• শনিবার ( রাত ১১:০৪ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রঃঃ প্রসঙ্গ প্রিয়া সাহা ও তার নীচতা

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিময় একটি জায়গা।পুরো পৃথিবীর দিকে নজর দেন,দেখবেন আপনি অন্ততঃ পরিবার নিয়ে বেঁচে আছেন।  পাশ্ববর্তী দেশগুলোর দিকে তাকালে বাংলাদেশীরা কতটুকু সম্প্রীতি বজায় রেখে চলে তা সুস্পষ্ট। এদেশের সকল সরকারই সব সময়    সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানিয়ে এসেছে। দীর্ঘ মেয়াদে আওয়ামীলীগ সরকারের সময় কোন ধর্মীয় গোষ্ঠীর উপর ন্যুনতম অসুবিধা হয়েছে এমন রেকর্ড নেই । এরপরও কিছু কুলাঙ্গার অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে । আর সেটা মুসলিম কমিউনিটিতে   মহাসুখে বাস করা হিন্দুদের পক্ষ হতেই হওয়ায় যারপরনাই বিস্মিত হওয়ার মত ঘটনা বৈকি!

কয়েকদিন হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিকট নালিশ নিয়ে এক হিন্দু মহিলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।  যেখানে তিনি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানো কিংবা বিদেশী শক্তিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে উস্কে দেবার স্পষ্ট ষড়যন্ত্র করছেন। এ প্রসঙ্গে   জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এসোসিয়েট প্রফেসর ড.জেবুন্নসা তার ফেসবুক পেইজে খোলা চিঠি দিয়েছেন যা পড়লে ঘটনা আঁচ করা যায়। পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলোঃ—-                 ” প্রসঙ্গ প্রিয়া সাহা ও তার নীচতা”

ঘটনা -১
গত ১১.৭.১৯ ইং তারিখে নারায়ণগঞ্জ থেকে ২.৩০ মিনিটে বের হয়েছিলাম তাড়াতাড়ি মোঃপুরে আসিরের ৪.৩০ মিনিটের কোচিং ধরব বলে, যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভার পেরুনোর পরেই দেখলাম শত শত গাড়ির জ্যাম।গাড়ি ঘুরিয়ে দোয়েল চত্বরের দিকে যেতে দেখি পুলিশ গাড়ি আটকে রেখেছে,আর ও এক ঘন্টা আগে থেকে।ঘটনা কি জানতে চাইলে এক পুলিশ ট্রাফিক জানালেন,রথযাত্রা আসছে ঢাকেশ্বরী থেকে এজন্য চারিদিকে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়েছে রথযাত্রা যেন সুন্দরভাবে পালন করতে পারে।দীর্ঘ এক ঘন্টা পেরিয়ে কোচিং এ গেলাম ৬.০০ টায়।
স্মৃতি-১
নারায়ণগঞ্জে আমার বাড়ি।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা।বিভিন্ন পূজা পার্বনে নারায়ণগঞ্জ হয় আনন্দের নগর।দশমীর দিন সারা রাস্তা বন্ধ থাকে এবং নারায়ণগঞ্জবাসি হাসিমুখে সেই আনন্দ উদযাপন করে।
স্মৃতি-২
তখন আমি রোকেয়া হলে থাকি।রুমমেট একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী।সে তার বাড়িতে সেবার পূজাতে যেতে পারিনি।আমি তাকে নারায়ণগঞ্জ নিয়ে যাই এবং আমাদের বাড়িতে রেখে বিভিন্ন পূজা মতো মন্ডপে ঘুরাই।
পর্যবেক্ষণঃ—-
আব্বুর কবিতায় শিখেছি
“বাংলাদেশের হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রীষ্টান
মোরা সমানে সমান
খুজি বাংলার মান”।
এহেন পরিস্থিতিতে,পূজা পার্বনে বাংলাদেশ এক অনন্য উদাহরণ হয়ে আছে।
লক্ষ লক্ষ মুসলিম নির্যাতিত হচ্ছে সারা পৃথিবীতে, কই দেখতে পেলামনা,ট্রাম্পের কাছে গিয়ে মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে কেউ কিছু বলেছে।
গত কয়েকদিন পূর্বে ইউটিউবে দেখলাম,ভারতের কোন এক রাজ্যে মুসলিম এক নারীকে কয়েকজন হিন্দু ছেলে সম্ভ্রমহানি করতে চায়,তখন তার ভাই প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে রক্তাক্ত করা হয়।কই দেখলাম না তো ট্রাম্পের কাছে কেউ বিচার দিয়েছে?
আমার এই বাংলাদেশকে প্রিয়া সাহা যেভাবে তুলে ধরল,সে আসলে কি চায়?
সে কি চায় আমেরিকায় নাগরিকত্ব?
সে কি চায় বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে হানাহানি?
সে কি বাংলাদেশের শত্রু?
সে কি জানেনা, বাংলাদেশের মানুষ,ধর্ম যার যার,উৎসব সবার”এই শ্লোগান প্রচারিত হয়?
এই প্রিয়া সাহা,নিশ্চিত বাংলাদেশি নয়,তার শেকড়ের সন্ধান করা হউক।তার এক পা,বাংলাদেশের আর এক পা কোথায়?
সে খায় কোথায়,আর থুথু ফেলে কোথায়?
সে নিজেকে অনগ্রসর প্রমান করে কি বুঝাতে চাইল?
প্রিয়া সাহা,
আমি জানতে চাই,আপনার পূর্ব পুরুষ কি এই বাংলাদেশের। যদি তাই হয়ে থাকে,তাহলে কিভাবে আমার বাংলাদেশের কথা আপনি বিদেশে গিয়ে বললেন?
এই বাংলাদেশের নির্মল বায়ু আর জল যদি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসে থেকে থাকে,তাহলে আপনি কি করে আমার বাংলাদেশের বদনাম করে আসলেন?
আপনি জানেননা,লক্ষ লক্ষ মুসলিম শরনার্থী আজ বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়ে আসছে,তা কি কোন মুসলিমের অত্যাচারে?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে যখম বটমলেস বাস্কেটের বদনাম থেকে উপরে উঠাচ্ছেন,তখন এই নীচতা কি করে আপনি করলেন?
যদি রাষ্ট্রীয় আইনে এমন কোন ধারা থাকে,যে দেশের বিরুদ্ধে কোন বদনাম করলে তাকে আইনের আওতায় আনা যাবে,তাহলে এই প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে,তার পিছনে কারা আছে চিহ্নিত করা হউক।তার পূর্ব পুরুষেরা কি এই বাংলাদেশের কিনা,সেটি বের করা হউক।
বাংলাদেশ তেরোশত নদীর দেশ,ভালবাসার দেশ।বাংলাদেশ শহীদের দেশ।এই দেশে প্রিয়া সাহা এখন এক বিষফোঁড়া। যার বিষ তেতো ওষুধে নির্মুল করা প্রয়োজন।
আমি এখনো বিশ্বাস করি
আমার দেশ সম্প্রীতির দেশ।
এই বাংলাদেশের কবি মুঃ, জালাল উদ্দিন নলুয়া লিখেছেন,
একাত্তরে গর্জে অস্ত্র সাহসী বাঙ্গালির
জাগে হিন্দু -বৌদ্ধ- মুসলিম- খ্রিষ্টান বীর
পতাকায় রক্ত মিশে অগণিত সাহসির
বাংলাদেশে রবেনা ঠাই কোন সন্ত্রাসীর
হবেই হবে জয় প্রগতির।
প্রিয়া সাহা,এখনো সময় আছে,আপনার নীচতার জন্য আপনি ক্ষমা চান।নইলে ইতিহাস একদিন আপনার মুখে ছাই দিবে।
প্রিয়া সাহা আমার ভাবতে ঘৃনাবোধ হচ্ছে,আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন।ছি,লজ্জা করলনা,বাংলাদেশের সার্টিফিকেট বিক্রি করে খাচ্ছেন আর বাংলাদেশকে ছোট করলেন,ছি প্রিয়া সাহা,আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলংক,বিষফোঁড়া।আমার ভাবতে অবাক লাগছে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ছাত্রী হয়ে ও এমন নীচতা করেছেন। ছি প্রিয়া সাহা।ছি।
(পুনশ্চঃ প্রিয়া সাহার ছবি আমার টাইমলাইনে থাকলে আমার বাংলাদেশকে ছোট করা হবে,তাই তার ছবি সংযুক্ত না করে,তার নীচতার ব্যাখ্যা করলাম।)”

প্রসঙ্গতঃ প্রিয়া সাহা যেই হোক না কেন; বর্তমান সরকারের অবস্থান নষ্ট করাসহ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নস্ট করার ষড়যন্ত্রের জন্য দেশীয় আইনে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের বিচার হওয়া জরুরী বলে মনে করেন আপামর দেশবাসী ।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়

 

 

6929total visits,255visits today

মাছের উৎপাদন বাড়াতে জলাশয়গুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে–বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা

 শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ   

নদী মাতৃক দেশ আমাদের বাংলাদেশ। এ দেশের প্রচুর খাল বিল নদী নালা,পুকুর ডোবায়

প্রচুর মাছের  সমাহার  ছিল একসময়।কালের আবর্তে নদীখেকো,মাটি খেকো দানবদের কারনে হারিয়ে যেতে বসেছে। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে (কেআইবি) জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৯’র উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের আমিষের চাহিদা পূরণে দেশের জলাশয়গুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যেই আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- আমাদের যত জলাশয়, পুকুর, খাল, বিল রয়েছে সেগুলোকে আমরা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনবো। যাতে করে আমাদের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে পারে।’

বাড়ির আশপাশের ডোবা, পুকুর ও জলাশয়কে ফেলে না রেখে মাছ চাষ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা খাদ্যের চাহিদা পূরণ করেছি। এখন দৃষ্টি পুষ্টির দিকে। বিল, ঝিল, হাওর, বাওড়, নদী নালায় পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করতে হবে। মাছের চাইতে এত নিরাপদ আমিষ আর নেই।’

তাঁর সরকারের শতবর্ষ মেয়াদি ডেল্টা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নদী মাতৃক বাংলাদেশে আমরা নদীগুলোকে ড্রেজিং করছি যাতে করে এর প্রবাহ এবং নাব্যতা বৃদ্ধি পায়। আর পানির প্রবাহ বাড়লে মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত যেকোন দুর্যোগের মোকাবেলা আরো সহজ হবে।’

অনুষ্ঠানে মৎস্য চাষ, রেণু উৎপাদনসহ মৎস্য সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জাতীয় মৎস্য পুরস্কার ২০১৯ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

পুরস্কার হিসেবে ৮ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ পদক ও ৫০ হাজার টাকার করে চেক এবং ৯ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে রৌপ্য পদক ও ৩০ হাজার টাকার করে চেক প্রদান করা হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রইসুল আলম মন্ডল অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। একই মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সাইদ মোহম্মদ রাশিদুল হক এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

‘মাছ চাষে গড়ব দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শীর্ষক স্লোগান নিয়ে প্রতিবারের মতো এবারেও দিবসটি পালিত হচ্ছে।

পরে প্রধানমন্ত্রী কেআইবি প্রাঙ্গণে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় ‘মৎস্য মেলা’র উদ্বোধন করেন। এই মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে দেশের সকল জেলাতেও মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা গণভবনের লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পোনা মাছ ছেড়ে মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন অভিযানের সূচনা করেন। তিনি সে সময়ই পাট, চামড়া, চা-এর সঙ্গে মাছকেও বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, পরিকল্পিতভাবে মাছ উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে তা বিদেশেও রফতানি করা যায়। এ জন্য মাছের উৎপাদন বাড়ানোর এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন মৎস্য বিদেশে রফতানি করার জন্য আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি।

তাঁর সরকার জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসৃজন, দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘জলমহালে প্রকৃৃত জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করতে নতুন জলমহাল নীতিমালা, জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘হ্যাচারি আইন ও বিধিমালা, মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন ও বিধিমালা প্রণয়নসহ অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘চিংড়ি প্লান্ট ইজারা নীতিমালা, মৎস্য সঙ্গনিরোধ আইন ও জাতীয় চিংড়ি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, এ সকল আইন, বিধি ও নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্যই হল মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও ভোক্তা সাধারণের জন্য মানসম্পন্ন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, ‘জাল যার জলা তার’ আমরা এর ভিত্তিতে জেলেদের বিভিন্ন জলাশয় বরাদ্দ দিচ্ছি। সেখানে তারা মৎস্য উৎপাদন করে আমাদের চাহিদা মেটাচ্ছে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আমরা বাগেরহাটে চিংড়ি গবেষণা, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জ ও গোপালগঞ্জে ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেছি। যেন মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, সেজন্য হাওড়ে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১০ বছরে মাছের উৎপাদন ৫৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪২ লাখ ৭৭ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। একে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করাই আমাদের লক্ষ্য।’

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

6929total visits,255visits today