• শনিবার ( রাত ১১:০১ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

ভ্রাম্যমাণ আদালত নোয়াখালীর সফল অভিযানঃ চাটখিলে ৭টি হাসপাতালকে জরিমানা

চাটখিল সংবাদদাতাঃঃ

নীতির ক্ষেত্রে আপোসহীন মনোভাব নিয়ে এগিয়ে চলেছে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। জনবান্ধব উদ্যোগে জেলা প্রশাসন নোয়াখালীর বিস্ময়কর সব অভিযানে     সারা দেশ হতবাক হয়ে তাকিয়ে রয়।  পুরো নোয়াখালীর মানুষ জেলা প্রশাসনকে দেবদূত ভাবতে শুরু করেছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রুকনুজ্জামান খান হলেন; জেলার নয় পুরো বাংলার হিরো। পুরো জেলায় ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে  নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার ৭টি হাসপাতালকে ৪লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলা সদরে অবস্থিত ৭ টি হাসপাতালকে ৪লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেলা প্রশাসনের  করেন মো: রোকনুজ্জামান খান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (Ruknuzzaman Khan Rukon)। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় তাকে সহযোগিতা করেন- নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাত, বিএমএ প্রতিনিধি ডা. দ্বীপন চন্দ্র মজুমদার, ড্রাগ সুপার মাসুদুজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন চাটখিল থানা পুলিশ।

সুত্রে জানা গেছে,, গোপন সংবাদ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে জনস্বার্থে সারাদিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলোতে মেডিকেল প্রাকটিস ‌‌এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরীজ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ বিধি অনুযায়ী তফসিল ক, খ ও গ তে বর্ণিত অবকাঠামো, ৩৬ ধরণের উপকরণ, ডিউটি ডাক্তার, নার্স, জীবন রক্ষাকারী ড্রাগ, ইমার্জেন্সী সেবা, অপারেশন থিয়েটার, অক্সিজেন সিলিন্ডার- এমন হাসপাতাল ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি। এসবের প্রায়গুলো ছিল অপরিস্কার। অপারেশন থিয়েটারগুলোর মূল বেডগুলো পাওয়া যায় জং ধরা ও অর্ধ রং বিহীন, অপারেশন থিয়েটারে যেসব ঔষধ থাকার কথা সেই ধরণের ঔষধগুলো অযাচিতভাবে সংরক্ষণ করা, অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত সিজার ও অপর যন্ত্রপাতিগুলোও ছিল জং ধরা, অপারেশনে ব্যবহৃত কাপড় ও বালিশে লেগে ছিল রক্তের দাগ ও তাজা রক্ত। অভিযানের সময় এসব হাসপাতালের কোন ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সর্বোপরি অধিক মূল্য গ্রহণ করে সেবার নিম্নমান প্রদান করা হচ্ছে। ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী প্যাথলজি ও ফার্মেসীতে আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- কোন লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেখে ডিগ্রীবিহীন টেকনিশিয়ান দ্বারা ল্যাবগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে এবং একই সাথে এসব ল্যাবে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ব্যবহৃত হচ্ছে না। ল্যাবগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া গিয়েছে যা দিয়ে প্যাথলজীর টেস্ট কর্যক্রম করা হচ্ছিল এবং এগুলো জব্দ করা হয়েছে। এসময় উপজেলার কোন ফার্মেসীতেই ফার্মাসিস্ট পাওয়া যায়নি। ফার্মেসীগুলোতেও বিপুল পরিমান মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া ‍গিয়েছে। এক্স-রে পরীক্ষার অনুমোদনের জন্য হাসহপাতালগুলোতে পাওয়া যায়নি আনবিক শক্তি কমিশনের অনুমোদন। ক্লিনিক্যাল বর্জ্র ব্যবস্থাপনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও এসব প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। কোন হাসপাতাল-ক্লিনিক-প্যাথলজিকে বর্জ্র ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৯ধারা অনুযায়ী সেবার মূল্য তালিকা সংরক্ষণের বিষয়ে দেখা যায় প্রায় প্রতিষ্ঠানে যেসব সেবা দেওয়া হচ্ছে তার সকল সেবার নাম ও সেবার মূল্য দেওয়া নেই এবং এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানে সেবার মূল্য তালিকাও দেখা যায়নি।

এসব অপরাধের জন্য চাটখিল ইসলামিয়া হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৭০হাজার, চাটখিল ফিজিও থেরাপি সেন্টারকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৩৫হাজার, নবজাতক শিশু চাইল্ড কেয়ার ও গাইনি হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৭৫হাজার, জনজীবন মেডিক্যাল সার্ভিসেসকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৭০হাজার, চাটখিল শিশু হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৮৫হাজার, চাটখিল স্কয়ার হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৪৫হাজার ও ডা: জেবুন্নেছা জেনারেল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৫০হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয় এবং ৭টি হাসপাতালকে মোট জরিমানা ৪লক্ষ ৩০হাজার টাকা।

জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে  ।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত

6905total visits,231visits today

ঝালকাঠিতে পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী আটকঃ ৬পিস ফেন্সিডিল উদ্ধার

ইমাম বিমান,ঝালকাঠি অফিসঃ
ঝালকাঠি জেলার গাবখান ব্রীজের টোল ঘরের সামনে মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে ৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়, ঝালকাঠিতে ডিবি পুলিশের ইন্স. মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযানে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক হওয়ার ঘটনা ঘটে। ৮জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টার সময় গাবখান ব্রীজের টোল ঘরের সামনে থেকে আল আমিনকে আটক করে তার কাছে ৬ বোতল ফেন্সিডিল পাওয়া যায়।
আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী রাজাপুর থানার কানুদাসকাঠি গ্রামের মানিক হাওলাদারের ছেলে আল আমিন হাওলাদার।
ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা

6905total visits,231visits today

সাব্বাশ! গাজীপুর ডিবি পুলিশঃ চন্দ্রায় গণপরিবহনের ৪ চাঁদাবাজ আটক

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

সারাদেশে চলে নিরব চাঁদাবাজি। কেউ কিছুই বলেনা। বরং অবস্থাদৃষ্টে বোঝা যায় আবার দাবী ও করা হয় যে প্রশাসনের ইঙ্গিতেই চাঁদাবাজি চলছে। আছে রাজনীতির সর্বোচ্চ প্রভাব। কিন্তু এ ধারণা ভেঙে দিলেন  গাজীপুর ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ। মনে আছে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনার কথা। সেখানেতো প্রকাশ্য রাজপথে চাঁদাবাজি হয় দীর্ঘ সময় ধরে। চাঁদা তোলার সেই অফিসটি এখন কুঁড়ে হতে বিল্ডিং হয়েছে। ব্যানার হতে সাইনবোর্ড হয়েছে। লেখা আছে সরকার অনুমোদিত চাঁদা আদায় কেন্দ্র। শ্রমিক কল্যাণ তহবিল আদায় করা হয় সেখানে।

 

উত্তরবঙ্গে প্রবেশের একমাত্র রাস্তার মাঝে এরকম প্রকাশ্য চাঁদা আদায়কারীরা লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে থাকে । প্রতিটি গাড়ি হতে চাঁদা আদায় করতে গিয়ে হয়ে যায় লম্বা যানজট। যমুনা সেতু হতে হাটিকুমরুল সেখানেও একদল চাঁদাবাজ চাঁদা তুলতে গিয়ে জ্যাম লাগান। প্রকাশ্য তাদের হাতের মুঠিতে গুঁজে দেওয়া টাকায় তারা পরিবারের জন্য হালাল সুখ অর্জন করেন।  তাঁদের   কথা বলতে বারণ । তবে সারাদেশে এই প্রথম বড় অর্জন গাজীপুর ডিবি পুলিশের । মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে এমন একটা কাজই যথেষ্ট।।                       গাজীপুর কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা মোড় ফ্লাইওভারের নিচে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, কাঠের গাড়ী, গরু ও ছাগলের গাড়ীসহ বিভিন্ন পরিবহন হতে চাঁদা আদায়কালে অবৈধভাবে উত্তোলনকৃত চাঁদার নগদ ৫৩৫৪/- টাকাসহ ০৪(চার)জন চাঁদাবাজকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে গাজীপুর জেলা (ডিবি) পুলিশ।

সাবাশ! ডিবি গাজীপুর সাব্বাশ!জনতার দোয়া ও ভালবাসা পিছু রইবে সবসময়।

ক্রাইম ডায়রি///আইন শৃঙ্খলা

6905total visits,231visits today

বাগেরহাটে গরু বোঝাই ট্রাক চাপায় নিহত ২, আহত-৪

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির.সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার,বাগেরহাটঃ
বাগেরহাটের ফকিরহাটে গরু বোঝাই ট্রাকের চাপায় রাব্বি শেখ (২০) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (৪২) নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও ৩ পথচারি। সোমবার খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের ফকিরহাট উপজেলার আট্টাকী বিশ্বরোডের মোড়ে এই দূর্ঘটনা ঘটে। আহত চারজনকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত রাব্বি শেখ ফকিরহাট উপজেলার আট্টাকী গ্রামের হোসেন শেখের ছেলে ও সৈয়দমহল্লা গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন এর ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন। আহতদের নাম পরিচয় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি।

ফকিরহাট থানার ওসি মো. আবু জিহাদ বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে মোল্লাহাট থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা গরু বোঝাই ট্রাকটি ঘটনাস্থলে এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে সাইকেল আরোহী রাব্বিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যান। এসময় পাশে দাড়িয়ে থাকা আরও চারজন আহত হয়।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ফকিরহাট হাসপাতালে ও পরে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীর হোসেন নামে আরও একজন মারা যায়। ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা//পথে

6905total visits,231visits today