• বৃহস্পতিবার (রাত ১:০৯)
    • ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

খোদ রাজধানীতে চাঁদার দাবিতে এক সম্পাদককে হুমকিঃ জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের পক্ষ হতে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান:

সাংবাদিকরা ইদানীং চরম নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন।কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও খুনিদের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা।অবস্থা কতটা বেশামাল হলে রাজধানীতে কর্মরত একজন খ্যাতিমান সাংবাদিক ও সম্পাদককে চাঁদার দাবিতে নাম-পরিচয় দিয়ে সন্ত্রাসী হুমকি দিতে পারে, তা ভেবে কূল পাচ্ছে না সাংবাদিক সমাজ।

২৩ নভেম্বর বেলা দেড়টায় শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদত পরিচয়ে চাঁদার দাবিতে দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকা টইমস অনলাইন পোর্টাল ও সাপ্তাহিক ‘এই সময়’-এর সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।জনাব দোলনকে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে এ হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন জনাব দোলন। রমনা মডেল থানার জিডি নম্বর ১৪৪৫,তারিখ ২৩.১১.২০১৯।

মামার বাড়ির আবদারের মতো নিজেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদত পরিচয় দিয়ে ০১৯২৩-৭৬৬৩০৩ থেকে ফোন দেওয়া হয়।সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজরা নিজেদের কতটা নিরাপদ মনে করলে আরিফুর রহমান দোলনের মতো একজন পেশাদার সাংবাদিক ও সম্পাদকের কাছে সরাসরি চাঁদা চেয়ে ফোন দিতে পারে! তিনি তো কোনো অখ্যাত সাংবাদিক নন। নন ব্যক্তিও। ফলে যে বা যারা চাঁদা চেয়ে হুমকি দিয়ে ফোনটি করেছে, তারা যে তা জেনে-বুঝে করেছে; তাতে কোনো সন্দেহ নেই্।

দেশের অন্যতম শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলোর শুরু থেকে জনাব আরিফুর রহমান দোলন কর্মরত ছিলেন।ছিলেন সিনিয়র রিপোর্টার।যাদের হাত ধরে দৈনিকটি কালোত্তীর্ণ হয়, জনাব দোলন তাদের অন্যতম। আমার সৌভাগ্য হয়েছে, প্রথম আলোয় তার সহকর্মী হওয়ার। সহকর্মী হিসেবে গর্ববোধও করি। জনাব দোলন নিজে গণমাধ্যমের মালিকানায় যুক্ত হওয়ার পর তার হাউজে যাওয়ার জন্য বলেছিলেন, কিন্তু যা যাব করে সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এখন কিন্তু না গিয়ে পারব না।এবার দাওয়াত ছাড়াই যাব। কারণ আমার এককালের সহকর্মী এবং এর চেয়ে বড় কথা, একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের জীবন যখন হুমকির মুখে।

 

দুঃখজনক ঘটনাটি অর্থাৎ হুমকির পর স্বাভাবিক কারণেই তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত। যে কেউ এমন ঘটনার মুখোমুখি হলে এমনই হতেন। ইতিমধ্যে অনেক সাংবাদিকের সঙ্গে অসংখ্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এক্ষেত্রে জনাব দোলন বসে থাকেননি, নিয়ম মেনে ঘটনাটি তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এনেছেন। তাৎক্ষণিক করেছেন জিডিও। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ফোনের সূত্রটি ধরে এগোলে সহজেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দায়ীকে সনাক্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক সিনিয়র এই সাংবাদিককে ভীতিমুক্তকরণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সফল হবে, এ বিশ্বাস অপরাধ বিশেষজ্ঞদের।

নিজেকে সন্ত্রাসী পরিচয়দানকারী বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না-করার জন্য হুমকি দিয়েছে। জনাব দোলন দেশের প্রচলিত আইন মেনে শঙ্কা প্রকাশ করে জিডি করেছেন, এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। দুটি সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে দায়ীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতারপূর্বক শাস্তির দাবিতে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাতে সন্ত্রাসীর আঁতে লাগাই স্বাভাবিক। কেননা চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী।

পেশাগত কারণে আরিফুর রহমান দোলন রিপোর্টাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউর সদস্য,সাংবাদিকদের রুটি-রুজির অন্যতম প্রতিষ্ঠান ঢাকা সাংবাদিক ইউনিযন- ডিইউজের সদস্য এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা ও তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য। এর বাইরেও তার ব্যাপক পরিচিতি এবং সমাজ ও মানব কল্যাণে নিবেদিত অনেক অবদান-সুখ্যাতি রয়েছে।

সন্ত্রাসীর পক্ষ থেকে হুমকি আসার পর জনাব দোলনের জন্য স্বাভাবিক কারণেই অনেকেই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। এর মধ্যে ২৫ নভেম্বর ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের পরিচয় দিয়ে সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলনের কাছে চাঁদা দাবি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। যখন দেশে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অনিয়ম ও অপকর্মের বিরুদ্ধে ‘শুদ্ধি অভিযান’ চলছে, তখন এ ধরনের ঘটনা আতঙ্কের জন্ম দেয়।
বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে চাঁদা দাবিকারীর মুখোশ উন্মোচন করার দাবি জানান। নেতারা আরিফুর রহমান দোলনের নিরাপত্তাদানের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযানের দাবি জানান। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। গত ২৪ নভেম্বর ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ ও নিন্দা জানান। একই সঙ্গে তারা হুমকিদাতাকে দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।

এর বাইরে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, গাইবান্ধায় প্রতিবাদ সমাবেশ, মানববন্ধন, মিছিল ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। রাজধানী ঢাকায় ঘটে যাওয়া হুমকির ঘটনায় তার স্বজন ও সুহৃদরা ব্যথিত ও চিন্তিত হওয়াই স্বাভাবিক।যার প্রতিফলনের দিকগুলো এক্ষণ বর্ণনা করা হলো। আশঙ্কার কারণ হলো, জিডি এবং গণমাধ্যমে বিষয়টি ফলাও করে আসার পরও হুমকিদাতাকে চৌদ্দশিকের মধ্যে এখনো আনতে না-পারা।

এখনো হুমকিদাতারা গ্রেফতার না হওয়া দুঃখজনক।আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অনেক কাজে তাদের অসামান্য দক্ষতার পরিচয়-প্রমাণ দিয়েছে। আন্তরিক হলে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে তাদের আন্তরিকতা, দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও বিশ্বস্ততার অসংখ্য নজির রয়েছে। এসব নজির আশাবাদী হতে সাহায্য করে।আমরা আশা করা যায়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনাব দোলনকে হুমকিদাতাদের গ্রেফতার করে সাংবাদিক মহল, সুধী সমাজ ও জনাব দোলনের স্বজনদের শঙ্কামুক্ত করবে।এ কাজটা দ্রুত করা গেলে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য কিছুটা হলেও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সহজ হবে। এদিকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ক্রাইম ডায়রির সম্পাদক ও প্রকাশক    ( জাতীয় সাপ্তাহিক,অনলাইন দৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন ও অপরাধ গবেষনা)  আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল।   তিনি মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে  দ্রুত   দোষীদের আটক ও আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানিয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি///প্রতিবেদক : বিশেষ প্রতিনিধি- পিএনএস/// সৌজন্যে

Total Page Visits: 66419

ক্ষমতা কারো চিরকাল থাকেনা– রংপুরে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

নুরুজ্জামান প্রধান,বিভাগীয় অফিস,রংপুরঃ-

ক্ষমতা কারোই চীরকাল থাকেনা।  সুতরাং, ক্ষমতার বড়াই না দেখিয়ে মানবসেবা করে যাও।   বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার   এই নীতিরই পুনঃব্যক্ত করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের।  দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষমতার দাপট না দেখানোর আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ মানে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে সৃষ্টির শ্লোগান। দুঃসময় মোকাবেলার নাম আওয়ামী লীগ। সব দুঃসময়ের বিরুদ্ধে দুর্যোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে আওয়ামী লীগ আজ ক্ষমতায়।

২৬ নভেম্বর ২০১৯ইং মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন

তিনি বলেন, আজ সুসময় আছে। এই সুসময় চিরদিন নাও থাকতে পারে। মনে রাখবেন যে, ক্ষমতা আছে- এ ক্ষমতার দাপট দেখালে ক্ষমতা চিরদিন নাও থাকতে পারে। ক্ষমতা চিরদিন থাকে না। ক্ষমতা একসময় চলে যাবে। ক্ষমতার দাপট কেউ দেখাবেন না। বিনয়ী থাকবেন। আমাদের নেত্রী বলেছেন সাধারণ জীবনযাপন করতে হবে। অনেক স্বপ্ন দেখতে হবে। অনেক স্বপ্ন দেখাতেও হবে।

তিনি আরো বলেন, পানির অভাবে এক সময় রংপুরের মানুষ মঙ্গাকবলিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী সেই মঙ্গাকে জাদুঘরে পাঠিয়েছেন। রংপুরকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপক উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বগুড়া থেকে চার লেনের কাজ শুরু হয়েছে। রংপুর থেকে বুড়িমারি বাংলাবান্দা সড়ক করা হবে। গোটা উত্তরাঞ্চলের সমস্ত মহাসড়ক চার লেনের আওতায় আনা হবে। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বিশ্বের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছেন শেখ হাসিনা। বিশ্বের মহিলা নেতাদের তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়বে। সেই যাত্রায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

রংপুর বিভাগীয় দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ তের বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল কাঙ্ক্ষিত এই সম্মেলন। ২০০৭ সালে সাফিয়ার রহমান সাফিকে সভাপতি ও বাবু তুষার কান্নি মন্ডলকে সাধারণ সম্পাদক করে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়। আর ১৯৯৭ সালে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন হয়। ২০০৬ সালে রংপুর জেলা সম্মেলন আহ্বান করা হলে দলের দুই গ্রুপের বিরোধের জেরে পণ্ড হয়ে যায়। পরে আহবায়ক কমিটি দ্বারা জেলা আওয়ামী লীগ পরিচালিত হয়। ২০০৯ সালে মরহুম আবুল মনছুর আহমেদকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজুকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় কমিটি। পরে আবুল মনসুর আহমেদের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।

বেলা ১১টায় সম্মেলন উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন। জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক টিপু মুনশি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আখতার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিম রাজু ও মহানগর সভাপতি সাফিউর রহমান সফি। সম্মেলন উপস্থাপনা করেন মহানগর সেক্রেটারি তুষারকান্তি মন্ডল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুঃসময়ের আওয়ামী লীগ নেতাদের মূল্যায়ন না করে বসন্তের কোকিলদের হাতে নেতৃত্ব দেয়া যাবে না। মাদকসেবী, দুর্নীতিবাজ, টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজদের নেতৃত্বকে না বলুন। দীর্ঘদিন রংপুরে কমিটি না হওয়ার কারণে সেশনজটে আটকে গেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। ত্যাগী নেতাদের কোণঠাসা করে আত্মীয়দের নেতা বানাবেন না। বিশুদ্ধ রক্ত দিয়ে দল পরিচালনা করুন। দলের নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দিন। দূষিত সব রক্তদের পরিহার করুন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন  আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় জনসাধারণ।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়//রাজনীতি

 

Total Page Visits: 66419