• রবিবার ( রাত ১০:০৬ )
    • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং

ধারাবাহিক সাফল্যে র‌্যাব-১ঃরাজধানীর উত্তরা হতে গ্যাংস্টার গ্রুপের সদস্যদের গ্রেফতারঃ অস্ত্র উদ্ধার

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

অধঃপতিত যুবসমাজকে অবক্ষয় হতে ফিরিয়ে আনতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে বিশেষায়িত বাহিনী    RAB.এরই ধারাবাহিকতায়  ধারাবাহিক সাফল্যের অংশ হিসেবে  রাজধানীর উত্তরা হতে First Hitter Boss (F.H.B) নামক কিশোর গ্যাং গ্রুপের সর্বমোট ১৪ জন সদস্যকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১। সুত্রে জানা গেছে,রাজধানীর উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর, টঙ্গী, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও পাশ্ববর্তী এলাকায় কিছুদিন ধরে কয়েকটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের দৌরাত্ব্য পরিলক্ষিত হয় এবং তাদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত হওয়ার বিষয়টি  RAB-1 এর দৃষ্টিগোচর হয়। এই সমস্ত গ্যাং গ্রুপের মূল কার্যক্রম হলো; এলাকার আধিপত্য বিস্তার, স্কুল কলেজে   ragging করা, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা, মাদক সেবন, ছিনতাই, উচ্চ শব্দ করে মটরসাইকেল চালিয়ে জনমনে আতংক সৃষ্টি করা, ছিনতাই, অশ্লীল ভিডিও শেয়ার করা সহ এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা। এছাড়াও তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে এলাকায় পৈশাচিক পরিবেশ তৈরী করে এবং এতেকরে কেউ তাদের বাধা দিতে গেলে শারিরীক নির্যাতনের শিকার হয়। এরা এলাকার নিরীহ ও মেধাবী যুবক/কিশোরদের চাপে রেখে জোর পূর্বক দলে আসতে বাধ্য করে। গ্যাং ভিত্তিক এদের নিজস্ব লোগো রয়েছে যা দেয়াল লিখন ও ফেইসবুকে ব্যবহার করে। এরা ফেইসবুকে এক গ্রুপ অন্য গ্রুপকে হুমকি প্রদান করে স্ট্যাটাস দেয় এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে কুরুচীপূর্ণ ও আপত্তিকর মন্তব্য করে ফেসবুকে পোস্ট করে থাকে। তারা হ্যাকারের মাধ্যমে অন্য গ্যাং এর ফেসবুক আইডি ও গ্রুপ হ্যাক করার চেষ্টা করে। তারা প্রায়শঃই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক গ্রুপ অন্য গ্রুপের এর সাথে কোন্দলে লিপ্ত হয়। কিশোর গ্যাং গ্রুপের আন্তঃকোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি হত্যাকান্ডে যার প্রমাণ পাওয়া যায়।

এসব কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা পশ্চিমা বিভিন্ন গ্যাং কালচারের উপর নির্মিত চলচ্চিত্র দেখে উৎসাহিত হয় এবং চলচিত্রসমূহের চরিত্রগুলোকে অনুসরণ করে থাকে। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও নজরদারির পর    র‌্যাব-১ এর গোয়েন্দারা রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকারী ‘F.H.B’ নামকএকটি কিশোর গ্যাং গ্রুপ এর তথ্য পায়। যার পূর্ণরুপ First Hitter Boss| এই গ্রুপটি এলাকায় ‘তুফান গ্রুপ’ নামেও পরিচিত। জানা যায় যে, এই গ্রুপটি উত্তরা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ অধিপত্য বিস্তার করে আসছে। তারা মাদক সেবন, স্কুল-কলেজে বুলিং,, ইভটিজিং, ছিনতাই, ফেসবুকে অশ্লীল ভিডিও শেয়ারসহ নানাবিধ অনৈকিত কাজে লিপ্ত, যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিশ্চিত ক্ষতির মুখে ধাবিত করছে। র‌্যাব-১ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে ২০ জুলাই ২০১৯ তারিখ আনুমানিক ২৩৩০ ঘটিকায় রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন রাজউক অফিসের সামনে হতে উক্ত গ্যাং গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ১) বিশু চন্দ্র শীল (২০), পিতা- মহাদেব চন্দ্র শীল, মাতা- শীখা রানি, সাং- নগর বাড়ি, থানা- ভূয়াপুর, জেলা- টাঙ্গাইল, বর্তমানে আজমপুর কাঁচাবাজার (মিজানুর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া), মাজার চৌরাস্তা, দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ২) মোঃ নাঈম মিয়া (১৮), পিতা- আব্দুল কাদের মিয়া, মাতা- আজিরা বেগম, সাং- ভাটিপাড়া (চৌধুরী বাড়ি), থানা- দিরাই, জেলা- সিলেট, বর্তমানে সাং- আজমপুর কাঁচা বাাজর (মতি কমান্ডারের বাড়ি), মুক্তিযোদ্ধা রোড, থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ৩) মোঃ ইয়াসিন আরাফাত (১৮), পিতা- মোঃ লুৎফর রহমান, মাতা- কহিনুর বেগম, বাড়ি নং- ৫২, রোড নং- ১০, সেক্টর নং- ৬, জয়নাল মার্কেট, খান পাড়া, থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ৪) আসিফ মাহমুদ (২০), পিতা- শাহজাহান হোসেন খোকন, মাতা- মোছাঃ রিনা আক্তার, সাং- বিন্নাগনি, থানা- সেনবাগ, জেলা- নোয়াখালী, বর্তমানে সাং- উত্তরখান মাজার, কট্টিবাড়ির মোড় (মোজাম্মেল হোসেন এর ভাড়াটিয়া), থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ৫) মোঃ ফরহাদ হোসেন (২১), পিতা- মোঃ জাহের আলী, মাতা- ফাতেমা বেগম, হোল্ডিং নং- ৫৬৫, কাঁচা বাাজর রেল গেইট (সরকার বাড়ি), থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ৬) মোঃ আল আমিন হোসেন (১৯), পিতা- সৈয়দ আহমেদ, মাতা- রহিমা বেগম, সাং- মির্জাবাড়ি, থানা- রামগঞ্জ, জেলা- লক্ষীপুর, বর্তমানে সাং- আজমপুর কাঁচা বাাজর (রফিক মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া), সংগ্রামী স্মরণী রোড, থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ৭) মোঃ বিজয় (১৯), পিতা- আবু বক্কর সিদ্দিক, মাতা- কাজলী বেগম, সাং- নাসির পুর, থানা- জামালপুর সদর, জেলা- জামালপুর, বর্তমানে সাং- সরদার বাড়ি (মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া), থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ৮) শাওন হোসেন সিফাত (২১), পিতা- আবুল হোসেন, মাতা- সাহানা বেগম, সাং- পন্ডিত পাড়া (দুলাল কন্ট্রাকটরের বাড়ির ভাড়াটিয়া), থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ৯) মোঃ ইমামুল হাসান মুন্না (১৯), পিতা- নজরুল ইসলাম, মতা- নূর জাহান বেগম, বাড়ি নং- ৫৩, সওদাগর পাড়া, থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ১০) মোঃ তানভীর হাওলাদার (১৮), পিতা- বাবু হাওলাদার, মাতা- মৃত চায়না বেগম, সাং- আজমপুর কাঁচা বাাজর (মিনু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া), থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ১১) মোঃ আকাশ মিয়া (১৮), পিতা- মোঃ চান মিয়া, মাতা- ফরিদা বেগম, সাং- পাবই মুন্সি বাড়ি, থানা- পূর্ব ধলা, জেলা- নেত্রকোনা, বর্তমানে সাং- আজমপুর দেওয়ান বাড়ি, থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা, ১২) মোঃ মেরাজুল ইসলাম জনি (২০), পিতা- লেকু মিয়া, মাতা- হোসনে আরা বেগম, সাং- বাজারবাড়ি, থানা- উত্তরখান, ডিএমপি, ঢাকা, ১৩) হযরত আলী (১৮), পিতা- বাহাদুর মিয়া, মাতা- হাফিজা বেগম, সাং- খিচা, থানা- নকলা, জেলা- শেরপুর, বর্তমানে সাং- বটতলা কসাইবাড়ি, থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা এবং ১৪) মোঃ রাজিব (১৮), পিতা- মনসুর আলী, মাতা- রিনা বেগম, সাং- আদিয়াবাদ, থানা- রায়পুরা, জেলা- নরসিংদী, বর্তমানে সাং- ফায়দাবাদ চৌরাস্তা (মাইনুদ্দিন এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা- দক্ষিণখান, ডিএমপি, ঢাকা’দেরকে গ্রেফতার করে। এসময় ধৃতদের নিকট হতে ০১টি এসবিবিএল অস্ত্র ও ০২টি ধারালো ছোড়া উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, তারা ‘F.H.B’ গ্যাং গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। তারা গ্রুপে সদস্য বাড়ানোর কৌশল হিসেবে একটি ‘P.S.B.’ নামক ড্যান্স একাডেমী পরিচালনা করে। এই ড্যান্স একাডেমিতে কম খরচে ড্যান্স শিখানো হয়। যেখানে ধৃত আসামী বিশু অন্যান্যদের ডান্স শেখায়। বিশু ডান্স মাস্টার হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিলেও আদতে তার ড্যান্স বিষয়ে কোন প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নেই। সে শুধু উঠতি বয়সের কিশোদের তাদের গ্রুপে বেশি আকৃষ্ঠ করার উদ্দেশ্যে এই ড্যান্স ক্লাব পরিচালনা করে। তাদের গ্রুপে ছাত্র, দিনমজুর, বাস ড্রাইভার, অটো ড্রাইভার-হেল্পার থেকে শুরু করে সকল পেশার উঠতি বয়সের কিশোর আছে। যারা তাদের পিতা-মাতার উদাসিনতার সুযোগ নিয়ে এসব গ্যাং কালচারের সাথে জড়িত হচ্ছে এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে গ্যাং গ্রুপের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেফতার করায়  RAB-1  এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের জনগণ।

ক্রাইম ডায়রি//  অপরাধজগত///আইন শৃঙ্খলা

5632total visits,83visits today

দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক গুরুতর অসুস্থঃ দেশবাসীর নিকট দোয়া কামণা

শাহাদাত হোসেন, ভ্রাম্যমান সংবাদদাতা,বগুড়া হতেঃ

বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক এবং করতোয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক লালু ভাই হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রথমে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়, পরে
চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার
জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকার ইউনাইটেড
হাসপাতালে আনা হয়েছে। এখন তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর মেয়ে জানিয়েছেন তিনি বিপদমুক্ত এবং ভাল আছেন।
দ্রুত আরোগ্যের জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। মহান রাব্বুল আলামীন উত্তর জনপদের প্রকৃত বন্ধু এই অসম্ভব ভাল মানুষটিকে দ্রুত সুস্থ্য করে দিন। আমীন।

ক্রাইম ডায়রি/// জেলা///স্পেশাল

5632total visits,83visits today

নতুন ধরনের ডেঙ্গুঃ সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরী

ডাঃ আক্তার রানা চৌধুরীঃ

নতুন ধরনের ডেঙ্গু, বেড়ে যাবে মৃত্যুঝুঁকি। সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত বলে জানিয়েছেন  ডাঃ আক্তার রানা চৌধুরী।  তিনি বলেন,  গত বছর থেকেই দেশে নতুন ধরনের ডেঙ্গু দেখা দিয়েছে। তবে প্রথম বছরে এর প্রকোপ কম থাকলেও দ্বিতীয় অর্থাৎ চলতি বছরে এসে এই সেরোটাইপ-৩ (শক সিনড্রোম) ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বেশি।  সম্প্রতি এই টাইপের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে খোদ রাজধানীতেই বেশ কয়েকজন মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম শামসুজ্জামান ডেঙ্গু সংক্রান্ত এই তথ্যের সত্যতা স্বীকার করেছেন।
তিনি জানান, এতদিন বাংলাদেশে ডেঙ্গু সেরোটাইপ-১ ও সেরোটাইপ-২-এর প্রকোপ ছিল। প্রথমটি সাধারণ ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু। দ্বিতীয়টি ঝুঁকিপূর্ণ হেমোরেজিক (রক্তক্ষরণ) ডেঙ্গু। তবে এবার সেরোটাইপ-৩ (শক সিনড্রোম) ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি।
এছাড়া ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু রোগী দ্বিতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে হেমোরেজিক ডেঙ্গু দেখা দেয় জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে শরীরের ভেতর বা বাইরে রক্তক্ষরণ হয়।

তিনি বলেন, গত বছর থেকে ডেঙ্গুর নতুন ধরন (সেরোটাইপ-৩) দেখা দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে রোগীদের ইন্টারনাল রক্তক্ষরণের পাশাপাশি শক সিনড্রোম দেখা দেয়। এটা শুরুতেই জানা না গেলে রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।
নতুন ধরনের ডেঙ্গুতে যেসব উপসর্গ দেখা দেয় তা হলো, শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা হওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যাওয়া, ত্বক শীতল হয়ে যাওয়া, অবিরাম অস্বস্তি, ত্বকের ভেতরের অংশে রক্তক্ষরণের কারণে ত্বকের ওপরের অংশে লাল ছোপ সৃষ্টি হওয়া। এছাড়া বমি, মল কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, প্রচণ্ড পেটব্যথা ও অনবরত বমি হওয়া, নাক ও দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ ও অবসাদ ইত্যাদি।
কোনো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর এমন উপসর্গ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন অধ্যাপক ডা. এ কে এম শামসুজ্জামান।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষের রেকর্ড অনুযায়ী, এ বছর জানুয়ারিতে ৩৮ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মে’তে ১৯৩, জুনে ১ হাজার ৬৯৯ এবং গত তিন দিনে ২৫৪ জন রোগীসহ চলতি বছর এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ২৭৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন তিনজন।

ডেঙ্গু জ্বরে করনীয়:
বর্তমান মৌসুমে ডেঙ্গু জ্বরের মতোই ভাইরাসজনিত একটি অসুখ দেখা যাচ্ছে। এতে দেহের তাপমাত্রা হঠাৎ অনেক বেড়ে ১০৪ ডিগ্রি বা আরও বেশি উঠে। এ জ্বরের নাম চিকুন গুনিয়া।
জ্বরের বৈশিষ্ট্য
* কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে না বা ঘাম দিয়ে জ্বর সারে না।
* জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, চোখ জ্বলা, গায়ে লাল দানার মতো র্যাস, অবসাদ, অনিন্দ্রা, বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে।
* শরীরের বিভিন্ন স্থানে যেমন মাংসপেশিতে বা অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা ও ফুলে যেতে পারে। এ জন্য হাঁটা-চলায় দুর্বলতা বোধ হয়।
* সাধারণত ২-৫ দিন জ্বর থাকে।
* ডেঙ্গুর মতো চিকুন গুনিয়া জ্বরে মৃত্যুঝুঁকি থাকে না, কারণ এতে প্লাটিলেট কমে যায় না এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকিও থাকে না।
করণীয়
* মশা যাতে কামড় দিতে বা শরীরে বসতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
* এডিস মশার কামড়ে এ জ্বর হয়। এর কোনে প্রতিষেধক বা টিকা নেই।
* এ মশা দিনেরবেলায় বেশি কামড়ায়।
চিকিৎসা
* জ্বর ভালো না হওয়া পর্যন্ত রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
* প্রচুর পানি, ফলের জুস ও অন্যান্য তরল যথেষ্ট পরিমাণ খেতে হবে। জ্বরের জন্য প্যারাসিটামলই যথেষ্ট।
*রোগীর রোগের লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাও অধিক কার্যকরী। সাথে অল্টারনেঠিভ মেডিসিন ব্যথা ও দুর্বলতা দুর করতে সহায়ক।

লেখক–ডাঃ আক্তার রানা চৌধুরী।fb/ DR. akter rana Chowdhury এর ফেসবুক ওয়াল হতে জনস্বার্থেে  প্রকাশিত।

ক্রাইম ডায়রি///স্বাস্থ্য

 

 

5632total visits,83visits today