• বুধবার ( সকাল ৬:৫০ )
    • ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

দুদক কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থাঃ দুদক চেয়ারম্যান

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এর নেতৃত্বে কমিশনের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ-এর নিকট দুদকের ২০১৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন। প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যগণ হচ্ছেন দুদক কমিশনার ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান, এ এফ এম আমিনুল ইসলাম ও সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অনুশাসন অনুসারে প্রতি বছর এ প্রতিবেদন রাষ্টপতির নিকট দাখিল করা হয়।

প্রতিবেদনটি হস্তান্তর শেষে বঙ্গভবনের বহিরাঙ্গনে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদক-কে শুন্য সহিষ্ণুতার নীতি অনুসরণ করতে বলেছেন। তিনি শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য করণীয় সবকিছু করতে পরামর্শ প্রদান করেছেন।
তিনি বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও দুর্নীতি নির্মূলে কমিশনকে পরমর্শ দিয়ে বলেছেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড পেতে হলে স্বাস্থ্য এবং মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলায় নিয়োজিত কর্মীদের যদি কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের খবর আসে তাও যেন কমিশনের নজরে থাকে সে বিষয়েও রাষ্ট্রপতি পরামর্শ প্রদান করেছেন।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, যে বা যারা সরকারি সম্পত্তি যেমন রেলের জায়গা, সড়ক বিভাগের জায়গা, গণপূর্ত কিংবা খাস জমি, বন বিভাগের জমি, চান্দিনা ভিটা, ইত্যাদি জমি/সম্পদ অবৈধভাবে দখল করে বিলাসবহুল রিসোর্ট বানিয়েছন কিংবা অন্য কোনোভাবে দখল করে রেখেছেন তাদেরকে কমিশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানাই এসব সম্পত্তি সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থায় ফিরিয়ে দিন , জনগণের সম্পদ জনগণকে ফিরিয়ে দিতেই হবে, নইলে কঠোর আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত নিয়ে কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট। ব্যাংক তার নিজস্ব বিধি-বিধান অনুসারে তাদের ব্যববসা পরিচালনা করবে তাতে কমিশন কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। ব্যাংকিং নিয়ম-কানুন মেনে ব্যবসায়ীরা ঋণ নেবেন এবং ব্যাংকাররা ঋণ দিবেন এতে দুদক কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। তবে পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতি এবং প্রতারণা করে ব্যাংকের অর্থ লোপাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অভ্যাহত রাখা হবে। কমিশনের পক্ষ থেকে আমাদের বক্তব্য যারা ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে ঋণ নিয়েছেন বা ঋণ দিয়েছেন তারা জনগণের এই অর্থ সমন্বয় করুন নইলে আইনের মুখোমুখি হতেই হবে।

দুদক সরকারের তল্পিবাহক এমন এক প্রশ্নে জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, অসম্ভব। দুদক কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। যে কারণে দুদকের বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল না করে মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট বঙ্গভবনে এসে দাখিল করছি। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে দুদকের সরকার বা অন্য কোনো সংস্থার তল্পিবাহক হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

দুদক শুধু চুঁনোপুটিদের ধরে এমন এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এদেশের প্রায় ৮০ভাগ মানুষ গ্রামে বাস করেন। তারাই এই কথিত চুঁনোপুটির দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারে শিকার । কারণ তৃণমূল পর্যায়ে এইসব চুঁনোপুটিরাই সরকারি সেবা প্রদান করে থাকেন। তাই গ্রামের এই সাধারণ মানুষকে যে বা যারা দুর্নীতি অনিয়মের শিকার বানাবেন তাদেরকে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। এইসব চুঁনোপুটিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া আরও দৃঢ় করা হবে।

ক্রাইম ডায়রি//দুদক বিট///জাতীয়

Total Page Visits: 17098

৫২টি পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞাঃধ্বংসের নির্দেশ

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

বাজারে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বি এস টি আই। তারা বিভিন্নসময় বাজারে      শক্ত মনিটরিং এর মাধ্যমে মানহীন    পন্য বাছাই করে ধ্বংসের সুপারিশ করে। তারই ধারাবাহিকতায়    বিএসটিআই এর পরীক্ষায় প্রাণ, পুষ্টি, তীর, রূপচাঁদা, এসিআই, ড্যানিশ, ফ্রেসসহ ৫২টি খাদ্যপণ্য ভেজাল বা নিম্নমান সম্পন্ন হিসেবে প্রমাণিত হওয়া এসব পণ্য বাজার থেকে তুলে ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল রবিবার দুপুরে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরকে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলেন তারা।

আদেশের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। এ বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার এর আগে যেমন মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, প্রয়োজনে ভেজালের বিরুদ্ধেও একই রকম ব্যবস্থা নেবে।

এর আগে ৯ মে বৃহস্পতিবার কনসাস কনজ্যুমার সোসাইটির (সিসিএস) পক্ষে হাইকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান জনস্বার্থে এ বিষয়ে একটি রিট দায়ের করেন।

আগামী ১০ দিনের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। এ সময় ভেজালের বিরুদ্ধে মাদকের মতো যুদ্ধ ঘোষণা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিএসটিআইয়ের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে খোলা বাজার থেকে ৪০৬টি পণ্যের নমুনা ক্রয় করে বিএসটিআইয়ের ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩১৩টি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। যার মাধ্যে ৫২টি পণ্য পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে।

৫২টি পণ্যের তালিকা

১. রূপচাঁদা সরিষার তেল
২. তীর সরিষার তেল
৩. পুষ্টি সরিষার তেল
৪. প্রাণ লাচ্ছা সেমাই
৫. প্রাণ হলুদ গুড়া
৬. প্রাণ কারি পাউডার
৭. এসিআই পিউর ধনিয়া গুড়া
৮. এসিআই আয়োডিনযুক্ত লবন
৯. ড্যানিশ হলুদের গুড়া
১০. ড্যানিশ কারী পাউডার
১১. বাঘাবাড়ী স্পেশাল ঘি
১২. ফ্রেশ হলুদ গুঁড়া
১৩. মধুবন লাচ্ছা সেমাই
১৪. মিঠাই লাচ্ছা সেমাই
১৫. ওয়েল ফুড লাচ্ছা সেমাই
১৬. মেসার্স মুধবন (সিলেট) লাচ্ছা সেমাই
১৭. সান চিপস
১৮. সান হলুদ গুঁড়া
১৯. মোল্লা সল্ট আয়োডিনযুক্ত লবন
২০. মধুমতি আয়োডিনযুক্ত লবন
২১. ডুডলি নুডলস
২২. বনলতা ঘি
২৩. গ্রীণ ব্লিচিং (জিবি) সরিষার তেল
২৪. আরা ফুড ড্রিংকিং ওয়াটার
২৫. আল সাফি ড্রিংকিং ওয়াটার
২৬. মিজান ড্রিংকিং ওয়াটার
২৭. মর্ণ ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার
২৮. ডানকান ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার
২৯. আরা আর ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার
৩০. দিঘী ড্রিংকিং ওয়াটার
৩১. শান্ত ফুড সফট ড্রিংক পাউডার
৩২. জাহাঙ্গীর ফুড সফট ড্রিংক পাউডার
৩৩. পিওর হাটহাজারী মরিচ গুঁড়া
৩৪. মিস্টিমেলা লাচ্ছা সেমাই
৩৫. কিং ময়দা
৩৬. রূপসা দই
৩৭. মক্কা চানাচুর
৩৮. মেহেদী বিস্কুট
৩৯. নিশিতা ফুডস এর সুজি
৪০. মঞ্জিলের হলুদ গুঁড়া
৪১. গ্রীনলেন মধু
৪২. কিরন লাচ্ছা সেমাই
৪৩. ডলফিন মরিচের গুঁড়া
৪৪. ডলফিন হলুদের গুঁড়া
৪৫. সূর্য মরিচের গুঁড়া
৪৬. জেদ্দা লাচ্ছা সেমাই
৪৭. অমৃত লাচ্ছা সেমাই
৪৮. দাদা সুপার আয়োডিনযুক্ত লবণ
৪৯. মদীনা/স্টারশীপ আয়োডিনযুক্ত লবণ
৫০. নুর স্পেশাল আয়োডিনযুক্ত লবণ
৫১. তিন তীর আয়োডিনযুক্ত লবণ
৫২. তাজ আয়োডিনযুক্ত লবণ

বেশ কিছুদিন আগে বিএসটিআই কর্তৃক বাজারে এসব পণ্যে ভেজাল ধরা পড়ার পরও জব্দ না করা, সেগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারের ব্যবস্থা না নেওয়া ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নেওয়ায় দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব ও তিন প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে আইনি নোটিশ পাঠায় ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে জবাব না পাওয়ায় এ রিট দায়ের করা হয়।

রিটে ওইসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট পণ্য কেনো জব্দ করা হবে না বা বাজার থেকে কেনো প্রত্যাহার করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কেনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর মহাপরিচালক (ডিজি), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালককে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের প্রতিবেদন নিয়ে ২ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ সম্মেলন করে। এরপর ৩ ও ৪ মে ক্রাইম ডায়রিসহ  বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্তে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপরই তা নজরে এনে হাইকোর্ট বর্নিত পন্যগুলো ধ্বংসের নির্দেশ প্রদান করে।।।।।

ক্রাইম ডায়রি//আদালত///আইন শৃঙ্খলা

Total Page Visits: 17098

কোটিপতি হতে ভিখিরি হবার বাস্তব গল্প!

কক্সবাজার সংবাদদাতাঃ
কথায় আছে, আজকের কোটিপতি কালকের ভিখারী। কিংবা আজকের ভিখারী হতেও পারে আগামীদিনের শিল্পপতি। এমন গল্পই বাস্তবে রুপ নিয়ে কক্সবাজারের এক ব্যক্তির। নাম তার আজিম।স্থানীয়রা তাকে পাগল আজিম বলেই জানে। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন এই ব্যক্তি। কিন্তু কয়েক বছর আগেই তিনি ছিলেন রামু উপজেলার তেচ্ছিপুল এলাকার অন্যতম ধনী ও কোটিপতি। আর এখন উদ্দেশ্যহীন দ্বারে দ্বারে, পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়ান তিনি।

ভিক্ষা করে ১০ টাকা পেলেই মহা খুশীতে নাচতে থাকেন। অথচ এই ব্যক্তি কয়েক বছর আগে দুই হাতে টাকা ওড়াতেন। বিলাসবহুল জীবনে ছিলেন অভ্যস্ত। টাকা খরচ করতেন পানির মতো। তার বাড়িটিও ছিল দেখার মতো। চড়তেন বিদেশি গাড়িতে। হাতের মোবাইল ফোনটি সে সময়ের সেরাটি ব্যবহার করতেন।

গহনায় মুড়িয়ে রেখেছিলেন স্ত্রীকে। স্ত্রীকেও কিনে দিয়েছিলেন দামী মোবাইল। আর পাঁচটা ধনীর মতোই চাকচিক্যে ভরা ছিল তার জীবন।পড়াশোনা ছেড়ে ১৭ বছর বয়সে ব্যবসায় নেমে পড়েন আজিম। কক্সবাজার থেকে পান, শুঁটকি ও কাঠ পাঠাতেন ঢাকায়। তরতর করে তার ব্যবসা ফুলে ফেঁপে ওঠে। তিন বছরেই হয়ে যান কোটিপতি। এরপর ব্যবসার প্রসারিত হতে থাকে তার।

তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ভালো আয় করতে শুরু করেন। কিন্তু আজিম যেভাবে তরতর করে উঠেছিলেন সেভাবেই নেমে গেলেন। চোখের পলকে রাজা, ভিখারীতে পরিণত হলো।

বিশেষ একটি ঘটনায় ব্যবসায় লোকসান গুনতে হলো অনেক। এরপর আর দাঁড়াতে পারেননি।একে একে গাড়ি, বাড়ি, স্মার্টফোন, কম্পিউটার সব কিছু বিক্রি করে আজ নিঃস্ব। তবুও যদি কর্ম করে খাওয়ার যোগ্যতা থাকে। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে সে ক্ষমতাও হারিয়েছেন।

এখন রামু-কক্সবাজারের মহাসড়কের পাগল ও ভিখারী আজিমের দিন খুব ভালো হলে রোজগার হয় ২০ থেকে ৪০ টাকা। সেটা নিয়েই চলে যায় তার জীবন।গত একবছর ধরে এভাবেই চলছে তার দিনকাল। পরিবারটি আর আগের মতন নেই তার। তারাও থাকছেন না আজিমের সঙ্গে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে রামু তেচ্ছিপুলের একসময়ের কোটিপতি মহাম্মদ আজিম এখন ফুটপাতের পাগল।এজন্যই সময় থাকতে সাধু সাবধান। ভিখিরি হলে পরিবারও অনেক সময় আর সাথে থাকেনা। বাস্তবতা হতে তাই শিক্ষা নেয়া উচিত সকলের।

ক্রাইম ডায়রি////সুত্রঃ অনলাইন ও সরেজমিন

Total Page Visits: 17098