• শনিবার ( রাত ১০:৫৯ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শাহাদাত হোসেন রিটনঃ

আলোচিত প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

শাহবাগ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রবিবার (২৩ জুন) ঢাবির প্রশ্নফাঁসের মামলায় ১২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এর মধ্যে ৪৭ জন জামিনে আছেন। বাকি ৭৮ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ৭৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীও রয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম

6886total visits,212visits today

ভূঁইফোড় অনলাইনঃঃ অচীরেই আইনের আওতায় আনা হবে— তথ্যমন্ত্রী

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

ভূঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের  ইয়ত্তা নেই। বিশেষ করে মাদকবাজ কিংবা ধান্দাবাজ ভূয়া সাংবাদিকদের মধ্যে সম্পাদক কিংবা মালিক হওয়ার অন্ধ নেশায় এমন পথে পা বাড়াতে দেখা যায়। সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা। এ পেশায় অন্যান্য পেশার মত চাকুরীবিধি আছে, বেতন আছে, ডিউটি সময়ও আছে।  আছে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যকতা। সংবাদদাতা হতে হলে যদিও প্রবেশন বা শিক্ষানবিশ শব্দটির ব্যবহার আছে; কিন্তু সম্পাদক কিংবা বার্তা সম্পাদকতো হতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগতযোগ্যতা ও জাতীয় দৈনিকে একটি নির্দিষ্টসময়; সেটা হতে পারে ৫ হতে ১৫ বছর।। সহ,বার্তা সম্পাদক কিংবা প্রধান কোন পদে  একটা অভিজ্ঞতাও  প্রয়োজন। এরপর প্রকাশক কর্তৃক কিংবা সম্পাদক কর্তৃক ডিক্লেয়ার আবেদন ফরমে গৎবাঁধা নিয়ম পুরণ করে আবেদন, প্রকাশনা চুক্তি, স্ট্যাম্প, শিক্ষাগতযোগ্যতার সনদ,প্রশিক্ষণ সনদ, ব্যাংক সলভেন্সি স্টেটমেন্ট আরও অনেক ডকুমেন্টসসহ আবেদন।তারপর এসবি, এন এস আই তদন্ত, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শুনানী,প্রকাশনা অধিদপ্তর ডি এফপির নামের ছাড়পত্র আরও কত ধাক্কা।তারপর সুদীর্ঘ ধাক্কায় মিডিয়াভুক্তি। কোন কিছুর বালাই নেই।

কতেক টাকা ব্যয় করে একটা পোর্টাল খুলেই হয়ে গেল সংবাদমাধ্যমের       মালিক, প্রকাশক কিংবা সম্পাদক।বাহ! তবে জাতীয় এসব সংবাদমাধ্যম কিংবা পোর্টালের কি অবস্থা।     তাদের কি অন্যায়? কেন তারা এত কস্ট করে, টাকা ব্যায় করে এত ধাক্কা অতিক্রম করল??? অথচ ভবঘুরে বেকার, মুদি দোকানদার,সাবেক মাদকব্যবসায়ী, দুটো পয়সাা হয়েছে   ধান্দা করে

সহজে উপার্জনের জন্য এরাও সাংবাদিক,, সম্পাদক কিংবা বার্তা সম্পাদক সাজে। বাহরে!

তাছাড়া অনলাইনের জন্য পিআইডি ভুক্তির আবেদনেও এসবি ও এন এস আইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয় যাচাইকরে লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলমান।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের   সদস্য, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান ও     ক্রাইম ডায়রির   প্রধান উপদেষ্টা বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন গনি মিয়া বাবুল ক্রাইম ডায়রিকে বলেন, দ্রুততার সাথে এসব অবৈধ পোর্টাল মালিক ও সম্পাদকদের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা ও সংবাদপত্র প্রকাশনা আইনে মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তাছাড়া মাননীয় তথ্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তথ্য মন্ত্রী ডক্টর হাসান মাহমুদ বলেছেন, অচীরেই  ‘ভুঁইফোড়’ অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সচিবালয়ে প্রথম দিন অফিস করতে এসেও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এই ঘোষণা  তিনি দিয়েছিলেন ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “ শপথ নেওয়ার পর অনেক সাংবাদিক বন্ধুরা প্রশ্ন করেছিলেন, অনেকগুলো ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যম তৈরি হয়েছে। তারা অনেক সময় ভুল সংবাদ পরিবেশন করে। এতে অনেকের চরিত্র হননের ঘটনাসহ, তেলবাজী,কপিরাইট আইন লংঘনসহ মেধাসত্বআইনের ব্যপক লংঘন ঘটে।”

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক হারে ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে।

এই সুযোগে তৈরি হয়েছে অনেক ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যম, যারা ফেইসবুকে বিভিন্ন ‘মনগড়া’ খবরসহ কপি পেস্ট করে প্রকৃত সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমেেের ক্ষতি করছে।

এছাড়াও, বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর জন্য চিহ্নিত করে গেল মাসেই বাংলাদেশ থেকে খোলা বেশ কয়েকটি পেইজ বন্ধ করে দেয় ফেইসবুক, যার মধ্যে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নামের মতো করে তৈরি করা একটি ভুয়া ফেইসবুক পাতাও ছিল। বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সংবাদপত্র bdnews24.com এর অগুনতি পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর নামের মাঝে একটি ‘এস’ বসিয়ে bdsnews24.com নামে এই ফেইসবুক পেইজটি খোলা হয়েছিল। একই নামে একটি ওয়েবসাইটও খোলা হয়। হাতেগোনা কয়েকটি নিউজপোর্টালের অফিস আছে, ভূয়া ঠিকানায় অফিস ব্যবহার করেন। আইন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অফিস, সম্পাদক, সাংবাদিকদের ঠিকানায় পরিদর্শন করতে গেলে অফিস তো দূরের কথা, সম্পাদককেও পাওয়া যায়নি, পোর্টালে ব্যবহার করা ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার বন্ধসহ নানা তথ্য আমাদের হাতে পৌঁছেছে। দুটো ওয়েব পোর্টালের বার্তা সম্পাদক সরাসরি মুদি দোকানদার আর বেশকয়েকটি পোর্টালের   সম্পাদক ভবঘুরে বেকার ও ভূয়া সাংবাদিক। তারা জাতীয় পত্রিকায় কাজ করেছে পরিচয় দিলেও সম্পাদকেেের  সাথে কথা বলে জানা গেছে,  তাদের আইডি কার্ড ও ভিজিটিং কার্ড ভূয়া। এ ব্যাপারে ভূয়া পরিচয় ব্যবহারকারীর বিরূদ্ধে প্রেস কাউন্সিলেে অভিযোগও দেয়া হয়েছে।

 

তবু আমরা পুণঃ জরিফ চালানোর নির্দেশ দিই। যেসব অনলাইন পোর্টাল এসব কাজে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  ভুঁইফোড় অনলাইন পত্রিকার মালিকদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

এই ধরনের ভুয়া ওয়েবসাইট বন্ধ করতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে বিটিআরসি, কপিরাইট অফিসসহ দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোতে বহু আগে চিঠি দেওয়া হয়েছিল; পদক্ষেপ চাওয়া হয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও। তবে ওই সব ভুয়া অনলাইন পোর্টাল বন্ধে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এখন এসব ‘ভুঁইফোড়’ অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
“এগুলো আপনাদের সবার সহযোগিতায় সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করব,” বলেন তিনি।

মফস্বলে থেকে জাতীয় পত্রিকায় কারও বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে ফাঁসাতে না পেরে নিজেরাই পোর্টাল খুলে ধান্দাবাজি ও চাঁন্দাবাজি করার ইচ্ছায় মফস্বলে বসেই এরা সংবাদমাধ্যম খুলে বসছে।  দূর্জয় বাংলা একটি ডিএফপির তালিকা ভুক্ত ও ডিক্লারেশনভুক্ত দৈনিক পত্রিকা যা বগুড়া হতে প্রকাশিত। অথচ ভূয়াভাবে একইনামে তা পোর্টাল খুলে প্রকাশ হচ্ছে  নেত্রকোনা হতে। আবার সিরাজগঞ্জের দৈনিক কলম সৈনিকও ঢাকা হতে ভূয়া বের হয়।

সাংবাদিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে নতুন তথ্যমন্ত্রী বলেন, “সাংবাদিক বন্ধুদের অনেক অভাব অভিযোগ আছে, আমি আগে থেকেই জানি। সেগুলো সমাধান করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সে কাজটি আমি করব।” তবে তাদের প্রেস কাউন্সিলেেের  নথিবদ্ধ সাংবাদিক হতে হবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ার যে ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে, সেটি শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে। বাংলাদেশে আজকে যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রচণ্ড শক্তিশালী হয়েছে, সেটিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হয়েছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।”

তিনি বলেন, “তথ্য মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রের চতুর্থ অঙ্গ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যম সমাজের দর্পন। সমাজের সকল চিত্র দেখায় গণমাধ্যম। সমাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে।”

ক্রাইম ডায়রি/// জাতীয়

6886total visits,212visits today

পিঁয়াজের ট্রাকে মাদকঃ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

রাজশাহী সংবাদদাতাঃ

সাফল্যের গল্পগাঁথা  RABকে করেছে সাফল্যমন্ডিত। সারাদেশে তাই মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে জয়পুরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২৪৬ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩১০ বস্তা পিঁয়াজসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫।

মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নির্দেশ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর।  র‌্যাব মহাপরিচালকের জনগনের প্রতি গভীর ভালবাসা ও দেশপ্রেমের কারনে তিনি মনে করেন মাদকই এদেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ কর্ণধারদের ধ্বংস করার মূল।  তাই মাদক  নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছে এই বিশেষায়িত বাহিনী।।    ২৫ জুন। রোজ মঙ্গলবার।

অভিযানিক ধারাবাহিকতায় বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে   র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের একটি অপারেশনাল দলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক জয়পুরহাট জেলার সদর থানাধীন পুরানাপৈল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে আমদানীকৃত পিঁয়াজের ট্রাকের ভিতর বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় (ক) ফেন্সিডিল – ২৪৬ (দুইশত ছিচল্লিশ) বোতল, (খ) ট্রাক – ০১ (এক) টি, (গ) পিঁয়াজ- ৩১০ (তিনশত দশ) বস্তা, (খ) মোবাইল সেট – ০১ (এক) টি, (গ) সীম কার্ড – ০২ (দুই) টি এবং (ঘ) মেমোরী কার্ড- ০১ (এক) উদ্ধার করা হয়।    এ সময় মাদক ব্যবসায়ী

জেলার পাঁচবিবি থানার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের  রাশেদুল ইসলামকে (৩৯),হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তার পিতার নাম আব্দুল হামিদ।

মাদকবাজ  কিংবা নব্য মাদক ব্যবসায়ীদের বিষয়ে র‌্যাব-কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহবান জানিয়েছেন  র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক।

ক্রাইম ডায়রি/// আইন শৃঙ্খলা

 

6886total visits,212visits today