• রবিবার ( রাত ১০:১২ )
    • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং

পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলিঃ উভয় পক্ষের আট সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ

চরম উত্তেজনার মধ্যে ভারত পাক সীমান্তের  পাকিস্তান অংশে  (লাইন অব কন্ট্রোল) গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতের পাঁচ ও পাকিস্তানের তিন সেনা সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে   নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানে আইএসপিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গাফুরের বরাত দিয়ে  পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে ৭৩তম স্বাধীনতা দিবস। এরই মধ্যে এ হতাহতের খবর এলো।টুইটবার্তায় গাফুর লিখেছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর ইস্যু আড়াল করতে ভারতীয় বাহিনী উসকানিমূলকভাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে আমাদের তিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। এতে ভারতের পাঁচ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক। এ ছাড়া একাধিক বাঙ্কার ধ্বংস করে দেয়া হয়েছ।’ এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তে থেমে থেমে গোলাগুলি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের নিহত তিন সেনা সদস্যের পরিচয় প্রকাশ করেছে ডন। তারা হলেন নায়েক তানভির, ল্যান্স নায়েক তৈমুর ও সিপাহি রমজান।
আজ ১৫ আগস্ট ভারতজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। অন্যদিকে সম্প্রতি ভারত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ায় এ দিনটিকে ‘কালো দিন’ হিসেবে পালন করছে পাকিস্তান।

এদিকে স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পাঁচ সেনা সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ভারতকে আরও উস্কিয়ে দিল পাকিস্তান। তাইতো শত্রু দেশ পাকিস্তানকে থামাতে এবার বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

পাকিস্তানকে সতর্ক করে শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র নিয়ে প্রথম ব্যবহার নীতিতে চলে না ভারত। অর্থাৎ, তারা কখনও আগে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করবে না। তবে, পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে এই নীতিরও পরিবর্তন হতে পারে।’

আজ রাজস্থানের পোখরানে সেনা মহড়া অনুষ্ঠানের শেষ দিনে অংশ নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘কাকতালীয়ভাবে আজ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। আর পোখরানের সঙ্গে অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর যে অবদান রয়েছে তার সাক্ষী এই পোখরান।’

পোখরানে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর ছবিতে শ্রদ্ধা জানান রাজনাথ। এই পোখরানেই ১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষা করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

5672total visits,123visits today

আলোকিত বগুড়ার উদ্যোগে সীমাবাড়ি মহিলা কলেজ চত্তরে বৃক্ষরোপন

আলমগীর হোসেন, সীমাবাড়ি সংবাদদাতাঃ

আলোকিত বগুড়া সীমাবাড়ী শাখার আয়োজনে সীমাবাড়ী মহিলা কলেজে বিভিন্ন বনজ ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আলোকিত বগুড়ার পরিচালক এ্যাডভোকেট ফেরদৌসি আক্তার রুনা।

সিমাবাড়ী শাখার সভাপতি- বেটখের উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম আকন্দ,
সম্পাদক- কাজী মুহাঃ আলমগীর হোসাইন।  সীমাবাড়ি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সাবিনা বেগমসহ আলোকিত বগুড়ার সদস্য বীরমুক্তিযোদ্বা আলহাজ ইমরুল কায়েস,
আসাদুল ইসলাম,শামীম কামালসহ আর ও অনেকে।

ক্রাইম ডায়রি// জেলা///শিক্ষাঙ্গন

5672total visits,123visits today

জ্বর হলেই সাবধানঃ ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির মধ্যেই মৃত্যু নিরাপত্তা কর্মীর

নড়াইল সংবাদদাতাঃঃ

জ্বর হলেও অনেকে তেড়ামি করেন।সঠিকভাবে ঔষধ খেতে চাননা। আবার অসেচতন থেকে মশা নিধনেও কোন উদ্যোগ নেননা। তাদের জন্য দুঃসংবাদ।৷ সম্প্রতি  রাজধানীতে ‘ডেঙ্গু’ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পথে নড়াইলের এক নিরাপত্তা কর্মী হানিফ পরিবহনের বাসে মারা গেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাসটি ঢাকা থেকে নড়াইল আসে। মারা যাওয়া ইকরাম হোসেন (৪৫) সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

ইকরামের চাচাতো ভাই কবির হোসেন বলেন, ‘ইকরাম ঢাকায় একটি সিকিউরিটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। ডেঙ্গু রোগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি বাড়ি চলে আসছিলেন।’

হানিফ পরিবহনের রূপগঞ্জের ম্যানেজার আকবর মন্ডল জানান, বুধবার রাতে ঢাকার আব্দুল্লাহপুর থেকে তাদের বাসে ওঠেন ইকরাম। পথে নড়াইলের লোহাগড়ায় মধুমতী নদীর কালনা ফেরিঘাটে এসে বাসের যাত্রীরা নিচে নামলেও ইকরাম নামেননি। এ সময় গাড়ির লোকজন বুঝতে পারেন যে তিনি মারা গেছেন। পরে বাস সদর থানায় নেয়া হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সুতরাং, সময় থাকতেই সাধু সাবধান।  বাড়ির ভিতর জমে থাকাা পানি শুকিয়ে ফেলুন। ড্রেন পরিস্কার  করতে সচেষ্ট হোন ।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা///

 

5672total visits,123visits today

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রঃঃ প্রসঙ্গ প্রিয়া সাহা ও তার নীচতা

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিময় একটি জায়গা।পুরো পৃথিবীর দিকে নজর দেন,দেখবেন আপনি অন্ততঃ পরিবার নিয়ে বেঁচে আছেন।  পাশ্ববর্তী দেশগুলোর দিকে তাকালে বাংলাদেশীরা কতটুকু সম্প্রীতি বজায় রেখে চলে তা সুস্পষ্ট। এদেশের সকল সরকারই সব সময়    সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানিয়ে এসেছে। দীর্ঘ মেয়াদে আওয়ামীলীগ সরকারের সময় কোন ধর্মীয় গোষ্ঠীর উপর ন্যুনতম অসুবিধা হয়েছে এমন রেকর্ড নেই । এরপরও কিছু কুলাঙ্গার অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে । আর সেটা মুসলিম কমিউনিটিতে   মহাসুখে বাস করা হিন্দুদের পক্ষ হতেই হওয়ায় যারপরনাই বিস্মিত হওয়ার মত ঘটনা বৈকি!

কয়েকদিন হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিকট নালিশ নিয়ে এক হিন্দু মহিলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।  যেখানে তিনি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানো কিংবা বিদেশী শক্তিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে উস্কে দেবার স্পষ্ট ষড়যন্ত্র করছেন। এ প্রসঙ্গে   জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর ড.জেবুন্নসা তার ফেসবুক পেইজে খোলা চিঠি দিয়েছেন যা পড়লে ঘটনা আঁচ করা যায়। পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলোঃ—-                 ” প্রসঙ্গ প্রিয়া সাহা ও তার নীচতা”

ঘটনা -১
গত ১১.৭.১৯ ইং তারিখে নারায়ণগঞ্জ থেকে ২.৩০ মিনিটে বের হয়েছিলাম তাড়াতাড়ি মোঃপুরে আসিরের ৪.৩০ মিনিটের কোচিং ধরব বলে, যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভার পেরুনোর পরেই দেখলাম শত শত গাড়ির জ্যাম।গাড়ি ঘুরিয়ে দোয়েল চত্বরের দিকে যেতে দেখি পুলিশ গাড়ি আটকে রেখেছে,আর ও এক ঘন্টা আগে থেকে।ঘটনা কি জানতে চাইলে এক পুলিশ ট্রাফিক জানালেন,রথযাত্রা আসছে ঢাকেশ্বরী থেকে এজন্য চারিদিকে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়েছে রথযাত্রা যেন সুন্দরভাবে পালন করতে পারে।দীর্ঘ এক ঘন্টা পেরিয়ে কোচিং এ গেলাম ৬.০০ টায়।
স্মৃতি-১
নারায়ণগঞ্জে আমার বাড়ি।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা।বিভিন্ন পূজা পার্বনে নারায়ণগঞ্জ হয় আনন্দের নগর।দশমীর দিন সারা রাস্তা বন্ধ থাকে এবং নারায়ণগঞ্জবাসি হাসিমুখে সেই আনন্দ উদযাপন করে।
স্মৃতি-২
তখন আমি রোকেয়া হলে থাকি।রুমমেট একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী।সে তার বাড়িতে সেবার পূজাতে যেতে পারিনি।আমি তাকে নারায়ণগঞ্জ নিয়ে যাই এবং আমাদের বাড়িতে রেখে বিভিন্ন পূজা মতো মন্ডপে ঘুরাই।
পর্যবেক্ষণঃ—-
আব্বুর কবিতায় শিখেছি
“বাংলাদেশের হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রীষ্টান
মোরা সমানে সমান
খুজি বাংলার মান”।
এহেন পরিস্থিতিতে,পূজা পার্বনে বাংলাদেশ এক অনন্য উদাহরণ হয়ে আছে।
লক্ষ লক্ষ মুসলিম নির্যাতিত হচ্ছে সারা পৃথিবীতে, কই দেখতে পেলামনা,ট্রাম্পের কাছে গিয়ে মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে কেউ কিছু বলেছে।
গত কয়েকদিন পূর্বে ইউটিউবে দেখলাম,ভারতের কোন এক রাজ্যে মুসলিম এক নারীকে কয়েকজন হিন্দু ছেলে সম্ভ্রমহানি করতে চায়,তখন তার ভাই প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে রক্তাক্ত করা হয়।কই দেখলাম না তো ট্রাম্পের কাছে কেউ বিচার দিয়েছে?
আমার এই বাংলাদেশকে প্রিয়া সাহা যেভাবে তুলে ধরল,সে আসলে কি চায়?
সে কি চায় আমেরিকায় নাগরিকত্ব?
সে কি চায় বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে হানাহানি?
সে কি বাংলাদেশের শত্রু?
সে কি জানেনা, বাংলাদেশের মানুষ,ধর্ম যার যার,উৎসব সবার”এই শ্লোগান প্রচারিত হয়?
এই প্রিয়া সাহা,নিশ্চিত বাংলাদেশি নয়,তার শেকড়ের সন্ধান করা হউক।তার এক পা,বাংলাদেশের আর এক পা কোথায়?
সে খায় কোথায়,আর থুথু ফেলে কোথায়?
সে নিজেকে অনগ্রসর প্রমান করে কি বুঝাতে চাইল?
প্রিয়া সাহা,
আমি জানতে চাই,আপনার পূর্ব পুরুষ কি এই বাংলাদেশের। যদি তাই হয়ে থাকে,তাহলে কিভাবে আমার বাংলাদেশের কথা আপনি বিদেশে গিয়ে বললেন?
এই বাংলাদেশের নির্মল বায়ু আর জল যদি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসে থেকে থাকে,তাহলে আপনি কি করে আমার বাংলাদেশের বদনাম করে আসলেন?
আপনি জানেননা,লক্ষ লক্ষ মুসলিম শরনার্থী আজ বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়ে আসছে,তা কি কোন মুসলিমের অত্যাচারে?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে যখম বটমলেস বাস্কেটের বদনাম থেকে উপরে উঠাচ্ছেন,তখন এই নীচতা কি করে আপনি করলেন?
যদি রাষ্ট্রীয় আইনে এমন কোন ধারা থাকে,যে দেশের বিরুদ্ধে কোন বদনাম করলে তাকে আইনের আওতায় আনা যাবে,তাহলে এই প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে,তার পিছনে কারা আছে চিহ্নিত করা হউক।তার পূর্ব পুরুষেরা কি এই বাংলাদেশের কিনা,সেটি বের করা হউক।
বাংলাদেশ তেরোশত নদীর দেশ,ভালবাসার দেশ।বাংলাদেশ শহীদের দেশ।এই দেশে প্রিয়া সাহা এখন এক বিষফোঁড়া। যার বিষ তেতো ওষুধে নির্মুল করা প্রয়োজন।
আমি এখনো বিশ্বাস করি
আমার দেশ সম্প্রীতির দেশ।
এই বাংলাদেশের কবি মুঃ, জালাল উদ্দিন নলুয়া লিখেছেন,
একাত্তরে গর্জে অস্ত্র সাহসী বাঙ্গালির
জাগে হিন্দু -বৌদ্ধ- মুসলিম- খ্রিষ্টান বীর
পতাকায় রক্ত মিশে অগণিত সাহসির
বাংলাদেশে রবেনা ঠাই কোন সন্ত্রাসীর
হবেই হবে জয় প্রগতির।
প্রিয়া সাহা,এখনো সময় আছে,আপনার নীচতার জন্য আপনি ক্ষমা চান।নইলে ইতিহাস একদিন আপনার মুখে ছাই দিবে।
প্রিয়া সাহা আমার ভাবতে ঘৃনাবোধ হচ্ছে,আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন।ছি,লজ্জা করলনা,বাংলাদেশের সার্টিফিকেট বিক্রি করে খাচ্ছেন আর বাংলাদেশকে ছোট করলেন,ছি প্রিয়া সাহা,আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলংক,বিষফোঁড়া।আমার ভাবতে অবাক লাগছে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ছাত্রী হয়ে ও এমন নীচতা করেছেন। ছি প্রিয়া সাহা।ছি।
(পুনশ্চঃ প্রিয়া সাহার ছবি আমার টাইমলাইনে থাকলে আমার বাংলাদেশকে ছোট করা হবে,তাই তার ছবি সংযুক্ত না করে,তার নীচতার ব্যাখ্যা করলাম।)”

প্রসঙ্গতঃ প্রিয়া সাহা যেই হোক না কেন; বর্তমান সরকারের অবস্থান নষ্ট করাসহ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নস্ট করার ষড়যন্ত্রের জন্য দেশীয় আইনে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিচার হওয়া জরুরী বলে মনে করেন আপামর দেশবাসী ।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়

 

 

5672total visits,123visits today

বাদী কে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

মোঃ শাহাদত হোসেন ভ্রাম্যমান রির্পোটারঃ

বগুড়া জেলার শেরপুর থানার  ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর আদর্শ গ্রামে রুপালী খাতুন নামের এক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধারাবাহিক  ধর্ষনের ঘটনায় করা মামলা তুলে নিতে বাদীকে বাধ্য করার অভিযোগ করেছে বাদীপক্ষ। এমতবস্হায়, চরম নিরাপওাহীনতা ও অসহায়ত্ব বোধ করছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।  সোমবার বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন, মামলার বাদী রুপালী খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত তিন বছর আগে তার প্রথম স্বামী সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর তিনি ঢাকায় এসে এক গার্মেন্টসে চাকুরী নেন। সেই সময় একই গ্রামে হবিবর রহমানে ছেলে মাহবুবুর তালুকদার তাকে বিয়ে প্রস্তাব দেয় ও  প্রলোভণ দেখিয়ে   প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। এমনকি বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে চলতি মাসে ১৮ জানুয়ারী রাতে জেলার সোনাতলা উপজেলার হুয়াহুয়া গ্রামে বন্ধুর বাড়ীতে নিয়ে রাতভর ধর্ষন করে  বলে অভিযোগ তার। তাছাড়া একাধিকবার বিভিন্ন স্হানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষন করা হয়। কিন্তুু বিয়ে করতে চাপ দিলে সে  নানান তালবাহানা করতে থাকে।এক পর্যারে আদালতের দ্বারস্হ হন তিনি।

জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে  একটা মামলা দায়ের করেন। যা বর্তমান বিচারধীন রয়েছে। সম্মেলনে ভুক্তভোগী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে মাহবুব ও তার ভাই মাসুদরানা মামলা তুলে নিতে অব্যাহত ভাবে নানান হমকী ধামকি দিচ্ছেন। এই ব্যাপারে বিবাদী মাসুদ রানা মুঠোফোনে  ক্রাইম ডায়রি প্রতিনিধি জানান – তাকে আমরা কেউ হুমকি ধামকি ও প্রাণনাশের হমকি দেইনি। সেই মেয়ে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলেছে, সে আদালতে ভুয়া মামলা করেছে  আমার ভাইকে আমরা এক দিনের মধ্যেই বের করে এনেছি। কিছু দালাল ওই মেয়ের পিছে লেগেছে বলে বিবাদীরা জানান।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///আদালত

5672total visits,123visits today

র‌্যাব-১ এর সাফল্যঃ গাজীপুর হতে বৈদ্যুতিক তার চোর চক্রের ৩ সদস্য আটকঃ বিপুল পরিমাণ তার উদ্ধার

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

গাজীপুরের জয়দেবপুর হতে সরকারী বৈদ্যুতিক তার চোরাকারবারী চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্যকে বিপুল পরিমান বৈদ্যুতিক তারসহ হাতে নাতে গ্রেফতার কারেছে র‌্যাব-১। সুত্রে জানা গেছে ,০৭ জুলাই রবিবার র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকার একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরীর জয়দেবপুর থানাধীন মেম্বারবাড়ি এলাকার মনিরের টিনসেড গুদাম হতে  সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সদস্যদের  চোরাই সরকারী বৈদ্যুতিক তারসহ আটক করে। আটককৃতরা হলেন, ১) মোঃ উজ্জল শেখ (৪৯), পিতা- মৃত জালাল শেখ, সাং- কোলাপাড়া, থানা- শ্রীনগর, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, ২) মোঃ খাইরুল শেখ (৩৫), পিতা- মোঃ জালাল শেখ, সাং- সারুলিয়া, থানা- লোহাগড়া, জেলা- নড়াইল এবং ৩) মোঃ শাহীন আলম (৩৫), পিতা- মৃত ইসমাইল হোসেন, সাং- বানিয়ারচালা, থানা- জয়দেবপুর, জেলা- গাজীপুর।

এসময় চোরাই  ১৪,৭৮৪ কেজি বিভিন্ন প্রকার বৈদ্যুতিক তার, ৩৯৮ কেজি ড্রামের রড, ০২ টি শাবল, ০৩ টি চাপাতি, ০১ টি দা, ১৪ টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৭৯৭৪/- টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত তারের আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০,০০,০০০/- টাকা বলে জানা যায়। জানা গেছে, এরা  একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুরসহ সমগ্র বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন বৈদ্যুতিক লাইন হতে কোটি কোটি টাকার বৈদ্যুতিক তার চুরি করে বিক্রয় করে আসছিল।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা

5672total visits,123visits today

নোয়াখালীর সেনবাগে হাসপাতাল বন্ধ ও জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

সেনবাগ সংবাদদাতাঃ

নোয়াখালীতে কোন অন্যায় ও অবৈধকাজ সংগঠিত হবেনা এমন প্রত্যয়ে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।।    জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে , ৮ জুলাই, ২০১৯ তারিখে গোপন সংবাদের ও ভোক্তাদের অভিযোগের   প্রেক্ষিতে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলা সদরে অবস্থিত ৬ টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে নির্দিষ্ট মান অর্জন না করতে পারা পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন  ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মো: রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon।।  এসময়  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় তাকে সহযোগিতা করেন- নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাত, বিএমএ প্রতিনিধি ডা. দ্বীপন চন্দ্র, ড্রাগ সুপার মাসুদৌজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা ও বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন সেন্টারের কার্যালয়ের ম্যানেজার সগির আহমেদ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন উপ-পরিচালক নরেশের  নেতৃত্বে RAB-১১, লক্ষীপুর।

গোপন সংবাদ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে জনস্বার্থে সারাদিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলোতে মেডিকেল প্রাকটিস ‌‌এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরীজ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ বিধি অনুযায়ী তফসিল ক, খ ও গ তে বর্ণিত অবকাঠামো, ৩৬ ধরণের উপকরণ, ডিউটি ডাক্তার, নার্স, জীবন রক্ষাকারী ড্রাগ, ইমার্জেন্সী সেবা, অপারেশন থিয়েটার, অক্সিজেন সিলিন্ডার- এমন হাসপাতাল ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি। এসবের প্রায়গুলো ছিল অপরিস্কার। অপারেশন থিয়েটারগুলোর মূল বেডগুলো পাওয়া যায় জং ধরা ও অর্ধ রং বিহীন, অপারেশন থিয়েটারে যেসব ঔষধ থাকার কথা সেই ধরণের ঔষধগুলো অযাচিতভাবে সংরক্ষণ করা, অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত সিজার ও অপর যন্ত্রপাতিগুলোও ছিল জং ধরা, অপারেশনে ব্যবহৃত কাপড় ও বালিশে লেগে ছিল রক্তের দাগ ও তাজা রক্ত। অভিযানের সময় এসব হাসপাতালের কোন ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সর্বোপরি অধিক মূল্য গ্রহণ করে সেবার নিম্নমান প্রদান করা হচ্ছে। ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী প্যাথলজি ও ফার্মেসীতে আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- কোন লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেখে ডিগ্রীবিহীন টেকনিশিয়ান দ্বারা ল্যাবগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে এবং একই সাথে এসব ল্যাবে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ব্যবহৃত হচ্ছে না। ল্যাবগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া গিয়েছে যা দিয়ে প্যাথলজীর টেস্ট কর্যক্রম করা হচ্ছিল এবং এগুলো জব্দ করা হয়েছে। এসময় উপজেলার কোন ফার্মেসীতেই ফার্মাসিস্ট পাওয়া যায়নি। ফার্মেসীগুলোতেও বিপুল পরিমান মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া ‍গিয়েছে। এক্স-রে পরীক্ষার অনুমোদনের জন্য পাসহাতালগুলোতে পাওয়া যায়নি আনবিক শক্তি কমিশনের অনুমোদন। ক্লিনিক্যাল বর্জ্র ব্যবস্থাপনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও এসব প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। কোন হাসপাতাল-ক্লিনিক-প্যাথলজিকে বর্জ্র ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৯ধারা অনুযায়ী সেবার মূল্য তালিকা সংরক্ষণের বিষয়ে দেখা যায় প্রায় প্রতিষ্ঠানে যেসব সেবা দেওয়া হচ্ছে তার সকল সেবার নাম ও সেবার মূল্য দেওয়া নেই এবং এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানে সেবার মূল্য তালিকাও দেখা যায়নি।

এসব অপরাধের জন্য দি নিই সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৮০হাজার, এম এ লতিফ ডায়াবেটিকস হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৫হাজার, মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৬৫হাজার, লাইফ স্কয়ার হসপিটালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুয়ায়ী ৬৫হাজার, নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৩০হাজার, সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৬৫হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয় এবং ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট জরিমানা ৩লক্ষ ১০হাজার টাকা। একই সাথে নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মানে উত্তরণের পূর্ব পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও বেগমগঞ্জ উপজেলার শ্রীকৃষ্ঞ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্নতার এবং মেয়াদ বিহীন পণ্য বিক্রয়ের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৬০হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।

সারাদিনব্যাপী (সকাল ১১ট থেকে বিকাল ৪.৩০পর্যন্ত) সেনবাগ ও বেগমগঞ্জ উপজেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট জরিমানা ৩লক্ষ ৭০হাজার টাকা।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত

5672total visits,123visits today

গণমাধ্যমজুড়ে অস্থিরতা চরমে

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধানঃ

পেশাজীবী সাংবাদিকদের জন্য বর্তমানে খুবই দুঃসময় চলছে। পেশিশক্তিসহ নানা কারণে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পরিবেশ নেই বললেই চলে। পেশাদার সাংবাদিকদের বড় একটা অংশ চরম আর্থিক সংকটে। একশেণীর লুটেরা ও অপেশাদারদের হাতে গণমাধ্যম চলে যাওয়ায় মর্যাদার এ পেশায় নিয়োজিত অনেকেই হতাশ।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে গেলে দুটি চিত্র স্পষ্ট। হাতেগোনা কজন সাংবাদিককে দামি গাড়ি হাঁকিয়ে বাহারি সাজে রাজকীয় মোডে দেখা মিলে। আর বড় একটা অংশ নিদারুণ কষ্টের মধ্য দিয়ে যে যাচ্ছে, সেটা তাদের চেহারায় ফুটে ওঠে। অভুক্ত থাকার কথা, বলে প্রায়ই অনেকে চোখের পানি ফেলছেন সহযোগিতা পাওয়া যায়- এমন সুহৃদদের সামনে। দীর্ঘ বেকারত্ব মূলত এদের কাবু করে ফেলছে।

গণমাধ্যমের আধিক্য আছে বটে। তবে হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকিরা সাংবাদিকদের সঙ্গে চরম রসিকতা করছে। বিধি মোতাবেক নিয়োগপত্র দেওয়া তো দূরের কথা, মাস শেষে বেতনটাও ঠিকমতো পরিশোধ করে না। কী ইলেকট্রনিক মিডিয়া, কী প্রিন্ট মিডিয়া, কী অনলাইন পোর্টাল; সর্বত্রই একই অবস্থা বিরাজ করছে। একশ্রেণীর নীতিহীন মালিক এমনটা করছে।

এমনও কিছু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান আছে নাকি, যাদের কাজ হলো; পরিচয়পত্র বিক্রি, কর্মরতদের বেতন দেওয়া নয়; উল্টো তাদের মাধ্যমে নানাভাবে কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া! কদিন আগে তো গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে যে, বমাল গ্রেফতার হওয়া ডাকাতদের কাছে গণমাধ্যমের পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে! তারা নাকি ৬ মাস পরপর টাকার বিনিময়ে নতুন নতুন পরিচয়পত্র সংগ্রহ করত!

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধির আড়ালে এগুলোর অর্জন ও মর্যাদা কীভাবে ভূলুন্ঠিত হচ্ছে, তা বলে আর নিজেদের লজ্জার পরিধি বাড়াতে চাই না। অপরিণামদর্শীদের হাতে গণমাধ্যমে চলে যাওয়ার কুফলের কিঞ্চিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। আগে যারা গণমাধ্যমের মালিক ছিলেন, তারা ছিলেন সমাজের এলিট শ্রেণী। মান-মর্যাদা যাদের ছিল। ফলে তারা সাংবাদিকদেরও মর্যাদা দিতেন। এতে উভয়ই ভালো ছিলেন।

গণমাধ্যম যখন থেকে আলু-পোটল ব্যবসায়ী, সংবাদপত্রের একসময়ের দারোয়ান-পিয়ন, কেরানী, কম্পিউটার অপারেটর, ম্যানেজার, প্রেসের মালিক, ভূমিদস্যু আর লুটেরা শ্রেণীর কবলে চলে গেছে, মূলত তখন থেকেই এর মর্যাদাহানি ঘটে চলেছে। যার নির্মম বলি হচ্ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান যত জ্যামিতিক হারে বেড়েছে, সাংবাদিকরা ততই নিষ্পেষিত হচ্ছেন।

না, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নাগপাশ নয়; বরং আবর্জনাসম এসব গণমাধ্যমে কথিত কর্মরতদের পরমায়েশী সংবাদ পরিবেশন করা হয়। একই ধরনের সংবাদ অনলাইন থেকে নিয়ে করা হয় পরিবেশন।একজন অপারেটর কয়েকটি দৈনিকের মালমসলা একই কম্পিটার থেকে আঞ্জাম দেন। লিজ নিয়ে তারা এসব করেন। রাজধানীর ফকিরাপুল এ জন্য খ্যাত।

পেশাদার সাংবাদিকদের এমন দুর্দদশা থেকে কবে মুক্তি মিলবে, ভেবে কূল পাচ্ছে না অভিজ্ঞ মহল। এমনটা হলে পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা টিকে থাকবে বটে, তবে পেশারদার ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অপমৃত্যু ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। নবম ওয়েজ বোর্ড আসছে, এতে অনেকে খুশিতে বাকবাকুম করলেও ছাঁটাই আতঙ্কে এখনই অস্থির পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীদের বড় একটা অংশ। এতে এ খাতে অস্থিরতা বাড়ছে।

ক্রাইম ডায়রি  / সৌজন্যে (প্রতিবেদক : বিশেষ প্রতিনিধি- পিএনএস)/স্পেশাল

5672total visits,123visits today

>>>>জুলহাসের কবিতা-“কুলকিনারা”<<<<

>>>>>কুলকিনারা<<<<<<<

বিধির কাছে পরবে ধরা
কেউ পাবেনা জামিন,
মাপ তুমি যতই চাও
বলবেনা  কেউ আমিন।
পথভ্রষ্ঠের নেই ঠিকানা
যতই খোজ কুলকিনারা,
সমুদ্রের অতল তলে

অফুরন্ত গহীন।
যাযাবরের মতো পথিক

পথে পথে ঘুরে,

দেহখাঁচা পড়েই রবে

রূহ যাবে উড়ে।।

হতভাগা পথিক,

কেউ দিবেনা মুল ঠিকানা

ভাববে সবই সঠিক।
>>>>>>> লিখেছেন—কবি. জুলহাস

5672total visits,123visits today

বুড়িগঙ্গাকে বাঁচান,বুড়িগঙ্গা ঢাকার প্রাণঃ মন্ত্রী নসরুল হামিদের আহবান

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদী না বাঁচলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশংকা এখন আর অমূলক নয়।  সারাদেশের কথাতো বাদই দিলাম রাজধানীর অবস্থা বড়ই   ভয়াবহ। বাংলার বন্ধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক জাতীয় নেতা   মাননীয় মন্ত্রী     নসরুল হামিদ বিপু’র আহবান,  প্রকৃতিকে বাঁচান,  নদী বাঁচান।। তার মুখেই শুনি এই আহবান— “বুড়িগঙ্গা নদী আমাদের প্রাণ। এই নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে আমাদের কেরানীগঞ্জ ও পুরান ঢাকা। নদী না বাঁচলে আমরাও বাঁঁচবো না। এই সহজ কথাটা আমরা অনেকেই বুঝিনা। আমাদের সুন্দর জীবনের জন্য বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে হবে। কিন্তু দু:খের বিষয় হলো আমরা সকলে মিলে বুড়িগঙ্গাকে মেরে ফেলছি। ময়লা আবর্জনা ফেলে নদী ভরাট করে ফেলছি।

ফ্যাক্টরির বর্জ্য ফেলে নদীকে দূষিত করে তুলছি। চারেদিকে ময়লা ও আবর্জনার জন্য আবার সবাই সরকারকেই দায়ী করেন। আমরা সবাই না বুঝেই সমালোচনা করি। কিন্তু নিজেদের দায়িত্বটা পালন করিনা। আমরা নিজেরা যদি একটু দায়িত্বশীল হই তবে ছোটখাট অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
আমাদের এখন বুড়িগঙ্গা নদীকে বাঁচাতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার বা কোন ব্যক্তির একার পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব না। তাই আসুন সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি বুড়িগঙ্গা নদীতে আর ময়লা ফেলবো না। কোন ফ্যাক্টরির বর্জ্য আর নদীতে ফেলবো না।”

আসুন আমরাও নদীকে দূষণ মুক্ত রাখি।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়

5672total visits,123visits today