ট্রাফিক সার্জেন্টকে হুমকিঃ কথিত সেই সাংবাদিক গ্রেফতার

Total Views : 104
Zoom In Zoom Out Read Later Print

সবচেয়ে ভাল হয়,“মোটরসাইকেলের পিছনে লাইসেন্স ছাড়া অন্য কোন সাইনবোর্ড থাকবে না। হোক সে সাংবাদিক,পুলিশ কিংবা অন্য যে কোন পেশার মানুষ। তাহলে সাংবাদিক পুলিশ কিংবা পুলিশ জনতা আর কোন সমস্যাই রইল না। ”

সিলেট বিভাগীয় সংবাদদাতাঃ

সবচেয়ে ভাল হয়,” মোটরসাইকেলের পিছনে লাইসেন্স ছাড়া অন্য কোন সাইনবোর্ড থাকবে না। হোক সে সাংবাদিক,পুলিশ কিংবা অন্য যে কোন পেশার মানুষ। তাহলে সাংবাদিক পুলিশ কিংবা পুলিশ জনতা আর কোন সমস্যাই রইল না। আর হ্যাঁ, যারা সোনার বাংলা গঠনে ভূমিকা রাখবেন তারা কি আইনের উর্দ্ধে ? পুলিশ,সাংবাদিক,আইনজীবি কিংবা যে কোন পেশাজীবি সবাই নিজে আইন মানবেন পরে এদেশের মালিক সাধারন জনগনকে আইন মানার কথা বলবেন। নিজেরা মানবেন না অথচ যাদের ভ্যাট ট্যাক্সের পয়সার বেতন হয় তাদের আইন মানতে বাধ্য করা বেমানান। সাংবাদিকরা আরও বেশি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। কারন তারা সকলের ভূল ধরিয়ে দেন। নিজেরা ভূল করলে তো চলেনা।

এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটে আইন অমান্য করায় মোটরসাইকেল আটকের পর ট্রাফিক সার্জেন্টকে হুমকি-ধামকি দিয়ে ফেসবুকে লাইভের মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সাংবাদিক পরিচয়ধারী ফয়ছল কাদিরকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯। ১৩জুলাই,২০২১ইং মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে শহরতলীর পীরের বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  র‍্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামিউল আলম  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমাদের আইনী প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গত ১১ জুলাই রাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সার্জেন্ট মো. নুরুল আফসার ভূইয়া বাদি হয়ে ফয়ছল কাদির (৪০) নামে ওই ভুয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে শাহপরাণ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফয়ছল কাদিরের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য সরাসরি প্রচার করে অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গেল ৯ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সুরমা গেট এলাকায় হেলমেটবিহীন ৩ আরোহীসহ একটি রেজিষ্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলকে সিগন্যাল দিয়ে থামান সার্জেন্ট মো. নুরুল আফসার ভূইয়া। এসময় মোটরবাইকচালক ফয়ছল কাদিরের কাছে গাড়ির কাগজপত্র চান সার্জেন্ট। এবং হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেলে আরোহন করার কারণ জানতে চান। কিন্তু ফয়ছল কাদির মোটরসাইকেলের লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ আনুষঙ্গিক কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ সময় তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন।

এ অবস্থায় অতিরিক্ত যাত্রী বহন, হেলমেটবিহীন আরোহন করা, রেজিষ্ট্রেশনবিহীন গাড়ি চালানোর অপরাধে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন সার্জেন্ট  নুরুল আফসার। এরপর মোটরসাইকেলটি পুলিশ লাইন্সে প্রেরণ করেন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে ফয়ছল কাদির ফেসবুকে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য লাইভ প্রচার করে অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করেন। এর প্রেক্ষিতে সার্জেন্ট মো. নুরুল আফসার ভূইয়া বাদি হয়ে রোববার ফয়ছল কাদির নামে শাহপরাণ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা

See More

Latest Photos