• বৃহস্পতিবার (রাত ২:২৩)
    • ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ঔষধ কিনতে এসে আকস্মিক মৃত্যু

ইঞ্জিনিয়ার ওয়াসিম মোল্লাঃ

রাজধানীর  ভাটারা থানার ১০০ ফিট রোড এলাকার একটি ফার্মেসির সামনে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার পর ওই দোকানেই মারা গিয়েছেন এক ব্যক্তি। এরপর ওই ঘটনার বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ছবিতে দেখা যায়, ওষুধের দোকানটির মধ্যে মেঝেতে পড়ে আছেন এক ব্যক্তি।

ওই ফার্মেসিতে সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত হুমায়ুন কবীর জানান, ওষুধ কিনতে আসা ওই ব্যক্তি মৃত্যুর আগে তার সঙ্গেই শেষ কথা বলেন।

তিনি জানান, একটি প্রেসক্রিপশন দিয়ে ওষুধের দাম জানতে চাইছিলেন ওই ব্যক্তি। প্রেসক্রিপশনের সব ওষুধ হৃদরোগ বিষয়ক ছিল। এর পরপরই হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যান তিনি।

হুমায়ুন কবীর আরো জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই ওই ব্যক্তি মারা যান।

ওষুধের দোকানের এই কর্মী জানান, সকালে সাইকেল চালিয়ে মোহাম্মদপুর গিয়ে ডাক্তার দেখিয়েছেন ওই ব্যক্তি। সেখান থেকে ফিরেই তার ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে আসেন এবং সেগুলোর দাম জানতে চান।

তিনি বলেন, এ ঘটনার পর তারা সাহায্যের জন্য ৯৯৯-এ ফোন করেন বেশ কয়েকবার, কিন্তু তাৎক্ষণিক কোন সাড়া পাননি। তবে পরে খবর পেয়ে ভাটারা থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসেন।

ভাটারা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মুক্তারুজ্জামান জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ আব্দুর রশীদের লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রেখেছে।

তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত করে এখনো কিছু বলেনি। তবে ওই ব্যক্তি হৃদরোগে ভুগছিলেন বলে জানানো হয়েছে। মুক্তারুজ্জামান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা সবাই চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তার ঢাকায় এসে লাশ সৎকারের জন্য এলাকায় নিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি//রাজধানী

 

Total Page Visits: 66423

ঢাকা মুখী হচ্ছে জনস্রোতঃ করোনায় যেন ভয় নেই ওদের

গার্মেন্টস খুলেছে এমন খবরে আর বাঁধ মানানো যাচ্ছেনা গ্রামে ফিরে যাওয়া গার্মেন্টস কর্মীদের । যে কোন মূল্যে ঢাকায় ফেরার প্রতিযোগীতায় ব্যস্ত তারা। পাবলিক বাস বন্ধ থাকলে ও বিভিন্ন উপায়ে তারা ঢাকায় ফিরছেন। বিকল্প পথ যে সব রুটে আছে সে সব এলাকা হতে ঢাকায় ফেরার প্রতিযোগীতা একটু যেন বেশিই। ইউ এন বি’র একজন প্রতিনিধি সরেজমিনে গিয়ে এমনটিই দেখেছেন বলে জানা গেছে। শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুট দিয়ে ফেরিতে করে পদ্মা পার হচ্ছেন শত শত গার্মেন্টসকর্মী। ২৯ এপ্রিল,২০২০ইং বুধবার সকাল থেকে এসব যাত্রীকে কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে ফেরিতে করে শিমুলিয়া ঘাটে এসে ঢাকার উদ্দেশ্যে বিকল্প যানবাহনে যেতে দেখা গেছে।
ঢাকা মুখী এসব জনতার অনেকেই বলছেন, কয়দিন আর না খাইয়া থাকুম। কাম তো কইরা খাওন লাগবো।।।পেটের তাগিদেই তারা ঢাকায় ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন।।।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন,  দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা হতে হাজার হাজার মানুষ  ঢাকায় যাচ্ছে। এসব যাত্রীর অধিকাংশই গার্মেন্টস কর্মী। তারা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিকল্প যানবাহনে করে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে আসছেন। সেখান থেকে ফেরিতে করে শত শত যাত্রী পদ্মা পাড়ি দিয়ে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে আসছেন।

করোনার কারণে যাত্রীবাহী পরিবহন বা বাস বন্ধ থাকায় এসব যাত্রী বিকল্প যানবাহনে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গন্তব্যে ছুটছেন। এসব যানবাহনের মধ্যে রয়েছে, আটোরিকশা, ইয়েলো ক্যাব, রেন্ট এ কার, মাইক্রোবাস ও পিকাআপভ্যানসহ লোকাল নানা ধরনের যানবাহন।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সিরাজুল কবির ক্রাইম ডায়রিকে  জানান, সকাল থেকেই ফেরিতে করে শত শত লোক আসছে শিমুলিয়া ঘাটে। তাদের অধিকাংশই গার্মেন্টস কর্মী।

ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মোঃ হেলাল  বলেন, খুব ভোর হতে দক্ষিণবঙ্গ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে  হাজার হাজার গার্মেন্টস কর্মী নদী পার হয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসছে। এখান থেকে বিকল্প যানবাহনে তারা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে।

এ দৃশ্য শুধু নদী পথেই নয় বরং সড়ক পথেও বিভিন্ন উপায়ে সাধারন মানুষ পেটের টানে ঢাকা মুখী হচ্ছে। তাছাড়া আজ ঢাকার পরিস্থিতিও অনেক স্বাভাবিক দৃষ্টিগোচর হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার রাস্তা ও গলিপথগুলো ছিল বেশ উপচে পড়া। বাস না চললেও অন্যান্য নিত্য যানবাহন যথেষ্ট পরিমান ছিল বলে সরেজমিন সুত্রে জানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি// জেলা

 

Total Page Visits: 66423