• রবিবার (সকাল ৯:০৭)
    • ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

নোয়াখালিতে ধর্ষক বন্দুকযুদ্ধে নিহতঃ জনতার উল্লাস

নোয়াখালি ব্যুরোঃ

ধর্ষন একটি কঠিন শব্দ। ভিকটিম, তার ফ্যামিলি এমনকি প্রতিবেশিরাও জানেন এর ভয়াবহতা কতটুকু। একদম নিচু শ্রেনীর পিচাশ ছাড়া এহেন কাজ কেউ করতে পারেনা। একটা মর্মাহত হওয়ার মত বাক্য উচ্চারন করি। সেটা হলো- যেখানে ৫০/১০০ টাকা হলে দেহাপসারিনী পাওয়া যায় সেখানে জীবনের ঝুুঁকি নিয়ে একটি তরতাজা জীবনকে নষ্ট করা এমনকি পরিশেষে নিজেকে শেষ করে দেয়া যাদের ধাতে আছে  তাদের আসলে বেঁচে থেকে সমাজকে কলুষিত করার কোন অধিকারই নেই। আর হ্যা, এটা যদি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে  ইসলামের রেফারেন্স নিতে চান তবে ইসলামে ধর্ষনের শাস্তি আরও কঠিন। যার পরিণতি মৃত্যুই। সম্প্রতি , নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক আসামি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মিজানুর রহমান (৪০)। ১৪ই জুন,২০২০ইং রোববার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজার এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্রে, ধর্ষককে গ্রেফতার ও ধর্ষনের শাস্তির ব্যাপারে এলাকাবাসীর উল্লাস চোখে পড়ার মত। সন্তষ্ট ধর্ষিতার পরিবারও।

নোয়াখালির সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  আবদুল বাতেন মৃধা ক্রাইম ডায়রিকে জানান, , ১৩ই জুন, শনিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী সোনাইমুড়ী এলাকার একটি বেকারির কর্মচারী এক কিশোরী (১৪) কর্মস্থল থেকে বের হয়ে গ্রামের বাড়ি কবিরহাট উপজেলায় যাচ্ছিল। পথে সোনাইমুড়ী এলাকার মিজানুর রহমান ওই কিশোরীকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় তোলেন। এরপর তাকে জোর করে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকায় নিয়ে অপর এক সহযোগীসহ রাতভর ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই কিশোরী বাদি হয়ে গতকাল সেনবাগ থানায় একটি মামলা করে। মামলায় মিজানুর রহমান ও তাঁর অপর এক সহযোগীকে আসামি করা হয়।

 

ধর্ষন একটি কঠিন শব্দ। ভিকটিম, তার ফ্যামিলি এমনকি প্রতিবেশিরাও জানেন এর ভয়াবহতা কতটুকু। একদম নিচু শ্রেনীর পিচাশ ছাড়া এহেন কাজ কেউ করতে পারেনা। একটা মর্মাহত হওয়ার মত বাক্য উচ্চারন করি। সেটা হলো- যেখানে ৫০/১০০ টাকা হলে দেহাপসারিনী পাওয়া যায় সেখানে জীবনের ঝুুঁকি নিয়ে একটি তরতাজা জীবনকে নষ্ট করা এমনকি পরিশেষে নিজেকে শেষ করে দেয়া যাদের ধাতে আছে  তাদের আসলে বেঁচে থেকে সমাজকে কলুষিত করার কোন অধিকারই নেই। আর হ্যা, এটা যদি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে  ইসলামের রেফারেন্স নিতে চান তবে ইসলামে ধর্ষনের শাস্তি আরও কঠিন। যার পরিণতি মৃত্যুই।

রোববার সন্ধ্যায় ছাতারপাইয়া এলাকা থেকে ধর্ষনের প্রধান অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করে সেনবাগ থানার পুলিশের একটি চৌকস দল। এরপর রাত দুইটার দিকে তাঁকে নিয়ে তাঁর অপর সহযোগীকে গ্রেপ্তারের জন্য ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজারে গেলে মিজানের সহযোগীরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি করে। কিছুক্ষণ পর গোলাগুলি বন্ধ হলে ঘটনাস্থল থেকে মিজানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এসময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে অপর আসামীদেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত আছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

Total Page Visits: 84 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Send this to a friend