• রবিবার ( রাত ১০:০৮ )
    • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং

ঈদের আগে সীমান্ত পথে গবাদিপশু আমদানি নিষিদ্ধঃ পানিতে ভাসিয়ে পাচারের চেষ্টা

শাহাদাত হোসেন রিটনঃঃ

দেশীয় গরুর পর্যাপ্ত যোগান থাকলেও বিদেশি গরুর কারনে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছিল দেশীয় কৃষক। হালের গরুর যুগ পার হয়েছে তাই অযথা বাড়তি খরচ দিয়ে কেউ আর গরু চাষ করতে চায়না। আর যাও বা দু একজন করে দাম না পাওয়ায় তারাও হতাশায় ভূগছিল। তবে, এবার ঈদের আগে সীমান্তপথে বৈধ-অবৈধ সব ধরনের গবাদী পশুর অনুপ্রবেশ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খসরুর সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়ও এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। সভায় পশুর সংখ্যা নিরূপণ, কোরবানির হাটবাজারে স্বাস্থ্যসম্মত পশুর ক্রয়-বিক্রয় ও স্বাস্থ্যসেবা, বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পশুর গাড়ি ছিনতাই রোধ এবং দেশের পশু বিক্রেতাদের স্বার্থে ঈদুল আজহা পর্যন্ত সীমান্তপথে বৈধ-অবৈধ সব ধরনের গবাদির অনুপ্রবেশ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, দেশ মাংসে স্বয়ম্ভরতা অর্জনের পর হতে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। পূর্বে প্রতিবছর ২৪-২৫ লাখ ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঘটলেও ২০১৮ সালে মাত্র ৯২ হাজার গরু ঢুকেছে দেশে।

আসন্ন ঈদুল আজহায় ১ কোটি ১০ লাখ পশুর কোরবানি হতে পারে বলে সভায় জানানো হয়েছে। সভায় আরও জানানো হয়, আসন্ন ঈদে ঢাকাসহ দেশের উল্লেখযোগ্য হাটবাজারে পশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম মজুদ থাকবে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ থেকে কলা গাছের গুঁড়িতে গরু বেঁধে বাংলাদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তিন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও এ ঘটনায় ২২৪টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে।

কলা গাছের গুঁড়ির মাঝে গরু বেঁধে পানিতে ভাসিয়ে দেয় চোরাকারবারিরা। পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ এলাকার বন্যায় ফুঁসে উঠেছে গঙ্গা। আর এই অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে এভাবেই বাংলাদেশে গরু পাচারের ছক কষেছে চোরাকারবারিরা।
দু’দিকে দুটো কলা গাছের গুঁড়ি। মাঝখানে শক্তপোক্ত করে বাধা হয়েছে গরু। গরুর মুখ বাঁধা যাতে আওয়াজ না করতে পারে। ঘাড় ঘুরিয়ে ছিঁড়ে ফেলতে না পারে বাঁধন। এভাবেই মালদা এবং মুর্শিদাবাদের পাহাগাতি, ফুলতলা, লালপুর, কমলপুর, ধুলিয়ান সীমান্তে গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল দু’শর বেশি গরু। সতর্ক অবস্থানে থেকে বিএসএফ চোরাচালান ঠেকাতে স্পিডবোট নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। পরে পাচারকারীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ২২৪ টি গরু।  সে সময়  হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় বাংলাদেশের রাজশাহীর জাহিরুল ইসলাম ও মোহম্মদ ডালিম রেজা এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের  রকিকে ।

ক্রাইমডায়রি///ক্রাইম///জাতীয়

5643total visits,94visits today

নোয়াখালীতে কসমেটিকস শপে অভিযানঃ নকলে সয়লাবঃ পণ্য জব্দ ও জরিমানা

নোয়াখালী অফিসঃঃ

ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালীর ৮ কসমেটিকস ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে ৮৯হাজার টাকা জরিমানা ও আড়াই লক্ষ টাকার নকল কসমেটিকস জব্দ করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।।   দীর্ঘদিন হলো জনগনের দাবী ছিল কসমেটিকস এর নকল রোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন। এ নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার পাশাপাশি জাতীয় সাপ্তাহিক ক্রাইম ডায়রিসহ ক্রাইম ডায়রির অনলাইন দৈনিক ও অনলাইন টেলিভিশনেে বিস্তারিত প্রতিবেদন ও বি এস টি আইকে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে পুরানো ঢাকার চকবাজার,কেরানীগঞ্জ,ধোলাইখাল,লালবাগ ও কামরাঙিচর এলাকায় অনেকগুলো নকল কারখানা ও বিদেশী দামী ব্রান্ডের কসমেটিকস উদ্ধার করা হয়। এরই প্রতিফলন ঘটেছে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে।

নোয়াখালী জেলা শহরের নোয়াখালী সুপার মার্কেট, টাউন হল ও মাইজদি বাজারের বিসমিল্লাহ টাওয়ারের কসমেটিকস দোকানগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৮টি কসমেটিকস ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে ৮৯হাজার টাকা জরিমানা ও আড়াই লক্ষ টাকার নকল কসমেটিকস জব্দ করা হয়েছে।  জেলা প্রশাসনের   নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon ও   এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  রুহুল আমিন (Ruhul Amin Rijbi) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন- দেবানন্দ সিনহা (Deba Nanda Sinha), সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুর ১২টায় নোয়াখালী জেলা শহরের টাউন হল এলাকায় তানহা বিউটি কসমেটিকস এ অভিযান চালানো হয়। এসময় আমদানীকারকের স্টিকারবিহীন বিপুল পরিমান নকল কসমেটিকস জব্দ করা হয় ও তানহা বিউটি কসমেটিকসের মালিক মো: তানভীর (৩০)কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৭ ধারায় ৪০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর মাইজদী বাজার এলাকায় বিসমিল্লাহ টাওয়ারের কাজল সাজ কসমেটিকসে অভিযান চালিয়ে আমদানীকারকের স্টীকারবিহীন বিপুল পরিমান নকল পণ্য জব্দ করা হয় ও কাজল সাজ কসমেটিকসের মালিক মো: সোলেমান (২৩) কে ভোক্তা সংরক্ষণ আইনের ৩৭ ও ৫২ ধারায় ৪০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নোয়াখালী সুপার মার্কেটের চতুর্থ তলায় কসমেটিকসের দোকানগুলোতে অভিযান চালিয়ে দিল্লী কসমেটিকস, রোজ কসমেটিকস, ড্রীম কসমেটিকস, স্মার্ট কসমেটিকস, আপডেইট কসমেটিকস ও লামিয়া কসমেটিকস সহ ৬টি কসমেটিকসকে ৯হাজার টাকা জরিমানা ও বিপুল পরিমান স্টীকারবিহীন নকল পণ্য জব্দ করা হয়। অভিযানে সর্বমোট ৮টি কসমেটিকস ব্যবসায়ীয় প্রতিষ্ঠানকে ৮৯হাজার টাকা জরিমানা ও আড়াই লক্ষ টাকার আমদানীকারকের স্টীকারবিহীন নকল পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///আদালত

5643total visits,94visits today