• সোমবার (দুপুর ২:১৭)
    • ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

World war movie

Total Page Visits: 66249

২৯ এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে একটি শক্তিশালী গ্রহাণু-নাসা

অনলাইন ডেস্কঃ

কিতাবুল ফিতান তথা কিয়ামতের পূর্বকার আলামত সম্পর্কিত ফিতনার হাদীস সমুহের বর্ণনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে বর্তমান সময়কার পরিস্থিতি। আর নাসার বক্তব্যের কারনে এখন আর তা অস্বীকার করতে পারছেন না আলেমরা। এটা অবশ্য সবার জন্য সত্য হলেও মুসলিম ও ইহুদিদের ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়। অন্যান্য জাতীর লোকেরা এ বিষয়গুলোকে অন্য ভাবে ব্যাখ্যা দেয়। নাসার দেয়া বক্তব্যের এই নিউজ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছে ,যা পাঠকের জন্য সরাসরি তুলে ধরা হলোঃ

“সারা পৃথিবীতে মানুষ আজ করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আতঙ্কিত। কোনও ধরণের অস্ত্র নয়; কিংবা কোনও ধরণের পারমাণবিক বোমা নয়; ক্ষুদ্র সামান্য কয়েক ন্যানো মিটারের একটি অণুজীবের কাছে সারা পৃথিবীর মানুষ আজ অসহায়।

এমন একটি ক্রান্তিকালীন মুহূর্তে মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসার পক্ষ থেকে দেওয়া হলো একটি দুঃসংবাদ। আসন্ন ২৯ এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে একটি শক্তিশালী গ্রহাণুর। নাসার পক্ষ থেকে এ গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে Asteroid 52768 বা 1998OR2.

যদিও এ গ্রহাণুটি সরাসরি পৃথিবীর ওপর কোনও ধরণের আঘাত হানবে না এবং পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এ গ্রহাণুর দূরত্ব হবে আনুমানিক চার লক্ষ মাইলের মতো। যা পৃথিবীর থেকে চাঁদের দূরত্বের ১৬ গুণেরও বেশি। যদিও পৃথিবীর কক্ষপথের থেকে ৩.৯ লক্ষ মাইলের অভ্যন্তরে এ গ্রহাণুটি আসবে না কিন্তু এ গ্রহাণুটির বিশাল আকৃতির জন্য কিছুটা হলেও শঙ্কা থেকে যায়।

আনুমানিক ১.১ থেকে ২.৫ মাইল ব্যাস বিশিষ্ট এ গ্রহাণুটি ঘণ্টায় বিশ হাজার মাইল বেগে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যাবে, যার প্রভাবে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে একটি পরিবর্তন আসতে পারে বলে কোনও কোনও বিজ্ঞানী মনে করছেন।

একই সঙ্গে এ গ্রহাণুর প্রভাবে পৃথিবীর অনেক জায়গা সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হতে পারে এবং একই সঙ্গে সৃষ্ট অ্যাসিড বৃষ্টির প্রভাবে পৃথিবীর এ সকল অঞ্চলে চাষাবাদের ক্ষেত্রেও একটি বিশাল বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে অনেক বিজ্ঞানী মনে করছেন।

যদিও নাসার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সরাসরি এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কোনও কিছু বলা হয়নি। বিভিন্ন কারণে একটি গ্রহাণু তার গতিপথের পরিবর্তন করতে পারে। যেমন: চলার পথে কোনও একটি নির্দিষ্ট গ্রহের কিংবা বৃহৎ উল্কাপিণ্ডের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্ৰভাবে একটি গ্রহাণু তার গতিপথ পরিবর্তিত করতে পারে।

আবার ইয়ারকোভজি ইফেক্টের কথাও আমরা অনেকে শুনেছি। অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থের প্রভাবে একটি গ্রহাণুর তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটতে পারে। এর ফলে গ্রহাণুটি ঘুরে যেতে পারে, এমনকি কক্ষপথেরও পরিবর্তন করতে পারে। অর্থাৎ ইয়ারকোভজি ইফেক্ট। হয়তোবা সাময়িকভাবে মনে হচ্ছে যে ৪০,০০০ মাইল বিশাল একটি দূরত্ব কিন্তু যে কোনও সময়ের গতিপথের পরিবর্তন কিংবা তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বিশেষ করে পৃথিবীর পৃষ্ঠের ওপর একটি প্রভাব ফেলতে পারে।

আজকের থেকে আনুমানিক ৬৬ লক্ষ বছর পূর্বে পৃথিবীর পৃষ্ঠে এ রকম একটি শক্তিশালী গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবী থেকে ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটেছিল। আসলে শুধু ডাইনোসরই নয়, ধারণা করা হয় এ গ্রহাণুর প্রভাবে সে সময় পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাস করা প্রাণীকুলের শতকরা ৭০ ভাগ প্রজাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।

“ডাইনোসর কিলার অ্যাস্টোরয়েড” খ্যাত এ গ্রহাণুর আঘাতে মেক্সিকোর ইয়োকাটোন দ্বীপের কাছে একটি বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে যার ব্যাস স্থানভেদে ৬.৮ মাইল থেকে ৫০.৩ মাইল এবং ধারণা করা হয় এ গ্রহাণুর আঘাতের প্রভাবে পৃথিবীর সামগ্রিক জলবায়ুর এক বিশাল পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল।

যদিও Asteroid 52768 সরাসরি পৃথিবীর বুকে আঘাত হানছে না এবং পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এর নিকটতম দূরত্ব হবে প্রায় চার লক্ষ মাইলের মতো। তবুও এর বিশাল আকৃতির জন্য এবং একই সঙ্গে এর উচ্চ গতিবেগ ও বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতির কারণে কারণে কিছুটা হলেও শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে আমাদের সকলের জন্য।

রাকিব হাসান, শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় বর্ষ, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন ফিজিক্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ইউনিভার্সিটি অব নোভা গোরিছা, স্লোভেনিয়া।”

ক্রাইম ডায়রি//সুত্র//যুগান্তর অনলাইন ও নাসার ওয়েবসাইট//আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 66249

নতুন লক্ষণ নিয়ে করোনাঃ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন জরুরী

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

করোনাকে জয় করতে পারেনি এখনও বিশ্বের কোন মহাবৈজ্ঞানিক পরাশক্তি। এখন পর্যন্ত শুধু লক্ষণ ধরে চিকিৎসা করছেন চিকিৎসকেরা। তাই সতর্ক থাকা আর মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে অবনত মস্তকে তার দাসত্ব শিকার করে নেয়া ছাড়া মানুষের হাতে দ্বিতীয় কোন উপায় নেই।। নতুন নতুন লক্ষণ বের হচ্ছে করোনার। শুকনো কাশি ও প্রচণ্ড জ্বর এবং চরম শ্বাসকষ্ট ছাড়াও এখন দেখা দিচ্ছে পায়ে ক্ষতচিহ্ন, চুলকানি আর অণ্ডকোষে ব্যথা।

আক্রান্ত কয়েকজনের পায়ে ‘বসন্তের মতো’ চিহ্ন দেখার পর বুধবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি প্রকাশ করেন তারা। এর সঙ্গে করোনাভাইরাসের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন গবেষকরা।

স্পেনের জেনারেল কাউন্সিল অব অফিসিয়াল পোডিয়াট্রিস্ট কলেজ বলছে, এটি প্রাণঘাতী ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। খবর দ্য সানের।

প্রতিদিনই নতুন নতুন লক্ষণ বের হচ্ছে করোনার। শুকনো কাশি ও প্রচণ্ড জ্বর এবং চরম শ্বাসকষ্ট ছাড়াও এখন দেখা দিচ্ছে পায়ে ক্ষতচিহ্ন, চুলকানি আর অণ্ডকোষে ব্যথা।

করোনায় আক্রান্ত রোগীর চামড়ার উপরিভাগে অবস অনুভূতি, চুলকানি ও ব্যথাসহ চামড়া লাল হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণও দেখা যেতে পারে। ফ্রান্সের ন্যাশনাল ইউনিয়ন ডারমাটোলজিস্ট-ভেনেরিওলজিস্টস (এসএনডিভি) এ তথ্য জানিয়েছে।

করোনাভাইরাসের আরেক লক্ষণ হল টেস্টিকুলার ব্যথা বা অণ্ডকোষে ব্যথা। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষকরা অণ্ডকোষে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে পরীক্ষা করে দেখেছেন তিনি করোনা পজেটিভ।

যদিও ডাক্তাররা তার অণ্ডকোষে কোনো সমস্যা খুঁজে পাননি। তবে সিটি স্ক্যানে তার ফুসফুসের ক্ষতি দেখা গেছে।

করোনা আক্রান্তের পায়ের চিহ্নটি প্রথম ধরা পরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের শরীরে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, কিশোরটির পায়ে হয়তো মাকড়সা কামড়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন পরই তার মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। এরপর বিষয়টি নজরে আসে গবেষকদের।

এক বিবৃতিতে জেনারেল কাউন্সিল অব অফিসিয়াল পোডিয়াট্রিস্ট জানিয়েছে, ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেনে করোনায় আক্রান্ত বহু রোগী পায়ে এ ধরনের চিহ্ন দেখা গেছে। কিন্ত এটা কাকতালীয় হতে পারে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

ক্রাইম ডায়রি// জাতীয়

Total Page Visits: 66249