• সোমবার (বিকাল ৩:২০)
    • ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

তাহিরপুর সীমান্তে ইয়াবা,জালটাকা ও সরঞ্জাসসহ ৫জন গ্রেফতার

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতাঃ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে গত ৭দিনে পৃথক অভিযান চালিয়ে ইয়াবা,জাল টাকা ও জালটাকা তৈরির সরঞ্জামসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে
পুলিশ। সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ককে ম্যানেজ করে গত ২৬.০১.২০ইং রবিবার ভোর ৫টা থেকে বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী ও চোরাচালানীরা সরকারের লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চাঁরাগাঁও,বালিয়াঘাট,টেকেরঘাট,চাঁনপুর ও লাউড়গড় সীমান্ত এলাকা দিয়ে একযোগে শতশত ট্রলি বোঝাই করে ভারত থেকে সারাদিন পাথর ও কাঠ পাচাঁর শুরু করে। আর রাতের আধারে পাচাঁর করেকয়লা,মদ,গাঁজা,হেরুইন,ইয়াবা,বিড়ি,গরু,ঘোড়া,জাল টাকা ও অস্ত্র। সীমান্তের এই অনিয়ম-দূর্নীতি নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর গত ০২.০২.২০ইং রবিবার সন্ধ্যায় সীমান্তের চাঁনপুর বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন রাজাই এলাকায় প্রকাশ্যে ইয়াবা বিক্রি করার সময় মাদক ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন (২৮)কে ২শত পিছ ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে সুনামগঞ্জের ডিবি পুলিশ।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী রাজাই গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। অন্যদিকে তাহিরপুর থানার পুলিশ চাঁরাগাঁও সীমান্তের চাঁরাগাঁও বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন চাঁরাগাঁও শুল্কস্টেশনে অভিযান চালিয়ে বিজিবি সোর্স পরিচয়ধারী দীপক মিয়া (৩৬) কে জাল টাকা ও জাল টাকা তৈরি সরঞ্জামসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। এরপর দীপকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার ৩ সহযোগী রুবেল মিয়া(২৮),আব্দুল্লা মিয়া(৩০) ও তানজিল মিয়া(৩৫)কে গ্রেফতার করা হয়। দীপক মিয়া নিজেকে সুনামগঞ্জ বিজিবি অধিনায়কের সোর্স পরিচয় দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত দাপটের সাথে মাদক,জালটাকা ও অস্ত্র ব্যবসা করার পাশাপাশি চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ছিল এই দীপক।কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কখনই তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। দীপক গ্রেফতার হওয়ার পর তার সহযোগী বিজিবির সোর্স পরিচয় দিয়ে চলা শফিকুল ইসলাম ভৈরব,মোফাজ্জল,রমজান মিয়া,আব্দুল আলী ভান্ডারী ও সোহেল মিয়া সীমান্তের সব দায়িত্ব পালন করছে বলে জানাগেছে। এব্যাপারে বড়ছড়া ও চাঁরাগাঁও শুল্কস্টেশনের বৈধ কয়লা ও পাথর ব্যবসায়ীরা জানায়,সোর্স পরিচয়ধারী লাকমা গ্রামের ইয়াবা ব্যবসায়ী ল্যাংড়া বাবুল,বালিয়াঘাটের জিয়াউর রহমান জিয়া,তাজু মিয়া,ইসলাম উদ্দিন,লালঘাটের ইয়াবা কালাম, বড়ছড়ার কামাল মিয়া,রজনীলাইনের ফিরোজ মিয়া,আমির আলী,চাঁনপুরের আবু বক্কর,বিল্লাল মিয়া,জম্মত আলী,বারেকটিলার রফিকুল ইসলাম,লাউড়গড়ের আমিনুল,রফিক মিয়া,জজ মিয়া,নুরু মিয়া,শহিদ মিয়াসহ আরো একাধিক সোর্স পরিচয়ধারীদের নেতৃত্বে চলছে সীমান্ত চোরাচালান ও চাঁদাবাজি। কিন্তু তারা সবাই রয়েছে ধরাছোয়ার বাহিরে। অথচ এসব সোর্স পরিচয়ধারীদের মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে রয়েছে মাদক,কয়লা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র মামলা। এব্যাপারে তাহিরপুর থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন,আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থানেয়া হবে।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম///অপরাধ জগত///আইনশৃঙ্খলা//জেলা

Total Page Visits: 66253

নরসিংদীতে নদী রক্ষায় জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

নরসিংদী সংবাদদাতাঃঃ

নদী-খাল বেষ্টনী দিয়ে ঘেরা সোনার বাংলায় এখন নদী বাঁচাও বলে শ্লোগান দিতে হয়। নদী ধ্বংস করার কারনে ধ্বংস হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সুন্দর বনবনানী,কৃষি ইত্যাদি। উঞ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই নদী খেকো দানবদের হাত থেকে নদী রক্ষায় শুরু হয়েছে নরসিংদী জেলা প্রশাসনের “নদী বাঁচাও,বাঁচাও দেশঃজেলা প্রশাসনের চলমান উচ্ছেদ কার্যক্রম”। জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন এর নির্দেশে নরসিংদী জেলার মাধবদী পৌর এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন কর্তৃক চলমান কার্যক্রমের ৫ম (পঞ্চম) দফায় উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এসময় নদীর দু’পাশে নদীর জায়গা দখল করে গড়ে তোলা কনক্রিটের দেয়াল ও স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়। নরসিংদীতে সকল নদী-খাল রক্ষায়  জেলা প্রশাসন কর্তৃক নদ-নদীর অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি///জেলা///স্পেশাল

Total Page Visits: 66253