• বৃহস্পতিবার (রাত ১২:৫৫)
    • ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

কে শক্তিশালী? ভূমিদস্যু না গণমানুষ? স্পট- বগুড়ার শেরপুর

গোলাম রাব্বি আকন্দ, শেরপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
মাটি বিক্রির ইতিহাস নতুন কিছু নয়।  ভূমিদস্যুতা করে এলাকার মানুষের পথ চলাচলে যেমন বিঘ্ন ঘটে   তেমনি পরিবেশের ক্ষতির কারনে হুমকির মধ্যে পড়ে মানুষের জীবন। বহু অভিযান,বহু   অভিযোগ তবুও থেমে নেই ভূমিদস্যুতা। কি এমন শক্তিি কাজ করছে অন্তরালে??  জানে কি এ দেশের মালিক জনগন??? এমনই একটি অভিযোগ    বগুড়া শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নে ঘাসুড়িয়া গ্রামে রাস্তার পাশে মাটির স্তুপ করে বিক্রি করছে অসাধু মাটি ব্যবসায়ী একটি মহল। মাটি বহনকারী ট্রাক চলাচল করার ফলে কাঁচা পাকা দুই কিলোমিটার রাস্তা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
চলাচলের রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হাওয়ায় দুর্ভোগে পরেছে এলাকাটির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, কেজি স্কুল শিক্ষার্থী, সবজি চাষীসহ হাজারো মানুষ। এলাকার গণমানুষের বিস্তর অভিযোগের প্রেক্ষিতে টিম ক্রাইম ডায়রি অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানে ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে এলাকাটিতে রাস্তার পাশে মাটির স্তুপ করে বিক্রি করে আসছে এলাকার মৃত ইসহাক আলী আকন্দ ছেলে রাশেদ আকন্দ (৩৫) নামের এক অসাধু মাটি ব্যবসায়ী। বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন ইঞ্জিন চালিত যানবাহন মাটি ক্রয় করতে আসছে এই রাস্তা দিয়ে। মাটি বোঝাই যানবাহন চলাচলের জন্য রাস্তাটির দুই কিলোমিটার অংশের বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে ,গর্ত হয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বারংবার মাটির স্তুপ অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হলেও মাটি বিক্রেতারা সেটি সরাচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী অসাধু মাটি ব্যবসায়ী দের  মাটির স্তূপ সরিয়ে নিতে বললে তাদের সাথে মারমুখী আচরণ করে। এলাকাটিতে একটি সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি কেজি স্কুল এবং একটি মাদ্রাসা রয়েছে। পড়ালেখা করা কোমলমতি শিশুদের স্কুলে যেতে রাস্তাটি খারাপ থাকার কারণে অনেক সময় কাঁদায় পড়ে পোশাক নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা ঠিক মতো স্কুলে যেতে পারিনা।ধুলোতে শ্বাসকষ্ট হয় আমাদের। আমার এর প্রতিকার চাই। মাটি বহনকারী গাড়ি চলাচলে ধুলোবালিতে এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতা দেখা দিয়েছে।
এলাকার সাধারণ মানুষ কৃষি সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। আশেপাশের বাজারে সবজির চাহিদা পূরণ করে আসছে এই এলাকার সাধারণ মানুষ। রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হাওয়ায় ঠিক মতো সবজি বাজারজাত করতে পারছে না বলে জানান সবজি চাষীরা। এবিষয়ে শেরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেছে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ। দাম্ভিকরা বরাবরই শক্তিশালী।  প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগন কি তবে এভাবেই অসহায় হয়ে থাকবে। বঙ্গকন্যা ও আপোসহীন নেতা শেখ হাসিনা বরাবর তাই দাবী এলাকার গণমানুষের।।।  ভূমিদস্যুমুক্ত এলাকা চাই।।
এবিষয়ে শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ক্রাইম ডায়রি// স্পেশাল টিম ( গণমানুষের জন্য) / জেলা
Total Page Visits: 66418

মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক

মহানগর সংবাদদাতাঃঃ

মৃত্যুর মিছিল থেমে নেই। তবুও বেড়েছে মানুষের দাম্ভিকতা।  ড্যামকেয়ার ভাব নিয়ে চলা লোক গুলো পুরো দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে করোনা বিস্তার করে চলেছে।  ইতোমধ্যে মৃত্যুর মিছিলে যোগ হয়েছেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ফখরুল কবির । ৯ জুন,২০২০ইং রাত আড়াইটায় পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মঙ্গলবার সকালে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মো. ফখরুল কবির ১ জুন করোনায় আক্রান্ত হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে সোমবার তাকে স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার স্ত্রীও করোনা পজিটিভ এবং তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের সদস্য ও যুগ্মসচিব মো. ফখরুল কবিরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ও সচিব কাজী রওশন আক্তার।

ক্রাইম ডায়রি//খবর-বিজ্ঞপ্তির

Total Page Visits: 66418