• শুক্রবার ( সকাল ৮:০৭ )
    • ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

অবশেষে জামিন পেল বরগুনা ট্রাজেডির মিন্নিঃ শর্ত নিউজ মিডিয়ার সামনে মুখ খোলা যাবেনা

আদালত প্রতিবেদকঃ

অবশেষে বরগুনার ট্রাজেডির    চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে জামিনের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ২৯ আগষ্ট বৃহস্পতিবার, বিজ্ঞ  বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। তবে, একটা শর্ত আছে।  সেটা হলো  নিউজ মিডিয়ার সামনে কথা বললে তার জামিন বাতিল বলে গন্য হবে।

উচ্চ  আদালত বলেন, রিফাত হত্যায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি জড়িত থাকার বিষয়ে গণমাধ্যমে কাছে বরগুনা পুলিশ সুপারের দেয়া বক্তব্য দুঃখজনক ও হতাশাজনক । এসপির দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে পুলিশের আইজিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদালত নির্দেশ প্রদান করেন।

প্রায়শঃই, আসামি গ্রেফতার করেই নিউজ মিডিয়ার সামনে হাজির করে অতিউৎসাহী হয়ে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।পুলিশকে। আদালত বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত দ্বারা দোষী সাবাস্ত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত কাউকে অপরাধী বলা আইন সমর্থন করেনা। ।তাই, গণমাধ্যমের নিকট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য দেয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেন।

এরআগে, ২৮আগষ্ট বুধবার বিজ্ঞ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে মিন্নিকে জামিন দেয়ার বিষয়ে রুলের শুনানি শেষ করেন। এ সময়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির হাইকোর্টে মামলার তথ্য-উপাত্ত দাখিল করেন। শরীফকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রধান সাক্ষী তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে এক সপ্তাহের রুলও এর আগে জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। এছাড়া, বরগুনার এসপিকে মিন্নির দোষ স্বীকার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

গত ৫ই আগস্ট হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মিন্নির পক্ষে জামিন আবেদন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না।

প্রসঙ্গত, গত ২৬শে জুন সকালে প্রকাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যালে নেয়ার পর সেখানেই রিফাত শরীফ মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন। এছাড়া, এঘটনা নিয়ে সাদাপানি ঘোলাসহ পাল্টাপাল্টি নানান বক্তব্য ও সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত পরিস্থিতি আঁচ করা নিয়ে জনগনও দ্বিধাদ্বন্দ্বেে ভুগছিল।।।

ক্রাইম ডায়রি//    আদালত//জেলা

 

12689total visits,188visits today