• শনিবার (সকাল ৬:০৫)
    • ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

একজন ব্যাতিক্রমী দূর্জয়ের সফলতার গল্প

মাহাবুব রহমান দূর্জয়, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

আধুনিক যুগে অনলাইন ব্যবসায় সফলতার গল্প এখন শুধু গল্প নয় বাস্তব। নিরলস পরিশ্রম ও  ত্যাগ করার মানসিকতাই পারে এমন সফলতা এনে দিতে।  যুগে যুগে তরুণরা বহু কঠিন সময়কে জয় করে সাফল্য ছিনিয়ে এনেছে। লজ্জা এবং ভয়কে যারা জয় করতে জানে তাদেরই একজন দূর্জয়।

“অনলাইনে একজন তরুণ উদ্যোক্তা দূর্জয়ের সফল হওয়ার গল্প তার নিজ মুখ হতেই  শোনাব। আমরা চাই এমন দূর্জয় আরও বেড়িয়ে পড়ুক তাদের নিয়তি উন্নয়নের দূর্গম যাত্রায়।”

“””আমি যখন শুরু করি তখন কান্টি লক-ডাউন!ব্যবসাটা আমি ঠিক তখন আরম্ভ করি যখন সবার ব্যবসা বানিজ্য বন্ধ। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত পুরো পৃথিবী। কর্মহীন পৃথিবীর সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ তখন সরকারি ঘোষনায় সম্পূর্ণ লক-ডাউন। নিম্ন আয়ের নিত্যদিনকার আয় করা মানুষের দুঃখ কষ্ট চরমে। যেদিকেই যাই সে দিকেই মৃত্যু আর অসুস্থ্য রোগীর তালিকা বিশাল দেখি।

এমতাবস্থায় বেকার কিছু মানুষের কর্মসংস্থান করার চিন্তা আসে মাথায়। তখন প্রচন্ড গরমকাল শুরু। মৌসুমি ফলগুলো বাজারে আসা শুরু করেছে সবে। দেখলাম তরমুজ খুব চলছে! আমার আপন বড় ভাইসহ আরও তিনজনের সমন্বয়ে তরমুজ ব্যবসা শুরু করলাম। ভালোই চাহিদা দেখে আগ্রহ বেড়ে গেলো। বাজারের শুরুতেই বাঙ্গী আনা শুরু করলাম। ভালোই লাভ হলো।

এরপর রমজান শুরু হলো; তরমুজ, বাঙ্গী, আপেল, আম, খেজুর, লেবু, নারকেল প্রচুর পরিমাণে বিক্রি করে প্রত্যাশা বেড়ে গেলো। আম পুরোদমে যখন শুরু করলাম তখন সবাই অবাক! এত বিক্রি কিভাবে?

আমের পর লিচু, কাঁঠাল, আনারস আনলাম। সবগুলা ফল বিক্রি করেছি অনলাইনে। অফলাইনে তেমন বিক্রি করি নাই। দোকান ছিলো না, গোডাউন ছিলো বিশাল। দৈনিক তিন টন পর্যন্ত আমের অর্ডার সম্পন্ন করেছি। ক্রেতার সাথে কথা এবং কাজের শতভাগ মিল রেখেই বেঁচাবিক্রি অব্যাহত রেখেছি।

যেহেতু কাঁচামালের ব্যবসা সেক্ষেত্রে কিছু কিছু পণ্য পঁচে গেছে, পঁচা পেয়েছি। কিন্তু হতাশ হই নি। সাহস রেখেছি। অনলাইনে বিক্রির জন্য আরও কয়েকজন বানিয়ে নিয়েছি নিজের মত। দিনশেষে সন্তুষ্টি এবং মুখের কোনে এক চিলতে হাসিই প্রমাণ করে ব্যবসা ভালোই করছি।

বলছি; নতুন হিসেবে এই পরিমাণে ব্যবসা হবে কল্পনাও করতে পারি না। একটা সময় খুঁচরার চেয়ে পাইকারি বিক্রি বেড়ে গেলো। মোট বিক্রি পরিমান অকল্পনীয়। চালান আসলেই ফুরিয়ে যাচ্ছে। মনে স্বপ্নরা আশা বাধলো। দেশের বাইরে একবন্ধুর মারফতে কথা হলো। আম ও কাঁঠাল পাঠানোর জন্য অনুরোধ করলো। আমি নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।

অনেকে আমাকে দেখে আমার সাথে কথা বলে ব্যবসা শুরু করলো। আমি তাদেরকে সুযোগ দিলাম। অন্যদিকে আম ও কাঁঠাল রপ্তানির জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। কাঁঠাল আগে পাঠালাম, এরপর আমও পাঠালাম।

মূলকথা; যেখানে সবাই ভয়ে লক-ডাউন হয়ে ঘরে ছিলো ঠিক তখনই আমি কর্মসংস্থান করার জন্য বেড়িয়ে পরলাম ঘর থেকে। মানুষকে ঘরে রেখেই তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্পন্ন পণ্য পাঠালাম। সর্বমোট হিসেব করে দেখলাম যে ৭০ টনেরও অধিক আম বিক্রি করতে পেরেছি। ভ্রু কপালে উঠলো তাই না? উঠাই স্বাভাবিক, কারণ আমি সম্পূর্ণ নতুন, এটা অসম্ভব। কিন্তু বাস্তবতা এটাই যে আমি সত্যটাই তুলে ধরেছি।

কাজ যাই হোক, করতে হবে! সাহস নিয়ে আগাতে হবে। চুরি ডাকাতি করার জন্য সাহস থাকলে সৎ ভাবে কাজ করতে সাহস থাকবে না কেন? খারাপ কর্মে সম্মান নষ্ট হয়, সৎ ও পবিত্র কর্মে সম্মান বাড়ে! আপনি ভাবেন যে যাই করছেন অন্তত চুরি বা ভিক্ষা তো করছেন না। কর্ম করার জন্য এর চেয়ে বেশী অনুপ্রেরণার দরকার পরে না। নিজেকে নিয়ে ভাবুন, পরিবার নিয়ে ভাবুন।

আপনার আজকের সামন্য ভাবনা নিঃসন্দেহে বিশাল ভাবনায় পরিণত হতে বাধ্য যদি আপনার থাকে অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রম করার মত মানসিকতা। জড়তা ছেড়ে দিয়ে নেমে পড়ুন, আজকেই নামুন। কালকে আপনিই হতে পারেন শিরোনাম। অনেকের অনুপ্রেরণা।

ভালো থাকুন, সাথে থাকুন! ভালো রাখুন, সাথে আছি!”””

ক্রাইম ডায়রি/// স্পেশাল

Total Page Visits: 66013

অমানুষদের প্রতি কভিড-১৯ এর পক্ষ হতে করোনা শুভেচ্ছা

অনলাইন ডেস্কঃঃ

অমানুষদের বলার আসলে কিছুই নেই। তার বৈশ্বিক দূর্যোগে অমানুষদেরকে কভিড-১৯ ভাইরাসের পক্ষ হতে করোনা শুভেচ্ছা।  করোনায় ওরা বা ওদের পরিবারের কেউ আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে “তোরা মানুষ হ”   বললেও লাভ হয়না।। সম্প্রতি,      করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যায় পাটগ্রামউপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তার।

গ্রামে লাশ দাফন করতে দেয়নি ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ নেওয়াজ নিশাত।

কোয়ারেন্টাইনে নিরূপায় বাবা গোলাম মোস্তফা চুক্তি করেন এম্বুলেন্স চালকের সাথে। দাফনের জন্য ৫ হাজার টাকাও পরিশোধ করেন। ঐ অ্যাম্বুলেন্সের চালক দাফন না করেই লাশ ফেলে দেয় তিস্তায়। দুই দিন পর সেই মৃতদেহ তিস্তার পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। আদিতমারী থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় শনাক্ত হবার পর সেই হতভাগ্য পিতার কাছে পুনরায় লাশ দাফনের দায়িত্ব এসে কাঁধে চাপে। কিন্তু ঘটনা জানতে পেরে এবার পুলিশই দায়িত্ব তুলে নেয় লাশ দাফনের।

অমানুষগুলো মানুষে রূপান্তরিত না হওয়া পর্যন্ত করোনা মনে হয় যাবেনা বলে মানবিক মানুষের ধারনা।।।

ক্রাইম ডায়রি///জেলা //সুত্রঃঃঅনলাইন

Total Page Visits: 66013

নকলবাজরা সাবধানঃডিবির অভিযানে নকল স্যাভলন ও স্যানিটারী সামগ্রী উদ্ধার

চাঁদপুর জেলা ব্যুরো অফিসঃ

করোনা ভাইরাস নিয়ে যখন মানুষ শংকিত,জীবন বাঁচানোর আকুতি নিয়ে যখন মানুষ দিশেহারা তখন জীবন রক্ষাকারী সামগ্রীর নকল বের করে মানুষ মারার নেশায় মত্ত একদল নরপশু। সম্প্রতি,  হঠাৎ করেই বাজার থেকে উধাও জীবানুনাশক স্যাভলন,স্যানিটাইজার ও হেক্সিসল। কোথায়ও খুজে যখন এগুলোর দেখা মিলছিল না ঠিক তখনই প্রতারকচক্র নড়েচড়ে বসে। নকল পণ্য বিভিন্ন বাসাবাড়িতে প্রোডাকশন করে অতি লোভের আশায় সিন্ডিকেট করে বাজারে বিক্রি শুরু করে। আর অরিজিনাল পন্যগুলো স্টক করে পাঁচগুন বেশিদামে বিক্রি শুরু করে বিএমএ ভবন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা এবং কিছু  ঔষধ কোম্পানির অসাধু কর্মকর্তারা। সেই সুযোগ কাজে লাগানো শুরু করে নকলবাজরা।  জীবাণুনাশক পণ্য স্যাভলন সহজলভ্য এবং উৎপাদন সহজ হলেও কৃত্রিম সংকটের কারনে নকলকারীরা  মহামারীর মধ্যেই ‘স্যাভলন’ ব্র্যান্ডের মত করে বিভিন্ন মানহীন, নকল পণ্য বাজারজাত করার চেষ্টা করছে। এর মধ্যে রয়েছে স্যাভ্লো, স্যাভ্লি, কোভ্লন, স্যাল্ভন ইত্যাদি বিভিন্ন নকল ব্র্যান্ড।

এই অসাধু ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করছে অনেক ফার্মেসির দোকানদার, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও মুদি দোকানের ব্যবসায়ীরা। এই ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা নকল ও মানহীন পণ্য নিজেদের দোকানে রাখছেন এবং ক্রেতাদের কাছে বিক্রির মাধ্যমে সরাসরি তাদেরকে প্রতারিত করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্য ফেসবুকের বিভিন্ন পেজের মাধ্যমেও বিক্রি হচ্ছে নকল এসব পণ্য।

এসব অসাধু ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতার বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্প্রতি চাঁদপুর জেলার ডিবি পুলিশ একটি বাসার সন্ধান পায় যেখানে নকল ‘স্যাভলন’ ব্র্যান্ডের পণ্য মজুত করে রাখা হয়েছিল। এ সময় কলিম নামের একজনকে আটক করা হয়।

অভিযানে এক লিটার এর  কন্টেইনার ভেজাল ও নকল স্যাভলন, ৫০০ পিস হ্যান্ডওয়াশ ও স্যানিটাইজার জব্দ করা হয়। এই ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনা শুধু চাঁদপুরের নয় রাজধানীর পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন বাসা বাড়িতে এমন পন্য উৎপাদন করে আশে পাশেই বাজারজাত করছে অসাধু নকলবাজরা। তাই, এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আইনশৃঙ্খলা

Total Page Visits: 66013

২৯ এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে একটি শক্তিশালী গ্রহাণু-নাসা

অনলাইন ডেস্কঃ

কিতাবুল ফিতান তথা কিয়ামতের পূর্বকার আলামত সম্পর্কিত ফিতনার হাদীস সমুহের বর্ণনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে বর্তমান সময়কার পরিস্থিতি। আর নাসার বক্তব্যের কারনে এখন আর তা অস্বীকার করতে পারছেন না আলেমরা। এটা অবশ্য সবার জন্য সত্য হলেও মুসলিম ও ইহুদিদের ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়। অন্যান্য জাতীর লোকেরা এ বিষয়গুলোকে অন্য ভাবে ব্যাখ্যা দেয়। নাসার দেয়া বক্তব্যের এই নিউজ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছে ,যা পাঠকের জন্য সরাসরি তুলে ধরা হলোঃ

“সারা পৃথিবীতে মানুষ আজ করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আতঙ্কিত। কোনও ধরণের অস্ত্র নয়; কিংবা কোনও ধরণের পারমাণবিক বোমা নয়; ক্ষুদ্র সামান্য কয়েক ন্যানো মিটারের একটি অণুজীবের কাছে সারা পৃথিবীর মানুষ আজ অসহায়।

এমন একটি ক্রান্তিকালীন মুহূর্তে মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসার পক্ষ থেকে দেওয়া হলো একটি দুঃসংবাদ। আসন্ন ২৯ এপ্রিল পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে একটি শক্তিশালী গ্রহাণুর। নাসার পক্ষ থেকে এ গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে Asteroid 52768 বা 1998OR2.

যদিও এ গ্রহাণুটি সরাসরি পৃথিবীর ওপর কোনও ধরণের আঘাত হানবে না এবং পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এ গ্রহাণুর দূরত্ব হবে আনুমানিক চার লক্ষ মাইলের মতো। যা পৃথিবীর থেকে চাঁদের দূরত্বের ১৬ গুণেরও বেশি। যদিও পৃথিবীর কক্ষপথের থেকে ৩.৯ লক্ষ মাইলের অভ্যন্তরে এ গ্রহাণুটি আসবে না কিন্তু এ গ্রহাণুটির বিশাল আকৃতির জন্য কিছুটা হলেও শঙ্কা থেকে যায়।

আনুমানিক ১.১ থেকে ২.৫ মাইল ব্যাস বিশিষ্ট এ গ্রহাণুটি ঘণ্টায় বিশ হাজার মাইল বেগে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যাবে, যার প্রভাবে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে একটি পরিবর্তন আসতে পারে বলে কোনও কোনও বিজ্ঞানী মনে করছেন।

একই সঙ্গে এ গ্রহাণুর প্রভাবে পৃথিবীর অনেক জায়গা সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হতে পারে এবং একই সঙ্গে সৃষ্ট অ্যাসিড বৃষ্টির প্রভাবে পৃথিবীর এ সকল অঞ্চলে চাষাবাদের ক্ষেত্রেও একটি বিশাল বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে অনেক বিজ্ঞানী মনে করছেন।

যদিও নাসার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সরাসরি এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কোনও কিছু বলা হয়নি। বিভিন্ন কারণে একটি গ্রহাণু তার গতিপথের পরিবর্তন করতে পারে। যেমন: চলার পথে কোনও একটি নির্দিষ্ট গ্রহের কিংবা বৃহৎ উল্কাপিণ্ডের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্ৰভাবে একটি গ্রহাণু তার গতিপথ পরিবর্তিত করতে পারে।

আবার ইয়ারকোভজি ইফেক্টের কথাও আমরা অনেকে শুনেছি। অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থের প্রভাবে একটি গ্রহাণুর তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটতে পারে। এর ফলে গ্রহাণুটি ঘুরে যেতে পারে, এমনকি কক্ষপথেরও পরিবর্তন করতে পারে। অর্থাৎ ইয়ারকোভজি ইফেক্ট। হয়তোবা সাময়িকভাবে মনে হচ্ছে যে ৪০,০০০ মাইল বিশাল একটি দূরত্ব কিন্তু যে কোনও সময়ের গতিপথের পরিবর্তন কিংবা তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বিশেষ করে পৃথিবীর পৃষ্ঠের ওপর একটি প্রভাব ফেলতে পারে।

আজকের থেকে আনুমানিক ৬৬ লক্ষ বছর পূর্বে পৃথিবীর পৃষ্ঠে এ রকম একটি শক্তিশালী গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবী থেকে ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটেছিল। আসলে শুধু ডাইনোসরই নয়, ধারণা করা হয় এ গ্রহাণুর প্রভাবে সে সময় পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাস করা প্রাণীকুলের শতকরা ৭০ ভাগ প্রজাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।

“ডাইনোসর কিলার অ্যাস্টোরয়েড” খ্যাত এ গ্রহাণুর আঘাতে মেক্সিকোর ইয়োকাটোন দ্বীপের কাছে একটি বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে যার ব্যাস স্থানভেদে ৬.৮ মাইল থেকে ৫০.৩ মাইল এবং ধারণা করা হয় এ গ্রহাণুর আঘাতের প্রভাবে পৃথিবীর সামগ্রিক জলবায়ুর এক বিশাল পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল।

যদিও Asteroid 52768 সরাসরি পৃথিবীর বুকে আঘাত হানছে না এবং পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এর নিকটতম দূরত্ব হবে প্রায় চার লক্ষ মাইলের মতো। তবুও এর বিশাল আকৃতির জন্য এবং একই সঙ্গে এর উচ্চ গতিবেগ ও বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতির কারণে কারণে কিছুটা হলেও শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে আমাদের সকলের জন্য।

রাকিব হাসান, শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় বর্ষ, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন ফিজিক্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ইউনিভার্সিটি অব নোভা গোরিছা, স্লোভেনিয়া।”

ক্রাইম ডায়রি//সুত্র//যুগান্তর অনলাইন ও নাসার ওয়েবসাইট//আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 66013

সাংবাদিকদের বেতন ভাতা দিতে টেলিভিশন মালিকদের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর আহবান

কালিমুল্লাহ দেওয়ান রাজা,পল্টন প্রতিনিধিঃ

প্রশাসনের মত করোনা যুদ্ধে ময়দানে আছেন সাংবাদিকবৃন্দ। কিন্ত, সুরক্ষা সেবায় তারা আছেন অনেক পিছিয়ে। ইতোমধ্যে তিনজন সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হবার খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মাননীয় তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করা ও বকেয়াসহ বেতন-ভাতাদি পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন ।।  তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ১১ এপ্রিল,২০২০ ইং শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ আহ্বান জানান তিনি। ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজওয়ানুল হক রাজার নেতৃত্বে সেন্টার সচিব শাকিল আহমেদ এবং সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, নজরুল কবীর ও শাহনাজ শারমিন বৈঠকে অংশ নেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার এই বৈশ্বিক দুর্যোগের সময় সংবাদকর্মীরা অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। টেলিভিশন সাংবাদিকদের বিভিন্ন জায়গায় ছুটে বেড়াতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন সংবাদকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেক সংবাদকর্মীকে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। সুতরাং তারা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। এই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে কীভাবে তাদের সহায়তা করা যায়, স্বাস্থ্যসুরক্ষা দেওয়া যায়, সেবিষয়ে আজ আলোচনা হয়েছে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আলোচনায় জানতে পেরেছি অনেক টেলিভিশন থেকে বেতন-ভাতা দেওয়া হয়নি। আমি সব টেলিভিশন চ্যানেলের পরিচালনা পর্ষদকে অনুরোধ জানাব, যাদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়নি এই পরিস্থিতিতে আপনাদের কোনও কারণে অসুবিধা হলেও তাদের বেতন-ভাতা একইসঙ্গে বকেয়া পরিশোধ করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে কীভাবে সংবাদকর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা দেওয়া যায় এবং আজ যে ঝুঁকির মধ্যে তারা কাজ করছেন এটার ক্ষেত্রেও কী করা যায় সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি।’

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 66013

ঢাকা হতে এরা যে করোনা নিয়ে ফিরছে না তার গ্যারান্টি কি??? প্রমাণ দেখুন…

আরিফুল ইসলাম কাইয়্যুম,রাজধানী সংবাদদাতাঃ

খবর পড়ার আগে এই খবরটা আগে জানুন—২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ১১২, মৃত্যু ০১, নমুনা পরীক্ষা ১০৯৭, মোট শনাক্ত ৩৩০। মৃত্যুর মিছিল কিন্ত বাড়ছে।।। এখন নিচের খবর পড়ুন—

বিভিন্ন সময়ে সুবিধাভোগী রক্তচোষাদের বহুমুখী সিদ্ধান্তে চাকরি বাঁচাতে রাজধানীর দিকে ছুটে এসেছিল জনস্রোত। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শরণার্থীদের মতো দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে তারা হাঁটছিল দলে দলে। করোনার মত মহামারির মহাবিপদে পুরো বিশ্ব যখন পর্যদুস্থ তখন কোটি মানুষের পায়ে হেটে ঢাকায় ফেরার দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে পড়েছিল পুরো বিশ্ব। মানুষ নিশ্চিত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য এভাবে দৌড়ে আসে তা একটি নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে বিশ্ববাসীর জন্য। । এমন সমালোচনার ঝড় সামাল দিতেই ছুটি বাড়ানো হয় পোশাক কারাখানায়। আর তাতেই বিপদে পড়তে হয় অসংখ্য পোশাক শ্রমিককে। দলে দলে শ্রমিকদের রাজধানীর দিকে ধেয়ে আসার বিশেষ চিত্র আবার সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বহু শ্রমিককে দেখা গেছে পায়ে হেঁটে ও ভেঙে ভেঙে ছোট ছোট গাড়িতে করে আসতে। তাদের মধ্যে অনেকে পিক-আপে মাছের ড্রামে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থল ফিরেছিলেন।

উৎকট আঁশটে গন্ধে ভরা মাছের ড্রামে করে ঢাকায় ফেরা আবার একই কায়দায় গ্রামের বাড়িতে ঢাকা হতে করোনা ভাইরাস ধরে নিয়ে নিজ পরিবারকে মেরে ফেলার মত ঘৃন্য কাজ করছে এরা অজান্তে।

তবে সবচেয়ে বড় ভয়টা হলো- চাকরি বাঁচাতে শ্রমিকদের এভাবে কারাখানায় টেনে আনার ঘটনা করোনার সংক্রমণ ঝুঁকিকে কতটা বাড়িয়ে দিয়েছে তা অকল্পনীয়। যেখানে লকডাউন করা হয়েছে গোটা দেশ। আর ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য রাতদিন আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী চেষ্টা করে যাচ্ছে সেখানে এভাবে রাজধানীর দিকে জনস্রোত ভয়াবহ করে তুলেছে পরিস্থিতি। ইউরোপ যাওয়ার মতো মাছের খালি ড্রামে করে যেভাবে তার ঢাকায় এসেছিলেন ঠিক একইভাবে তারা বাড়ি ফিরছেন। পাটুরিয়া ফেরিঘাটে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের শ্রমিকরা রাজধানীতে পৌঁছার পর ছুটির খবর পেয়ে ফের নিরূপায় হয়ে পড়ে। তারা একইভাবে মাছের খালি ড্রামে করে বাড়ির পথ ধরে।  এসব শ্রমিকের মাধ্যমে যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যায়নি কিংবা রাজধানী থেকে করোনা নিয়ে বাড়ির পথ ধরেনি এমন নিশ্চয়তা কি কেউ দিতে পারেন।। কোনোভাবেই নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব নয়। হাজার বছর ধরে গ্রামের এসব সহজ সরল মানুষ যারা গৃহে অন্তরীণ থাকতে অভ্যস্ত নন তারা কি ঝুকির মধ্যে পড়লেন তা বলাই বাহুল্য। এমনকি তারা ইউটিউব,ফেসবুক কিংবা টিভি পর্যন্ত দেখেন না।

ঢাকা কিংবা দেশের যে কোন জায়গা হতে গ্রামে ফিরলেই যে করোনা নিয়ে ফিরছে তার প্রমান দেখুনঃ——

“ঢাকার বাইরে নারায়ণগঞ্জ জেলা করোনাভাইরাসের হটস্পট বলে জানিয়েছেন আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১১২ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে। তাদের ৭০ জন পুরুষ ৪২ জন নারী।এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩০ জনে দাঁড়িয়েছে।

আইইডিসিআরের পরিচালক বলেন, আমরা দেখেছি ২৪ ঘণ্টায় যত রোগী হয়েছেন তার বেশিরভাগই ঢাকায়। এরপরেই রয়েছে নারায়ণগঞ্জের। আমরা ইতিমধ্যে এটাও বলেছি যে নারায়ণগঞ্জকে আমাদের জন্য একটা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছি। নারায়ণগঞ্জের বিষয়ে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়ে আমরা কাজ করছি।একেবারেই আলাদা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এখন বিভিন্ন জায়গা, বিভিন্ন জেলায় যেসব রোগী শনাক্ত হচ্ছে তারা ইতিপূর্বে আক্রান্ত এলাকা থেকে গেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই আমরা দেখেছি আমরা আগে যেসব ক্লাস্টার চিহ্নিত করেছিলাম সেসব জায়গা থেকে গিয়েছেন, যেমন নারায়ণগঞ্জ। অনেকগুলো জেলাতেই যখন আমরা রোগ চিহ্নিত করছি তখন দেখছি যে তারা (আক্রান্তরা) নারায়ণগঞ্জ থেকে গেছেন।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সবার ঘরে থাকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা এই তথ্য থেকে বোঝা যায়।

সেব্রিনা বলেন, আমরা বারবার বলেছি, আমাদের সাধারণ ছুটিকে ছুটি হিসেবে নিলে হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছেন সবার ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে। ঘরে থাকাটাই এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় অংশগ্রহণ।

এ দিন সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন ১১২ জন আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জনের বয়স ১০ বছরের নিচে। ১১ খেকে ২০ বছরের ৯ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের ১৫ জন, ৩১ খেকে ৪০ বছরের ২৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১৭ জন, ৫১ খেকে ৬০ বছরের ২৩ জন। ৬০ বছরের বেশি বয়স এমন ১২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন।

ইতোমধ্যে এই ঝুঁকির ভয়াবহতা প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। করোনা আক্রমন গ্রামেও শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রবাসী যারা এসেছেন ইতোমধ্যে তারাও গাঁ ঢাকা দিয়েছেন। আবার ঢাকা হতে বাড়ি গিয়ে বীরদর্পে খোশ গল্পে মাতোয়ারা একদল মানুষ। তারা রাজনৈতিক ব্রেনওয়াশের শিকার কিনা , তা নিয়ে এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। করোনা এ আর এমনকি কিংবা কিছুই হবেনা। এমন চিন্তা নিয়ে তারা স্বাভাবিক জীবন যাপনের চেষ্টা করে চলেছেন। তাই শত লকডাউন স্বত্বেও পুলিশ কিংবা প্রশাসন যতক্ষন থাকেন ততক্ষন মেনে চলেন এরপর আগের মতই। অলিতে গলিতে মানুষের ভীর। খেলার মাঠে কিংবা কোনায় বসে টোকাইদের আড্ডাবাজি এখনও চোখে পড়ে। কিন্ত তা যেয়ে কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা সারাবিশ্বের মৃত্যূর মিছিলের দিকে তাকালে কিছুটা উপলব্ধি হচ্ছে  কিনা , তাও এখন প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। গ্রামকে বাঁচাতে হলে তাই এখন গ্রামবাসীকেই সেই আমলের ডাকাত তাড়ানোর মত করে দলবদ্ধ হয়ে গ্রাম পাহাড়া দিতে হবে। অনাকাংখিত কাউকে কিংবা প্রবাসি কিংবা এলাকার বাহিরে ছিল এমন কাউকে আপনারা নিজ জীবন বাঁচানোর স্বার্থে গ্রামে প্রবেশ করতে দিবেন না। তবেই যদি কিছুটা রক্ষা হয়।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 66013

গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে নেতা কর্মীদের প্রতি আওয়ামীলীগের নব নির্বাচিত সভাপতি শেখ হাসিনার আহবান

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি এবং ওবায়দুল কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে আজ শনিবার ইর্ঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে কাউন্সিল অধিবেশনে তাদেরকে নির্বাচিত করা হয়।

দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান কমিশনার এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আদর্শ ভিত্তিক রাজনীতি করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে, মানুষ যাতে স্বতস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়ে আমাদেরকে নির্বাচিত করে এবং আমরা যেন দেশসেবা করে যেতে পারি। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতা অর্জন করেছে সেই রক্ত যেন বৃথা না যায়, সে লক্ষ্য নিয়েই তাঁর সরকার কাজ করে বিগত ১০ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। লক্ষ্য আরো অনেক দূর যেতে হবে। সেজন্য সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

আব্দুল মতিন খসরু সভাপতি পদে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন এবং পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য তা সমর্থন করেন। নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এ পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না পাওয়ায় শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন।
এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করলে তাতে সমর্থন জানান আব্দুর রহমান। নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এ পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না পাওয়ায় ওবায়দুল কাদেরকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন।

পরে ২১তম জাতীয় সম্মেলনে নব নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদিকমন্ডলীর সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

সভাপতিমন্ডলীর সদস্যরা হলেন-সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্লাহ, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান, আবদুল মতিন খসরু, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকরা হলেন, মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মণি, ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন, আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল হোসেন ও মির্জা আজম।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজিবুল্লাহ হিরু, প্রচার সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারুন অর রশীদ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শামসুন নাহার চাঁপা, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এবং স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদ ডা. রোকেয়া সুলতানার নাম ঘোষণা করেন।

সম্মেলনে বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্য করে   বলেন, ‘এখানে কাউন্সিলরবৃন্দ আছেন- সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। আর জাতির পিতার যে আদর্শ সেই আদর্শ মেনেই চলতে হবে।’প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ ২১ শে  ডিসেম্বর, ২০১৯ইং শনিবার আওয়ামী লীগের ২১ তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব কাউন্সিল অধিবেশনের শুরুতে প্রদত্ত ভাষণে একথা বলেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে নির্মিত প্যান্ডেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই অধিবেশন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২৯টি বছর এদেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে তাদের বিরুদ্ধে যত সংগ্রাম ও আন্দেলন এং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার যত সংগ্রাম আওয়ামী লীগই সে সংগ্রাম করেছে এবং আওয়ামী লীগই এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, বাঙালির জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করা, একে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলে বিশ্বে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়েই জাতির পিতা তাঁর সারাটি জীবন উৎসর্গ করে যান। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য তিনি আজীবন জেল, জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে গেছেন।

জাতির পিতার অবদান ও আওয়ামী লীগকে গড়ে তোলার কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমনভাবে সংগঠনটি গড়ে তোলেন, এর মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেন।

 

সরকার প্রধান বলেন, বাংলার জনগণকে জাতির পিতার স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র সাড়ে ৩ বছরের শাসনকালে জনগণকে অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে পারেন নাই। সেই স্বপ্ন পূরণই তাঁর রাজনীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা-মা’য়ের আত্মা যেন শান্তি পায়।

প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার উর্ধ্বে উঠে দেশের জন্য কাজ করে যাওয়ায় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দেখা যায় যে, অনেকেই ক্ষমতায় আসার পরে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারে না। কিন্তু আমরা সেটা পেরেছি। মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছি। সেক্ষেত্রে আমি বলবো বলবো সকলকে সেই চিন্তা থেকেই কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন এবং জাতির যেকোন ক্রান্তি লগ্নে এর নেতা-কর্মীরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করেছে। প্রতিটি কাউন্সিলরকে এটা মাথায় রাখতে হবে- জাতির পিতার সেই আদর্শ নিয়েই আমরা দেশকে গড়ে তুলবো।’

তিনি বলেন, জাতির পিতা স্বাধীনতার পরে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশ গড়ে তুলে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে রেখে গিয়েছিলেন আর এরপরেই জাতির জীবনে ১৫ আগষ্ট বিপর্যয় নিয়ে আসে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ এর জাতির পিতাকে হত্যার পর এদেশে যে হত্যা, ক্যু এবং ষড়যন্ত্রের রাজনীতি এদেশে শুরু হয়েছিল। যেখানে গণতন্ত্র ছিল না, কারফিউ গণতন্ত্র ছিল। যেখানে সেনাতন্ত্র ছিল, সামরিক স্বৈর শাসকরা রাষ্ট্র শাসন করেছে দীর্ঘ ২১ বছর, এরপর আবার ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত।

 

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জনগণ যে সরকারের সেবা পেতে পারে, জনগণের কল্যাণ করতে পারে, তাঁদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, এটা কেবল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরেই জনগণ উপলদ্ধি করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, উড়ে এসে জুড়ে বসারা সবসময় নিজেদের ভাগ্য নিয়ে এবং অসৎ উপায়ে ক্ষমতা দখলকে বৈধ করার কাজেই ব্যস্ত ছিল। তারা জনগণের কথা চিন্তা করে নাই।

সরকার প্রধান বলেন, এদেশে ঋণ খেলাপি কালচার, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদেরকে ব্যবহার করাসহ পুরো সমাজটাকে তারা ধ্বংসের পথে টেনে নিয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সরকারের কোন নীতি আদর্শ থাকে না, কোন লক্ষ্য থাকে না, সে সরকার চলে কি করে, প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি এ সময় জাতির পিতার লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং জাতির পিতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানী গোয়েন্দাদের গোপন প্রতিবেদন নিয়ে প্রকাশিত ১৪ খন্ড ভলিউমের বইগুলো দলের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে পড়ার পরামর্শ দেন।

কারো বিরুদ্ধে প্রকাশিত গোয়েন্দা রিপোর্ট নিয়ে অদ্যাবধি কেউ কোন পুস্তক রচনা না করলেও জাতির পিতা কিভাবে দেশের কল্যাণে কাজ করে গেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কি কি ষড়যন্ত্র হয়েছিল, কি কি অপপ্রচার হয়েছিল-সেগুলো তুলে ধরার জন্যই ’সিক্রেট ডকুমেন্ট অন ফাদার অব দি নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক এ সংক্রান্ত বইগুলো তিনি প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বইগুলো থেকে আপনাদের অনেক কিছু শিক্ষা নেওয়ার আছে।’শৈত্য প্রবাহের কারণে প্রচন্ড শীত অনুভূত হওয়ায় কাউন্সিলের কর্মসূচি সংক্ষেপ করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

/ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়//রাজনীতি   ///সূত্র : বাসস

Total Page Visits: 66013

ঝালকাঠিতে মিডিয়া ফোরামের আত্মপ্রকাশ

 ইমাম বিমান, ঝালকাঠি থেকেঃ
ঝালকাঠিতে বিজয় দিবসে শহীদ বেদীতে পুস্পার্ঘ অর্পন করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে একঝাঁক তরুন সাংবাদিকদের নিয়ে মুক্তমনের সাংবাদিকতা একই সাথে আর্তমানবতার সেবায় সকলকে নিয়োজিত করার লক্ষ নিয়ে সাংবাদিক সংগঠন মিডিয়া ফোরামের আত্মপ্রকাশ।
জাতীয় মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে একঝাঁক তরুন সাংবাদিকদের নিয়ে মুক্তমনের সাংবাদিকতার মাধ্যমে নিজেদের আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত করার সপথ নিয়ে পথ চলতে শুরু করেছে ঝালকাঠি মিডিয়া ফোরাম। আর তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য সদস্যরা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিনে ভোর ৬টায় ঝালকাঠির শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরনে তাদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য সাংগঠনিক যাত্রা শুরু করেছে জেলার অন্যতম সাংবাদিক সংগঠন মিডিয়া ফোরাম। বিজয় দিবসে আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে পথ চলতে শুরু করেছে ঝালকাঠি মিডিয়া ফোরাম।
সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে শহীদবেদীতে পুস্পার্ঘ অর্পনের পর ঝালকাঠি ব্রাক মোড়স্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সাংবাদিক মোঃ মনির হোসেনকে সভাপতি ও সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এর মধ্যে অন্যান্য সদস্যরা হলেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান, মোঃ ইমাম হোসেন  রিয়াজ মোর্শেদ, কৌশিক বড়াল, খাইরুল ইসলাম, সৈয়দ রুবেল,  শফিকুল ইসলাম।
নতুন সংগঠনটি সম্পর্কে সংগঠনটির নবনির্বাচিত সভাপতি সাংবাদিক মনির হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, সাংবাদিকদের সাধারনত জাতির বিবেক বলা হয়, তাই আমরা এই পেশায় থেকে সৎ ভাবে জীবন জাপনে অঙ্গীকারবদ্ধ, আমাদের ঝালকাঠি মিডিয়া ফোরাম সংগঠন একটি ব্যতিক্রমি সংগঠন কারন এটা সাংবাদিকদের সংগঠন হলেও এর সদস্যরা শুধু সংবাদ সংগ্রহ নয় তার পাশাপাশি এর সদস্যরা ঝালকাঠিতে দুস্থ, গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে যেকোন মাধ্যমে তাকে সহযোগীতা করা, সকলের সহযোগীতায় গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা উপকরন সংগ্রহ অথবা সংগঠনের মাধ্যমে পৌছে দেয়া সহ সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজকর্মে অংশ গ্রহন।
ক্রাইম ডায়রি// জেলা//স্পেশাল
Total Page Visits: 66013

রায়গঞ্জে ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে ফুলজোড় নদী তীর সংরক্ষণ কাজের শুভ উদ্বোধন

স.ম.আব্দুস সাত্তার,রায়গঞ্জ(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ পৌরসভার ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে “বাঙ্গালী-করতোয়া-ফুলজোড়-হুরাসাগর নদী সিস্টেম ড্রেজিং/পুনঃখননসহ তীর সংরক্ষণ” শীর্ষক রায়গঞ্জ পৌরসভার ধানগড়া ও সিমলা সাহাপাড়া নামক স্থানে ১.৩০০ কি.মি. নদী তীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রায়গঞ্জ পৌরসভার আয়োজনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় পানি উন্নয়ন বোর্ড সিরাজগঞ্জ এর বাস্তবায়নে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রায়গঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ আব্দুল্লাহ আল পাঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রায়গঞ্জ তাড়াশের সাংসদ অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল আজিজ।

রায়গঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল মাহমুদ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম, রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাদি আলমাজি জিন্নাহ, সহ-সভাপতি মোঃ ছাইদুল ইসলাম চান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শরিফ উল আলম শরিফ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আখছারুল আলম খোকন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক গোলাম হাসনায়েন টিটো, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব বাবুল আকতার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল আমিন সরকার প্রমুখ।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা

Total Page Visits: 66013

গাইবান্ধার সাবেক এমপি লিটন হত্যা মামলার রায় ঘোষনাঃ সাবেক এমপি কাদেরসহ সাতজনের ফাঁসি

গাইবান্ধা অফিসঃ

অবশেষে বহুল আলোচিত গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় রায় ঘোষনা করেছেন আদালত। এ রায়ে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল কাদের খানসহ সাতজনের ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে । ২৮ নভেম্বর, ২০১৯  ইং বৃহস্পতিবার  দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় দেন গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক।

যাদেরকে ফাঁসির দণ্ড দেয়া হয়েছে তারা হলেন- হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আবদুল কাদের খান, তার ভাতিজা মেহেদি, পিএস শামছুজ্জোহা, গাড়িচালক আব্দুল হান্নান, ডিস ব্যবস্যায়ী শাহিন, রানা ও চন্দন কুমার রায়। এদের মধ্যে চন্দন কুমার ভারতে পলাতক রয়েছেন। অন্য আসামীর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী কাঁদের খান, তার পিএস শামছুজ্জোহা, গাড়িচালক হান্নান, ভাতিজা মেহেদি, ডিস ব্যবস্যায়ী শাহীন ও রানা জেলা কারাগারে রয়েছেন।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলীতে নিহত হন গাইবান্ধা-১ আসনের তৎকালীন আওয়ামীলীগের  এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন।
এমপি লিটন হত্যাকাণ্ডের পর দুটি মামলা করে পুলিশ। এর মধ্যে একটি অস্ত্র ও অপরটি হত্যা মামলা। অস্ত্র মামলায় একমাত্র আসামী ওই আসনের জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আবদুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
পাশাপাশি হত্যা মামলার তদন্ত শেষে জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি কাদের খানসহ আটজনের বিরদ্ধে ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। বৃহস্পতিবার হত্যা মামলার রায়ে কাদের খানসহ সাতজনকে ফাঁসির আদেশ দেন বিচারক। মামলার আট নম্বর আসামী কসাই সুবল সম্প্রতি কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় মারা যান।
২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল প্রথম দফায় আলোচিত এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। বাদী, নিহতের স্ত্রী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৫৯ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। গত ৩১ অক্টোবর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।
চলতি বছরের ১৮ ও ১৯ নভেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি শফিকুল ইসলাম শফিক। ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। রাষ্ট্র ও আসামীপক্ষের আইনজীবীদের ১৮ মাস যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।  এরপর  মামলার রায় ঘোষণা করেন বিজ্ঞ আদালত।

ক্রাইম ডায়রি///আদালত

Total Page Visits: 66013