• বুধবার ( সকাল ৬:৫৫ )
    • ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

রাজধানীতে ডি এস সি সি’র রাজস্ব ও জন্ম নিবন্ধন অফিসে ছদ্মবেশে দুদকের অভিযান

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে       এবং  দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে আগত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৬-১০-২০১৯ খ্রি. এ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের খিলগাঁও রাজস্ব অঞ্চল ও জন্ম নিবন্ধন অফিসে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে ব্যাপক অনিয়ম উদঘাটন করেছে দুদক। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে  দুই ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ খায়রুল হক এবং উপসহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়ার সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-২ এ আজ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে দুদক বিশেষ টিমের এক সদস্য লাইনে দাঁড়িয়ে দেখেন সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের আবেদন নিয়ে গেলে স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা সেবাপ্রার্থীদের কাছে অনৈতিক অর্থ দাবি করছেন। তারা সন্তানদের জন্য নকল টিকা কার্ড বানিয়ে এবং খিদমাহ হাসপাতাল থেকে ভুয়া তারিখে জন্ম গ্রহণের প্রমাণক নিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করবেন বলে জানান। বিষয়টি দুদক টিমের গোচরীভূত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী/দালালরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে অপর একটি অভিযোগের বিষয়ে টিম ডিএসসিসি অঞ্চল কর অঞ্চল-২ এ উপস্থিত হলে ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের জন্য একজন “লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন সুপারভাইজার” এক ব্যক্তির নিকট ২ দফায় ৩ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন মর্মে অভিযোগ পায়। অপর অভিযুক্ত “লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন সুপারভাইজার” দুদক টিমের উপস্থিতি টের পেয়ে অফিসস্থল ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তাঁর সাথে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ স্থাপন করা যায়নি। দুদক টিম প্রাপ্ত অনিয়মসমূহের বিষয়ে রাজস্ব অঞ্চল-২ এর কর কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন-কে অবহিত করলে তিনি দায়ভার গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। টিম অভিযানে প্রাপ্ত তথ্যাবলি ও প্রমাণাদি-সহ পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশনের নিকট অনুমোদন চেয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। উপস্থিত জনসাধারণ দুদকের এ অভিযানকে স্বাগত জানায়। টিমের উপস্থিতিতে জনসাধারণ তাদের নানাবিধ অভিযোগ উপস্থাপন করেন।  স্বতঃস্ফূর্ত জনতা এ সময় দুদক টিমের এমন অভিযানে খুশি প্রকাশ করে এমন অভিযান অব্যহত রাখতে দুদকের প্রতি আবেদন জানায়।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আইন শৃঙ্খলা///দুদক বিট

Total Page Visits: 17099

পল্টিবাজ ও ভুঁইফোঁড় যুবলীগের জিকে শামীম দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

শেখহাসিনার চাওয়া যেন বঙ্গবন্ধুর চাওয়ার প্রতিফলন। তিনি চাইতেন দুর্নীতিমুক্ত আওয়ামীলীগ। শেখ হাসিনাও তাই চান।পুরো দেশবাসী তাই চায়।আমরাও চাই।।। দুর্নীতিবাজরা কারো বন্ধু নন।তারা ধান্দাবাজ ও পল্টিবাজ।।। ক্ষমতার পালা বদলে তারাও দল পাল্টান।

ঢাকা মহানগর যুবদলের সাবেক সহসম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে তার ছয় দেহরক্ষী সহ আটক করেছে র‌্যাব। যুবদল হতে যুবলীগ।

ভুঁইফোঁড় যে কোন সংগঠনের জন্য কত বড় বিষফোঁড়া তা এবার হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছে আওয়ামীলীগসহ৷ সকল রাজনৈতিক দল।।।সকাল বিকাল যারা নীতি পরিবর্তন করেন তারা ধান্দাবাজ না হয়ে পারেন না।

শামীমকে গ্রেফতারের সময় রাজধানীর নিকেতনে তার ব্যবসায়িক কার্যালয় জি কে বিল্ডার্স থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ নগদ ১০ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বিপুল পরিমানে এফডিআর ও ডলার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) জব্দ করা হয়েছে।

রাজধানীর নিকেতন থেকে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীমকে একাধিক দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার দুপুরে নিকেতনে শামীমের ব্যাবসায়ীক কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ৬ দেহরক্ষীসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দেহরক্ষীদের মধ্যে প্রধান দেহরক্ষী শহীদুল মুরাদ কামাল ও জাহিদের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিকেতন ৪ নম্বর রোডের ১১৪ নম্বর ভবনে জিকেবি কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড শামীমের বাণিজ্যিক কার্যালয়। জি কে শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক। একই সাথে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীম প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবেই পরিচিত। গণপূর্ত ভবনের বেশির ভাগ ঠিকাদারি কাজই জি কে শামীম নিয়ন্ত্রণ করেন। শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শামীম। আফসার উদ্দিন মাস্টার ছিলেন হরিহরদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন ছেলের মধ্যে জি কে শামীম মেজো। বড় ছেলে গোলাম হাবিব নাসিম ঢাকায় জাতীয় পার্টির রাজনীতি করেন। সন্মানদী ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, প্রাইমারি স্কুল ও হাই স্কুল পাস করার পর তাঁদের গ্রামে দেখা যায়নি। ঢাকার বাসাবো আর সবুজবাগ এলাকায় বড় হয়েছেন। গত জাতীয় নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচনের জন্য প্রচারণাও চালিয়েছিলেন শামীম।

তিনি সবসময় ছয়জন অস্ত্রধারী দেহরক্ষী প্রটেকশন নিয়ে চলেন। সবার হাতেই থাকে শর্টগান। গায়ে বিশেষ সিকিউরিটির পোশাক। তাদের একেকজনের উচ্চতা প্রায় ছয় ফুট। শামীম ছোটখাটো মানুষ হলেও তার ক্ষমতার দাপট আকাশসমান।

 

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কিংবা যুবলীগের পার্টি অফিস, বিয়ে বাড়ি কিংবা বন্ধুর বাড়ি, যেখানেই তিনি যান, সঙ্গে থাকে অস্ত্রধারী প্রটোকল বাহিনী। ভারী অস্ত্র নিয়ে ছয়জন নিরাপত্তারক্ষী আগে-পিছে পাহারা দিয়ে তাকে নিয়ে যান। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন জি কে শামীম।

বাসাবো এলাকায় পাঁচটি বাড়ি এবং একাধিক প্লট রয়েছে শমীমের। বাসাবোর কদমতলায় ১৭ নম্বরের পাঁচতলা বাড়িটি জি কে শামীমের। এই বাড়িটি ম্যানেজার হিসেবে দেখাশোনা করেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন সর্দার। শামীম কয়েক বছর বাসাবোর ওই বাড়িতে বসবাস করলেও এখন থাকছেন বনানীর ওল্ড ডিওএইচএসে নিজের ফ্ল্যাটে। এবং নিজের কার্যালয় বানিয়ে বসেন নিকেতন এলাকায় একটি ভবনে। বাসাবোতে আরো রয়েছে তিনটি ভবন এবং ডেমরা ও দক্ষিণগাঁও ছাড়াও সোনারগাঁ উপজেলা, বান্দরবান ও গাজীপুরে কয়েক শ বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।

বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা অন্যায় অপরাধকে মোটে বরদাশত কটেন না।অন্যায়ের প্রতি আপোসহীন নেত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে আছে আপামর নাগরিকবৃন্দ।

 

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম

Total Page Visits: 17099

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নিবির পর্যবেক্ষণ করা হবে

শাহাদাত হোসেন রিটনঃ

একের পর এক ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি এখানে কার্যরত বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম গভীর পর্যবেক্ষণের আওতায় নিয়ে আসছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সংশ্নিষ্ট বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে পরিবর্তনসহ বেশ কিছু নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।  ক্যাম্প এলাকায় তাদের সংঘবদ্ধ সমাবেশ, চাঁদাবাজি ও মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে সংশ্নিষ্টতা এবং কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন তৎপরতার বিষয় নজরে আসার পর সরকার টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধসহ জরুরি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে শরণার্থী ক্যাম্প এলাকায় বিকেল ৫টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ১৩ ঘণ্টা থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ করার জন্য মোবাইল ফোন অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতে কূটনৈতিক কার্যক্রমও জোরালো করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের যারা দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে নিরুৎসাহিত করবে কিংবা বাধা দেবে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে রোহিঙ্গাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভাসানচরে পাঠানো হবে না।

কয়েকটি এনজিওকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তৎপরতা চালাতে দেখা যায়, যেগুলোর কার্যক্রম সেখানে বেশ আগেই এনজিও ব্যুরো নিষিদ্ধ করেছিল। এসব এনজিও রোহিঙ্গাদের মধ্যে উগ্র চিন্তার প্রচার, সরকারবিরোধী প্রচারণা, এমনকি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ার মতো অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে সরকারের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে। কয়েকটি এনজিও রোহিঙ্গাদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি অবৈধভাবে এ দেশের জাতীয় পরিচয়পত্র পাইয়ে দেওয়ার মতো অপরাধমূলক তৎপরতার সঙ্গে জড়িত- এমন তথ্যও উঠে আসে। দেখা যায়, এসব এনজিও শরণার্থীদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত জরুরি সেবা দেওয়ার জন্য নির্দেশিত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও তা আদৌ দিচ্ছে না।

সম্প্রতি নেতিবাচক কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৪১টি এনজিওর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এগুলোর বেআইনি কার্যক্রম সম্পর্কে প্রায় এক বছর আগেই স্থানীয় প্রশাসন এনজিও ব্যুরোর কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়েছিল, যার ভিত্তিতে সেগুলোর কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। কিন্তু রহস্যজনকভাবে এ তালিকাভুক্ত অধিকাংশ এনজিওই ক্যাম্পে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। সর্বশেষ ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের তারিখ নির্ধারণের পর এসব এনজিও কর্মী তাদের নিরুৎসাহিত করতে প্রচারণা চালায়।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসেই বিতর্কিত এবং এনজিও ব্যুরোর শর্ত লঙ্ঘন করা সাতটি এনজিওর কার্যক্রম বন্ধের সুপারিশ করে স্থানীয় জেলা প্রশাসন। এসব এনজিওর মধ্যে ছিল- এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস (ইডিএএস), সেভ দ্য চিলড্রেন, মোয়াস এমডিএস, কোডাক, এসআরপিবি এবং শেড। পরে এনজিও ব্যুরো থেকে মোট ৪১টি এনজিওর একটি তালিকা তৈরি করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ব্যুরোর যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ ওঠে। তবে রহস্যজনকভাবে ৪১ এনজিওর সুনির্দিষ্ট নামসহ তালিকাটি কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। অনানুষ্ঠানিকভাবে বেশ কিছু এনজিওর নাম কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়। এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন গত ৩০ আগস্ট ৪১টি এনজিওর কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত জানালেও এর তালিকা সাংবাদিকদের দিতে পারেনি কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসন।

এদিকে কক্সবাজারের বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, ক্যাম্পে পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এবং স্থানীয় কিছু এনজিওর রাজনৈতিক তৎপরতা ও উগ্র চিন্তার প্রচারের মতো ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এদের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি।

সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য, সমাবেশ আয়োজন ইত্যাদি মূল্যায়ন করে তাদের অপরাধমূলক ভূমিকার কথা একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে কিছু এনজিওর অশুভ তৎপরতা চালানোর বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে। তাই এসব এনজিওর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এসব এনজিও কীভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে, কারা তাদের সহযোগিতা করছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিতর্কিত এনজিওগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মঙ্গল চিন্তা করেই তাদের ভাসানচরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক সংস্থার কর্মকর্তাই কক্সবাজারে গিয়ে ফাইভ স্টার হোটেলে থাকেন। ভাসানচরে ফাইভস্টার হোটেল না থাকায় আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থা রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠাতে আপত্তি করছে। তিনি বলেন, নীতিগত অবস্থান থেকে রোহিঙ্গারে জোর করে ভাসানচরে পাঠানো হবে না।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা///জাতীয়

Total Page Visits: 17099

আসামে নাগরিক তালিকাঃ বাদ পড়েছে প্রায় বিশ লাখ আদি বাসিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

সেভেন  সিস্টার্স বলে পরিচিত এলাকা    ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের আদি  বাসিন্দাদের নাম  তালিকা (এনআরসি) থেকে বাদ পড়েছে প্রায় বিশ লাখেরও বেশি মানুষের নাম। ৩১আগষ্ট  শনিবার সকালে প্রকাশিত তালিকায় চূড়ান্তভাবে  ৩ কোটি ১১ লাখ মানুষের নাম প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘদিন হলো আলোচিত ইস্যু   এনআরসি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিল ।  অনলাইনে তালিকা প্রকাশের পর অপ্রকাশিত প্রায় বিশ লাখ  মানুষের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়ে গেল বলে জানিয়েছে  এনডিটিভি।

এসব মানুষকে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করে বাদ দেয়া হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মিরের কয়েক দশকের পুরনো স্বায়ত্তশাসন বাতিল করার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই এই এনআরসি তালিকা প্রকাশ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় মেয়াদের অন্যতম বৃহত্তম পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।এদিকে এনআরসি তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এই রাজ্য যাতে কোনো অশান্তি না ছড়ায় সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি সরকারি স্থানে চার জনের বেশি লোক জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, বিশেষত সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোতে। কেননা এর আগে আসামের গুয়াহাটিসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় এই ইস্যুতে অশান্তি ছড়ায়। আসাম জুড়ে প্রায় ৬০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ২০ হাজার অতিরিক্ত আধা-সামরিক বাহিনীও আসামে পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

কেন্দ্র অবশ্য বলেছে, যাদের নাম চূড়ান্ত নাগরিক তালিকায় স্থান পাবে না সমস্ত আইনি বিকল্প শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এখনই বিদেশি ঘোষণা করা যাবে না। এনআরসির বাইরে থাকা প্রতিটি ব্যক্তি বিদেশি ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারেন এবং আবেদন করার সময়সীমা ৬০ থেকে বাড়িয়ে ১২০ দিন করা হয়েছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে তাদের পক্ষে যুক্তি শোনার জন্য পর্যায়ক্রমে কমপক্ষে এক হাজার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে; এর মধ্যে ১০০টি ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যেই খুলে দেয়া হয়েছে এবং আরও ২০০টি আগামী সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই স্থাপন করা হবে। ট্রাইব্যুনালে কেউ মামলা হারলেও তারা উচ্চ আদালত এবং তারপরে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করতে পারবেন।

ক্ষমতাসীন মোদী সরকার জানিয়েছে  সকল আইনি বিকল্প শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকেই বিদেশি হিসেবে ঘোষণা করা হবেনা।

ক্রাইম ডায়রি// আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 17099

প্রসঙ্গ ইভটিজিংঃ আত্মহত্যা,বাস্তবতা ও করণীয়

স্পেশাল ডেস্কঃঃ

ইভটিজিং এক মহাপ্রলয়ংকারী আতংক। উঠতি বয়সী মেয়েরা এমন এক অবস্থার মুখোমুখি হয়  যেখানে সে কিছুই বলতে পারেনা।নিরবে সে বাধ্য হয় অথবা আত্নহত্যাও করে বসে। বাংলাদেশে গত আড়াই বছরে ‘ইভ টিজিং’ বা প্রেমের নামে ছেলেদের হাতে উত্যক্ত বা হয়রানির শিকার হয়ে প্রায় ৪০ জন মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে বলছে একটি গবেষণা রিপোর্ট।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের করা ওই গবেষণায় বলা হয়, উত্যক্তকারীদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার কোন উপায় না দেখেই সাধারণত ওই মেয়েরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।প্রকাশিত রিপোর্টটিতে বলা হয়, ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭৫৪টি ইভটিজিং-এর ঘটনার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু এসব ঘটনার বিচারের হার খুবই নগণ্য। নারী নির্যাতনের খবর বাংলাদেশে নতুন নয়, কিন্তু ইভ টিজিং-এর শিকার হয়ে ৪০ জনের আত্মহত্যার ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জনস্বার্থে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন হুবহু তুলে ধরা হলোঃ—–

“বাংলাদেশে এমন নারী খুঁজে পাওয়া দুস্কর যে কখনো কোনো দিন ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়নি! সে বোরকার নিচেই থাকুক আর তথাকথিত আধুনিকাই হোক না কেন। ফেস-টু-ফেস কিংবা ভার্চুয়াল, নারী পরিচিত-অপরিচিতদের কাছ থেকে কখনো নোংরা কথা কিংবা কখনো ‘হাই সুন্দরী’, এই জাতীয় প্রশংসাসূচক কথার মাধ্যমেও টিজিংয়ের শিকার হয়ে থাকে। যে বলে, ‘কই আমার মা-বোনেরা তো কোনো দিন টিজিংয়ের শিকার হয়নি!’ কিছু না জেনেই আবার যে বলে, ‘টিজিং করছে, নিশ্চয় মেয়েটার দোষ ছিল। এক হাতে তো বাপু তালি বাজে না। আরও তো মেয়ে আছে, তাদের তো কেউ টিজ করে না।’ আমি তাদের বলব, ‘আপনি সত্য থেকে বহু দূরে! টিজিংয়ের জন্য সুন্দরী-অসুন্দরী, হিজাব-নেকাব কোনটাই কাজে আসে না। ওই যে ‘নিনজা’ যায় কিংবা ‘বোরকাওয়ালি’ আইছে—এটাও তো টিজিং বা বুলিংয়ের পর্যায়েই পড়ে। আর তালি আজকাল এক হাতেও বাজে বটে, দরকার শুধু একটা ড্রাম বা ঢোল জাতীয় কিছু।

তবে এ কথাও সত্যি যে, আজকাল ছেলেরাও নাকি টিজিং-বুলিং এসবের শিকার হয়ে থাকেন। তো সে ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, টিজিং অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছালে শুনেছি কেউ আত্মহত্যা করেন, কেউ নেশা করেন, কেউ লেখাপড়া বাদ দিয়ে ঘরে বসে থেকে মানবেতর জীবন যাপন করে থাকেন।
আমি আজকে লিখছি তাদের জন্য, যারা সর্বদাই ‘টিজিং’ নামক নোংরামির সাথে পথ চলতে বাধ্য হচ্ছে। হতাশায় ভুগে জীবনের লক্ষ্য থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে। জীবনের গল্প থেকে নেওয়া এ লেখা শুধুই তাদের জন্য।


তখন আমি মাত্র অনার্স শেষ করে মাস্টার্সের জন্য ফাইনান্স ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছি। কিছুদিন পর জানতে পারলাম ডিপার্টমেন্টে শিক্ষক নিয়োগ হবে। সত্যি বলতে কি, শৈশব-কৈশোরে বড় হয়ে অনেক কিছু হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন আমি দেখিনি। সারা জীবন নিজে পড়ো আর অন্যদের পড়াও, ভাবতেই কেন যেন দম বন্ধ হয়ে আসত। কিন্তু নিয়তি বলে অন্য কথা!
প্রশাসনিক দপ্তরে যথাসময়ে দরখাস্ত জমা দিলাম। প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ার কারণে, সব থেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সবার আগে আমার নাম শুনতে পেলাম। তবে অনেকের কাছে এ কথাও শুনলাম, ওপর মহল থেকে ফোন না এলে নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া যায় না। বাবা-মা-আত্মীয়স্বজন ১৪ গোষ্ঠীর মধ্যে ‘তথাকথিত ওপর মহলে’ কেউই অবস্থান করেন না বিধায় ওপর মহলের চিন্তা বাদ দিয়ে বরাবরের মতোই ওপরওয়ালার ওপর সব ছেড়ে দিলাম। ভাগ্যে লেখা থাকলে হবে, না থাকলে নাই—এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করে নিজের মেধা-যোগ্যতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখলাম।
শিক্ষক নিয়োগের ভাইভার আর কিছু দিন বাকি আছে। হঠাৎ করেই আবিষ্কার করলাম ক্যাম্পাসে যেখানেই যাচ্ছি, ছেলেরা আজেবাজে টিজ করছে। মাথায় ঢুকছে না কেন আমাকে নিয়ে সবাই আজেবাজে কথা বলছে। কাহিনি কী? ঘনিষ্ঠ বান্ধবীদের কাছে জানতে পারলাম আমি যাতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ না পাই, তাই কোনো একটি মহল আমাকে নিয়ে হরেক রকম গল্প বানাচ্ছে এবং তা সচেতনভাবেই ছড়িয়ে দিচ্ছে ক্যাম্পাসের আনাচকানাচে। সেই মহলের ইচ্ছে শক্ত রাজনৈতিক খুঁটির ওপর দাঁড়ানো ১২তমকে নিয়োগ দেওয়ার। কিন্তু তার আগে তো ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টকে হটাতে হবে! আর যেহেতু আমি মেয়ে, কাজেই আমার নামে নোংরা কিছু ছড়িয়ে দিলেই হলো। জনগণ গুজব (রিউমার) শুনতে পছন্দ এবং নিজের মতো করে গল্প বানাতে পছন্দ করে। কাজেই কোনো কিছু যাচাই না করে অনেকেই মুখে যা আসে তা-ই বলা শুরু করল। আমি ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিতে থাকলাম।
সত্যি বলতে কী, সে সময় মানসিকভাবে আমি খুব ভেঙে পড়েছিলাম। হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে মরার চিন্তাও যে মাথায় আসে নাই, বললে মিথ্যা বলা হবে। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় একদিন ভেবে দেখেছি, আমার আত্মহত্যা কি এর সঠিক সমাধান? আমি মরলে এদের কী? কিন্তু আমার বাবা-মা-ভাইবোন যারা আমাকে বড় করেছেন, ওদের কী হবে? ভেবে দেখলাম, জীবনে এই চাকরি করতে হবে এমন তো কোনো কথা নাই। আমার যে যোগ্যতা, তা দিয়ে আমি যেকোনো ভালো প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়তে পারব। আর বড় কথা হলো, আমি যাতে এসব নোংরা টিজিংয়ের জন্য প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাই, এটাই তো কেউ কেউ চাইছে। আমি কেন হেরে গিয়ে ওদের জিতিয়ে দেব? আমার তো কোনো দোষ নেই।
আমি নিজেকে বদলাতে শুরু করলাম। আগের মতো ক্লাস, লাইব্রেরি, অডিটরিয়াম সবখানে যাওয়া শুরু করলাম। নোংরা কথাগুলো এক কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দিতাম। মানুষের ফিসফিসানি, কানাকানি দেখেও না দেখার ভান করতে লাগলাম। ভিতরে ভিতরে পুড়ে গেলেও বাইরে থেকে এত শক্ত থাকতাম যে বদমাশগুলো টিজ করে তেমন মজা পেত না। আমার নিস্পৃহতা ওদের উত্সাহে পানি ঢেলে দিয়েছিল বোধ হয়। আমি মুখোমুখি ওদের কখনোই প্রতিবাদ করিনি। আমার মতে প্রতিবাদ করা মানে ওদের আরও উসকে দেওয়া। আমার নিস্পৃহতা ছিলই আমার প্রতিবাদ।
এত কিছুর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিটা আমি পেয়েছিলাম, আমার ভালো রেজাল্ট, আমার দৃঢ় মনোবল আর সততাই আমাকে জিতিয়ে দিয়েছিল। একদা ক্যাম্পাসের যে নোংরা বাতাসে আমার শ্বাস নিতে বড্ড কষ্ট হতো, শিগগিরই সেই নোংরা বাতাস নির্মল বিশুদ্ধ হতে লাগল। জঘন্য গুজবগুলো হঠাৎই বাতাসে মিলিয়ে গেল।
তাই মেয়েরা তোমাদের বলছি, নোংরা কথা নোংরা লোকেরা বলবেই। আত্মহত্যা কিংবা নিজেকে সবকিছু থেকে গুটিয়ে নেওয়ার মতো ভুল সিদ্ধান্ত এর কোনো সমাধান নয়। কে কী বলে বলুক, তুমি শক্ত হয়ে পথ চলো। মাথা উচু করে হেঁটে যাও। ওদের মিথ্যা কথায় কষ্ট পাচ্ছ? বুঝতে দিও না।

তোমাকে টুকরো টুকরো করে ভাঙাই তো ওদের লক্ষ্য। তুমি যখন নির্বিকার থাকবে, ওরা এমনিতেই দেখবে একদিন উত্সাহ হারিয়ে চুপটি মেরে যাবে। আর তুমি তোমার পড়াশুনায় মন দাও, ভালো ক্যারিয়ারের স্বপ্ন দেখো। অমূল্য এই জীবনটাকে তুমি গড়ে তোলো তোমার মেধা দিয়ে, তোমার কর্মগুণে।
পিছু ফিরে দেখতে পাবে, নোংরা ছেলেগুলো এখনো গলির মুখে, স্কুল-কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ঠিক আগের মতো। তবে আরও নোংরা হয়ে। এবার তারা টিজ করছে তোমার ভাই বা বোনের মেয়েটিকে। কিংবা আরও পরে ফুটফুটে তোমার মেয়েটিকে। ওরা কখনোই বদলাবে না। কিন্তু তুমি তো তোমার জীবনটাকে বদলে দিতে পারো! দরকার শুধু তোমার ইচ্ছাশক্তি আর সাহসিকতার। রাস্তার নোংরা ছেলেগুলো থাক না রাস্তায় পড়ে। তোমার এই অমূল্য জীবন শুধুই তোমার। তুমি ভয় না পেয়ে এগিয়ে যাও, অনেক দূরে—সাফল্যের শিখরে।”

বাংলাদেশের বহু জায়গায় কি বগুড়ার প্রত্যন্ত ধনকুন্ডি গ্রাম;  কি টেকনাফ কিংবা তেতুলিয়ার ঘোরপল্লী সবজায়গায় ইভটিজার। আর এরা হলো একই পাড়ায় বেড়ে ওঠা উঠতি বয়সী টোকাই শ্রেণীর ছেলেরা। ক্রাইম ডায়রির বিশেষ গবেষণায় দেখা গেছে এগুলো বন্ধে প্রয়োজন স্কুল ভিত্তিক নিয়মিত আলোচনা,প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করা,মসজিদে নিয়মিত আলোচনা ও সামাজিক উদ্যোগ। তাহলে বন্ধ হতে পারে ইভটিজিং।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম///স্পেশাল/জাতীয়

Total Page Visits: 17099

বিশেষ অভিযানে উঠতি ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্র আটক করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ

হোসেন মিন্টুঃ

ঈদের নিরাপত্তায় সারাদেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬জন উঠতি ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের সদস্য কে গ্রেফতার করেছেন ইপিজেড থানা পুলিশ।

থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ,  ১০আগস্ট রাত ১২.৪৫ মিনিটে সময় এই উঠতি ৬ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্যদের আটক করা হয়।  ওসি মীর মোঃ নূরুল হুদা  ক্রাইম ডায়রিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

গ্রেফতারকৃত ডাকাত দলের সদস্যরা হলো– মোঃ বাবুল প্রকাশ বাবু (২২), পিতা-মোঃ খলিল, জেলা-বাগেরহাট, মোঃ সবুজ (১৯), পিতা-মোঃ ইউছুফ, সাং-সূর্যমনি, খাইগো বাড়ী, থানা-মঠবাড়ীয়া, জেলা-পিরোজপুর, মোঃ আরিফ (২৬), পিতা-মোঃ বাচ্চু মিয়া, মোঃ মামুন (২০), পিতা-মোঃ ফরিদ, থানা-মোংলা, জেলা-বাগেরহাট, মোঃ রিপন (১৯), পিতা-মৃত লোকমান সিকদার,থানা-মোড়েলগঞ্জ, মোঃ নাদিম (১৫), পিতা-মোঃ হারুন, থানা-ভান্ডারিয়া, জেলা-বরিশাল । ডাকাতদলে আরও সদস্য ছিল। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে তারা বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে  পালিয়েছে । পালাতকদের ধরার ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে থানা সুত্রে জানা গেছে।


অপরাধীরা  ইপিজেড থানাস্থ কলসিদীঘী,ব্যারিস্টার কলেজ ওবন্দরটিলা রেলবিটের আশ-পাশের ভবনের অস্থায়ী ভাড়াটিয়া ঘরে অবস্থান করে এলাকায় চুরি,ডাকাতী ওছিনতাই কাজে লিপ্ত বলে তদন্ত ওসি ওসমান গনি জানিয়েছেন।তারা সবাই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরি,ডাকাতী ওছিনতাই কাজে লিপ্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন । অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে আদালতে  প্রেরন করা হয়েছে।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম/মহানগর

Total Page Visits: 17099

কানাডায় নিজ পরিবারের সবাইকে খুন করলো বাংলাদেশী বগুড়ার যুবক

ক্রাইম ডায়রি আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ঠান্ডা মাথার খুনি। শব্দটা সবার নিকট পরিচিত।     হ্যা, ঠান্ডা মাথাতেই খুন হলেন বাংলাদেশীী পরিবারের প্রায় সব সদস্য। আর খুনি তাদেরই ছেলে।

কানাডার টরন্টোর মারখাম এলাকায় নিজ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে বাংলাদেশের বগুড়া জেলার  যুবক মিনহাজ জামান (২৩)।মিনহাজ উল্লেখ করেছেন, প্রথমে তিনি তার মাকে হত্যা করেন। পরে নানী, বোন এবং সবশেষে বাবাকে খুন করেন। পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও মারখামে নিহত পরিবারটি যে বাংলাদেশি, তা এখন নিশ্চিত। খুনের দায়ে গ্রেফতার হওয়া মিনহাজ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তো।

কেন সে নিজের মা, বাবা, বোন ও নানীকে হত্যা করলো তা সে কানাডার অনলাইন গেম, চ্যাটিং ও সংবাদ মাধ্যমে নিজেই বর্ণনা করেছে।প্রথম কারণ ছিল অনলাইন গেমের প্রতি তার আসক্তি।এমনকি ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তি হওয়ার পরও সে এই আসক্তি ত্যাগ করতে পারেনি।প্রতিদিন ইউনিভার্সিটিতে যাওয়ার কথা বলে সে যেতো ভার্সিটির নিকটস্থ শপিং মলে অনলাইনে গেম খেলতে।দ্বিতীয় সেমিস্টারের সময় সে নাস্তিকতায় আক্রান্ত হয়।ফলে জীবন ও জগৎ সম্পর্কে হতাশা বাসা বাঁধতে থাকে।এক পর্যায়ে অর্ধেক সাবজেক্টে ফেল করার কারণে সে ভার্সিটি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।এক পর্যায়ে নিজের সম্পর্কে সে খুবই হীনমন্যতায় ভুগতে থাকে।সে নিজেকে নরাধম মনে করে এবং তার মত সন্তানের জন্য পরিবার লজ্জা পাবে এই চিন্তা থেকে পরিবারের সবাইকে হত্যা করে নিজের বাকি জীবন কারাগারে কাটিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

স্থানীয় ভাইস ডট কমে বন্ধুকে লেখা ঘাতক মিনহাজের পোস্ট যা কানাডার গ্লোবাল নিউজে প্রকাশিত হয়ঃ—–

এর আগে, ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সান্তা ক্লারা সিটিতে হাসিব-বিন গোলাম রাব্বি (২২) নামক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক তরুণ গুলি করে তার বাবা গোলাম রাব্বি (৫৯) এবং মা শামিমা রাব্বি (৫৭) কে হত্যা করেন। রাব্বি দোষী সাব্যস্ত হবার পর জেল-জরিমানার অপেক্ষায় রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কারাগারে। রাব্বি দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন বগুড়া জেলা থেকে।

ক্রাইম ডায়রি//আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 17099

অতিরঞ্জিত অপপ্রচারে আমাদের দেশের ডেইরী শিল্প যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়—মোজাম্মেল হক

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ-

হঠাৎ করেই  অস্থির ও অস্তিত্ব সংকটে   দেশের দুগ্ধশিল্প। ক্রমাগতঃ নেগেটিভ রিপোর্টে   জনসাধারণও অস্থিরতায় ভূগছে।। দেশীয় গাভীর দুধকে প্রক্রিয়া করতে গিয়ে যদি মাণহীন হয়ে পড়ে তবে তা আশংকাজনক না হয়ে পারেনা। তবে একটা বাস্তব কথা এই যে, গাভীর দুধ দহন করার পর এতে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।   সুতরাং দহিত দুধ ২৪ ঘন্টার মধ্যে যতই প্রসেসিং করা হোক ব্যাকটেরিয়া  কমবেশি ধরা পড়বেই।।। প্রাকৃতিক জিনিসে সাধারণ প্রযুক্তিতে   তা কতটুকু রোধ করা সম্ভব তাও যেমন ভেবে দেখতে হবে পাশাপাশি আদিকাল হতেই মানুষ দুধ দহন করে খেয়ে আসছে তাতেই বা কতটুকু স্বাস্থ্য ঝুঁকি হয়েছে তা মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত নেয়া ভাল। এ ব্যাপারে দেশের সুশিল ও দেশপ্রেমিক মানুষেরা যারপরনাই উদ্বিগ্ন।  কারন, এরসাথে জড়িয়ে আছে দেশের শিল্প ও   কোটি যুবকের স্বপ্ন।

এ বিষয়ে RAB-4 ঢাকা এর অধিনায়ক মোঃ মোজাম্মেল হকের একটি বক্তব্য দেশবাসীর নজর কেড়েছে। দেশপ্রেমিক ও গণবন্ধু এই মানুষটির বক্তব্য জনস্বার্থে হুবহু তুলে ধরা হলোঃ–

“বাংলাদেশে অনেক কষ্টে শিক্ষিত বেকার ও কৃষক ভাইদের ঘামে শ্রমে এবং লাইভস্টক বিভাগের অক্লান্ত সহযোগীতায় ডেইরি খাত গড়ে উঠেছে। দুধে ক্ষতিকর মাত্রায় ব্যাকটেরিয়া এবং এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতি সম্পর্কে মতামত দেয়ার পূর্বে এতদসংক্রান্তে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মতামত নেওয়া প্রয়োজন। জনস্বাস্থ্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। তবে কোন কারনেই যেন অনেক কষ্ট এবং ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে উঠা আমাদের ডেইরি খাত ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা জরুরী। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার কর্মজীবনের
সাড়ে চার বৎসর লাইভস্টক বিভাগে চাকুরী করেছি। গ্রামের চাটমোহরে এখনো হাইব্রিড ২ টি গাভী প্রতিপালিত হচ্ছে। আমি জানি শিশু খাদ্য এবং ফুলক্রিম মিল্ক পাউডার আমদানির সংগে এদেশের অনেক বড় বড়সন্মানিত ব্যাবসায়ী জড়িত। তাদের অধিক লাভ এবং বাজার সম্প্রসারনের জন্য গ্রামের অসহায় গাভী পালনকারিগন যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে দিকটি
বিবেচনা করে অবশ্যই জনহিতকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শুধুমাত্র দেশে উৎপাদিত গাভীর দুধ বিশেষজ্ঞ প্যানেল ছাড়া একটি নির্দিষ্ট বিভাগ কতৃক পরীক্ষা টানা করে নামে বেনামে বিভিন্নভাবে দেশে আমদানিকৃত সকল এধরনের গুঁড়ো দুধের মান পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রন জরুরী। আমরা সকলেইস্বাস্হ্যকর বিশুদ্ধ পুষিটিকর দুধ পান করতে চাই। তবে সম্ভবত আমাদের খেয়াল রাখা জরুরী অযথা অতিরঞ্জিত অপপ্রচারের কারনে যেন আমাদের দেশের ডেইরি খাত ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”

এই বক্তব্যে এটা স্পষ্ট যে সম্পুর্ণ বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মতামত স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষকে দুধ পাণের ব্যাপারে একটি স্বচ্ছ ও সু -ধারণা দিতে পারে। কোন অবস্থাতেই দুগ্ধশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হোক জনগন তা কামণা করেনা।।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 17099

বার্ষিক কর্ম সম্পাদনে বিদ্যুৎ বিভাগ প্রথমঃ একই মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ তৃতীয়স্থানে

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে গত এক বছরের কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ   মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ প্রথম হয়েছে। তৃতীয় হয়েছে একই মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। অর্থাৎ এক থেকে তিন নাম্বারের মধ্যে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ     মন্ত্রণালয়েরই দুটি বিভাগ রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম উপস্থিত থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। এতে উচ্ছসিত হয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা রোববার বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজ সম্পদ  মন্ত্রণালয়ের মাননীয়  প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ   এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ।

 

এ সময় মন্ত্রী  আগামী দিনগুলোতে জনগণকে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দিতে সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি সকলে মিলে টিম ওয়ার্ক করে কাজ করা সহ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে কিন্তু একটু বাধাগ্রস্থ হলেই বিরক্ত না  হওয়া, আগামীতে যেন এমন অবস্থা তৈরী না হয় সেজন্য বিদ্যুৎ বিভাগের সকলের প্রতি আহবান জানান।

এ সময় জনাব নসরুল হামিদ আরও বলেন, বর্তমানে ৯৩ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। আমরা দ্রুত শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছি।

অসাধারণ এই অর্জন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশকে আলোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের স্বার্থে একযোগে কাজ করার আহবান জানান ।

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 17099

নকল ড্রাগ লাইসেন্স তৈরিঃভ্রাম্যমান আদালতে ২ মাস কারাদন্ড

নোয়াখালী অফিসঃ

নকল ড্রাগ লাইসেন্স তৈরি করে সরবরাহের দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতে একজনের দুই মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সুত্রে জানা গেছে,     নোয়াখালী জেলার মাইজদি শহরের স্থানীয় খ্যাতনামা হোটেলে অভিযান চালিয়ে ড্রাগ লাইসেন্স দেওয়ার চুক্তির সময় জাল ড্রাগ লাইসেন্সসহ বাহার উদ্দিনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন মো: রোকনুজ্জামান খান (Ruknuzzaman Khan Rukon), এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নোয়াখালী। অভিযানে সহযোগিতা করেন দেবানন্দ সিনহা, সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ড্রাগ সুপার কার্যালয়ের প্রতিনিধি এবং ক্যামিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি। আইনশৃঙ্খলায় সহযোগিতা করেন সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ১০.৩০দিকে নোয়াখালী জেলার মাইজদি সুপার মার্কেট সংলগ্ন মেইন রোডের পশ্চিম পাশে টোকিও ফুড এর ভিতরে ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও আবেদনকারী নিজেদের মধ্যে লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মৌখিক চুক্তি সম্পাদন করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে লাইসেন্স সরবরাহ করার জন্য কেমিস্ট ব্যাতিত ৩৫হাজার টাকা ও কেমিস্ট সার্টিফিকেট থাকলে ৩০হাজার টাকার ‍চুক্তি হয়। তবে এসময় কেমিস্ট সাটিফিকেট রয়েছে বিধায় ড্রাগ লাইসেন্স এর জন্য ৩০ হাজার টাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে দাম রফাদফা হয় এবং অর্থ বিনিময় হয়। অভিযানের সময় অভিযুক্তের কার্যক্রম একাধিক মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ড করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাহার উদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্বীকার করেন এবং তাকে দন্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী ২মাসের বিনাশ্রম করাদন্ড দিয়ে জেলা কারাগার নোয়াখালীতে প্রেরণ করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি///ক্রাইম//আদালত

Total Page Visits: 17099