• রবিবার (সকাল ৯:২১)
    • ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না রাজধানীর অনেক গণপরিবহন

ডেস্ক রিপোর্টঃঃ

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় গণপরিবহনে একসিট একযাত্রী নীতি কার্যতঃ অনেকাংশেই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।। গোড়ার দিকে গাড়ির হেলপাররা যাত্রীদের খুব সাবধাব্ন মতো ওঠানামা করাতো। গাড়িতে উঠতে হলে যাত্রীদের হাতে তারা স্প্রে করত। কয়েকদিন এভাবে চলার পর স্প্রে বন্ধ করা হলো। তারা স্প্রে না করলেও যাত্রীদের আপত্তি নেই। কারন, মানুষ এখন অনেক সচেতন। কিন্তু সমস্যা হলো যাত্রীদের একসিটের পুরো ভাড়া নেয়ার পরেও তারা গাড়িতে লোকাল যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে এবং একসিটে দুইজন করে যাত্রী বসাচ্ছে।।গোবেচারা টাইপের যাত্রী একটু উসখুস করলেও সচেতন যাত্রীদের সাথে প্রায় চেঁচামেচি করছে হেলপর  ও ড্রাইভার।  এ প্রবণতা রাজধানীতে এবং প্রশাসনের নাকের ডগায়। কোন কোন যাত্রী প্রশাসনের ভয় দেখালে   তারা একরুপ চিৎকার করেই বলছে যে,প্রশাসনকে তারা টোল দিয়ে চলে।সবচেয়ে ভয়াবহ হলো শেওড়াপাড়া রুটের তেতুলিয়া পরিবহন। স্বেচ্ছাচারীতার চরম নিদর্শন ওরা।।। এখন বাধ্য হয়েই জনগনকে ডাবল ভাড়া দিয়ে লোকাল বাসের মতো ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় এই গাড়িতে।। অভিযোগের ভিত্তিতে টিম ক্রাইম ডায়রির সদস্যরা পরপর কয়েকদিন সকাল,দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় শ্যামলী হতে আব্দুল্লাহপুর যাতায়াত করে অভিযোগের   সত্যতা খুঁজে পায়।

আগারগাঁও হতে মিরপুর কালশি মোড়   পর্যন্ত একটি তেতুলিয়া বাস ৬/৮ টি স্টপেজের জায়গায় কমপক্ষে ৩৬ হতে ৫০ বার থামে।।। জ্যাম থাকুক চাই না থাকুক এরকম থামা এবং গাদাগাদি করে যাত্রী তোলাতে সরকারী আদেশের তোয়াক্কা করছে না তারা। একসিট কয়েকবার বিক্রি করছে। পুরো আব্দুল্লাহপুর হতে মোহাম্মদপুর এর   ভাড়া দিয়ে আব্দুল্লাহপুর হতে একজন যাত্রী যদি শেওড়ায়  নেমে যায় সেখান হতে ওঠা নতুন যাত্রীকেও পুনরায় একই ভাড়া গুনতে হয়। মাস্কের বালাই নেই,প্রকাশ্য ধুমপান করছে ড্রাইভার। গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী তুলে বলছে যাত্রী জোড় করে উঠলে আমরা কি করব??? একই দৃশ্য দেখা গেল যাত্রাবাড়ী কিংবা সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা গাবতলীর বাস গুলোতে।।পুরানা পল্টন ট্রাফিক পুলিশ বক্স এর সামনে হতে একই সিটে দু’জন করে যাত্রী ওঠাচ্ছে তারা। রাজধানীর প্রায় সবরুট এমনকি লেগুনাগুলো কোনভাবেই কোন নিয়মনীতি মানছেন না।। জনগনের দাবী যদি নাই মানে তবে করোনার কঠিন বাস্তবতায় গাড়িভাড়া আগের মতো করা হোক।।  তবুও জনগন অনেক স্বস্তি পাবে। প্রতিবাদের ভাষা ক্ষুধার্ত ও ভীত জনতার নিকট নেই।

যাত্রীদের অভিযোগ সার্জেন্টরা এমন অনিয়ম দেখেও মামলা দিচ্ছেন না কিংবা কিছু বলছেন না।।অথচ, ওরা তাকেই বেশি ভয় পায়।। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য যেমন গাড়ি চেকিং করা হয় ঠিক তেমন ভাবে যদি চেকিং করা হতো তবে দুদিনেই বন্ধ করা সম্ভব এসব অনিয়ম।

এর বাইরে সিরাজগঞ্জ শহর হতে ঢাকা গাবতলীগামী এসআই ট্রাভেলসের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দিয়েছেন পরিবহনের একাধিক যাত্রী। কাউন্টার হতে সঠিকভাবে গাড়ি ছাড়লেও একটু এগিয়ে গিয়েই একাধিক যাত্রী ওঠাচ্ছে গাড়ির সুপারাভাইজার।।। দুর্বলচিত্তের যাত্রী পেলেই তার পাশে বসিয়ে দিচ্ছে পথিমধ্যে হতে ওঠানো যাত্রীকে।। এ নিয়ে যাত্রীদের সাথে বচসাও করছেন তারা।।

আবার মাস্ক ব্যবহার মোটেও করছেন না সুপারভাইজার এবং হেলপাররা।।। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলা ছাড়াও গাড়ির ভিতর অধিক যাত্রী নিয়ে যাত্রী হয়রানী বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে ক্রাইম ডায়রির মাধ্যমে বঙ্গকন্যা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোসহীন নেতা গণমানুষের আশার প্রদীপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট বিশেষ দাবী জনতার।

ক্রাইম ডায়রি//      ক্রাইম// জাতীয়

Total Page Visits: 51 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Send this to a friend