• শনিবার ( সকাল ৬:২৩ )
    • ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

ঔষধের দোকানে ভেজাল ও নকল ঔষধঃঃ জাতীয় সতর্কতা জরুরী

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

নকল ঔষধ নিয়ে নতুন করে বলার আসলে কিছুই নেই।বিগত বছর গুলোতে বহু লেখালেখি,চিৎকার ও চেচামেচি হয়েছে।। বহু অভিযান পরিচালনা করেছে  আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী । রাজধানীর কেরানীগঞ্জ, ধোলাইখাল, চকবাজারসহ ঢাকা ও এর আশেপাশে আটক ও সিলগালা করা হয়েছে বহু নামী বেনামী ঔষধের নকল কারখানা ।  আটা ময়দা গুলে কিংবা লাইমস্টোন ব্যবহার করে নামীদামি ঔষধের প্যাক ডাইস ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছিল ও হচ্ছে ট্যাবলেট,ক্যাপসুল । আবার মানহীন ফ্যাক্টরীতে তৈরি হচ্ছে সিরাপ ও নকল যৌনউত্তেজক ঔষধ । এসব ঔষধের বেশিরভাগই বিতরন রুট মিটফোর্ড সহ নানা নাম জানা ও অজানা মার্কেটিং কোম্পানি ও দালাল।।  সারাদেশে বহু ঔষধের দোকানদার  বিশেষ করে মফস্বলের পাইকারি ঔষধ বিক্রেতা  সরাসরি ও বিভিন্ন মাধ্যমে মিটফোর্ড হতে বেশিলাভের আশায় এসব ঔষধ  বিক্রির উদ্দেশ্যে  সংগ্রহ করে।।  এভাবেই মূলতঃ নকল ঔষধ সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ।    বিভিন্ন গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, সারাদেশে প্রায় দেড় লক্ষাধিক ফার্মেসি নকল ঔষধ কেনাবেচায় জড়িত ।

এগুলোতে প্রতিনিয়তঃ কোটি কোটি টাকার ওষুধ বিক্রি হয়। নিয়ম অনুযায়ী ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংগ্রহ করে এর একটি তালিকা তৈরি করা। এরপর নির্দিষ্ট দিনে তা ধ্বংস করে এই রিপোর্ট ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে জমা দিতে হয়। কিন্তু উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকরা কখনই এ প্রতিবেদন ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে জমা দেন না। অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা কিংবা এর কোনো তালিকা কখনই ঔষধ প্রশাসনে জমা পড়েনি বলে  সাংবাদিকদের নিকট ইঙ্গিতে  স্বীকার করেন। সারা দেশে ঔষধ প্রশাসনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈধ ফার্মেসি সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। বৈধ ঔষধের দোকানের সংখ্যার চেয়ে অবৈধ ফার্মেসির সংখ্যা বেশি। এদের দোকানের যেসকল ঔষধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয় সেগুলোর কি হাল তা জাতির নিকট অজানা । বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এগুলো নিয়ে নানা সময়ে জরিপ চালিয়েছে। জরিপে সরকারি প্রতিষ্ঠান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী,    রাজধানীর শতকরা ৯০ ভাগ ঔষধের দোকানে   মেয়াদ ছাড়া  ঔষধ রয়েছে। স্পর্শকাতর ও ভীতিজনক এ তথ্য প্রকাশিত হলে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে আদালতে রিট হয়। আদালত দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাজার থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ তুলে ফেলার নির্দেশ দেয়। এরপরই টনক নড়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের। তারা তৎপর হয়ে ওঠে। তৎপরতার ফলশ্রুতিতে, আলোচিত এ বিষয়টি নিয়ে মহাখালী ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, আমদানিকারক ও কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেরত নেয়া না নেয়া নিয়ে উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতাদের বাগবিতন্ডা হয়। কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, ঔষধের মেয়াদ ফুরানোর আগেই ফার্মেসির মালিকরা কোম্পানির কাছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফিরিয়ে দিয়ে নতুন ঔষধ  দেয়ার কথা সব সময় বলে আসছেন। কিন্তু ঔষধ ফিরিয়ে নেয়া কিংবা নতুন দেয়া কোনোটাই তারা করেন না। অন্যদিকে উৎপাদনকারী ঔষধ  প্রতিষ্ঠান ও ঔষধ আমদানিকারকরা বলেন, অতিরিক্ত মুনাফা ও কমিশনের লোভে ফার্মেসিগুলো প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঔষধ  সংরক্ষণ  করে  থাকে।  বাস্তবতার নিরিখে একটা অভিযোগ খুবই সত্য প্রায় ঔষধের দোকানেই থাকা পিছনের  গোডাউনে গোপনে লেজার কোডিং কিংবা থিনার দিয়ে ঘষে সিল তুলে নতুন সিল কিংবা ছোট্ট পিনকোডিং দিয়ে নতুন করে ডিট বসিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ পুনারায় বিক্রি করা হয়। আবার কোথায়ও কোথায়ও সুযোগ বুঝে গ্রাহকের হাতে গজিয়ে দেয়া হয় মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ঔষধ। এ ব্যাপারে কঠোরতা না থাকায় খুব সহজেই মানুষ প্রতারিত হচ্ছে।

তাছাড়া বেশিরভাগ  সাধারণ মানুষ ঔষধের দোকানে ঢুকে কোন উচ্চবাচ্য ছাড়াই ঔষধ কিনে থাকেন।  আবার অনেক জায়গায় কথা বলার সুযোগও পাওয়া যায়না। হয় প্রচন্ড ভীর নয়তো দোকানীর কড়া মেজাজ। সাধারণ মানুষদের এরা এই যাদুতে ঠকিয়ে দেয় এরা।             এসব বিষয় নিয়ে  কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভরা বারবার নিষেধ করলেও তারা মানেন না।  বরং বেশি কথা বললে তারা অর্ডার ক্যান্সেলের ভয়ে তারা এখন আর এগুলো বলেন ও না   । এ কারণে ঔষধ  ফিরিয়ে নেয়া অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। তবে তারা মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ  পৃথক স্থানে সরিয়ে ফেলা কিংবা ধ্বংস করে ফেলার পরামর্শ সব সময় দেন বলে কোম্পানিগুলোর বিশ্বস্ত প্রতিনিধিসুত্রে জানা  গেছে।

তবে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। ফার্মেসিতে ওষুধের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে সেগুলো পৃথকভাবে রেখে সেখানে ‘বিক্রয়ের জন্য নয়’ লিখে রাখতে হবে। পরবর্তীতে তা কোম্পানিকে ফেরত দিতে হবে। তিনি বলেন, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বন্ধে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর সব সময় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাসে বিভিন্ন ফার্মেসিতে অভিযানকালে চারশ মামলা হয়েছে এবং ৮১ লাখের বেশি টাকা জরিমানা হয়েছে। এ সময় প্রায় ২৩ লাখ টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ও পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়। তবুও থেমে নেই নকল ু ভেজাল। মিটফোর্ড হতে যদি আসলের মত করেই নকল চলে আসে তবে কি উপায়??? নকল  কারখানা কিংবা নকল সিল এগুলো ঠেকাতে হলে নৈতিকতা তৈরি হতে হবে জাতীয়ভাবে।  সচেতনতা তৈরি করতে হবে শিক্ষিত মূর্খ সবার মাঝে।  তারিখ দেখে পণ্য ক্রয় কিংবা পরিচিত ব্র্যান্ডের ঔষধ ক্রয়ের প্রতি নজর দেয়ার পাশাপাশি চোখকান খোলা রাখলে প্রতারণা রোধ করা সম্ভব হবে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//স্বাস্থ্য

Total Page Visits: 16655

বরিশালে মসজিদ-মন্দিরের নামে টিআর এর টাকা আত্মসাৎঃ তোপের মুখে মহিলা ইউপি সদস্য

আঃ রহিম সরদার, উজিরপুরঃ

বরিশালের উজিরপুরে মসজিদ-মন্দিরের নামে টিআর এর টাকা আত্মসাৎ করে তোপের মুখে মহিলা ইউপি সদস্য দিপালী হালদার। উপজেলার জল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য দিপালী হালদার ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের প্রথম পর্যায় ইউনিয়ন পরিষদের টিআর এর মাধ্যমে মুন্সিরতাল্লুক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নামে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা এবং পশ্চিম কারফা শিশির হালদার বাড়ির কালী মন্দিরের নামে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ১৩০ টাকা গত ১৯ জুন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে চেক উত্তোলন করেন প্রকল্পের সভাপতি। অফিসের সামনে থেকে দিপালী টাকা উঠিয়ে দেবার কথা বলে চেক ছিনিয়ে নিয়ে সোনালী ব্যাংক থেকে চেকে কাউন্টার সাক্ষর দিয়ে টাকা উঠিয়ে নিয়ে যায়। এ নিয়ে এলাকায় বহু দেন দরবার করলে দুই প্রতিষ্ঠানে ১০ হাজার করে ২০ হাজার টাকা দেয়ার অঙ্গীকার করেন। বিষয়টি নিয়ে ইউপি সদস্যা তোপের মুখে পড়লে ২৫
তারিখ মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় শহীদ স্মরণিকা মার্কেটের মাহাবুবুর রহমান মল্লিকের চেম্বারে
মুন্সিরতাল্লুক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি মোফাজ্জেল হোসেন মল্লিক, মুক্তিযোদ্ধা
জাকারিয়া মাষ্টার, শিক্ষক আসাদুজ্জামান হিরু, ফারুক হোসেন, যুবলীগ নেতা তোতা মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন মন্টু মল্লিকসহ স্থানীয় শতাধিক লোকের উপস্থিতিতে অবশেষে নগদ ২৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়। তবে পশ্চিম কারফা শিশির হালদার বাড়ির কালী মন্দিরের সভাপতি রবীন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, তাকে মাত্র ১০ হাজার টাকা দিয়েছে। আর কোন টাকা দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দেন তিনি। দিপালী হালদার স্থানীয় লোকদের কাছে জানিয়েছেন, টিআরের এই টাকা তুলতে অফিসে দিতে হয় ২০ হাজার, বাকী টাকা ইউনিয়ন পরিষদের সকল চেয়ারম্যান মেম্বরদের ভাগ দিতে হয়। এর চেয়ে বেশি টাকা দিতে পারবেন না তিনি। তবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যা দিপালী সাংবাদিকদের
মুঠোফোনে বলেন, আমি কোন টাকা তুলিনি, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না বলে এড়িয়ে যান। মুন্সিরতাল্লুক মসজিদ কমিটির সভাপতি ও প্রকল্পের সিপিসি মোফাজ্জেল হোসেন মল্লিক জানান, আমার কাছ থেকে চেক নিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেয়ার কথা বলে সব টাকা নিয়ে তার বাড়িতে চলে যান। অনেক দেন দরবার করে ২৫ হাজার টাকা আদায় করতে পেরেছি। এ ব্যাপারে জল্লা ইউপি চেয়ারম্যান বেবী রানী দাস জানান, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দুটি প্রকল্প দেয়া হয়েছিল। তবে এ টাকা থেকে কে কিভাবে নিয়েছে আমার জানা নেই। উপজেলা প্রকল্প
বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুৃর রহমান জানান, ১৯ জুন ঐ দুই প্রকল্পের সভাপতি দুটি চেক নিয়েছেন পরে কাকে দিয়েছেন আমার জানা নেই। প্রকল্পে শতভাগ কাজ করতে হবে, দূর্নীতি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা আক্তার জানান, দূর্নীতির কথা শুনেছি, অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//জেলা

Total Page Visits: 16655

প্রসঙ্গ ভাবণাঃরিফাত হত্যাকান্ড ও মিন্নির দুই বিয়ে

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

এই মুহূর্তের সারাদেশ কাঁপানো সংবাদ হলো বরগুনায় প্রকাশ্য দিবালোকে রিফাত হত্যাকান্ড। ঘটনার নাটকীয়তায় হতভম্ব পুরো বিশ্ব। তবে সাবধানের মার নেই। অন্ততঃ পরিবারের কাউকে বিয়েশাদি করাতে গেলে মানুষ ভাববে।
https://youtu.be/YEvrtCrSDzUবরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নির সঙ্গে প্রধান আসামী সাব্বির হোসেন নয়ন ওরফে নয়ন বন্ডের বিয়ে হয়েছিল। তাদের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাজী মো. আনিসুর রহমান ভূইয়া। তিনি বরগুনা পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্টার। বরগুনা পৌরসভার ডিকেপি রোডের কেজি স্কুল নামক স্ট্যান্ডে তার অফিস।।

নয়ন বন্ড ও আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির বিয়ের প্রথম সাক্ষী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের দ্বিতীয় আসামি বাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজি। গত বছরের ১৫ অক্টোবর আছরের নামাজের পর তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের দেনমোহর হয়েছিল ৫ লাখ টাকা। তবে দেনমোহরের কোনো নগদ পরিশোধ ছিল না।

এ বিষয়ে কাজী মো. আনিসুর রহমান বলেন, বিয়ে করার জন্য নয়ন ও মিন্নিসহ ১৫ থেকে ২০ জন লোক আসে আমার অফিসে। এসময় নয়ন ও মিন্নি তাদের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার প্রমাণ স্বরূপ এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট নিয়ে আসে। এরপর আমি মেয়ের বাবার সঙ্গে কথা বলে জানতে চাইলে তারা বলে, মেয়ের বাবা আসবে না, আপনি মেয়ের মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর মিন্নির মা পরিচয়ে একজন আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।

সেই মহিলা আমাকে বলেন, বিয়ের বিষয়টি আমরাতো জানি। মিন্নির বাবা বিয়েটা এখন মানবে না। আপনি বিয়ে সম্পন্ন করেন। বিয়ের কিছুদিন পর ঠিকই মেনে নেবেন। এরপর আমি পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে নয়ন ও মিন্নির বিয়ে সম্পন্ন করি। এ বিয়ের উকিল ছিলেন শাওন নামের একজন। শাওন ডিকেপি রোডের মো. জালাল আহমেদের ছেলে।

যদিও মিন্নি বলেছিলেন,” আমার বিয়ে হয়েছে একমাত্র রিফাত শরীফের সঙ্গে। এছাড়া আর কখনো কারও সঙ্গে বিয়ে হয়নি। যেহেতু বিয়েই হয়নি, ডিভোর্স হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। রিফাতই আমার স্বামী এবং এটাই সত্য। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটাই দাবি করি, যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।”

তবে সমাজ ও সামাজিকতা নিয়ে চিন্তিত দেশকে ভালবাসেন এমন সবাই।  এ বিষয়ে  পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম রসুল বলেন ”  সম্প্রতি দেশজুড়ে রিফাত হত্যাকান্ড নিয়ে ফেসবুকিং ঝড়, নিন্দা, স্বামীকে বাঁচাতে একজন নারীর করুন আর্তনাদ ও প্রচেষ্টা, মানুষের পশুর মতো আচরণ ইত্যাদি দেখতে ও শুনতে পাচ্ছি।

একজন মানুষকে প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তায় ফেলে কুপিয়ে মারছে, সেখানে কিছু মানুষরুপি জানোয়ার ও পশু দাঁড়িয়ে দেখছে।
ভালো-মন্দ, পক্ষে-বিপক্ষে অনেক লোকের অনেক রকম মতামত আছে ও থাকবে।
আমার মতে:
১। খুনিদের বিচার হোক।
২। যারা দাঁড়িয়ে দেখেছে ওরা ও সহযোগী। ওদের ও বিচার হোক।
৩। অনেকে মেয়েটির কথা বলছে, সে যদি প্রকৃত দোষী হয় তাহলে তার ও বিচার হোক। এক্ষেত্রে ওই মেয়ের সাথে খুনিদের মোবাইল কথোপকথন ও অন্যভাবে যোগাযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা দরকার।
৪। মূল কথা খুনের সাথে যারা জড়িত তাদের কঠোর শাস্তি হোক। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন সাহস না পায়।”

তার এই মতের সাথে একমত বিবেকবান মানুষেরা। তবে আরও যাচাই করে আরও গভীরে মেপে।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম

Total Page Visits: 16655

চোরের মায়ের বড় গলাঃশেরপুর হাসপাতালের ষ্টোর কিপার পলাতক!

বিশেষ প্রতিবেদনঃ

বেশ কিছুদিন হলোই বগুড়া জেলার শেরপুর থানার স্বাস্থ্যসেবা, ঔষধ ব্যবসা ও ভূয়া ডাক্তার নিয়ে আলোচনা চোখে পড়ার মত।  ইতোপূর্বে শহরের হাসপাতাল রোডের একটি ঔষধের দোকান হতে মূমুর্ষ রোগীর জন্য ঔষধ আনতে গেলে মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধ ধরিয়ে দেয়া হয়। ক্রাইম ডায়রির অনলাইন দৈনিকে এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশিতও হয়েছিল।

শেরপুরের বহুল পরিচিত ও প্রচারিত পত্রিকা আজকের শেরপুর এ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের   নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশিত হয়।        অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর প্রকাশ করায় বড় বড় কথা বলেছেন হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তা। কিন্তু সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নিজেরা কতটা দুর্নীতির অন্ধকারে নিমজ্জিত তা কখনও ভেবে দেখেননি। এবার সত্যি সত্যিই বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল। বগুড়ায় কোটি টাকার সরকারি ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশী তদন্তে বেরিয়ে এসেছে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ষ্টোর কিপার বিরাজ উদ্দিন মন্ডলের নাম। তিনি বগুড়া থেকে শেরপুর হাসপাতালে ওষুধ পৌছানোর পুর্বেই তা কালোবাজারে বিক্রি করে দিতেন। বগুড়া সদর থানার পুলিশ সাধারণ মানুষকে বিনামুল্যে দেবার জন্য সরকারের দেয়া ওষুধ কালোবাজারে বিক্রির সাথে তার সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়েছে। আর বিরাজ উদ্দিন মন্ডল গত ২২ জুন থেকে চার দিনের ছুটি নিয়ে আর কাজে যোগদান করেননি। তিনি এখন পলাতক রয়েছেন।

জনমনে প্রশ্ন হাসপাতালের ষ্টোর কিপার কি একাই সরকারি ওষুধ কালোবাজারে বিক্রি করতে পারেন? এর সাথে কি রাঘববোয়াল আর কেউ জড়িত নেই?যে হাসপাতালের ষ্টোর কিপার কোটি টাকার সরকারী ঔষধ চুরির সাথে জড়িত সেই হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদের এর বড় বড় নীতিবাক্য চোরের মায়ের বড় গলা নয় কি? জনগনের সাথে এমন প্রতারণার দায় কার?

ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম//স্বাস্থ্য//জেলা/সাইফুল বারী

Total Page Visits: 16655

বঙ্গকন্যার কড়া নির্দেশঃ বরগুনা ট্রাজেডি’র খুনিদের যে কোন মূল্যে গ্রেফতার

বরগুনা সংবাদদাতাঃ

যে কোন অপরাধীই গুরুতর অপরাধ করলে কোন ছাড় নয় নীতিতে বিশ্বাসী বঙ্গবন্ধুর   সোনার বাংলায় বঙ্গকন্যাও বরগুনায় প্রকাশ্য দিবালোকে স্ত্রী’র সামনে কুপিয়ে হত্যাকারীদের যে কোন মূল্যে গ্রেফতার করতে আদেশ দিয়েছেন।

বরগুনায় পথচারীদের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফ (২৩) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় হতবাক বিশ্ব মানবতা। নির্বাক হয়ে গেছে  পুরো দেশবাসী।

এহেন অবস্থায় জড়িতদের যেকোনো মূল্যে গ্রেপ্তার করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বরগুনার ঘটনা খুবই বর্বরোচিত ও দুঃখজনক। যেকোনো মূল্যে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে বুধবার সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে ঐ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত রিফাত সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামের দুলাল শরীফের ছেলে।

এদিকে প্রকাশ্যে রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার স্থিরচিত্র ও ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, দুই যুবক রাম দা দিয়ে কোপাচ্ছে রিফাতকে। এ সময় তার স্ত্রী আয়শা আক্তার মিন্নি ওই দুই যুবককে বারবার প্রতিহত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এই ঘটনায় দেশব্যাপী তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে; বইছে নিন্দার ঝড়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ মামলার ৪ নম্বর আসামি চন্দন।

নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ জানান, তার ছেলে দুই মাস আগে আয়শা আক্তার মিন্নিকে বিয়ে করে। বিয়ের পর মিন্নিকে নিজের সাবেক স্ত্রী দাবি করে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে শহরের পশ্চিম কলেজ সড়কের নয়ন বন্ড নামে এক যুবক। সে ফেসবুকে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবিও পোস্ট করে। এই নিয়ে রিফাতের সঙ্গে নয়নের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে বুধবার সকালে নয়ন, রিফাত ফরাজী, রিশান ফরাজী ও রাব্বি আকন রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ করেন দুলাল শরীফ।

এদিকে রিফাতের স্ত্রী বলেছেন, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেগুলো সাধারণ দর্শক নয়, তারাই প্রথম রিফাত এবং তার স্বামীকে কলেজ থেকে বের হবার সময় আটকায়। মারধর করে। পরে ২ জন এসে রিফাতকে কোপাতে থাকে। সুতরাং, নিরব দর্শকদের শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন বলে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//জাতীয়

Total Page Visits: 16655

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শাহাদাত হোসেন রিটনঃ

আলোচিত প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

শাহবাগ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রবিবার (২৩ জুন) ঢাবির প্রশ্নফাঁসের মামলায় ১২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এর মধ্যে ৪৭ জন জামিনে আছেন। বাকি ৭৮ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ৭৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীও রয়েছেন।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম

Total Page Visits: 16655

ভূঁইফোড় অনলাইনঃঃ অচীরেই আইনের আওতায় আনা হবে— তথ্যমন্ত্রী

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

ভূঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের  ইয়ত্তা নেই। বিশেষ করে মাদকবাজ কিংবা ধান্দাবাজ ভূয়া সাংবাদিকদের মধ্যে সম্পাদক কিংবা মালিক হওয়ার অন্ধ নেশায় এমন পথে পা বাড়াতে দেখা যায়। সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা। এ পেশায় অন্যান্য পেশার মত চাকুরীবিধি আছে, বেতন আছে, ডিউটি সময়ও আছে।  আছে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যকতা। সংবাদদাতা হতে হলে যদিও প্রবেশন বা শিক্ষানবিশ শব্দটির ব্যবহার আছে; কিন্তু সম্পাদক কিংবা বার্তা সম্পাদকতো হতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগতযোগ্যতা ও জাতীয় দৈনিকে একটি নির্দিষ্টসময়; সেটা হতে পারে ৫ হতে ১৫ বছর।। সহ,বার্তা সম্পাদক কিংবা প্রধান কোন পদে  একটা অভিজ্ঞতাও  প্রয়োজন। এরপর প্রকাশক কর্তৃক কিংবা সম্পাদক কর্তৃক ডিক্লেয়ার আবেদন ফরমে গৎবাঁধা নিয়ম পুরণ করে আবেদন, প্রকাশনা চুক্তি, স্ট্যাম্প, শিক্ষাগতযোগ্যতার সনদ,প্রশিক্ষণ সনদ, ব্যাংক সলভেন্সি স্টেটমেন্ট আরও অনেক ডকুমেন্টসসহ আবেদন।তারপর এসবি, এন এস আই তদন্ত, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শুনানী,প্রকাশনা অধিদপ্তর ডি এফপির নামের ছাড়পত্র আরও কত ধাক্কা।তারপর সুদীর্ঘ ধাক্কায় মিডিয়াভুক্তি। কোন কিছুর বালাই নেই।

কতেক টাকা ব্যয় করে একটা পোর্টাল খুলেই হয়ে গেল সংবাদমাধ্যমের       মালিক, প্রকাশক কিংবা সম্পাদক।বাহ! তবে জাতীয় এসব সংবাদমাধ্যম কিংবা পোর্টালের কি অবস্থা।     তাদের কি অন্যায়? কেন তারা এত কস্ট করে, টাকা ব্যায় করে এত ধাক্কা অতিক্রম করল??? অথচ ভবঘুরে বেকার, মুদি দোকানদার,সাবেক মাদকব্যবসায়ী, দুটো পয়সাা হয়েছে   ধান্দা করে

সহজে উপার্জনের জন্য এরাও সাংবাদিক,, সম্পাদক কিংবা বার্তা সম্পাদক সাজে। বাহরে!

তাছাড়া অনলাইনের জন্য পিআইডি ভুক্তির আবেদনেও এসবি ও এন এস আইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয় যাচাইকরে লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলমান।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের   সদস্য, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান ও     ক্রাইম ডায়রির   প্রধান উপদেষ্টা বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন গনি মিয়া বাবুল ক্রাইম ডায়রিকে বলেন, দ্রুততার সাথে এসব অবৈধ পোর্টাল মালিক ও সম্পাদকদের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা ও সংবাদপত্র প্রকাশনা আইনে মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তাছাড়া মাননীয় তথ্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তথ্য মন্ত্রী ডক্টর হাসান মাহমুদ বলেছেন, অচীরেই  ‘ভুঁইফোড়’ অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সচিবালয়ে প্রথম দিন অফিস করতে এসেও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এই ঘোষণা  তিনি দিয়েছিলেন ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “ শপথ নেওয়ার পর অনেক সাংবাদিক বন্ধুরা প্রশ্ন করেছিলেন, অনেকগুলো ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যম তৈরি হয়েছে। তারা অনেক সময় ভুল সংবাদ পরিবেশন করে। এতে অনেকের চরিত্র হননের ঘটনাসহ, তেলবাজী,কপিরাইট আইন লংঘনসহ মেধাসত্বআইনের ব্যপক লংঘন ঘটে।”

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক হারে ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে।

এই সুযোগে তৈরি হয়েছে অনেক ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যম, যারা ফেইসবুকে বিভিন্ন ‘মনগড়া’ খবরসহ কপি পেস্ট করে প্রকৃত সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমেেের ক্ষতি করছে।

এছাড়াও, বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর জন্য চিহ্নিত করে গেল মাসেই বাংলাদেশ থেকে খোলা বেশ কয়েকটি পেইজ বন্ধ করে দেয় ফেইসবুক, যার মধ্যে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নামের মতো করে তৈরি করা একটি ভুয়া ফেইসবুক পাতাও ছিল। বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সংবাদপত্র bdnews24.com এর অগুনতি পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর নামের মাঝে একটি ‘এস’ বসিয়ে bdsnews24.com নামে এই ফেইসবুক পেইজটি খোলা হয়েছিল। একই নামে একটি ওয়েবসাইটও খোলা হয়। হাতেগোনা কয়েকটি নিউজপোর্টালের অফিস আছে, ভূয়া ঠিকানায় অফিস ব্যবহার করেন। আইন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অফিস, সম্পাদক, সাংবাদিকদের ঠিকানায় পরিদর্শন করতে গেলে অফিস তো দূরের কথা, সম্পাদককেও পাওয়া যায়নি, পোর্টালে ব্যবহার করা ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার বন্ধসহ নানা তথ্য আমাদের হাতে পৌঁছেছে। দুটো ওয়েব পোর্টালের বার্তা সম্পাদক সরাসরি মুদি দোকানদার আর বেশকয়েকটি পোর্টালের   সম্পাদক ভবঘুরে বেকার ও ভূয়া সাংবাদিক। তারা জাতীয় পত্রিকায় কাজ করেছে পরিচয় দিলেও সম্পাদকেেের  সাথে কথা বলে জানা গেছে,  তাদের আইডি কার্ড ও ভিজিটিং কার্ড ভূয়া। এ ব্যাপারে ভূয়া পরিচয় ব্যবহারকারীর বিরূদ্ধে প্রেস কাউন্সিলেে অভিযোগও দেয়া হয়েছে।

 

তবু আমরা পুণঃ জরিফ চালানোর নির্দেশ দিই। যেসব অনলাইন পোর্টাল এসব কাজে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  ভুঁইফোড় অনলাইন পত্রিকার মালিকদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

এই ধরনের ভুয়া ওয়েবসাইট বন্ধ করতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে বিটিআরসি, কপিরাইট অফিসসহ দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোতে বহু আগে চিঠি দেওয়া হয়েছিল; পদক্ষেপ চাওয়া হয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও। তবে ওই সব ভুয়া অনলাইন পোর্টাল বন্ধে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এখন এসব ‘ভুঁইফোড়’ অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
“এগুলো আপনাদের সবার সহযোগিতায় সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করব,” বলেন তিনি।

মফস্বলে থেকে জাতীয় পত্রিকায় কারও বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে ফাঁসাতে না পেরে নিজেরাই পোর্টাল খুলে ধান্দাবাজি ও চাঁন্দাবাজি করার ইচ্ছায় মফস্বলে বসেই এরা সংবাদমাধ্যম খুলে বসছে।  দূর্জয় বাংলা একটি ডিএফপির তালিকা ভুক্ত ও ডিক্লারেশনভুক্ত দৈনিক পত্রিকা যা বগুড়া হতে প্রকাশিত। অথচ ভূয়াভাবে একইনামে তা পোর্টাল খুলে প্রকাশ হচ্ছে  নেত্রকোনা হতে। আবার সিরাজগঞ্জের দৈনিক কলম সৈনিকও ঢাকা হতে ভূয়া বের হয়।

সাংবাদিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে নতুন তথ্যমন্ত্রী বলেন, “সাংবাদিক বন্ধুদের অনেক অভাব অভিযোগ আছে, আমি আগে থেকেই জানি। সেগুলো সমাধান করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সে কাজটি আমি করব।” তবে তাদের প্রেস কাউন্সিলেেের  নথিবদ্ধ সাংবাদিক হতে হবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ার যে ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে, সেটি শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে। বাংলাদেশে আজকে যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রচণ্ড শক্তিশালী হয়েছে, সেটিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হয়েছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।”

তিনি বলেন, “তথ্য মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রের চতুর্থ অঙ্গ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যম সমাজের দর্পন। সমাজের সকল চিত্র দেখায় গণমাধ্যম। সমাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে।”

ক্রাইম ডায়রি/// জাতীয়

Total Page Visits: 16655

পিঁয়াজের ট্রাকে মাদকঃ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

রাজশাহী সংবাদদাতাঃ

সাফল্যের গল্পগাঁথা  RABকে করেছে সাফল্যমন্ডিত। সারাদেশে তাই মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে জয়পুরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২৪৬ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩১০ বস্তা পিঁয়াজসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫।

মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নির্দেশ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর।  র‌্যাব মহাপরিচালকের জনগনের প্রতি গভীর ভালবাসা ও দেশপ্রেমের কারনে তিনি মনে করেন মাদকই এদেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ কর্ণধারদের ধ্বংস করার মূল।  তাই মাদক  নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছে এই বিশেষায়িত বাহিনী।।    ২৫ জুন। রোজ মঙ্গলবার।

অভিযানিক ধারাবাহিকতায় বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে   র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের একটি অপারেশনাল দলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক জয়পুরহাট জেলার সদর থানাধীন পুরানাপৈল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে আমদানীকৃত পিঁয়াজের ট্রাকের ভিতর বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় (ক) ফেন্সিডিল – ২৪৬ (দুইশত ছিচল্লিশ) বোতল, (খ) ট্রাক – ০১ (এক) টি, (গ) পিঁয়াজ- ৩১০ (তিনশত দশ) বস্তা, (খ) মোবাইল সেট – ০১ (এক) টি, (গ) সীম কার্ড – ০২ (দুই) টি এবং (ঘ) মেমোরী কার্ড- ০১ (এক) উদ্ধার করা হয়।    এ সময় মাদক ব্যবসায়ী

জেলার পাঁচবিবি থানার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের  রাশেদুল ইসলামকে (৩৯),হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তার পিতার নাম আব্দুল হামিদ।

মাদকবাজ  কিংবা নব্য মাদক ব্যবসায়ীদের বিষয়ে র‌্যাব-কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহবান জানিয়েছেন  র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক।

ক্রাইম ডায়রি/// আইন শৃঙ্খলা

 

Total Page Visits: 16655

হঠাৎ আঙুল ফুলে কলাগাছঃ রেলের কোটিপতি পিয়ন গ্রেফতার

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

রেলের সামান্য বেতনের কর্মচারী কিন্তুু হঠাৎই রাতারাতি কোটিপতি। কিভাবে,  এমনতো না যে দৃশ্যমান ব্যবসা। তাও বা করবেন কিভাবে।সরকারি চাকুরির পাশাপাশি খুব একটা সুবিধা যেমন নেই বিধানও নেই। তবে,পারিবারিক উৎস; না, তাও নয়। তবে, উৎসটা যখন ঘুষ কিংবা নিয়োগ বানিজ্য। হ্যা,চাকরির প্রলোভনে ঘুষ, মানি লন্ডারিং ও উৎসবিহীন দেড় কোটি টাকা আয়ের অভিযোগে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের তৃতীয় শ্রেণির এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২৫জুন মঙ্গলবার। চট্টগ্রান   মহানগরীর আগ্রাবাদের বাদামতলির মোড় থেকে অলী উল্লাহ ওরফে সুমন (৩২) নামের ওই কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি পূর্বাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজারের কার্যালয়ের সহকারী। কিন্তু তার দাবি তিনি পরিদর্শক (এসিআই)। তিনি ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার বারুইগ্রামের মিশ্রীপুরের আবদুর রহমানের ছেলে।

দুদক চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম ক্রাইম ডায়রিকে   জানান, ঘুষ ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে অলী উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। তাকে গ্রেফতারের পর আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনের দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৬ সালে অলী উল্লাহর বন্ধু মিজানুর রহমান রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ৭টি পদে আবেদন করেন। যাতে ঠিকানা হিসেবে অলী উল্লাহর অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। এ সময় নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে রশিদ মূলে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেন অলী উল্লাহ। তার সোনালী ব্যাংকের সিআরবি শাখার হিসাবে ২০১২-২০১৮ সাল পর্যন্ত ১ কোটি ৩১ লাখ ৭ হাজার ৪৮৭ টাকা জমা হয়েছে যার নির্দিষ্ট উৎস নেই। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড স্টেশন রোড শাখায় ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮১ টাকা জমা হয়েছে। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জে ৫ শতক জমিও কিনেছেন অলী উল্লাহ।

অলী উল্লাহর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬৩/৪২০ সহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে দুদকের অভিযান পরিচালিত হয়ে আসছে।এরই    অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করে আসছে দুদক।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///দুদক বিট

Total Page Visits: 16655

মিরপুর চিড়িয়াখানায় দুদকের অভিযানঃঃ অনিয়ম দৃশ্যমান

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

 

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা চিড়িয়াখানায় অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদকের বিশেষ টিম  । দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন- ১০৬) আগত এক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানা মিরপুরে ২৫জুন এ অভিযান পরিচালিত হয়। দুদক টিম সরেজমিন অভিযানে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে বলে জানা গেছে । দুদক সুত্রে জানা গেছে, চিড়িয়াখানার ভেটেরিনারী হাসপাতালের জু-এনিম্যাল ল্যাবরেটরীতে অত্যাধুনিক মেশিনারিজ দীর্ঘদিন যাবত অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে আছে। তাছাড়া ল্যাবের যন্ত্রপাতি নোংরা ও বিকল অবস্থায় পরে আছে। উক্ত যন্ত্রপাতি স্থাপনের পর এখানে কোন পশুর চিকিৎসা হয়েছে এমন কোন নজির সরেজমিনে দেখা যায়নি। এখানে একজন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ও গবেষণা কর্মকর্তা কর্মরত থাকলেও প্রাণীদের বিষয়ে কোন গবেষণা কার্যক্রমের নমুনা পাওয়া যায়নি। পরীক্ষা না করেই পশুদের  নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হয় এমন প্রমাণ পায় দুদক টিম। কোন কোন ক্ষেত্রে খাবার পরিমাপ না করেই পরিমাণে কম সরবরাহ করা হচ্ছে এরূপ চিত্র ফুটে ওঠে। চিড়িয়াখানায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও তা যথানিয়মে অনুসৃত হচ্ছে না মর্মে দুদক টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়। এছাড়া চিড়িয়াখানায় কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিচয়পত্র বহন করার নিয়ম থাকলেও দুদক টিম মাত্র একজন কর্মচারীকে পরিচয়পত্র পরিধান অবস্থায় পায়। সার্বিক বিবেচনায় উক্ত চিড়িয়াখানায় ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে এরূপ চিত্র ফুটে ওঠে। চিড়িয়াখানায় ঔষধ সরবরাহের রেজিস্টারে গত তিন মাস যাবত সরবরাহকৃত ঔষধের বিবরণ নেই। চিড়িয়াখানা হতে আদৌ কোন ঔষধ সরবরাহ করা হয় কি-না বা প্রাপ্ত ঔষধ বাহিরে বিক্রি করে দেয়া হয় কি-না সে বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের অনুমোদন চেয়ে কমিশনে প্রতিবেদন প্রেরণ করেছে দুদক টিম।

ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম

Total Page Visits: 16655