• বৃহস্পতিবার (রাত ১:২৮)
    • ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

প্রত্যেক উপজেলায় দশজন দুষ্টলোক চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবেঃ দুদক কমিশনার

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক খান বুধবার (২৩ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠানে বলেছেন, দুদক এখন আর দন্তহীন বাঘ নয়। দুদক এখন একটি শক্তিশালী স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। দুদকের কামড় দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। দুদকের আঁচড় লাগলেও অনেকে সহ্য করতে পারে না।

তিনি বলেন, দুদক ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই তালিকা আরও দীর্ঘ হবে, বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে দুষ্ট লোকের সংখ্যা খুব বেশি নয়। ৪৯২টি উপজেলা রয়েছে। প্রতি উপজেলায় যদি ১০ জন করে দুষ্ট লোককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা যায় তাহলে দেশ থেকে দুর্নীতি-অনিয়ম অনেকটা কমে যাবে।

কমিশনার বলেন, দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। দুর্নীতি করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদও বাজেয়াপ্ত করা হবে।

 

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রভাবশালীরা দুদকের জালে আটকা পড়ে আইনের আওতায় আছে। তাদের সাঙ্গ-পাঙ্গদের আইনের আওতায় আনা হবে। কেউ ছাড় পাবে না।নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- সেক্টর কমান্ডার ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রূপগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব) কে এম শফিউল্লাহ, দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আকতার হোসেন, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ ও রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম।পরে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রূপগঞ্জ উপজেলা পোস্ট অফিস, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, স্বাস্থ্য বিভাগ, ভূমি অফিস, শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দুদক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অভিযোগকারিদের মুখোমুখি হন। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগকারী সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সেবা না পাওয়াসহ দুর্নীতি অনিয়মের নানা অভিযোগ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাখ্যা প্রদান করেন।সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে প্রায় ১১০টি অভিযোগ গণশুনানিতে উঠে আসে।

ক্রাইম ডায়রি//আইনশৃঙ্খলা

Total Page Visits: 66421

ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা এখন তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মত বিশ্বনেতা। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ গ্রহন করছেন এ হিসেবে নয়;বরং, তার বিশ্বনেতারা তাকে মূল্যায়ন করেন এই মানদন্ডেই তিনি বিশ্বনেতাদেরও নেতা।

সম্প্রতি, তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন-ন্যামের অষ্টাদশ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে ২৫ অক্টোবর,  শুক্রবার সকালে আজারবাইজানের বাকু কংগ্রেস সেন্টারে পৌঁছেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন হয় শুক্রবার।

১২০টি উন্নয়নশীল দেশের জোট ন্যাম রাজনৈতিক সমন্বয় ও পরামর্শের জন্য জাতিসংঘের পর সবচেয়ে বড় ফোরাম হিসেবে পরিচিত।

স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা ৫৮ বছরের পুরনো এ জোটের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের পাশাপাশি পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকা ১৭টি দেশ ও ১০ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা দুই দিনের এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

সকালে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা সম্মেলনস্থলে পৌঁছালে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ তাদের স্বাগত জানান।

অতিথিদের নিয়ে ফটোসেশনের পর শুরু হয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশন। শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন ন্যামের বিদায়ী চেয়ারম্যান ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। এরপর বক্তব্য দেন নতুন চেয়ারম্যান ইলহাম আলিয়েভ।

ইরানের প্রেসিডেন্ট, কিউবার প্রেসিডেন্ট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, জিবুতির প্রেসিডেন্ট, ঘানার প্রেসিডেন্ট, নেপালের প্রধানমন্ত্রী, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, ভারতের উপরাষ্ট্রপতি, তুর্কেমিনিস্তানের প্রেসিডেন্ট, বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় প্রেসিডেন্সির চেয়ারম্যান, আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন উদ্বোধনী অধিবেশনে।

ন্যামভুক্ত দেশগুলোতে বসবাস করে বিশ্বের ৫৫ শতাংশ মানুষ। স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যে শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে এই জোট কাজ করেছিল তা পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়টি এবারের সম্মেলনে আলোচনায় থাকছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের প্রধানদের মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় তিনি যোগ দেনে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের দেওয়া নৈশভোজে।

ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিতে ২৪অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে পৌঁছান বঙ্গকন্যা  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সফরে তিনি থাকছেন হিলটন বাকু হোটেলে।

শনিবার সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন, প্রতিনিধি দলের প্রধানদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ এবং সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

সন্ধ্যায় আজারবাইজানে বাংলাদেশের দূত হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া নৈজভোজে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। সফর শেষে রোববার সন্ধ্যায় তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সকল দেশবাসীর প্রতি তিনি ভালবাসা ব্যাক্ত করেছেন।

ক্রাইম ডায়রি/ জাতীয়

Total Page Visits: 66421

কেমন আছেন খালেদা জিয়া??? জামিন পেলে দেশের বাহিরে চিকিৎসা করাতে চায় তার পরিবার

অনলাইন ডেস্কঃ

বুকে হাওয়া লাগিয়ে মহা আনন্দে  নিজ স্বার্থের কথা ভেবে আর স্বপ্ন দেখতে দেখতে যখন দিন অতিবাহিত করছেন বিএনপি নেতারা; ঠিক তখনি,  বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিতে চাইছেন তার পরিবারের সদস্যরা। সুফলভোগী নেতাকর্মীদের কোন বিকারই যেন নেই।।তাদের বুলি একটাই আওয়ামীলীগ তাদের সুযোগ দিচ্ছেনা।।কিন্তুু তাদের নেত্রীকে চিকিৎসার   জন্য আওয়ামীলীগ ঠিক কোথায় তাদের বাঁধা হয়ে দাড়াল তা কারো নিকটই স্পষ্ট নয়।বরং দিনে দিনে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে বিএনপির সুসময়ের সুফলভোগীদের চরিত্র। দলের প্রতি তাদের মহাটান।কারন, দলের পদে ইনকাম ভাল। কিন্তুু দলের নেত্রীর মুক্তি কামনায় সরকারের অনুগ্রহ কামনায় কোন মিমাংসা যেমন তারা করে না,ঠিক তেমনি,দলীয় নেতার মুক্তির চেস্টা দৃশ্যমান নয় ;আবার, সরকারকে সহযোগীতা না করে একতরফা গলাবাজিতে তারা ব্যস্ত।।কোন আন্দোলনেও তারা নেই।। শুক্রবার  ২৫ অক্টোবর বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করেন তার আত্নীয়রা । পরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মেজ বোন বেগম সেলিমা ইসলাম সাংবাদিকদের বেগম জিয়াকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসার ব্যাপারে  এ তথ্য জানান।

যদিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন ও তার চিকিৎসার ব্যাপারে কোন ত্রুটি নেই  ।  তবে চিকিৎসায় আত্মতৃপ্তির জন্য তার পরিবার তাকে বাহিরে নিতে চাইলে সেটা  তাদের ব্যাপার বলে জানান তারা।

বেগম সেলিমা রহমান বলেন,বেগম খালেদা জিয়ার জামিন পেলে তাকে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিদেশ নিতে চাই। তিনি বলেন, এখানে তার চিকিৎসা হচ্ছে না। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে খালেদা জিয়ার স্বজনরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তার সাথে দেখা করতে আসেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক তারা খালেদা জিয়ার পাশে থাকেন।

স্বজনদের মধ্যে রয়েছেন-বেগম খালেদা জিয়ার মেঝ বোন বেগম সেলিমা ইসলাম, খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়েদা রহমানের বড় বোন শামীম আরা বিন্দু, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের ছেলে অভিক ইস্কান্দার, খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের ছেলে অতনু ইস্কান্দার সহ ছয়জন।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়//রাজনীতি

Total Page Visits: 66421

বগুড়ার সীমাবাড়ির ররোয়ায় রাস্তার বেহাল দশাঃ মেরামতের জন্য দাবী সাধারন জনতার

শাহাদাত হোসেন, সংবাদদাতাঃ


বগুড়া শেরপুর উপজেলা সীমাবাড়ী ইউনিয়নে ররোয়া পশ্চিমপাড়া মজুর উদ্দিনের বাড়ী হতে প্রামানিকপাড়া সীমাবাড়ী ররোয়া ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত রাস্তার বেহাল অবস্থা। এই জনবহুল জনসাধারণের  চলাচলের  রাস্তা

 

নিয়ে  কারো মাথাব্যাথা নেই। ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রায় গ্রামের রাস্তাই পাকা করা হয়েছে, কিন্তু

অজ্ঞাত কারণে   ররোয়া পশ্চিমপাড়া রাস্তায় কোন ডিজিটালের ছোয়া লাগেনি এখন পর্যন্ত। ররোয়া পশ্চিমপাড়া এই রাস্তা দিয়ে হাজারো মানুষ যাতায়াত করে প্রতিনিয়ত ।একটু বৃষ্টি হলে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা খুবই দূর্বিসহ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী সহ স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রীদের। ররোয়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ গুলো তাদের কষ্টে ফলানো ফসল ভ্যান যোগে বিক্রয়ের জন্য বাজারে নিতে প্রচুর কষ্টের মধ্যে  পড়তে হয়। এই রাস্তার পাশে আছে একটি মাদ্রাসা, রুহি মাল্টিমিডিয়া স্কুল, মসজিদ, আর্জিনা হামিদ সরকারী বিদ্যালয়।

এই বেহাল রাস্তা দিয়েই কোমল মতিরা স্কুল/ মাদ্রাসার যাতায়াত করে। জনবহুল রাস্তাটি অবিলম্বে মেরামত করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট সর্বস্তরের জনসাধারন দাবী করেছেন।

ক্রাইম ডায়রি// জেলা//গ্রাম বাংলা

Total Page Visits: 66421