• শনিবার ( রাত ১১:০১ )
    • ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা বাজারে নকল ডিটারজেন্ট পাউডার এর কারখানার সন্ধানঃ ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা ও সিলগালা

জাকির হোসেন রনিঃ

রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা বাজারে নকল ডিটারজেন্ট পাউডার এর কারখানার সন্ধান পেয়ে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয় রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ।

ডিটারজেন্ট পাউডার ‘ রিন পাওয়ার ‘ এর অবিকল মোড়কে বিভিন্ন নামে নকল পন্য যেমনঃ ‘ রিম ডিটারজেন্ট পাউডার ‘ , ‘ উইন পাওয়ার ‘ ইত্যাদি তৈরি করে বাজারজাত করা হত। যথারীতি বিএসটিআই এর কোন অনুমোদন নাই।

নকল পন্য তৈরি ও বাজারজাত করার অপরাধে কারখানার মালিক কে ৫০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে অবৈধ কারখানাটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

 

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম

6901total visits,227visits today

সারাদেশে দুদকের ৫ অভিযানঃঃ ভবন নির্মানে অনিয়মের অভিযোগে ব্যবস্থা

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে      রাজধানী ঢাকাসহ দেশের পাঁচটি স্থানে দুর্নীতি প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক।

কেইস স্টাডি ১ঃ—

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম উদ্ঘাটন করেছে দুদক। মোহাম্মদপুরের আজিজ মহল্লা, জয়েন্ট কোয়ার্টার-এর বিল্ডিং নং এফ-১২/৪ -এ রাজউকের নিয়ম মোতাবেক রাস্তা ও পয়নিস্কাশনের জায়গা না ছেড়ে বাড়ি করা হচ্ছে, দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন – ১০৬) আগত এরূপ অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয়, ঢাকার একটি এনফোর্সমেন্ট টিম আজ (৩০/০৪/২০১৯ খ্রি.) উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দুদককে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে রাজউক জোন- ৩ এর সহকারী অথরাইজড অফিসার এবং ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম। দুদক টিম রাজউকের সহায়তায় ভবনটি পরিমাপ করে অভিযোগের সত্যতা পায়। রাজউক কর্তৃপক্ষ দুদক টিমকে জানায়, নকশাবহির্ভূত অংশ অপসারণে উক্ত ভবন মালিককে ইতোপূর্বে ২ দফা নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি তা অমান্য করেছেন। রাজউক তাদের বিধি মোতাবেক উক্ত ভবনের বর্ধিতাংশ অপসারণে ১৫ দিনের সময় প্রদানপূর্বক চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করে। একই অভিযানে পার্শ্ববর্তী ২টি ভবন, যথাক্রমে এফ-১২/১১ ও এফ-১৫/১১ -এ যে পরিমাণ জায়গা ছাড়ার কথা তা না ছেড়েই নির্মাণকাজ স¤পাদিত হচ্ছে মর্মে দুদক টিম নিশ্চিত হয়। দুদক টিমের পর্যবেক্ষণ আমলে নিয়ে রাজউক উক্ত দুই ভবন মালিককে বর্ধিতাংশ অপসারণে ৭ দিনের নোটিশ প্রদান করে।

কেইস স্টাডি ২ঃ—

এদিকে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস-এর চট্টগ্রাম অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার-এর স্বেচ্ছাচারিতা, দায়িত্ব অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এর একটি টিম। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে অভিযোগ আসে, উল্লিখিত দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্টার হারুন-অর-রশিদ সপ্তাহে মাত্র একদিন তথা বৃহ¯পতিবারে অফিস করেন। টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে হাজিরা খাতা পরিদর্শন করে অভিযোগটি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। দুদক টিম জানতে পারে, সপ্তাহে একদিন মাত্র অফিস করায় উক্ত কর্মকর্তা কাক্সিক্ষত সেবা প্রদান করেন না এবং সেবাপ্রার্থীদের ব্যাপক হয়রানি ঘটে। টিম উল্লিখিত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশপূর্বক কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।

কেইস স্টাডি ৩ঃ—

এদিকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার যাদবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের তিন মাসের মাঝেই ফাটল দেখা দেওয়ায় এ বিষয়ে অনিয়ম খতিয়ে দেখতে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুর -এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম। টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঠিকাদার কর্তৃক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উক্ত ভবনের নির্মাণ কাজ বুঝিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু ইতিমধ্যে বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরায় এ ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে মর্মে দুদক টিম নিশ্চিত হয়। টিম উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট হতে এ ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত তথ্যাবলি সংগ্রহ করে। টিম এ অনিয়মের বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানের সুপারিশ করে কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।

কেইস স্টাডি ৪ঃ—

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে হালদা নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় তামাক চাষের ফলে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে, এরূপ অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রাঙ্গামাটির একটি এনফোর্সমেন্ট টিম। টিম উপজেলা মৎস্য বিভাগ এবং জেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তার সমন্বয়ে উল্লিখিত অঞ্চল পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পায়। টিমের পক্ষ হতে তামাক চাষ থেকে বিরত থাকার জন্য চাষীদের অনুরোধ করা হয়। তামাক চাষের ভয়াবহতা উল্লেখপূর্বক চাষীদের বিকল্প চাষে উদ্বুদ্ধ করতে সামাজিক উদ্যোগ ও প্রণোদনামূলক কার্যক্রম চালানো হবে মর্মে দুদক টিমকে আশ্বস্ত করে জেলা কৃষি বিভাগ।

কেইস স্টাডি ৫ঃ—

এদিকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল জংশন স্টেশনে রেলপথ সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, দিনাজপুর-এর এনফোর্সমেন্ট টিম। টিম উল্লিখিত নির্মাণকাজ খতিয়ে দেখে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি সংগ্রহ করে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে উক্ত কাজে যথাযথ মান নিশ্চিত হয়নি মর্মে দুদক টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়। এ বিষয়ে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে বলে দুদক সুত্রে জানা গেছে ।

ক্রাইম ডায়রি//দুদক বিট

6901total visits,227visits today

করের টাকা ব্যক্তিগত একাউন্টেঃঃ দুদকের অভিযানে মুখোশ উম্মোচন

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সারাদেশে ধারাবাহিক ও অব্যহত অভিযানের অংশ হিসেবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর কার্যালয়ে, দিনাজপুর আয়কর বিভাগের অফিসে এবং নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে আজ একযোগে দুদকের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।৷ দুদক সুত্রে জানা গেছে, অভিযোগের সুত্র ধরে এই অভিযানগুলো   পরিচালি৷ হয়েছে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-তে মেধা তালিকা অনুসরণ না করে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ কার্যক্রম সম্পাদনের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে প্রধান কার্যালয়, ঢাকার একটি এনফোর্সমেন্ট টিম। টিম এ সংক্রান্ত সকল তথ্যাবলি সংগ্রহ পূর্বক কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

আয়কর বিভাগ, দিনাজপুর কর্তৃক সরকারি রাজস্বের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিকভাবে সত্যতা আছে বলে ধারণা করছে দুদক। কর অঞ্চল, রংপুর -এর আওতাধীন দিনাজপুরের করদাতাদের কাছ থেকে আদায়কৃত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে অন্য ব্যক্তিগত হিসাব ব্যবহার করে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে নিয়েছে একটি চক্র, এরূপ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, দিনাজপুর -এর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম, আয়কর বিভাগ, দিনাজপুর -এ  অভিযান  পরিচালনা করে। নিয়মানুযায়ী আয়কর বিভাগ হতে প্রাপ্ত টাকা চালান বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, দিনাজপুর কর্পোরেট শাখার ট্রেজারীর হিসাব কোডে জমা হওয়ার কথা, কোনো ব্যক্তিগত হিসাবে জমা হওয়ার কোন সুযোগ নেই, কিন্তু পে-অর্ডার বা চালানগুলো ব্যাংকে জমা হওয়ার পর চালানগুলো ছিড়ে ফেলে এবং পে-অর্ডারগুলোর পেছনে ঘষামাজা করে একটি নির্দিষ্ট বেতন বিলের হিসাব নম্বরে জমা দেওয়া হয়েছে। উক্ত কর্মকান্ডে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, দিনাজপুরের এবং আয়কর বিভাগ, দিনাজপুর-এর কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশ ধারণা করছে দুদক টিম। একটিমাত্র একাউন্ট যাচাই করেই প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা অনৈতিকভাবে উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া যায়, ফলে আরও কিছু হিসাব যাচাই করলে এই অর্থের পরিমাণ আরও বাড়বে মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। দুদক টিম এ বিষয়ে সকল তথ্যাদি সংগ্রহপূর্বক অনুসন্ধানের সুপারিশ করে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে।

এদিকে নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীর একটি টিম। দুদক টিম উক্ত অফিসে অভিযান পরিচালনা করে পাসপোর্ট বিতরণ কক্ষে দালালের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। এই অভিযান পরিচালনাকালে স্থানীয় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ঐ দালালকে ৭ দিনের কারাদ- প্রদান করে। অন্যান্য দালালরা দুদক টিমের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় সরেজমিন অভিযানে দুদক টিম জানতে পারে যে, ঘুষ প্রদান না করা হলে বিভিন্ন পাসপোর্ট গ্রহণে নানাবিধ সমস্যা দেখিয়ে গ্রাহকদের হয়রানি করা হয়। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িত আছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। টিম এ বিষয়ে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ করবে। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিআরটিএ –তে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান, গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট প্রদান, ড্রাইভিং লাইসেন্স রিনিউ, গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন, ডিজিটাল নাম্বার প্লেট প্রদান ইত্যাদি সেবা প্রাপ্তিতে ঘুষ লেনদেন ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রাজশাহীর একটি টিম। এ অভিযানে বিভিন্ন আবেদনসমূহের তালিকা সংগ্রহ করা হয় এবং আবেদনসমূহে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব প্রদান করা হচ্ছে কিনা তা বিস্তারিতভাবে যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে দুদক সুত্রে জানা গেছে।

ক্রাইম ডায়রি//দুদক বিট//অপরাধ

6901total visits,227visits today

বগুড়ার শেরপুর থানা পুলিশের সর্বহারা গ্রেফতারে বিশেষ সফলতা

জাকির হোসেন রনি, উত্তরাঞ্চলীয় অফিসঃ

সর্বহারার কথা বেশ কিছুদিন শোনা যায়নি। বামদলগুলোর প্রকাশ্য রাজনীতি তাদেরকে আলোকিত বিপ্লবের দিকে অগ্রসর হতে উৎসাহিত করায় মাঝে প্রায় অনেকদিন মানুষ ভুলেই গিয়েছিল সর্বহারা শব্দটি। কিন্তু হঠাৎ করেই নাটোর সদর ও বগুড়ার শেরপুর ও সিরাজগঞ্জের  রায়গঞ্জ এলাকায় সর্বহারার দৃশ্যমান অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মত।৷ এরা হঠাৎই সরকারের সকল ভাল কাজকে ম্লান করে দিতে শুরু করে দিয়েছে ফোনে হুমকি,চাঁদাবাজিসহ বন্দুকবাজি।  গত কয়েকদিন আগেও ক্রাইম ডায়রির উত্তরাঞ্চলীয় কার্যালয়ে এসে আশেপাশে ঘোরাঘুরি করে   গিয়েছে      একদল অচেনা মানুষ।ধারণা করা হয়েছিল এরা সর্বহারার কোন সংস্করন। সম্প্রতি, বগুড়ার শেরপুরের ভবানীপুরে টহল পুলিশের ওপর চরমপন্থীদের (সর্বহারা) হামলার ঘটনায় উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নান্নু মিয়া গুলিবিদ্ধ হয় এতে শেরপুর থানায় অস্ত্র আইন মামলা দায়ের হয় এই মামলায় জড়িত সন্দেহ চরমপন্থীদের (সর্বহারা) ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, রায়গঞ্জ থানার ১নং ধামাইনগর ইউপি দামুয়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৪০), সারাইল গ্রামের মৃত বানাত আলীর ছেলে ইসমাইল (৪৫) ও ইউসুফ আলী (৩৭৬), মৃত নাঈম উদ্দিনের ছেলে মজিবর রহমান (৪৫), তাড়াশ থানার দেশীগ্রাম ইউপি গুড়পিঁপুল গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে আল-আমিন (২৮), খলিলুর রহমানের ছেলে শামীম হোসেন (২৮), মৃত হাসান আলীর ছেলে আব্দুল আজিজ (২৭), রায়গঞ্জ থানার ১নং ধামাইনগর ইউপি খিয়াইল গ্রামের মৃত প্রফুল্ল দাসের ছেলে শ্রী দিলিপ চন্দ্র দাস (৪৫), তাড়াশ থানার দেশীগ্রাম ইউপি গুড়পিঁপুল গ্রামের মৃত নবাব আলী প্রাং এর ছেলে কামাল উদ্দিন প্রাং (৫৫), তাড়াশ থানার তালম ইউপি হাড়ীসোনা গ্রামের মৃত মেহের আলী আকন্দের ছেলে আবু সাঈদ (৬৫)।

গত শুক্রবার ও শনিবার রাতে বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এতে করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তুলনায় সর্বহারার বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে শেরপুর থানা পুলিশ। ক্রাইম ডায়রির গবেষণা টিমের তালিকায় এ ধরনের অস্ত্রধারী অপরাধীদের ধরতে তারা প্রাণান্তকর চেষ্টা দেশবাসীকে মোহিত করেছে। জ্ঞানীমহলের ধারনা এ অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করলে ডাকা,, রাহাজানি ও হত্যার মত ঘটনা কম ঘটবে।।।

ক্রাইম ডায়রি///আইন শৃঙ্খলা///অপরাধ

6901total visits,227visits today

সন্তানের মত পুত্রবধুও বাধ্য শ্বশুর-শ্বাশুরীর সেবা করতে

অনলাইন ডেস্কঃঃ

এমন অভিযোগ নেই খুঁজে পাওয়া দুঃস্কর। বিয়ের পরই ছেলেদের ‘পাল্টে’ যাওয়ার অভিযোগ বেশিরভাগ মা-বাবার। এজন্য দায়ী করা হয় ছেলের বউদের। দেখা গেছে, স্বার্থের টানাপড়েনে নাড়িছেঁড়া সন্তান অসহায় মা-বাবাকে বের করে দিচ্ছে বাড়ি থেকে, রাখছে গরু-ছাগলের সঙ্গে গোয়ালঘরে। আর চাকরি বা অন্য কোনো কারণে ছেলে দূরে থাকে এমন মা-বাবাদের দুর্দশার যেন অন্ত নেই। শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা তো দূরের কথা, ঠিকমতো খাবার না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে অনেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে। শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা না করার এই মনোভাব পাল্টাতে হবে স্বামী দূরে থাকা স্ত্রীদের। ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ’ বিধিমালার খসড়ায় স্পষ্ট করে মা-বাবার উপযুক্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে স্ত্রী ও তাদের সন্তানদের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

২০১৩ সালে পাস হওয়া পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের আওতায় বিধিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়া বিধিমালার ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার যথোপযুক্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। সন্তান নিজে উপস্থিত থাকতে না পারলে তার স্ত্রী, সন্তান বা পরিবারের অন্য সদস্যদের দিয়ে মা-বাবার উপযুক্ত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। পরিচর্যা বলতে কোন ধরনের সেবা দিতে হবে, তা-ও সুনির্দিষ্ট করা আছে। পরিচর্যা বলতে যত্ন সহকারে শারীরিক পরিচ্ছন্নতা, শৌচকার্য, সময়মতো ওষুধ-পথ্য ও খাবার খাওয়ানো, প্রয়োজনমতো বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে সকাল-বিকেল হাঁটানো বা ব্যায়াম করানোকে বোঝাবে। খসড়া বিধিমালা চূড়ান্ত করতে গত ১০ এপ্রিল সমাজকল্যাণ   মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জুয়েনা আজিজের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে। জুয়েনা আজিজ দেশ রূপান্তরকে বলেন, খসড়া চূড়ান্ত করে বিধিমালা জারি করা হবে। এ বিষয়ে কাজ চলছে।

চূড়ান্ত হওয়া খসড়া বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোনো মা-বাবার একমাত্র ছেলে সস্ত্রীক চাকরি নিয়ে দূরে বা প্রবাসে থাকলে ‘উপযুক্ত প্রতিনিধির’ মাধ্যমে তাদের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। উপযুক্ত প্রতিনিধি বলতে সন্তানের কোনো নিকটাত্মীয় চাচা, চাচি, ফুপা, ফুপু, মামা, মামি, খালা, খালু, ভাই, ভাবি, ভগ্নি, ভগ্নিপতি, শ্যালক, শ্যালিকা বা এ ধরনের রক্ত সম্পর্কীয় কেউ, বিশ্বস্ত কর্মী বা প্রতিবেশীকে বোঝানো হয়েছে।

পিতা-মাতার ভরণপোষণের ন্যূনতম মানদ- নির্ধারণ করে খসড়া বিধিমালার ১১ ধারায় বলা হয়েছে, ‘ভরণপোষণের ন্যূনতম মানদ-ের ভিত্তি হইবে সন্তানের সামর্থ্য ও পিতা-মাতার যৌক্তিক প্রয়োজন সমন্বয়ের মাধ্যমে তাহাদের জন্য পর্যাপ্ত জীবনমান।’ এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তান মা-বাবাকে সঙ্গে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। একাধিক সন্তান থাকলে মা-বাবা কোন সন্তানের সঙ্গে বসবাস করবেন, তা তাদের ইচ্ছানুযায়ী হবে।

সন্তান বা তার স্ত্রী-সন্তান মা-বাবার সেবা ঠিকমতো করছে কি না তা যাচাই করতে সারা দেশের ওয়ার্ড পর্যায়ে সহায়ক কমিটি থাকবে। এ ছাড়া ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় পর্যায়েও কমিটি থাকবে। কোনো মা-বাবার একজন মাত্র সন্তান থাকলে এবং কোনো উপযুক্ত কারণে একত্রে বসবাস না করলে ওই মা-বাবার ভরণপোষণের জন্য কী পরিমাণ অর্থ সন্তানকে দিতে হবে তা নির্ধারণ করে দেবে সহায়ক কমিটি। নির্ধারিত অর্থ সন্তান মা-বাবার জন্য ব্যয় করবে বা সরাসরি অথবা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠাবে। একাধিক সন্তান থাকলে এবং সন্তানরা একত্রে বাস না করলে মা-বাবার দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নির্ধারণ করে প্রত্যেক সন্তান সম্মিলিতভাবে নির্ধারিত অর্থ মা-বাবাকে দেবে। তবে মা-বাবা যে সন্তানের সঙ্গে থাকবে, সে সন্তানের আয় বিভাজন করে নগদ টাকা দিতে হবে না। মা-বাবার জন্য সন্তানরা শুধু টাকা দিলেই হবে না, বছরে কমপক্ষে দু’বার সাক্ষাৎ করতে হবে।

অনেক সন্তান বা তার স্ত্রী মা-বাবার আচার-আচরণের সমালোচনা করেন। সন্তান মা-বাবার কথা শুনবে, নাকি স্ত্রীর কথা শুনবেÑ তা নিয়ে বিরোধ হয় বউ-শাশুড়ির মধ্যে। এই বিরোধ দূর করতে মা-বাবার আচরণবিধি নির্ধারণ করা হয়েছে খসড়া বিধিমালায়। বলা হয়েছে, মা-বাবা তাদের প্রয়োজন বা অনুভূতির কথা সন্তানদের একত্রে বা আলাদাভাবে জানাবেন। যেকোনো সংকটের কথা সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। আলোচনা করে সংকটের সুরাহা না হলে পরিবারের অন্য সদস্য বা স্থানীয় ভরণপোষণ সহায়ক কমিটির সহায়তা নেবেন। মা-বাবা পরিবারের সবার প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করবেন এবং শিশুসহ সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করবেন। মা-বাবার কোনো প্রয়োজন সন্তান তাৎক্ষণিকভাবে মেটাতে না পারলে বা দেরি হলে যথাসম্ভব ধৈর্য ধারণ করবেন। শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী নিজেদের সেবাযত্ন নিজেরাই নেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাদের নিজস্ব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ সুরক্ষার চেষ্টা করবেন।

মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের আচরণ কেমন হবে তা উল্লেখ করে খসড়া বিধিমালার ১৩ ধারায় বলা হয়েছে, মা-বাবার সঙ্গে সর্বাবস্থায় মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করতে হবে, যত্নসহকারে তাদের দেখভাল করতে হবে। তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। মা-বাবার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যগত বিষয়ে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনীয় সেবা শুশ্রƒষা, পথ্য ও অন্যান্য উপকরণ যথাসম্ভব দ্রুত সরবরাহ করতে হবে। কোনো প্রকার ছলচাতুরীর মাধ্যমে মা-বাবার সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহার করবে না। মা-বাবার সম্পদে অন্য উত্তরাধিকারীদের অংশ আত্মসাতের চেষ্টা করবে না। মা-বাবার নিজস্ব কোনো সম্পদ না থাকলেও তাদের কোনোরূপ দোষারোপ করা যাবে না। পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে পিতা-মাতার অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

মা-বাবার জন্য খাদ্য প্রসঙ্গে খসড়া বিধিমালার ১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ‘পিতা-মাতার জন্য দৈনিক ন্যূনতম তিনবার বা পিতা-মাতার প্রয়োজন অনুসারে খাদ্য সরবরাহ করিবে : তবে শর্ত থাকে যে, পিতা-মাতার বয়স, অসুস্থতা বা প্রতিবন্ধিতা বিবেচনায় আনিয়া, প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুসারে নির্ধারিত পুষ্টিমান নিশ্চিত করিতে হইবে। বিশেষ অনুষ্ঠান বা উৎসবে পিতা-মাতার জন্য চিকিৎসকের বিধি-নিষেধ অনুসরণপূর্বক উন্নতমানের খাবার সরবরাহ করিতে হইবে।’

ঋতু বিবেচনায় নিয়ে মা-বাবার পছন্দ ও শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনায় তাদের জন্য আরামদায়ক পোশাক নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, বছরে যেকোনো একটি উৎসবে অতিরিক্ত এক সেট নতুন পোশাক সরবরাহ করতে হবে। সন্তানের আর্থিক সঙ্গতি অনুসারে তাদের পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কক্ষে রাখতে হবে। কক্ষটি সমতল জায়গা হতে হবে। তাদের জন্য বিছানাপত্র ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র রাখতে হবে। তাদের শৌচকাজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নির্বিঘ্ন করার জন্য প্রবীণবান্ধব ব্যবস্থা থাকতে হবে।

কোনো সন্তান বা তার স্ত্রী মা-বাবার উপযুক্ত ভরণপোষণ ও সেবা নিশ্চিত না করলে সে বিষয়ে সহায়ক কমিটির কাছে অভিযোগ করতে পারবেন মা-বাবা। অভিযোগ পাওয়ার পর কমিটি সরেজমিনে গিয়ে মা-বাবা ও সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করবে। আলোচনার ভিত্তিতে তা সুরাহা না হলে কমিটি মা-বাবাকে অভিযোগ দাখিল করতে বলবে। ওই অভিযোগ আমলে নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালত তা নিষ্পত্তি করবে। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ৩০ দিনের মধ্যে জেলা ও দায়রা জজ বা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করতে পারবে।

‘পিতা-মাতার মৃত্যুতে করণীয়’ শিরোনামে খসড়া বিধিমালার ২১ ধারায় বলা হয়েছে, ‘পিতা-মাতা মৃত্যুবরণ করিলে প্রত্যেক সন্তানকে সশরীরে উপস্থিত থেকে তাহাদের দাফন-কাফন বা সৎকারসহ পিতা-মাতার দায়দেনা পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করিতে হইবে। তবে শর্ত থাকে যে, কোনো সন্তান প্রবাসজীবন বা অন্যকোনো কারণে পিতা-মাতার মৃত্যুর অব্যবহিত পরে সংবাদ পাইয়া উপস্থিত থাকিতে না পারিলে তাকে উপযুক্ত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে দাফন-কাফন বা সৎকারের ব্যয়ভার বহনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করিতে হইবে।’

পিতা-মাতার ভরণপোষণে সবাইকে উৎসাহিত করতে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ অবদানের জন্য একটি নীতিমালার ভিত্তিতে বার্ষিক সম্মাননা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে খসড়া বিধিমালায়।

ক্রাইম ডায়রি///সুত্রঃdeshrupantor.com///জাতীয়

6901total visits,227visits today

রংপুরে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী RAB এর হাতে গ্রেফতার

রংপুর সংবাদদাতাঃ

রংপুরে ধর্ষণ মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে RAB.সে এই মামলার একমাত্র আসামী। সুত্রে জানা গেছে,      রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া থানাধীন ধামুর মধ্য পাড়া গ্রামস্থ গঙ্গাচড়া টু বড়াইবাড়ি গামী পাকা রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে জনৈক নুরুজ্জামান মিয়ার বসত বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে বর্ণিত মামলার একমাত্র আসামী মোঃ মেহেরুল হক (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনাসুত্রে  প্রকাশ,গত ১৪ অক্টোবর ২০১৬ ইং তারিখ রংপুর মহানগরীর কোতয়ালী থানাধীন পূর্ব নাজির দিগর এলাকার পিতা-মোঃ মহুবর রহমান ধাপা এর বখাটে ছেলে মোঃ মেহেরুল হক (২৫) কর্তৃক রংপুর মহানগরীর কোতয়ালী থানার জনৈক মোঃ রুবেল মিয়া (৩২) (ছদ্মনাম)এর ৬ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা মোঃ রুবেল মিয়া (৩২) পরবর্তীতে রংপুর জেলার কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যার নং ৭৬ তারিখ-১৮ অক্টোবর ২০১৬ এবং জিআর-৯০৭/২০১৭ ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯ (৪) (খ) তৎসহ ৩২৩/৫০৬ দঃবিঃ। চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ চেষ্টার এ ঘটনাটি তখন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়। এদিকে মামলা দায়েরের পর পুলিশ সরোজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে আসামীর বিরুদ্ধে গত ৩১ মার্চ ২০১৭ ইং তারিখ অভিযোগপত্র দাখিল করে। তখন থেকে অভিযুক্ত মোঃ মেহেরুল হক (২৫) বিগত ০৩ বৎসর যাবত পলাতক ছিল। অভিযুক্ত আসামী গ্রেফতার না হওয়ার সংবাদটি সাম্প্রতিককালে স্থানীয় গণমাধ্যমে আবার প্রকাশিত হলে র‌্যাব-১৩ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে এবং আসামীর অবস্থান সনাক্ত করার সর্বাত্নক প্রচেষ্টা চালায়। এমতাবস্থায়, র‌্যাব-১৩, রংপুরের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইং ২৪ এপ্রিল ২০১৯ তারিখ সন্ধ্যায় রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া থানাধীন ধামুর মধ্য পাড়া গ্রামস্থ গঙ্গাচড়া টু বড়াইবাড়ি গামী পাকা রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে জনৈক নুরুজ্জামান মিয়ার বসত বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে বর্ণিত মামলার একমাত্র আসামী মোঃ মেহেরুল হক (২৫) কে গ্রেফতার করে। র‌্যাবের প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদে সে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি/// আইন শৃঙ্খলা

6901total visits,227visits today

মহেশপুরে মাদকাসক্ত যুবকের ‘টাকা না দেওয়ায়’ ক্ষিপ্ত হয়ে মা ও নানীকে কুপিয়ে হত্যা !

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌর এলাকার নওদাগ্রামে মানসিক বিকারগ্রস্থ যুবক ইমরান (২৬)’র ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মা ও নানী নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো-ওই গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের মেয়ে মর্জিনা খাতুন ও স্ত্রী শামসুন্নাহার (৭০)। বৃহস্পতিবার ভোররাতে যশোর সদর হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়। মহেশপুর থানার ওসি রাশেদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাতে ইমরান তার মায়ের কাছে টাকা চাই। টাকা না দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে মা ও নানিকে কুপিয়ে গুরুতর যখম করে। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। ওসি আরও জানান, মহেশপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের কারিগরী বিষয়ের শিক্ষক মর্জিনা বেগম তার সন্তান ইমরান ও তার মা শামসুন্নাহারকে নিয়ে বসবাস করতেন। ছেলে ইমরান ছিল মানসিক রোগী। বিভিন্ন সময় সে তার মা ও নানীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো। ২০০৪ সালে যখন তার মায়ের ডিভোর্স হয় সে বছর সে তার দাদাকে মারধোর করে। পরবর্তীতে তাকে দুইদফা পাবনা মানষিক হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। রাত ২ টার দিকে চিৎকার শুনে লোকজন বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান দুই জনই ঘরের মেঝেতে পড়ে আছেন। ইমরান ওই সময়েই পালিয়ে যায়। এদিকে এলাকাবাসী বলছে, ইমরান মাদকাসক্ত। টাকার জন্য প্রায়ই তার মাকে মারধর করতো। রাতেও তার মায়ের কাছে নেশার জন্য টাকা চেয়েছিল। টাকা না দেওয়ায় এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে ইমরান।

6901total visits,227visits today

ই-কমার্স নীত‌িমালা এখন সময়‌ের দাবী

সেলিম সরকারঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে, এখন ঘরে বসেই কেনাকাটার অবারিত সুযোগ তৈরী হয়েছে। পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকে পছন্দের পণ্যটি অনলাইনে অর্ডার দিলে, মাত্র এক সপ্তাহ থেকে বড় জোর একমাস সময়ের মধ্যেই তা হাতে এসে পৌঁছায়। দেশের অভ্যন্তরীণ অনলাইন শপ থেকে কিনলে তা হাতে পেতে সময় লাগে বড় জোর দু’দিন। আর নিজ শহরে পণ্যের অর্ডার দিলে, মাত্র দু’ চার ঘন্টার মধ্যেই পণ্য নিয়ে দরজায় এসে কড়া নাড়েন বিক্রেতা। অনলাইনের এই ব্যবসাকে নাম দেয়া হয়েছে ‘ই-কমার্স’ হিসেবে।

কী নেই এই বাজারে! ছোট্ট শিশুর খেলনা থেকে শুরু করে কোটি টাকার গাড়ি-বাড়ি, গহনা-শাড়ি সবই আছে এখানে। আছে চাল, ডাল, আলু, বেগুন, টমেটো কিংবা মাছ, মাংস। মোটা স্বাস্থ্য চিকন বা চিকন স্বাস্থ্য মোটা করার জাদুকরী ঔষধও আছে এখানে। ঔষধ থেকে শুরু করে ডাক্তার, নার্স এমনকি পুরো হাসপাতালও মিলছে অনলাইন সেবা খাতে। মানুষের নিত্য নতুন চাহিদার কারণে, প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে ই-কর্মাস ব্যবসার পরিধি। নতুন, নতুন পণ্যের বাজার সৃষ্টির পাশাপাশি নতুন অনেক কর্মসংস্থানও হচ্ছে এই খাতে। ই-কমার্স এর সুবাদে নগদ লেনদেনও কমছে। ফলে কাগজের নোটের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে।

প্রযুক্তির উৎকর্ষে পণ্যের বাজার যত বড়ই হোক, তা মানুষের হাতের মুঠোর চেয়ে বড় নয়। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো অফিসিয়াল কার্যক্রমও ঘরে বসেই পরিচালিত হবে। এতে করে এক অফিসেই হাজার, হাজার মানুষ তাদের কাজ চালিয়ে যাবেন। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে ইতোমধ্যেই শিক্ষা, চিকিৎসাসহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সেবা অনলাইনের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে। লাখ, লাখ তরুণ আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে, ঘরে বসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করছেন। বাংলাদেশের বেকার যুবকদের একটা বড় অংশ এখন আউট সোর্সিংয়ে নিয়োজিত। প্রতিনিয়ত এই সংখ্যা আশানুরূপ হারে বাড়ছে।

তবে দুঃখজনক বিষয় হলো, ই-কমার্স এর চাহিদা বৃদ্ধির দরুণ, প্রতারকরাও এই বাজারে ঢুকে পড়েছে। তারা অখ্যাত কোম্পানীর নকল পণ্য বিক্রি করে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা করছে। প্রতারকচক্র সাধারণ মানুষের দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে, স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ বিভিন্ন নকল ও মানহীন পণ্য বিক্রয় করছে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ‘হারবাল ফুড’ নামে বিক্রি করা হচ্ছে এসব পণ্য। অনেক ক্রেতা এসব পণ্য কিনে প্রতারিত হয়েও লজ্জায় সাধারণত কাউকে কিছু বলেননা। শাড়ি, কসমেটিক্স, শো-পিছ ইত্যাদি পণ্য হাতে পেয়ে অনেকে নাখোশ হন। তারা অনলাইনে দেখা পণ্যের সাথে বাস্তবের পণ্যের গুণগত মানের বৈপরীত্যের অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, অগ্রীম টাকা নিয়ে বিক্রেতার লাপাত্তা হওয়ার কথাও শোনা যায়। টাকা হাতিয়ে নিয়ে এই চক্র ফোন বন্ধ করে দেয়। ওয়েব সাইটে সাধারণত এসব প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ঠিকানা উল্লেখ থাকেনা। থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সেখানে অন্য প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি লক্ষ্মিপুরের একজন ক্রেতা অনলাইনে একটি ঘড়ির অর্ডার করেন। কিন্তু বাস্তবে তার ঠিকানায় পাঠানো হয় দুটি পেঁয়াজ। গণমাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে। কিছুদিন আগে একজন ক্রেতা একটি মোবাইল ফোনের অর্ডার দেন। কিন্তু প্যাকেট খুলে দেখতে পান কিছু ইটের টুকরো। এমন অনেক প্রতারণা নষ্ট করছে ই-কমার্স এর ভবিষ্যত। একের পর এক প্রতারণার শিকার হলে, মানুষ একসময় এই বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। ধ্বংস হবে সম্ভাবনাময় এ খাতটি।

প্রতারণা ঠেকাতে এখনই সরকারিভাবে এর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। এসব সাইটে থাকা পণ্যের গুণগত মান, বৈধতা, স্বাস্থ্য বিষয়ক পণ্যসমূহের যথাযথ অনুমোদন ও দামের বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা দরকার। ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান মনিটরিং করতে হবে। এ দুটি মন্ত্রণালয়ের যেকোনো একটির ওয়েব সাইটে ভেরিফায়েড ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানসমূহের তালিকা প্রকাশ করা প্রয়োজন। অন্যথায়, এই ব্যবসা লাগামহীন হয়ে পড়বে। প্রতারকরা হাতিয়ে নেবে সাধারণ মানুষের অর্থ। শীঘ্রই এ বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হোক; এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

লেখক: প্রাবন্ধিক

ক্রাইম  ডায়র‌ি/// জাতীয়

6901total visits,227visits today

একজন সৎ মানুষ দেশ ও জাতীর সম্পদঃ শিরিন পারভীন-পরিচালক দূর্নীতি দমন কমিশন

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ

উজিরপুরে সততা স্টোর পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা করেন দূর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক শিরীন পারভীন প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন একজন সৎ মানুষ দেশ ও জাতীর সম্পদ। ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলার জয়শ্রী মুন্ডপাশা এস,এ,বি,এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সততা স্টোর বিষয়ক মত বিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন দূর্নীতি দমন কমিশনের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক দেবব্রত মন্ডল, উপ-সহকারী পরিচালক রনজিত কুমার কর্মকার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, শহিদুল হক, ওসি তদন্ত হেলাল উদ্দিন প্রমুখ। সার্বিক পরিচালনায় উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহসিন মিঞা লিটন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সেকান্দার আলী, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য প্রভাষক আলী আহম্মদ, মোঃ আমির হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আক্রাম হোসেন হাওলাদার, বিউটি খানম, শিক্ষক নাদিরা সুলতানা, উজিরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি আঃ রহিম সরদার প্রমুখ। এ সময় প্রধান অতিথি আরো বলেন দেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিনত করতে হলে সমাজ থেকে দূর্নীতি মুক্ত করতে হবে। তাই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা স্টোর এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৎভাবে জীবন যাপন করতে নিজেদেরকে শিক্ষাকাল থেকে গড়ে তুলতে হবে।

ক্রাইম ডায়রি/// শিক্ষা

6901total visits,227visits today

হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ

সালেহ ইমরানঃ

দেশের একটি প্রভাবশালী মোবাইল অপারেটর এর কাছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে বিভিন্ন কাজ কর্মে প্রতিনিয়ত অসহযোগিতা পাচ্ছি। কাজে আগ্রহ হারাচ্ছি। মনে হচ্ছে ওদের কাছে আমরা জিম্মি হয়ে পড়ছি। অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটি করা হচ্ছে।

অভিযোগটি আমার একার না। বেশ কিছুদিন ধরেই আমার অনেক সহকর্মীর কাছ থেকে এমন ক্ষোভ মিশ্রিত হতাশার কথা শুনছি।

ডিজিটাল বাংলাদেশে তদন্তের ক্ষেত্রে একটি মোবাইল অপারেটর কিভাবে ডিজিটাল জিম্মি অবস্থা সৃষ্টি করে ব্যবসা করতে পারে আমার বোধগম্য নয়।

এসব বেনিয়া অপারেটরদের ব্যবসায়িক সুবিধা দিতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাজ করতে কতটা বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সেসব বিষয় কেউ কি ভেবেছে?

মিডিয়ার মাধ্যমে জানলাম, আজ থেকে একটি আইডির বিপরীতে ১৫ টির বেশী সীম থাকলে তা অটো বন্ধ হয়ে যাবে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, একজন মানুষের নামে ১৫ টা সীম রাখার কোন যৌক্তিকতা আছে কিনা কেউ বলবেন কি!

অপারেটরদের হাজারটা অফার আর পাকেজ না থাকলে একজন ব্যাক্তির নামে ১ টা সীমই তো এনাফ। খুব বেশী হলে ৫ টা হতে পারে।

আসলে আমরা কোয়ালিটি সার্ভিসের দিকে যতটা না গুরুত্ব দেই তার চেয়ে বেশী গুরুত্ব দেই কোয়ান্টিটির (পরিমানের) দিকে। আমরা গর্বের সাথে বলি আমাদের অত কোটি গ্রাহক। আসলে তার অর্ধেক সীম আদৌ এক সাথে একটিভ থাকে কিনা বা যে মানের সার্ভিস দেওয়ার কথা তা এরা দিচ্ছে কিনা সেটার ব্যাপারে কঠোর হইনা।

যদি বলি ডিজিটাল বাংলাদেশের নাম করে এই শ্রেনীর ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও প্রকৃত অর্থে ক্ষতিগ্রস্থ এবং হয়রানীর শিকার হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষ, সেটা কি খুব বেশী অযৌক্তিক হবে!

ক্রাইম ডায়রি///স্পেশাল

6901total visits,227visits today