• রবিবার ( রাত ১০:১২ )
    • ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং

বিশেষ অভিযানে উঠতি ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্র আটক করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ

হোসেন মিন্টুঃ

ঈদের নিরাপত্তায় সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬জন উঠতি ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের সদস্য কে গ্রেফতার করেছেন ইপিজেড থানা পুলিশ।

থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ,  ১০আগস্ট রাত ১২.৪৫ মিনিটে সময় এই উঠতি ৬ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্যদের আটক করা হয়।  ওসি মীর মোঃ নূরুল হুদা  ক্রাইম ডায়রিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

গ্রেফতারকৃত ডাকাত দলের সদস্যরা হলো– মোঃ বাবুল প্রকাশ বাবু (২২), পিতা-মোঃ খলিল, জেলা-বাগেরহাট, মোঃ সবুজ (১৯), পিতা-মোঃ ইউছুফ, সাং-সূর্যমনি, খাইগো বাড়ী, থানা-মঠবাড়ীয়া, জেলা-পিরোজপুর, মোঃ আরিফ (২৬), পিতা-মোঃ বাচ্চু মিয়া, মোঃ মামুন (২০), পিতা-মোঃ ফরিদ, থানা-মোংলা, জেলা-বাগেরহাট, মোঃ রিপন (১৯), পিতা-মৃত লোকমান সিকদার,থানা-মোড়েলগঞ্জ, মোঃ নাদিম (১৫), পিতা-মোঃ হারুন, থানা-ভান্ডারিয়া, জেলা-বরিশাল । ডাকাতদলে আরও সদস্য ছিল। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে তারা বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে  পালিয়েছে । পালাতকদের ধরার ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে থানা সুত্রে জানা গেছে।


অপরাধীরা  ইপিজেড থানাস্থ কলসিদীঘী,ব্যারিস্টার কলেজ ওবন্দরটিলা রেলবিটের আশ-পাশের ভবনের অস্থায়ী ভাড়াটিয়া ঘরে অবস্থান করে এলাকায় চুরি,ডাকাতী ওছিনতাই কাজে লিপ্ত বলে তদন্ত ওসি ওসমান গনি জানিয়েছেন।তারা সবাই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরি,ডাকাতী ওছিনতাই কাজে লিপ্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন । অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে আদালতে  প্রেরন করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/মহানগর

5674total visits,125visits today

জি আরপি থানায় নারীকে গণধর্ষণঃঃ অভিযোগের আঙুল ওসি’র দিকে

ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক রিপোর্টঃ

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের। যে কারনে আইজিপি’স কমপ্লেন সেল গঠন করে হটলাইন নম্বর জনগনের জন্য গণপ্রচার করা হয়েছে।৯৯৯তো আছেই।  প্রত্যেক ভাল কাজের পিছনে যেমন শয়তান থাকে।হাতের পাঁচ আঙুল কিংবা বাবার পাঁচ ছেলে যেমন এক হয়না  তেমনি সবাই তার কর্মক্ষেত্রে সরল এটা বলা যায়না। সব বাহিনী চায় সে হোক ইমাম,পীর,ঠাকুর কিংবা যাজক সব জায়গায়ই কিছু মন্দ ছিল, আছে  এবং থাকবে।বিশাল পুলিশ বাহিনীর সবাই ভাল নাও হতে পারে। তবে খারাপ কাজ যারা করবেন তাদের দু একজনের অপকর্মের দায় পুলিশ নিবেনা।রক্ষক ভক্ষক হলে আর কিইবা করার থাকে।     খুলনা জিআরপি থানায় এক নারীকে ওসি উছমান গণি পাঠান একাই ৩ বার ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ধর্ষিতা নিজেই।   তারপর ধর্ষণ করেন মুখে বসন্তের দাগওয়ালা ডিউটি অফিসার। তারপর আরও ৩ জন ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের সময় ৫ জনই কনডম (জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রী) ব্যবহার করেন। ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করলে ওই নারীর পরিবারের সবাইকে একটার পর একটা মামলা দেওয়ারও হুমকি দেন ধর্ষকরা।

জিআরপি থানায় পুলিশের হাতে গণধর্ষণের শিকার নারীর দায়ের করা মামলা এজহারে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও ওই নারী এসব কথা বলেন। মামলা দায়েরের পর তা আদালতকে অবহিত করা হলেও এখনও কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি।

গত ৯ আগস্ট সকালে দায়ের হওয়া মামলায় ধর্ষিতা নারী উল্লেখ করেন, গ্রেফতারের পর ডিউটি অফিসারের সহায়তায় ওসি তার উপর ব্যাপক নির্যাতন করেন। তারপর রাত দেড়টার দিকে তাকে চোখ বেঁধে থানার অপর একটি কক্ষে নিয়ে যায় ডিউটি অফিসার। ডিউটি অফিসার ওড়না দিয়ে তার মুখ বাঁধে। ওসি সেই কক্ষে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেন। তারপর দেড় ঘণ্টা ধরে ওসি ৩ বার ধর্ষণ করেন। ওসি ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ডিউটি অফিসার প্রবেশ করে। ভেজা গামছা দিয়ে তার শরীর মুছে ডিউটি অফিসারও ধর্ষণ করে। এরপর আরও ৩ জন তাকে ধর্ষণ করে।

এই বিষয়ে মামলা দায়ের করার জন্য আদালত থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়ার পর গত ৯ আগস্ট মামলা নেয় জিআরপি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, খুলনা জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য ৩ সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ করেছে বলে আদালতে দাঁড়িয়ে ৪ আগস্ট অভিযোগ করেন ওই নারী। খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই নারী এই অভিযোগ করেন। ঘটনা তদন্তে পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম ৫ আগস্ট তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।  নিভৃতে না কেঁদে বুক না ভাসিয়ে সাহসিকতার সাথে অপরাধের ও অপরাধীর    মুখোশ উম্মোচন করায় ভিকটিম নারীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন  ফেসবুক ভিত্তিক  নারীবাদী সংগঠন   fb/নারী নির্যাতন প্রতিরোধ।।  সংগঠনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল বলেন, এই প্রতিবাদ দেশের সকল অবলা নারীকে সাহসী করে তুলবে। তবে, ঘটনার প্রকৃত সত্যতা যাচাইও করা উচিত যাতে অভিযুক্ত কারো অন্যায় আচরন কিংবা প্রতারণার শিকার না হন।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম

5674total visits,125visits today

রাজধানীতে হাসপাতাল মালিক দুই ভূয়া চিকিৎসক আটক

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃঃ

ভূয়া ডাক্তার নিয়ে লেখালের শেষ নেই। কিন্তু কোন অবস্থাতেই বন্ধ হয়নি ভূয়াদের দৌরাত্ব। কি রাজধানী, কি মফস্বল! সবজায়গাতেই হাতুড়ে আর ভূয়াদের আনাগোনা। তিনি কোনোরকম এসএসসি পাশ। এরপর ১৩ বছর ধরে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছিলেন গাইনি চিকিৎসক হিসেবে। দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছিলেন ভুয়া চিকিৎসা। দুই রোগীর জরায়ুতে অস্ত্রোপচার করে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় অভিযান চালায় র‍্যাব। দেখা যায়, অভিযুক্ত হাসপাতালটির দুই চিকিৎসকই ভুয়া।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ির ধোলাইরপাড়ে অবস্থিত হাসপাতালটি। নাম কিউর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। গতকাল বুধবার (২৫ জুলাই) রাতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হাসপাতালটির দুই ভুয়া চিকিৎসকসহ তিনজনকে আটক করে র‌্যাব ১০ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদেরকে আট লাখ টাকা জরিমানাসহ দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সিলগালা করে দেওয়া হয় হাসপাতালটি।

একই সঙ্গে দুই ভুয়া চিকিৎসককে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালটির মালিক রাহিমা আক্তারকে চার লাখ টাকা জরিমানাসহ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। এর আগে বুধবার (২৫ জুলাই) রাতে যাত্রাবাড়ির ধোলাইরপাড়ে অবস্থিত কিউর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ডিজি হেলথ’র পরিচালক ডা. মো. শফিউর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম বলেন, কিউর জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক রাহিমা আক্তার। এসএসসি পাশ করে ২০০৮ সাল থেকে ১৩ বছর নিজেকে গাইনি চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে আসছেন তিনি। পরিচালনা করছিলেন হাসপাতালটি। সেখানকার আরেক ভুয়া চিকিৎসক এস এম আল মাহমুদ। নিজেকে এমবিবিস ও এফসিপিএস ডিএমসিএইচ পরিচয় দিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন তিনিও।

তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানে আরও দেখা যায়, কোনো স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের মতামত ছাড়াই শাবানা নামে এক রোগীর জরায়ু কেটে ফেলে দেওয়া হয়েছে। অপারেশনের সময়ও ছিল না কোনো কনসালটেন্ট। দুইজন ভুয়া চিকিৎসক মিলেই অপারেশন করে ফেলেন। হাসপাতালের মালিক এসএসসি পাশ রহিমাও নিজেকে ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসা দেন এবং অপারেশন করেন। এছাড়া গত ১০ জুলাই সিজার করার সময় এ হাসপাতালে এক নবজাতক মারা যায়।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, দুই বছর আগেও ওই হাসপাতালটিকে জরিমানা করা হয়। তবুও বন্ধ হয়নি এসব ভূয়াদের দৌরাত্ব। উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহন না করলে লাভজনক এ পেশায় ভূয়ারা আরও বেশি প্রবেশ করে মারাত্বক ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে জনস্বাস্থ্যকে।

ক্রাইম ডায়রি// ক্রাইম//আদালত

5674total visits,125visits today

বার্ষিক কর্ম সম্পাদনে বিদ্যুৎ বিভাগ প্রথমঃ একই মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ তৃতীয়স্থানে

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে গত এক বছরের কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ   মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ প্রথম হয়েছে। তৃতীয় হয়েছে একই মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। অর্থাৎ এক থেকে তিন নাম্বারের মধ্যে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ     মন্ত্রণালয়েরই দুটি বিভাগ রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম উপস্থিত থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। এতে উচ্ছসিত হয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা রোববার বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজ সম্পদ  মন্ত্রণালয়ের মাননীয়  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ   এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ।

 

এ সময় মন্ত্রী  আগামী দিনগুলোতে জনগণকে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দিতে সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি সকলে মিলে টিম ওয়ার্ক করে কাজ করা সহ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে কিন্তু একটু বাধাগ্রস্থ হলেই বিরক্ত না  হওয়া, আগামীতে যেন এমন অবস্থা তৈরী না হয় সেজন্য বিদ্যুৎ বিভাগের সকলের প্রতি আহবান জানান।

এ সময় জনাব নসরুল হামিদ আরও বলেন, বর্তমানে ৯৩ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। আমরা দ্রুত শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছি।

অসাধারণ এই অর্জন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশকে আলোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের স্বার্থে একযোগে কাজ করার আহবান জানান ।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

5674total visits,125visits today

র‌্যাব-১ এর সাফল্যঃ গাজীপুর হতে বৈদ্যুতিক তার চোর চক্রের ৩ সদস্য আটকঃ বিপুল পরিমাণ তার উদ্ধার

ক্রাইম ডায়রি ডেস্কঃ

গাজীপুরের জয়দেবপুর হতে সরকারী বৈদ্যুতিক তার চোরাকারবারী চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্যকে বিপুল পরিমান বৈদ্যুতিক তারসহ হাতে নাতে গ্রেফতার কারেছে র‌্যাব-১। সুত্রে জানা গেছে ,০৭ জুলাই রবিবার র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকার একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরীর জয়দেবপুর থানাধীন মেম্বারবাড়ি এলাকার মনিরের টিনসেড গুদাম হতে  সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সদস্যদের  চোরাই সরকারী বৈদ্যুতিক তারসহ আটক করে। আটককৃতরা হলেন, ১) মোঃ উজ্জল শেখ (৪৯), পিতা- মৃত জালাল শেখ, সাং- কোলাপাড়া, থানা- শ্রীনগর, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, ২) মোঃ খাইরুল শেখ (৩৫), পিতা- মোঃ জালাল শেখ, সাং- সারুলিয়া, থানা- লোহাগড়া, জেলা- নড়াইল এবং ৩) মোঃ শাহীন আলম (৩৫), পিতা- মৃত ইসমাইল হোসেন, সাং- বানিয়ারচালা, থানা- জয়দেবপুর, জেলা- গাজীপুর।

এসময় চোরাই  ১৪,৭৮৪ কেজি বিভিন্ন প্রকার বৈদ্যুতিক তার, ৩৯৮ কেজি ড্রামের রড, ০২ টি শাবল, ০৩ টি চাপাতি, ০১ টি দা, ১৪ টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৭৯৭৪/- টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত তারের আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০,০০,০০০/- টাকা বলে জানা যায়। জানা গেছে, এরা  একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুরসহ সমগ্র বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন বৈদ্যুতিক লাইন হতে কোটি কোটি টাকার বৈদ্যুতিক তার চুরি করে বিক্রয় করে আসছিল।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা

5674total visits,125visits today

ভূয়া সাংবাদিক ও ভূয়া মিডিয়াঃঃ লাগাম টানার এখনই সময়

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সাংবাদিকতা করার জন্য নয়; একটা আইডি কার্ড ও দাপট দেখানোর মানসিকতা নিয়ে টাকার বিনিময়ে কার্ড সংগ্রহ করে হুমকি/ধামকি   ও প্রভাব বিস্তার করছে একদল ভূয়া সাংবাদিক। বিশেষ করে মফস্বলে। অসংখ্য নিবন্ধনহীন সাংবাদিক সংগঠন।অন্তরালে; যাকে তাকে সাংবাদিক   বানিয়ে তাকে দিয়ে ধান্দাবাজি কিংবা সদস্য বাড়ানোর চেস্টা।

লাগাম টেনে না ধরলে কি হতে পারে? তা চোখ কান খোলা রাখলে সহজেই অনুমেয়! ভূয়া সাংবাদিকতা ও মিডিয়ার বিরাম্বনা আর কত?দেশে এখন অনলাইন নিউজ পোর্টাল আর অনলাইন টিভি, রেডিও’ র সংখ্যা কত সে তথ্য সরকারের কাছে আছে, চলছে মনিটরিং ও যাচাই। কিছু টাকা আছে, একটা পোর্টাল খুলে রাজনৈতিক/মাদক/ চাঁদাবাজি/ জুয়া কিংবা ইয়াবা হালাল করার জন্য সাংবাদিকতার  মুুুখোশ পড়ে অপকর্মে লিপ্ত এরা। নামে বেনামে  জনপ্রিয় অনেক অনলাইন নিউজ পোর্টালের বা টিভি চ্যানেল ও শো এর নাম কিংবা ডিজাইন নকল করে নতুন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা ওয়েবসাইট চালু করে  এরা। অনেকে এখন অনলাইন নিউজ পোর্টাল/টিভি চালু করে সাংবাদিকতার নামে অপসাংবাদিকতা ইতোমধ্যে শুরু করেছেন।  সরকারের মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ও প্রেস কাউন্সিল ইতোমধ্যে  যে উদ্দ্যোগ নিয়েছেন তা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য হলেও,কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে কালক্ষেপন করছেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

 

ফেসবুক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা টিভিতে সাংবাদিক নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিয়ে তরুণ-তরুণীসহ অনেকের সাথে  প্রতারনাও করা

হচ্ছে। কিছু টাকা দিলে যে কেউ হতে পারেন সাংবাদিক। এমনকি বার্তা সম্পাদকের মানদন্ডের অনেক নিচে থেকে কোন কোন মুদি দোকানীও হতে পারেন বার্তা সম্পাদক আবার ভূয়া পরিচয়দানকারী ভবঘুরে বেকাররাও হতে পারেন সম্পাদক। শব্দচয়ন,বাক্যগঠন কিংবা বানান রীতিনীতি সম্পর্কে যাদের কোন ধারনাই নেই।।। নেই নিয়োগের কোন মানদন্ড। গভীরে হাত দিলে প্রকাশক সহ সম্পাদক সবারই থলের বেড়াল বের হয়ে আসবে ।  সাংবাদিক নিয়োগের নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ উঠেছে অনেকের বিরুদ্ধে।

দেশের প্রথম শ্রেণীর ও শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টালে আপলোড হওয়া নিউজের বানান, দাড়ি ও কমা ঠিক রেখে নকল হচ্ছে নিউজ। পোর্টাল/টিভির কথিত সম্পাদক, সংবাদকর্মী কিংবা ডেস্কে   যারা কাজ করেন তাদের সংবাদ লেখার ক্ষমতা না থাকলেও একটু এদিক  সেদিক করে অন্য পত্রিকার ওয়েব সাইট হতে কপি টু পেস্ট করে নিজের নিউজ পোর্টালে প্রকাশ করে আসছেন।
সাংবাদিকতা করেননি  কখনও  কিংবা সংবাদ পত্রের কার্যালয়ের বারান্দায়ও পা পড়েনি কোনদিন অথচ অনলাইন নিউজ পোর্টাল,টিভি সম্পাদক/মালিক হয়েছেন অনেকে। আবার অনেকে কোন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা প্রিন্ট পত্রিকায় লেখালেখি না করলেও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লোভে রাতারাতি সম্পাদক/মালিক হয়েছেন।

 

 

 

 


গড়ে তুলেছেন ভুয়া দৈনিক পত্রিকার নামে ওয়েবসাইট, অনলাইন পোর্টাল,টিভি,রেডিও ও মানবাধিকার সংস্থার মত নাম সর্বস্ব সংগঠন।
ফেসবুকে অসংখ্য আইডি ও পেইজ খোলা হয়েছে। জেলার প্রকৃত ও দক্ষ সংবাদ কর্মীদের পাঠানো নিউজ তাদের পোর্টাল থেকে কপি করে নিয়ে নিজের নামে পোস্ট করছেন এসব আইডি বা পেইজে। অনেক এলাকার নাম, সংবাদের সাথে মিল রেখে নাম দিয়ে এসব পরিচালনা করছেন।
এসব কর্মকান্ডে জেলা,উপজেলা ও জাতীয় পর্যায়ে কিছু নামধারি সংবাদকর্মীরা জড়িত। তাদের কর্মকান্ড প্রকৃত সংবাদকর্মী ও প্রবীন সাংবাদিকদের মধ্যে  বিরুপ  প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছেে। তারা কি করেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি, কেন সংবাদপত্র জগতে? এমন প্রশ্নও উঠছে।

এছাড়া বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল,টিভি চ্যানেলের নামকরে বিভিন্ন মিডিয়ায় ও ফেসবুকে আকর্ষনীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখা যায় প্রায়ই। দেখা যায় জেলা, উপজেলা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদদাতা নিয়োগ করা হবে। ডি এস এল আর ক্যামেরা,ল্যাপটপ ও মটর বাইক ও সম্মানি দেওয়ার মত প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিটি বিজ্ঞাপনে উঠতি বয়সী তরুন তরুণীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনাও  দেখা যায়  প্রায়শঃই ।সরাসরি যোগাযোগ করতে নিষেধ করে মোবাইল ফোন নম্বর ও মেইল দিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয় অনেক সময়।

এসব বিজ্ঞাপন দেখে  সাংবাদিক হওয়ার আশায়  যোগাযোগ করেন দেশের অসংখ্য মানুষ।
তাদের জানানো হয়, ‘আপনারা আসেন কিছু খরচাপাতি (অর্থ) আপনাদের দিতে হবে, আপনাদের সঙ্গে সঙ্গে আইডি কার্ড দেওয়া হবে’। আবার অনেকে বলেন আমারদের নাম্বারে বিকাশ করে টাকা পাঠান, আপনার ঠিকানায় আইডি কার্ড পাঠানো হবে।
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এ উন্নয়নের সময়ে কিছু কিছু অনিবন্ধিত    অনলাইন; নামসর্বস্ব প্রতিনিধি নিয়োগ করে দিন চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ, পত্রিকার পোর্টাল নিয়েও তারা কথা  বলার চেষ্টা করেন।
আর যারা নিউজ পাঠাচ্ছেন তাদের কিছু নিউজ আপলোড হলেই মনে করেন, আমি তো সাংবাদিক হয়েই গেছি। আমার নিউজ যেহেতু আপলোড হয়েছে এবার আমায় ঠেকায় কেে???

আসলে তারা সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেয়ার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। অনেককে আবার নিয়োগ দেয়া হলেও তাদেরকে জড়ানো হচ্ছে প্রতারণা মূলক বিভিন্ন ধরণের কর্মকান্ডে।
অভিযোগ উঠছে, প্রতারণা আর চাঁদাবাজি করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া ছাড়াও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে অর্থের বিনিময়ে পরিচয়পত্র প্রদান করছে সাংবাদিকতার নামের এই প্রতারক চক্রটি। দিনে দিনে বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম। মাঝে মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধড়া পড়লেও থেমে নেই কথিত এসব সাংবাদিকদের তৎপরতা। অভিযোগ আছে, প্রশাসনও তাদের  প্রশ্রয় দিচ্ছেন।  হয়তো বুুুঝে আবার অনেক সময় না বুঝে। এতে প্রতিনিয়ত বিব্রত হচ্ছেন পেশাদার অনলাইন,দৈনিক পত্রিকার সংবাদিক/সম্পাদক /মালিকগন।

এ বিষয়ে জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের

স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গনি মিয়া বাবুল           বলেন, এসব বিজ্ঞাপন দেখে তরুণ-তরুণীরা বিভ্রান্ত হয় । এই সুযোগে অপরাধীরা অপরাধ করে পার পেয়ে যায়।

এর বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।সরকারের উচিত দ্রুত এসব অনলাইন পোর্টাল গুলো একটি পরিছন্ন নীতিমালায় নিয়ে আসা। এদিকে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি চিঠি ক্রাইম ডায়রির পক্ষ হতে সকল প্রশাসনসহ প্রেস কাউন্সিল বরাবর প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন ক্রাইম ডায়রির প্রধান উপদেষ্টা লায়ন গনি মিয়া বাবুল।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

5674total visits,125visits today

ভূঁইফোড় অনলাইনঃঃ অচীরেই আইনের আওতায় আনা হবে— তথ্যমন্ত্রী

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

ভূঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের  ইয়ত্তা নেই। বিশেষ করে মাদকবাজ কিংবা ধান্দাবাজ ভূয়া সাংবাদিকদের মধ্যে সম্পাদক কিংবা মালিক হওয়ার অন্ধ নেশায় এমন পথে পা বাড়াতে দেখা যায়। সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা। এ পেশায় অন্যান্য পেশার মত চাকুরীবিধি আছে, বেতন আছে, ডিউটি সময়ও আছে।  আছে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যকতা। সংবাদদাতা হতে হলে যদিও প্রবেশন বা শিক্ষানবিশ শব্দটির ব্যবহার আছে; কিন্তু সম্পাদক কিংবা বার্তা সম্পাদকতো হতে হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগতযোগ্যতা ও জাতীয় দৈনিকে একটি নির্দিষ্টসময়; সেটা হতে পারে ৫ হতে ১৫ বছর।। সহ,বার্তা সম্পাদক কিংবা প্রধান কোন পদে  একটা অভিজ্ঞতাও  প্রয়োজন। এরপর প্রকাশক কর্তৃক কিংবা সম্পাদক কর্তৃক ডিক্লেয়ার আবেদন ফরমে গৎবাঁধা নিয়ম পুরণ করে আবেদন, প্রকাশনা চুক্তি, স্ট্যাম্প, শিক্ষাগতযোগ্যতার সনদ,প্রশিক্ষণ সনদ, ব্যাংক সলভেন্সি স্টেটমেন্ট আরও অনেক ডকুমেন্টসসহ আবেদন।তারপর এসবি, এন এস আই তদন্ত, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শুনানী,প্রকাশনা অধিদপ্তর ডি এফপির নামের ছাড়পত্র আরও কত ধাক্কা।তারপর সুদীর্ঘ ধাক্কায় মিডিয়াভুক্তি। কোন কিছুর বালাই নেই।

কতেক টাকা ব্যয় করে একটা পোর্টাল খুলেই হয়ে গেল সংবাদমাধ্যমের       মালিক, প্রকাশক কিংবা সম্পাদক।বাহ! তবে জাতীয় এসব সংবাদমাধ্যম কিংবা পোর্টালের কি অবস্থা।     তাদের কি অন্যায়? কেন তারা এত কস্ট করে, টাকা ব্যায় করে এত ধাক্কা অতিক্রম করল??? অথচ ভবঘুরে বেকার, মুদি দোকানদার,সাবেক মাদকব্যবসায়ী, দুটো পয়সাা হয়েছে   ধান্দা করে

সহজে উপার্জনের জন্য এরাও সাংবাদিক,, সম্পাদক কিংবা বার্তা সম্পাদক সাজে। বাহরে!

তাছাড়া অনলাইনের জন্য পিআইডি ভুক্তির আবেদনেও এসবি ও এন এস আইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয় যাচাইকরে লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলমান।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের   সদস্য, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান ও     ক্রাইম ডায়রির   প্রধান উপদেষ্টা বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন গনি মিয়া বাবুল ক্রাইম ডায়রিকে বলেন, দ্রুততার সাথে এসব অবৈধ পোর্টাল মালিক ও সম্পাদকদের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা ও সংবাদপত্র প্রকাশনা আইনে মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তাছাড়া মাননীয় তথ্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তথ্য মন্ত্রী ডক্টর হাসান মাহমুদ বলেছেন, অচীরেই  ‘ভুঁইফোড়’ অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সচিবালয়ে প্রথম দিন অফিস করতে এসেও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এই ঘোষণা  তিনি দিয়েছিলেন ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “ শপথ নেওয়ার পর অনেক সাংবাদিক বন্ধুরা প্রশ্ন করেছিলেন, অনেকগুলো ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যম তৈরি হয়েছে। তারা অনেক সময় ভুল সংবাদ পরিবেশন করে। এতে অনেকের চরিত্র হননের ঘটনাসহ, তেলবাজী,কপিরাইট আইন লংঘনসহ মেধাসত্বআইনের ব্যপক লংঘন ঘটে।”

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক হারে ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে।

এই সুযোগে তৈরি হয়েছে অনেক ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যম, যারা ফেইসবুকে বিভিন্ন ‘মনগড়া’ খবরসহ কপি পেস্ট করে প্রকৃত সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমেেের ক্ষতি করছে।

এছাড়াও, বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর জন্য চিহ্নিত করে গেল মাসেই বাংলাদেশ থেকে খোলা বেশ কয়েকটি পেইজ বন্ধ করে দেয় ফেইসবুক, যার মধ্যে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নামের মতো করে তৈরি করা একটি ভুয়া ফেইসবুক পাতাও ছিল। বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সংবাদপত্র bdnews24.com এর অগুনতি পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর নামের মাঝে একটি ‘এস’ বসিয়ে bdsnews24.com নামে এই ফেইসবুক পেইজটি খোলা হয়েছিল। একই নামে একটি ওয়েবসাইটও খোলা হয়। হাতেগোনা কয়েকটি নিউজপোর্টালের অফিস আছে, ভূয়া ঠিকানায় অফিস ব্যবহার করেন। আইন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অফিস, সম্পাদক, সাংবাদিকদের ঠিকানায় পরিদর্শন করতে গেলে অফিস তো দূরের কথা, সম্পাদককেও পাওয়া যায়নি, পোর্টালে ব্যবহার করা ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার বন্ধসহ নানা তথ্য আমাদের হাতে পৌঁছেছে। দুটো ওয়েব পোর্টালের বার্তা সম্পাদক সরাসরি মুদি দোকানদার আর বেশকয়েকটি পোর্টালের   সম্পাদক ভবঘুরে বেকার ও ভূয়া সাংবাদিক। তারা জাতীয় পত্রিকায় কাজ করেছে পরিচয় দিলেও সম্পাদকেেের  সাথে কথা বলে জানা গেছে,  তাদের আইডি কার্ড ও ভিজিটিং কার্ড ভূয়া। এ ব্যাপারে ভূয়া পরিচয় ব্যবহারকারীর বিরূদ্ধে প্রেস কাউন্সিলেে অভিযোগও দেয়া হয়েছে।

 

তবু আমরা পুণঃ জরিফ চালানোর নির্দেশ দিই। যেসব অনলাইন পোর্টাল এসব কাজে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  ভুঁইফোড় অনলাইন পত্রিকার মালিকদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

এই ধরনের ভুয়া ওয়েবসাইট বন্ধ করতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে বিটিআরসি, কপিরাইট অফিসসহ দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোতে বহু আগে চিঠি দেওয়া হয়েছিল; পদক্ষেপ চাওয়া হয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও। তবে ওই সব ভুয়া অনলাইন পোর্টাল বন্ধে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এখন এসব ‘ভুঁইফোড়’ অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
“এগুলো আপনাদের সবার সহযোগিতায় সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করব,” বলেন তিনি।

মফস্বলে থেকে জাতীয় পত্রিকায় কারও বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে ফাঁসাতে না পেরে নিজেরাই পোর্টাল খুলে ধান্দাবাজি ও চাঁন্দাবাজি করার ইচ্ছায় মফস্বলে বসেই এরা সংবাদমাধ্যম খুলে বসছে।  দূর্জয় বাংলা একটি ডিএফপির তালিকা ভুক্ত ও ডিক্লারেশনভুক্ত দৈনিক পত্রিকা যা বগুড়া হতে প্রকাশিত। অথচ ভূয়াভাবে একইনামে তা পোর্টাল খুলে প্রকাশ হচ্ছে  নেত্রকোনা হতে। আবার সিরাজগঞ্জের দৈনিক কলম সৈনিকও ঢাকা হতে ভূয়া বের হয়।

সাংবাদিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে নতুন তথ্যমন্ত্রী বলেন, “সাংবাদিক বন্ধুদের অনেক অভাব অভিযোগ আছে, আমি আগে থেকেই জানি। সেগুলো সমাধান করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সে কাজটি আমি করব।” তবে তাদের প্রেস কাউন্সিলেেের  নথিবদ্ধ সাংবাদিক হতে হবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ার যে ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে, সেটি শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে। বাংলাদেশে আজকে যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রচণ্ড শক্তিশালী হয়েছে, সেটিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হয়েছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।”

তিনি বলেন, “তথ্য মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রের চতুর্থ অঙ্গ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যম সমাজের দর্পন। সমাজের সকল চিত্র দেখায় গণমাধ্যম। সমাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে।”

ক্রাইম ডায়রি/// জাতীয়

5674total visits,125visits today

অশ্লীল ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইলঃ অতঃপর পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা

রাজবাড়ী সংবাদদাতাঃ

এতকিছুর পরও এবার রাজবাড়ীতে অশ্লীল ছবি তুলে ব্লাকমেইলের পর দাবি করা টাকা না পেয়ে এক স্কুলছাত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থল রাজবাড়ি  সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের খোলাবাড়িয়া গ্রামে।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা ফজলুর রহমান বাদী হয়ে শিল্পী বেগম নামে এক নারীসহ অজ্ঞাত আরও চারজনের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা করেছেন। শিল্পী বেগম একই গ্রামের জাহাঙ্গীর মিজির স্ত্রী। পুলিশ মামলার আলামত হিসেবে ওই স্কুলছাত্রীর পুড়ে যাওয়া কামিজ ও সালোয়ার জব্দ করেছে। যুলি নামের ওই মেয়েটি স্থানীয় খানখানাপুর তমিজ উদ্দিন খান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ে।

মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, গত ১২ এপ্রিল স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় অজ্ঞাত কয়েকজন তার মেয়েকে জোরপূর্বক রাস্তার পাশে জঙ্গলে নিয়ে ছুরি দিয়ে ভয় দেখিয়ে অশ্লীল ছবি তোলে। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিযুক্ত শিল্পী বেগম তার মেয়ের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করে। ঈদের দিন বাড়ির পাশে পুকুর থেকে গোসল করে বাড়ি ফেরার পথে অজ্ঞাত এক লোক পেছন থেকে তার মেয়ের মাথায় আঘাত করে। পরে স্থানীয়ভাবে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর গত ৬ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মেয়ে বাড়ির বারান্দায় বসে জাম খাওয়ার সময় অজ্ঞাত চার বোরকা পরা লোক তার মুখ চেপে ধরে তাকে বাড়ির পেছনে একটি পাট ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তার মেয়ের ওড়না দিয়ে হাত, পা ও মুখ বেঁধে ম্যাচের কাঠি দিয়ে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। তার মেয়ে মাটিতে গরাগরি করায় আগুন বাড়তে পারেনি। পরে মেয়ের গোঙানোর শব্দ শুনে তার স্ত্রী গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ফজলুর রহমান বলেন, শিল্পী বেগমের সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা নেই। তাদের কাজ মানুষকে ব্লাকমেইল করা। আমার মেয়ের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য একটা ফাঁদ পেতেছিল।

রাজবাড়ী সদর থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার জানান, মামলার এজাহারে চারটি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ প্রতিটি ঘটনাই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। পুলিশ স্কুলছাত্রীর পুড়ে যাওয়া কামিজ ও সালোয়ার জব্দ করেছে। আসামি শিল্পী বেগমকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা যায়নি। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

শনিবার রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এদিকে ঘটনার পর ওই ছাত্রীর ভাই সোহেল বেপারী এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বোনের পুড়ে যাওয়া সালোয়ার-কামিজের ছবি প্রকাশ করেন। পরে সেই স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়ে যায়। সেই স্ট্যাটাসে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে অভিযুক্তদের বিচার চান। পরে শনিবার দেওয়া আরেক স্ট্যাটাসে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়া পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি।

ফেনীর ঘটনা শেষ হতে না হতে এমন ঘটনায় আতংকিত সাধারণ মানুষ।। এ ধরনের ঘটনাকে তাই খাটো করে না  দেখে তড়িৎ গতিতে ব্যবস্থাা নিতে সকল প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন সুশীলসমাজের প্রতিনিধিগন ।

ক্রাইম ডায়রি/// ক্রাইম// জেলা

5674total visits,125visits today

জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের উদ্যেগে ও অনলাইন ভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন fb/Grame Chol গ্রামে চল আন্দোলনেেের   আয়োজনে     প্রকৃতির উন্নয়ন ও জনস্বার্থে  বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।  কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও গ্রামে চল আন্দোলনেেের        প্রতিষ্ঠাতা আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল। এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও শাখা সমুহের উদ্ধতন নেতৃবৃন্দের সাথে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের শেরপুর শাখার সভাপতি সাংবাদিক এরশাদ, সহ সভাপতি আব্দুর রশি,     সাধারন সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকসহ শেরপুরের নেতৃবৃন্দ।

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়

5674total visits,125visits today

রুপনগরে জাকের পার্টি নেত্রী ফারাহ ফয়সলের ঈদ বস্ত্র বিতরণ

রুপনগর সংবাদদাতাঃ

জাকের পার্টি মহিলা ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদিকা ফারাহ আমীর ফয়সল আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর দুয়ারীপাড়া ইস্টার্ন হাউজিং রোডে রূপনগর সরকারী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশু কিশোর ও নানা বয়সী নারী পুরুষের মাঝে ঈদ বস্ত্র ও ঈদ খাবার সামগ্রী বিতরন করেন।

এর আগে ফারাহ ফয়সল সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উদ্যেশ্যে বলেন, মাত্র ২’৫ % ভাগ জাকাত দিয়েই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। ঈদ এলেই এ কাজটি করতে দেখা যায়। কিন্তু সারা বছর করতে হবে সাহায্য সহযোগিতার কাজ। জাকের পার্টি শুরু থেকেই ধনী গরীবের বৈষম্য নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে। বৈষম্য নিরসনে আমাদের এ প্রচেষ্টা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

এ আয়োজনে ছাত্রী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয়, ঢাকা মহানগর ও রুপনগর থানা নেত্রীবৃন্দ সহ ছাত্র ফ্রন্ট ও জাকের পার্টি নেতৃবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।

ক্রাইম ডায়রি/// রাজনীতি

5674total visits,125visits today