• বুধবার ( সকাল ৭:১৩ )
    • ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

একজন সৎ মানুষ দেশ ও জাতীর সম্পদঃ শিরিন পারভীন-পরিচালক দূর্নীতি দমন কমিশন

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ

উজিরপুরে সততা স্টোর পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা করেন দূর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক শিরীন পারভীন প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন একজন সৎ মানুষ দেশ ও জাতীর সম্পদ। ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলার জয়শ্রী মুন্ডপাশা এস,এ,বি,এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সততা স্টোর বিষয়ক মত বিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন দূর্নীতি দমন কমিশনের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক দেবব্রত মন্ডল, উপ-সহকারী পরিচালক রনজিত কুমার কর্মকার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, শহিদুল হক, ওসি তদন্ত হেলাল উদ্দিন প্রমুখ। সার্বিক পরিচালনায় উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহসিন মিঞা লিটন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সেকান্দার আলী, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য প্রভাষক আলী আহম্মদ, মোঃ আমির হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আক্রাম হোসেন হাওলাদার, বিউটি খানম, শিক্ষক নাদিরা সুলতানা, উজিরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি আঃ রহিম সরদার প্রমুখ। এ সময় প্রধান অতিথি আরো বলেন দেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিনত করতে হলে সমাজ থেকে দূর্নীতি মুক্ত করতে হবে। তাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা স্টোর এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৎভাবে জীবন যাপন করতে নিজেদেরকে শিক্ষাকাল থেকে গড়ে তুলতে হবে।

ক্রাইম ডায়রি/// শিক্ষা

Total Page Visits: 17101

হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ

সালেহ ইমরানঃ

দেশের একটি প্রভাবশালী মোবাইল অপারেটর এর কাছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে বিভিন্ন কাজ কর্মে প্রতিনিয়ত অসহযোগিতা পাচ্ছি। কাজে আগ্রহ হারাচ্ছি। মনে হচ্ছে ওদের কাছে আমরা জিম্মি হয়ে পড়ছি। অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটি করা হচ্ছে।

অভিযোগটি আমার একার না। বেশ কিছুদিন ধরেই আমার অনেক সহকর্মীর কাছ থেকে এমন ক্ষোভ মিশ্রিত হতাশার কথা শুনছি।

ডিজিটাল বাংলাদেশে তদন্তের ক্ষেত্রে একটি মোবাইল অপারেটর কিভাবে ডিজিটাল জিম্মি অবস্থা সৃষ্টি করে ব্যবসা করতে পারে আমার বোধগম্য নয়।

এসব বেনিয়া অপারেটরদের ব্যবসায়িক সুবিধা দিতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাজ করতে কতটা বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সেসব বিষয় কেউ কি ভেবেছে?

মিডিয়ার মাধ্যমে জানলাম, আজ থেকে একটি আইডির বিপরীতে ১৫ টির বেশী সীম থাকলে তা অটো বন্ধ হয়ে যাবে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, একজন মানুষের নামে ১৫ টা সীম রাখার কোন যৌক্তিকতা আছে কিনা কেউ বলবেন কি!

অপারেটরদের হাজারটা অফার আর পাকেজ না থাকলে একজন ব্যাক্তির নামে ১ টা সীমই তো এনাফ। খুব বেশী হলে ৫ টা হতে পারে।

আসলে আমরা কোয়ালিটি সার্ভিসের দিকে যতটা না গুরুত্ব দেই তার চেয়ে বেশী গুরুত্ব দেই কোয়ান্টিটির (পরিমানের) দিকে। আমরা গর্বের সাথে বলি আমাদের অত কোটি গ্রাহক। আসলে তার অর্ধেক সীম আদৌ এক সাথে একটিভ থাকে কিনা বা যে মানের সার্ভিস দেওয়ার কথা তা এরা দিচ্ছে কিনা সেটার ব্যাপারে কঠোর হইনা।

যদি বলি ডিজিটাল বাংলাদেশের নাম করে এই শ্রেনীর ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও প্রকৃত অর্থে ক্ষতিগ্রস্থ এবং হয়রানীর শিকার হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষ, সেটা কি খুব বেশী অযৌক্তিক হবে!

ক্রাইম ডায়রি///স্পেশাল

Total Page Visits: 17101