• শুক্রবার ( সকাল ৮:০৬ )
    • ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

ভালুকা দূর্নীতিঃঃ প্রতিবাদী জনতাকে হুমকি

স্পেশাল ডেস্কঃঃ

বড়ই বিচিত্র এ জগত সমাজ।।। মনে হয় সবাই সত্য ও সততার পক্ষে।মৃত্যু ভয়ে সবাই কাতর। পরক্ষণেই দেখা মেলে চরম  অসততায় ভরা সমাজের নরম ও সত্যের পক্ষের মানুষগুলোর উপর চরম নির্যাতন।।।

এ সমাজ ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে রাজনীতির- “ভিলেজ পলিটিক্স”। ফেসবুকের এক কোনে পড়ে থাকা একটি পোষ্ট নাড়া দিল।।।সাড়া দিল এই মন।।।অন্ততঃঃ হক কথাটাতো হোক।। সত্যবাদীরা প্রতিবাদীরা  অন্ততঃঃ হতাশ না হোক।।

ফেসবুকের পোষ্টটি পড়ে বোঝা গেল,সেই আলোচিত   ভালুকার   দূর্নীতি ও জালিয়াতির  ঘটনায় প্রতিবাদীী সাধারন জনতা আজ চরম বিপদের মুখোমুখি।।।     পোস্টটি জনস্বার্থে ও নজরে আনার জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো——                  “ভাই, যে কোন মুহুর্তে এরেষ্ট হইবার পারি। আফসোস নাই। জেল ফাস তো মাইনষের জন্যই। অন্যায় করে যদি কারো শাস্তি না হয়, আর বিচার চাইয়া যদি বিনা কারনে জেলে যাইতে হয় গেলামই। জেলে গেলে ভাই জামিনের ব্যবস্থা টা করুইনযে। সমর দাদারে (বাদী) যদি ফোনে থ্রেড দিবার পারে, আমরা তো ভাই কিছুই না।

এলাকার এক প্রতিবেশী ভাই কিছুক্ষণ আগে ভালুকার আলোচিত ১৭ কোটি টাকার জালিয়াতি এবং দুর্নীতির মামলার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারনে তার উপর মিথ্যা পুলিশি হয়রানির আশংকার কথা জানিয়ে উক্ত কথা গুলো বলল।

সে এও বললো ভালুকার এক জনপ্রতিনিধি মোবাইল ফোনে উক্ত মামলার বাদী সমর আলীকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সেই সাথে বদমাইশ বলে গালিও দিয়েছেন।

আমি অনেকটা বোবার মত কথা গুলো শোনলাম। ঘুমাতে যাওয়ার আগে বিবেকের তাড়নায় কথা গুলো শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না এই কারনে যে, গ্রামের এই অসহায় লোক গুলো একটা অনিয়ম, জালিয়াতি, আর বিশাল দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারনে তাদের উপর কতভাবে প্রেসাইরাইজড করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার ইংগিত দেওয়া হচ্ছে বিষয়টি আমার মুখের কথা না বিশ্বাস না হলে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে শুনে নিয়েন।

আর মামলা নিয়ে আমার নিজ ইউনিট পিবিআই যে ভেলকি দেখাচ্ছে সেটা হয়তো নীরবে হজম করছি। অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করছি। জেনেও না জানার অভিনয় করছি। তবে এটাও ঠিক অপরাধীদের বাচাতে এই ভেলকি যেন আবার বুমেরাং না হয়।

ভাবছিলাম এসব বিষয় নিয়ে চুপ থাকব। কিন্তু অসহায় লোকগুলার করুন আকুতি সত্যিই আমাকে ব্যথিত করে। একটু সুপরামর্শ যে তাদের দিবে এমন লোকটিও তারা খুজে পায়না। আমার নীরবতা তাদের মনে হয়তো শংকা জাগায়, তবে কি আমিও ওদের দলে যারা নীতি আর আদর্শ বিক্রি করে অপরাধীদের পক্ষ অবলম্বন করে!

তাদের কিভাবে বুঝাই, আমার জীবন থাকতে কখনোই এমনটি হবে না।

নীতি আর আদর্শে অটুট থাকেন। দুনিয়ার কোন শক্তিই আপনাকে দমাতে পারবেনা।”

এভাবেই থাকে এগুলো সংবাদপত্রের কিংবা নিউজ মিডিয়ার অন্তরালে।। কেউ এগুলো তুলে ধরতে আগ্রহী নয়। সুবিধাবাদ জিন্দাবাদকেই এরা জীবন চলার নীতি হিসেবে বেছে নিয়েছে।।।

তাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা বিষয়টি ব্যক্তিগত ভাবে দেখবেন এমনটাই আশাবাদ আপামর দেশবাসীর।।

ক্রাইম ডায়রি///অপরাধজগত////জনস্বার্থে/ তথ্যসুত্র- ফেসবুক পোস্ট(গুরুত্বপূর্ন ও নির্ভরযোগ্য)

 

12685total visits,184visits today

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলাঃ নিহত ৬৫

অনলাইন ডেস্কঃঃ

যুদ্ধবিদ্ধস্ত আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে  আত্মঘাতি বোমা হামলায় ৬৩ জন নিহতের ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। হামলার ঘটনায় ১৮০ জনের বেশি লোক আহত হয়।

আইএস টেলিগ্রাম বার্তায় হামলার দায় স্বীকার করে। শিয়া অধ্যুষিত এই অঞ্চলে হামলার ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে তালেবান এই হামলার দায় অস্বীকার করে উদ্বেগ প্রকাশ করে। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানি বলেছেন, হামলার দায় তালেবান এড়াতে পারে না।যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চলাকালে এমন হামলায় ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে তালেবান।

এর আগে ২০১৭ সালেও কাবুলে আইএসের কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়।সে সময় সংখ্যালঘু শিয়াদের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও একটি সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।তার কয়েকদিন আগে কাবুলে গোয়েন্দা সংস্থার কার্যালয়ের কাছে এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় ছয়জন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারান৷ তথাকথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস এই হামলার দায় স্বীকার করেছিল৷একই বছরের মে মাসের ৩১ তারিখে কাবুলের কূটনীতিক এলাকায় এক ট্রাক বোমা হামলায় প্রায় দেড়শ’ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন৷ আহত হয়েছিলেন প্রায় চারশ’ জন৷ হতাহতদের বেশিরভাগই ছিলেন সাধারণ মানুষ৷

সাম্প্রতিক সময়ে এই জঙ্গি গোষ্ঠীটি আফগানিস্তানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে৷ ২০১৫ সালে প্রথম তাদের আফগানিস্তানে দেখা গিয়েছিল৷এই আইএসের উত্থান নিয়ে নানা রহস্য রয়েছে।ইরানের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্র এই জঙ্গি সংগঠনকে জন্ম দিয়েছে এবং ইরাক ও সিরিয়া থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রই তাদেরকে আফগানিস্তানে পুণর্বাসন করে।

তবে তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান শান্তি আলোচনায় তারা সম্পৃক্ত না। তারা এই আলোচনার ঘোর বিরোধী।

রুশ-আফগান যুদ্ধের পর নব্বইয়ের দশকে আফগানিস্তান তালেবানদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। ২০০১ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার পর আল-কায়েদাকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে ধরতে তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তানে হামলা চালায় ন্যাটো বাহিনী। সেই থেকে দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের যুদ্ধে বিধ্বস্ত প্রায় আফগানিস্তান। তবে এতোদিনের যুদ্ধের পরও তালেবান দেশটির বেশির ভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রায়শই তারা তাদের অধিকার ধরে রাখার জন্য শক্তিশালী অবস্থান জানান দিতে বিরোধী মতের উপর হামলা চালিয়ে থাকে।।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক//সুত্রঃঃ বিবিসি ও অনলাইন সংবাদমাধ্যম

12685total visits,184visits today