• শনিবার ( রাত ১১:০৩ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

প্রসঙ্গঃ প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ সময়ের দাবী

মোঃ আব্দুর রহিমঃ

ইদানিং দেখছি অনেক এমপিওভুক্ত ও সরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক তদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনাকে একরকম অবজ্ঞা করে বিভিন্ন এলাকায় নিজেরাই অনেক প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তারা যে প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করছেন সে প্রতিষ্ঠানের নামে প্রদত্ত সরকারের অনুদানের টাকা ভোগ করছেন খুব আনন্দ চিত্তে, কিন্তু তাদের চাকুরীরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথার্থ সময় না দিয়ে তারা প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেশিরভাগ সময় ব্যয় করছেন এবং সেখান থেকে আর্থিকভাবে বিশাল লাভবানও হচ্ছেন। কথা হলো তারা সরকারের অনুদানের টাকা ভোগ করে আন্দোলন সংগ্রাম করছেন তাদের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা সরকারীকরণের জন্য। আবার সেখানে পড়ালেখার গুণগত মান নিয়ে চিন্তাভাবনা না করে সময় না দিয়ে তাদের পারিবারিক/ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে সময় দিয়ে সেখান থেকেও বিজনেস করে লাভবান হচ্ছেন। এধরণের ডাবল ষ্ট্যান্ডার্ড বা দ্বীমুখী আচরণ সরকার বা সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন করে কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার। এসব কারণে সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীরা সবাই প্রতিষ্ঠানে পড়া শুনা করে ভালো ফলাফল লাভে ব্যর্থ হচ্ছে।

শিক্ষাজীবন শেষ করে তারা দীর্ঘ সময় বেকারত্বের অভিশাপময় জীবন বয়ে বেড়াচ্ছে। এ ধরণের সুবিধাভোগীদের ব্যাপারে অর্থাৎ যারা সরকারের নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুবিধাও ভোগ করছেন আবার প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান দিয়ে সেখান থেকেও মোটা অংকের সুবিধা ভোগ করছেন তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে এখনিই সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। বেশির ভাগ এলাকার উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অফিসারগণ এ বিষয়টি ওয়াকিবহাল থাকলেও তারা এসব শিক্ষকদের ব্যাপারে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না। বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শণ ও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার বলে সংশ্লিষ্ট সচেতন ও অভিজ্ঞ মহল মনে করছে। কারণ এদের নানামুখী ব্যবসায়িক চিন্তা ও ব্যস্ততার কারণে জনগণ সঠিক সেবা ও পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যারফলে পড়ালেখার মানোন্নয়ন হচ্ছেনা স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। এছাড় কোচিং বাণিজ্যতো এখনো চলছেই। যিনি সরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে মাসে ৫০০০০ হাজার টাকা বেতন পান তিনিও কোচিং করাচ্ছেন। যিনি এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে পড়িয়ে মাসে ২২০০০/২৩০০০ টাকা বেতন পান তিনিও অধিক ইনকামের নেশায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাল সেবা না দিয়ে/না পড়িয়ে কোচিং করিয়ে ইনকামের ধান্ধা করছেন। গত কিছুদিন পূর্বে কিছু কিছু এলাকায় কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করায় লুকোচুরি করে পড়ানো হতো। আজ এই জায়গায় তো পরের দিন অন্য বাসায়। একদিন পড়ানো হতো তো অন্যদিন বন্ধ এভাবেই চলছিলো। কিন্তু যেমাত্র প্রশাসনের হস্তক্ষেপ বন্ধ হয়ে গেল আবার আগের মতো রমরমা কোচিং বানিজ্য শুরু হয়ে গেছে। যা ইনকাম করে তাতে সঠিকভাবে সার্ভিস না দিয়ে শুধু অনৈতিক ভাবে বেশি বেশি ইনকামের সুবিধা ভোগ করছে আর কোচিং বাণিজ্য নির্ভর হয়ে পড়ছে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। এখানে অভিভাবক চায় পাশ, শিক্ষার্থী চায় পাশ, সমাজ চায় পাশ, সরকার চায় পাশ আর দাতা গোষ্ঠী ও বিশ্ব ব্যাংকের মতো ডোনাররাও চায় পাশ। যার ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার তথ্য মতে, বর্তমানে ডিগ্রী পাশ বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ। আামদের দেশের শিক্ষার্থীরা পাশ করে বের হচ্ছে। শিক্ষিত হচ্ছে কিন্তু উদ্বেগের কথা হচ্ছে তার কতটুকু কোয়ালিটি অর্জন করছে। এটা দেখার কেউ নেই। এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বারবার পরীক্ষা-নীরিক্ষা চলেছে। কিন্তু স্থায়ী কোন সমাধান আসছেনা। কেমিষ্ট্রি পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থীও ব্যাংকে চাকুরী করছে। পেশাগত ডিগ্রী অর্জন করার পরেও তার স্বপেশায় চাকুরী পাওয়া ও ক্যারিয়ার ডেভলপ করা সুদূর পরাহত। বিষয়ভিত্তিক উচ্চতর গবেষণামূলক কাজ করার কোন আশা
বা সুযোগ নেই। জাতি গঠনের কারখানা এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অনিয়মের বেড়াজালে বন্দী হয়ে আছে। যে প্রতিষ্ঠানে, যাদের সান্নিধ্যে এসে শিক্ষার্থীরা নৈকিততা, মানবিকতার আদর্শ শিখবে সেখানেই আজ অনিয়ম-বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। জাতি আজ দিকভ্রান্ত। এ জাতির কোন লক্ষ্য নাই, তীর বিহীন তরি চলছেতো চলছেই গন্তব্য জানা নেই। সব জায়গায় ব্যবসা প্রবেশ করেছে। আর নৈতিক শিক্ষা নিয়েও চলছে ব্যবসা। সুতরাং জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে ঘোর দুর্দিন চলছে। যাবে কোথায় এ অসহায় জাতি। আসুন আমরা সকলে যার যার অবস্থান থেকে একটু সচেতন হই। যারা শিক্ষার নামে ব্যবসা করছে, তাদের বিরুদ্ধে এখনই রুখে দাঁড়াবার সময়। তাদের মুখোশ জাতির সামনে উ্ম্মোচন করে দেই। যারা শিক্ষা নামক মৌলিক অধিকারটিকে কলুষিত করে ব্যবসা করে আম জনতার কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের আখের গোছাচ্ছে. এসব মাড়োয়ারি-ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করি। এদের প্রতিষ্ঠানে আর কোন শিরক্ষাথী ভর্তি না করি। এদেরকে যেখানে পাই বয়কট করি। তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলি এদের বিরুদ্ধে। তাহলেই জাতির এ কলংক তীলক ঘুচবে বলে প্রত্যাশা করা যায়। নচেৎ এ গ্লানি বয়ে বেড়াতে হবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। আরেকটি কথা না বললেই নয়। দেশে এখন কিন্ডার গার্টেন নামক শিক্ষা পদ্ধতির রমরমা অবস্থা। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটি কাঠামোয় নিয়ে আসা দরকার সরকারের। এজন্য কিছুদিন পূর্বে সরকার এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেজিষ্ট্রেশনেরও উদ্যোগ নিয়েছিলো। কিন্তু কি এক জটিলতায় মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের অর্ন্তজালে বন্দী হয়ে এ রেজিষ্ট্রেশনের কার্যক্রমটি মুখ থুবড়ে পড়েছে। যদিও মাসিক টিউশন ফিসহ অন্যান্য ফি বেশি, ব্যবসাও করছে তবেুও দেশে সরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশপাশি প্রাইভেট বা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা পদ্ধতি সরকারকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব দূর করছে। তাই এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি আইন ও নিয়ন্তণের আওতায় আনা প্রয়োজন। তাই যেসব কিন্ডারগার্টেন সরকারের বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়া ফিলাপ করেছে মর্মে নিশ্চিত হওয়া যায় তাদের রেজিষ্টেশনের আওতায় এনে তাদের মালিকানা সরকারী অংশ ৫১ভাগ এবং ব্যক্তিমালিকানা ৪৯ ভাগ করা প্রয়োজন বলে অনেক শিক্ষাবিদ ও সমাজবিদ মনে করেন। তাহলে েএকদিকে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হতো, শিক্ষকগণ প্রশিক্ষণ পেতো, বেতন ভাতার উন্নয়নের মাধ্যমে বিশাল এক দরিদ্র কিন্তু শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর লোকেরা পারিবারিকভাবে উপকৃত হতো। পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ যথেষ্ট মানসম্মত শিক্ষা পেতো। বিষয়টি সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ভেবে দেখবেন বলে আমরা আশাকরছি।

ক্রাইম ডায়রি// শিক্ষা// স্পেশাল

6923total visits,249visits today

নাটোরে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের সময় ৫ জন আটক

নাটোর হতে আনোয়ার সাদাতঃ

নাটোরে পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ চলাকালীন অসুদোপায় অবলম্বনের অভিযোগেে পরীক্ষা দিতে আসা পাঁচ যুবককে আটক করেছে নাটোর জেলা পুলিশ।  সুত্রে জানা গেছে,কনস্টেবল নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি  পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন, বিপিএম, পিপিএম এর নির্দেশে,,   পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে  নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অসুদোপায় অবলম্বনের জন্য ১।মেহেদী হাসান (২০), (পিতা- মোঃ বাবুল হোসেন, গ্রাম- রামপাড়া;) ২। কামরুজ্জামান (১৯), (পিতা- শহিদুল ইসলাম, গ্রাম- নুরুল্লাপুর;) ৩। আরিফুল ইসলাম (১৯), (পিতা- আব্দুল মীর জাক আলী, গ্রাম- জয়কৃষ্ণপুর;) ৪। ইমন হোসেন (১৮), (পিতা- আবুল হোসেন, গ্রাম- ওয়ালিয়া;) ৫। মাজেদুল ইসলামকে (পিতা- কামাল পারভেজ, গ্রাম- দাইড়পাড়া, সর্ব থানা- লালপুর, জেলা- নাটোর) আটক করা হয়েছে।

এদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/জেলা

6923total visits,249visits today

উজিরপুরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা প্রাঃ বিদ্যালয় ফুটবল টূর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ

বরিশালের উজিরপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উদ্বোধন ও পুরুস্কার বিতরণ করেন মোঃ শাহে আলম এমপি। ২২ জুন শনিবার বিকাল ৪টায় উজিরপুর মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় মাঠে খেলা শেষে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহে আলম, বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এস,এম জামাল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান অপূর্ব কুমার বাইন রন্টু
প্রমুখ। খেলার সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন ও পরিচালনা করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম। ফুটবল টুর্নামেন্টে মেয়েদের মধ্যে ফাইনাল খেলায় বাহেরঘাট সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় বনাম উজিরপুর মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ২-০ গোলে উজিরপুর মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ান হয়। ছেলেদের মধ্যে ধামুরা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় বনাম উজিরপুর মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় ২-০ গোলে মডেল সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ান হয়। প্রধান অতিথি বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

ক্রাইম ডায়রি///খেলাধুলা

6923total visits,249visits today

এপিএ’র লক্ষ্য অর্জনে পুলিশ কর্মকর্তাদের দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ আইজিপির

মোঃ হেলাল উদ্দিনঃ

বাংলাদেশ পুলিশ দেশ ও জাতির গর্বের একটি প্রতিষ্ঠান ।  দেশের সেবাসহ আন্তর্জাতিক বিশ্বেও যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে।  দক্ষ আইজিপির সুযোগ্য নেতৃত্বে সফলতার সাথে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ পুলিশ।

সম্প্রতি, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বিপিএম(বার) বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (Annual Performance Agreement – APA) লক্ষ্যসমূহ অর্জনে দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য ইউনিট প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এপিএ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। সর্বোপরি একটি গতিশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

আইজিপি ২০ জুন ২০১৯ খ্রি. বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানদের সাথে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

পুলিশ প্রধান বলেন, এপিএ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সাথে সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং রূপকল্প- ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়ন ওতপ্রোতভাবে সম্পর্কযুক্ত। তাই এপিএ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাংলাদেশ পুলিশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পুলিশের প্রতিটি ইউনিটকে এপিএ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নিবেদিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকাস্থ ১৫টি ইউনিট এবং মাঠপর্যায়ের সকল মেট্রোপলিটন ও রেঞ্জসহ মোট ২৯টি ইউনিটের প্রধানদের সাথে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়। আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বিপিএম(বার) এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটের প্রধানগণ পৃথক পৃথকভাবে এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া, অতিরিক্ত আইজিপি (এএন্ডও) ড. মোঃ মইনুর রহমান চৌধুরী, এন্টি টেররিজম ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ আবুল কাশেম, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান মীর শহীদুল ইসলাম, সিআইডি প্রধান মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি (এফএন্ডডি) মোঃ শাহাব উদ্দীন কোরেশী, অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ঢাকাস্থ পুলিশের সকল ইউনিটের প্রধানগণ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ক্রাইম ডায়রি/// জাতীয়

 

6923total visits,249visits today