• বৃহস্পতিবার (রাত ২:৪৮)
    • ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ভয়ংকর রেড-ইয়োলো জোনে সাধারন ছুটি-সবুজ জোনে সীমিত

শরীফা আক্তার স্বর্না, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

করোনার অত্যধিক সংক্রমণ ঝুঁকিতে থাকা লাল (রেড) ও হলুদ (ইয়েলো) জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এছাড়া সবুজ (গ্রিন) জোনে অফিস সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনায় এ কথা জানানো হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়, আগের শর্তেই সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন ও সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে। তবে করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি ও চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১৬ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সাপ্তাহিক ছুটি এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

সংক্রামক ব্যাধি আইনে এ সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশের ক্ষমতা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দেয়া আছে। তবে লকডাউন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, কোথায় লকডাউন হবে তার তালিকা স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে। কোন কোন স্থান লকডাউন করা হবে তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কোথায় কোথায় লকডাউন হবে তা আমার বলারও সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর এটা ঘোষণা করবে।

 

ঢাকা উত্তর সিটি

উত্তর সিটি করপোরেশনে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলো হলো : গুলশান, বাড্ডা, ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালী, তেজগাঁও, রামপুরা, আফতাবনগর, মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, গুলশান, মগবাজার, এয়ারপোর্ট, বনশ্রী, রাজাবাজার, উত্তরা, মিরপুর।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৮টি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে ধরা হয়েছে। এগুলো হলো : যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মুগদা, গেন্ডারিয়া, ধানমন্ডি, জিগাতলা, লালবাগ, আজিমপুর, বাসাবো, শান্তিনগর, পল্টন, কলাবাগান, রমনা, সূত্রাপুর, মালিবাগ, কোতোয়ালি, টিকাটুলি, মিটফোর্ড, শাহজাহানপুর, মতিঝিল, ওয়ারী, খিলগাঁও, পরিবাগ, কদমতলী, সিদ্ধেশ্বরী, লক্ষ্মীবাজার, এলিফ্যান্ট রোড, সেগুনবাগিচা।

চট্টগ্রাম সিটি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ১০ এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হলো: চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড, পতেঙ্গার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড, পাহাড়তলির ১০ নম্বর ওয়ার্ড, কোতোয়ালির ১৬, ২০, ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড, খুলশীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, হালিশহর এলাকার ২৬ নম্বর ওয়ার্ড।

বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রণীত (Bangladesh risk zone-based covid-19 containment implementation startegy/guide) গাইডলাইন অনুসরণ করে সংক্রমণের ভিত্তিতে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ লাল অঞ্চল, হলুদ অঞ্চল ও সবুজ অঞ্চল হিসেবে ভাগ করে জেলা/উপজেলা/এলকা/বাড়ি/মহল্লাভিত্তিক জন চলাচল/জীবনযাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

আদেশে আরও বলা হয়, সিটি করপোরেশন এলাকায় অঞ্চলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার সার্বিক দায়িত্ব থাকবে সিটি করপোরেশনের। এর বাইরে জেলা প্রশাসন সার্বিক সমন্বয় করবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান জেলা উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দফতর সমন্বিতভাবে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, কোভিড আক্রান্ত কিছু এলাকা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ঢাকার এলাকাগুলোতে আমরা সহযোগিতা করছি। কিন্তু নির্দেশনা হচ্ছে, সিভিল সার্জনরা নিজেরাই জোনভিত্তিক এলাকা ঘোষণা করবেন। আমরা তাদের সহযোগিতা করবো। এটা স্থানীয়ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, লকডাউন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে সেটি বাস্তবায়নে অনেক মন্ত্রণালয় ও দফতর জড়িত। তাই এককভাবে কারও পক্ষে কোনও এলাকা লকডাউন করা সম্ভব নয়।

এদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, দেশের বিদ্যমান সংক্রামক রোগ আইন অনুযায়ী রাজধানীর বাইরে জেলাগুলোয় কোনও এলাকা লকডাউন করতে হলে সেই জেলার সিভিল সার্জনের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমতি নিয়েই লকডাউন করতে হবে। সেক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার লকডাউন কার্যকর করবেন। গাজীপুরে বেড়েই চলছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। সে কারণেই জেলার সব উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রেড জোনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে জেলার বিভিন্ন এলাকা রেড জোনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং সে জন্য প্রস্তুতি নিতেও বলা হয়েছে। তবে কোন কোন এলাকা রেড জোনের আওতায় আনা হচ্ছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে এখনও জানানো হয়নি কিংবা নির্দেশনা দেয়া হয়নি বলে জানান জেলা প্রশাসক।

এদিকে, জেলার কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড শনিবার থেকেই রেড জোনের আওতায় আনা হয়েছে।গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, রবিবার জেলায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে অরও ৯০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ২৩৩ জনে। এছাড়া মোট ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 66423

অস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী টাইগার হাবিব সি আইডি’র হাতে গ্রেফতার

কালিমুল্লাহ দেওয়ান রাজা,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

 

অস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিব ওরফে টাইগার হাবিবকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। সি আইডি সুত্রে জানা গেছে, ১৫ই জুন , ২০২০ ইং রাতে সিআইডি ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) এর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের তালিকাভুক্ত অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিব ওরফে টাইগার হাবিব(৫০)কে ঢাকার কোতোয়ালী থানাধীন বাবুবাজার ব্রীজের উপর হতে একটি বিদেশী পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি সহ গ্রেফতার করে।

সে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার ইসলামপুর, পাটুয়াটুলী, বাদামতলী এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা সহ ছিনতাই, চাঁদাবাজী ও জমি দখল করে আসছে। তার বাড়ি ঢাকার  কোতয়ালী থানার নবাব বাড়ি, পুকুরপাড়।

সি আইডি গ্রেফতারকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে, সে কন্ট্রাক কিলিংসহ হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ছিল। তার নামে বর্তমানে ২টি অস্ত্র মামলা সহ ৩ টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অনেক দিন ধরে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছিল। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডি ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়। এই বিষয়ে অস্ত্র আইনে সিআইডি বাদী হয়ে নতুন আরেকটি মামলা রুজু করেছে।
ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আইনশৃঙ্খলা

Total Page Visits: 66423

গরীবের টিউবওয়েল তালিকায় প্রবাসীর নাম

মিয়া মোহাম্মদ হেলাল, ক্রাইম ডায়রির   বিশেষ প্রতিনিধি, লন্ডন  হতেঃ

 

আওয়ামীলীগ একটি দূরদর্শী,স্বাধীনচেতা ও আপোসহীন দল। বৃহৎ দল হবার কারনে মাঝে মাঝে এ দলে অনাকাংখিত কেউ প্রবেশ করে দলের ভাবমূর্তী নষ্ট করে বটে কিন্তু নীতিনির্ধারক বঙ্গকন্যা ও দলের নেতা শেখ হাসিনা তার বাবা শেখ মুজিবের মত সেই অন্যায়কে তৈলমর্দিত হয়ে প্রশ্রয় দেন না । বরং অন্যায়কারীকে তার দল হতে দুরে সরিয়ে পরম মমতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দল আওয়ামীলীগকে আগলিয়ে রাখেন। কিন্তু এরপরেও তার আশেপাশে খন্দকার মোশতাক কিংবা অন্যকোন মোনাফেকের ভুমিকায় এসে অনেকেই অনেক ক্ষতি করার চেষ্টা করে। আর একটা ক্ষমতাসীন দলের ভাবমূর্তীকে পদদলিত করার চেয়ে আর বড় ক্ষতি কি হতে পারে??? সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমি আমার ফেসবুক পেইজে আওয়ামী বিরোধী শিবিরের নানামুখী কার্যক্রম কিংবা খন্দকার মোশতাক টাইপের লোকজনকে নিয়ে নানা মন্তব্য করি। শেখ হাসিনা কিংবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সৈনিক হিসেবে আওয়ামীলীগের ক্ষতি করে কেউ পার পাবে তা বিদেশ বিভূয়ে থাকলেও বরদাশত করব না। আমি মনে করি দলের ভাবমুর্তী ক্ষুন্ন কারীরা কখনই আওয়ামীলীগের মঙ্গল চাইতে পারেনা।

সম্প্রতি মহান   জাতীয় সংসদের বাজেট ও অষ্টম অধিবেশনে (১০ জুন) স্পিকার ডঃ শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রতি বছরের মতো এবারও অধিবেশন পরিচালনার জন্য ৫ সদস্যের প্যানেল সভাপতি মনোনয়ন দিয়েছেন। যাদের মধ্যে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের জননন্দিত (সময় সময় নিন্দিতও) সাংসদ মহিবুর রহমান মানিক সাহেব অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যে সংবাদ শুনার সাথে সাথেই সুনামগঞ্জ তথা ছাতকের ফেইসবুকঞ্চল আনন্দের বন্যায় তৈলাক্ত হয়ে উঠে। কিন্তু দুই দিনের মাথায় সেই তৈলাক্ত ফেইসবুকঞ্চলে যে হোঁচট খেয়ে পড়তে হবে তা কি কেউ চিন্তা করেছে ? চিন্তা না করলে কি হবে, পড়তেই তো হয়েছে।

নাজিমুদ্দিন দেশ ও জাতির জন্য ভিক্ষায় জমানো টাকা বিলিয়ে দিলেও বিত্তশালী কিংবা দল, বে-দলের ক্ষমতাসীনরা ৩০/৩৫ হাজার একটি টিউবওয়েলের লোভ সামলাতে পারেন না ?

মাননীয় সাংসদ সাহেব প্যানেল সভাপতি মনোনিত হওয়ার দুই দিনের মাথায় (১২ জুন) সাংসদ সাহেবের স্বাক্ষরযুক্ত জাতীয় সংসদের প্যাডে টিউবওয়েলর জন্য ছাতক উপজেলার ৫৬ জনের নামের তালিকা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে প্রেরণ করেছেন। যে তালিকার ৪২ নম্বর নামটি হচ্ছে মিজানুর রহমান হিরু (যুক্তরাজ্য প্রবাসী), পিতা-আলহাজ্ব কলমদর আলী, গ্রাম-আমের তৈল, ইউনিয়ন-উত্তর খুরমা। যিনি আমাদের স্বনামধন্য এমপি সাহেবের ভাইয়ের ছোট ভাই। বিষয়টি ইচ্ছায় হোক কিংবা অনিচ্ছায় হোক সাদাকে সাদা আর কালোকে কালোেই বলব। অনিচ্ছায় হলে কি কারনে হলো তা খুঁজে বের করে বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তির ব্যবস্থা করে ভবিষ্যতে যাতে কেউ এমন কাজে সাহস না দেখায় তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবী।

যা দেখে চোখের সামনে ভেসে উঠছে ভিক্ষুক নাজিম উদ্দিনের কথা_

আপনাদের কি মনে আছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গান্ধীগাঁও গ্রামের ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনের (৮০) কথা ? হ্যা আমি সেই নাজিমুদ্দিনের কথা বলছি যার ভিক্ষাবৃত্তির টাকায় চলে আট জনের (স্ত্রী, তিন ছেলে ও তিন মেয়ে) সংসার। বসতঘর মেরামতের জন্য ভিক্ষার টাকা থেকে দুই বছর ধরে তিলে তিলে জমিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকা। করোনা সংকটে সেই টাকা কর্মহীন ও নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

নাজিমুদ্দিন দেশ ও জাতির জন্য ভিক্ষায় জমানো টাকা বিলিয়ে দিলেও বিত্তশালী কিংবা দল, বে-দলের ক্ষমতাসীনরা ৩০/৩৫ হাজার একটি টিউবওয়েলের লোভ সামলাতে পারেন না ? যুক্তরাজ্য প্রবাসীর নামটি ঢুকিয়ে দিলেন ? এটা কি সাংসদ সাহেবের জ্ঞাতসারে হয়েছে নাকি অজ্ঞাতসারে ডানে বায়ে থাকা হাইব্রিড স্বঘোষিত সাবেক যুবদল নেতা, ঐতিহাসিক “সৃষ্টির প্রসব বেদনা”র উক্তির মহান কারিগর দ্বারা আওয়ামীলীগের সুনাম নষ্ট করার জন্য বিরোধী দলের মিশন বাস্তবায়ন হচ্ছে ?
মাননীয় এমপি সাহেব, বিষয়টি ছাতক দোয়ারাবাসীকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। ছাতক দোয়ারাবাসী আপনার কাছ থেকে পজিটিভ কিছু শুনতে চায় !!

***মিয়া মোহাম্মদ হেলাল

(লেখক, যুক্তরাজ্য প্রবাসী-মুক্তচিন্তার মূর্তপ্রতীক,দেশপ্রেমিক, আওয়ামী অনলাইন এক্টিভিস্ট, আওয়ামীলীগ গবেষক,  বঙ্গবন্ধু ও শেখহাসিনার  সূর্য সৈনিক,বাংলা ডায়রি মিডিয়া লিঃ এর উপদেষ্টা ।।।)

Total Page Visits: 66423

নোয়াখালিতে ধর্ষক বন্দুকযুদ্ধে নিহতঃ জনতার উল্লাস

নোয়াখালি ব্যুরোঃ

ধর্ষন একটি কঠিন শব্দ। ভিকটিম, তার ফ্যামিলি এমনকি প্রতিবেশিরাও জানেন এর ভয়াবহতা কতটুকু। একদম নিচু শ্রেনীর পিচাশ ছাড়া এহেন কাজ কেউ করতে পারেনা। একটা মর্মাহত হওয়ার মত বাক্য উচ্চারন করি। সেটা হলো- যেখানে ৫০/১০০ টাকা হলে দেহাপসারিনী পাওয়া যায় সেখানে জীবনের ঝুুঁকি নিয়ে একটি তরতাজা জীবনকে নষ্ট করা এমনকি পরিশেষে নিজেকে শেষ করে দেয়া যাদের ধাতে আছে  তাদের আসলে বেঁচে থেকে সমাজকে কলুষিত করার কোন অধিকারই নেই। আর হ্যা, এটা যদি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে  ইসলামের রেফারেন্স নিতে চান তবে ইসলামে ধর্ষনের শাস্তি আরও কঠিন। যার পরিণতি মৃত্যুই। সম্প্রতি , নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক আসামি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মিজানুর রহমান (৪০)। ১৪ই জুন,২০২০ইং রোববার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজার এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্রে, ধর্ষককে গ্রেফতার ও ধর্ষনের শাস্তির ব্যাপারে এলাকাবাসীর উল্লাস চোখে পড়ার মত। সন্তষ্ট ধর্ষিতার পরিবারও।

নোয়াখালির সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  আবদুল বাতেন মৃধা ক্রাইম ডায়রিকে জানান, , ১৩ই জুন, শনিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী সোনাইমুড়ী এলাকার একটি বেকারির কর্মচারী এক কিশোরী (১৪) কর্মস্থল থেকে বের হয়ে গ্রামের বাড়ি কবিরহাট উপজেলায় যাচ্ছিল। পথে সোনাইমুড়ী এলাকার মিজানুর রহমান ওই কিশোরীকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় তোলেন। এরপর তাকে জোর করে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকায় নিয়ে অপর এক সহযোগীসহ রাতভর ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই কিশোরী বাদি হয়ে গতকাল সেনবাগ থানায় একটি মামলা করে। মামলায় মিজানুর রহমান ও তাঁর অপর এক সহযোগীকে আসামি করা হয়।

 

ধর্ষন একটি কঠিন শব্দ। ভিকটিম, তার ফ্যামিলি এমনকি প্রতিবেশিরাও জানেন এর ভয়াবহতা কতটুকু। একদম নিচু শ্রেনীর পিচাশ ছাড়া এহেন কাজ কেউ করতে পারেনা। একটা মর্মাহত হওয়ার মত বাক্য উচ্চারন করি। সেটা হলো- যেখানে ৫০/১০০ টাকা হলে দেহাপসারিনী পাওয়া যায় সেখানে জীবনের ঝুুঁকি নিয়ে একটি তরতাজা জীবনকে নষ্ট করা এমনকি পরিশেষে নিজেকে শেষ করে দেয়া যাদের ধাতে আছে  তাদের আসলে বেঁচে থেকে সমাজকে কলুষিত করার কোন অধিকারই নেই। আর হ্যা, এটা যদি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে  ইসলামের রেফারেন্স নিতে চান তবে ইসলামে ধর্ষনের শাস্তি আরও কঠিন। যার পরিণতি মৃত্যুই।

রোববার সন্ধ্যায় ছাতারপাইয়া এলাকা থেকে ধর্ষনের প্রধান অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করে সেনবাগ থানার পুলিশের একটি চৌকস দল। এরপর রাত দুইটার দিকে তাঁকে নিয়ে তাঁর অপর সহযোগীকে গ্রেপ্তারের জন্য ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজারে গেলে মিজানের সহযোগীরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি করে। কিছুক্ষণ পর গোলাগুলি বন্ধ হলে ঘটনাস্থল থেকে মিজানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এসময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে অপর আসামীদেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত আছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//জেলা

Total Page Visits: 66423