• বুধবার ( সকাল ৬:৫০ )
    • ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

জি আরপি থানায় নারীকে গণধর্ষণঃঃ অভিযোগের আঙুল ওসি’র দিকে

ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক রিপোর্টঃ

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের। যে কারনে আইজিপি’স কমপ্লেন সেল গঠন করে হটলাইন নম্বর জনগনের জন্য গণপ্রচার করা হয়েছে।৯৯৯তো আছেই।  প্রত্যেক ভাল কাজের পিছনে যেমন শয়তান থাকে।হাতের পাঁচ আঙুল কিংবা বাবার পাঁচ ছেলে যেমন এক হয়না  তেমনি সবাই তার কর্মক্ষেত্রে সরল এটা বলা যায়না। সব বাহিনী চায় সে হোক ইমাম,পীর,ঠাকুর কিংবা যাজক সব জায়গায়ই কিছু মন্দ ছিল, আছে  এবং থাকবে।বিশাল পুলিশ বাহিনীর সবাই ভাল নাও হতে পারে। তবে খারাপ কাজ যারা করবেন তাদের দু একজনের অপকর্মের দায় পুলিশ নিবেনা।রক্ষক ভক্ষক হলে আর কিইবা করার থাকে।     খুলনা জিআরপি থানায় এক নারীকে ওসি উছমান গণি পাঠান একাই ৩ বার ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ধর্ষিতা নিজেই।   তারপর ধর্ষণ করেন মুখে বসন্তের দাগওয়ালা ডিউটি অফিসার। তারপর আরও ৩ জন ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের সময় ৫ জনই কনডম (জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রী) ব্যবহার করেন। ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করলে ওই নারীর পরিবারের সবাইকে একটার পর একটা মামলা দেওয়ারও হুমকি দেন ধর্ষকরা।

জিআরপি থানায় পুলিশের হাতে গণধর্ষণের শিকার নারীর দায়ের করা মামলা এজহারে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও ওই নারী এসব কথা বলেন। মামলা দায়েরের পর তা আদালতকে অবহিত করা হলেও এখনও কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি।

গত ৯ আগস্ট সকালে দায়ের হওয়া মামলায় ধর্ষিতা নারী উল্লেখ করেন, গ্রেফতারের পর ডিউটি অফিসারের সহায়তায় ওসি তার উপর ব্যাপক নির্যাতন করেন। তারপর রাত দেড়টার দিকে তাকে চোখ বেঁধে থানার অপর একটি কক্ষে নিয়ে যায় ডিউটি অফিসার। ডিউটি অফিসার ওড়না দিয়ে তার মুখ বাঁধে। ওসি সেই কক্ষে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেন। তারপর দেড় ঘণ্টা ধরে ওসি ৩ বার ধর্ষণ করেন। ওসি ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ডিউটি অফিসার প্রবেশ করে। ভেজা গামছা দিয়ে তার শরীর মুছে ডিউটি অফিসারও ধর্ষণ করে। এরপর আরও ৩ জন তাকে ধর্ষণ করে।

এই বিষয়ে মামলা দায়ের করার জন্য আদালত থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়ার পর গত ৯ আগস্ট মামলা নেয় জিআরপি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, খুলনা জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য ৩ সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ করেছে বলে আদালতে দাঁড়িয়ে ৪ আগস্ট অভিযোগ করেন ওই নারী। খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই নারী এই অভিযোগ করেন। ঘটনা তদন্তে পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম ৫ আগস্ট তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।  নিভৃতে না কেঁদে বুক না ভাসিয়ে সাহসিকতার সাথে অপরাধের ও অপরাধীর    মুখোশ উম্মোচন করায় ভিকটিম নারীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন  ফেসবুক ভিত্তিক  নারীবাদী সংগঠন   fb/নারী নির্যাতন প্রতিরোধ।।  সংগঠনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল বলেন, এই প্রতিবাদ দেশের সকল অবলা নারীকে সাহসী করে তুলবে। তবে, ঘটনার প্রকৃত সত্যতা যাচাইও করা উচিত যাতে অভিযুক্ত কারো অন্যায় আচরন কিংবা প্রতারণার শিকার না হন।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম

Total Page Visits: 93 - Today Page Visits: 1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Send this to a friend