• শনিবার ( রাত ১১:০১ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগেঃদুদকের অভিযান

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী দুদকের ০৩টি অভিযান পরিচলিত এবং দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে আগত অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক কমিশনকে অবহিত করার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট পত্র প্রেরণ করেছে দুদক। দুদক সুত্রে জানা গেছে , পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন- ১০৬) আগত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, দিনাজপুর হতে আজ (১১/০৭/২০১৯ খ্রি.) এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হেনা আশিকুর রহমান। অভিযানকালে তথ্যাবলি যাচাইয়ে টিম জানতে পারে, গত জুন মাসে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলার চেংঠি হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের পার্শ্ববর্তী রাস্তা নির্মাণের কাজ শেষ হয়। দুদক টিমের প্রাথমিক পর্যবেক্ষনে রাস্তার নির্মাণকাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়া মাত্রই পিচ উঠে যায়। সামগ্রিক বিবেচনায় এ নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম এবং দুর্নীতির বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়ায় এ অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের অনুমোদন চেয়ে কমিশনে সুপারিশ প্রেরণ করেছে অভিযানকারী দল।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়//ক্রাইম///দুদক/আদালত

6906total visits,232visits today

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানঃ ১৯ মামলায় ৪২হাজার টাকা জরিমানা ও ৩টি বাস আটক

নোয়াখালী অফিসঃ

সেনবাগের বাস দূর্ঘটনার প্রেক্ষিতে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১৯ মামলায় ৪২হাজার টাকা জরিমানা ও ৩টি বাস আটক করেছে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। পুরো নোয়াখালী জেলা জুড়ে শুদ্ধিি অভিযানের অংশ হিসেবে, সেনবাগ উপজেলায় বাস দূর্ঘটনার প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের তাৎক্ষণিক নির্দেশে আইন লঙ্গন করে রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনকে মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী ১৯ মামলায় ৪২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময়  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন  জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট  রোকনুজ্জামান খান।  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতার জন্য এসময় উপস্থিত ছিলেন,,জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নোয়াখালীর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষানবিশ) হাসনাত জাহান উর্বী ও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান কবির । আদালত পরিচালনায় আরও সহযোগিতা করেন বিআরটিএ সার্কেল, নোয়াখালী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

আজ বিকাল ৩.৩০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নোয়াখালী জেলা শহরের সদর উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভা গেইট এলাকায় মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর নিয়ম লঙ্গন করায় সুগন্ধা দ্রুতযান, সুগন্ধা কিং, একুশে, হিমাচল, বাঁধন, জননী, আর.পি, বিসমিল্লাহ, লাল-সবুজ পরিবহন, জননী, হলুদ পিকাপ, ট্রাক ও মটর সাইকেল চালককে জরিমানা করা হয়েছে।

জনস্বার্থে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালানার সময় যেসকল নিয়মের লঙ্গন দেখা যায়- লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট, রুট পারমিট, বীমা ব্যতীত গাড়ি চালনা, গাড়ির সাথে সঙ্গতিবিহীনভাবে গাড়িতে পরিবর্তন সাধন, অনুমোদিত ওজন অতিক্রম পূর্বক গাড়ি চালানো, ট্যাক্স টোকেন সংগ্রহ না করা সহ সরকারী আদেশ আদেশের অমান্যকরণ।

একই সময় চেয়ারঘাট টু সোনাপুর ও নোয়াখালী টু ফেনী চলাচলকারী সুবর্ণসুপার, সুবর্ণসুপার সার্ভিস, সুগন্ধা দ্রুতযান নামের তিনটি যানবাহনকে সঠিক কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আটক করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাক্রাইম/আদালত

 

6906total visits,232visits today

বুড়িগঙ্গা তীরে উচ্ছেদ অভিযানঃ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের উপর হামলা

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ
প্রকৃতি ও প্রাণকে বাঁচাতে হলে নদী রক্ষা করা জরুরী।যখনই নদী রক্ষার জন্য নদীখেঁকোদের উপর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ হয় তখনই নদী খেঁকোরা দল বেঁধে চড়াও হয়।  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালাতে যাওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপরও হামলা চালিয়েছে এসব নদীখেঁকোদের একটি দল । সরেজমিন সুত্রে দেখা গেছে,   বৃহস্পতিবার পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকায়  নদীখেঁকোদের উচ্ছেদ করতে গেলে অভিযানের নেতৃত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের  উপর হামলা করা হয়। এতে তিনিসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া অভিযানে প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটল। পরে আহত ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে অন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর উচ্ছেদ অভিযান পুণরায় শুরু করা হয়।ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন   ক্রাইম ডায়রিকে বলেন,   অভিযান চলাকালে বেলা ১১টার দিকে শ্বশানঘাটের ইজারাদার ইব্রাহিম আহমেদ রিপন উচ্ছেদ কার্যক্রমে বাঁধা দেন। এক পর্যায়ে রিপন তার দলবল নিয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানসহ পাঁচজনের গায়ে আঘাত লাগে। সরেজমিনে দেখা গেছে  , উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা সংখ্যায় কম হওয়ায়  হামলাকারীদের ঠেকাতে ব্যর্থ হয়।৷ তখন অতিরিক্ত পুলিশ ডাকা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আটক করা হয় ইজারাদার ইব্রাহিমের ছোট ভাই বাপ্পীসহ তিনজনকে। তবে পালিয়ে যান ইজারাদার। তাকে আটক করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা নদী বন্দরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, এতদিন নদীর তীরে অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হলেও দখলদাররা কিছু করার সাহস পায়নি। অভিযানে স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের একাধিক বহুতল ভবন, দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজলের শ্বশুরবাড়িও বাদ যায়নি। অভিযানকারী দলের ওপর হামলার কেউ সাহস করেনি। কিন্তু চতুর্থ পর্বের দ্বিতীয় পর্যায়ের অভিযানের তৃতীয় দিনে এসে এমন ঘটনা ঘটল। পরে নতুন আরেকজন ম্যাজিষ্ট্রেট এসে অভিযান পরিচালনা করেন।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়/আদালত

6906total visits,232visits today