• রবিবার ( রাত ১০:১০ )
    • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং

কাঁচা মরিচের কেজি ১৬০টাকাঃ বিপাকে ঝিনাইদহের সাধারন মানুষ

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ


বৈরি আবহাওয়া ও মাকড়ের আক্রমণে ঝিনাইদহে মরিচের ফুল নষ্ঠ হওয়ায় কাঁচা মরিচের উৎপাদন ব্যাপক কমে গেছে। এতে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলা দেশের অন্যতম কাঁচা মরিচ উৎপাদনকারী এলাকা। খরিপুর ১ মৌসুমে যশোরে ৬’শ ৬৫ হেক্টরে, ঝিনাইদহে ১৫’শ ৭০ হেক্টরে, মাগুরায় ৬’শ ৯৫ হেক্টরে, চুয়াডাঙ্গায় ১৩’শ ৪৯ হেক্টরে, মেহেরপুরে ৪ হাজার ২’শ ৮০ হেক্টরে ও কুষ্টিয়ায দু হাজার ৭৫ হেক্টরে মরিচের চাষ হয়। এসব জেলাগুলোতে প্রচুর মরিচ উৎপাদন হয়ে থাকে। মে জুন মাসে ক্ষেতে প্রচুর কাঁচা মরিচ ধরে। দামও একেবারেই পড়ে যায়। কোন কোন সবজি বাজারে পাইকারি প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ মাত্র ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি হয়। শৈলকুপা উপজেলার গোরিন্দপুর গ্রামের রিপন শেখ জানান, তারা চার ভাই অনেক দিন ধরে মরিচ চাষ করে আসছে। খরিপুর-১ মৌসুমে চাষ করা মরিচ শেষ পর্যায়ে, গাছ মরে যাচ্ছে। মাস দেড়েক আগে পাইকারী প্রতি কেজি মরচি ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। তখন ক্ষেত থেকে মরিচ তুলে ভ্যান ভাড়া দিয়ে হাটে এনে বিক্রির পর লাভ থাকতো না। বৃষ্টি কম হওয়ায় মরিচ গাছ মরে যায়। গরম ও মাকড়ের আক্রমণে মরিচ গাছে ফুল ফল কম ধরে। এতে মরিচের উৎপাদন কমে যায়। দাম চড়ে যায়। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ পাইকারী একশ’ ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা একশত ষাট টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক অফিসের উপ-
পরিচালক সুরেন্দ্র শেখর মালাকার জানান, খরিপুর ১ মৌসুমে চাষ করা মরিচ শেষ পর্যায়ে। গরম ও মাকড়ের আক্রমণে মরিচের ফুল ফল নষ্ঠ হওয়ায় উত্পাদন কমে গেছে। বৃষ্টি হলে মরিচের উৎপাদন বেড়ে যাবে বলে তিনি জানান।

50total visits,1visits today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *