• সোমবার (বিকাল ৩:৫৬)
    • ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

কালীগঞ্জ থানা পুলিশের সফল অভিযানঃ মাদক সম্রাজ্ঞী চায়নাসহ আটক ০৩

ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ


ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে আলোচিত নারী মাদক ব্যবসায়ী চায়না বেগম সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক। ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেন্সিডিল উদ্ধার। শনিবার (২৫ জানুয়ারী-২০) রাত ৮ টার সময় কালীগঞ্জ থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কালীগঞ্জের গান্না রোডের সিও এনজিওর সামনে থেকে আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী চায়না বেগম (৩৮) কে আটক করা হয়। এ সময় তার নিকট থেকে ৩৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। আটক নারী এই মাদক ব্যবসায়ীর নামে কালীগঞ্জ থানায় ৭ টিরও অধিক মাদক মামলা রয়েছে। সে কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়া (নদিপাড়া) গ্রামের আবদুস সালামের স্ত্রী। তার বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

একই দিনে সন্ধ্যা ৬ টার সময় পৃথক আরেক অভিযানে কালীগঞ্জ উপজেলার কাদিপুর গ্রামে থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার চটকা বাড়িয়া গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী হোসেন আলী (৩৫) এবং একই উপজেলার পাখিমারা (ভায়না) গ্রামের আনোয়ার চৌধুরীর ছেলে নাজমুল চৌধুরী (২৫) কে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহাঃ মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ কালীগঞ্জ গান্না রোডের সিও এনজিও সামনে অভিযান চালিয়ে ৩৬ বোতল ফেন্সিডিল সহ আড়পাড়া (নদিপাড়া) গ্রামের আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী চায়না বেগমকে আটক করা হয়। সে দীর্ঘদিন ধরে কালীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। তার নামে কালীগঞ্জ থানায় ৭ টিরও অধিক মাদক মামলা রয়েছে।

সে ইতঃপূর্বে একাধিক বার মাদক সহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। একই দিন পৃথক আরেক অভিযানে উপজেলার কাদিপুর গ্রাম থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ হরিনাকুন্ডু উপজেলার চটকা বাড়িয়া গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী হোসেন আলী এবং একই উপজেলার পাখিমারা (ভায়না) গ্রামের আনোয়ার চৌধুরীর ছেলে নাজমুল চৌধুরী কে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার আটক আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা

Total Page Visits: 66254

সুনামগঞ্জের চাঁরাগাঁও সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাথর পাঁচারের অভিযোগ এলাকাবাসীর

মোজাম্মেল আলম ভূূূূইয়া, সুনামগঞ্জ হতেঃ


সুনামগঞ্জের চাঁরাগাঁও সীমান্তে সরকারের  রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে  ২৬.০১.২০ইং রবিবার সকাল ৬টা থেকে অবৈধভাবে ভারত থেকে লক্ষলক্ষ টাকার পাথর পাচাঁর  করেছে চোরাচালানীরা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার তাহিরপুর উপজেলার চাঁরাগাঁও শুল্কস্টেশন সংলগ্ন এলাকা দিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রায় ৪মাস পূর্বে বিজিবির সোর্স পরিচয় দিয়ে চলা একদল অপরাধী  অবৈধ ভাবে ভারতের ভিতর থেকে শ্রমিকদেরকে দিয়ে ট্রলি বোঝাই করে প্রায় ১০হাজার টন পাথর পাঁচার করে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্টে আনে।

এঘটনার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। একারণে পাচারকৃত পাথরগুলো সীমান্তেই আটক রাখে বিজিবি। সেই সাথে ভারত থেকে অবৈধ ভাবে পাথর পাচার বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাউকে না কাউকে   ম্যানেজ করে  সকাল ৬টা থেকে অর্ধশতাধিক ট্রলি দিয়ে অবৈধভাবে পাচাঁরকৃত আটক থাকা পাথরগুলো সোর্স পরিচয়ধারী ম,শ ও  দ আদ্যক্ষরের ভৈরবগং প্রকাশ্যে বিজিবি ক্যাম্পের সামনের রাস্তা দিয়ে সমসার হাওর পাড়ের নৌকা ঘাটে নিয়ে যায় এবং ভারত থেকে আবার পাথর পাঁচার শুরু করে। সেই সাথে চোরাচালানীরা দীর্ঘদিন যাবত প্রতিরাতে কয়লা,মদ,গাজা ও ইয়াবা পাঁচার করছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এসব অনিয়ম ও দূর্নীতির খবর পেয়ে সীমান্ত এলাকায় র‌্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা,মদ,গাজা,বিড়ি ও অস্ত্রসহ অনেক চাঁদাবাজ ও চোরাচালানীকে আটক করে।

সীমান্ত চোরাচালান ও চাঁদাবাজি নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করলে  অপরাধীদের হোতারা  সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করার জন্য চোরাচালানীদের উৎসাহিত করাসহ মামলা নেওয়ার জন্য থানায় ফোন করে অনুরোধ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত আটক থাকা অবৈধ পাথরগুলো পাঁচারের বিষয়ে জানতে চাঁরাগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের সরকারী মোবাইল নাম্বারে কল করলে সুবেদার দিলোয়ার উত্তেজিত হয়ে বলেন,আমরা কি করব না করব সেটা আমাদের ব্যাপার তাতে সাংবাদিকদের কি,কিছু জানার থাকলে ক্যাম্পে এসে দেখা করুন।

চোরাচালানীদেরকে ১সপ্তাহের জন্য অবৈধভাবে পাথর পাঁচারের অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক মাকসুদুল আলমের বক্তব্য জানার জন্য তার সরকারী মোবাইল নাম্বারে (০১৭৬৯-৬০৩১৩০) বারবার কল করার পরও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে এই সংবাদদাতাসহ একাধিক পত্রিকার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন । তাই এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও অন্যায়ের সাথে আপোসহীন নেতা বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার   সুদৃষ্টি কামনা করছেন সাংবাদিকগনসহ এলাকার সচেতন জনসাধারণ।

ক্রাইম ডায়রি/// ক্রাইম///অপরাধজগত

Total Page Visits: 66254

উজিরপুরে সরকারি খাল ও রাস্তা অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ

আব্দুর রহিম সরদার,  উজিরপুর সংবাদদাতাঃ

বরিশালের উজিরপুরে সরকারি আইনকে উপেক্ষা করে একের পর এক সরকারি খাল ও রাস্তা অবৈধভাবে জোর পূর্বক দখল করে পাকা ভবন নির্মান করছে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা। পানির
গতিপথ বন্ধ করে দিয়ে পাকা ভবন করায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। জানা যায় উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের গড়িয়াগাভা ৩ নং ওয়ার্ডের মৃত মোতাহার আলি হাওলাদারের ছেলে ভূমিদস্যু শুক্কুর আলি হাওলাদার ও একই বাড়ীর সোনর উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে ভূমিদস্যু খোরশেদ আলি হাওলাদার সরকারি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ক্ষমতার দাপটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য চৌমোহনী টু ডাবেরকুল গড়িয়াগাভা এলাকার সাবেক একজন প্রধান শিক্ষক হাওলাদারের বাড়ির পশ্চিম পার্শ্বে খালের মধ্যে আরসিসি পিলার করে পাশা-পাশি ২টি পাকা ভবন নির্মাণ করছে । আরো অভিযোগ পাওয়া যায়, তারা এলাকায় কাউকে মানছেনা। শত বাধা প্রদান করলেও থেমে নেই তারা। কতিপয় প্রভাবশালী নেতাদের নাম

ভাঙ্গিয়ে গড়ছে পাকা ইমারত। অভিযুক্ত শুক্কুর আলি জানান কারো পৈত্রিক জমিতে পাকা ভবন
করিনি,সরকারি জমিতে ভবন করছি তাতে কারো দেখার কিছুই নেই। খোরশেদ আলি দখলের ব্যাপারে এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এ্যাডঃ শহিদুল ইসলাম মৃধা জানান এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে সরকারি আইন ফাকি দিয়ে যদি কেউ সরকারি খাল ও রাস্তা দখল করে ভবন তৈরি করে তাদের ব্যাপারে প্রশাসনের কাছে আবহতি করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনতি বিশ্বাস জানান তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঐ ভূমিদস্যুদের কবল থেকে সরকারি রাস্তা ও খাল দখল মুক্ত রাখতে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী।

ক্রাইম ডায়রি///

Total Page Visits: 66254