• বৃহস্পতিবার (রাত ১২:২৫)
    • ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

আসছে আওয়ামীলীগের তৃনমুল সম্মেলনঃ বগুড়ার সীমাবাড়িতে ডাঃ আলাল সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীঃ দেশবাসীর নিকট দোয়া কামনা

শরীফা আক্তার স্বর্না ও শাহাদাত হোসেন, বগুড়া হতেঃ

বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শই হলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা গড়া । সোনার বাংলা গড়ার এই লড়াইয়ে তার সাথে আছেন আপামর দেশবাসীসহ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক আওয়ামিলীগের তৃনমুল পর্যায়ের নেতা ও কর্মীরা।  তাই বলে অন্যায়ের সাথে কোন আপস নয়। নয় কোন চাঁদাবাজি ও ধান্দাবাজি। অন্যায়কারী ও দেশবিরোধী যে কেউ বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার নিকট  অপরাধী বিবেচিত। দেশ প্রেমিক ও বাংলাদেশকে মনে প্রাণে ভালবাসে এমন যে কেউই তার আদর্শের কর্মী বিবেচিত। তাই শুদ্ধি অভিযানে ছাড় দেয়া হয়নি কাউকেই।

সে  দলেরই হোক কিংবা বিরোধী দলের।। বঙ্গকন্যা ও লৌহমানবী শেখ হাসিনা   শুধু  দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা রাষ্ট্র নায়কই শুধু নন ; তিনি একাধারে বারবার নির্বাচিত দলের প্রধান।

তাই সুবিবেচনার ও সমতার ভিত্তিতে তিনি দল গোছাচ্ছেন। দেশের যে কোন অঞ্চলের তুলনায় বগুড়াকে একমাত্র বিরোধী দল বি এনপির ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিনা করা হয়। সম্প্রতি হয়ে যাওয়া সম্মেলনে  তাই এখানকার আঞ্চলিক ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে আওয়ামিলীগ যথেষ্ট সুবিবেচিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে; বগুড়ার শেরপুরের কৃতি সন্তান মজিবর রহমান মজনুকে সভাপতি করার মাধ্যমে। জেলা শাখার ৭ ই ডিসেম্বর সম্মেলনের পর উপজেলা সম্মেলনের কাউন্ট ডাউনশুরু হয়েছে ।

যে কোন দলের দলীয় বিবেচনায় উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ থানা হলো উত্তরবঙ্গের একমাত্র প্রবেশদ্বার খ্যাত বগুড়ার শেরপুর থানা।  এ থানার আবার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হলো সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার সীমান্ত এলাকা সীমাবাড়ি ইউনিয়ন৷ এখানকার আওয়ামীলীগের অনেক কার্যক্রমের উপর প্রভাব রাখে দুই জেলার রাজনীতি। তাই আলোচনার এখন কেন্দ্রবিন্দু হলো সীমান্তবর্তী এই ইউনিয়নের কে হবেন পরবর্তী সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক।

 

জনশ্রুতি হলো, ইউনিয়নের ফুডভিলেজ খ্যাত ও বি এনপির সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের নিজ গ্রাম হতে ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামীলীগের    সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান ইউনিয়ন আওয়মীলীগের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলাল।  ডাক্তারী পেশায় থাকার কারনে এলাকার জনগনের খুব কাছে পৌঁছুতে পারা এ ভদ্রলোক যেমন মিশুক ; তেমন মিষ্টভাষী।  এলাকার চায়ের দোকান কিংবা পারিবারিক আলোচনায় এবং ক্রাইম ডায়রির নিজস্ব অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলাল নামই সবচেয়ে বেশী জনশ্রুত।।

তিনি শেরপুর উপজেলা সীমাবাড়ী ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে মানুুষে মন জয় করেছেন।  বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার বিভিন্ন উন্নয়নের হাতিয়ার হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নেের সোনার বাংলা  গড়ার লক্ষ্যে সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জনগনকে সচেতন করার একান্ত কাজ তিনি আপন মনে করে চলেছেন।  রাজনৈতিক

ক্যারিয়ার যেহেতু আওয়ামীলীগের মাধ্যমেই শুরু তাই  আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে বাকী জীবনটাও কাটিয়ে দিতে চান বলে ক্রাইম ডায়রির এ প্রতিনিধিকে তিনি জানিয়েছেন।  তাছাড়া, ডাঃ  মোমিনুল খন্দকার আলাল তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে অনেকটাই এগিয়ে আছেন।  ৮৮ এর দশকেে ছাত্র জীবন থেকেই পিতার হাত ধরে রাজনৈতিক জীবন শুরু।  তার পিতা সাবেক আওয়ামীলীগের নেতা জনাব মোঃ আব্দুল আজিজ খন্দকার মুকুল।

তার পারিবারিক অবিভাবক বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আশরাফ উদ্দিন সরকার মুকুলের উৎসাহ ও আগ্রহে তাদের হাত ধরেই ছাত্র জীবন অদ্যবধি পর্যন্ত আওয়ামীলীগের সাথে  তার রাজনৈতিক পথচলা অব্যহত আছে। আসন্ন শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক পদ প্রার্থী কি না জানতে চাইলে ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলাল সাংবাদিকদের বলেছেন, বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগ পরিবারের অবিভাবক জেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মজিবুর রহমান মজনু সাহেবের আশির্বাদ ও তার সহযোগীতা ও তৃনমূল নেতাকর্মীদের সমর্থন ও তাদের উৎসাহ পেয়েই তিনি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে মনে করছেন। দলীয় অভিভাবকদের অনুমতি পেলে তিনি নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষনাও দিবেন বলে আশা রাখেন।

তবে সাধারন সম্পাদক হন বা না হন তিনি বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার   উন্নয়নমূলক কর্মের সাথে একাত্বতা পোষণ করে  জনগনকে সচেতন করাসহ জনকল্যানে কাজ করে যেতে চান বলে জানান। তিনি বলেন, আমার অভিভাবক জননেতা মজিবুর রহমান মজনু সাহেবের নেতৃত্বে ও তার সৈনিক হিসেবে  আওয়ামীলীগকে একটি শক্তিশালী ও আদর্শ ভিত্তির উপর দাঁড় করানোর সংগ্রামেে নিয়োজিত থাকব । ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলাল এর সম্পর্কে সীমাবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে ,  ডাঃ আলাল আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা। তাকে বিপদ আপদে কোন প্রয়োজনে ডাকলে সব সময় কাছে পাওয়া যায় বলে সাধারন মানুষের অভিমত ।  তৃনমূল নেতা কর্মীদের সাথে সুন্দর আচরন ও তাদের সাথে ভাল ব্যবহার, তাদের কথা মন দিয়ে শোনা,  সু পরামর্শ দেয়াসহ আর্থিক, মানসিক সেবার জন্য তিনি সবার মনে স্থান করে নিয়েছেন। সমাজ সেবা হতে অসহায় দুস্থঃদের পাশে নিজ অর্থায়নে সহযোগীতা করে যান ও ফ্রী চিকিৎসা সেবা ও দান করেন বলে এলাকা সুত্রে জানা গেছে।

শুরুটা হলো যেভাবে——-

মোমিনুল খন্দকার আলাল ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত হাজী ওয়াহেদ মরিয়ম অনার্স কলেজের একজন ছাত্রলীগ কর্মী ছিলেন। ২০১০ সালে শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সীমাবাড়ী ইউনিয়নে কাজ করে আসছেন। তিনি ২০১২ সাল থেকে আওয়ামীলীগের  সীমাবাড়ী ইউনিয়ন কমিটিতে স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন  । তিনি বড়াইদহ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ও রায়গঞ্জ উপজেলা বনিক সমবায় সমিতির সহ-সভাপতি পদেও দায়িত্ব পালন করছেন।

কর্মজীবনে ডাক্তারীর পাশাপাশি ঢাকা হতে প্রকাশিত ক্রাইম ডায়রিতে ( জাতীয় সাপ্তাহিক, অনলাইন দৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন ও অপরাধ গবেষনা) রায়গঞ্জ থানা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি মানবাধিকার সংগঠন ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের শেরপুর থানা সভাপতি এবং জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের বগুড়া জেলা কমিটির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন।

তিনি যত দিন বাঁচবেন শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের একজন আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা হিসেবে কাজ করে যেতে চান বলে তিনি জানান। তিনি ক্রাইম ডায়রির মাধ্যমে সীমাবাড়ি বাসীসহ সমগ্র দেশবাসী ও আওয়ামী পরিবারের সকলের দোয়া কামনা করেন।

ক্রাইম ডায়রি///রাজনীতি//জেলা//গ্রাম বাংলা

Total Page Visits: 66417

গন্তব্যকে বাঁচানঃ দেশীয় চলচ্চিত্র বাঁচবে

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

ভেবে দেখেছেন কি একবারও একটি জাতীর সার্বিক পরিবর্তনের জন্য চলচ্চিত্রের ভূমিকা কত গুরুত্বপূর্ণ? স্বীকার করি বা না করি আমাদের অজান্তে চলচ্চিত্র আমাদের প্রতিনিয়ত মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাচ্ছে।  আপনি যখন ওয়ানে পড়েন জীবন পরিবর্তন হয়, ফাইভে পড়েন আরও পরিবর্তন, এস এস সি পাশ করেন;পরিবর্তন হয়, কলেজে আরেক ধরনের এবং ভার্সিটিতে অন্য ধরনের পরিবর্তন ঘটে মানব জীবনে।।। ধাপে ধাপে এ পরিবর্তন ঘটায় সংস্কৃতি, সাহিত্য,চলচ্চিত্র।  বিটিভি যখন গ্রামে ঢুকল গ্রাম্য সংস্কৃতির কি বৈল্পবিক পরিবর্তন ঘটেছিল সবাই জানেন। ভারতীয় টিভি কিংবা আকাশ সংস্কৃতির কারনে; দেশে কি পরিবর্তন এসেছে মানব জীবনে আমাদের গ্রাম হতে শহর সকল জায়গায় এটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে হয়না।।। পরিবর্তনের     এই সুযোগ চোখে পড়েছে যেমন ভালদের; খারাপ মানসিকতার লোকজনও কি বসে আছে,নেই? তাই এ সুযোগে চলচ্চিত্রের মূল ভাবণাকে ধ্বংস করতে মরিয়া একদল বেনিয়া। আকাশ সংস্কৃতির নামে অশ্লীলতা দিয়ে একটি জাতীর মেরুদন্ড ভেঙে দেয়া হচ্ছে।।বিদেশী সমাজ আর বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা একরকম নয়। বাংলাদেশের মানুষ বড্ড সামাজিক ও ভালবাসা প্রিয়। কিন্তু আকাশ সংস্কৃতির প্রভাবে বিদেশী সমাজ ব্যবস্থার কুটিলতা, জটিলতাপূর্ন চলচ্চিত্রের কারনে তা এখন কোন অবস্থায়; সবাই জানেন।  আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্র  আমাদের অহংকার।

এদেশে এখনও গুনী অভিনেতারা আছেন, যাদের অভিনয় আমাদের মুগ্ধ করে। কিন্তু অর্থাভাবে এ দেশের চলচ্চিত্র আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বিদেশে বিনিয়োগ হয় বলে শুনেছি, কিন্তু যে দেশের চলচ্চিত্র, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের খনি পুরো পৃথিবীতে খ্যাতি অর্জন করেছে সেই দেশে টাকার অভাবে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র বন্ধ হয়ে যাবে এটা মেনে নেয়া যায়না। বাংলাদেশী হিসেবে আমাদের কি কোনই দায়ভার নেই?

ইদানীং কালে আলোচিত নাট্য নির্মাতা অরণ্য পলাশের নতুন সিনেমা ‘গন্তব্য’। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেলেও মুখ থুবড়ে পড়েছে সিনেমার ভবিষ্যৎ। গন্তব্যের জন্য এখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ।  কত অলস অর্থ বাজে জায়গায় ব্যয় হচ্ছে। কিন্তু,  সিনেমা তৈরির অর্থ যোগান দিতে জমি, স্ত্রীর গহনা বিক্রি করেছেন অরণ্য পলাশ। তারপরও অর্থের ঘাটতি মেটাতে চড়া সুদে ঋণ নেন তিনি। ভেবেছিলেন সিনেমা মুক্তি পেলে হয়ত দিন বদলাবে। কিন্তু এখনও সিনেমা মুক্তির ব্যবস্থা করতে পারেননি তিনি। অথচ প্রতি মাসে তাকে শোধ করতে হচ্ছে সুদের টাকা।

পেট চালানোর জন্য দৈনিক ২৫০ টাকা হাজিরা ও তিনবেলা খাওয়ার চুক্তিতে রেস্তোরাঁতেও কাজ করেছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গেও হয়েছে বিচ্ছেদ। এসব নিয়ে সেসময় সংবাদ হয়েছে। তখন অনেকেই পলাশকে আশ্বাস দিয়েছেন। আজ সেগুলোও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।  জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি ওই তারিখেই মুক্তির পরিকল্পনা করেছিলেন সিনেমাটির প্রযোজক এলিনা শাম্মি। তখন তাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন প্রযোজক মনিরুজ্জামান। তিন মাস পরে এসে সম্প্রতি তিনিও ‘না’ বলে দিয়েছেন বলে গনমাধ্যমের সংবাদে জানা গেছে।  ক্রাইম ডায়রিকে এলিনা শাম্মি জানিয়েছেন ,

প্রযোজক মনিরুজ্জামান আমাদের সিনেমাটি কিনবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তার চাহিদা অনুযায়ী কিছু কারেকশনও করা হয়। এখন তিনি বলছেন- সিনেমাটি নেবেন না। তাহলে কেন তিনি আমাদের সময় নষ্ট করলেন? ৭ মার্চের দেরি নেই। এই স্বল্প সময়ে আমি সিনেমাটি কার কাছে বিক্রি করব?’

তিনি আরো বলেন, ‘মনিরুজ্জামান অনেক সময় আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতেন। সেগুলো সহ্য করেছি। ভেবেছি, সিনেমাটি তিনি কিনে নিলে আমরা দেনা পরিশোধ করতে পারব। বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রযোজক সমিতিতে অভিযোগ করব। খবর নিয়ে জেনেছি, তিনি নাকি কখনও সিনেমা প্রযোজনা করেননি। তাহলে আমাদের তিনি এই ক্ষতি কেন করলেন?’ এ দেশের মানুষ হয়ে দেশীয় চলচ্চিত্রেে অবদান রাখবেন বলে রাখলেন না এ ক্ষতি পুরো দেশের।  অপূরনীয় এ ক্ষতির দায়ভার কি তিনি নিবেন,  এ প্রশ্ন শুধু একজন এলিনার নয়; পুরো দেশবাসীর।

‘গন্তব্য’ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস, আইরিন, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, কাজী রাজু, আফফান মিতুলসহ অনেকে। সিনেমাটির জন্য শিল্পীরা নামে মাত্র পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এমতবস্থায়, এ চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে   পুরো দেশবাসী এগিয়ে আসবেন বলেও মনে আশা পোষন করেন সংস্কৃতি প্রেমী জনগন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার নিকট দেশবাসীর পক্ষ হতে ক্রাইম ডায়রির আবেদন দেশীয় চলচ্চিত্র গন্তব্যকে বাঁচান।

ক্রাইম ডায়রি/// সংস্কৃতি//জাতীয়

Total Page Visits: 66417