• বৃহস্পতিবার ( বিকাল ৩:৫০ )
    • ২রা জুলাই, ২০২০ ইং

রাজশাহীতে প্রকাশ্যে তেত্রিশ লাখ টাকা কেড়ে নিল ওরা

রাজশাহী মহানগর সংবাদদাতাঃ

শান্ত শহর হিসেবে পরিচিত রাজশাহী মহানগরীতে প্রকাশ্য দিনের বেলার ফিল্মি ষ্টাইলে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। সরেজমিন ও প্রশাসন সুত্রে  জানা যায়,    ১৮ই জুন, ২০২০ ইং বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে নগরীর অলোকার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।  ভিভো মোবাইল ফোনের শো-রুম ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত টাকা ব্যাংকে জমা করার জন্য নেয়ার পথে এই নাটকীয় ঘটনাটি ঘটে। সরেজমিন তদন্ত এবং ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঘটনাটি পরিকল্পিত ও সাজানো বলে জানায় পুলিশ।

তাদের দুই কর্মী দুপুরে দুটি ব্যাগে করে মোট ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকা নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য শোরুম থেকে বের হন। রাস্তায় মোটরসাইকেলে দুই যুবক এসে একজনের কাছে থাকা একটি ব্যাগ নিয়ে চলে যায়।

এদিকে এই ঘটনার বিষয়ে অলোকার মোড়ের ভিভো মোবাইল ফোন শোরুমের মালিক রঞ্জন রায় ক্রাইম ডায়রিকে বলেন,   তারা কয়েকজন ব্যবসায়ী শোরুমটি চালান। নতুন কিছু ফোন নেয়ার জন্য টাকাগুলো ভিভোর ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়ার কথা ছিল।

তাদের দুই কর্মী দুপুরে দুটি ব্যাগে করে মোট ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকা নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার জন্য শোরুম থেকে বের হন। রাস্তায় মোটরসাইকেলে দুই যুবক এসে একজনের কাছে থাকা একটি ব্যাগ নিয়ে চলে যায়।

তিনি আরও জানান, মোটরসাইকেলটি সাহেববাজারের দিক থেকে এসেছিল। মোটরসাইকেলের পেছনে বসা যুবক ৩৩ লাখ টাকা থাকা ব্যাগটি কেড়ে নেয়। এরপরই মোটরসাইকেলটি নিউমার্কেট হয়ে রেলগেটের দিকে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ বিষয়ে মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মণ ক্রাইম ডায়রিকে   জানান, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেছেন। যেভাবে টাকা নেয়া হয়েছে তাতে ঘটনাটি তাদের কাছে পরিকল্পিত এবং সাজানো বলে মনে হচ্ছে। তারপরও তারা তদন্ত করছেন। বেশি টাকা বহনের ক্ষেত্রে পুলিশি সহযোগীতা নেয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন,   এ বিষয় নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ক্রাইম ডায়রি// অপরাধ//মহানগর

Total Page Visits: 55425

কক্সবাজারে কোয়ারেন্টাইন না মানায় দুই এনজিও কর্মকর্তার একলক্ষ টাকা জড়িমানা

এইচ এম ওসমান গণি,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ

বহুল আলোচিত ও সর্বোচ্চ ঘনবসতিপূর্ন কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কোয়ারেন্টিন না মানায় ফ্রেন্ডশিপ নামের একটি এনজিওর  ২ জন কর্মকর্তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে লকডাউনের মধ্যেই প্রতিনিয়ত গোপনে কক্সবাজার ও উখিয়ায় আসছে এনজিও কর্মীরা। এটা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ আসছে রাতের গাড়িতে আবার কেউ আসছে এনজিওর নিজস্ব গাড়িতে।

 

সোমবার বিকালে কোটবাজারস্থ ফেন্ডশিপ এনজিও অফিসের কর্মকর্তা শহীদের নেতৃত্বে উক্ত এনজিওর গাড়ি ভর্তি করে আসে এনজিও কর্মীরা। কিন্তু তারা ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন না মেনে কর্মস্থলে যোগ দেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, অনেক বুঝিয়েছি। কিন্ত আর ছাড় দেয়া হবে না। ফ্রেন্ডশিপ কোটবাজার অফিসে তারা দু’জনই সিনিয়র অফিসার। তারা প্রথমে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের দু’জনকে একলক্ষ টাকা জড়িমানা করা হয়।

ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম//আদালত//জেলা

Total Page Visits: 55425

ঢাকার বাহির হতে শ্রমিক আসতে নিষেধাজ্ঞাঃ সীমিত আকারে খুলছে গার্মেন্টস

আরিফুল ইসলাম কাইয়্যুম,মহানগর প্রতিনিধিঃ

দেশের চাকা চলতে হলে অর্থও প্রয়োজন। তাই অর্থের বৃহৎ সেক্টর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী গুলো স্থানীয় ও গার্মেন্টস গুলোর পাশে বসবাসরত শ্রমিক দিয়ে সীমিত আকারে খুলে দেয়া হচ্ছে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এই মুহূর্তে ঢাকার বাইরে থেকে গার্মেন্টস কর্মী আসতে পারবে না। মঙ্গলবার সচিবালয়ে পোশাক কারখানার মালিকপক্ষের সাথে সভা শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। ঢাকার ভেতরে অবস্থানরত শ্রমিক দিয়েই সীমিত আকারে পোশাক কারখানা চালাতে হবে বলে তিনি জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকায় অবস্থানরত শ্রমিক দিয়ে সীমিত আকারে গার্মেন্টস চালানো হচ্ছে বলে মালিক পক্ষ জানিয়েছেন। সীমিত আকারে গার্মেন্টস খোলা রাখা বিষয়ে মালিক পক্ষ বলেছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তারা গার্মেন্টস খোলা রেখেছেন।’

ক্রাইম ডায়রি// জাতীয়//সুত্র// : ইউএনবি

Total Page Visits: 55425

করোনা সনাক্তে নতুন অ্যাপস আনছে গুগল ও অ্যাপল

ইঞ্জিনিয়ার আয়াতুস সাইফ মুনঃ

করোনা ভাইরাস সনাক্তের জন্য আধুনিক মোবাইল প্রযুক্তি আনছে গুগল ও অ্যাপল। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানিয়ে দেবে স্মার্টফোন। এমন একটি প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাচ্ছে অ্যাপল ও গুগল। প্রযুক্তি বিশ্বের এই দুই মহারথির যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো কোনও অ্যাপস ডাউনলোড ছাড়াই একজন ব্যবহারকারী এই সেবা নিতে পারবেন। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখেই এই সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইতোমধ্যে এই প্রযুক্তি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডাটা প্রটেকশন সুপারভাইজারও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।

অ্যাপল ও গুগলের বিশ্বাস, স্বেচ্ছায় এই প্রযুক্তি গ্রহণকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিশ্চিত করা যাবে। ব্যবহারকারীর কন্ট্রাক ট্রেসিং (যোগাযোগ শনাক্ত) পদ্ধতিতে ব্যবহার হবে স্মার্টফোনের ব্লুটুথ সিগনাল। এর মাধ্যমেই সম্প্রতি ব্যবহারকারীকে আক্রান্তের ঝুঁকিতে ফেলার মতো কাছাকাছি আসা ব্যক্তিকে শনাক্ত করবে ওই প্রযুক্তি। পরে সান্নিধ্যে আসা কোনও ব্যক্তির করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর কাছে সংকেত পাঠানো হবে। এই প্রযুক্তিতে কোনও জিপিএস লোকেশন তথ্য বা ব্যক্তিগত তথ্য রেকর্ড করা হবে না।

অ্যাপল ও গুগলের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই উদ্যোগের চূড়ান্ত গুরুত্ব হলো গোপনীয়তা, স্বচ্ছতা ও সম্মতি। আর আগ্রহী অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা এটি কর্মক্ষম করার দিকে তাকিয়ে আছি। অন্যদের বিশ্লেষণের জন্য আমরা আমাদের কাজ খোলামেলাভাবে প্রকাশ করবো।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে দেখার জন্য তার প্রশাসনের সময় প্রয়োজন। হোয়াইট হাউসের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এটা খুবই আগ্রহ উদ্দীপক কিন্তু ব্যক্তি স্বাধীনতার প্রশ্নে অনেকেই এনিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, ‘আমরা এটা খুব কঠোরভাবে খতিয়ে দেখতে যাচ্ছি। আর খুব শিগগিরই এবিষয়ে জানাতে পারবো।’

তবে গুগল ও অ্যাপল যে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে তাতে মানুষ বিদেশে ভ্রমণ বা অন্য যে কোনও ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার সময়েও কাজ করতে থাকবে। এই উদ্যোগ নিয়ে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কাজ করছে গুগল। তবে শুক্রবারের আগে তা প্রকাশ করা হয়নি। এই উদ্যোগ সফল হলে বহু দেশের লকডাউন প্রত্যাহার ও সীমান্তে কড়াকড়ি শিথিলের জন্য সহায়ক হবে।

তবে এর চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের ডাটা প্রটেকশন সুপারভাইজার। তিনি বলেন, ‘এই উদ্যোগের আরও মূল্যায়নের দরকার। তবে খুব দ্রুত দেখার পরেও মনে হয়েছে এটা সঠিক পথে এগুচ্ছে।’ তবে অনেকেই বলছেন এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করতে পারে যথেষ্ট মানুষের করোনা পরীক্ষার ওপর।

আইওএস অপারেটিং সিস্টেসের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান অ্যাপল আর অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নেপথ্যের প্রতিষ্ঠান গুগল। এই দুই অপারেটিং সিস্টেমই বিশ্বের বেশিরভাগ স্মার্টফোনে ব্যবহার হয়।।

সিঙ্গাপুর, ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া এবং পোলান্ডের মতো কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে মানুষের ফোন ব্যবহার করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সতর্কতা পাঠাচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাজ্যম ফ্রান্স, ও জার্মানির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষও নিজস্ব উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিউনিসিপ্যাল সরকার তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহার করে মানুষকে সতর্ক করছে।

ক্রাইম ডায়রি//তথ্য প্রযু্ক্তি

 

Total Page Visits: 55425

ক্রাইম ডায়রি সম্পাদকের পিতা মরহুম আবুসাঈদ সিদ্দিকের আজ প্রথম মৃতবার্ষিকীঃ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামণা

জাকির হোসেন রণি,রেজাউল করিম ও এরশাদ হোসেন.উত্তরাঞ্চলীয় অফিসঃ

জাতীয় সাপ্তাহিক ক্রাইম ডায়রি ও গোয়েন্দা ডায়রির সম্পাদক ও  প্রকাশক এবং জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের সভাপতি আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল এর  পিতা ডাঃ আবু সাঈদ সিদ্দিক এর আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৯ সালের এই দিনে তিনি   চলে গেছেন না ফেরার দেশে নিজ গৃহে । ক্রাইম ডায়রির সম্পাদক এ বিষয়ে বলেন,

“ আজ আমার বাবার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের ৮ তারিখ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিলিটারী কম্বাইন্ড হাসপাতাল ঢাকায় রোজ সোমবার,রাত ১২.০১ মিনিটে আমার কোলে মাথা রেখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে মহান মাবুদের ডাকে সারা দিয়ে স্থায়ী বাড়িতে গমন করেন। বাবার চেয়ে বড় মহব্বত ও প্রিয় জিনিস পৃথিবীতে আর কিছু নেই। ২০০২ সাল হতে তিনি রংপুরে চাকুরীরত অবস্থায় গ্রামের বাড়িতে এসে তার প্রিয় বৃক্ষবাগানে গিয়ে প্যারালাইজড হন। এরপর হতে প্রায় ১৭ বছর অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় তিনি চাকুরী হতে অব্যহতি নিয়ে ১৯৭৮ সালে তার হাতে গড়া নিজ প্রতিষ্ঠান এরাবিক কেমিক্যাল লিঃ ও সেলিনা ফূড প্রোডাক্টসকে প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেন। এরপর ২০১০ সাল হতে বেশি অসুস্থতা বোধ করেন ও গৃহমুখী হন।

২০১৫ সাল হতে পুরো গৃহবন্দী হয়ে পড়েন। বাসায় ও মসজিদের মধ্যই তার যাতায়াত সীমিত ছিল। ২০১৭ সাল হতে আর বের হতে পারতেন না। দীর্ঘ সময় বাবাকে নিজ হাতে থেরাপী দেয়া,তার ব্যবসার সারথী হয়ে সারাদেশে চষে বেড়ানো কিংবা বাবার অতি নিকটে থেকে মার্কেটিং ,প্রোডাকশন, সেলস,পারচেজসহ বিভিন্ন বিষয়ের গভীর জ্ঞানের সমুদ্র হতে ছিটেফোটা তিনি আমাকে দান করে গেছেন। শেষ দিকে তিনি গৃহ বন্দী ছিলেন। চলাফেরা করতে পারতেন না। তবে ব্যবসায়িক বিষয়ে মাথা ঘামাতেন। মার্কেটিং এ কর্মরত দের বিভিন্ন পরামর্শ দিতেন। বাড়ির নির্মান কাজ দেখাশোনা করতেন। আর নিয়মিত আমার খোঁজ নিতেন।

তার স্বপ্ন সাইদ সেলিনা ডায়াবেটিস,প্যারালাইজড এন্ড ডায়ানষ্টিক সেন্টার এর প্রতিষ্ঠা করেন এবং একজন চিকিৎসককে নিয়োগ করেন। যাকে তিনি বেঁচে থাকা অবধি পাশে রেখেছিলেন। ডাক্তার মোমিনুল খন্দকার আলাল তার গৃহচিকিৎসক ও তার স্বপ্নের হাসপাতালের দেখাশোনার পাশাপাশি সুদীর্ঘ চারবছর তার সার্বক্ষনিক চিকিৎসা করেছেন। বাবা আমি আর আমার ছোটবোন স্বর্নার নিকট তার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানগুলির দায়িত্ব দিয়ে গেছেন আর আদেশ করেছেন তার প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেন যে কোন মুূল্যে দাড় করাই এবং সেই প্রতিষ্টানের আয়কৃত অর্থদিয়ে নবীর মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করি। আমি আর আমার চারবোন মিলে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য পরিশ্রম করছি। বাবার নামে গড়ে তুলেছি আবু সাইদ সিদ্দিক অরফানেজ এন্ড পুওর ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশন । আর তার প্রতিষ্ঠান এরাবিক কেমিক্যাল লিঃ এর পণ্য প্যারাগন টুথ পাউডারের আয়কৃত অর্থ এই প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়াকফ করা।


বাবা কত অমুল্য সম্পদ তা সন্তান মাত্রই জানেন। বাবা নেই । কিন্ত আল্লাহ ও তার রাসুল সাঃ এর পরে আমার বাবাই আমার বড় পীর। মুর্শিদ হয়ে আমার পীরের জন্য দোয়া কামনায় নিয়োজিত থাকি সার্বক্ষনিক।
প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে বাবার জন্য দেশবাসীর নিকট দোয়া কামনা করছি।”

ক্রাইম ডায়রি পরিবারের অভিভাবক ও সেলিনা ফুড প্রোডাক্টস এর এমডি মিসেস সেলিনা সিদ্দিক বলেন,মৃত্যুর কয়েক দিন আগে কয়েকদিন আগে হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে  কোমায় চলে যান।।।

    

তাৎক্ষনিক তাকে  প্রথমে তাকে বগুড়া ডক্টরস ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখা দিলে তাকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে     ( সি এম এইচ)  প্রেরন করা হয়। সেখানে ইমারজেন্সিতে একরাত ও জি৮ এইচ ডি ইউতে থাকার দুই রাতের মাথায়  ০৮.০৪.২০১৯ইং সালে রোজ সোমবার রাত ১২.০১এ এম’র দিকে   একমাত্র সন্তানের কোলে মাথা রেখে কালেমা তাইয়েবা পড়ে জান্নাতবাসী  হন। । একই দিন বগুড়ার শেরপুর থানার ধনকুন্ডিতে  নিজ গ্রামের বাড়িতে আনা  হয়।        বাদ আসর ফুড ভিলেজ জামে মসজিদে তার নামাজে জানাযা করা হয় । নামাজে জানাযা পড়ান তার সুযোগ্য সন্তান জাতীয় সাপ্তাহিক  ক্রাইম ডায়রির সম্পাদক এ্যাড.মোঃ আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল । ক্রাইম ডায়রির সহ সম্পাদক ও এরাবিক কেমিক্যাল লিঃ এমডি শরীফা আক্তার স্বর্না ও তার অপরতিনবোন এরাবিক কেমিক্যাল লিঃ এর পরিচালক সাবিহা আক্তার সুলতানা,পরিচালক সাইফা আক্তার আরিফা ও আশরাফী আক্তার সুমিসহ এরাবিক কেমিক্যাল লিঃ এর অন্যান্য  পরিচালকবৃন্দ যথাক্রমে দৈনিক কালের ছবির সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম শিশির, মদীনা প্রিন্টিং এর এমডি কালিমুল্লাহ দেওয়ান রাজা দেশবাসীর কাছে এরাবিক কেমিক্যাল লিঃ এর চেয়ারম্যান মরহুম আবু সাঈদ সিদ্দিকের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামণা করেছেন। এছাড়া প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে দেশ বাসীর নিকট দোয়া কামনা করেছেন, খবর টিভির সম্পাদক শাহাদাত হোসেন রিটন,দৈনিক বর্তমান দেশ বাংলার সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের প্রধান উপদেষ্ঠা  ও বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল, সাপ্তাহিক পূর্বাচলের সম্পাদক জনাব ফেরদৌস আহম্মেদ ভুইয়া প্রমুখ।

ক্রাইম ডায়রি//খবর বিজ্ঞপ্তির//জাতীয়

Total Page Visits: 55425

করোনার কার্যকরী ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবী মার্কিন বিজ্ঞানীদের

অনলাইন ডেস্কঃ

সারাবিশ্ব যখন করোনা আতংকে অস্থির তখন যথার্থই সুখবর দিয়েছেন মার্কিন বিজ্ঞানীদের একটি দল। আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করছেন। নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ভ্যাকসিনটি রোগের বিস্তারকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে দ্রুত কার্যকর হতে পারে বলে গবেষকেরা এক ঘোষণায় জানিয়েছেন। নতুন এই ভ্যাকসিনের তারা নাম দিয়েছেন ‘পিটকোভ্যাক’। যার পূর্ণরূপ পিটসবার্গ করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন।

এই গবেষক আরও বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সবার আগে এটি তৈরি করাটা জরুরি। আমাদের সেই ক্ষমতা এবং দক্ষতা রয়েছে।’

ভ্যাকসিনটির অনুমোদনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য এবং ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) এর কাছে আবেদন জানিয়েছেন গবেষকেরা। তারা আশা করছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মানুষের শরীরে তারা ভ্যাকসিনটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাকারে এমন তথ্যই দেখিয়েছে।

বৈশ্বিক মহামারীটি শুরু হওয়ার পর কোনো দেশে একদিনে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা। বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে পরদিন একই সময় পর্যন্ত এসব মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মার্চ ইতালিতে একদিনে ৯৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজার ৯২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আক্রান্তের সংখ্যায় দেশটি আগে থেকেই সবার চেয়ে এগিয়ে ছিল। বৃহস্পতিবার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ সংখ্যা দুই লাখ ৪৫ হাজার ছাড়িয়ে।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবল থেকে বাঁচতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ নানান বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশের বেশি এখন ঘরবন্দির নির্দেশনার আওতায়।

দেশটিতে ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। কেবল নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যেই মৃতের সংখ্যা আড়াই হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। আক্রান্ত ও মৃত্যু বিবেচনায় পরের অঙ্গরাজ্যগুলো হচ্ছে নিউ জার্সি, ক্যালিফোর্নিয়া, মিশিগান ও লুইজিয়ানা। আন্তর্জাতিক মানবসমাজের দাবী তিনমাস পরে নয় যতদ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিনটি বাজারজাতের উপযুক্ত করা । তা না হলে আগামী তিনমাস পর হয়তো ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য আর কেউ অবশিষ্ট থাকতে নাও পারে।

ক্রাইম ডায়রি// আন্তর্জাতিক

Total Page Visits: 55425

তরুনদের শিল্প মুখী ও উদ্যোক্তা হতে বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবান

শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ

নিজেরা করির ফর্মুলাকে কাজে লাগিয়ে চাকরির পেছনে না ঘুরে তরুণদের ঋণ নিয়ে উদ্যোক্তা হবার পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ০৪/০৩/২০২০ইং বুধবার জাতীয় এসএমই মেলার উদ্বোধনী আনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আর বলেন, উদ্যোক্তরা যাতে ঋণ নিয়ে শিল্প গড়ে তুলতে পারে তার জন্য সরকার সুদের হার কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায়  শতাধিক শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হয়েছে। সরকার দেশের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে ফলে দেশ ও এগিয়ে যাচ্ছে বলেন প্রধানমন্ত্রী  । চাষপোযোগী জমি বাঁচিয়ে শিল্প গড়ে তুলতে হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নারী উদ্যোক্তাদের সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ঋতু বৈচিত্রের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পণ্য উৎপাদন করতে হবে। একইসাথে ক্রেতার চাহিদার কথা নিরুপন করে পণ্য উৎপাদন করতে হবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু নিজেদের বাজারে নয়, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের তৈরি পণ্য বিদেশে প্রচুর চাহিদা আছে। তাদের জন্য আমাদের মানসম্পন্ন পণ্য তৈরি করতে হবে। বিভিন্ন দেশে মার্কেট খুঁজে বের করতে হবে। ক্রেতারা কী ধরনের পণ্য চায়, এসব পণ্য আমাদেরকে তৈরি করতে হবে। এজন্য গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বঙ্গকন্যা বলেন, বাংলাদেশ এখন আর সস্তা শ্রমের দেশ নয়। আগে একসময় বাংলাদেশ সস্তা শ্রমের দেশ ছিল। এখন আমাদের দেশের লোকজন অনেক দক্ষ হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন ট্রেনিংয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ কারিগর তৈরি করছি। এখান থেকে দক্ষতা অর্জন করে বিদেশে গিয়ে ভালো বেতনের চাকরি করছে। ভাল রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছে। নিজেরাও ভাল চলছে।

এবার এসএমই উদ্যোক্তাদের অবদান ও অংশগ্রহণকে স্বীকৃত দেয়ার লক্ষ্যে এসএমই ফাউন্ডেশন কর্তৃক পুরুষ ও নারী ক্যাটাগরিতে মোট পাঁচজনকে জাতীয় এসএমই উদ্যোক্তা পুরস্কার ২০২০ প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদেরকে অভিনন্দন জানান। আগামীতে যাতে আরও লোক পুরস্কার পেতে পারে সেজন্য তিনি উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।   তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আসছে, এজন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।এসএমই ফাউন্ডেশনকে গবেষণার জন্য উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এসএমই থেকে ঋণ নিয়ে আজ বহু নারী ও যুবক স্বাবলম্বী হয়েছেন। আমরা ঋণের সুদ কমিয়ে এক ডিজিটে নিয়ে আসছি। এক্ষেত্রে আরও যুবক ও বোনেরা এগিয়ে আসতে পারেন। আমরা তাদের সহযোগিতা করব বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তৃনমূল পর্যায়ে সকল প্রকার  ডিজিটাল ট্রেনিং গ্রহণ করতে হবে। শুধু একটা সাবজেক্টে পাস করে বসে থাকলে হবে না। দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ডিজিটালের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুবকদের এগিয়ে যেতে হবে। তাকে নানা উদ্যোগ নিয়ে নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করে তা প্রয়োগ করে নিজ ও দেশের সফলতা এনে স্বাবলম্বী হতে হবে বলে তিনি যুবকদের প্রতি আহবান জানান।

ক্রাইম ডায়রি/// জাতীয়

Total Page Visits: 55425

বৃক্ষ লাগান;প্রকৃতিকে বাঁচানঃ অজানা রোগ প্রতিরোধে এটা সময়ের দাবী

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে প্রাকৃতিক জীব বৈচিত্র্য ও প্রকৃতি।প্রকৃতি যতো তার ভারসাম্য হারাচ্ছে, মানুষ ও পরিবেশও ঠিক ততোটাই বিপদগ্রস্ত হচ্ছে।।অজানা অচেনা রোগে শোকে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। বৈশ্বিক উঞ্চতা বৃদ্ধিতে বসবাস অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে বিশ্বের অনেক এলাকা।।।🇧🇩 বাংলাদেশও এই উঞ্চতার শিকার।।।ঘনঘন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও মানব শরীরের রোগ ধরা না পড়া ও অজানা অচেনা রোগের আক্রমণ এর পূর্ব লক্ষণ।।। এ অবস্থা উত্তোরনে বৃক্ষরোপন ও বনভূমি রক্ষা সবচেয়ে প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে।।।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, শিল্পায়ন, কৃষি সমপ্রসারণ ও নগরায়নের ফলে বিশ্বব্যাপী বন ও বনভূমি হ্রাস পাচ্ছে। পৃথিবীতে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য বন অপরিহার্য। বনই প্রকৃতির শক্তির আধার। জীবন ও জীবিকার জন্য বন থেকে খাদ্য, আশ্রয়, ওষুধ, ছায়া, বিনোদন পাই।।।অর্থ পায় মানুষ।।।সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো বেঁচে থাকার প্রধান ও একমাত্র উপাদান অক্সিজেন সাপ্লাই দেয় এই বৃক্ষ।  তাই দ্রুত পরিবর্তনশীল জলবায়ুর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে বনের ভূমিকা অপরিসীম।

বিশ্বের মোট ভূমির পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার মিলিয়ন হেক্টর। মোট ভূমির ৭৮ ভাগ চাষাবাদের অনুপযোগী, ২২ ভাগ ভূমি চাষাবাদ যোগ্য। ২০০ বছর আগেও বিশ্বের ৪৭ ভাগ এলাকা বনভূমিতে পরিবেষ্টিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে ২৯ ভাগ এলাকায় বনভূমি রয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। অথচ বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ  ৭১ সালে ছিল ১৬ ভাগ।

দেশের মোট আয়তন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৯৩ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে বনাঞ্চল ২৩ হাজার ৯৯৮ বর্গকিলোমিটার। যদিও এটা কাগজে কলমে।। প্রকৃত বনভূমি না মেপেই দেশের সর্বনিম্ন শিক্ষিত ব্যক্তিও অনুমান করতে পারে।।। ২০০৫ সাল পর্যন্ত তবুও এর ছিটেফোঁটা অবশিষ্ট ছিল। কিন্তু অতিলোভী মানুষের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে এখন বৃক্ষ তরুলতা শুন্য দেশের বহু এলাকা।।। জনসংখ্যা চাহিদার তুলনায় বনভূমির পরিমাণ খুবই কম।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়ানো-ছিটানো যে অল্প বনভূমি রয়েছে তাও মানুষ নির্বিচারে কেটে সাবাড় করছে। কাঠ ও জ্বালানি কাঠের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে গিয়ে বনভূমি দ্রুত সংকুচিত হয়ে আসছে। শুধু বাংলাদেশই নয়, সারা পৃথিবী থেকে দ্রুত বনভূমি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্রতি মিনিটে পৃথিবী থেকে ১৯০ একর বন উজাড় হচ্ছে।

পৃথিবীর প্রায় ১০০টির বেশি দেশ মরুময়তার শিকার। প্রতিবছর এ মরুভূমি ৩-৪ কিলোমিটার করে বাড়ছে। মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলে পৃথিবীর ১০ ভাগ বন ও তৃণভূমি মরুময়তার শিকার হচ্ছে, আর ২৫ ভাগ হুমকির সম্মুখীন। প্রতি মিনিটে মরুভূমি গ্রাস করছে ৪৪ হেক্টর উর্বর জমি এবং ২০ হেক্টর বনভূমি বিরান হচ্ছে। বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে ব্যাপক হারে বন উজাড়ের ফলে মরুময়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পরিবেশ ও বন বিশেষজ্ঞদের ধারণা আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা ১.৫ থেকে ৪.৫ সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। মেরু অঞ্চলের জমাট বাঁধা বরফপুঞ্জ গলতে শুরু করবে এবং সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী সমুদ্র উপকূলীয় নিচু অঞ্চলগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাবে। সমুদ্রের পানির উচ্চতা যদি ১ থেকে দেড় মিটার বৃদ্ধি যায় তবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ এক তৃতীয়াংশ এলাকা বঙ্গোপসাগরের পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় মরু অঞ্চল বৃদ্ধি পাবে। উর্বর জমির পরিমাণ কমে যাবে এবং দেখা দেবে খাদ্যাভাব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

বিশেষ করে মানুষ ও উদ্ভিদের পরস্পরের দেহাপোযোগী সামগ্রীর জন্য একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। মানুষ কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে (শ্বাস-প্রশ্বাসের সময়) এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে। অন্যদিকে উদ্ভিদ অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। পৃথিবীতে বৃক্ষের পরিমাণ হ্রাস পেতে থাকলে এক সময় মানুষের নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে। এমনকি এটা মানবজীবনের জন্য অত্যন্ত মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। উদ্ভিদ ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এ আশঙ্কায়ই উদ্ভিদ নিধোনকে অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে তুলে ধরেন এবং বৃক্ষরোপণের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। পবিত্র কুরআনের উপরোক্ত উক্তিতে আমরা এ ভারসাম্যের দিকনির্দেশনাই লাভ করি। আল্লাহ আরও বলেছেন, ‘সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে নির্ধারিত কক্ষপথে, তৃণ-লতা ও বৃক্ষরাজি মেনে চলে তারই বিধান। তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন ভারসাম্য।’ (সূরা আর রহমান : আয়াত ৫-৭)। বৃক্ষরাজি ও উদ্ভিদ আল্লাহর সৃষ্টির বৈচিত্র্য প্রকাশক। আল্লাহ সুনিপুণ স্রষ্টা, তিনি সৃষ্টি করেছেন বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ। আল্লাহ বলেছেন, ‘আমিই প্রচুর বারি বর্ষণ করি, অতঃপর আমি ভূমিকে প্রকৃষ্টরূপে বিদারিত করি এবং উহাতে উৎপন্ন করি শস্য, দ্রাক্ষা, শাকসবজি, জয়তুন, খেজুর এবং বহু বৃক্ষবিশিষ্ট উদ্যান।’ (সূরা আবাসা : আয়াত ২৫-৩০)। আল্লাহর কী নৈপুণ্য! একই মাটি একই পানিতেই আমরা ভিন্ন ভিন্ন উদ্ভিদ জন্মাতে দেখি, যাতে ভিন্ন ভিন্ন ফুল ও ফল ধরে। এসবই মানুষের কল্যাণের জন্যই।
আল্লাহ কোনো সৃষ্টিকেই অমর্যাদা করা উচিত নয়। তবে প্রয়োজন হলো তাকে যথার্থভাবে কাজে লাগানো। বৃক্ষরাজির পরিকল্পিত উৎপাদন ও ব্যবহারের ওপরই মানুষের বহু কল্যাণ বা উপকার নিহিত রয়েছে। তাই ইসলাম বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করে। নবী করিম (সা.) বৃক্ষরোপণের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন। হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘যদি জানো আগামীকাল কেয়ামত, তথাপিও আজ যদি হাতে কোনো বীজ বা চারাগাছ থাকে, তা বপন করো অথবা লাগাও।’ পরিবেশের স্বাভাবিক প্রয়োজন এবং সভ্যতার বিকাশের জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত জরুরি।
বস্তুত জগতের সব সৃষ্টিই আল্লাহর নিয়ম মেনে চলে এবং তার মহিমাকীর্তন করে। এসবের মধ্য থেকে আল্লাহ মানুষকে এক ধরনের শিক্ষাও দিতে চেয়েছেন। আল্লাহ এসবের উদাহরণ দিয়ে পবিত্র কুরআনে বলেছেন, মানুষ কি তার আদেশ মানবে না? আল্লাহর সৃষ্টি বৃক্ষরাজি আল্লাহর নিয়ম মেনে চলে এবং আল্লাহর তসবিহ পাঠ করে। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে ওই তসবিহ পাঠের অংশীদার হয়া যায়। উপরোক্ত হাদিসে রাসূলে করিম (সা.) সেই ইঙ্গিতই প্রদান করেছেন।
মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য বৃক্ষ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বৈষয়িক প্রয়োজনেও তাই বৃক্ষরোপণ করা একান্ত দরকার। যে কোনো ফল ও ফসল উৎপন্ন হলেই তা মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে। এমনকি ওই ফল বা ফসল যদি উৎপাদনকারী বা প্রকৃত মালিক নাও পায়, কেউ যদি চুরি করে নিয়ে যায় তাতেও সমাজের কারও না কারও প্রয়োজন পূর্ণ হয়। অর্থাৎ ওই ফল বা ফসল, সর্বাবস্থায়ই অর্থনৈতিকভাবে মূল্যমান। ইসলাম এ বিষয়ে মানুষকে সান্ত¡না প্রদান করেছে। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যদি কোনো মুসলিম কোনো ফলের গাছ লাগায় বা বাগিচা করে অথবা ক্ষেতে কোনো শস্যের বীজ বপন করে, তা থেকে উৎপন্ন কোনো ফল মানুষ বা পশুপাখি যদি খায়, তবে ওই বৃক্ষের মালিক, বাগিচাওয়ালা বা ক্ষেতওয়ালা সদকার সওয়াব পাবে।’
ইসলামে ফল বৃক্ষরোপণ ও ফসল ফলানোকে সওয়াবের কাজ হিসেবে ‘সদকায়ে জারিয়া’ বা অবিরত দানরূপে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি একটি বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা করেন তাহলে ওই গাছটি যতদিন বেঁচে থাকবে এবং মানুষ ও অন্য জীবজন্তু যতদিন তার ফল বা উপকার ভোগ করতে থাকবে, ততদিন ওই ব্যক্তির আমলনামায় পুণ্যের সওয়াব লেখা হতে থাকবে। সদকায়ে জারিয়ার জন্য ফলবান বৃক্ষই বেশি উপকারী।
এ প্রসঙ্গে হজরত আবু দারদার (রা.) একটি ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একদা হজরত আবু দারদা (রা.) দামেস্কে একটি বৃক্ষরোপণ করেছিলেন। এমন সময় একটি লোক তার কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। সে হযরত আবু দারদাকে (রা.) অত্যন্ত মনোনিবেশ সহকারে বৃক্ষরোপণ করতে দেখে একটু অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, আপনি রাসূলুল্লাহর (সা.) একজন প্রিয় সাহাবি হওয়া সত্ত্বেও এ কাজটি করছেন? হজরত আবু দারদা (রা.) উত্তরে বললেন, আপনি এমনটি বলবেন না। আমি রাসূলকে (সা.) বলতে শুনেছি, ‘কোনো ব্যক্তি যদি একটি বৃক্ষ চারা লাগায়, অতঃপর তা থেকে কোনো ফল মানুষ ও পাখি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তখন তার জন্য একটি সদকা হিসেবে লেখা হয়।’ এমনকি মুসলিম সেনাবাহিনী যুদ্ধে রওনা হওয়ার সময় রাসূল (সা.)সহ পরবর্তী সব খলিফা কঠোরভাবে সৈন্যদের নির্দেশ দিতেন তারা যেন বিজিতদের কোনো গাছপালা বা শস্যক্ষেত্র ধ্বংস না করে।
বনের গাছপালা থেকে আমরা শুধু কাঠ, রাবার, ওষুধ ও ফলমূলই পাই না এগুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধী দ্রব্য ও তেলও পাওয়া যায়। গাছের পরিশুদ্ধ তেল দ্বারা প্রজ্বলিত প্রদীপের সঙ্গে আল্লাহপাক তার নূরের ইঙ্গিত দিয়েছেন। মানুষ চেষ্টা-গবেষণা করলে গাছ থেকেও যে উৎকৃষ্ট ধরনের তেল আহরণ করতে পারে, এটা নিঃসন্দেহে সে তথ্যেরই উপমা বহন করে।

আল্লাহ বলেন ‘এবং আমি সৃষ্টি করি এক বৃক্ষ যা জন্মায় সিনাই পর্বতে, এতে উৎপন্ন হয় আহারকারীদের জন্য তেল ও ব্যঞ্জন।’ (সূরা মমিনুন : ২০)। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনে গাছের নামে শপথ করেছেন এবং তদানুসারে সূরাটির নামকরণও করা হয়েছে। যেমন আল্লাহ বলেন, ত্বিন (এক জাতীয় বৃক্ষ) ও জয়তুনের (জলপাই জাতীয় এক ধরনের ফল) শপথ! (সূরা আত ত্বিন : ১)। অতএব গাছপালা, বৃক্ষলতা আল্লাহ সুমহান কুদরতের অপরূপ নিদর্শন। এর মধ্যেই তিনি মানুষ ও অন্য জীবজন্তুর খাবার প্রস্তুত করে রেখেছেন এবং মানুষকে পরিশ্রম করে সেগুলো সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ইসলাম বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়েও গুরুত্ব দিতে ভুল করেনি। দুনিয়ায় একটি গাছ লাগিয়ে তার যথার্থ পরিচর্যার বিপরীতে পরকালে বেহেশতের মধ্যে অনুরূপ একটি গাছের নিশ্চয়তা পাওয়া মোমিনের জন্য অনেক সৌভাগ্যের, সন্দেহ নেই। পক্ষান্তরে অনর্থক গাছ কাটা ও বন উজাড় করাকে ইসলামে গর্হিত কাজ হিসেবে দেখা হয়।

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ব্যাপক ক্ষতি থেকে বন আমাদের রক্ষা করে। বঙ্গোপসাগরের তীরে গড়ে ওঠা ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে বারবার উপকূলবাসীকে মায়ের মতো আগলে রেখেছে। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যাবতীয় প্রয়োজন মিটিয়ে আসছে বৃক্ষ। সভ্যতার সূচনা লগ্ন থেকে বিশ্বের মানুষ ও প্রাণীর অস্তিত্ব রক্ষায় বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রয়োজন বন সুরক্ষা এবং বনায়ন কার্যক্রম গতিশীল করা। আমাদের জীবন বাঁচানোর তাগিদে বন সুরক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। তাহলে এ পৃথিবীতে আমরা পাব দূষণমুক্ত জীববৈচিত্র্য ভরপুর নির্মল পরিবেশ।

ইদানিংকালে দেশের কিছু ক্ষুদ্র সংগঠন মানুষ এ বিষয়গুলো যেভাবে ভাবছে একইভাবে যদি সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলো ভাবত এবং মিলেমিশে কাজ করে সচেতনতা বৃদ্ধি করতো তবে,  কতই না ভাল হতো। অনলাইন ভিত্তিক আন্দোলন

http://Facebook/pages/Grame Cholএবং ফেসবুক গ্রুপ http://facebook/group/Grame Chol Aandolon  গ্রামে চল আন্দোলন    শিরোনামে একদল সাংবাদিক ইতোমধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বৃক্ষরোপন ও রক্ষায় জোরালো ভূমিকা পালন করছেন।।।সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা মিলে প্রায়শঃই গ্রাম ভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি শীর্ষক আলোচনাসভা ও কর্মশালার আয়োজন করে থাকে। এভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতি বাড়ির আঙিনা ও আশেপাশে বৃক্ষ রোপন করা তরু লতা ও জঙ্গলে রুপান্তরিত করতে হবে।

[{{{{[লেখক–

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল

সম্পাদক ও প্রকাশক

ক্রাইম ডায়রি(জাতীয় সাপ্তাহিক, অনলাইন দৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন ও অপরাধ গবেষনা)

এবং সাপ্তাহিক গোয়েন্দা ডায়রি

সভাপতি

জাতীয় সাংবাদিক পরিষদ

চেয়ারম্যান

গ্রামে চল আন্দোলন।।

+৮৮ ০১৯১৫ ৫০ ৬৩ ৩২

raselcrimediary@gmail.com]}}}]

ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

Total Page Visits: 55425

গন্তব্যকে বাঁচানঃ দেশীয় চলচ্চিত্র বাঁচবে

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

ভেবে দেখেছেন কি একবারও একটি জাতীর সার্বিক পরিবর্তনের জন্য চলচ্চিত্রের ভূমিকা কত গুরুত্বপূর্ণ? স্বীকার করি বা না করি আমাদের অজান্তে চলচ্চিত্র আমাদের প্রতিনিয়ত মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাচ্ছে।  আপনি যখন ওয়ানে পড়েন জীবন পরিবর্তন হয়, ফাইভে পড়েন আরও পরিবর্তন, এস এস সি পাশ করেন;পরিবর্তন হয়, কলেজে আরেক ধরনের এবং ভার্সিটিতে অন্য ধরনের পরিবর্তন ঘটে মানব জীবনে।।। ধাপে ধাপে এ পরিবর্তন ঘটায় সংস্কৃতি, সাহিত্য,চলচ্চিত্র।  বিটিভি যখন গ্রামে ঢুকল গ্রাম্য সংস্কৃতির কি বৈল্পবিক পরিবর্তন ঘটেছিল সবাই জানেন। ভারতীয় টিভি কিংবা আকাশ সংস্কৃতির কারনে; দেশে কি পরিবর্তন এসেছে মানব জীবনে আমাদের গ্রাম হতে শহর সকল জায়গায় এটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে হয়না।।। পরিবর্তনের     এই সুযোগ চোখে পড়েছে যেমন ভালদের; খারাপ মানসিকতার লোকজনও কি বসে আছে,নেই? তাই এ সুযোগে চলচ্চিত্রের মূল ভাবণাকে ধ্বংস করতে মরিয়া একদল বেনিয়া। আকাশ সংস্কৃতির নামে অশ্লীলতা দিয়ে একটি জাতীর মেরুদন্ড ভেঙে দেয়া হচ্ছে।।বিদেশী সমাজ আর বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা একরকম নয়। বাংলাদেশের মানুষ বড্ড সামাজিক ও ভালবাসা প্রিয়। কিন্তু আকাশ সংস্কৃতির প্রভাবে বিদেশী সমাজ ব্যবস্থার কুটিলতা, জটিলতাপূর্ন চলচ্চিত্রের কারনে তা এখন কোন অবস্থায়; সবাই জানেন।  আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্র  আমাদের অহংকার।

এদেশে এখনও গুনী অভিনেতারা আছেন, যাদের অভিনয় আমাদের মুগ্ধ করে। কিন্তু অর্থাভাবে এ দেশের চলচ্চিত্র আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বিদেশে বিনিয়োগ হয় বলে শুনেছি, কিন্তু যে দেশের চলচ্চিত্র, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের খনি পুরো পৃথিবীতে খ্যাতি অর্জন করেছে সেই দেশে টাকার অভাবে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র বন্ধ হয়ে যাবে এটা মেনে নেয়া যায়না। বাংলাদেশী হিসেবে আমাদের কি কোনই দায়ভার নেই?

ইদানীং কালে আলোচিত নাট্য নির্মাতা অরণ্য পলাশের নতুন সিনেমা ‘গন্তব্য’। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেলেও মুখ থুবড়ে পড়েছে সিনেমার ভবিষ্যৎ। গন্তব্যের জন্য এখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ।  কত অলস অর্থ বাজে জায়গায় ব্যয় হচ্ছে। কিন্তু,  সিনেমা তৈরির অর্থ যোগান দিতে জমি, স্ত্রীর গহনা বিক্রি করেছেন অরণ্য পলাশ। তারপরও অর্থের ঘাটতি মেটাতে চড়া সুদে ঋণ নেন তিনি। ভেবেছিলেন সিনেমা মুক্তি পেলে হয়ত দিন বদলাবে। কিন্তু এখনও সিনেমা মুক্তির ব্যবস্থা করতে পারেননি তিনি। অথচ প্রতি মাসে তাকে শোধ করতে হচ্ছে সুদের টাকা।

পেট চালানোর জন্য দৈনিক ২৫০ টাকা হাজিরা ও তিনবেলা খাওয়ার চুক্তিতে রেস্তোরাঁতেও কাজ করেছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গেও হয়েছে বিচ্ছেদ। এসব নিয়ে সেসময় সংবাদ হয়েছে। তখন অনেকেই পলাশকে আশ্বাস দিয়েছেন। আজ সেগুলোও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।  জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি ওই তারিখেই মুক্তির পরিকল্পনা করেছিলেন সিনেমাটির প্রযোজক এলিনা শাম্মি। তখন তাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন প্রযোজক মনিরুজ্জামান। তিন মাস পরে এসে সম্প্রতি তিনিও ‘না’ বলে দিয়েছেন বলে গনমাধ্যমের সংবাদে জানা গেছে।  ক্রাইম ডায়রিকে এলিনা শাম্মি জানিয়েছেন ,

প্রযোজক মনিরুজ্জামান আমাদের সিনেমাটি কিনবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তার চাহিদা অনুযায়ী কিছু কারেকশনও করা হয়। এখন তিনি বলছেন- সিনেমাটি নেবেন না। তাহলে কেন তিনি আমাদের সময় নষ্ট করলেন? ৭ মার্চের দেরি নেই। এই স্বল্প সময়ে আমি সিনেমাটি কার কাছে বিক্রি করব?’

তিনি আরো বলেন, ‘মনিরুজ্জামান অনেক সময় আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতেন। সেগুলো সহ্য করেছি। ভেবেছি, সিনেমাটি তিনি কিনে নিলে আমরা দেনা পরিশোধ করতে পারব। বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রযোজক সমিতিতে অভিযোগ করব। খবর নিয়ে জেনেছি, তিনি নাকি কখনও সিনেমা প্রযোজনা করেননি। তাহলে আমাদের তিনি এই ক্ষতি কেন করলেন?’ এ দেশের মানুষ হয়ে দেশীয় চলচ্চিত্রেে অবদান রাখবেন বলে রাখলেন না এ ক্ষতি পুরো দেশের।  অপূরনীয় এ ক্ষতির দায়ভার কি তিনি নিবেন,  এ প্রশ্ন শুধু একজন এলিনার নয়; পুরো দেশবাসীর।

‘গন্তব্য’ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস, আইরিন, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, কাজী রাজু, আফফান মিতুলসহ অনেকে। সিনেমাটির জন্য শিল্পীরা নামে মাত্র পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এমতবস্থায়, এ চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে   পুরো দেশবাসী এগিয়ে আসবেন বলেও মনে আশা পোষন করেন সংস্কৃতি প্রেমী জনগন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার নিকট দেশবাসীর পক্ষ হতে ক্রাইম ডায়রির আবেদন দেশীয় চলচ্চিত্র গন্তব্যকে বাঁচান।

ক্রাইম ডায়রি/// সংস্কৃতি//জাতীয়

Total Page Visits: 55425

একজন হাসান মাহমুদঃ একজন মহানায়কের গল্পগাঁথা

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃঃ

হাঁটি হাঁটি পা পা করে বেড়ে ওঠা ছোট্ট শিশুটি একদিন বিশ্বজয় করবে বাবা মায়ের এমন বিশ্বাস নিয়ে বেড়ে ওঠা সেই শিশু সত্যিই বিশ্বজয় করেছে।।হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে লক্ষকোটি বাঙ্গালির।  জানেন সেই শিশুটি কে???  তিনি হলেন শতকোটি যুবকের হৃদয়ের স্পন্দন বিশিষ্ট পরিবেশ বিজ্ঞানী ডক্টর. হাসান মাহমুদ।     বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সুখবিলাস গ্রামে ১৯৬৩ সালের ৫ জুন ভোরবেলা বাবা মায়ের কোল আলোকিত করে  খ্যাতিমান আইনজীবী প্রয়াত নুরুচ্ছফা তালুকদারের ঘরে জন্মগ্রহণ করা শিশুটিই আজকের হাসান মাহমুদ।। বাবা-মা নাম রাখেন হাছান মাহমুদ। সুখবিলাস গ্রামের সে হাছান মাহমুদ এখন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী।।।।

অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন তিনি। ১৯৭৮ সালে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী স্কুল চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাশ করে ভর্তি হন হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজে। তখন মহসীন কলেজর নাম ছিল ইন্টারমিডিয়েট কলেজ। ইন্টারমিডিয়েট কলেজ এবং ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ একীভূত হয়ে মহসীন কলেজ নামকরণ করা হয়। ছোট হাছান মাহমুদকে দায়িত্ব দেওয়া হয় কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের। একই সময়ে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। দক্ষতার হাতে খড়ি হয়। কিন্তু আদতে দেখা দক্ষতা নিয়েই জন্মগ্রহণ করেছেন তিনি।

কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাশ করে হাছান মাহমুদ ভর্তি হন বাংলাদেশের অন্যতম বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে । মেধা আর বিচক্ষণতা দিয়ে একাডেমিক পড়াশুনার পাশাপাশি ছাত্রলীগের রাজনীতি চালিয়ে যান হাছান মাহমুদ।

আওয়ামীলীগের তখন ক্রান্তিকাল। সময়টা ১৯৮০ সাল। ছাত্রলীগ করা তখন দুরুহ ব্যাপার। সেই সময় হতে ছাত্রলীগের হাল ধরে   ছাত্র রাজনীতি করেছেন। এ থেকে কেউ দূরে রাখতে পারেনি হাছান মাহমুদকে। নির্বাচিত হন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে। ১৯৯০ সালে চাকসু নির্বাচনের জন্য গঠিত সর্বদলীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মনোনীত করা হয় হাছান মাহমুদকে।ছাত্ররাজনীতির পাঠ চুকিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য একসময় ইউরোপ চলে যান তিনি। ভর্তি হন বিশ্বের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ ব্রাসেলস এর   ইউনিভার্সিটি অব ব্রীজ এ। পড়াশোনা শেষে বেলজিয়ামের লিমবার্গ ইউনিভার্সিটি সেন্টাম-এর শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ড. হাছান মাহমুদ।

রক্তে যার রাজনীতি বাসা বেঁধেছে তিনি কী আর রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে পারেন? নিজেই সংগঠিত করেন বেলজিয়াম আওয়ামী লীগকে। নির্বাচিত হন বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তখনো পাদপ্রদীপের নিচে ড. হাছান মাহমুদ।ব্রিজে ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া ভিত্তিক স্টুডেন্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় আসেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক রাজনীতির সঙ্গে ড. হাছান মাহমুদের সুসম্পর্ক গড়ে উঠে।

যার হৃদয়ে দেশের প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা তিনি তো আর বিদেশের মাটিতে আরাম আয়েশের জীবন কাটাতে পারেন না! আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে বিদেশে শিক্ষকতার চাকরি ফেলে দেশে ফিরে আসেন। ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সাথে যুক্ত হন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না আসলেও আওয়ামী লীগ সভাপতি আস্থা রাখেন হাছান মাহমুদের উপর। করা হয় শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী। ২০০৮ সাল পর্যন্ত সে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কিছুদিনের মাথায় আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ড. হাছান মাহমুদকে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেন।

এরইমধ্যে দেশে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন খ্যাতিমান পরিবেশবিদ হিসেবে সুপরিচিত হয়ে উঠেন ড. হাছান মাহমুদ। আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-১৫ (মেক্সিকো), কপ-১৬ (ডেনমার্ক), কপ-১৭ (ডারবান), কপ-১৮ (দোহা), কপ-১৯ (পোল্যান্ড), কপ-২০ (লিমা), কপ-২১ (প্যারিস), কপ-২২ (মরক্কো) এ বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল প্রতিনিধিত্ব করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হন। পরিবেশে অনন্য অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক গ্রিন স্টার পদকেও ভূষিত হন এ আন্তর্জাতিক পরিবেশ বিজ্ঞানী। ২০০৮ সালের ৯ম নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে হারিয়ে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন হাছান মাহমুদ। এরপর প্রথমে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ড. হাছান মাহমুদ। পরবর্তীতে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয় হাছান মাহমুদকে।

গত ৫ বছর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. হাছান মাহমুদ। এই সময়ে দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় সফলতার সঙ্গে কাজ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হন তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ পরপর দুই কমিটিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্ব পান। বর্তমানে প্রচার সম্পাদকের পাশাপাশি দলের অন্যতম মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

রাজনীতির পাশাপাশি গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরিবেশ বিজ্ঞানী ড. হাছান মাহমুদ। এর আগে পরিবেশ বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ স্টাডিস বিষয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী আংশিক) সংসদীয় আসনে বিশাল ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেন ড. হাছান মাহমুদ। তাঁর নিকট প্রার্থীকে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৩৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সৎ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এ রাজনীতিবিদ।

দলের জন্য বহু ত্যাগ করেছেন জীবনে। ইচ্ছে করলে আরাম আয়েশে জীবন কাটাতে পারতেন। কিন্তু গনতন্ত্রের জন্য এবং আওয়ামীলীগের জন্য তার ত্যাগ ভুলবার নয়।

তাইতো, আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতাদের যখন মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি। হাছান মাহমুদ তখন পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্য মন্ত্রী হিসেবে তার সফলতার গল্প আরও বিস্তর।।। আরেকদিন শোনাবো সেই গল্প।

ড. হাছান মাহমুদের বাবা চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং দুই মেয়াদে চট্টগ্রাম আদালতের পিপি ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ড. হাছান মাহমুদ দুই কন্যা, এক ছেলের জনক।

রাজনৈতিক জীবনে একজন সফল ব্যক্তিত্বের অধিকারী তিনি। আওয়ামিলীগ এর যে কয়জন ক্লিন ইমেজের নেতা আছেন তার মধ্যে ড.হাসান মাহমুদ অন্যতম। বরাবরই তিনি যুব সমাজের হৃদয়ের স্পন্দন।  দলের সবচেয়ে ঠান্ডা মেজাজের ও সবচেয়ে বুদ্ধিমান বলে মনে করে দেশী বিদেশী রাজনীতিকরা। ব্যক্তিজীবনে দানবীর ও মহৎ হৃদয়ের অধিকারীী এই নেতার কাছে ভাল কোন বিষয়ে আবদার করে নিরাশ হয়েছে এমন রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায় না।।।  তাই তো আওয়ামিলীগের ২১তম সম্মেলনে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা তার উপর আস্থা রেখেছেন।।দায়িত্ব দিয়েছেন যুগ্ম সাধারন সম্পাদকের।।।

লেখক…

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল

সম্পাদক ও প্রকাশক

ক্রাইম ডায়রি  ( সাপ্তাহিক, অনলাইন দৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন) এবং

সভাপতি

জাতীয় সাংবাদিক পরিষদ।

+৮৮ ০১৯১৫ ৫০৬৩৩২

ক্রাইম ডায়রি///জাতীয়//স্পেশাল

Total Page Visits: 55425