• শনিবার ( রাত ১১:০৩ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আশরাফ উদ্দিন সরকার মুকুল গুরুতর অসুস্থঃ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা

শাহাদাত হোসেন,ভ্রাম্যমান সংবাদদাতাঃ

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য, বীর মুক্তি যোদ্ধা,সীমাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক নির্বাচিত চেয়ারম্যান – জননেতা আশরাফ উদ্দিন সরকার ( মুকুল ) সাহেব  হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ( CCU ) ১৫ নং বেডে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি তার দলের নেতা কর্মী সহ সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।

এদিকে তিনি ক্রাইম ডায়রির উপদেষ্টা হওয়ায় ক্রাইম ডায়রি অফিসে তার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি///জেলা

6920total visits,246visits today

দুর্নীতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে…..লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

শাহাদাত হোসেন রিটনঃ

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, দুর্নীতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের সর্বত্র দুর্নীতি চলছে। দুর্নীতি উন্নয়ন অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হবে। দুর্নীতি বিরোধী সামাজিক আন্দোলন আরো জোরদার করতে হবে। দুর্নীতি প্রতিরোধে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনকে প্রকৃত অর্থে স্বাধীন ও অধিক কার্যকর করতে হবে। কমিশনে নির্লোভ, সৎ ও দেশপ্রেমিক কর্মীদের নিয়োগ দিতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।


বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন এর উদ্যোগে ঈদ পূণর্মিলনী উপলক্ষে ১৫ জুন সকালে ঢাকার তোপখানা রোডস্থ কমরেড নির্মলসেন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘দুর্নীতি করবো শেষ, গড়বো সোনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ গণআজাদী লীগের মহাসচিব মোঃ আতাউল্লাহ খান। সংগঠনের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী হাওলাদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জামাল উদ্দিন, সংগঠনের নেতা মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, রাজিব হোসেন রাজন, অলি উল্লাহ চৌধুরী, তোজাম্মেল হক, জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

ক্রাইম ডায়রি//রাজনীতি

6920total visits,246visits today

বাজেটের ঘোষনার আগেই দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সিন্ডিকেট

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

বাজেটের কথা শুনলেই দাম বাড়ানোর চুলকানি দেখা দেয় একদল মানুষের। তারা বড় সিন্ডিকেট । ধান্দা কখন বাজেট হবে। সম্ভাব্য পন্য নিয়ে এরা বাজী খেলে। গুদামজাত করে বাজেট ঘোষনার আগেই সব পন্য খালাস করে দেয়। রাতারাতি কোটিপতি বনে যায়। এমনকি কাঁচা বাজারও রেহাই পায়না।

৩৫/৪০ টাকার করল্লা/বেগুন একলাফে ৭০/৮০ টাকা। ব্যাখ্যা, একটাই, ‘বাজেটের কারণে দাম বেড়েছে। বাজেট মানেই তো দাম বাড়ানো। সবকিছুর দাম বাড়লে সবজির দাম বাড়বে। ‘বাজেট মানে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি দিবস। যদিও বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জোর দিয়েই বলেছেন, বাজেটের কারণে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে না।কিন্তু এরই মধ্যে  ধান্দাবাজরা     কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নিয়েছে।।  দুধ-সিগারেটের এজেন্টদের পোয়া বারো। ব্রিটিশ-আমেরিকান টোবাকোর দুইটি জেলার এজেন্ট একাই গত তিন দিনে সাত কোটি টাকা বাড়তি লাভ করেছেন বলে জানান তার একজন স্বজন।

অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাবনা অনুযায়ী, সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সব তামাক পণ্য, মোবাইল কল, এলপি গ্যাস, চিনি, আমদানি করা গুঁড়োদুধ, গুঁড়ামসলা, টমেটো কেচাপ, চাটনি, ফলের জুস, মধু, টয়লেট টিস্যু, টিউবলাইট, চশমার ফ্রেম, সিআর কয়েল, জিআই তার, তারকাঁটা, স্ক্রু, ব্লেড, ট্রান্সফরমার, সানগ্লাস, রিডিং গ্লাস, আমদানি করা পার্টিকাল বোর্ড, আমদানি করা সব ধরনের টায়ার এবং স্মার্টফোনের দামও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তা ছাড়া যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, লরি, থ্রি হুইলার, অ্যাম্বুলেন্স ও স্কুলবাস ছাড়া সব গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট, ফিটনেস সনদ ও মালিকানা সনদ গ্রহণ ও নবায়নে নিয়মিত চার্জের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটে বাড়ানো হয়নি এমন পণ্যের যারা দাম বাড়াচ্ছেন তাদের যুক্তিÑ পরিবহন ব্যয় বাড়লে সবকিছুর দামই বেড়ে যায়। তা ছাড়া সর্বজনীন ভ্যাট আদায়, মোবাইলের কলরেট এবং দৈনন্দিন জীবনে আরোপ করা নানা রকমের ট্যাক্স ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব ফেলবে বলেও ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  ডিপ্লোমা এক কেজি ওজনের গুঁড়োদুধ বিক্রি হচ্ছে ৬১০ টাকায়, যা আগের দিন বিক্রি হয়েছে ৫৯০ টাকা। ৫০০ গ্রাম ওজনের ডিপ্লোমা গুঁড়োদুধ বিক্রি হচ্ছে ৩১০ টাকা যা আগের দিন ছিল ২৯৫ টাকা। মার্কস গুঁড়োদুধ ৫০০ গ্রাম বিক্রি হচ্ছে ২৬৫ টাকা যা আগের দিন ছিল ২৫০ টাকা। কোয়ালিটির এক কেজি গুঁড়োদুধ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায় যা আগের দিন ছিল ৫৯০ টাকা। খুচরা বাজারে গতকাল শুক্রবার প্রতি কেজি চিনির দাম দুই টাকা বাড়িয়ে ৬০ থেকে ৬২ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য,  বাজেটে দ্রব্যমূল্য বাড়লে আমাদের কী বা করার আছে। আমরা ব্যবসায়ী, আমরা যেমন কিনব তেমনিই বিক্রি করব।

বাজেটের কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পক্ষে যুক্তি দেখাচ্ছেন ক্রেতারাও। তাদের ধারণা, বাজেটের কারণে ব্যবসায়ীদেরও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে। বাড়তি খরচ জোগাতে ব্যবসায়ীরাও বাড়তি লাভ খুঁজবেন এটাই স্বাভাবিক। খিলগাঁও বাজারে গতকাল কথা হয় ব্যাংক কর্মকর্তা আরিফের সাথে। সিএনজি, বেবিট্যাক্সি ও হালকা যানবাহনে ব্যবহৃত রাবার টিউবের ওপর শুল্ক ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বৈদ্যুতিক গৃহস্থালি পণ্যে আমদানি পর্যায়ে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এসব পণ্যের দাম বাড়বে। সোনা ও রুপার অলঙ্কার, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, লঞ্চের এসি কেবিন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, ইনডেনটিং, আসবাবপত্র, পরিবহন ঠিকাদারী, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবায় খরচ বাড়বে।

অনেক ব্যবসায়ীই বুঝে না বুঝে বেশির ভাগ পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। অনেকে বাড়তি দাম নেয়ার চেষ্টা করছেন, না পারলে আগের দামে বিক্রি করছেন। এক্ষেত্রে পাইকারি ব্যবসায়ীরাই খুচরা বিক্রেতাদের উৎসাহিত করছেন দাম বাড়াতে। অনেকে এখনই বাড়াতে না পারলেও সহসা দাম বেড়ে যাবে এমন প্রচার চালিয়ে চেষ্টা করছেন বেশি পরিমাণে পণ্য বিক্রি করতে। সিগারেট, চিনি এবং গুঁড়োদুধের মতো যেসব পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলোর পাশাপাশি সব ধরনের পণ্যের দামই বাজেটের কারণে বেড়েছে। যদিও বাজেট পাস হতে এখনো অনেক বাকি। আগামী ৩০ জুন সংসদে বাজেট পাস হবে এবং পয়লা জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সুতরাং, জনগণকে সচেতন হতে হবে,এটাই এখন একমাত্র পথ।

ক্রাইম ডায়রি  /// জাতীয়

6920total visits,246visits today