• শনিবার ( সকাল ৬:২৭ )
    • ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

বিশেষ অভিযানে উঠতি ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্র আটক করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ

হোসেন মিন্টুঃ

ঈদের নিরাপত্তায় সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬জন উঠতি ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের সদস্য কে গ্রেফতার করেছেন ইপিজেড থানা পুলিশ।

থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ,  ১০আগস্ট রাত ১২.৪৫ মিনিটে সময় এই উঠতি ৬ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্যদের আটক করা হয়।  ওসি মীর মোঃ নূরুল হুদা  ক্রাইম ডায়রিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

গ্রেফতারকৃত ডাকাত দলের সদস্যরা হলো– মোঃ বাবুল প্রকাশ বাবু (২২), পিতা-মোঃ খলিল, জেলা-বাগেরহাট, মোঃ সবুজ (১৯), পিতা-মোঃ ইউছুফ, সাং-সূর্যমনি, খাইগো বাড়ী, থানা-মঠবাড়ীয়া, জেলা-পিরোজপুর, মোঃ আরিফ (২৬), পিতা-মোঃ বাচ্চু মিয়া, মোঃ মামুন (২০), পিতা-মোঃ ফরিদ, থানা-মোংলা, জেলা-বাগেরহাট, মোঃ রিপন (১৯), পিতা-মৃত লোকমান সিকদার,থানা-মোড়েলগঞ্জ, মোঃ নাদিম (১৫), পিতা-মোঃ হারুন, থানা-ভান্ডারিয়া, জেলা-বরিশাল । ডাকাতদলে আরও সদস্য ছিল। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে তারা বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে  পালিয়েছে । পালাতকদের ধরার ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে থানা সুত্রে জানা গেছে।


অপরাধীরা  ইপিজেড থানাস্থ কলসিদীঘী,ব্যারিস্টার কলেজ ওবন্দরটিলা রেলবিটের আশ-পাশের ভবনের অস্থায়ী ভাড়াটিয়া ঘরে অবস্থান করে এলাকায় চুরি,ডাকাতী ওছিনতাই কাজে লিপ্ত বলে তদন্ত ওসি ওসমান গনি জানিয়েছেন।তারা সবাই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরি,ডাকাতী ওছিনতাই কাজে লিপ্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন । অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে আদালতে  প্রেরন করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/মহানগর

Total Page Visits: 16655

জি আরপি থানায় নারীকে গণধর্ষণঃঃ অভিযোগের আঙুল ওসি’র দিকে

ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক রিপোর্টঃ

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের। যে কারনে আইজিপি’স কমপ্লেন সেল গঠন করে হটলাইন নম্বর জনগনের জন্য গণপ্রচার করা হয়েছে।৯৯৯তো আছেই।  প্রত্যেক ভাল কাজের পিছনে যেমন শয়তান থাকে।হাতের পাঁচ আঙুল কিংবা বাবার পাঁচ ছেলে যেমন এক হয়না  তেমনি সবাই তার কর্মক্ষেত্রে সরল এটা বলা যায়না। সব বাহিনী চায় সে হোক ইমাম,পীর,ঠাকুর কিংবা যাজক সব জায়গায়ই কিছু মন্দ ছিল, আছে  এবং থাকবে।বিশাল পুলিশ বাহিনীর সবাই ভাল নাও হতে পারে। তবে খারাপ কাজ যারা করবেন তাদের দু একজনের অপকর্মের দায় পুলিশ নিবেনা।রক্ষক ভক্ষক হলে আর কিইবা করার থাকে।     খুলনা জিআরপি থানায় এক নারীকে ওসি উছমান গণি পাঠান একাই ৩ বার ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ধর্ষিতা নিজেই।   তারপর ধর্ষণ করেন মুখে বসন্তের দাগওয়ালা ডিউটি অফিসার। তারপর আরও ৩ জন ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের সময় ৫ জনই কনডম (জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রী) ব্যবহার করেন। ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করলে ওই নারীর পরিবারের সবাইকে একটার পর একটা মামলা দেওয়ারও হুমকি দেন ধর্ষকরা।

জিআরপি থানায় পুলিশের হাতে গণধর্ষণের শিকার নারীর দায়ের করা মামলা এজহারে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও ওই নারী এসব কথা বলেন। মামলা দায়েরের পর তা আদালতকে অবহিত করা হলেও এখনও কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি।

গত ৯ আগস্ট সকালে দায়ের হওয়া মামলায় ধর্ষিতা নারী উল্লেখ করেন, গ্রেফতারের পর ডিউটি অফিসারের সহায়তায় ওসি তার উপর ব্যাপক নির্যাতন করেন। তারপর রাত দেড়টার দিকে তাকে চোখ বেঁধে থানার অপর একটি কক্ষে নিয়ে যায় ডিউটি অফিসার। ডিউটি অফিসার ওড়না দিয়ে তার মুখ বাঁধে। ওসি সেই কক্ষে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেন। তারপর দেড় ঘণ্টা ধরে ওসি ৩ বার ধর্ষণ করেন। ওসি ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ডিউটি অফিসার প্রবেশ করে। ভেজা গামছা দিয়ে তার শরীর মুছে ডিউটি অফিসারও ধর্ষণ করে। এরপর আরও ৩ জন তাকে ধর্ষণ করে।

এই বিষয়ে মামলা দায়ের করার জন্য আদালত থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়ার পর গত ৯ আগস্ট মামলা নেয় জিআরপি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, খুলনা জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য ৩ সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ করেছে বলে আদালতে দাঁড়িয়ে ৪ আগস্ট অভিযোগ করেন ওই নারী। খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই নারী এই অভিযোগ করেন। ঘটনা তদন্তে পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম ৫ আগস্ট তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।  নিভৃতে না কেঁদে বুক না ভাসিয়ে সাহসিকতার সাথে অপরাধের ও অপরাধীর    মুখোশ উম্মোচন করায় ভিকটিম নারীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন  ফেসবুক ভিত্তিক  নারীবাদী সংগঠন   fb/নারী নির্যাতন প্রতিরোধ।।  সংগঠনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল বলেন, এই প্রতিবাদ দেশের সকল অবলা নারীকে সাহসী করে তুলবে। তবে, ঘটনার প্রকৃত সত্যতা যাচাইও করা উচিত যাতে অভিযুক্ত কারো অন্যায় আচরন কিংবা প্রতারণার শিকার না হন।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম

Total Page Visits: 16655

বরিশালে ঈদে বেড়াতে আসা ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুঃঃ সতর্ক থাকা জরুরি

বরিশাল বিভাগীয়  অফিসঃ

ডেঙ্গু জ্বরের ভয়বহতার   কারনেই সরকারের তরফ হতে বারবার নিষেধ করা হয়েছে যাতে ডেঙ্গু রোগীকে নিয়ে ঈদে বাড়ি না ফেরার।মানেননি অনেকে। কিন্তু আক্রান্তরা ঠিকই উপলব্ধি করছেন বিপদে পড়ার পর। সম্প্রতি, ঈদে  বেড়াতে আসা  ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বরিশালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুশা (১০) নামের এক শিশু মারা গেছে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) শনিবার (১০ আগস্ট) সকালে শিশুটি মারা যায়। শনিবার দুপুরে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন শেবাচিমের পরিচালক ডাক্তার বাকির হোসেন।

রুশা ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার জীবনদাশকাঠি এলাকার রুহুল আমিনের মেয়ে ও ঢাকার মোহাম্মদপুরের ওয়াই ডব্লিউসিএ স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

পরিচালক জানান, শিশুটি ঢাকায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়ে ঈদ উপলক্ষ্যে বাব-মার সাথে গ্রামের বাড়িতে আসে। পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাত ৯ টায় শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে শিশুটি মারা যায়।

উল্লেখ্য, এ নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুসহ চারজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হলো। আর বরিশাল বিভাগে মোট ছয়জন মারা গেলেন।

এমতবস্থায়, খুবই সতর্ক থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের দেশবাসীর প্রতি।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়//স্বাস্থ্য

Total Page Visits: 16655