকার শুধু একটা ড্রাম বা ঢোল জাতীয় কিছু।

তবে এ কথাও সত্যি যে, আজকাল ছেলেরাও নাকি টিজিং-বুলিং এসবের শিকার হয়ে থাকেন। তো সে ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, টিজিং অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছালে শুনেছি কেউ আত্মহত্যা করেন, কেউ নেশা করেন, কেউ লেখাপড়া বাদ দিয়ে ঘরে বসে থেকে মানবেতর জীবন যাপন করে থাকেন।
আমি আজকে লিখছি তাদের জন্য, যারা সর্বদাই ‘টিজিং’ নামক নোংরামির সাথে পথ চলতে বাধ্য হচ্ছে। হতাশায় ভুগে জীবনের লক্ষ্য থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে। জীবনের গল্প থেকে নেওয়া এ লেখা শুধুই তাদের জন্য।


তখন আমি মাত্র অনার্স শেষ করে মাস্টার্সের জন্য ফাইনান্স ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছি। কিছুদিন পর জানতে পারলাম ডিপার্টমেন্টে শিক্ষক নিয়োগ হবে। সত্যি বলতে কি, শৈশব-কৈশোরে বড় হয়ে অনেক কিছু হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন আমি দেখিনি। সারা জীবন নিজে পড়ো আর অন্যদের পড়াও, ভাবতেই কেন যেন দম বন্ধ হয়ে আসত। কিন্তু নিয়তি বলে অন্য কথা!
প্রশাসনিক দপ্তরে যথাসময়ে দরখাস্ত জমা দিলাম। প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ার কারণে, সব থেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সবার আগে আমার নাম শুনতে পেলাম। তবে অনেকের কাছে এ কথাও শুনলাম, ওপর মহল থেকে ফোন না এলে নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া যায় না। বাবা-মা-আত্মীয়স্বজন ১৪ গোষ্ঠীর মধ্যে ‘তথাকথিত ওপর মহলে’ কেউই অবস্থান করেন না বিধায় ওপর মহলের চিন্তা বাদ দিয়ে বরাবরের মতোই ওপরওয়ালার ওপর সব ছেড়ে দিলাম। ভাগ্যে লেখা থাকলে হবে, না থাকলে নাই—এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করে নিজের মেধা-যোগ্যতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখলাম।
শিক্ষক নিয়োগের ভাইভার আর কিছু দিন বাকি আছে। হঠাৎ করেই আবিষ্কার করলাম ক্যাম্পাসে যেখানেই যাচ্ছি, ছেলেরা আজেবাজে টিজ করছে। মাথায় ঢুকছে না কেন আমাকে নিয়ে সবাই আজেবাজে কথা বলছে। কাহিনি কী? ঘনিষ্ঠ বান্ধবীদের কাছে জানতে পারলাম আমি যাতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ না পাই, তাই কোনো একটি মহল আমাকে নিয়ে হরেক রকম গল্প বানাচ্ছে এবং তা সচেতনভাবেই ছড়িয়ে দিচ্ছে ক্যাম্পাসের আনাচকানাচে। সেই মহলের ইচ্ছে শক্ত রাজনৈতিক খুঁটির ওপর দাঁড়ানো ১২তমকে নিয়োগ দেওয়ার। কিন্তু তার আগে তো ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টকে হটাতে হবে! আর যেহেতু আমি মেয়ে, কাজেই আমার নামে নোংরা কিছু ছড়িয়ে দিলেই হলো। জনগণ গুজব (রিউমার) শুনতে পছন্দ এবং নিজের মতো করে গল্প বানাতে পছন্দ করে। কাজেই কোনো কিছু যাচাই না করে অনেকেই মুখে যা আসে তা-ই বলা শুরু করল। আমি ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিতে থাকলাম।
সত্যি বলতে কী, সে সময় মানসিকভাবে আমি খুব ভেঙে পড়েছিলাম। হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে মরার চিন্তাও যে মাথায় আসে নাই, বললে মিথ্যা বলা হবে। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় একদিন ভেবে দেখেছি, আমার আত্মহত্যা কি এর সঠিক সমাধান? আমি মরলে এদের কী? কিন্তু আমার বাবা-মা-ভাইবোন যারা আমাকে বড় করেছেন, ওদের কী হবে? ভেবে দেখলাম, জীবনে এই চাকরি করতে হবে এমন তো কোনো কথা নাই। আমার যে যোগ্যতা, তা দিয়ে আমি যেকোনো ভালো প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়তে পারব। আর বড় কথা হলো, আমি যাতে এসব নোংরা টিজিংয়ের জন্য প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাই, এটাই তো কেউ কেউ চাইছে। আমি কেন হেরে গিয়ে ওদের জিতিয়ে দেব? আমার তো কোনো দোষ নেই।
আমি নিজেকে বদলাতে শুরু করলাম। আগের মতো ক্লাস, লাইব্রেরি, অডিটরিয়াম সবখানে যাওয়া শুরু করলাম। নোংরা কথাগুলো এক কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দিতাম। মানুষের ফিসফিসানি, কানাকানি দেখেও না দেখার ভান করতে লাগলাম। ভিতরে ভিতরে পুড়ে গেলেও বাইরে থেকে এত শক্ত থাকতাম যে বদমাশগুলো টিজ করে তেমন মজা পেত না। আমার নিস্পৃহতা ওদের উত্সাহে পানি ঢেলে দিয়েছিল বোধ হয়। আমি মুখোমুখি ওদের কখনোই প্রতিবাদ করিনি। আমার মতে প্রতিবাদ করা মানে ওদের আরও উসকে দেওয়া। আমার নিস্পৃহতা ছিলই আমার প্রতিবাদ।
এত কিছুর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিটা আমি পেয়েছিলাম, আমার ভালো রেজাল্ট, আমার দৃঢ় মনোবল আর সততাই আমাকে জিতিয়ে দিয়েছিল। একদা ক্যাম্পাসের যে নোংরা বাতাসে আমার শ্বাস নিতে বড্ড কষ্ট হতো, শিগগিরই সেই নোংরা বাতাস নির্মল বিশুদ্ধ হতে লাগল। জঘন্য গুজবগুলো হঠাৎই বাতাসে মিলিয়ে গেল।
তাই মেয়েরা তোমাদের বলছি, নোংরা কথা নোংরা লোকেরা বলবেই। আত্মহত্যা কিংবা নিজেকে সবকিছু থেকে গুটিয়ে নেওয়ার মতো ভুল সিদ্ধান্ত এর কোনো সমাধান নয়। কে কী বলে বলুক, তুমি শক্ত হয়ে পথ চলো। মাথা উচু করে হেঁটে যাও। ওদের মিথ্যা কথায় কষ্ট পাচ্ছ? বুঝতে দিও না।

তোমাকে টুকরো টুকরো করে ভাঙাই তো ওদের লক্ষ্য। তুমি যখন নির্বিকার থাকবে, ওরা এমনিতেই দেখবে একদিন উত্সাহ হারিয়ে চুপটি মেরে যাবে। আর তুমি তোমার পড়াশুনায় মন দাও, ভালো ক্যারিয়ারের স্বপ্ন দেখো। অমূল্য এই জীবনটাকে তুমি গড়ে তোলো তোমার মেধা দিয়ে, তোমার কর্মগুণে।
পিছু ফিরে দেখতে পাবে, নোংরা ছেলেগুলো এখনো গলির মুখে, স্কুল-কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ঠিক আগের মতো। তবে আরও নোংরা হয়ে। এবার তারা টিজ করছে তোমার ভাই বা বোনের মেয়েটিকে। কিংবা আরও পরে ফুটফুটে তোমার মেয়েটিকে। ওরা কখনোই বদলাবে না। কিন্তু তুমি তো তোমার জীবনটাকে বদলে দিতে পারো! দরকার শুধু তোমার ইচ্ছাশক্তি আর সাহসিকতার। রাস্তার নোংরা ছেলেগুলো থাক না রাস্তায় পড়ে। তোমার এই অমূল্য জীবন শুধুই তোমার। তুমি ভয় না পেয়ে এগিয়ে যাও, অনেক দূরে—সাফল্যের শিখরে।”

বাংলাদেশের বহু জায়গায় কি বগুড়ার প্রত্যন্ত ধনকুন্ডি গ্রাম;  কি টেকনাফ কিংবা তেতুলিয়ার ঘোরপল্লী সবজায়গায় ইভটিজার। আর এরা হলো একই পাড়ায় বেড়ে ওঠা উঠতি বয়সী টোকাই শ্রেণীর ছেলেরা। ক্রাইম ডায়রির বিশেষ গবেষণায় দেখা গেছে এগুলো বন্ধে প্রয়োজন স্কুল ভিত্তিক নিয়মিত আলোচনা,প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করা,মসজিদে নিয়মিত আলোচনা ও সামাজিক উদ্যোগ। তাহলে বন্ধ হতে পারে ইভটিজিং।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///স্পেশাল/জাতীয়

Total Page Visits: 16655

শাহরাস্তিতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানঃ প্যারাডাইজ হোটেলকে জরিমানা

স্পেশাল ডেস্কঃ

ভেজালের বিরুদ্ধে সারাদেশ এখন সোচ্চার।।।   এরই ধারাবাহিকতায়  শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসকের উদ্যোগে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে।

দূর্নীতি ও ভেজালকে না বলুন বঙ্গকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই মীতিকে সামনে রেখে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোসহীন কাজ করে যাচ্ছে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসন। সম্প্রতি এরই ধারাবাহিকতায় শাহরা‌স্তি উপজেলার মেহের স্টেশ‌নের পশ্চিম পাশে অবস্থিত প্যারাডাইস হো‌টেল এন্ড কফি হাউস কে অপ‌রিষ্কারের কার‌ণে ৫ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয় এবং ভ‌বিষ‌তে হো‌টেল প‌রিষ্কার প‌রিচ্ছন্ন রাখার জন্য নি‌র্দেশ দেওয়া হয়।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা///আদালত

 

Total Page Visits: 16655

ভালুকা দূর্নীতিঃঃ প্রতিবাদী জনতাকে হুমকি

স্পেশাল ডেস্কঃঃ

বড়ই বিচিত্র এ জগত সমাজ।।। মনে হয় সবাই সত্য ও সততার পক্ষে।মৃত্যু ভয়ে সবাই কাতর। পরক্ষণেই দেখা মেলে চরম  অসততায় ভরা সমাজের নরম ও সত্যের পক্ষের মানুষগুলোর উপর চরম নির্যাতন।।।

এ সমাজ ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে রাজনীতির- “ভিলেজ পলিটিক্স”। ফেসবুকের এক কোনে পড়ে থাকা একটি পোষ্ট নাড়া দিল।।।সাড়া দিল এই মন।।।অন্ততঃঃ হক কথাটাতো হোক।। সত্যবাদীরা প্রতিবাদীরা  অন্ততঃঃ হতাশ না হোক।।

ফেসবুকের পোষ্টটি পড়ে বোঝা গেল,সেই আলোচিত   ভালুকার   দূর্নীতি ও জালিয়াতির  ঘটনায় প্রতিবাদীী সাধারন জনতা আজ চরম বিপদের মুখোমুখি।।।     পোস্টটি জনস্বার্থে ও নজরে আনার জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো——                  “ভাই, যে কোন মুহুর্তে এরেষ্ট হইবার পারি। আফসোস নাই। জেল ফাস তো মাইনষের জন্যই। অন্যায় করে যদি কারো শাস্তি না হয়, আর বিচার চাইয়া যদি বিনা কারনে জেলে যাইতে হয় গেলামই। জেলে গেলে ভাই জামিনের ব্যবস্থা টা করুইনযে। সমর দাদারে (বাদী) যদি ফোনে থ্রেড দিবার পারে, আমরা তো ভাই কিছুই না।

এলাকার এক প্রতিবেশী ভাই কিছুক্ষণ আগে ভালুকার আলোচিত ১৭ কোটি টাকার জালিয়াতি এবং দুর্নীতির মামলার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারনে তার উপর মিথ্যা পুলিশি হয়রানির আশংকার কথা জানিয়ে উক্ত কথা গুলো বলল।

সে এও বললো ভালুকার এক জনপ্রতিনিধি মোবাইল ফোনে উক্ত মামলার বাদী সমর আলীকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সেই সাথে বদমাইশ বলে গালিও দিয়েছেন।

আমি অনেকটা বোবার মত কথা গুলো শোনলাম। ঘুমাতে যাওয়ার আগে বিবেকের তাড়নায় কথা গুলো শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না এই কারনে যে, গ্রামের এই অসহায় লোক গুলো একটা অনিয়ম, জালিয়াতি, আর বিশাল দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারনে তাদের উপর কতভাবে প্রেসাইরাইজড করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার ইংগিত দেওয়া হচ্ছে বিষয়টি আমার মুখের কথা না বিশ্বাস না হলে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে শুনে নিয়েন।

আর মামলা নিয়ে আমার নিজ ইউনিট পিবিআই যে ভেলকি দেখাচ্ছে সেটা হয়তো নীরবে হজম করছি। অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করছি। জেনেও না জানার অভিনয় করছি। তবে এটাও ঠিক অপরাধীদের বাচাতে এই ভেলকি যেন আবার বুমেরাং না হয়।

ভাবছিলাম এসব বিষয় নিয়ে চুপ থাকব। কিন্তু অসহায় লোকগুলার করুন আকুতি সত্যিই আমাকে ব্যথিত করে। একটু সুপরামর্শ যে তাদের দিবে এমন লোকটিও তারা খুজে পায়না। আমার নীরবতা তাদের মনে হয়তো শংকা জাগায়, তবে কি আমিও ওদের দলে যারা নীতি আর আদর্শ বিক্রি করে অপরাধীদের পক্ষ অবলম্বন করে!

তাদের কিভাবে বুঝাই, আমার জীবন থাকতে কখনোই এমনটি হবে না।

নীতি আর আদর্শে অটুট থাকেন। দুনিয়ার কোন শক্তিই আপনাকে দমাতে পারবেনা।”

এভাবেই থাকে এগুলো সংবাদপত্রের কিংবা নিউজ মিডিয়ার অন্তরালে।। কেউ এগুলো তুলে ধরতে আগ্রহী নয়। সুবিধাবাদ জিন্দাবাদকেই এরা জীবন চলার নীতি হিসেবে বেছে নিয়েছে।।।

তাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা বিষয়টি ব্যক্তিগত ভাবে দেখবেন এমনটাই আশাবাদ আপামর দেশবাসীর।।

ক্রাইম ডায়রি///অপরাধজগত////জনস্বার্থে/ তথ্যসুত্র- ফেসবুক পোস্ট(গুরুত্বপূর্ন ও নির্ভরযোগ্য)

 

Total Page Visits: 16655

পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলিঃ উভয় পক্ষের আট সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ

চরম উত্তেজনার মধ্যে ভারত পাক সীমান্তের  পাকিস্তান অংশে  (লাইন অব কন্ট্রোল) গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতের পাঁচ ও পাকিস্তানের তিন সেনা সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে   নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানে আইএসপিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গাফুরের বরাত দিয়ে  পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ৭৩তম স্বাধীনতা দিবস। এরই মধ্যে এ হতাহতের খবর এলো।টুইটবার্তায় গাফুর লিখেছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর ইস্যু আড়াল করতে ভারতীয় বাহিনী উসকানিমূলকভাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে আমাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। এতে ভারতের পাঁচ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক। এ ছাড়া একাধিক বাঙ্কার ধ্বংস করে দেয়া হয়েছ।’ এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তে থেমে থেমে গোলাগুলি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের নিহত তিন সেনা সদস্যের পরিচয় প্রকাশ করেছে ডন। তারা হলেন নায়েক তানভির, ল্যান্স নায়েক তৈমুর ও সিপাহি রমজান।
আজ ১৫ আগস্ট ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। অন্যদিকে সম্প্রতি ভারত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ায় এ দিনটিকে ‘কালো দিন’ হিসেবে পালন করছে পাকিস্তান।

এদিকে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পাঁচ সেনা সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ভারতকে আরও উস্কিয়ে দিল পাকিস্তান। তাইতো শত্রু দেশ পাকিস্তানকে থামাতে এবার বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

পাকিস্তানকে সতর্ক করে শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র নিয়ে প্রথম ব্যবহার নীতিতে চলে না ভারত। অর্থাৎ, তারা কখনও আগে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করবে না। তবে, পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে এই নীতিরও পরিবর্তন হতে পারে।’

আজ রাজস্থানের পোখরানে সেনা মহড়া অনুষ্ঠানের শেষ দিনে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘কাকতালীয়ভাবে আজ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। আর পোখরানের সঙ্গে অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর যে অবদান রয়েছে তার সাক্ষী এই পোখরান।’

পোখরানে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর ছবিতে শ্রদ্ধা জানান রাজনাথ। এই পোখরানেই ১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষা করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 16655

আলোকিত বগুড়ার উদ্যোগে সীমাবাড়ি মহিলা কলেজ চত্তরে বৃক্ষরোপন

আলমগীর হোসেন, সীমাবাড়ি সংবাদদাতাঃ

আলোকিত বগুড়া সীমাবাড়ী শাখার আয়োজনে সীমাবাড়ী মহিলা কলেজে বিভিন্ন বনজ ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আলোকিত বগুড়ার পরিচালক এ্যাডভোকেট ফেরদৌসি আক্তার রুনা।

সিমাবাড়ী শাখার সভাপতি- বেটখের উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম আকন্দ,
সম্পাদক- কাজী মুহাঃ আলমগীর হোসাইন।  সীমাবাড়ি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সাবিনা বেগমসহ আলোকিত বগুড়ার সদস্য বীরমুক্তিযোদ্বা আলহাজ ইমরুল কায়েস,
আসাদুল ইসলাম,শামীম কামালসহ আর ও অনেকে।

ক্রাইম ডায়রি// জেলা///শিক্ষাঙ্গন

Total Page Visits: 16655

জ্বর হলেই সাবধানঃ ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির মধ্যেই মৃত্যু নিরাপত্তা কর্মীর

নড়াইল সংবাদদাতাঃঃ

জ্বর হলেও অনেকে তেড়ামি করেন।সঠিকভাবে ঔষধ খেতে চাননা। আবার অসেচতন থেকে মশা নিধনেও কোন উদ্যোগ নেননা। তাদের জন্য দুঃসংবাদ।৷ সম্প্রতি  রাজধানীতে ‘ডেঙ্গু’ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পথে নড়াইলের এক নিরাপত্তা কর্মী হানিফ পরিবহনের বাসে মারা গেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাসটি ঢাকা থেকে নড়াইল আসে। মারা যাওয়া ইকরাম হোসেন (৪৫) সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

ইকরামের চাচাতো ভাই কবির হোসেন বলেন, ‘ইকরাম ঢাকায় একটি সিকিউরিটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। ডেঙ্গু রোগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি বাড়ি চলে আসছিলেন।’

হানিফ পরিবহনের রূপগঞ্জের ম্যানেজার আকবর মন্ডল জানান, বুধবার রাতে ঢাকার আব্দুল্লাহপুর থেকে তাদের বাসে ওঠেন ইকরাম। পথে নড়াইলের লোহাগড়ায় মধুমতী নদীর কালনা ফেরিঘাটে এসে বাসের যাত্রীরা নিচে নামলেও ইকরাম নামেননি। এ সময় গাড়ির লোকজন বুঝতে পারেন যে তিনি মারা গেছেন। পরে বাস সদর থানায় নেয়া হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সুতরাং, সময় থাকতেই সাধু সাবধান।  বাড়ির ভিতর জমে থাকাা পানি শুকিয়ে ফেলুন। ড্রেন পরিস্কার  করতে সচেষ্ট হোন ।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা///

 

Total Page Visits: 16655

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রঃঃ প্রসঙ্গ প্রিয়া সাহা ও তার নীচতা

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিময় একটি জায়গা।পুরো পৃথিবীর দিকে নজর দেন,দেখবেন আপনি অন্ততঃ পরিবার নিয়ে বেঁচে আছেন।  পাশ্ববর্তী দেশগুলোর দিকে তাকালে বাংলাদেশীরা কতটুকু সম্প্রীতি বজায় রেখে চলে তা সুস্পষ্ট। এদেশের সকল সরকারই সব সময়    সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানিয়ে এসেছে। দীর্ঘ মেয়াদে আওয়ামীলীগ সরকারের সময় কোন ধর্মীয় গোষ্ঠীর উপর ন্যুনতম অসুবিধা হয়েছে এমন রেকর্ড নেই । এরপরও কিছু কুলাঙ্গার অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে । আর সেটা মুসলিম কমিউনিটিতে   মহাসুখে বাস করা হিন্দুদের পক্ষ হতেই হওয়ায় যারপরনাই বিস্মিত হওয়ার মত ঘটনা বৈকি!

কয়েকদিন হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিকট নালিশ নিয়ে এক হিন্দু মহিলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।  যেখানে তিনি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানো কিংবা বিদেশী শক্তিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে উস্কে দেবার স্পষ্ট ষড়যন্ত্র করছেন। এ প্রসঙ্গে   জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর ড.জেবুন্নসা তার ফেসবুক পেইজে খোলা চিঠি দিয়েছেন যা পড়লে ঘটনা আঁচ করা যায়। পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলোঃ—-                 ” প্রসঙ্গ প্রিয়া সাহা ও তার নীচতা”

ঘটনা -১
গত ১১.৭.১৯ ইং তারিখে নারায়ণগঞ্জ থেকে ২.৩০ মিনিটে বের হয়েছিলাম তাড়াতাড়ি মোঃপুরে আসিরের ৪.৩০ মিনিটের কোচিং ধরব বলে, যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভার পেরুনোর পরেই দেখলাম শত শত গাড়ির জ্যাম।গাড়ি ঘুরিয়ে দোয়েল চত্বরের দিকে যেতে দেখি পুলিশ গাড়ি আটকে রেখেছে,আর ও এক ঘন্টা আগে থেকে।ঘটনা কি জানতে চাইলে এক পুলিশ ট্রাফিক জানালেন,রথযাত্রা আসছে ঢাকেশ্বরী থেকে এজন্য চারিদিকে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়েছে রথযাত্রা যেন সুন্দরভাবে পালন করতে পারে।দীর্ঘ এক ঘন্টা পেরিয়ে কোচিং এ গেলাম ৬.০০ টায়।
স্মৃতি-১
নারায়ণগঞ্জে আমার বাড়ি।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা।বিভিন্ন পূজা পার্বনে নারায়ণগঞ্জ হয় আনন্দের নগর।দশমীর দিন সারা রাস্তা বন্ধ থাকে এবং নারায়ণগঞ্জবাসি হাসিমুখে সেই আনন্দ উদযাপন করে।
স্মৃতি-২
তখন আমি রোকেয়া হলে থাকি।রুমমেট একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী।সে তার বাড়িতে সেবার পূজাতে যেতে পারিনি।আমি তাকে নারায়ণগঞ্জ নিয়ে যাই এবং আমাদের বাড়িতে রেখে বিভিন্ন পূজা মতো মন্ডপে ঘুরাই।
পর্যবেক্ষণঃ—-
আব্বুর কবিতায় শিখেছি
“বাংলাদেশের হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রীষ্টান
মোরা সমানে সমান
খুজি বাংলার মান”।
এহেন পরিস্থিতিতে,পূজা পার্বনে বাংলাদেশ এক অনন্য উদাহরণ হয়ে আছে।
লক্ষ লক্ষ মুসলিম নির্যাতিত হচ্ছে সারা পৃথিবীতে, কই দেখতে পেলামনা,ট্রাম্পের কাছে গিয়ে মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে কেউ কিছু বলেছে।
গত কয়েকদিন পূর্বে ইউটিউবে দেখলাম,ভারতের কোন এক রাজ্যে মুসলিম এক নারীকে কয়েকজন হিন্দু ছেলে সম্ভ্রমহানি করতে চায়,তখন তার ভাই প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে রক্তাক্ত করা হয়।কই দেখলাম না তো ট্রাম্পের কাছে কেউ বিচার দিয়েছে?
আমার এই বাংলাদেশকে প্রিয়া সাহা যেভাবে তুলে ধরল,সে আসলে কি চায়?
সে কি চায় আমেরিকায় নাগরিকত্ব?
সে কি চায় বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে হানাহানি?
সে কি বাংলাদেশের শত্রু?
সে কি জানেনা, বাংলাদেশের মানুষ,ধর্ম যার যার,উৎসব সবার”এই শ্লোগান প্রচারিত হয়?
এই প্রিয়া সাহা,নিশ্চিত বাংলাদেশি নয়,তার শেকড়ের সন্ধান করা হউক।তার এক পা,বাংলাদেশের আর এক পা কোথায়?
সে খায় কোথায়,আর থুথু ফেলে কোথায়?
সে নিজেকে অনগ্রসর প্রমান করে কি বুঝাতে চাইল?
প্রিয়া সাহা,
আমি জানতে চাই,আপনার পূর্ব পুরুষ কি এই বাংলাদেশের। যদি তাই হয়ে থাকে,তাহলে কিভাবে আমার বাংলাদেশের কথা আপনি বিদেশে গিয়ে বললেন?
এই বাংলাদেশের নির্মল বায়ু আর জল যদি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসে থেকে থাকে,তাহলে আপনি কি করে আমার বাংলাদেশের বদনাম করে আসলেন?
আপনি জানেননা,লক্ষ লক্ষ মুসলিম শরনার্থী আজ বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়ে আসছে,তা কি কোন মুসলিমের অত্যাচারে?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে যখম বটমলেস বাস্কেটের বদনাম থেকে উপরে উঠাচ্ছেন,তখন এই নীচতা কি করে আপনি করলেন?
যদি রাষ্ট্রীয় আইনে এমন কোন ধারা থাকে,যে দেশের বিরুদ্ধে কোন বদনাম করলে তাকে আইনের আওতায় আনা যাবে,তাহলে এই প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে,তার পিছনে কারা আছে চিহ্নিত করা হউক।তার পূর্ব পুরুষেরা কি এই বাংলাদেশের কিনা,সেটি বের করা হউক।
বাংলাদেশ তেরোশত নদীর দেশ,ভালবাসার দেশ।বাংলাদেশ শহীদের দেশ।এই দেশে প্রিয়া সাহা এখন এক বিষফোঁড়া। যার বিষ তেতো ওষুধে নির্মুল করা প্রয়োজন।
আমি এখনো বিশ্বাস করি
আমার দেশ সম্প্রীতির দেশ।
এই বাংলাদেশের কবি মুঃ, জালাল উদ্দিন নলুয়া লিখেছেন,
একাত্তরে গর্জে অস্ত্র সাহসী বাঙ্গালির
জাগে হিন্দু -বৌদ্ধ- মুসলিম- খ্রিষ্টান বীর
পতাকায় রক্ত মিশে অগণিত সাহসির
বাংলাদেশে রবেনা ঠাই কোন সন্ত্রাসীর
হবেই হবে জয় প্রগতির।
প্রিয়া সাহা,এখনো সময় আছে,আপনার নীচতার জন্য আপনি ক্ষমা চান।নইলে ইতিহাস একদিন আপনার মুখে ছাই দিবে।
প্রিয়া সাহা আমার ভাবতে ঘৃনাবোধ হচ্ছে,আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন।ছি,লজ্জা করলনা,বাংলাদেশের সার্টিফিকেট বিক্রি করে খাচ্ছেন আর বাংলাদেশকে ছোট করলেন,ছি প্রিয়া সাহা,আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলংক,বিষফোঁড়া।আমার ভাবতে অবাক লাগছে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ছাত্রী হয়ে ও এমন নীচতা করেছেন। ছি প্রিয়া সাহা।ছি।
(পুনশ্চঃ প্রিয়া সাহার ছবি আমার টাইমলাইনে থাকলে আমার বাংলাদেশকে ছোট করা হবে,তাই তার ছবি সংযুক্ত না করে,তার নীচতার ব্যাখ্যা করলাম।)”

প্রসঙ্গতঃ প্রিয়া সাহা যেই হোক না কেন; বর্তমান সরকারের অবস্থান নষ্ট করাসহ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নস্ট করার ষড়যন্ত্রের জন্য দেশীয় আইনে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিচার হওয়া জরুরী বলে মনে করেন আপামর দেশবাসী ।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়

 

 

Total Page Visits: 16655

বাদী কে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

মোঃ শাহাদত হোসেন ভ্রাম্যমান রির্পোটারঃ

বগুড়া জেলার শেরপুর থানার  ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর আদর্শ গ্রামে রুপালী খাতুন নামের এক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধারাবাহিক  ধর্ষনের ঘটনায় করা মামলা তুলে নিতে বাদীকে বাধ্য করার অভিযোগ করেছে বাদীপক্ষ। এমতবস্হায়, চরম নিরাপওাহীনতা ও অসহায়ত্ব বোধ করছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।  সোমবার বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন, মামলার বাদী রুপালী খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত তিন বছর আগে তার প্রথম স্বামী সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর তিনি ঢাকায় এসে এক গার্মেন্টসে চাকুরী নেন। সেই সময় একই গ্রামে হবিবর রহমানে ছেলে মাহবুবুর তালুকদার তাকে বিয়ে প্রস্তাব দেয় ও  প্রলোভণ দেখিয়ে   প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। এমনকি বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে চলতি মাসে ১৮ জানুয়ারী রাতে জেলার সোনাতলা উপজেলার হুয়াহুয়া গ্রামে বন্ধুর বাড়ীতে নিয়ে রাতভর ধর্ষন করে  বলে অভিযোগ তার। তাছাড়া একাধিকবার বিভিন্ন স্হানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষন করা হয়। কিন্তুু বিয়ে করতে চাপ দিলে সে  নানান তালবাহানা করতে থাকে।এক পর্যারে আদালতের দ্বারস্হ হন তিনি।

জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে  একটা মামলা দায়ের করেন। যা বর্তমান বিচারধীন রয়েছে। সম্মেলনে ভুক্তভোগী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে মাহবুব ও তার ভাই মাসুদরানা মামলা তুলে নিতে অব্যাহত ভাবে নানান হমকী ধামকি দিচ্ছেন। এই ব্যাপারে বিবাদী মাসুদ রানা মুঠোফোনে  ক্রাইম ডায়রি প্রতিনিধি জানান – তাকে আমরা কেউ হুমকি ধামকি ও প্রাণনাশের হমকি দেইনি। সেই মেয়ে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলেছে, সে আদালতে ভুয়া মামলা করেছে  আমার ভাইকে আমরা এক দিনের মধ্যেই বের করে এনেছি। কিছু দালাল ওই মেয়ের পিছে লেগেছে বলে বিবাদীরা জানান।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///আদালত

Total Page Visits: 16655