• শুক্রবার ( রাত ৪:৫১ )
    • ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশী নিহতঃ বাংলাদেশী কমিউনিটিতে শোকের ছায়া

যুক্তরাষ্ট্র সংবাদদাতাঃ

নিউইয়র্কে দুইজন বাংলাদেশী নিহতের ঘটনা ঘটেছে। ৪ সেপ্টেম্বর,২০১৯ইং মঙ্গলবার সকালে নিউইয়র্ক সিটির পার্শ্ববর্তী লং আইল্যান্ডে বাংলাদেশি আমানউল্ল্যাহ আমানকে (৬৪) এক মাতাল গাড়িচালক তার গাড়ির নিচে চাপা দেয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে কুইন্সের ওজনপার্কে একটি নাইট ক্লাবের সামনে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন মোহাম্মদ শাহেদ উদ্দিন (২৭)।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লেবার ডে উইকএন্ডের সকালে আমান ২৮৯২ ওসান এভিনিউয়ে নিজের বাড়ি থেকে ময়লার ব্যাগ ফেলার জন্য যাচ্ছিলেন। এসময় মাত্রই তাকে গাড়িচাপা দেন  গাড়িচালক এরিক লিন্ডারম্যান (৩৩)। তাকে নিকটবর্তী স্টোনিব্রুক হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘাতক এরিককে আটক করেছে।

৩৬বছরের বেশী সময় নিউইয়র্কে বসবাসকারী আমানউল্ল্যাহ আমান বিভিন্ন রিটেল চেইন স্টোরে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন শেষে সম্প্রতি অবসর জীবনযাপন করছিলেন।  সূত্রে জানানো হয়েছে,  আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরহুমের জানাজা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে এবং লং আইল্যন্ডের ওয়াশিংটন মেমোরিয়ালের মুসলিম কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

অন্যদিকে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত শাহেদ ওজন পার্ক এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা বাবর উদ্দিনের ছেলে। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের সন্দ্বীপে। বাবর উদ্দিন যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতা।সোমবার ভোরে রিচমন্ড হিল এলাকার একটি নাইট ক্লাব থেকে বের হন বাংলাদেশি যুবক শাহেদ ও বব। এ সময় অপর এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক কাছাকাছি ১৩০ স্ট্রিট এবং ৯২ এভিনিউয়ে এসে পৌঁছান।দুর্বৃত্তরা গাড়ির ভেতর থেকে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এতে তারা গুরুতর আহত হন। তাদের তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে শাহেদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এখনও পর্যন্ত হামলার কারণ জানা যায়নি। পুলিশ হত্যাকারীকে ধরতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি/ আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 19965

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নিবির পর্যবেক্ষণ করা হবে

শাহাদাত হোসেন রিটনঃ

একের পর এক ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি এখানে কার্যরত বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম গভীর পর্যবেক্ষণের আওতায় নিয়ে আসছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সংশ্নিষ্ট বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে পরিবর্তনসহ বেশ কিছু নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।  ক্যাম্প এলাকায় তাদের সংঘবদ্ধ সমাবেশ, চাঁদাবাজি ও মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে সংশ্নিষ্টতা এবং কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন তৎপরতার বিষয় নজরে আসার পর সরকার টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধসহ জরুরি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে শরণার্থী ক্যাম্প এলাকায় বিকেল ৫টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ১৩ ঘণ্টা থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ করার জন্য মোবাইল ফোন অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতে কূটনৈতিক কার্যক্রমও জোরালো করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের যারা দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে নিরুৎসাহিত করবে কিংবা বাধা দেবে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে রোহিঙ্গাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভাসানচরে পাঠানো হবে না।

কয়েকটি এনজিওকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তৎপরতা চালাতে দেখা যায়, যেগুলোর কার্যক্রম সেখানে বেশ আগেই এনজিও ব্যুরো নিষিদ্ধ করেছিল। এসব এনজিও রোহিঙ্গাদের মধ্যে উগ্র চিন্তার প্রচার, সরকারবিরোধী প্রচারণা, এমনকি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ার মতো অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে সরকারের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে। কয়েকটি এনজিও রোহিঙ্গাদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি অবৈধভাবে এ দেশের জাতীয় পরিচয়পত্র পাইয়ে দেওয়ার মতো অপরাধমূলক তৎপরতার সঙ্গে জড়িত- এমন তথ্যও উঠে আসে। দেখা যায়, এসব এনজিও শরণার্থীদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত জরুরি সেবা দেওয়ার জন্য নির্দেশিত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও তা আদৌ দিচ্ছে না।

সম্প্রতি নেতিবাচক কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৪১টি এনজিওর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এগুলোর বেআইনি কার্যক্রম সম্পর্কে প্রায় এক বছর আগেই স্থানীয় প্রশাসন এনজিও ব্যুরোর কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়েছিল, যার ভিত্তিতে সেগুলোর কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। কিন্তু রহস্যজনকভাবে এ তালিকাভুক্ত অধিকাংশ এনজিওই ক্যাম্পে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। সর্বশেষ ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের তারিখ নির্ধারণের পর এসব এনজিও কর্মী তাদের নিরুৎসাহিত করতে প্রচারণা চালায়।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসেই বিতর্কিত এবং এনজিও ব্যুরোর শর্ত লঙ্ঘন করা সাতটি এনজিওর কার্যক্রম বন্ধের সুপারিশ করে স্থানীয় জেলা প্রশাসন। এসব এনজিওর মধ্যে ছিল- এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস (ইডিএএস), সেভ দ্য চিলড্রেন, মোয়াস এমডিএস, কোডাক, এসআরপিবি এবং শেড। পরে এনজিও ব্যুরো থেকে মোট ৪১টি এনজিওর একটি তালিকা তৈরি করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ব্যুরোর যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ ওঠে। তবে রহস্যজনকভাবে ৪১ এনজিওর সুনির্দিষ্ট নামসহ তালিকাটি কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। অনানুষ্ঠানিকভাবে বেশ কিছু এনজিওর নাম কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়। এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন গত ৩০ আগস্ট ৪১টি এনজিওর কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত জানালেও এর তালিকা সাংবাদিকদের দিতে পারেনি কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসন।

এদিকে কক্সবাজারের বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, ক্যাম্পে পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এবং স্থানীয় কিছু এনজিওর রাজনৈতিক তৎপরতা ও উগ্র চিন্তার প্রচারের মতো ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এদের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি।

সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য, সমাবেশ আয়োজন ইত্যাদি মূল্যায়ন করে তাদের অপরাধমূলক ভূমিকার কথা একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে কিছু এনজিওর অশুভ তৎপরতা চালানোর বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে। তাই এসব এনজিওর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এসব এনজিও কীভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে, কারা তাদের সহযোগিতা করছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিতর্কিত এনজিওগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মঙ্গল চিন্তা করেই তাদের ভাসানচরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক সংস্থার কর্মকর্তাই কক্সবাজারে গিয়ে ফাইভ স্টার হোটেলে থাকেন। ভাসানচরে ফাইভস্টার হোটেল না থাকায় আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থা রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠাতে আপত্তি করছে। তিনি বলেন, নীতিগত অবস্থান থেকে রোহিঙ্গারে জোর করে ভাসানচরে পাঠানো হবে না।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা///জাতীয়

Total Page Visits: 19965

বিচার ব্যবস্থা ভার্চুয়ালী করতে পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

আসামীকে আদালতে আনতে গেলে অনেক  ক্ষেত্রে আসামীকে ছিনতাই করা হয় কিংবা মারামারি বা জটিলতা এড়াতে আসামিকে কারাগারে রেখেই যাতে বিচার করা যায়, সেজন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভার্চুয়াল বিচারব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকণ্যা শেখ হাসিনা।

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা হয়। এসময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে দিকে নির্দেশনা দেন।  এ সময় তিনি  এ কথা বলেন। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্দেশনা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল কারাগারের বিষয়ে নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন, প্রত্যেক কারাগারে ভার্চুয়াল সিস্টেম করতে হবে। যাতে বিচারক না গিয়ে বা অভিযুক্তকে আদালতে না এনে বিচার করা যায়। যেমন একজন ভয়ঙ্কর অপরাধী কারাগারে আছে। তাকে আদালতে আনা ঝুঁকির কিংবা নানা ধরনের ঝামেলা থাকতে পারে। তাকে ফিজিক্যালি (শারীরিক) বহন না করে বা বিচারক মহোদয় আদালতে বসেই ভার্চুয়ালি বিচার করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে বলেছেন তিনি। অনেকটা স্কাইপির মতো।’ এতে জটিলতা কমবে। আন্তর্জাতিক মান বজায় থাকবে এবং বিচার ব্যবস্থা ত্বরান্বিত হবে।দেশের প্রতিটি  কারাগারেই এই ভার্চুয়ালি বিচারের জন্য একটা আধুনিক সিস্টেম করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগের একনেক সভায় দুটো কার্গো বিমান কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন । আজকের একনেক সভায়ও সেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী রাস্তায় জনদুর্ভেোগ  নিয়ে বলেন, রাস্তা পরিস্থিতি সারা বছর একই রকম রাখতে লোড টেম্পারিং (নির্দিষ্ট ওজনের চেয়ে ট্রাক বা লরির বাড়তি মালামাল বহন) যাতে না করতে পারে, সে বিষয়ে সাবধান হতেও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘তিনি বলেছেন, গাড়ির লোড সিস্টেম সেন্ট্রালি মনিটরিং করতে হবে। যেখানে কেউ না থাকলেও অটো অপারেট হবে।’এ বিষয়ে আরও নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘তাছাড়া অনেক সময় ট্রাক বানায় দুই ইঞ্চি বেশি বড় করে। তখন তারা বলে, কী করমু স্যার যাইতে (সরু সড়কে) পারতেছি না। তাইলে মেইন রোড দিয়া যাইগা? এরকম তারা চালাকি করে। প্রধানমন্ত্রীর কথা হলো, এটা যেন তারা না করতে পারে। এ জন্য ব্যবসায়ী ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। মোট কথা হলো, রাস্তা যেমন মানসম্পন্ন হবে, যানবাহনকেও একটা স্ট্যান্ডার্ডের মধ্যে আনতে হবে।’ এ ছাড়াও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যশোর-খুলনা সড়কে কাজ হচ্ছে না, ডিলামি করছে বছরের পর বছর। আজকে তিনি আবার এটা নিয়ে মন্তব্য করেছেন এবং সড়ক বিভাগকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটা তো হওয়া উচিত নয়। সড়কের কাজটা শেষ করেন। প্রধানমন্ত্রী এটাতে খুবই বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ।’

একনেক সভায় ‘পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এই প্রকল্প পাসের সময় প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, তা তুলে ধরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) ড. শামসুল আলম বলেন, ‘এটা পাস হলো। কিন্তু সার্বিকভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কী পরিমাণ ছাত্র ভর্তি করবে, তা নির্দিষ্ট করা থাকবে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী বাড়তে না দিয়ে আমরা সংখ্যাটা নির্ধারণ করব। প্রয়োজনে যেসব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নাই, সেসব জায়গায় নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় করব।’  কোন বিশ্ববিদ্যালয় কতজন শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে, এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট সচিবরা সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আলু তো আমরা খেয়ে শেষ করতে পারছি না, রফতানির ব্যবস্থা করেন। রাশিয়াতে একবার আমরা রফতানি শুরু করেছিলাম, পরে দেখা গেল আমাদের আলুতে এক ধরনের পোকা বা এ জাতীয় কিছু রয়েছে। ওদের বিচারে এটা গ্রহণযোগ্য ছিল না। এটাকে টার্গেট করে ভালো মানের গবেষণাগার বানান, যাতে করে আমরা ভালো মানের আলু রফতানি করতে পারি।’  প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি প্রকল্পের নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দেন।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 19965