• রবিবার ( রাত ১০:১২ )
    • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং

কললিষ্ট ও মেসেজে মিন্নির অপরাধ প্রমানিতঃ যে কোন সময় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

ক্রাইম ডায়রি অনলাইন ডেস্কঃ

বরগুনা ট্রাজেডির খলনায়িকা  মিন্নির সাথে নয়নবন্ডের গভীর সখ্যতা ও কানেকশন ছিল সেটা আগেই অনুমেয় হলেও বিষয়টি এখন প্রমানসাপেক্ষে এতটাই   বাস্তব যে অনেকেই বিশেষ করে যারা মিন্নিকে সেইভ করার চেষ্টা করছিলেন তারাও মুখে কুলুপ এটে দিয়েছেন।।। চলতি সপ্তাহে অথবা আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন রিফাত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবে পুলিশ। এদিকে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে নয়ন বন্ডের সাথে মিন্নির কথোপকথনসহ ম্যাসেজ আদান-প্রদান তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মূলত প্রযুক্তির কারণেই রিফাত হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হয়েছেন মিন্নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য জানান, নয়ন বন্ডের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বরটি গোপনে ব্যবহার করতেন মিন্নি। নয়ন বন্ডই এই সিমটি মিন্নিকে দিয়েছিলেন। মূলত রিফাত শরীফের সাথে বিয়ের পরও নয়নের সাথে যোগাযোগ রাখাসহ নানা কারণে গোপনীয়তা বজায় রাখতে ওই সিমটি মিন্নি গোপনে ব্যবহার করতেন। এছাড়া আরও কয়েকটি নম্বর দিয়েও নয়নের সাথে কথা বলতেন মিন্নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য বলেন, ‘তদন্তের জন্য মিন্নি ও নয়ন বন্ডের ব্যবহৃত নম্বরের কললিস্ট এবং এসএমএস কনটেন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর এগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা গেছে, রিফাত শরীফ মারা যাওয়ার পর নয়ন বন্ড মিন্নির কাছে একটি এসএমএস পাঠান। বিকেল ৪টার কিছু সময় আগে পাঠানো ওই এসএমএসটিতে লেখা ছিল, ‘আমারে আমার বাপেই জন্ম দেছে।’

প্রকাশ না করার শর্তে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেয়া এক পুলিশ সদস্য বলেন, নয়ন বন্ডের এমন এসএমএস পাঠানোর রহস্য উদঘাটনে রিমান্ডে থাকা অবস্থায় আমরা মিন্নির সঙ্গে কথা বলেছি। তখন মিন্নি এ বিষয়ে আমাদের বলেছেন, রিফাত শরীফকে মারার পরিকল্পনার সময় মিন্নি নয়ন বন্ডকে বলেছিলেন, তুমি যদি রিফাত শরীফকে মারতে পার, তাহলে বুঝবো তোমারে তোমার বাপেই জন্ম দিছে।

মূলত মিন্নির এমন কথার উত্তর দিতেই রিফাতের মৃত্যুর পর নয়ন বন্ড মিন্নিকে ওই এসএমএসটি পাঠান। এ বিষয়টি আদালতে মিন্নি বলবেন বলে পুলিশকে জানালেও আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়ার সময় এই কথা মিন্নি আদালতে বলেননি বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য একজন পরিচয় গোপন রাখার শর্তে    বলেন, হত্যাকাণ্ডের দিন সকাল ৯টা আট মিনিটের সময় এ নম্বর দিয়ে নয়ন বন্ডকে কল দিয়ে ছয় সেকেন্ড কথা বলেন মিন্নি। এরপর আবার সকাল ৯টা ৩৮ মিনিটে নয়ন বন্ডের দেয়া ওই নম্বরটি দিয়েই আবারও নয়ন বন্ডকে কল দেন মিন্নি। এ সময় নয়ন বন্ডের সঙ্গে ৩৫ সেকেন্ড কথা বলেন তিনি। এরপর ৯টা ৫৮ মিনিটের সময় নয়ন বন্ড মিন্নির কাছে থাকা ওই নম্বরটিতে কল দেন। এ সময় মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন হয় ৪০ সেকেন্ড।

এরপর সকাল সোয়া ১০টার দিকে কলেজের সামনেই রিফাত শরীফের ওপর হামলা করে বন্ড বাহিনী। হামলার পর বেলা ১১টা ৩১ মিনিটের সময় নয়ন বন্ড মিন্নিকে একটি এসএমএস পাঠান। এরপর আবার বিকেল ৩টায় মিন্নিকে কল দিয়ে মিন্নির সাথে এক মিনিট ২০ সেকেন্ড কথা বলেন নয়ন বন্ড।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের এক সাক্ষী বলেন, নয়ন বন্ডের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা নম্বরটি একসময় নয়ন বন্ড নিজেও ব্যবহার করতেন। পরে ওই নম্বরটি পরিবর্তন করেন নয়ন বন্ড।

তিনি আরও বলেন, মিন্নি মাদকাসক্ত ছিল। এ কারণেই সে নয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখত। এ সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতো নয়ন বন্ড। রিফাত শরীফের মাধ্যমেই মিন্নির সঙ্গে নয়ন বন্ডের পরিচয় হয়। নয়ন বন্ড ও মিন্নি উভয়ই মাদকসেবী হওয়ায় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা হতে সময় লাগেনি।

এদিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং হাইকোর্টেও মিন্নির জামিন আবেদনের পর শুনানি হয়েছে। কিন্তু কোনো আদালতই জামিন মঞ্জুর করেননি মিন্নির। মিন্নির প্রতিটি জামিন শুনানিতেই বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে উপস্থাপন করেছেন মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও ম্যাসেজ আদান-প্রদান-সংক্রান্ত কললিস্ট এবং হত্যাকাণ্ডের সময় সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ।

এছাড়া এ হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজি, তিন নম্বর আসামি রিশান ফরাজি, ছয় নম্বর আসামি রাব্বি আকন এবং ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া মিন্নি নিজেও রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বরগুনার আদালতে মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তাফা কাদের বলেন, গত ৩০ জুলাই বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিন্নির জামিন শুনানির সময় বাদী এবং রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন এবং ম্যাসেজ আদান-প্রদান-সংক্রান্ত কললিস্ট উপস্থাপন করেছিল এবং আদালত তা আমলেও নিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রেজাউল করিম বলেন, হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চেও বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও ম্যাসেজ আদান-প্রদান সংক্রান্ত কললিস্ট উপস্থাপন করেছিল। শুনানির সময় যেসব গ্রাউন্ডে আসামিপক্ষ মিন্নির জামিন মঞ্জুরের জন্য আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন করে সেসব গ্রাউন্ডের বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রমাণপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, রিফাত হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

তিনি আরও বলেনে, মামলার আলামত হিসেবে নয়ন বন্ডের বাসা থেকে মিন্নির ব্যবহৃত একটি জামা, একটি চিরুনি, খোদাই করে নয়ন ও মিন্নির নাম লেখা একটি শামুক এবং নয়ন বন্ডের রুমের দেয়ালে বাধাই করে টাঙানো মিন্নির একটি ছবি জব্দ করেছে পুলিশ। এছাড়াও অন্যান্য তথ্য উপাত্তসহ আরও অসংখ্য  প্রমাণ রয়েছে যাতে মিন্নির অপরাধ সহজে প্রমানিত হয়।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আদালত/অপরাধজগত

5677total visits,128visits today

জ্বর হলেই সাবধানঃ ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির মধ্যেই মৃত্যু নিরাপত্তা কর্মীর

নড়াইল সংবাদদাতাঃঃ

জ্বর হলেও অনেকে তেড়ামি করেন।সঠিকভাবে ঔষধ খেতে চাননা। আবার অসেচতন থেকে মশা নিধনেও কোন উদ্যোগ নেননা। তাদের জন্য দুঃসংবাদ।৷ সম্প্রতি  রাজধানীতে ‘ডেঙ্গু’ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পথে নড়াইলের এক নিরাপত্তা কর্মী হানিফ পরিবহনের বাসে মারা গেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাসটি ঢাকা থেকে নড়াইল আসে। মারা যাওয়া ইকরাম হোসেন (৪৫) সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

ইকরামের চাচাতো ভাই কবির হোসেন বলেন, ‘ইকরাম ঢাকায় একটি সিকিউরিটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। ডেঙ্গু রোগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি বাড়ি চলে আসছিলেন।’

হানিফ পরিবহনের রূপগঞ্জের ম্যানেজার আকবর মন্ডল জানান, বুধবার রাতে ঢাকার আব্দুল্লাহপুর থেকে তাদের বাসে ওঠেন ইকরাম। পথে নড়াইলের লোহাগড়ায় মধুমতী নদীর কালনা ফেরিঘাটে এসে বাসের যাত্রীরা নিচে নামলেও ইকরাম নামেননি। এ সময় গাড়ির লোকজন বুঝতে পারেন যে তিনি মারা গেছেন। পরে বাস সদর থানায় নেয়া হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সুতরাং, সময় থাকতেই সাধু সাবধান।  বাড়ির ভিতর জমে থাকাা পানি শুকিয়ে ফেলুন। ড্রেন পরিস্কার  করতে সচেষ্ট হোন ।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা///

 

5677total visits,128visits today

বাদী কে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

মোঃ শাহাদত হোসেন ভ্রাম্যমান রির্পোটারঃ

বগুড়া জেলার শেরপুর থানার  ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর আদর্শ গ্রামে রুপালী খাতুন নামের এক মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধারাবাহিক  ধর্ষনের ঘটনায় করা মামলা তুলে নিতে বাদীকে বাধ্য করার অভিযোগ করেছে বাদীপক্ষ। এমতবস্হায়, চরম নিরাপওাহীনতা ও অসহায়ত্ব বোধ করছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।  সোমবার বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন, মামলার বাদী রুপালী খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত তিন বছর আগে তার প্রথম স্বামী সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর তিনি ঢাকায় এসে এক গার্মেন্টসে চাকুরী নেন। সেই সময় একই গ্রামে হবিবর রহমানে ছেলে মাহবুবুর তালুকদার তাকে বিয়ে প্রস্তাব দেয় ও  প্রলোভণ দেখিয়ে   প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। এমনকি বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে চলতি মাসে ১৮ জানুয়ারী রাতে জেলার সোনাতলা উপজেলার হুয়াহুয়া গ্রামে বন্ধুর বাড়ীতে নিয়ে রাতভর ধর্ষন করে  বলে অভিযোগ তার। তাছাড়া একাধিকবার বিভিন্ন স্হানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষন করা হয়। কিন্তুু বিয়ে করতে চাপ দিলে সে  নানান তালবাহানা করতে থাকে।এক পর্যারে আদালতের দ্বারস্হ হন তিনি।

জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে  একটা মামলা দায়ের করেন। যা বর্তমান বিচারধীন রয়েছে। সম্মেলনে ভুক্তভোগী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে মাহবুব ও তার ভাই মাসুদরানা মামলা তুলে নিতে অব্যাহত ভাবে নানান হমকী ধামকি দিচ্ছেন। এই ব্যাপারে বিবাদী মাসুদ রানা মুঠোফোনে  ক্রাইম ডায়রি প্রতিনিধি জানান – তাকে আমরা কেউ হুমকি ধামকি ও প্রাণনাশের হমকি দেইনি। সেই মেয়ে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলেছে, সে আদালতে ভুয়া মামলা করেছে  আমার ভাইকে আমরা এক দিনের মধ্যেই বের করে এনেছি। কিছু দালাল ওই মেয়ের পিছে লেগেছে বলে বিবাদীরা জানান।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///আদালত

5677total visits,128visits today

র‌্যাব-১ এর সাফল্যঃ গাজীপুর হতে বৈদ্যুতিক তার চোর চক্রের ৩ সদস্য আটকঃ বিপুল পরিমাণ তার উদ্ধার

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

গাজীপুরের জয়দেবপুর হতে সরকারী বৈদ্যুতিক তার চোরাকারবারী চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্যকে বিপুল পরিমান বৈদ্যুতিক তারসহ হাতে নাতে গ্রেফতার কারেছে র‌্যাব-১। সুত্রে জানা গেছে ,০৭ জুলাই রবিবার র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকার একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরীর জয়দেবপুর থানাধীন মেম্বারবাড়ি এলাকার মনিরের টিনসেড গুদাম হতে  সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সদস্যদের  চোরাই সরকারী বৈদ্যুতিক তারসহ আটক করে। আটককৃতরা হলেন, ১) মোঃ উজ্জল শেখ (৪৯), পিতা- মৃত জালাল শেখ, সাং- কোলাপাড়া, থানা- শ্রীনগর, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, ২) মোঃ খাইরুল শেখ (৩৫), পিতা- মোঃ জালাল শেখ, সাং- সারুলিয়া, থানা- লোহাগড়া, জেলা- নড়াইল এবং ৩) মোঃ শাহীন আলম (৩৫), পিতা- মৃত ইসমাইল হোসেন, সাং- বানিয়ারচালা, থানা- জয়দেবপুর, জেলা- গাজীপুর।

এসময় চোরাই  ১৪,৭৮৪ কেজি বিভিন্ন প্রকার বৈদ্যুতিক তার, ৩৯৮ কেজি ড্রামের রড, ০২ টি শাবল, ০৩ টি চাপাতি, ০১ টি দা, ১৪ টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৭৯৭৪/- টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত তারের আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০,০০,০০০/- টাকা বলে জানা যায়। জানা গেছে, এরা  একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুরসহ সমগ্র বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন বৈদ্যুতিক লাইন হতে কোটি কোটি টাকার বৈদ্যুতিক তার চুরি করে বিক্রয় করে আসছিল।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা

5677total visits,128visits today

নোয়াখালীর সেনবাগে হাসপাতাল বন্ধ ও জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

সেনবাগ সংবাদদাতাঃ

নোয়াখালীতে কোন অন্যায় ও অবৈধকাজ সংগঠিত হবেনা এমন প্রত্যয়ে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।।    জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে , ৮ জুলাই, ২০১৯ তারিখে গোপন সংবাদের ও ভোক্তাদের অভিযোগের   প্রেক্ষিতে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলা সদরে অবস্থিত ৬ টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা ও একটি হাসপাতালকে নির্দিষ্ট মান অর্জন না করতে পারা পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন  ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মো: রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon।।  এসময়  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় তাকে সহযোগিতা করেন- নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাত, বিএমএ প্রতিনিধি ডা. দ্বীপন চন্দ্র, ড্রাগ সুপার মাসুদৌজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা ও বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন সেন্টারের কার্যালয়ের ম্যানেজার সগির আহমেদ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন উপ-পরিচালক নরেশের  নেতৃত্বে RAB-১১, লক্ষীপুর।

গোপন সংবাদ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে জনস্বার্থে সারাদিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলোতে মেডিকেল প্রাকটিস ‌‌এবং প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরীজ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ বিধি অনুযায়ী তফসিল ক, খ ও গ তে বর্ণিত অবকাঠামো, ৩৬ ধরণের উপকরণ, ডিউটি ডাক্তার, নার্স, জীবন রক্ষাকারী ড্রাগ, ইমার্জেন্সী সেবা, অপারেশন থিয়েটার, অক্সিজেন সিলিন্ডার- এমন হাসপাতাল ক্লিনিক পরিচালনার লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি। এসবের প্রায়গুলো ছিল অপরিস্কার। অপারেশন থিয়েটারগুলোর মূল বেডগুলো পাওয়া যায় জং ধরা ও অর্ধ রং বিহীন, অপারেশন থিয়েটারে যেসব ঔষধ থাকার কথা সেই ধরণের ঔষধগুলো অযাচিতভাবে সংরক্ষণ করা, অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত সিজার ও অপর যন্ত্রপাতিগুলোও ছিল জং ধরা, অপারেশনে ব্যবহৃত কাপড় ও বালিশে লেগে ছিল রক্তের দাগ ও তাজা রক্ত। অভিযানের সময় এসব হাসপাতালের কোন ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সর্বোপরি অধিক মূল্য গ্রহণ করে সেবার নিম্নমান প্রদান করা হচ্ছে। ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী প্যাথলজি ও ফার্মেসীতে আদালত পরিচালনার সময় দেখা যায়- কোন লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেখে ডিগ্রীবিহীন টেকনিশিয়ান দ্বারা ল্যাবগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে এবং একই সাথে এসব ল্যাবে নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ব্যবহৃত হচ্ছে না। ল্যাবগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া গিয়েছে যা দিয়ে প্যাথলজীর টেস্ট কর্যক্রম করা হচ্ছিল এবং এগুলো জব্দ করা হয়েছে। এসময় উপজেলার কোন ফার্মেসীতেই ফার্মাসিস্ট পাওয়া যায়নি। ফার্মেসীগুলোতেও বিপুল পরিমান মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া ‍গিয়েছে। এক্স-রে পরীক্ষার অনুমোদনের জন্য পাসহাতালগুলোতে পাওয়া যায়নি আনবিক শক্তি কমিশনের অনুমোদন। ক্লিনিক্যাল বর্জ্র ব্যবস্থাপনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও এসব প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। কোন হাসপাতাল-ক্লিনিক-প্যাথলজিকে বর্জ্র ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৯ধারা অনুযায়ী সেবার মূল্য তালিকা সংরক্ষণের বিষয়ে দেখা যায় প্রায় প্রতিষ্ঠানে যেসব সেবা দেওয়া হচ্ছে তার সকল সেবার নাম ও সেবার মূল্য দেওয়া নেই এবং এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানে সেবার মূল্য তালিকাও দেখা যায়নি।

এসব অপরাধের জন্য দি নিই সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৮০হাজার, এম এ লতিফ ডায়াবেটিকস হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৫হাজার, মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৬৫হাজার, লাইফ স্কয়ার হসপিটালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুয়ায়ী ৬৫হাজার, নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ অনুযায়ী ৩০হাজার, সেন্ট্রাল হাসপাতালকে ড্রাগ আইন ১৯৪০ ও মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী ৬৫হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয় এবং ৬টি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট জরিমানা ৩লক্ষ ১০হাজার টাকা। একই সাথে নিউ সেনবাগ প্রাইভেট হাসপাতালকে মেডিক্যাল প্যাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মানে উত্তরণের পূর্ব পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও বেগমগঞ্জ উপজেলার শ্রীকৃষ্ঞ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে অপরিস্কার ও অপরিচ্ছন্নতার এবং মেয়াদ বিহীন পণ্য বিক্রয়ের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৬০হাজার টাকা জরিমানা দন্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।

সারাদিনব্যাপী (সকাল ১১ট থেকে বিকাল ৪.৩০পর্যন্ত) সেনবাগ ও বেগমগঞ্জ উপজেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতে হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট জরিমানা ৩লক্ষ ৭০হাজার টাকা।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত

5677total visits,128visits today

গণমাধ্যমজুড়ে অস্থিরতা চরমে

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধানঃ

পেশাজীবী সাংবাদিকদের জন্য বর্তমানে খুবই দুঃসময় চলছে। পেশিশক্তিসহ নানা কারণে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পরিবেশ নেই বললেই চলে। পেশাদার সাংবাদিকদের বড় একটা অংশ চরম আর্থিক সংকটে। একশেণীর লুটেরা ও অপেশাদারদের হাতে গণমাধ্যম চলে যাওয়ায় মর্যাদার এ পেশায় নিয়োজিত অনেকেই হতাশ।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে গেলে দুটি চিত্র স্পষ্ট। হাতেগোনা কজন সাংবাদিককে দামি গাড়ি হাঁকিয়ে বাহারি সাজে রাজকীয় মোডে দেখা মিলে। আর বড় একটা অংশ নিদারুণ কষ্টের মধ্য দিয়ে যে যাচ্ছে, সেটা তাদের চেহারায় ফুটে ওঠে। অভুক্ত থাকার কথা, বলে প্রায়ই অনেকে চোখের পানি ফেলছেন সহযোগিতা পাওয়া যায়- এমন সুহৃদদের সামনে। দীর্ঘ বেকারত্ব মূলত এদের কাবু করে ফেলছে।

গণমাধ্যমের আধিক্য আছে বটে। তবে হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকিরা সাংবাদিকদের সঙ্গে চরম রসিকতা করছে। বিধি মোতাবেক নিয়োগপত্র দেওয়া তো দূরের কথা, মাস শেষে বেতনটাও ঠিকমতো পরিশোধ করে না। কী ইলেকট্রনিক মিডিয়া, কী প্রিন্ট মিডিয়া, কী অনলাইন পোর্টাল; সর্বত্রই একই অবস্থা বিরাজ করছে। একশ্রেণীর নীতিহীন মালিক এমনটা করছে।

এমনও কিছু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান আছে নাকি, যাদের কাজ হলো; পরিচয়পত্র বিক্রি, কর্মরতদের বেতন দেওয়া নয়; উল্টো তাদের মাধ্যমে নানাভাবে কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া! কদিন আগে তো গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে যে, বমাল গ্রেফতার হওয়া ডাকাতদের কাছে গণমাধ্যমের পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে! তারা নাকি ৬ মাস পরপর টাকার বিনিময়ে নতুন নতুন পরিচয়পত্র সংগ্রহ করত!

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধির আড়ালে এগুলোর অর্জন ও মর্যাদা কীভাবে ভূলুন্ঠিত হচ্ছে, তা বলে আর নিজেদের লজ্জার পরিধি বাড়াতে চাই না। অপরিণামদর্শীদের হাতে গণমাধ্যমে চলে যাওয়ার কুফলের কিঞ্চিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। আগে যারা গণমাধ্যমের মালিক ছিলেন, তারা ছিলেন সমাজের এলিট শ্রেণী। মান-মর্যাদা যাদের ছিল। ফলে তারা সাংবাদিকদেরও মর্যাদা দিতেন। এতে উভয়ই ভালো ছিলেন।

গণমাধ্যম যখন থেকে আলু-পোটল ব্যবসায়ী, সংবাদপত্রের একসময়ের দারোয়ান-পিয়ন, কেরানী, কম্পিউটার অপারেটর, ম্যানেজার, প্রেসের মালিক, ভূমিদস্যু আর লুটেরা শ্রেণীর কবলে চলে গেছে, মূলত তখন থেকেই এর মর্যাদাহানি ঘটে চলেছে। যার নির্মম বলি হচ্ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান যত জ্যামিতিক হারে বেড়েছে, সাংবাদিকরা ততই নিষ্পেষিত হচ্ছেন।

না, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নাগপাশ নয়; বরং আবর্জনাসম এসব গণমাধ্যমে কথিত কর্মরতদের পরমায়েশী সংবাদ পরিবেশন করা হয়। একই ধরনের সংবাদ অনলাইন থেকে নিয়ে করা হয় পরিবেশন।একজন অপারেটর কয়েকটি দৈনিকের মালমসলা একই কম্পিটার থেকে আঞ্জাম দেন। লিজ নিয়ে তারা এসব করেন। রাজধানীর ফকিরাপুল এ জন্য খ্যাত।

পেশাদার সাংবাদিকদের এমন দুর্দদশা থেকে কবে মুক্তি মিলবে, ভেবে কূল পাচ্ছে না অভিজ্ঞ মহল। এমনটা হলে পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা টিকে থাকবে বটে, তবে পেশারদার ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অপমৃত্যু ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। নবম ওয়েজ বোর্ড আসছে, এতে অনেকে খুশিতে বাকবাকুম করলেও ছাঁটাই আতঙ্কে এখনই অস্থির পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীদের বড় একটা অংশ। এতে এ খাতে অস্থিরতা বাড়ছে।

ক্রাইম ডায়রি  / সৌজন্যে (প্রতিবেদক : বিশেষ প্রতিনিধি- পিএনএস)/স্পেশাল

5677total visits,128visits today

চোরের মায়ের বড় গলাঃশেরপুর হাসপাতালের ষ্টোর কিপার পলাতক!

বিশেষ প্রতিবেদনঃ

বেশ কিছুদিন হলোই বগুড়া জেলার শেরপুর থানার স্বাস্থ্যসেবা, ঔষধ ব্যবসা ও ভূয়া ডাক্তার নিয়ে আলোচনা চোখে পড়ার মত।  ইতোপূর্বে শহরের হাসপাতাল রোডের একটি ঔষধের দোকান হতে মূমুর্ষ রোগীর জন্য ঔষধ আনতে গেলে মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধ ধরিয়ে দেয়া হয়। ক্রাইম ডায়রির অনলাইন দৈনিকে এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশিতও হয়েছিল।

শেরপুরের বহুল পরিচিত ও প্রচারিত পত্রিকা আজকের শেরপুর এ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের   নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে নিউজ প্রকাশিত হয়।        অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর প্রকাশ করায় বড় বড় কথা বলেছেন হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তা। কিন্তু সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নিজেরা কতটা দুর্নীতির অন্ধকারে নিমজ্জিত তা কখনও ভেবে দেখেননি। এবার সত্যি সত্যিই বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল। বগুড়ায় কোটি টাকার সরকারি ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশী তদন্তে বেরিয়ে এসেছে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ষ্টোর কিপার বিরাজ উদ্দিন মন্ডলের নাম। তিনি বগুড়া থেকে শেরপুর হাসপাতালে ওষুধ পৌছানোর পুর্বেই তা কালোবাজারে বিক্রি করে দিতেন। বগুড়া সদর থানার পুলিশ সাধারণ মানুষকে বিনামুল্যে দেবার জন্য সরকারের দেয়া ওষুধ কালোবাজারে বিক্রির সাথে তার সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়েছে। আর বিরাজ উদ্দিন মন্ডল গত ২২ জুন থেকে চার দিনের ছুটি নিয়ে আর কাজে যোগদান করেননি। তিনি এখন পলাতক রয়েছেন।

জনমনে প্রশ্ন হাসপাতালের ষ্টোর কিপার কি একাই সরকারি ওষুধ কালোবাজারে বিক্রি করতে পারেন? এর সাথে কি রাঘববোয়াল আর কেউ জড়িত নেই?যে হাসপাতালের ষ্টোর কিপার কোটি টাকার সরকারী ঔষধ চুরির সাথে জড়িত সেই হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদের এর বড় বড় নীতিবাক্য চোরের মায়ের বড় গলা নয় কি? জনগনের সাথে এমন প্রতারণার দায় কার?

ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম//স্বাস্থ্য//জেলা/সাইফুল বারী

5677total visits,128visits today

লাইসেন্স ছাড়া প্যাকেটজাত দুধ কোম্পানির তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

হাইকোর্টের জনবান্ধব কার্যক্রমের কারনে দারুণ সন্তুষ্ট বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ।    খাদ্যের ভেজাল নিয়ে জন অসন্তুষ্টি  দীর্ঘদিনের।  হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের  কারনে প্রতারকরা এখন সাবধান হয়েছে। প্রতারণাও কমেছে  যথেষ্ট।  সম্প্রতি, তরল প্যাকেটজাত দুধ নিয়েও চলছে প্রতারণা। তাই, মাননীয় হাইকোর্ট লাইসেন্স ছাড়াই ঠিক কতটি কোম্পানি ঢাকা মহানগরীতে দুগ্ধজাত পণ্য বাজারজাত করেছে, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে (বিএসটিআই) এর কাছে তার তালিকা চেয়েছেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই তালিকা দাখিল করতে বলা হয়েছে।রোববার (২৩ জুন ) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

বিএসটিআই বলছে, মাত্র ১৮টি প্রতিষ্ঠান পাস্তুরিত দুধ বিক্রিতে তাদের লাইসেন্স নিয়েছে।এছাড়া দুধের সীসা নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন তৈরিকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) প্রধান ডা. শাহনীলা ফেরদৌসীকে প্রতিবেদন নিয়ে কোনো প্রকার ডিস্টার্ব (বিরক্ত) না করতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আদালতের নির্দেশ মতে, ৩০৫টি নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করে দুটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য নিম্নমানের বলে প্রতিবেদন দিয়েছে বিএসটিআই। আর নমুনা সংগ্রহ করে ৫ জায়গায় পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে জানিয়ে প্রতিবেদন দিতে একমাস সময় চেয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য ১৫ জুলাই দিন রেখেছেন। আদালতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম। বিএসটিআই’র পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান মামুন; আর অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব ছিলেন দুদকের পক্ষে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিনউদ্দিন মানিক।

হাইকোর্ট গত ১৫ মে এক আদেশে ডা. শাহনীলা ফেরদৌসীকে তার প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এই নির্দেশে ২১মে সকাল সাড়ে ১০টায় আদালতে হাজির হয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন অধ্যাপক ড. শাহনীলা ফেরদৌসী।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘গাভির দুধ ও দইয়ে অ্যান্টিবায়োটিক, কীটনাশক, সিসা!’ শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গাভির দুধে (প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়া) সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক ও নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের উপাদান পাওয়া গেছে। পাওয়া গেছে বিভিন্ন অণুজীবও।

একই সঙ্গে প্যাকেটজাত গাভির দুধেও অ্যান্টিবায়োটিক ও সীসা পাওয়া গেছে মাত্রাতিরিক্ত। বাদ পড়েনি দইও। দুগ্ধজাত এ পণ্যেও মিলেছে সীসা।

সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) গবেষণায় এসব ফলাফল উঠে এসেছে। সংস্থাটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আর্থিক সহায়তায় গাভির খাবার, দুধ, দই ও প্যাকেটজাত দুধ নিয়ে এ জরিপের কাজ করেছে।

ওই প্রতিবেদন নজরে আসার পর ১১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ আদেশ দেন। আদেশে গাভির দুধ (প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়া) ও বাজারের প্যাকেটজাত দুধ, দই এবং গো-খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করে তাতে কি পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া, কীটনাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, সীসা, রাসায়নিক মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর তা নিরূপণে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

কমিটিকে প্রতি ৬ মাস পরপর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। নিজেদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য মানুষ যাতে সঠিক তথ্য সম্পর্কে জানতে পারে সেজন্য কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুধ, দই ও গো-খাদ্যে ভেজাল মেশানোর ঘটনা তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে দুধ, দই এবং গো-খাদ্যে ভেজাল মেশানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে একটি কমিটি গঠন করতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ কমিটিকে তিনমাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত

 

5677total visits,128visits today

Best Animation Movies to Wait for This Year. We Gathered Movie Trailers and Previews

Proin eu purus eget purus venenatis placerat volutpat vitae nulla. Duis vel tempus orci. Proin commodo aliquet diam, at tempor justo. Suspendisse sit amet aliquam nisi. Vestibulum a elit ipsum. Morbi interdum metus eget diam suscipit, nec commodo sapien scelerisque. Integer urna leo, auctor ac enim at, ornare mattis nunc. Morbi finibus risus ut libero tincidunt faucibus.

Somewhere, something incredible is waiting to be known

Nullam eget nibh nibh. Phasellus eleifend magna vitae neque maximus, consectetur luctus nibh vestibulum. Quisque ornare ipsum nec auctor congue. Nunc ac elementum nisl. Aliquam non lectus non leo facilisis faucibus nec non ligula. Vivamus suscipit turpis risus, a hendrerit nibh sodales id. Cras tincidunt, leo et vulputate ornare, nisi sapien blandit justo, in congue justo nulla non ex mauris ultrices gravida.

Photo by Nadine A. Gardner

Fusce gravida turpis eu scelerisque placerat. Sed ac metus massa. Praesent nec felis varius, tristique risus quis, sollicitudin nisl. Mauris sem nunc, placerat eget sapien at, consectetur tempus massa.

Dare to dream big

Ut vehicula nisi consectetur augue condimentum, eget auctor massa viverra. Aenean scelerisque tellus at molestie dictum. Fusce lobortis eu lorem id maximus. Duis feugiat ex ligula, id egestas velit finibus nec.

Phasellus et felis suscipit, consectetur leo vel, pellentesque orci. Aenean aliquam ultricies ultrices. Phasellus ac sodales nulla, a dignissim diam. Praesent efficitur euismod tincidunt. Curabitur vitae turpis in justo.

Donec pretium dapibus justo at fermentum. In nisi lorem, iaculis quis leo imperdiet, convallis mattis nunc. Nulla lobortis dui in ligula tempor volutpat. Praesent varius consectetur arcu ut aliquet. In pretium elit et tortor ultrices congue.

I can’t change the direction of the wind, but I can adjust my sails to always reach my destination.

Sed vitae elit nec nunc ultricies mattis. Nulla efficitur velit est, non varius quam gravida ac. Praesent ultrices est nec ligula pulvinar scelerisque. Mauris ex dolor, tincidunt ut ante sit amet, posuere porttitor dui. Vestibulum iaculis dui nec laoreet bibendum.

Running towards the sunrise.Photo by Nadine A. Gardner

Nulla ac hendrerit nulla. Vivamus facilisis, orci a rutrum faucibus, erat ipsum vehicula ipsum, faucibus finibus lectus ante nec orci. Fusce pharetra lobortis felis nec eleifend. Curabitur et nibh sem. Praesent consectetur tincidunt libero vel lacinia.

Perfect opportunity

Suspendisse magna urna, faucibus euismod bibendum et, efficitur at ante. Integer consequat, quam in pulvinar ullamcorper, leo quam consequat turpis, non laoreet augue lacus vel nisl. Donec scelerisque eget mauris sed malesuada. Ut et nibh mollis, pulvinar arcu vel, elementum nunc. Nam dapibus mollis metus, at vulputate quam pellentesque id. Phasellus viverra sem pharetra purus pretium sagittis.

[easy-fans show_total=”0″ hide_title=”1″ columns=”3″ template=”metro” effects=”essbfc-no-effect”]

Whoa, you love reading! Take a moment to join us on social media.
To find a peace of mind listen to your heart.

Quisque venenatis dignissim fermentum. Praesent convallis felis a tellus consectetur, ac mattis elit sodales. Fusce non diam lorem.

Once in a lifetime

Etiam elementum elit nunc, nec interdum lectus maximus id. Proin pulvinar urna in luctus ornare. Pellentesque sagittis lacus quis bibendum pretium. Nunc sagittis eros at dolor finibus, a accumsan ante hendrerit.

Sed massa nulla, ultrices ac nisl eget, pretium tincidunt ante. Donec ultrices aliquam convallis. Cras luctus lectus nec diam interdum ultricies eu quis nunc. Pellentesque quis lacinia ex, id posuere quam.

Aenean eu facilisis tortor. Suspendisse potenti. Proin suscipit felis risus, nec tristique justo gravida quis. Aliquam erat volutpat. Fusce id sodales metus, a pulvinar nibh. Curabitur eu mi felis.

In vestibulum, odio et vestibulum pharetra, ex est viverra elit, ac imperdiet ipsum est porta arcu. Suspendisse augue turpis, rutrum sit amet sapien eget, semper ultricies elit. Donec interdum nibh condimentum ante blandit tempor. Vivamus fringilla placerat lectus in efficitur. Vivamus viverra, augue a placerat commodo, nisi ligula congue turpis, imperdiet tempor magna mauris eget metus. In euismod ac libero eu lacinia.

Mauris lobortis, quam ut hendrerit pellentesque, velit urna gravida justo, eget euismod dui est eget arcu. Curabitur congue, lectus tincidunt ornare pharetra, elit metus faucibus massa, rutrum volutpat orci nunc eget ante. Donec eu sem vel mauris ultrices gravida.

5677total visits,128visits today