• শনিবার ( রাত ১১:০১ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

ভূয়া সাংবাদিক ও ভূয়া মিডিয়াঃঃ লাগাম টানার এখনই সময়

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সাংবাদিকতা করার জন্য নয়; একটা আইডি কার্ড ও দাপট দেখানোর মানসিকতা নিয়ে টাকার বিনিময়ে কার্ড সংগ্রহ করে হুমকি/ধামকি   ও প্রভাব বিস্তার করছে একদল ভূয়া সাংবাদিক। বিশেষ করে মফস্বলে। অসংখ্য নিবন্ধনহীন সাংবাদিক সংগঠন।অন্তরালে; যাকে তাকে সাংবাদিক   বানিয়ে তাকে দিয়ে ধান্দাবাজি কিংবা সদস্য বাড়ানোর চেস্টা।

লাগাম টেনে না ধরলে কি হতে পারে? তা চোখ কান খোলা রাখলে সহজেই অনুমেয়! ভূয়া সাংবাদিকতা ও মিডিয়ার বিরাম্বনা আর কত?দেশে এখন অনলাইন নিউজ পোর্টাল আর অনলাইন টিভি, রেডিও’ র সংখ্যা কত সে তথ্য সরকারের কাছে আছে, চলছে মনিটরিং ও যাচাই। কিছু টাকা আছে, একটা পোর্টাল খুলে রাজনৈতিক/মাদক/ চাঁদাবাজি/ জুয়া কিংবা ইয়াবা হালাল করার জন্য সাংবাদিকতার  মুুুখোশ পড়ে অপকর্মে লিপ্ত এরা। নামে বেনামে  জনপ্রিয় অনেক অনলাইন নিউজ পোর্টালের বা টিভি চ্যানেল ও শো এর নাম কিংবা ডিজাইন নকল করে নতুন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা ওয়েবসাইট চালু করে  এরা। অনেকে এখন অনলাইন নিউজ পোর্টাল/টিভি চালু করে সাংবাদিকতার নামে অপসাংবাদিকতা ইতোমধ্যে শুরু করেছেন।  সরকারের মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ও প্রেস কাউন্সিল ইতোমধ্যে  যে উদ্দ্যোগ নিয়েছেন তা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য হলেও,কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে কালক্ষেপন করছেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

 

ফেসবুক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা টিভিতে সাংবাদিক নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিয়ে তরুণ-তরুণীসহ অনেকের সাথে  প্রতারনাও করা

হচ্ছে। কিছু টাকা দিলে যে কেউ হতে পারেন সাংবাদিক। এমনকি বার্তা সম্পাদকের মানদন্ডের অনেক নিচে থেকে কোন কোন মুদি দোকানীও হতে পারেন বার্তা সম্পাদক আবার ভূয়া পরিচয়দানকারী ভবঘুরে বেকাররাও হতে পারেন সম্পাদক। শব্দচয়ন,বাক্যগঠন কিংবা বানান রীতিনীতি সম্পর্কে যাদের কোন ধারনাই নেই।।। নেই নিয়োগের কোন মানদন্ড। গভীরে হাত দিলে প্রকাশক সহ সম্পাদক সবারই থলের বেড়াল বের হয়ে আসবে ।  সাংবাদিক নিয়োগের নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ উঠেছে অনেকের বিরুদ্ধে।

দেশের প্রথম শ্রেণীর ও শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টালে আপলোড হওয়া নিউজের বানান, দাড়ি ও কমা ঠিক রেখে নকল হচ্ছে নিউজ। পোর্টাল/টিভির কথিত সম্পাদক, সংবাদকর্মী কিংবা ডেস্কে   যারা কাজ করেন তাদের সংবাদ লেখার ক্ষমতা না থাকলেও একটু এদিক  সেদিক করে অন্য পত্রিকার ওয়েব সাইট হতে কপি টু পেস্ট করে নিজের নিউজ পোর্টালে প্রকাশ করে আসছেন।
সাংবাদিকতা করেননি  কখনও  কিংবা সংবাদ পত্রের কার্যালয়ের বারান্দায়ও পা পড়েনি কোনদিন অথচ অনলাইন নিউজ পোর্টাল,টিভি সম্পাদক/মালিক হয়েছেন অনেকে। আবার অনেকে কোন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা প্রিন্ট পত্রিকায় লেখালেখি না করলেও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লোভে রাতারাতি সম্পাদক/মালিক হয়েছেন।

 

 

 

 


গড়ে তুলেছেন ভুয়া দৈনিক পত্রিকার নামে ওয়েবসাইট, অনলাইন পোর্টাল,টিভি,রেডিও ও মানবাধিকার সংস্থার মত নাম সর্বস্ব সংগঠন।
ফেসবুকে অসংখ্য আইডি ও পেইজ খোলা হয়েছে। জেলার প্রকৃত ও দক্ষ সংবাদ কর্মীদের পাঠানো নিউজ তাদের পোর্টাল থেকে কপি করে নিয়ে নিজের নামে পোস্ট করছেন এসব আইডি বা পেইজে। অনেক এলাকার নাম, সংবাদের সাথে মিল রেখে নাম দিয়ে এসব পরিচালনা করছেন।
এসব কর্মকান্ডে জেলা,উপজেলা ও জাতীয় পর্যায়ে কিছু নামধারি সংবাদকর্মীরা জড়িত। তাদের কর্মকান্ড প্রকৃত সংবাদকর্মী ও প্রবীন সাংবাদিকদের মধ্যে  বিরুপ  প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছেে। তারা কি করেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি, কেন সংবাদপত্র জগতে? এমন প্রশ্নও উঠছে।

এছাড়া বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল,টিভি চ্যানেলের নামকরে বিভিন্ন মিডিয়ায় ও ফেসবুকে আকর্ষনীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখা যায় প্রায়ই। দেখা যায় জেলা, উপজেলা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদদাতা নিয়োগ করা হবে। ডি এস এল আর ক্যামেরা,ল্যাপটপ ও মটর বাইক ও সম্মানি দেওয়ার মত প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিটি বিজ্ঞাপনে উঠতি বয়সী তরুন তরুণীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনাও  দেখা যায়  প্রায়শঃই ।সরাসরি যোগাযোগ করতে নিষেধ করে মোবাইল ফোন নম্বর ও মেইল দিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয় অনেক সময়।

এসব বিজ্ঞাপন দেখে  সাংবাদিক হওয়ার আশায়  যোগাযোগ করেন দেশের অসংখ্য মানুষ।
তাদের জানানো হয়, ‘আপনারা আসেন কিছু খরচাপাতি (অর্থ) আপনাদের দিতে হবে, আপনাদের সঙ্গে সঙ্গে আইডি কার্ড দেওয়া হবে’। আবার অনেকে বলেন আমারদের নাম্বারে বিকাশ করে টাকা পাঠান, আপনার ঠিকানায় আইডি কার্ড পাঠানো হবে।
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এ উন্নয়নের সময়ে কিছু কিছু অনিবন্ধিত    অনলাইন; নামসর্বস্ব প্রতিনিধি নিয়োগ করে দিন চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ, পত্রিকার পোর্টাল নিয়েও তারা কথা  বলার চেষ্টা করেন।
আর যারা নিউজ পাঠাচ্ছেন তাদের কিছু নিউজ আপলোড হলেই মনে করেন, আমি তো সাংবাদিক হয়েই গেছি। আমার নিউজ যেহেতু আপলোড হয়েছে এবার আমায় ঠেকায় কেে???

আসলে তারা সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেয়ার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। অনেককে আবার নিয়োগ দেয়া হলেও তাদেরকে জড়ানো হচ্ছে প্রতারণা মূলক বিভিন্ন ধরণের কর্মকান্ডে।
অভিযোগ উঠছে, প্রতারণা আর চাঁদাবাজি করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া ছাড়াও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে অর্থের বিনিময়ে পরিচয়পত্র প্রদান করছে সাংবাদিকতার নামের এই প্রতারক চক্রটি। দিনে দিনে বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম। মাঝে মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধড়া পড়লেও থেমে নেই কথিত এসব সাংবাদিকদের তৎপরতা। অভিযোগ আছে, প্রশাসনও তাদের  প্রশ্রয় দিচ্ছেন।  হয়তো বুুুঝে আবার অনেক সময় না বুঝে। এতে প্রতিনিয়ত বিব্রত হচ্ছেন পেশাদার অনলাইন,দৈনিক পত্রিকার সংবাদিক/সম্পাদক /মালিকগন।

এ বিষয়ে জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের

স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গনি মিয়া বাবুল           বলেন, এসব বিজ্ঞাপন দেখে তরুণ-তরুণীরা বিভ্রান্ত হয় । এই সুযোগে অপরাধীরা অপরাধ করে পার পেয়ে যায়।

এর বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।সরকারের উচিত দ্রুত এসব অনলাইন পোর্টাল গুলো একটি পরিছন্ন নীতিমালায় নিয়ে আসা। এদিকে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি চিঠি ক্রাইম ডায়রির পক্ষ হতে সকল প্রশাসনসহ প্রেস কাউন্সিল বরাবর প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন ক্রাইম ডায়রির প্রধান উপদেষ্টা লায়ন গনি মিয়া বাবুল।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

6904total visits,230visits today

বঙ্গকন্যাকে হত্যাচেষ্টাঃফাঁসি হবে ৯ জনেরঃ যাবজ্জীবন ২৫ জন

পাবনা ব্যুরোঃ

বঙ্গকণ্যাকে ট্রেনে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় প্রকাশিত হয়েছে। রায়ে ৯জনের মৃত্যুদন্ড ঘোষনা করা হয়েছে। ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একই ঘটনায় ২৫ জনের যাবজ্জীবন ও ১৩ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

 বুধবার দুপুর ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রুস্তম আলী। এ মামলার ৫২ আসামীর মধ্যে জীবিত আছেন ৪৭ আসামী। যাদের মধ্যে কারাগারে থাকা ৩২ জনকে আদালতে হাজির করা হয়।
১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বরের এ ঘটনায় ঈশ্বরদী রেলওয়ে পুলিশ মামলাটি দায়ের করে।
উল্লেখ্য, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দলীয় কর্মসূচিতে ট্রেনবহর নিয়ে খুলনা থেকে ঈশ্বরদী হয়ে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। সন্ধ্যার দিকে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ট্রেনটি প্রবেশের আগে রেলগেট এলাকায় অতর্কিত ওই ট্রেন ও শেখ হাসিনার কামরা লক্ষ্য করে উপর্যুপরি গুলিবর্ষণ ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়।


এই ঘটনায় করা মামলায় প্রথমে বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টুসহ ৭ জন আসামী থাকলেও পরবর্তীতে সিআইডি অধিকতর তদন্ত শেষে মোট ৫২ জনকে আসামী করে চার্জশিট দেয়। এদের মধ্যে গত ২৫ বছরে ৫ জন মারা গেছেন। ৩২ জন কারাগারে ও বাকি ১৫ জন এখনও পলাতক।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর পুলিশ মামলাটি পুনঃতদন্ত করে। তদন্ত শেষে নতুনভাবে ঈশ্বরদীর শীর্ষ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ৫২ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়। মামলাটি দায়েরের পর এই মামলায় পুলিশ কোনো সাক্ষী না পেয়ে আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্টও দাখিল করে। কিন্তু আদালত সে রিপোর্ট গ্রহণ না করে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি সিআইডিতে পাঠান। পরে সিআইডি তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
প্রথম চার্জশিটের ৭ আসামীর বাইরেও এই মামলায় যাদের নতুনভাবে যুক্ত করা হয় তাদের মধ্যে রয়েছেন, ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র শামসুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন বিশ্বাস, পাবনা জেলা বিএনপির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক কে এম আক্তারুজ্জামান আক্তার, পাকশীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, সাহাপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নেফাউর রহমান রাজু, সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ, সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন, যুবদল নেতা আজিজুর রহমান শাহীন, সেলিম আহমেদ, পৌরসভার কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি, বিএনপি নেতা ইসলাম হোসেন জুয়েল, শহীদুল ইসলাম অটল ও আব্দুল জব্বারসহ প্রমুখ। এরা সবাই বিএনপি নেতা। এদিকে রায়কে কেন্দ্র করে পাবনার ঈশ্বরদীতে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং পাবনা জেলা শহরে ও সাদা পোশাকের পুলিশ তৎপরতা বাড়ায়।রায় ঘোষণার পর আসামীদের আত্মীয় স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়ে।।   এই রায় কে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ফরমায়েশি রায় উল্লেখ করে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, এই রায় কে আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে অবশ্যই আপিল করবো৷। রায়ে খুশিি হয়েছে আওয়াামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

6904total visits,230visits today

ঝালকাঠিতে ১৩৯ পিচ ইয়াবাসহ আটক-২

ঝালকাঠি অফিসঃ
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার জিরো পয়েন্ট নামক স্থান থেকে ১৩৯ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক করেছে নলছিটি থানা পুলিশ।আটককৃতরা হলেন দপদপিয়া তিমিরকাঠির মোঃ রুবেল মিয়া(২৭)পিতা মোঃ মাজেদ মিয়া,দোহার ঢাকা ও তারেক হাওলাদার, পিতা মোঃ হান্নান হাওলাদার।
৩ জুলাই বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে পুলিশ বিশেষ মাদক অভিযান চালিয়ে এই দুই মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেন নলছিটি থানা পুলিশের এস আই মোঃ মহিউদ্দিন।
এ বিষয়ে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন পিপিএম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কাল বিকেলে মাদক অভিযানে বের হন। নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার জিরো পয়েন্ট নামক স্থান আসলে দুজন যুবককে দেখে সন্দেহ হলো তাদেরকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ১৩৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
ক্রাইম ডায়রি/// ক্রাইম

6904total visits,230visits today