• শনিবার ( রাত ১১:০৫ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

র‌্যাব-৫, রাজশাহীর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান

শাহাদাত হোসেন, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ

অতিরিক্ত ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান বিপিএম গত ১২ জুন ২০১৯ তারিখে র‌্যাব-৫, রাজশাহীর অধিনায়কের দায়িত্বভার গ্রহন করেছেন।

তিনি আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এসএসসি, নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে বিএ (অনার্স) ও মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ঢাকাস্থ আঁলিয়ান্স ফ্রঁসেজ থেকে ফরাসী ভাষায় উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেন।

জনাব মাহ্ফুজুর রহমান ১৮ তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে গত ২৫ জানুয়ারি ১৯৯৯ তারিখে সহকারী পুলিশ সুপার হিসাবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি বান্দরবান জেলা, এপিবিএন ঢাকা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মুন্সিগঞ্জ জেলা ও টাংগাইল জেলায় সুনামের সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয়ের স্টাফ অফিসার ও পিএস এর দায়িত্ব পালন করেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের এআইজি (এনসিবি-ইন্টারপোল), এআইজি (ক্রাইম-৩) পদেও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি এআইজি (কনফিডেন্সিয়াল) পদে ২০১১ সাল থেকে ২০১৫’ মে পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রায় ৩ বৎসর সফলতা ও সুনামের সাথে মানিকগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালন করেন। পদোন্নতি সূত্রে তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ এর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি র‌্যাব-৫, রাজশাহীর ১৩তম অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, চীন, তুরষ্ক মালয়শিয়া ও ফ্রান্সে গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন আইভরি কোষ্টে (UNOCI) দুই বৎসর গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ পুলিশে বিশেষ অবদান রাখায় ২০১৩ সালে তিনি বিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হন। এছাড়াও তিনি IGP’s Exemplary Good Services Badge লাভ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন সন্তানের জনক। তাঁর সহধর্মিণী শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন। তিনি রাজশাহী, নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলাবাসীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। জংগী, সন্ত্রাস ও মাদক সংক্রান্তে সঠিক তথ্য দিয়ে RAB-কে সহায়তা করার জন্যেও তিনি সকলকে আহবান জানান।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা//স্পেশাল

6946total visits,272visits today

উইমেন পুলিশ অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ওসি মহসীন

হোসেন মিন্টুঃ


পুলিশ বাহিনীতে প্রথমবারের মত পুরুষ কর্মকর্তা হিসেবে বাংলাদেশ উইমেন পুলিশ অ্যাওয়ার্ড-২০১৯ পাচ্ছেন কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন।পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (অপারেশনস) ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান সিলেকশন উপ-কমিটির সদস্য সচিব সাঈদ তারিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়।‘প্রমোশন অফ জেন্ডার সেনসিটিভিটি’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছেন ভালো কাজের জন্য আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসীন।নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ সৃষ্টি, পারিবারিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা গ্রহণ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দৃশ্যমান ভূমিকা পালন, যৌতুক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন, ধর্ষণ ও বাল্যবিবাহ নিরসনে পদক্ষেপ গ্রহণ, নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন ও ভিকটিমদের সহায়তায় ভূমিকা পালনের জন্য ‘প্রমোশন অফ জেন্ডার সেনসিটিভিটি’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেয়া হয়।এবার ওসি মহসীনসহ ১০ জনকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে উইমেন পুলিশ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হচ্ছে। ‘মেডেল অব কারেজ’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছেন র‌্যাব-৮ বরিশালের অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম ও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শম্পা রানী সাহা।‘এক্সেলেন্স ইন সার্ভিস’ ক্যাটাগরিতে রাজারবাগ বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার মাফুজা বেগম, পিবিআই ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা, ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (সিটিটিসি) মাহ্ফুজা লিজা ও সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাহমিদা হক শেলী পুরস্কার পাচ্ছেন।‘কমিউনিটি সার্ভিস’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছেন বরগুনার জাগরণী নারী সহায়তা কেন্দ্রের এসআই জান্নাতুল ফেরদৌস ও মৌলভীবাজার জেলা থেকে সংযুক্ত জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯, টিঅ্যান্ডআইএম এর কনস্টেবল নুসরাত জাহান।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (স্বাস্থ্য ও শিক্ষা) তাপতুন নাসরীন ‘পিসকিপিং মিশন’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাচ্ছেন।


আগামী ২৬ জুন চট্টগ্রাম নগরীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক এর বার্ষিক কনফারেন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি থাকবেন।২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন অ্যাওয়ার্ড দেওয়া শুরু হয়। প্রথমবারের মত এবারই পুরস্কারের জন্য একজন পুরুষ কর্মকর্তা বাছাই করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা//স্পেশাল

6946total visits,272visits today

রাঙ্গুনিয়া পাহাড়ি ধনে পাতার সুনাম সর্বত্রঃদাম পাচ্ছেন না কৃষকরা

হোসেন মিন্টু, বিভাগীয় ব্যুরো অফিসঃ

রাঙ্গুনিয়ার পাহাড়ি ধইন্যা পাতার সুনাম সর্বত্র। পাহাড়ি জমিতে প্রতিবছর বিলাতি ধইন্যা পাতার চাষ করে আসছে উত্তর রাঙ্গুনিয়ার বেতছড়িতে শত শত বাঙ্গালী, ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মানুষ। কিন্তু এবছর বিলাতি ধনে পাতার উৎপাদন বেশি হলেও, প্রচন্ড তাবেদাহর কারনে সব শেষ! কিছু কিছু যাদের আছে দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা। আগের বছর প্রতি কেজি ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করলেও এ বছর ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিলাতি ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে। তবে চাষিরা ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার জন্য চট্রগ্রাম কুমিল্লা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকেই দায়ী করেছেন। বেতছড়ি কৃষক মুরাদ, ও শিশুমন চাকমা জানান, এ বছর একএকর জমিতে বিলাতি ধনিয়া পাতার চাষ করেছেন। উৎপাদন ভালো হয়েছে; কিন্তু দাম নেই। তাদের দাবি উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম কম। প্রতি বর্ষা মৌসুমে রাঙ্গুনিয়ার পাহাড়ি জমিতে বিলাতি ধনেপাতার চাষ করে আসছে কৃষকরা। তাতে অনেকেই এখন স্বাবলম্বী।


অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ। তাই এবারও রাঙ্গুনিয়ার রাণীরহাট বেতছড়ি পাশা পাশি রাঙ্গামাটির কাউখালী সাপছড়ি, মানিকছড়িতে ও বিভিন্ন এলাকায় চাষ হয়েছে ধনে পাতার। তাতে ফলনও হয়েছে বেশ ভাল। তবে উৎপাদন খরচের তুলনায় ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না বলে অভিযোগ কৃষকদের। এবার রাংগুনিয়ার রাণীরহাট বেতছড়িতে ধনেপাতার চাষ হয়েছে ২০ হেক্টর জমিতে। এখানকার উৎপাদিত ধনেপাতার বাজার মিলে বেতছড়িতে প্রতিদিন বিকালে। ব্যবসায়ীরা এখান থেকে ধইন্যা পাতা কিনে ট্রাকে করে চট্রগ্রাম কুমিল্লার নিমশারসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যায়। তবে ন্যায্য দাম পাওয়ার ব্যাপারে কৃষকদের অভিযোগ নিয়ে দুই ধরনের মত আছে কৃষি বিভাগে। রাঙ্গুনিয়া এলাকায় ধনে পাতা চাষের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া দরকার বলে মনে করেন, এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তাদের উদ্যোগ কামনা করেছেন এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।

ক্রাইম ডায়রি//কৃষি

6946total visits,272visits today