• রবিবার (সকাল ৮:১১)
    • ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

কমছে পিঁয়াজের দাম– সংসদে কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক

বিশেষ প্রতিনিধিঃঃ

পিঁয়াজ নিয়ে বহু মাতামাতির পর এবার পিঁয়াজের দাম কমে পাবলিকের ক্রয় সীমার মধ্যে আসার একটা সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।আশা করা যায়,  আগানী কিছু দিনের মধ্যে আবার আগের মতই পিৃয়াজ কিনতে পারবে জনগন। কৃষি মন্ত্রী ডক্টর  আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন শিগগিরই পেঁয়াজের দাম কমবে।  ভারত পেঁয়াজ রফতানির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় পেঁয়াজের দাম কমবে। পেঁয়াজের কেজি ১১০ টাকা থাকবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে দাম কমে কত হবে জানাতে পারেননি তিনি।

২০২০ সালের জানুয়ারীর ১৬ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেলে একাদশ জাতীয় সংসদের ৬ষ্ঠ অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাসদ একাংশের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শিরিন আখতারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে একথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, এখন পেঁয়াজের মৌসুম। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে এবং অন্যান্য দেশ থেকেও এসময় পেঁয়াজ আসবে। কোনওক্রমেই পেঁয়াজের দাম ১১০ টাকা কেজি থাকবে না। এটা অবশ্যই কমে আসবে। আমরা পেঁয়াজের ওপর যথেষ্ট গবেষণা করেছি এবং বিজ্ঞানীরা অনেক উন্নতমানের জাত আবিষ্কার করেছে এবং এখন হেক্টরে ২০, ২৫, ৩০ টন পর্যন্ত পেঁয়াজ উৎপাদন করা সম্ভব। কথা প্রসঙ্গে নিত্য কিছু পন্য যার ব্যবহার বহুল কিন্তু আলোচনা কম এমন দ্রব্য এলাচির দাম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মসলা নিয়ে অনেক গবেষণা করেছি। বগুড়াতে একটা গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা কাজ করছে। প্রকৃতির কারণে সব মসলা বাংলাদেশে হয় না। অনেক মসলা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যেগুলো আমাদের দেশে হয় সেগুলো তো উৎপাদন করছি এবং সরকার এই জাতীয় মসলা যারা আবাদ করবে তাদের ৪ শতাংশ হারে সুদ দিয়ে কৃষককে প্রণোদনা দেয় বা ঋণ দেয়। কৃষকরা যদি মসলা, পেঁয়াজ উৎপাদন করে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন।এলাচির দাম আন্তর্জাতিক বাজারেই বেশি বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাছাড়া সবজির দাম এবার তুলনামূলকভাবে বেশি।

এ নিয়ে উভয় সঙ্কটের কথা তুলে ধরে বলেন, একদিকে সবজি আবাদ করতে যে খরচ হয়, সে অনুযায়ী কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। আবার যেটা অস্বাভাবিক সেটাও গ্রহণযোগ্য না। আমরা এমন একটা জায়গায় আছি আমাদের জন্য উভয় সঙ্কট। দাম বেশি হলেও নিম্ন আয়ের মানুষ তাদের জন্য অনেক কষ্ট হয় আবার একদম কমে গেলে চাষিরা ফসল বিক্রি করে তার সংসার অন্যান্য খরচ চালাতে পারে না। দামটা অবশ্যই সহনশীল পর্যায়ে থাকতে হবে। তবে মানতে হবে সবজি এবং বিভিন্ন পরিবহনে খরচ অত্যাধিক।

সাংসদ আয়েন উদ্দিনের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে দাম কিছুটা বৃদ্ধি থাকলেও স্থিতিশীল রয়েছে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, তবে আগামীতে পেঁয়াজ নিয়ে কোনও সঙ্কট সৃষ্টি হবে না। যদি আমদানি করতেই হয়, তবে আগে থেকেই আমদানির ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকরা যাতে পেঁয়াজ উৎপাদন করে ন্যায্যমূল্য পায় তার জন্য স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজ সংরক্ষণের নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, দেশে ২৩ থেকে ২৪ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়, কিন্তু চাহিদা রয়েছে ৩০ থেকে ৩২ লাখ মেট্রিক টন। অবশিষ্ট চাহিদা পূরণে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়।

গত মৌসুমে অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতেই পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়, ফলে অধিক ঘাটতির সৃষ্টি হয়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির কারণে দেশে হু হু করে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়, আমরা বাজারে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। সরকার দ্রুত চীন, মিসরসহ কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, পেঁয়াজের বিষয়টি সরকার এবার গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে। মাঠ পর্যায়ে নানা প্রণোদনা প্রদানের কারণে অতীতের তুলনায় এবার অধিকহারে পেঁয়াজ উৎপাদন হবে। এক্ষেত্রে আমরা আমদানি বন্ধ করে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনকারী কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্যে পায় সে ব্যবস্থা করবো। কারণ পেঁয়াজ পচনশীল। ভরা মৌসুমে কৃষকরা পেঁয়াজ খুব অল্পমূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এতে পেঁয়াজ উৎপাদনে তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। আগামীতে এটা যেন না হয় সে ব্যাপারে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পিঁয়াজ নিয়ে যে অনাকাংখিত পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল তা সত্যিই অনভিপ্রেত।  তবে এ ঘটনা হতে যথেষ্ট শিক্ষা গ্রহন করা হয়েছে।  সকল আবাদী জমিকে কাজে লাগিয়ে নিজস্ব ভাবে কৃষি পন্য উৎপাদন করে নিজস্ব পন্য ভান্ডার বৃদ্ধি করতে পারলে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি কখনও হতে হবেনা বলে বিশেষজ্ঞগন মনে করেন।

ক্রাইম ডায়রি/// জাতীয়//কৃষি

Total Page Visits: 66755

ঝিনাইদহে বেকারিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জরিমানা

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ


ঝিনাইদহে পচা বাসি খাবার রাখার অপরাধে দুটি বেকারিতে জরিমানা করেছে ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে শহরের আলিফ ও রিমা বেকারিতে এ অভিযান
পরিচালনা করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সুচন্দন মন্ডল
জানান, শহরের গীতাঞ্জলী সড়কের পুরাতন ছবি ঘর সংলগ্ন আলিফ ও রিমা বেকারিতে
দীর্ঘদিন ধরে পচা বাসি খাবার তৈরি করে বিক্রি করা হচ্ছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে
সেখানে অভিযান চালিয়ে রিমা বেকারিকে ২০ হাজার ও আলিফ বেকারিকে ১০ হাজার
টাকা জরিমান করা হয়। সেসময় সিপিসি ২ ও র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আদালত

Total Page Visits: 66755

পতেঙ্গায় লোকনাথ ধাম-গীতা শিক্ষালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠা র্বাষিকী

বাবুল হোসেন বাবলা, চট্টগ্রাম অফিসঃ


পতেঙ্গাস্থ শ্রী শ্রী লোকনাথ ধাম-গীতা শিক্ষালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠা র্বাষিক উ সব-সম্প্রীতির
শোভাযাত্রা ,শ্রীমদগীতাপাঠ,র্ধমসভা ও সংগীতা অনুষ্ঠান ১৭ জানুয়ারী শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে
দিনব্যাপি ইপিজেড থানাধীন ভৈরব ঠাকুর মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
সকালে জাতীয়ওগৈরিক পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির পায়রা-বেলুন উড়িয়ে শোভা যাত্রার উদ্বোধন
করবেন চসিক ৪০নং ওর্য়াডে সাবেক কাউন্সিলর,আঃলীগ সভাপতি হাজী আব্দুল বারেক
কোং,র্আশীবাদক অতিথি-জ্যোর্তিময়ানন্দ ব্রক্ষ্মচারী(রনি ব্রক্ষ্মচারী)এবংস্থানীয় নেতৃবৃন্দ
উপস্থিত থাকবেন।


বিকেলে মহতী র্ধমসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার
মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল(এমপি),মহান অতিথি-চট্টগ্রাম১১এর সাংসদ আলহাজ্ব এম.আব্দুল
লতিফ,প্রধান বক্তা-নগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এডঃ চন্দন তালুকদার,র্ধমীয়
মূখ্যপ্রবচক-শ্রী সুর্দশন চক্রর্বত্তী,আলোচক বিশেষ অতিথি-৩৯নং ওর্য়াড কাউন্সিলর হাজী
জিয়াউল হক সুমন,কাউন্সিলর হাজী জয়নাল আবেদীন সহ প্রবীর কুমার সেন(পিডিবি দক্ষিণের
প্রধান প্রকৌশলী) স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সকল কে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য উ সব উদযাপন কমিটির সভাপতি
উত্তম শীল ও সাঃসম্পাদক সুজন কুমার শীল বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি////জেলা//নগর মহানগর

Total Page Visits: 66755

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আকস্মিক মৃত আবরারের মামলায় দেশবরেন্য পত্রিকার সম্পাদককে গ্রেফতারী পরোয়ানা

অনলাইন ডেস্কঃ

মনে আছে সেই ছেলেটির কথা। বহুল আলোচিত সেই কিশোর আবরার দেশের খ্যাতি সম্পন্ন ও অন্যতম জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।  পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত দূর্ঘটনার শিকার হয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুবরন করে। যাতে হতবিহবল হয়ে পড়ে প্রথম আলো পরিবার।  ঘটনা সুত্রে প্রকাশ,   কিশোর সাময়িকী ‘কিশোর আলোর’ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বিদ্যুতায়িত হয়ে নাইমুল আবরার নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, কিশোর আলো সম্পাদক আনিসুল হকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ১৬ জানুয়ারী, ২০২০ইং তারিখ, বৃহস্পতিবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম এ-সংক্রান্তে দাখিল হওয়া পুলিশ প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ পরোয়ানা জারি করেছেন। এতে যাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন,  প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক, হেড অব ইভেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্টিভিশন কবির বকুল, নির্বাহী শুভাশীষ প্রামাণিক শুভ, কিশোর আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মহিতুল আলম পাভেল, নির্বাহী শাহপরান তুষার, ডেকোরেশন ও জেনারেটর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের জসিম উদ্দিন অপু, মোশারফ হোসেন, সুজন ও কামরুল হাওলাদার প্রমূখ।

উল্লেখ্য যে,  ২০১৯ সালের ৬ নভেম্বর নিহত নাইমুল আবরারের পিতা মো. মজিবুর রহমান একই আদালতে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০৪ (ক) ধারায় এ মামলা করেন, যার সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।

মামলাটি  দীর্ঘ  তদন্ত করে  মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক আব্দুল আলীম।  পরে তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে  বলে জানান এবং এই  মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার আদালত আমলে নিয়ে পরোয়ানা জারি করেন।
মামলাটির অভিযোগে বলা হয়েছে যে, বাদীর ছেলে নাইমুল আবরার (১৫) গত ১ নভেম্বর,২০১৯ইং ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে কিশোরদের মাসিক সাময়িকী কিশোর আলোর বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে যায়। সে ওই প্রতিষ্ঠানেরই নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। অনুষ্ঠান চলাকালে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে আবরার বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। অনুষ্ঠানের জন্য যে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা হয় তা অরক্ষিত ছিল। এরূপ অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার যে নিরাপত্তামূলক ও সাবধানতার ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রয়োজন ছিল তা করা হয়নি। তাছাড়া  স্পটের খুব কাছেই সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থাকলেও আবরারকে দূরবর্তী ‘মহাখালী ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে’ নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গত ১ নভেম্বর ইস্যুকৃত মৃত্যু সনদে দেখা যায়, নিহত আবরার ওই তারিখে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে ভর্তি হয় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ৪টা ৫১ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। যেখানে আবরার বেলা সাড়ে ৩টায় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়। আর মৃত্যু সংবাদ জানার পরও মৃত্যুর সংবাদ গোপন রেখে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান চালিয়ে যায়। যা অমানবিক এবং হৃদয়বিদারক   চরম ধৃষ্টতার শামিল।

অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর আবরারের পরিবারকে ৭টার পর সহপাঠীর মাধ্যমে মৃত্যু সংবাদ জানানো হয়েছে দাবি করে অভিযোগপত্রে এটাকে ‘পরিকল্পিত অবহেলাজনিত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আরো অভিযোগ করা হয়েছে, পরে বাদী ও তার পরিবার হাসপাতালে এলে মৃত্যুকে দুর্ঘটনা হিসেবে মেনে নিতে চাপ প্রয়োগ করা হয়। এরপর বাদী দ্রুত মরদেহ চাইলে মুচলেকা রেখে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। ফলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন হয়। পরবর্তী সময়ে নাইমুল আবরারের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা দৃশ্যমান হতে থাকে। অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসায় অবহেলার বিষয়ে শিক্ষার্থীরা গত ২ নভেম্বর ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে।
আরো বলা হয়, বাদীর দৃঢ় বিশ্বাস নাইমুল আবরারের মৃত্যু অপমৃত্যু নয়। বরং আসামিদের চরম অবহেলা, অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসায় অবহেলা, অযত্ন, অমনোযোগী, গাফিলতি ও অসাবধানতার কারণে ঘটেছে, যা বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০৪-এ ধারার অপরাধ বলে উল্লেখ  হয়েছেে। তবেে বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রেক্ষাপটে বোঝা ঘটনা অনভিপ্রেত ও আকস্মিক। ঐ সময়ে উপস্থিত অনেকেই অবশ্য আকস্মিক  ঘটনায় হতবিহবল হয়ে

পড়েছিলেন।পরে মৃত্যুর সংবাদ শুনে তারা সত্যই বেদনাহত হয়ে পড়েছিলেন বলে জানান।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম///আদালত

Total Page Visits: 66755