• শনিবার ( সকাল ৬:২৪ )
    • ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত : জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের তীব্র নিন্দা

মহানগর সংবাদদাতাঃ

রাজধানীতে ট্রাফিক পুলিশের হাতে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের লাঞ্ছিত হয়েছেন। এ ঘটনায়   তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের  কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জাতীয় সাপ্তাহিক ক্রাইম ডায়রির সম্পাদক ও প্রকাশক আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল।

সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টুয়েন্টি সিক্স সুত্রে জানা গেছে,      জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউনেন্ডশনের চেয়ারম্যান ও চ্যানেল টুয়েন্টিসিক্স এর চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম ২৪ জুন রোববার বেলা ১২ টার সময় রাজধানীর কাকরাইল মোড় অতিক্রম করার সময় এ ঘটনা ঘটেছে ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন (জেএসকেএফ)’র চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সময়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পথে কর্তব্যরত ট্রাফিক আবুবকর সিগন্যাল দিলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় দেন। এ সময় সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ায় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আবু বক্কর ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের নামে বিভিন্ন কুরুচীপূর্ণ মন্তব্য করতে শুরু করে।
এ সময় চ্যানেল টুয়েন্টিসিক্স এর ক্যামেরা পার্সন ও রিপোর্টার ঘটনাস্থলে পৌছলে ট্রাফিক পুলিশ ক্যামেরা ছিনতাই এর চেষ্টা করেন।
উপস্থিত জনগণ বলেন- ট্রাফিক পুলিশ সবাইকেই অহেতুক হয়রানী করে থাকে। প্রত্যক্ষদশীরা বলেন- সিএনচজ আটকিয়ে টাকা রেখে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের যুগ্ম মহা সচিব মোঃ আবির উদ্দিন, কাজী জহির উদ্দিন তিতাস, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মাওঃ নুহু হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য মোঃ আল আমিন প্রমুখ। তারা অবিলম্বে দায়ী ট্রাফিক পুুলিশের শাস্তি দাবী করেন। এদিকে এমন ঘটনায় উক্ত ট্রাফিক পুলিশের যথাযথ শাস্তি দাবি করেছেন, জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের  প্রধান উপদেষ্টা লায়ন গনি মিয়া বাবুলসহ জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//মহানগর

Total Page Visits: 16655

বুড়িগঙ্গাকে বাঁচান,বুড়িগঙ্গা ঢাকার প্রাণঃ মন্ত্রী নসরুল হামিদের আহবান

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদী না বাঁচলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশংকা এখন আর অমূলক নয়।  সারাদেশের কথাতো বাদই দিলাম রাজধানীর অবস্থা বড়ই   ভয়াবহ। বাংলার বন্ধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক জাতীয় নেতা   মাননীয় মন্ত্রী     নসরুল হামিদ বিপু’র আহবান,  প্রকৃতিকে বাঁচান,  নদী বাঁচান।। তার মুখেই শুনি এই আহবান— “বুড়িগঙ্গা নদী আমাদের প্রাণ। এই নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে আমাদের কেরানীগঞ্জ ও পুরান ঢাকা। নদী না বাঁচলে আমরাও বাঁঁচবো না। এই সহজ কথাটা আমরা অনেকেই বুঝিনা। আমাদের সুন্দর জীবনের জন্য বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে হবে। কিন্তু দু:খের বিষয় হলো আমরা সকলে মিলে বুড়িগঙ্গাকে মেরে ফেলছি। ময়লা আবর্জনা ফেলে নদী ভরাট করে ফেলছি।

ফ্যাক্টরির বর্জ্য ফেলে নদীকে দূষিত করে তুলছি। চারেদিকে ময়লা ও আবর্জনার জন্য আবার সবাই সরকারকেই দায়ী করেন। আমরা সবাই না বুঝেই সমালোচনা করি। কিন্তু নিজেদের দায়িত্বটা পালন করিনা। আমরা নিজেরা যদি একটু দায়িত্বশীল হই তবে ছোটখাট অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
আমাদের এখন বুড়িগঙ্গা নদীকে বাঁচাতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার বা কোন ব্যক্তির একার পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব না। তাই আসুন সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি বুড়িগঙ্গা নদীতে আর ময়লা ফেলবো না। কোন ফ্যাক্টরির বর্জ্য আর নদীতে ফেলবো না।”

আসুন আমরাও নদীকে দূষণ মুক্ত রাখি।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়

Total Page Visits: 16655

বিশ্ববাজারের নামকরা প্রতিষ্ঠান প্রাণের এমডিকে গ্রেফতারের নির্দেশ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশতো বটেই বিশ্ববাজারে অনেক বড় ও নাম করা প্রতিষ্ঠান প্রাণ। এইতো কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের একদল ব্যাবসায়ীক প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ায় বেড়াতে গিয়েছিল। সেখানকার প্রতিষ্ঠিত ও নামকরা একটি রেষ্টুরেন্টে জুস খেতে চাইলে ধরিয়ে দিল প্রাণের জুস। বোঝা গেল বিশ্ববাজারে প্রাণের শক্তিশালী অবস্থান। ভারতীয় টিভি গুলোতেও প্রাণের বিজ্ঞাপন চলে। এই প্রাণ সেই প্রাণ, বাংলার প্রাণ। হঠাৎ করেই সব গুবলেট হয়ে গেল।  না তা হতে পারে না। কিন্তু হলোই তো। ২৪ জুন  সোমবার   নিম্নমানের হলুদ গুঁড়া উৎপাদন ও বাজারজাত করার অভিযোগে প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহসান খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত।

আহসান খান চৌধুরীর পক্ষে তার আইনজীবীর সময় আবেদন খারিজ করে দিয়ে রোববার ফুলবাড়িয়া নগরভবনের আদালতে শুনানি শেষে বিশেষ মহানগর হাকিম মেহেদী পাভেল সুইট এ আদেশ দেন।

আহসান খান চৌধুরী একই সঙ্গে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্বে। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এবং মামলার বাদী মো. কামরুল হাসান।

রোববার মামলার শুনানির সময় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের এমডি আহসান খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন না। আদালতকে তার আইনজীবীরা জানান, তিনি অসুস্থ, তাই আদালতে হাজির হতে পারেননি। তবে আদালত এ বক্তব্য গ্রহণ না করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এ সময় আদালত বিবাদীপক্ষের আদালতে হাজির হতে সময় প্রার্থনার আবেদনে বিরক্তি প্রকাশ করেন। বিবাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতকে বলেন, আমার মক্কেল গুরুতর অসুস্থ, তিনি রক্তের সংক্রমণ (ব্লাড ইনফেকশন) ও জ্বরে ভুগছেন-এ মর্মে মেডিকেল রিপোর্টও আদালতে উত্থাপন করা হয়েছে। আইনজীবীর এ বক্তব্যে আদালত উষ্মা প্রকাশ করেন। বলেন, প্রাণের চেয়ারম্যান নগরভবনে (ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে যেখানে এই আদালত অবস্থিত) এসেছেন এবং প্রায়ই আসেন এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য আদালতের কাছে আছে। তিনি (প্রাণের চেয়ারম্যান) অসুস্থ থাকলে কীভাবে নগরভবনে আসেন সেটি কি একটু বুঝিয়ে বলবেন?

পরে আদালত এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আদালত ৩০ জুলাই দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় প্রাণ এগ্রো লিমিটেড উৎপাদিত হলুদের গুঁড়ায় অতিরিক্ত ছাই (ash) ধরা পড়েছে। বিএসটিআই হলুদের গুঁড়ায় ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ পর্যন্ত আশ অনুমোদন করে। কিন্তু প্রাণের গুঁড়া হলুদে ছাই পাওয়া গেছে ৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।

বিএসটিআইয়ের গবেষকরা জানান, হলুদ গুঁড়ায় অতিরিক্ত ছাইয়ের উপস্থিতির বিষয়ে বিদেশিদেরও আপত্তি রয়েছে। হলুদের কাঁচামাল ঠিকমতো না ধোয়ার কারণে এবং ধুলাময়লাসহ অপরিষ্কার কাঁচামাল মেশিনে দিয়ে পিষে গুঁড়া তৈরি করার কারণে এতে ছাইয়ের পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়। এর কারণে সংক্রামক ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মানব স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হতে পারে।

প্রসঙ্গত উচ্চ আদালতের নির্দেশের পরও বাজার থেকে সরিয়ে না নেয়ায় ২২ মে প্রাণের ভেজাল গুঁড়া হলুদ, ঘি ও লাচ্ছা সেমাইসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নিম্নমানের ৫২টি পণ্যের বিরুদ্ধে মামলা করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। ১২ জুন প্রাণের ঘিসহ কয়েকটি কোম্পানির পণ্যের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। রোববার প্রাণের শুধু গুঁড়া হলুদ এবং অন্য ব্র্যান্ডের বেশ কিছু পণ্যের বিরুদ্ধে করা মামলার শুনানি হয়।

ভেজাল রোধে গত রমজানে বাজার থেকে পণ্য নিয়ে পরীক্ষা করে বিএসটিআই। দুই দফায় এতে প্রাণের চারটি পণ্যেই ভেজাল পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে- প্রাণের গুঁড়া হলুদ, কারি পাউডার, লাচ্ছা সেমাই ও প্রিমিয়াম ঘি। পরে এসব পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিএসটিআই, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন আদালত। এর পর পণ্যগুলোর লাইসেন্স স্থগিত করে বিএসটিআই। এ ছাড়া উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞাও সত্ত্বেও প্রাণের পণ্য বাজারে বিক্রি হচ্ছে। বিএসটিআইয়ের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ছাই ও রঙ মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে প্রাণের গুঁড়া হলুদ। এর পর চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে তা বাজারে ছাড়া হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব পণ্য ব্যবহার মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক।

বিএসটিআই থেকে জানানো হয়, প্রথম দফায় মে মাসের শুরুতে কোম্পানির সঙ্গে প্রাণের তিনটি পণ্যে ভেজাল পাওয়া যায়। এগুলো হলো- গুঁড়া হলুদ, কারি পাউডার ও লাচ্ছা সেমাই। ওই সময়ে এসব পণ্যের লাইসেন্স স্থগিত করে পণ্যগুলো নিষিদ্ধ করা হয়। এর পর দ্বিতীয় দফায় ১২ জুন প্রাণের ‘প্রিমিয়াম ঘি’সহ কয়েকটি কোম্পানির পণ্যের লাইসেন্স স্থগিত করে বিএসটিআই। একই সঙ্গে এসব পণ্য ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাজার থেকে তুলে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে কোম্পানিগুলোকে। সে হিসাবে ১৪ জুনের মধ্যে ওই পণ্য তুলে নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিষয়টি আমলে নেয়নি প্রাণসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমুহ।

ক্রাইম ডায়রির একটি বিশেষ টিম বাজারে সরেজমিনে সার্ভে করে দেখেছেন,  কোম্পানিগুলো তাদের পন্য বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে মর্মে কোর্টের নির্দেশনা আছে এমন একটি আদালতের নথি ও পত্রিকার নিউজ কার্টিং প্রদর্শন করে এস আররা অর্ডার কাটছেন বলে নব্বইভাগ দোকানী জানিয়েছেন।এমনকি এসব পন্যও সব দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে।   তবে কোর্টের অর্ডার এর কপি এসআর’রা না দিলেও পত্রিকার নিউজ কাটিং দোকানদারকে দিচ্ছেন। দোকানদারদের বিক্রি  করতে প্রশ্নের সম্মুখীন হলে তারা গ্রাহককে এটা দেখাচ্ছেন।।

এদিকে প্রাণের অনেক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা এটাকে ষড়যন্ত্র কিংবা বি এসটি আই এর অনেক ফিল্ড কর্মকর্তাকে বিশেষ  সুবিধা  দেননি  তাই এমনটি হতে পারে বলে মনে করছেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///আদালত

 

Total Page Visits: 16655

ভূমধ্যসাগরে আদম হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন আদালত

শাহাদাত হোসেন রিটনঃ

বাঙালিরা জাতিগতভাবেই    সহজ সরল।  বিশেষ করে,  বিদেশ যাত্রার ব্যাপারে তাদের সরলতার গুণটা যেন বেশিই প্রস্ফুটিত হয়।  কথায় আছে, যে কয় আয়,, তার পিছেই যায়রে।এরই নাম বাঙালি। আর এই বিদেশের পথে অবৈধভাবে  যাত্রা করে  জীবন বলির সংখ্যাও কম নয়।  এইতো কিছুদিন আগেই লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে ভূমধ্যসাগরে ৩৭ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছিল।।  ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এক সপ্তাহের জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে মৌখিকভাবে এ নির্দেশ দিয়ে রিট আবেদনের শুনানি আগামী এক সপ্তাহের জন্য স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রেখেছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (২৪ জুন) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ১৭ জুন লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে ভূমধ্যসাগরে ৩৭ জন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় তাদের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি করে মোট ৩৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে রিটে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত পাচার সংক্রান্ত ঘটনা তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ এমদাদুল হক সুমন এ রিট দায়ের করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এমদাদুল হক সুমন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘জড়িতদের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এক সপ্তাহের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ কাজের সঙ্গে জড়িত সিলেট ও নোয়াখালীর ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স আছে কিনা, এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপের বিষয়টি জানাতে হবে।

এছাড়া, রিটে প্রতারক ট্রাভেল এজেন্সি ও মানবপাচার চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০১২ সালের মানবপাচার দমন আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

রিটে প্রতারক ট্রাভেল এজেন্সি ও মানবপাচার চক্রকে আইনের আওতায় আনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে সিলেট ও নোয়াখালীর এসপিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়। পাশাপাশি রিট আবেদনে প্রতারক ট্রাভেল এজেন্সি ও মানবপাচার চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারিরও আরজি জানানো হয়।

রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজি, সিলেট ও নোয়াখালীর এসপিকে বিবাদী করা হয়।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৯ মে ভূমধ্যসাগরে তিউনিসিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। যা পুরো বাঙালি জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///আদালত

Total Page Visits: 16655

চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানা এলাকায় বন্ধ জুয়েলারি দোকানের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার

হোসেন মিন্টুঃ
চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানা এলাকায় বন্ধ জুয়েলারি দোকানের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকাবাসী  সুত্রে জানা গেছে , নগরীর বন্দরটিলা এলাকায় বন্ধ দোকানের ভিতর থেকে এক জুয়েলারীর মালিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।রোববার সকালে ইপিজেড থানাধীন বন্দর টিলা এলাকার আশার মার গলির মনিশ্রী জুয়েলার্স নামের বন্ধ দোকান থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।লাশটি জুয়েলারী দোকানের মালিক সঞ্জয় ধরের বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।আনুমানিক ৪৬ বছর বয়সী সঞ্জয় ধরের বাড়ি কক্সবাজারের রামু উপজেলায়।তিনি ওই দোকানেই থাকতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বন্ধ দোকান থেকে লাশের গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে দোকানের তালা ভেঙে সঞ্জয় ধরের লাশ উদ্ধার করে।পুলিশ ধারণা করছে, সঞ্জয় ধর খুন হয়েছে শুক্রবার রাতে তবে শনিবার বন্ধ ধাকায় তা কেউ খেয়াল করেনি।নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (বন্দর) আরেফীন জুয়েল  ক্রাইম ডায়রিকে   জানান, সঞ্জয়ের গলা কাটা ও পেটের দুই পাশে ছুরির আঘাত আছে।তিনি বলেন, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় দোকান বন্ধ ছিল। রোববার দুপুরে প্রতিদিনের মতো দোকানে ভাত দিতে যান এক নারী।দোকানের দরজার কড়া নেড়ে কোনো সাড়া না পেয়ে ওই নারী মহিলা দরজা ফাঁক করলে সঞ্জয়ের লাশ দেখতে পায়।সঞ্জয় স্বর্ণ কেনাবেচার পাশাপাশি দাদন ব্যবসাও করতেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ধারণা টাকা পয়সার লেনদেনের জেরে পূর্ব পরিচিত কেউ সঞ্জয়কে খুন করেছে। শুক্রবার রাতেই তাকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। দোকানের সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সেটি নিয়ে গেছে।লাশ ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ইপিজেড থানা পুলিশ।
ক্রাইম ডায়রি/// ক্রাইম///জেলা
Total Page Visits: 16655