• সোমবার (বিকাল ৩:৪৯)
    • ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সাধারণ ছুটি শেষঃ সীমিত আকারে গণপরিবহন চলবে

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারা দেশে চলছে সাধারন ছুটি এবং বিশেষ ক্ষেত্রে লক ডাউন।  লকডাউন উপেক্ষা করে মানুষ পথে বের হয়েছে, পাড়া মহল্লায় জটলা করেছে।  ফলে সংক্রমণ কম হলেও হয়েছে।  তাই যে জাতীর লোকেরা মরার জন্য উন্মুখ তাদের জন্য  অযথা লক ডাউন দিয়ে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করা শোভনীয় নয়। এমন মন্তব্যে যখন গরম পাড়া মহল্লা তখন সরকার সাধারন  ছুটির মেয়াদ আর বাড়াননি। বরং, ১৫ জুন পর্যন্ত গণপরিবহন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে এবং সকল অফিস খুলবে বলে জানিয়েছেন।  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমন তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ আর বাড়ছে না। ৩১ মে থেকে সাধারণ ছুটি আর বাড়ানো হবে না। তবে ১৫ জুন পর্যন্ত সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। বাংলাদেশে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি চলছে। সাত দফা বাড়িয়ে এই ছুটি শেষ হচ্ছে ৩০ মে।

সাধারণ ছুটির সময় গণপরিবহন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সব ধরণের অফিস আদালত বন্ধ রয়েছে।

তবে জরুরি সেবা সীমিতভাবে ব্যাংকসহ কিছু অফিস খোলা ছিল। পরবর্তীতে কিছু সরকারি দফতর ও গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গণপরিবহন, নৌযান ও রেল চলাচল বন্ধ থাকবে। ব্যক্তিগত পরিবহন চলবে।

কিন্তু পরে তিনি জানান, সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুর ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সায় দিয়েছেন। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন জেলায় বাস, লঞ্চ ও রেল চলাচল ৩১ থেকেই চালু করা হবে।

বিভিন্ন জেলায় পরিবহনে যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতায়াত করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ‘সীমিত’ বলতে বোঝানো হয়েছে– গণপরিবহন চললেও তা নিয়ন্ত্রিতভাবে চলবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তবে সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি থাকবে। তবে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস ও দূরশিক্ষণ চলবে।

গণপরিবহন বলতে বাস, রেল ও লঞ্চ চলাচল বোঝানো হচ্ছে। পাশাপাশি বিমান চলাচল চালুরও অনুমতি দেয়া হয়েছে।

ফরহাদ হোসেন বলেন, বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলো নিজ ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিমান চলাচল শুরু করতে পারবে। ব্যক্তিগত পরিবহন চলবে।

তবে বয়স্ক, অসুস্থ ও গর্ভবতী নারীরা কর্মস্থলে যোগদান থেকে বিরত থাকবেন। অন্যান্য কর্মকর্তারা ১৩টি স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য কোন অফিস সীমিত আকারে পরিবহন চালু করবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত ওই প্রতিষ্ঠান নেবে। সভা-সমাবেশ বা গণজমায়েত বন্ধ থাকবে। মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ ও ধর্মীয় প্রার্থনা চলবে।

তিনি জানান, রাত আটটা থেকে সকাল ছয়টা পর্যন্ত মানুষজনের বাইরে বের হওয়ার ব্যাপারে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটা বহাল থাকবে। এই সময়ে অকারণে বাইরে বের হলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব ধরনের দোকানপাট সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখতে পারবে।

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখতে সীমিত পরিসরে সব অফিস খোলার এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।
এই বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হবে।

‘কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য কোনও অফিস সীমিত আকারে পরিবহন চালু করবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবে। নিজ ব্যবস্থায় বিমান চালাচল করতে পারবে। আগের ছুটির ধারাবাহিকতায় গত ১৪ মে এক আদেশে ১৭ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত নতুন করে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। তবে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা অদ্যবধি পর্যন্ত চালু আছে।   সেই থেকে এ দেশের প্রায় ২০ কোটি মানুষ বিশেষ করে রাজধানীবাসী গৃহবন্দী।  তবে গ্রামে লকডাউন উপেক্ষা করছেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। লক ডাউন মাঝে একবার শিথিল করায় সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখেই জনগন পথে নামে। ফলে আগের  লকডাউন কিছুটা কাজে আসলেও পরবর্তী সংক্রমণ অব্যহত চলতে থাকে।

ঈদকে কেন্দ্র করে গ্রামাঞ্চলে মানুষের গাঁ ঘেষাঘেষি করে ঈদ উদযাপন এবং ঈদ মার্কেটিং চরম ক্ষতি ডেকে আনে। ঘরমুখো মানুষদের পদযাত্রাও খুব একটা রোধ করা যায়নি।  পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে যে কোন উপায়েই ঘরে ফিরেছে মানুষ।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়//সুত্র/বিবিসি বাংলা

Total Page Visits: 66253

অমানুষদের প্রতি কভিড-১৯ এর পক্ষ হতে করোনা শুভেচ্ছা

অনলাইন ডেস্কঃঃ

অমানুষদের বলার আসলে কিছুই নেই। তার বৈশ্বিক দূর্যোগে অমানুষদেরকে কভিড-১৯ ভাইরাসের পক্ষ হতে করোনা শুভেচ্ছা।  করোনায় ওরা বা ওদের পরিবারের কেউ আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে “তোরা মানুষ হ”   বললেও লাভ হয়না।। সম্প্রতি,      করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যায় পাটগ্রামউপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তার।

গ্রামে লাশ দাফন করতে দেয়নি ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ নেওয়াজ নিশাত।

কোয়ারেন্টাইনে নিরূপায় বাবা গোলাম মোস্তফা চুক্তি করেন এম্বুলেন্স চালকের সাথে। দাফনের জন্য ৫ হাজার টাকাও পরিশোধ করেন। ঐ অ্যাম্বুলেন্সের চালক দাফন না করেই লাশ ফেলে দেয় তিস্তায়। দুই দিন পর সেই মৃতদেহ তিস্তার পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। আদিতমারী থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় শনাক্ত হবার পর সেই হতভাগ্য পিতার কাছে পুনরায় লাশ দাফনের দায়িত্ব এসে কাঁধে চাপে। কিন্তু ঘটনা জানতে পেরে এবার পুলিশই দায়িত্ব তুলে নেয় লাশ দাফনের।

অমানুষগুলো মানুষে রূপান্তরিত না হওয়া পর্যন্ত করোনা মনে হয় যাবেনা বলে মানবিক মানুষের ধারনা।।।

ক্রাইম ডায়রি///জেলা //সুত্রঃঃঅনলাইন

Total Page Visits: 66253