• শনিবার ( রাত ১০:৫৭ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

র‌্যাব-১ এর সাফল্যঃ গাজীপুর হতে বৈদ্যুতিক তার চোর চক্রের ৩ সদস্য আটকঃ বিপুল পরিমাণ তার উদ্ধার

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

গাজীপুরের জয়দেবপুর হতে সরকারী বৈদ্যুতিক তার চোরাকারবারী চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্যকে বিপুল পরিমান বৈদ্যুতিক তারসহ হাতে নাতে গ্রেফতার কারেছে র‌্যাব-১। সুত্রে জানা গেছে ,০৭ জুলাই রবিবার র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকার একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরীর জয়দেবপুর থানাধীন মেম্বারবাড়ি এলাকার মনিরের টিনসেড গুদাম হতে  সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সদস্যদের  চোরাই সরকারী বৈদ্যুতিক তারসহ আটক করে। আটককৃতরা হলেন, ১) মোঃ উজ্জল শেখ (৪৯), পিতা- মৃত জালাল শেখ, সাং- কোলাপাড়া, থানা- শ্রীনগর, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, ২) মোঃ খাইরুল শেখ (৩৫), পিতা- মোঃ জালাল শেখ, সাং- সারুলিয়া, থানা- লোহাগড়া, জেলা- নড়াইল এবং ৩) মোঃ শাহীন আলম (৩৫), পিতা- মৃত ইসমাইল হোসেন, সাং- বানিয়ারচালা, থানা- জয়দেবপুর, জেলা- গাজীপুর।

এসময় চোরাই  ১৪,৭৮৪ কেজি বিভিন্ন প্রকার বৈদ্যুতিক তার, ৩৯৮ কেজি ড্রামের রড, ০২ টি শাবল, ০৩ টি চাপাতি, ০১ টি দা, ১৪ টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৭৯৭৪/- টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত তারের আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০,০০,০০০/- টাকা বলে জানা যায়। জানা গেছে, এরা  একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুরসহ সমগ্র বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন বৈদ্যুতিক লাইন হতে কোটি কোটি টাকার বৈদ্যুতিক তার চুরি করে বিক্রয় করে আসছিল।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা

6869total visits,195visits today

নোয়াখালীর সেনবাগে হাসপাতাল বন্ধ ও জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

সেনবাগ সংবাদদাতাঃ

নোয়াখালীতে কোন অন্যায় ও অবৈধকাজ সংগঠিত হবেনা এমন প্রত্যয়ে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।।    জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে , ৮ জুলাই, ২০১৯ তারিখে গোপন সংবাদের ও ভোক্তাদের অভিযোগের   প্রেক্ষিতে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলা সদরে অবস্থিত ৬ টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে নির্দিষ্ট মান অর্জন না করতে পারা পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন  ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মো: রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon।।  এসময়  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় তাকে সহযোগিতা করেন- নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাত, বিএমএ প্রতিনিধি ডা. দ্বীপন চন্দ্র, ড্রাগ সুপার মাসুদৌজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা ও বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন সেন্টারের কার্যালয়ের ম্যানেজার সগির আহমেদ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন উপ-পরিচালক নরেশের  নেতৃত্বে RAB-১১, লক্ষীপুর।

গোপন সংবাদ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে জনস্বার্থে সারাদিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলোতে মেডিকেল প্রাকটিস ‌‌এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরীজ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ বিধি অনুযায়ী তফসিল ক, খ ও গ তে বর্ণিত অবকাঠামো, ৩৬ ধরণের উপকরণ, ডিউটি ডাক্তার, নার্স, জীবন রক্ষাকারী ড্রাগ, ইমার্জেন্সী সেবা, অপারেশন থিয়েটার, অক্সিজেন সিলিন্ডার- এমন হাসপাতাল ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি। এসবের প্রায়গুলো ছিল অপরিস্কার। অপারেশন থিয়েটারগুলোর মূল বেডগুলো পাওয়া যায় জং ধরা ও অর্ধ রং বিহীন, অপারেশন থিয়েটারে যেসব ঔষধ থাকার কথা সেই ধরণের ঔষধগুলো অযাচিতভাবে সংরক্ষণ করা, অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত সিজার ও অপর যন্ত্রপাতিগুলোও ছিল জং ধরা, অপারেশনে ব্যবহৃত কাপড় ও বালিশে লেগে ছিল রক্তের দাগ ও তাজা রক্ত। অভিযানের সময় এসব হাসপাতালের কোন ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সর্বোপরি অধিক মূল্য গ্রহণ করে সেবার নিম্নমান প্রদান করা হচ্ছে। ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী প্যাথলজি ও ফার্মেসীতে আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- কোন লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেখে ডিগ্রীবিহীন টেকনিশিয়ান দ্বারা ল্যাবগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে এবং একই সাথে এসব ল্যাবে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ব্যবহৃত হচ্ছে না। ল্যাবগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া গিয়েছে যা দিয়ে প্যাথলজীর টেস্ট কর্যক্রম করা হচ্ছিল এবং এগুলো জব্দ করা হয়েছে। এসময় উপজেলার কোন ফার্মেসীতেই ফার্মাসিস্ট পাওয়া যায়নি। ফার্মেসীগুলোতেও বিপুল পরিমান মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া ‍গিয়েছে। এক্স-রে পরীক্ষার অনুমোদনের জন্য পাসহাতালগুলোতে পাওয়া যায়নি আনবিক শক্তি কমিশনের অনুমোদন। ক্লিনিক্যাল বর্জ্র ব্যবস্থাপনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও এসব প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। কোন হাসপাতাল-ক্লিনিক-প্যাথলজিকে বর্জ্র ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৯ধারা অনুযায়ী সেবার মূল্য তালিকা সংরক্ষণের বিষয়ে দেখা যায় প্রায় প্রতিষ্ঠানে যেসব সেবা দেওয়া হচ্ছে তার সকল সেবার নাম ও সেবার মূল্য দেওয়া নেই এবং এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানে সেবার মূল্য তালিকাও দেখা যায়নি।

এসব অপরাধের জন্য দি নিই সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৮০হাজার, এম এ লতিফ ডায়াবেটিকস হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৫হাজার, মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৬৫হাজার, লাইফ স্কয়ার হসপিটালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুয়ায়ী ৬৫হাজার, নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৩০হাজার, সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৬৫হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয় এবং ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট জরিমানা ৩লক্ষ ১০হাজার টাকা। একই সাথে নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মানে উত্তরণের পূর্ব পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও বেগমগঞ্জ উপজেলার শ্রীকৃষ্ঞ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্নতার এবং মেয়াদ বিহীন পণ্য বিক্রয়ের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৬০হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।

সারাদিনব্যাপী (সকাল ১১ট থেকে বিকাল ৪.৩০পর্যন্ত) সেনবাগ ও বেগমগঞ্জ উপজেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট জরিমানা ৩লক্ষ ৭০হাজার টাকা।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত

6869total visits,195visits today

গণমাধ্যমজুড়ে অস্থিরতা চরমে

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধানঃ

পেশাজীবী সাংবাদিকদের জন্য বর্তমানে খুবই দুঃসময় চলছে। পেশিশক্তিসহ নানা কারণে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পরিবেশ নেই বললেই চলে। পেশাদার সাংবাদিকদের বড় একটা অংশ চরম আর্থিক সংকটে। একশেণীর লুটেরা ও অপেশাদারদের হাতে গণমাধ্যম চলে যাওয়ায় মর্যাদার এ পেশায় নিয়োজিত অনেকেই হতাশ।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে গেলে দুটি চিত্র স্পষ্ট। হাতেগোনা কজন সাংবাদিককে দামি গাড়ি হাঁকিয়ে বাহারি সাজে রাজকীয় মোডে দেখা মিলে। আর বড় একটা অংশ নিদারুণ কষ্টের মধ্য দিয়ে যে যাচ্ছে, সেটা তাদের চেহারায় ফুটে ওঠে। অভুক্ত থাকার কথা, বলে প্রায়ই অনেকে চোখের পানি ফেলছেন সহযোগিতা পাওয়া যায়- এমন সুহৃদদের সামনে। দীর্ঘ বেকারত্ব মূলত এদের কাবু করে ফেলছে।

গণমাধ্যমের আধিক্য আছে বটে। তবে হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকিরা সাংবাদিকদের সঙ্গে চরম রসিকতা করছে। বিধি মোতাবেক নিয়োগপত্র দেওয়া তো দূরের কথা, মাস শেষে বেতনটাও ঠিকমতো পরিশোধ করে না। কী ইলেকট্রনিক মিডিয়া, কী প্রিন্ট মিডিয়া, কী অনলাইন পোর্টাল; সর্বত্রই একই অবস্থা বিরাজ করছে। একশ্রেণীর নীতিহীন মালিক এমনটা করছে।

এমনও কিছু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান আছে নাকি, যাদের কাজ হলো; পরিচয়পত্র বিক্রি, কর্মরতদের বেতন দেওয়া নয়; উল্টো তাদের মাধ্যমে নানাভাবে কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া! কদিন আগে তো গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে যে, বমাল গ্রেফতার হওয়া ডাকাতদের কাছে গণমাধ্যমের পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে! তারা নাকি ৬ মাস পরপর টাকার বিনিময়ে নতুন নতুন পরিচয়পত্র সংগ্রহ করত!

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধির আড়ালে এগুলোর অর্জন ও মর্যাদা কীভাবে ভূলুন্ঠিত হচ্ছে, তা বলে আর নিজেদের লজ্জার পরিধি বাড়াতে চাই না। অপরিণামদর্শীদের হাতে গণমাধ্যমে চলে যাওয়ার কুফলের কিঞ্চিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। আগে যারা গণমাধ্যমের মালিক ছিলেন, তারা ছিলেন সমাজের এলিট শ্রেণী। মান-মর্যাদা যাদের ছিল। ফলে তারা সাংবাদিকদেরও মর্যাদা দিতেন। এতে উভয়ই ভালো ছিলেন।

গণমাধ্যম যখন থেকে আলু-পোটল ব্যবসায়ী, সংবাদপত্রের একসময়ের দারোয়ান-পিয়ন, কেরানী, কম্পিউটার অপারেটর, ম্যানেজার, প্রেসের মালিক, ভূমিদস্যু আর লুটেরা শ্রেণীর কবলে চলে গেছে, মূলত তখন থেকেই এর মর্যাদাহানি ঘটে চলেছে। যার নির্মম বলি হচ্ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান যত জ্যামিতিক হারে বেড়েছে, সাংবাদিকরা ততই নিষ্পেষিত হচ্ছেন।

না, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নাগপাশ নয়; বরং আবর্জনাসম এসব গণমাধ্যমে কথিত কর্মরতদের পরমায়েশী সংবাদ পরিবেশন করা হয়। একই ধরনের সংবাদ অনলাইন থেকে নিয়ে করা হয় পরিবেশন।একজন অপারেটর কয়েকটি দৈনিকের মালমসলা একই কম্পিটার থেকে আঞ্জাম দেন। লিজ নিয়ে তারা এসব করেন। রাজধানীর ফকিরাপুল এ জন্য খ্যাত।

পেশাদার সাংবাদিকদের এমন দুর্দদশা থেকে কবে মুক্তি মিলবে, ভেবে কূল পাচ্ছে না অভিজ্ঞ মহল। এমনটা হলে পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা টিকে থাকবে বটে, তবে পেশারদার ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অপমৃত্যু ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। নবম ওয়েজ বোর্ড আসছে, এতে অনেকে খুশিতে বাকবাকুম করলেও ছাঁটাই আতঙ্কে এখনই অস্থির পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীদের বড় একটা অংশ। এতে এ খাতে অস্থিরতা বাড়ছে।

ক্রাইম ডায়রি  / সৌজন্যে (প্রতিবেদক : বিশেষ প্রতিনিধি- পিএনএস)/স্পেশাল

6869total visits,195visits today

নকল ড্রাগ লাইসেন্স তৈরিঃভ্রাম্যমান আদালতে ২ মাস কারাদন্ড

নোয়াখালী অফিসঃ

নকল ড্রাগ লাইসেন্স তৈরি করে সরবরাহের দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতে একজনের দুই মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সুত্রে জানা গেছে,     নোয়াখালী জেলার মাইজদি শহরের স্থানীয় খ্যাতনামা হোটেলে অভিযান চালিয়ে ড্রাগ লাইসেন্স দেওয়ার চুক্তির সময় জাল ড্রাগ লাইসেন্সসহ বাহার উদ্দিনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন মো: রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon), এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নোয়াখালী। অভিযানে সহযোগিতা করেন দেবানন্দ সিনহা, সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ড্রাগ সুপার কার্যালয়ের প্রতিনিধি এবং ক্যামিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি। আইনশৃঙ্খলায় সহযোগিতা করেন সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ১০.৩০দিকে নোয়াখালী জেলার মাইজদি সুপার মার্কেট সংলগ্ন মেইন রোডের পশ্চিম পাশে টোকিও ফুড এর ভিতরে ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও আবেদনকারী নিজেদের মধ্যে লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মৌখিক চুক্তি সম্পাদন করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে লাইসেন্স সরবরাহ করার জন্য কেমিস্ট ব্যাতিত ৩৫হাজার টাকা ও কেমিস্ট সার্টিফিকেট থাকলে ৩০হাজার টাকার ‍চুক্তি হয়। তবে এসময় কেমিস্ট সাটিফিকেট রয়েছে বিধায় ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য ৩০ হাজার টাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে দাম রফাদফা হয় এবং অর্থ বিনিময় হয়। অভিযানের সময় অভিযুক্তের কার্যক্রম একাধিক মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ড করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাহার উদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্বীকার করেন এবং তাকে দন্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী ২মাসের বিনাশ্রম করাদন্ড দিয়ে জেলা কারাগার নোয়াখালীতে প্রেরণ করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আদালত

6869total visits,195visits today

নলছিটিতে শিশুদের বিপদ জনক সাঁকো পেরিয়ে স্কুলে যাতায়াত 

ইমাম বিমানঃ
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলাধীন দপদপিয়া ইউনিয়নের উত্তর জুরকাঠিও ভরতকাঠি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া ৬০ ফুটের খাল। এ খালে পানি বেড়ে গেলেই স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রী জনগন সহ পরতে হয় বিড়ম্বনায়। খালের পানি বৃদ্ধি পেলেই খালের উপর স্থাপিত বাঁশের সাকো পানির নিচে তলিয়ে যায়। তার পরও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পেরিয়ে রোজ স্কুলে যেতে হয় কোমলমতি শিশুদের।
পাশাপাশি দু’গ্রামে বাস করে পাঁচশতাধিক পরিবার। গ্রামের শত শত শিশু প্রতিদিন খালের উপর দিয়ে সাকো পেরিয়ে এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় বলে জানান এলাকাবাসী। খালে পানি বেড়ে গেলে এ সাঁকোর অনেকটা তলিয়ে যায়, তখন বড়রা হাতল ধরে পারাপার হলেও শিশুরা পড়ে বেকায়দায়। শিশুদের অতিকষ্টের পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়।
এভাবেই বছরের পর বছর ধরে গ্রামের শিশুরা খাল পারাপার হয়ে পড়ালেখা করছে। সাঁকো পিছলে অনেকবার দুর্ঘটনাও ঘটেছে। এ বিষয় গ্রামের একাধিক বাসিন্দা  জানান, প্রতিদিন বহু মানুষ এ সাঁকো পেরিয়ে স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় ও হাটবাজারে যাতায়াত করে। বৃদ্ধ, শিশু ও অসুস্থদের সাঁকো পেরুতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
নির্বাচন এলে প্রার্থীরা কালভার্ট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও চার দশকেও কেউ সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে এগিয়ে আসেননি।
ক্রাইম ডায়রি//জেলা

6869total visits,195visits today